চর্যাপদের তিব্বতি অনুবাদ প্রকাশ করেন কে?
সঠিক উত্তর
কপ্রবোধচন্দ্র বাগচী
ব্যাখ্যা
প্রশ্নটা চর্যাপদ আবিষ্কার ও গবেষণার ইতিহাস যাচাই করছে। চর্যাপদ বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের প্রাচীনতম নিদর্শন, আর এর আবিষ্কার ও প্রমাণের কাজ কয়েক ধাপে হয়েছে।
১৯০৭ সালে হরপ্রসাদ শাস্ত্রী নেপালের রাজদরবারের গ্রন্থাগার থেকে চর্যাপদের পুঁথি আবিষ্কার করেন, আর ১৯১৬ সালে বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষৎ থেকে তা প্রকাশ করেন।
পরে ১৯৩৮ সালে প্রবোধচন্দ্র বাগচী চর্যাপদের তিব্বতি অনুবাদ আবিষ্কার ও প্রকাশ করেন। এই অনুবাদের সাহায্যে মূল পুঁথির হারিয়ে যাওয়া ও অস্পষ্ট অংশ বোঝা সহজ হয়।
এখানে সব বিকল্পের পদবি বাগচী, তাই পুরো নামটাই আসল পরীক্ষা। যতীন্দ্রমোহন বাগচী একজন কবি, চর্যাপদ গবেষণার সঙ্গে তাঁর নাম যুক্ত নয়।
স্টেপ বাই স্টেপ শিখুন
৩/৩- ১৯০৭হরপ্রসাদ শাস্ত্রী: নেপালে পুঁথি আবিষ্কার
- ১৯১৬বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষৎ থেকে প্রকাশ
- ১৯৩৮প্রবোধচন্দ্র বাগচী: তিব্বতি অনুবাদ প্রকাশ
- ১৯০৭: হরপ্রসাদ শাস্ত্রী নেপাল রাজদরবার থেকে চর্যাপদ আবিষ্কার করেন।
- ১৯১৬: বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষৎ থেকে চর্যাপদ প্রকাশিত হয়।
- ১৯৩৮: প্রবোধচন্দ্র বাগচী তিব্বতি অনুবাদ প্রকাশ করেন।
খ. যতীন্দ্র মোহন বাগচী: যতীন্দ্রমোহন বাগচী কবি; একই পদবি দেখে বিভ্রান্ত করা হয়েছে।
গ. প্রফুল্ল মোহন বাগচী: চর্যাপদের তিব্বতি অনুবাদের সঙ্গে এই নাম যুক্ত নয়; পদবির মিল দিয়ে বিভ্রান্তি।
ঘ. প্রণয়ভূষণ বাগচী: চর্যাপদের তিব্বতি অনুবাদের সঙ্গে এই নাম যুক্ত নয়; পদবির মিল দিয়ে বিভ্রান্তি।
চর্যাপদের তিন নাম তিন কাজে: হরপ্রসাদ শাস্ত্রী আবিষ্কার, সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় ভাষাতাত্ত্বিক প্রমাণ, প্রবোধচন্দ্র বাগচী তিব্বতি অনুবাদ।
প্রবোধ দিলেন তিব্বতের খোঁজ।