'ব্যাং' শব্দটি 'ং' দিয়ে লিখতে হবে, কারণ-
সঠিক উত্তর
কএর হসন্ত উচ্চারণ ং হয়
ব্যাখ্যা
প্রশ্নটি অনুস্বার আর ঙ লেখার নিয়ম নিয়ে। বাংলা একাডেমির প্রমিত বানানের নিয়ম হলো, শব্দের শেষে ঙ ধ্বনি হসন্ত হয়ে উচ্চারিত হলে অনুস্বার লেখা হয়।
ব্যাং শব্দের শেষে ঙ ধ্বনির পরে কোনো স্বর উচ্চারিত হয় না, ধ্বনিটি হসন্ত। তাই লেখা হয় ব্যাং। একইভাবে রং, সং, ঢং, পালং।
কিন্তু পরে স্বর বা বিভক্তি এলে ধ্বনিটি আর হসন্ত থাকে না, তখন ঙ লেখা হয়। যেমন ব্যাঙের, রঙের, ঢঙে, ব্যাঙাচি। অর্থাৎ বানান ঠিক করে উচ্চারণ, শব্দের অক্ষরসংখ্যা নয়।
ফাঁদ হলো একাক্ষর শব্দের বিকল্পটি। ব্যাং একাক্ষর ঠিকই, কিন্তু দুই অক্ষরের পালং শব্দের শেষেও অনুস্বার বসে। তাই আসল কারণ হসন্ত উচ্চারণ।
স্টেপ বাই স্টেপ শিখুন
৩/৩শব্দের শেষে হসন্ত ঙ ধ্বনি → ং; পরে স্বর বা বিভক্তি → ঙ
- ব্যাং উচ্চারণে শেষের ঙ ধ্বনি হসন্ত, পরে কোনো স্বর নেই।
- বিভক্তি যোগ হলে স্বর আসে, তখন ঙ: ব্যাঙ + এর = ব্যাঙের।
- নিয়ম: শেষে হসন্ত হলে ং, পরে স্বর এলে ঙ।
খ. ্যা-এর পর ং হয়: য-ফলা আর আ-কারের পর ং বসার কোনো নিয়ম নেই; একই অবস্থানে ব্যাঙের বা ব্যাঙাচিতে ঙ বসে।
গ. ' ং’ বাংলা ভাষার নিজস্ব বর্ণ: অনুস্বার সংস্কৃত বর্ণমালাতেও আছে, শুধু বাংলার নিজস্ব নয়; আর বর্ণের উৎস বানানের এই নিয়মের কারণ নয়।
ঘ. ব্যাং একটি একাক্ষর শব্দ: ব্যাং একাক্ষর হলেও নিয়মটি অক্ষরসংখ্যার নয়; দুই অক্ষরের পালং শব্দেও শেষে ং বসে।
শেষে হসন্ত হলে ং, পরে স্বর বা বিভক্তি এলে ঙ: রং কিন্তু রঙিন, ব্যাং কিন্তু ব্যাঙের, ঢং কিন্তু ঢঙে।
থামলে অনুস্বার, চললে ঙ।