তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায় বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ চলাকালেই এই মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে একটি উপন্যাস রচনা করেছেন, যা ১৯৭২ সালে প্রকাশিত হয়। উপন্যাসটির নাম কী?
সঠিক উত্তর
ঘ১৯৭১
ব্যাখ্যা
প্রশ্নটি তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়ের মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে লেখা রচনার নাম জানতে চায়। উত্তর উনিশশো একাত্তর।
সময়টা লক্ষ করুন। মুক্তিযুদ্ধ শুরু হয় ১৯৭১ সালের মার্চে, আর তারাশঙ্কর মারা যান সেই বছরের চোদ্দোই সেপ্টেম্বর। অর্থাৎ যুদ্ধ চলাকালেই তিনি এটি লেখেন, আর নামেও সেই বছরটি রেখেছেন।
তারাশঙ্কর রাঢ় বাংলার জীবনের রূপকার। তাঁর প্রথম উপন্যাস চৈতালী ঘূর্ণি, আর বিখ্যাত উপন্যাস গণদেবতা, হাঁসুলী বাঁকের উপকথা ও আরোগ্য নিকেতন। গণদেবতার জন্য তিনি জ্ঞানপীঠ পুরস্কার পান।
ফাঁদ হলো চৈতালী ঘূর্ণি, কারণ এটিও তারাশঙ্করের উপন্যাস। কিন্তু এটি তাঁর প্রথম উপন্যাস, ১৯৩১ সালে প্রকাশিত, মুক্তিযুদ্ধের চার দশক আগে।
স্টেপ বাই স্টেপ শিখুন
৪/৪- ১৯৩১চৈতালী ঘূর্ণি: তারাশঙ্করের প্রথম উপন্যাস
- ১৯৭১মার্চ: মুক্তিযুদ্ধ শুরু
- ১৯৭১যুদ্ধ চলাকালে লেখা: উনিশশো একাত্তর
- ১৯৭১১৪ সেপ্টেম্বর: তারাশঙ্করের মৃত্যু
- ১৯৩১: তারাশঙ্করের প্রথম উপন্যাস চৈতালী ঘূর্ণি প্রকাশিত।
- ১৯৭১, মার্চ: বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ শুরু।
- যুদ্ধ চলাকালে তারাশঙ্কর লেখেন উনিশশো একাত্তর।
- ১৯৭১, সেপ্টেম্বর: তারাশঙ্করের মৃত্যু।
ক. চৈতালী ঘূর্ণি: চৈতালী ঘূর্ণি তারাশঙ্করের প্রথম উপন্যাস, ১৯৩১ সালে প্রকাশিত; মুক্তিযুদ্ধের বহু আগের রচনা।
খ. রক্তের অক্ষর: তারাশঙ্করের পরিচিত রচনার তালিকায় এই নাম পাওয়া যায় না; তাঁর মুক্তিযুদ্ধের রচনা উনিশশো একাত্তর।
গ. বায়ান্ন বাজার তিপ্পান্ন গলি: তারাশঙ্করের পরিচিত রচনার তালিকায় এই নামও নেই; বায়ান্ন আর তিপ্পান্ন সংখ্যা দেখে সময়ের সঙ্গে গুলিয়ে ফেলার ফাঁদ।
যুদ্ধ চলাকালে লেখা, নামেও সেই বছর: তারাশঙ্করের উনিশশো একাত্তর।
একাত্তরে লেখা, নামও একাত্তর।