আমাদের সম্পর্কে
প্রশ্নব্যাংক নতুন · ফ্রি৩,০২১টি আসল বিসিএস প্রশ্ন, ব্যাখ্যাসহসমাধান ও ব্যাখ্যা
সাধারণ বিজ্ঞান৪৭তম বিসিএস (২০২৫)

আল্ট্রাসনোগ্রাফিতে ব্যবহৃত শব্দের কম্পাঙ্ক কত?

সঠিক উত্তর

খ০১-১০ মেগাহার্জ

ব্যাখ্যা

প্রশ্নটি আল্ট্রাসনোগ্রাফিতে ব্যবহৃত শব্দের কম্পাঙ্ক জানতে চাইছে। বিকল্পগুলোর মধ্যে সঠিক পরিসর এক থেকে দশ মেগাহার্জ।

মানুষ বিশ হার্জ থেকে বিশ হাজার হার্জ পর্যন্ত শব্দ শুনতে পায়। বিশ হাজার হার্জের বেশি কম্পাঙ্কের শব্দ হলো শব্দোত্তর বা আল্ট্রাসাউন্ড। এক মেগাহার্জ মানে দশ লাখ হার্জ, তাই চিকিৎসার আল্ট্রাসাউন্ড শ্রাব্য সীমার চেয়ে বহু গুণ উঁচু।

যন্ত্রের প্রোব দেহে শব্দ পাঠায়, বিভিন্ন টিস্যু থেকে প্রতিধ্বনি ফিরে এলে কম্পিউটার তা দিয়ে ছবি বানায়। কম কম্পাঙ্ক, যেমন তিন থেকে পাঁচ মেগাহার্জ, গভীরে যায়, তাই পেট ও গর্ভের পরীক্ষায় লাগে। বেশি কম্পাঙ্ক অগভীর অংশের সূক্ষ্ম ছবি দেয়, যেমন থাইরয়েড। সাধারণ পরীক্ষার বেশির ভাগই এক থেকে দশ মেগাহার্জের মধ্যে।

ফাঁদ হলো বেশি কম্পাঙ্কের বিকল্পগুলো। খুব বেশি কম্পাঙ্ক দেহের গভীরে পৌঁছাতে পারে না, তাই সাধারণ পরীক্ষায় বিশ থেকে ত্রিশ মেগাহার্জ ব্যবহৃত হয় না।

স্টেপ বাই স্টেপ শিখুন

৪/৪
আল্ট্রাসনোগ্রাফিসাধারণত ১ থেকে ১০ মেগাহার্জ
শব্দোত্তর২০ হাজার হার্জের বেশি
শ্রাব্য শব্দ২০ থেকে ২০ হাজার হার্জ
শব্দেতর২০ হার্জের কম
কম্পাঙ্ক বনাম গভীরতাকম কম্পাঙ্ক গভীরে, বেশি কম্পাঙ্ক সূক্ষ্ম ছবি
  1. শ্রাব্য শব্দ: ২০ Hz থেকে ২০,০০০ Hz।
  2. ২০,০০০ Hz-এর বেশি: আল্ট্রাসাউন্ড।
  3. চিকিৎসায় সাধারণত ১–১০ MHz; ১ MHz = ১০ লাখ Hz।
  4. কম MHz গভীরে যায়, বেশি MHz অগভীর সূক্ষ্ম ছবি দেয়।
অন্য অপশনগুলো কেন ভুল

ক. ০.০১-০১ মেগাহার্জ: এক মেগাহার্জের কম কম্পাঙ্কে ছবির সূক্ষ্মতা খুব কম; সাধারণ পরীক্ষায় ব্যবহৃত হয় না।

গ. ১০-২০ মেগাহার্জ: দশ থেকে বিশ মেগাহার্জ শুধু অগভীর বিশেষ পরীক্ষায় লাগে; সাধারণ পরিসর এক থেকে দশ।

ঘ. ২০-৩০ মেগাহার্জ: বিশ থেকে ত্রিশ মেগাহার্জ দেহের গভীরে পৌঁছাতে পারে না; সাধারণ পরীক্ষায় ব্যবহৃত হয় না।

শর্টকাট

আল্ট্রাসনোগ্রাফি: এক থেকে দশ মেগাহার্জ।

মনে রাখুন

বিশ হাজারের পরে শব্দোত্তর, ডাক্তারের হাতে মেগাহার্জ।