‘আমার দেখা নয়াচীন’ কে লিখেছেন?
সঠিক উত্তর
ঘশেখ মুজিবুর রহমান
ব্যাখ্যা
প্রশ্নটি একটি ভ্রমণগ্রন্থের লেখক জানতে চায়। আমার দেখা নয়াচীন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের লেখা।
১৯৫২ সালে তিনি চীনে অনুষ্ঠিত একটি শান্তি সম্মেলনে যোগ দিতে সে দেশ সফর করেন। সদ্য বিপ্লবের পর নতুন চীনের সমাজ, অর্থনীতি আর মানুষের জীবন তিনি যেভাবে দেখেছেন, তা-ই এই বইয়ে লেখা। বইটি প্রকাশিত হয় ২০২০ সালে।
বঙ্গবন্ধুর লেখা তিনটি বই একসঙ্গে মনে রাখুন: অসমাপ্ত আত্মজীবনী, প্রকাশিত ২০১২ সালে; কারাগারের রোজনামচা, ২০১৭ সালে; আর আমার দেখা নয়াচীন, ২০২০ সালে।
বাকি বিকল্পগুলো ভিন্ন পরিচয়ের মানুষ। আবুল ফজলের উপন্যাস রাঙা প্রভাত, আর শহীদুল্লা কায়সারের সংশপ্তক ও সারেং বৌ। মওলানা ভাসানীর চীনঘনিষ্ঠ রাজনীতির কথা মনে করে অনেকে তাঁকে বেছে নেন, কিন্তু বইটি তাঁর নয়।
স্টেপ বাই স্টেপ শিখুন
৩/৩| বঙ্গবন্ধুর বই | প্রকাশ |
|---|---|
| অসমাপ্ত আত্মজীবনী | ২০১২ |
| কারাগারের রোজনামচা | ২০১৭ |
| আমার দেখা নয়াচীন (১৯৫২ সালের চীন সফর) | ২০২০ |
- অসমাপ্ত আত্মজীবনী: প্রকাশ ২০১২।
- কারাগারের রোজনামচা: প্রকাশ ২০১৭।
- আমার দেখা নয়াচীন: ১৯৫২ সালের চীন সফরের অভিজ্ঞতা, প্রকাশ ২০২০।
ক. মওলানা ভাসানী: মওলানা ভাসানীর চীনঘনিষ্ঠ রাজনীতির কারণে এই বিভ্রান্তি হয়, কিন্তু আমার দেখা নয়াচীন তাঁর লেখা নয়।
খ. আবুল ফজল: আবুল ফজল কথাসাহিত্যিক, তাঁর পরিচিত উপন্যাস রাঙা প্রভাত; এই ভ্রমণগ্রন্থ তাঁর নয়।
গ. শহীদুল্লা কায়সার: শহীদুল্লা কায়সারের বিখ্যাত উপন্যাস সংশপ্তক ও সারেং বৌ; আমার দেখা নয়াচীন তাঁর লেখা নয়।
বঙ্গবন্ধুর তিন বই প্রকাশের ক্রমে: আত্মজীবনী, রোজনামচা, নয়াচীন।
বায়ান্নর চীন, দুই হাজার বিশে বই।