‘আমার সন্তান যেন থাকে দুধেভাতে।’ - এই মনোবাঞ্ছাটি কার?
সঠিক উত্তর
গঈশ্বরী পাটুনীর
ব্যাখ্যা
প্রশ্নের পঙ্ক্তিটি ভারতচন্দ্র রায়গুণাকরের ‘অন্নদামঙ্গল’ কাব্যের। খেয়াঘাটের মাঝি ঈশ্বরী পাটনী দেবী অন্নদাকে নদী পার করে দেন, আর দেবী বর দিতে চাইলে তিনি চান: আমার সন্তান যেন থাকে দুধেভাতে।
এই সরল প্রার্থনা বাংলার সাধারণ মানুষের চিরকালের চাওয়া, তাই পঙ্ক্তিটি প্রবাদের মর্যাদা পেয়েছে। প্রশ্নে বানান ছাপা হয়েছে পাটুনী; প্রচলিত নাম ঈশ্বরী পাটনী।
অন্য চরিত্রগুলোও মঙ্গলকাব্যের। ভবানন্দ মজুমদার অন্নদামঙ্গলেরই আরেক চরিত্র। ভাঁড়ু দত্ত আর ফুল্লরা মুকুন্দরামের চণ্ডীমঙ্গলের চরিত্র: ভাঁড়ু দত্ত ধূর্ত প্রতারক, ফুল্লরা কালকেতুর স্ত্রী।
ফাঁদ হলো ফুল্লরা। তার বারোমাস্যায় দারিদ্র্যের কষ্টের বর্ণনা আছে বলে সন্তানের দুধভাতের কামনাও তার মনে হয়।
স্টেপ বাই স্টেপ শিখুন
৩/৩| চরিত্র | কাব্য | পরিচয় |
|---|---|---|
| ঈশ্বরী পাটনী | অন্নদামঙ্গল | খেয়াঘাটের মাঝি |
| ভবানন্দ | অন্নদামঙ্গল | ভবানন্দ মজুমদার |
| ফুল্লরা | চণ্ডীমঙ্গল | কালকেতুর স্ত্রী |
| ভাঁড়ু দত্ত | চণ্ডীমঙ্গল | ধূর্ত প্রতারক |
- পঙ্ক্তিটি ভারতচন্দ্রের অন্নদামঙ্গলের।
- দেবী অন্নদার কাছে বর চান মাঝি ঈশ্বরী পাটনী।
- ফুল্লরা আর ভাঁড়ু দত্ত চণ্ডীমঙ্গলের চরিত্র।
ক. ভবানন্দের: ভবানন্দ মজুমদার অন্নদামঙ্গলেরই চরিত্র, কিন্তু এই বর তিনি চাননি।
খ. ভাঁড়ুদত্তের: ভাঁড়ু দত্ত চণ্ডীমঙ্গলের ধূর্ত প্রতারক চরিত্র; এই উক্তি তার নয়।
ঘ. ফুল্লরার: ফুল্লরা চণ্ডীমঙ্গলের কালকেতুর স্ত্রী; দারিদ্র্যের বর্ণনার জন্য বিভ্রান্তি হয়, কিন্তু উক্তিটি তার নয়।
দুধেভাতের বর: অন্নদামঙ্গল, ভারতচন্দ্র, মাঝি ঈশ্বরী পাটনী।
অন্নদার কাছে অন্ন চাইল মাঝি: দুধেভাতে থাকুক সন্তান।