আমাদের সম্পর্কে
প্রশ্নব্যাংক নতুন · ফ্রি৩,০২১টি আসল বিসিএস প্রশ্ন, ব্যাখ্যাসহসমাধান ও ব্যাখ্যা
বাংলা ভাষা ও সাহিত্য৪১তম বিসিএস (২০২১)

চর্যাপদের টীকাকারের নাম কি?

সঠিক উত্তর

ঘমুনিদত্ত

ব্যাখ্যা

প্রশ্নটি জানতে চায় চর্যাপদের টীকা কে লিখেছেন। উত্তর মুনিদত্ত, যিনি চর্যার পদগুলোর সংস্কৃত টীকা রচনা করেন।

চর্যাপদের ভাষা সন্ধ্যাভাষা, অর্থাৎ আলো-আঁধারি, যার একটা বাইরের অর্থ আর একটা ভেতরের সাধনতত্ত্বের অর্থ। এই গূঢ় অর্থ বোঝাতেই মুনিদত্ত সংস্কৃতে টীকা লেখেন।

অন্য দুই গবেষকের ভূমিকা আলাদা। হরপ্রসাদ শাস্ত্রী ১৯০৭ সালে নেপালের রাজদরবারের গ্রন্থাগার থেকে চর্যাপদ আবিষ্কার করেন এবং ১৯১৬ সালে প্রকাশ করেন। প্রবোধচন্দ্র বাগচী ১৯৩৮ সালে চর্যার তিব্বতি অনুবাদ আবিষ্কার করেন।

ফাঁদ হলো হরপ্রসাদ শাস্ত্রী, কারণ চর্যাপদের সঙ্গে তাঁর নামই সবচেয়ে বেশি জড়িত। কিন্তু তিনি আবিষ্কারক ও সম্পাদক, টীকাকার নন।

স্টেপ বাই স্টেপ শিখুন

৪/৪
নামচর্যাপদের সঙ্গে সম্পর্ক
মীননাথনাথপন্থের আদিগুরু
হরপ্রসাদ শাস্ত্রীআবিষ্কারক (১৯০৭), প্রকাশক (১৯১৬)
প্রবোধচন্দ্র বাগচীতিব্বতি অনুবাদের আবিষ্কারক (১৯৩৮)
মুনিদত্তসংস্কৃত টীকাকার
  1. মীননাথ: নাথপন্থের আদিগুরু হিসেবে পরিচিত।
  2. হরপ্রসাদ শাস্ত্রী: ১৯০৭ সালে নেপাল থেকে আবিষ্কারক।
  3. প্রবোধচন্দ্র বাগচী: ১৯৩৮ সালে তিব্বতি অনুবাদের আবিষ্কারক।
  4. মুনিদত্ত: চর্যাপদের সংস্কৃত টীকাকার।
অন্য অপশনগুলো কেন ভুল

ক. মীননাথ: মীননাথ নাথপন্থের আদিগুরু হিসেবে পরিচিত; চর্যার টীকা তিনি লেখেননি।

খ. প্রবোধচন্দ্র বাগচী: প্রবোধচন্দ্র বাগচী চর্যার তিব্বতি অনুবাদ আবিষ্কার করেন; তিনি টীকাকার নন।

গ. হরপ্রসাদ শাস্ত্রী: হরপ্রসাদ শাস্ত্রী চর্যাপদের আবিষ্কারক ও সম্পাদক, টীকাকার নন।

শর্টকাট

চর্যাপদের চার ভূমিকা: আবিষ্কার হরপ্রসাদ, টীকা মুনিদত্ত, তিব্বতি অনুবাদ প্রবোধচন্দ্র, বাংলা ভাষার নিদর্শন প্রমাণ সুনীতিকুমার।

মনে রাখুন

মুনির টীকা, শাস্ত্রীর খোঁজ।