বাগযন্ত্রের অংশ কোনটি?
সঠিক উত্তর
ঘউপরের সবকটি
ব্যাখ্যা
প্রশ্নটি জানতে চায় বাগযন্ত্রের অংশ কোনগুলো। ধ্বনি উচ্চারণে শরীরের যেসব প্রত্যঙ্গ কাজ করে, তাদের একসঙ্গে বাগযন্ত্র বলে।
ধ্বনি তৈরির পথটা দেখুন। ফুসফুস থেকে বাতাস বের হয়, তাই ফুসফুস হলো বাতাসের উৎস। গলায় স্বরযন্ত্রে থাকে স্বরতন্ত্রী, যা কেঁপে আওয়াজ তৈরি করে। তারপর মুখে জিহ্বা, তালু, দাঁত, ঠোঁট আর নাক সেই বাতাসকে নানাভাবে বাধা দিয়ে আলাদা আলাদা ধ্বনি গড়ে।
তাই ফুসফুস, স্বরযন্ত্র, দাঁত, তিনটিই বাগযন্ত্রের অংশ, আর উত্তর উপরের সবকটি। দাঁতের সাহায্যে উচ্চারিত ধ্বনিকে বলে দন্ত্য ধ্বনি, যেমন ত, থ, দ, ধ।
ভুল হয় তখন, যখন কেউ শুধু মুখের ভেতরের অঙ্গকে বাগযন্ত্র ভাবেন আর ফুসফুস বাদ দেন। কিন্তু বাতাস ছাড়া কোনো ধ্বনিই হয় না।
স্টেপ বাই স্টেপ শিখুন
৪/৪- ফুসফুস: ধ্বনির জন্য বাতাস জোগায়।
- স্বরযন্ত্র: স্বরতন্ত্রী কেঁপে আওয়াজ তৈরি হয়।
- জিহ্বা, তালু, দাঁত: বাতাসে বাধা দিয়ে ধ্বনি গড়ে।
- ঠোঁট ও নাক মিলিয়ে সবই বাগযন্ত্র, তাই উত্তর উপরের সবকটি।
ক. স্বরযন্ত্র: স্বরযন্ত্র বাগযন্ত্রের অংশ ঠিকই, কিন্তু একমাত্র অংশ নয়; ফুসফুস আর দাঁতও এর অংশ।
খ. ফুসফুস: ফুসফুস বাতাসের উৎস হিসেবে বাগযন্ত্রের অংশ, কিন্তু একা নয়।
গ. দাঁত: দাঁত দন্ত্য ধ্বনি তৈরিতে কাজ করে, তবে বাকি দুটিও বাগযন্ত্রের অংশ, তাই শুধু দাঁত বেছে নেওয়া অসম্পূর্ণ।
সবকটি বিকল্প থাকলে আগে দেখুন প্রতিটি আলাদাভাবে ঠিক কি না; তিনটিই ঠিক হলে উত্তর সবকটি।
ফুসফুস থেকে ঠোঁট পর্যন্ত পুরো পথটাই বাগযন্ত্র।