নিচের কোন জন যুদ্ধকাব্যের রচয়িতা নন?
সঠিক উত্তর
ঘসৈয়দ নূরুদ্দীন
ব্যাখ্যা
মধ্যযুগে মুসলিম কবিরা কারবালার যুদ্ধ আর ইসলামের প্রথম যুগের বীরদের কাহিনি নিয়ে অনেক কাব্য লেখেন, এগুলোকে যুদ্ধকাব্য বা জঙ্গনামা বলে। প্রশ্নটা চায় কোন কবি এই ধারায় লেখেননি।
দৌলত উজির বাহরাম খান কারবালার কাহিনি নিয়ে লেখেন ইমাম বিজয়, যা জঙ্গনামা নামেও পরিচিত। সাবিরিদ খানের হানিফা ও কয়রাপরী এবং সৈয়দ সুলতানের জয়কুম রাজার লড়াই, দুটোই যুদ্ধকাব্য।
সৈয়দ নূরুদ্দীন ধর্মতত্ত্ব ও নীতিশিক্ষামূলক কাব্য লিখেছেন, যেমন রাহাতুল কুলুব। যুদ্ধকাব্যের সাথে তাঁর নাম নেই, তাই তিনিই উত্তর।
ফাঁদ হলো দৌলত উজির বাহরাম খান। তিনি লাইলী মজনুর জন্য বেশি পরিচিত, তাই অনেকে ভাবেন তিনি শুধু প্রণয়কাব্যের কবি; কিন্তু তাঁর ইমাম বিজয় যুদ্ধকাব্য।
স্টেপ বাই স্টেপ শিখুন
৪/৪| কবি | কাব্য | ধরন |
|---|---|---|
| দৌলত উজির বাহরাম খান | ইমাম বিজয় (জঙ্গনামা) | যুদ্ধকাব্য |
| সাবিরিদ খান | হানিফা ও কয়রাপরী | যুদ্ধকাব্য |
| সৈয়দ সুলতান | জয়কুম রাজার লড়াই | যুদ্ধকাব্য |
| সৈয়দ নূরুদ্দীন | রাহাতুল কুলুব | ধর্মতত্ত্ব |
- যুদ্ধকাব্য মানে কারবালা ও বীরদের যুদ্ধের কাহিনিকাব্য।
- দৌলত উজির বাহরাম খান: ইমাম বিজয় বা জঙ্গনামা।
- সাবিরিদ খান ও সৈয়দ সুলতান: দুজনেরই যুদ্ধকাব্য আছে।
- সৈয়দ নূরুদ্দীন: ধর্মতত্ত্বমূলক রচনা, যুদ্ধকাব্য নয়।
ক. দৌলত উজির বাহরাম খাঁ: দৌলত উজির বাহরাম খানের ইমাম বিজয় কারবালা নিয়ে যুদ্ধকাব্য; লাইলী মজনুর খ্যাতি দেখে বিভ্রান্ত হওয়ার ফাঁদ।
খ. সাবিরিদ খাঁ: সাবিরিদ খানের হানিফা ও কয়রাপরী যুদ্ধকাব্য।
গ. সৈয়দ সুলতান: সৈয়দ সুলতানের জয়কুম রাজার লড়াই যুদ্ধকাব্য; নবীবংশের জন্য বেশি পরিচিত বলে ভুল হয়।
‘লড়াই’, ‘জঙ্গ’, ‘বিজয়’, ‘হানিফা’ নামের কাব্য প্রায় সবসময় যুদ্ধকাব্য।
লড়াই আর জঙ্গ যেখানে, যুদ্ধকাব্য সেখানে।