’শ্রীকৃষ্ণকীর্তন’ কাব্যের অংশ নয় কোনটি?
সঠিক উত্তর
ঘপ্রণয় খণ্ড
ব্যাখ্যা
বড়ু চণ্ডীদাসের শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্য তেরোটি অংশে বিভক্ত। বারোটি অংশের নাম খণ্ড, আর শেষ অংশটির নাম রাধাবিরহ, যাকে খণ্ড বলা হয় না।
খণ্ডগুলো ক্রমে: জন্ম, তাম্বুল, দান, নৌকা, ভার, ছত্র, বৃন্দাবন, কালিয়দমন, যমুনা, হার, বাণ ও বংশী খণ্ড; শেষে রাধাবিরহ।
এ তালিকায় প্রণয় খণ্ড নামে কোনো অংশ নেই। কাব্যটি রাধা কৃষ্ণের প্রণয়কাহিনি বলে নামটা বিশ্বাসযোগ্য শোনায়, এটাই ফাঁদ।
তালিকা মনে রাখার কৌশল: কাহিনির জিনিসপত্র ধরে এগোন। পান মানে তাম্বুল, তারপর দান, নৌকা, ভার, ছাতা, হার, বাণ আর বাঁশি।
স্টেপ বাই স্টেপ শিখুন
৩/৩| শ্রীকৃষ্ণকীর্তনের অংশ | আছে কি |
|---|---|
| জন্ম, তাম্বুল, দান, নৌকা খণ্ড | আছে |
| ভার, ছত্র, বৃন্দাবন, কালিয়দমন, যমুনা খণ্ড | আছে |
| হার, বাণ, বংশী খণ্ড | আছে |
| রাধাবিরহ | আছে, খণ্ড নামে নয় |
| প্রণয় খণ্ড | নেই |
- শ্রীকৃষ্ণকীর্তন তেরো অংশে বিভক্ত।
- বারোটি খণ্ড: জন্ম থেকে বংশী, তার মধ্যে নৌকা ও হার খণ্ড আছে।
- শেষ অংশ রাধাবিরহ; প্রণয় খণ্ড নামে কিছু নেই।
ক. নৌকা খণ্ড: নৌকা খণ্ড শ্রীকৃষ্ণকীর্তনের একটি খণ্ড, তাই এটি অংশ নয় বলা যাবে না।
খ. হার খণ্ড: হার খণ্ড শ্রীকৃষ্ণকীর্তনের একটি খণ্ড।
গ. রাধা বিরহ: রাধাবিরহ কাব্যের শেষ অংশ; খণ্ড নামে না হলেও এটি কাব্যেরই অংশ।
শ্রীকৃষ্ণকীর্তন: বারো খণ্ড আর এক রাধাবিরহ, মোট তেরো।
পান থেকে বাঁশি, শেষে বিরহ; প্রণয় খণ্ড নেই।