‘শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্য’ কোথা থেকে উদ্ধার করা হয়েছিল?
সঠিক উত্তর
খগোয়ালঘর থেকে
ব্যাখ্যা
প্রশ্নটি শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যের পুঁথি আবিষ্কারের ঘটনা নিয়ে। ১৯০৯ সালে বসন্তরঞ্জন রায় বিদ্বদ্বল্লভ বাঁকুড়া জেলার কাঁকিল্যা গ্রামে এক গৃহস্থের গোয়ালঘরের মাচা থেকে পুঁথিটি উদ্ধার করেন।
পুঁথিটি ১৯১৬ সালে বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষৎ থেকে ‘শ্রীকৃষ্ণকীর্তন’ নামে প্রকাশিত হয়। এর কবি বড়ু চণ্ডীদাস, আর এটিকে মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের প্রথম নিদর্শন ধরা হয়।
দুটি আবিষ্কার জোড়ায় মনে রাখুন। ১৯০৭ সালে হরপ্রসাদ শাস্ত্রী নেপালের রাজদরবারের গ্রন্থাগার থেকে চর্যাপদ আবিষ্কার করেন। প্রাচীন যুগের চর্যাপদ নেপালে, মধ্যযুগের শ্রীকৃষ্ণকীর্তন গোয়ালঘরে।
ফাঁদ হলো নেপালের রাজদরবার, কারণ সেটি চর্যাপদের আবিষ্কারস্থল।
স্টেপ বাই স্টেপ শিখুন
৩/৩- ১৯০৭চর্যাপদ, নেপালের রাজদরবার
- ১৯০৯শ্রীকৃষ্ণকীর্তন, কাঁকিল্যার গোয়ালঘর
- ১৯১৬বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষৎ থেকে প্রকাশ
- ১৯০৭: চর্যাপদ পাওয়া যায় নেপালের রাজদরবারে।
- ১৯০৯: শ্রীকৃষ্ণকীর্তন পাওয়া যায় বাঁকুড়ার এক গোয়ালঘরে।
- ১৯১৬: বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষৎ থেকে প্রকাশ।
ক. নেপালের রাজদরবার থেকে: নেপালের রাজদরবার থেকে পাওয়া গিয়েছিল চর্যাপদ, শ্রীকৃষ্ণকীর্তন নয়।
গ. পাঠশালা থেকে: পাঠশালা থেকে কোনো বিখ্যাত পুঁথি উদ্ধারের তথ্য নেই; এটি বানানো বিকল্প।
ঘ. কান্তজীর মন্দির থেকে: কান্তজীর মন্দির দিনাজপুরের পোড়ামাটির অলংকরণের জন্য বিখ্যাত, পুঁথি আবিষ্কারের জন্য নয়।
চর্যাপদ নেপালে, শ্রীকৃষ্ণকীর্তন গোয়ালঘরে; আবিষ্কারক হরপ্রসাদ আর বসন্তরঞ্জন।
কৃষ্ণ গোপাল, তাই তাঁর কাব্য মিলল গোয়ালঘরে।