জসীম উদ্দীনের 'কবর' কবিতাটি কোন কাব্যের অন্তর্গত?
সঠিক উত্তর
খরাখালী
ব্যাখ্যা
জসীমউদ্দীনের কবর কবিতাটি তাঁর প্রথম কাব্যগ্রন্থ রাখালীর অন্তর্গত, যা ১৯২৭ সালে প্রকাশিত হয়।
কবিতাটিতে এক বৃদ্ধ দাদু নাতিকে একে একে প্রিয়জনদের কবর দেখিয়ে স্মৃতিচারণ করেন। কবি ছাত্র থাকা অবস্থাতেই এটি কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রবেশিকার বাংলা সংকলনে পাঠ্য হয়।
জসীমউদ্দীনের অন্য কাব্য: নকশী কাঁথার মাঠ, সোজন বাদিয়ার ঘাট, বালুচর, ধানক্ষেত, মা যে জননী কান্দে। কবর আর নকশী কাঁথার মাঠ সবচেয়ে বেশি পরীক্ষায় আসে।
বাকি তিনটি বিকল্পও জসীমউদ্দীনের বই, তাই লেখক চিনে উত্তর হবে না; কবর মানেই রাখালী, এই জোড়াটি মনে রাখুন।
স্টেপ বাই স্টেপ শিখুন
৩/৩| জসীমউদ্দীনের কাব্য | মনে রাখার তথ্য |
|---|---|
| বালুচর | কাব্যগ্রন্থ |
| ধানক্ষেত | কাব্যগ্রন্থ |
| মা যে জননী কান্দে | কাব্যগ্রন্থ |
| রাখালী | প্রথম কাব্য, ১৯২৭; কবর কবিতা |
- চারটি বিকল্পই জসীমউদ্দীনের কাব্য।
- তাঁর প্রথম কাব্যগ্রন্থ রাখালী, ১৯২৭।
- কবর কবিতাটি রাখালীতে আছে।
ক. বালুচর: বালুচর জসীমউদ্দীনের কাব্যগ্রন্থ, কিন্তু কবর এতে নেই।
গ. ধানক্ষেত: ধানক্ষেত জসীমউদ্দীনের আরেকটি কাব্য; কবর কবিতা এর অন্তর্গত নয়।
ঘ. মা যে জননী কান্দে: মা যে জননী কান্দে জসীমউদ্দীনের কাব্যগ্রন্থ; কবর এখানে নেই।
কবর = রাখালী; নকশী কাঁথার মাঠ আলাদা কাহিনিকাব্য।
রাখাল দাদুর কবর, রাখালী কাব্যে।