কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি · পাতা ৯
১৬১. এনড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেমের ক্ষেত্রে নিচের কোনটি সঠিক? (৩৭তম বিসিএস, ২০১৬)
- কএটির নির্মাতা গুগল
- খএটি লিনাক্স কার্নেল নির্ভর
- গএটি প্রধানত টাচস্ক্রিন মোবাইল ডিভাইসের জন্য তৈরি
- ঘউপরের সবগুলো সঠিক
সঠিক উত্তর: ঘ. উপরের সবগুলো সঠিক
প্রশ্নটি অ্যান্ড্রয়েড সম্পর্কে সঠিক তথ্য জানতে চেয়েছে। উত্তর উপরের সবগুলো সঠিক, কারণ তিনটি তথ্যই সত্য।
অ্যান্ড্রয়েড প্রথমে অ্যান্ডি রুবিনের অ্যান্ড্রয়েড ইনকর্পোরেটেড নামের ছোট কোম্পানি তৈরি শুরু করে। ২০০৫ সালে গুগল কোম্পানিটি কিনে নেয়, আর তখন থেকে গুগলই এর মূল নির্মাতা ও উন্নয়নকারী। প্রথম অ্যান্ড্রয়েড ফোন বাজারে আসে ২০০৮ সালে।
অ্যান্ড্রয়েডের ভিত্তি লিনাক্স কার্নেল। কার্নেল হলো অপারেটিং সিস্টেমের কেন্দ্র, যা প্রসেসর, মেমোরি ও যন্ত্রাংশ সামলায়। আর অ্যান্ড্রয়েড মূলত টাচস্ক্রিন মোবাইল যন্ত্র, অর্থাৎ স্মার্টফোন ও ট্যাবলেটের জন্য নকশা করা; পরে টিভি, ঘড়ি ও গাড়ির জন্যও সংস্করণ এসেছে।
এ ধরনের প্রশ্নে একটি তথ্য সঠিক দেখে থেমে যাওয়াই সাধারণ ভুল। গুগল প্রথম থেকে নির্মাতা ছিল না বলে কেউ প্রথম তথ্যে সন্দেহ করতে পারেন, কিন্তু প্রচলিত অর্থে অ্যান্ড্রয়েড গুগলের তৈরি বলেই ধরা হয়।
মনে রাখুন: অ্যান্ড্রয়েড তিন শব্দে: গুগল, লিনাক্স, টাচস্ক্রিন।
১৬২. আইওএস (IOS) মোবাইল অপারেটিং সিস্টেমটি কোন প্রতিষ্ঠান বাজারজাত করে? (৩৭তম বিসিএস, ২০১৬)
- কঅ্যাপল
- খগুগল
- গমাইক্রোসফট
- ঘআইবিএম
সঠিক উত্তর: ক. অ্যাপল
প্রশ্নটি জানতে চেয়েছে আইওএস মোবাইল অপারেটিং সিস্টেম কোন প্রতিষ্ঠান বাজারজাত করে। উত্তর অ্যাপল। ২০০৭ সালে প্রথম আইফোনের সঙ্গে এটি আসে, শুরুতে নাম ছিল আইফোন ওএস; ২০১০ সালে নাম বদলে আইওএস রাখা হয়।
আইওএস শুধু অ্যাপলের নিজের যন্ত্র, যেমন আইফোন ও আইপড টাচে চলে; অন্য কোনো কোম্পানি এটি ব্যবহার করতে পারে না। আইপ্যাডেও শুরুতে আইওএস চলত।
অন্য তিনটি কোম্পানির মোবাইল অপারেটিং সিস্টেম আলাদা। গুগলের অ্যান্ড্রয়েড, আর মাইক্রোসফটের ছিল উইন্ডোজ ফোন। আইবিএম মূলত বড় ব্যবসায়িক কম্পিউটার ও সেবার প্রতিষ্ঠান, তাদের কোনো জনপ্রিয় মোবাইল অপারেটিং সিস্টেম নেই।
ফাঁদ হলো আইবিএম। নামের শুরুর আই অক্ষর দেখে আইওএস-এর সঙ্গে মেলানো যায়, কিন্তু আইওএস-এর আই এসেছে আইফোন থেকে।
মনে রাখুন: আইফোন, আইপ্যাড, আইওএস: আই-পরিবার মানেই অ্যাপল।
১৬৩. EDSAC কম্পিউটার -এ ডাটা সংরক্ষণের জন্য কি ধরনের মেমোরি ব্যবহার হতো? (৩৭তম বিসিএস, ২০১৬)
- কRAM
- খROM
- গMercury Delay Lines
- ঘRegisters
সঠিক উত্তর: গ. Mercury Delay Lines
প্রশ্নটি জানতে চেয়েছে এডস্যাক কম্পিউটারে ডেটা রাখার জন্য কোন মেমোরি ব্যবহার হতো। উত্তর মার্কারি ডিলে লাইন। এডস্যাক যুক্তরাজ্যের কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ে মরিস উইলকসের দল তৈরি করে, আর এটি ১৯৪৯ সালের মে মাসে প্রথম প্রোগ্রাম চালায়।
মার্কারি ডিলে লাইন হলো পারদ ভরা লম্বা নল। নলের এক প্রান্তে বিদ্যুৎ সংকেতকে শব্দতরঙ্গের স্পন্দনে বদলে পাঠানো হতো; পারদের ভেতর দিয়ে যেতে যে সময় লাগে, সেই সময়টুকু তথ্য নলের ভেতরে থাকত। অন্য প্রান্তে সংকেত ধরে আবার শুরুতে পাঠানো হতো, এভাবে তথ্য ঘুরে ঘুরে জমা থাকত।
মেমোরি প্রযুক্তির ধারা মনে রাখুন: চল্লিশের দশকের শেষে ডিলে লাইন ও উইলিয়ামস টিউব, পঞ্চাশের দশকে ম্যাগনেটিক কোর মেমোরি, আর সত্তরের দশক থেকে সেমিকন্ডাক্টর র্যাম ও রম।
ফাঁদ হলো র্যাম ও রম, কারণ আজকের কম্পিউটারে এ দুটিই পরিচিত। সেমিকন্ডাক্টর র্যাম ও রম এডস্যাকের দুই দশক পরে এসেছে। আর রেজিস্টার প্রসেসরের ভেতরের ছোট জায়গা, মূল ডেটা সংরক্ষণের মেমোরি নয়।
মনে রাখুন: প্রথম প্রজন্মের কম্পিউটারের মেমোরি: ডিলে লাইন, উইলিয়ামস টিউব, পরে ম্যাগনেটিক কোর; চিপ নয়।
১৬৪. ই-কমার্স সাইট amazon.com কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয়? (৩৭তম বিসিএস, ২০১৬)
- ক১৯৯০ সালে
- খ১৯৮৮ সালে
- গ১৯৯৪ সালে
- ঘ১৯৯৮ সালে
সঠিক উত্তর: গ. ১৯৯৪ সালে
প্রশ্নটি জানতে চেয়েছে অ্যামাজন ডট কম কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। উত্তর ১৯৯৪। ওই বছরের জুলাইয়ে জেফ বেজোস যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন অঙ্গরাজ্যে নিজের গ্যারেজে কোম্পানিটি শুরু করেন; শুরুতে নাম ছিল ক্যাডাব্রা।
অ্যামাজনের ওয়েবসাইট চালু হয় ১৯৯৫ সালে, শুরুতে শুধু অনলাইনে বই বিক্রির দোকান হিসেবে। পরে এটি প্রায় সব ধরনের পণ্যের বাজার হয়ে ওঠে, আর আজ ক্লাউড সেবা অ্যামাজন ওয়েব সার্ভিসেসেরও বড় প্রতিষ্ঠান।
কাছাকাছি সালগুলো মনে রাখুন: ১৯৯৫ সালে ওয়েবসাইট চালু ও একই বছর ইবে, ১৯৯৭ সালে অ্যামাজন শেয়ারবাজারে আসে, আর ১৯৯৮ সালে গুগল প্রতিষ্ঠিত হয়।
ফাঁদ হলো ১৯৯৮, কারণ সেটা গুগলের প্রতিষ্ঠার সাল। আর ১৯৮৮ বা ১৯৯০ সালে সাধারণ মানুষের জন্য ওয়েবই ছিল না, অনলাইন দোকান তো দূরের কথা।
মনে রাখুন: অ্যামাজন ৯৪, গুগল ৯৮, ফেসবুক ২০০৪: ক্রমটা মনে রাখুন।
১৬৫. ই-মেইল আদান প্রদানে ব্যবহৃত SMTP এর পূর্ণরূপ কি? (৩৭তম বিসিএস, ২০১৬)
- কSimple Message Transmission Protocol
- খStrategic Mail Transfer Protocol
- গStrategic Mail Transmission Protocol
- ঘSimple Mail Transfer Protocol
সঠিক উত্তর: ঘ. Simple Mail Transfer Protocol
প্রশ্নটি ই-মেইল পাঠানোর প্রোটোকল এসএমটিপি-র পূর্ণরূপ জানতে চেয়েছে। উত্তর সিম্পল মেইল ট্রান্সফার প্রোটোকল। প্রোটোকল মানে যন্ত্রগুলোর মধ্যে তথ্য বিনিময়ের নির্দিষ্ট নিয়ম।
এসএমটিপি ই-মেইল পাঠানোর কাজ করে: আপনার ই-মেইল অ্যাপ থেকে মেইল সার্ভারে, আর এক সার্ভার থেকে প্রাপকের সার্ভারে বার্তা পৌঁছে দেয়। নামের ট্রান্সফার শব্দটিই বলে দেয় এর কাজ স্থানান্তর।
প্রাপক যখন নিজের সার্ভার থেকে মেইল নামিয়ে পড়েন, তখন লাগে অন্য প্রোটোকল: পপ থ্রি, যা মেইল নামিয়ে আনে, অথবা আইম্যাপ, যা সার্ভারে রেখেই সব যন্ত্রে মেলায়। তাই মনে রাখুন, এসএমটিপি পাঠায়, পপ ও আইম্যাপ গ্রহণ করে।
ভুল বিকল্পগুলো মূল শব্দ বদলে বানানো: মেইলের বদলে মেসেজ, সিম্পলের বদলে স্ট্র্যাটেজিক, ট্রান্সফারের বদলে ট্রান্সমিশন। চার অক্ষরের প্রতিটি শব্দ মিলিয়ে নিলেই ফাঁদ এড়ানো যায়।
মনে রাখুন: এসএমটিপি = সেন্ড মেইল টু পিপল ভেবে মনে রাখুন: পাঠানোর প্রোটোকল।
১৬৬. TCP দিয়ে কোনটি বোঝানো হয়? (৩৭তম বিসিএস, ২০১৬)
- কপ্রোগ্রাম
- খপ্রোটোকল
- গপ্রোগ্রামিং
- ঘফ্লোচার্ট
সঠিক উত্তর: খ. প্রোটোকল
প্রশ্নটি জানতে চেয়েছে টিসিপি দিয়ে কী বোঝানো হয়। উত্তর প্রোটোকল। টিসিপি-র পূর্ণরূপ ট্রান্সমিশন কন্ট্রোল প্রোটোকল, যা ইন্টারনেটে নির্ভরযোগ্যভাবে তথ্য পৌঁছে দেওয়ার নিয়ম।
টিসিপি বড় তথ্যকে ছোট ছোট প্যাকেটে ভাগ করে, প্রতিটিতে ক্রমিক নম্বর দেয়, আর প্রাপকের কাছ থেকে পৌঁছানোর নিশ্চয়তা নেয়। কোনো প্যাকেট হারালে আবার পাঠায়, আর প্রাপকের দিকে নম্বর মিলিয়ে ঠিক ক্রমে সাজায়। তাই ই-মেইল বা ওয়েবপাতা অক্ষত পৌঁছায়।
ইন্টারনেটের টিসিপি-আইপি মডেলে চারটি স্তর। সবচেয়ে ওপরে অ্যাপ্লিকেশন স্তর, যেখানে এইচটিটিপি ও এসএমটিপি; তার নিচে ট্রান্সপোর্ট স্তর, যেখানে টিসিপি ও ইউডিপি; তারপর ইন্টারনেট স্তর, যেখানে আইপি ঠিকানা দিয়ে পথ ঠিক হয়; আর সবচেয়ে নিচে নেটওয়ার্ক অ্যাকসেস স্তর, যেমন ইথারনেট ও ওয়াই-ফাই।
ফাঁদ হলো প্রোগ্রাম, কারণ টিসিপি সফটওয়্যারের ভেতরেই চলে। কিন্তু টিসিপি নিজে কোনো প্রোগ্রাম নয়, নিয়মের সমষ্টি; শেষের পি অক্ষরটিই প্রোটোকল।
মনে রাখুন: সংক্ষেপের শেষে পি থাকলে (টিসিপি, এইচটিটিপি, এফটিপি, এসএমটিপি) সাধারণত প্রোটোকল।
১৬৭. Push এবং Pop নিচের কার সাথে সম্পর্কিত? (৩৭তম বিসিএস, ২০১৬)
- কQueue
- খStack
- গUnion
- ঘArray
সঠিক উত্তর: খ. Stack
প্রশ্নটি জানতে চেয়েছে পুশ ও পপ কোন ডেটা স্ট্রাকচারের সঙ্গে জড়িত। উত্তর স্ট্যাক। স্ট্যাকে একটির ওপর আরেকটি উপাদান রাখা হয়, আর সবসময় শুধু ওপরের প্রান্তে যোগ বা বাদ দেওয়া যায়।
পুশ মানে স্ট্যাকের ওপরে নতুন উপাদান রাখা, আর পপ মানে ওপরের উপাদানটি তুলে নেওয়া। তাই যেটি সবার শেষে ঢোকে, সেটিই সবার আগে বের হয়; একে বলে লাস্ট ইন ফার্স্ট আউট বা লিফো নীতি। থালার স্তূপের কথা ভাবুন: ওপরের থালাটাই আগে নেওয়া হয়।
কিউ এর উল্টো: যে আগে ঢোকে সে আগে বের হয়, ফিফো নীতি, যেমন টিকিটের লাইন। কিউয়ের কাজের নাম এনকিউ ও ডিকিউ। অ্যারে হলো ক্রমিক নম্বর ধরে উপাদান রাখার সারি, আর ইউনিয়ন সি ভাষার একটি ডেটা ধরন, যেখানে কয়েকটি চলক একই মেমোরি ভাগ করে।
ফাঁদ হলো কিউ, কারণ এটিও উপাদান ঢোকানো আর বের করার কাঠামো। কিন্তু পুশ-পপ শব্দ জোড়া স্ট্যাকের, কিউয়ের শব্দ জোড়া এনকিউ-ডিকিউ।
মনে রাখুন: পুশ-পপ মানে স্ট্যাক ও লিফো; এনকিউ-ডিকিউ মানে কিউ ও ফিফো।
১৬৮. ওয়াই-ফাই (Wi- Fi) নেটওয়ার্কে সংযোগের জন্য সংশ্লিষ্ট ডিভাইসটির সংযোগ মাধ্যম কোনটি? (৩৭তম বিসিএস, ২০১৬)
- কতামার তার
- খঅপটিক্যাল ফাইবার
- গতারহীন সংযোগ
- ঘউপরের সবকটি
সঠিক উত্তর: গ. তারহীন সংযোগ
প্রশ্নটি জানতে চেয়েছে ওয়াই-ফাই নেটওয়ার্কে যন্ত্র কোন মাধ্যমে যুক্ত হয়। উত্তর তারহীন সংযোগ। ওয়াই-ফাই বেতার তরঙ্গ ব্যবহার করে; সাধারণত দুই দশমিক চার বা পাঁচ গিগাহার্টজের তরঙ্গে রাউটার আর যন্ত্রের মধ্যে তথ্য আদান-প্রদান হয়।
ওয়াই-ফাই চলে আইইইই আট শূন্য দুই দশমিক এগারো মানদণ্ডে। রাউটার বা অ্যাকসেস পয়েন্ট নিজে হয়তো তারের মাধ্যমে ইন্টারনেট পায়, কিন্তু মোবাইল বা ল্যাপটপ রাউটারের সঙ্গে যুক্ত হয় তার ছাড়াই।
তামার তার ব্যবহার হয় তারযুক্ত ইথারনেট ল্যানে, যেমন অফিসের টুইস্টেড পেয়ার কেবলে। অপটিক্যাল ফাইবারে তথ্য যায় আলোর স্পন্দনে, শহর বা দেশের মধ্যে বড় দূরত্বে উচ্চগতির সংযোগের জন্য।
ফাঁদ হলো উপরের সবকটি, কারণ ওয়াই-ফাই রাউটারের পেছনে তার ও ফাইবার থাকতে পারে। কিন্তু প্রশ্ন চেয়েছে যন্ত্রটি ওয়াই-ফাই নেটওয়ার্কে কীভাবে যুক্ত হয়, আর সেটা তারহীন।
মনে রাখুন: ওয়াই-ফাই, ব্লুটুথ, ইনফ্রারেড, ওয়াইম্যাক্স: সব তারহীন; ইথারনেট তামার তারে।
১৬৯. কম্পিউটার সিস্টেম এ Scanner একটি কোন ধরনের যন্ত্র? (৩৫তম বিসিএস, ২০১৫)
- কInput
- খOut put
- গউভয়েই
- ঘকোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর: ক. Input
প্রশ্নটি জানতে চেয়েছে স্ক্যানার কোন ধরনের যন্ত্র। উত্তর ইনপুট যন্ত্র। ইনপুট যন্ত্র বাইরের তথ্য কম্পিউটারের ভেতরে পাঠায়, আর আউটপুট যন্ত্র কম্পিউটারের ফলাফল আমাদের সামনে দেখায় বা ছাপে।
স্ক্যানার কাগজের ছবি বা লেখার ওপর আলো ফেলে তা ডিজিটাল ছবিতে রূপান্তর করে কম্পিউটারে পাঠায়। তথ্য বাইরে থেকে ভেতরে যাচ্ছে, তাই এটি ইনপুট যন্ত্র; কি-বোর্ড, মাউস, ওয়েবক্যামও একই দলে।
মনিটর, প্রিন্টার, প্লটার, স্পিকার আউটপুট যন্ত্র। আর কিছু যন্ত্র দুটো কাজই করে, যেমন টাচস্ক্রিন বা মডেম; এগুলোকে ইনপুট-আউটপুট যন্ত্র বলে।
ফাঁদ হলো স্ক্যানারকে প্রিন্টারের মতো দেখতে বলে আউটপুট বা উভয় ভাবা। মাল্টিফাংশন প্রিন্টারে স্ক্যানার ও প্রিন্টার একসঙ্গে থাকে, কিন্তু স্ক্যানার অংশটি একা শুধু ইনপুট দেয়।
মনে রাখুন: যন্ত্রটি কম্পিউটারকে তথ্য দেয় না নেয়, সেটা ভাবুন: স্ক্যান করা মানে কম্পিউটারকে ছবি দেওয়া।
১৭০. কম্পিউটারের মূল মেমোরি তৈরি হয় কি দিয়ে? (৩৫তম বিসিএস, ২০১৫)
- কএলুমিনিয়াম
- খপ্লাসটিক
- গসিলিকন
- ঘকোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর: গ. সিলিকন
প্রশ্নটি জানতে চেয়েছে কম্পিউটারের মূল মেমোরি কী দিয়ে তৈরি। উত্তর সিলিকন। র্যাম ও রমের মতো মূল মেমোরি আসলে সেমিকন্ডাক্টর চিপ, আর এই চিপ তৈরি হয় বিশুদ্ধ সিলিকনের পাতলা চাকতি বা ওয়েফারের ওপর।
সিলিকন একটি অর্ধপরিবাহী পদার্থ: এটি তামার মতো পুরো পরিবাহী নয়, আবার প্লাস্টিকের মতো পুরো অন্তরকও নয়। সামান্য অন্য মৌল মিশিয়ে এর বিদ্যুৎ চলাচল নিয়ন্ত্রণ করা যায়, তাই এর ওপর কোটি কোটি ক্ষুদ্র ট্রানজিস্টর বানানো সম্ভব। এই ট্রানজিস্টর দিয়ে গড়া ক্ষুদ্র কোষগুলো একেকটি শূন্য বা এক মনে রাখে।
সিলিকন আসে বালু থেকে; বালু মূলত সিলিকন ডাই-অক্সাইড। পৃথিবীর ভূত্বকে অক্সিজেনের পরেই সিলিকন সবচেয়ে বেশি পাওয়া যায়, তাই এটি সহজলভ্য ও সস্তা।
ফাঁদ হলো অ্যালুমিনিয়াম। কম্পিউটারের কেসিং বা তাপ সরানোর হিটসিংকে অ্যালুমিনিয়াম ব্যবহার হয়, কিন্তু মেমোরি চিপের মূল উপাদান সিলিকন।
মনে রাখুন: চিপ মানেই সিলিকন; এজন্য প্রযুক্তি অঞ্চলের নাম সিলিকন ভ্যালি।
১৭১. Back up প্রোগ্রাম বলতে কী বোঝানো হয়? (৩৫তম বিসিএস, ২০১৫)
- কনির্ধারিত ফাইল কপি করা
- খআগের প্রোগ্রামে ফিরে যাওয়া
- গসবশেষ পরিবর্তন Undo করা
- ঘকোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর: ক. নির্ধারিত ফাইল কপি করা
প্রশ্নটি ব্যাকআপ শব্দের অর্থ জানতে চেয়েছে। ব্যাকআপ মানে গুরুত্বপূর্ণ নির্ধারিত ফাইল বা ডেটার একটি অতিরিক্ত কপি আলাদা জায়গায় রেখে দেওয়া, যাতে মূল ফাইল হারালে বা নষ্ট হলে কপি থেকে ফিরিয়ে আনা যায়।
কপিটি সাধারণত অন্য কোনো মাধ্যমে রাখা হয়: আলাদা হার্ডডিস্ক, পেনড্রাইভ বা ক্লাউড স্টোরেজে। ভাইরাস আক্রমণ, হার্ডডিস্ক নষ্ট হওয়া বা ভুল করে মুছে ফেলার মতো বিপদে ব্যাকআপই ভরসা। আর ব্যাকআপ থেকে ফাইল ফিরিয়ে আনাকে বলে রিস্টোর।
আন-ডু হলো এক ধাপের ভুল কাজ ফিরিয়ে নেওয়া, আর আগের প্রোগ্রামে ফিরে যাওয়া তো কেবল এক প্রোগ্রাম থেকে আরেকটিতে যাওয়া। কোনোটিতেই ডেটার আলাদা কপি তৈরি হয় না।
ফাঁদ হলো আন-ডু। দুটোই কিছু ফিরিয়ে আনে বলে মিল মনে হয়, কিন্তু আন-ডু কাজ করে শুধু খোলা ফাইলে, আর ব্যাকআপ রাখে ফাইলের পূর্ণ আলাদা কপি।
মনে রাখুন: ব্যাকআপ মানে কপি, রিস্টোর মানে সেই কপি থেকে ফেরত আনা।
১৭২. একটি প্রতিষ্ঠানে ডিভাইস ভাগাভাগি করে নেয়ার সুবিধা হলো - - (৩৫তম বিসিএস, ২০১৫)
- কঅর্থ সাশ্রয়
- খসময় সাশ্রয়
- গস্থানের সাশ্রয়
- ঘউপরের সবকটি
সঠিক উত্তর: ঘ. উপরের সবকটি
প্রশ্নটি জানতে চেয়েছে একটি প্রতিষ্ঠানে নেটওয়ার্কের মাধ্যমে যন্ত্র ভাগাভাগি করার সুবিধা কী। উত্তর উপরের সবকটি, কারণ ভাগাভাগিতে অর্থ, সময় ও জায়গা তিনটিই বাঁচে।
ধরুন একটি অফিসে বিশটি কম্পিউটার আছে। প্রত্যেকের জন্য আলাদা প্রিন্টার না কিনে একটি নেটওয়ার্ক প্রিন্টার ভাগ করলে কেনার খরচ, কালি আর রক্ষণাবেক্ষণের খরচ কমে; এটা অর্থ সাশ্রয়।
সবাই নিজের টেবিল থেকেই ছাপাতে পারেন, পেনড্রাইভে ফাইল নিয়ে অন্যের কম্পিউটারে দৌড়াতে হয় না; এটা সময় সাশ্রয়। আর অনেক যন্ত্রের বদলে একটি যন্ত্র রাখায় অফিসের জায়গাও বাঁচে।
এ ধরনের প্রশ্নে একটি সুবিধা দেখেই টিক দেওয়া সাধারণ ভুল। প্রতিটি বিকল্প আলাদাভাবে সত্য কি না যাচাই করুন; সবগুলো সত্য হলে উত্তর সবকটি।
মনে রাখুন: প্রতিটি বিকল্প আলাদা করে সত্য কি না দেখুন; সবগুলো সত্য হলে সবকটি।
১৭৩. নিচের কোন সাইটটি কেনা-বেচার জন্য নয়? (৩৫তম বিসিএস, ২০১৫)
- কekanei.com
- খOlx.com
- গgoogle.com
- ঘAmazon.com
সঠিক উত্তর: গ. google.com
প্রশ্নটি জানতে চেয়েছে কোন সাইটটি কেনাবেচার জন্য নয়। উত্তর গুগল ডট কম। গুগল মূলত একটি সার্চ ইঞ্জিন: ইন্টারনেটে তথ্য, ছবি, ওয়েবসাইট খুঁজে দেয়। এটি নিজে পণ্য কেনাবেচার বাজার নয়।
অ্যামাজন ডট কম বিশ্বের বৃহত্তম অনলাইন খুচরা বাজারগুলোর একটি; এখানে সরাসরি পণ্য কেনা যায়। ওএলএক্স ডট কম একটি ক্লাসিফায়েড বিজ্ঞাপনের সাইট, যেখানে মানুষ পুরোনো বা নতুন জিনিস বিক্রির বিজ্ঞাপন দেয়।
বিকল্পে ছাপা একানেই ডট কম আসলে এখানেই ডট কম নামে বাংলাদেশের একটি অনলাইন কেনাবেচার বিজ্ঞাপনের সাইট ছিল। নামটাই বাংলা শব্দ এখানেই, মানে জিনিস এখানেই পাওয়া যায়।
ফাঁদ হলো গুগলে কেনাকাটার বিজ্ঞাপন ও শপিং ফলাফল দেখা যায় বলে একে কেনাবেচার সাইট ভাবা। গুগল শুধু খুঁজে দেয়; কেনাবেচা হয় অন্য বিক্রেতার সাইটে।
মনে রাখুন: কোনটি দলছুট খুঁজুন: তিনটি বাজার, একটি সার্চ ইঞ্জিন।
১৭৪. নিচের কোনটি ছাড়া Internet- এ প্রবেশ করা সহজ নয়? (৩৫তম বিসিএস, ২০১৫)
- কTask bar
- খNotification area
- গMenu bar
- ঘWeb browser
সঠিক উত্তর: ঘ. Web browser
প্রশ্নটি জানতে চেয়েছে কোনটি ছাড়া ইন্টারনেটে ঢোকা সহজ নয়। উত্তর ওয়েব ব্রাউজার। ব্রাউজার হলো সেই সফটওয়্যার, যা ওয়েবসাইটের ঠিকানা নিয়ে সার্ভার থেকে পাতা এনে আমাদের পর্দায় সাজিয়ে দেখায়।
পরিচিত ব্রাউজার গুগল ক্রোম, মজিলা ফায়ারফক্স, মাইক্রোসফট এজ ও অ্যাপলের সাফারি। ঠিকানার ঘরে ওয়েবসাইটের নাম লিখলেই ব্রাউজার এইচটিটিপি নিয়মে পাতাটি নিয়ে আসে।
টাস্কবার, নোটিফিকেশন এরিয়া আর মেনুবার হলো উইন্ডোজ বা প্রোগ্রামের পর্দার অংশ। টাস্কবারে খোলা প্রোগ্রামগুলো দেখা যায়, নোটিফিকেশন এরিয়ায় ঘড়ি ও ইন্টারনেট সংযোগের চিহ্ন থাকে, আর মেনুবারে প্রোগ্রামের আদেশগুলো থাকে।
ফাঁদ হলো নোটিফিকেশন এরিয়া, কারণ সেখানে ইন্টারনেট সংযোগের চিহ্ন দেখা যায়। কিন্তু সেটা শুধু সংযোগের অবস্থা দেখায়, ওয়েবসাইট খোলে না।
মনে রাখুন: ওয়েব দেখার জন্য সফটওয়্যার চাই, পর্দার কোনো অংশ নয়।
১৭৫. কম্পিউটার মেমোরি থেকে সংরক্ষিত ডাটা উত্তোলনের পদ্ধতিকে কি বলে? (৩৫তম বিসিএস, ২০১৫)
- কRead-out
- খRead from
- গRead
- ঘউপরের সবগুলোই
সঠিক উত্তর: গ. Read
প্রশ্নটি জানতে চেয়েছে মেমোরিতে রাখা ডেটা তুলে আনার পদ্ধতির নাম। প্রদত্ত উত্তর রিড। মেমোরির সঙ্গে প্রসেসরের দুটি মৌলিক কাজ: রিড মানে মেমোরি থেকে ডেটা পড়ে আনা, আর রাইট মানে মেমোরিতে ডেটা লিখে রাখা।
প্রসেসর যখন কোনো ঠিকানা থেকে ডেটা চায়, অ্যাড্রেস বাসে ঠিকানা পাঠায় আর কন্ট্রোল বাসে রিড সংকেত দেয়। মেমোরি তখন ডেটা বাসে সেই ডেটা পাঠিয়ে দেয়। একইভাবে রাইট সংকেতে নতুন ডেটা জমা হয়।
রিড-আউট শব্দটিও কিছু অভিধানে মেমোরি থেকে তথ্য উদ্ধার অর্থে আছে, আবার পর্দায় দেখানো ফলাফলকেও রিড-আউট বলে। তবে কম্পিউটার বিজ্ঞানে প্রমিত শব্দ রিড, তাই প্রচলিত উত্তর এটিই।
ফাঁদ হলো সবগুলোই বিকল্পটি। রিড ফ্রম কোনো পরিভাষা নয়, শুধু সাধারণ ইংরেজি বাক্যাংশ; তাই সবগুলো সঠিক বলা যায় না।
মনে রাখুন: মেমোরি থেকে আনা রিড, মেমোরিতে রাখা রাইট: এই জোড়া মনে রাখুন।
১৭৬. MICR-এর পূর্ণরূপ কি? (৩৫তম বিসিএস, ২০১৫)
- কMagnetic Ink Character Reader
- খMagnetic Ink Code
- গMagnetic Ink Case Reader
- ঘকোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর: ক. Magnetic Ink Character Reader
প্রশ্নটি এমআইসিআর-এর পূর্ণরূপ জানতে চেয়েছে। প্রমিত পূর্ণরূপ ম্যাগনেটিক ইঙ্ক ক্যারেক্টার রিকগনিশন। বিকল্পগুলোর মধ্যে এর সবচেয়ে কাছাকাছি ম্যাগনেটিক ইঙ্ক ক্যারেক্টার রিডার, তাই প্রচলিত উত্তর এটিই; যে যন্ত্র এই কাজ করে তাকে রিডার বলা হয়।
ব্যাংকের চেকের নিচে বিশেষ আকারের যে সংখ্যাগুলো থাকে, সেগুলো চৌম্বক কালিতে ছাপা। এমআইসিআর যন্ত্র কালির চৌম্বক সংকেত পড়ে চেক নম্বর, ব্যাংকের কোড আর হিসাব নম্বর দ্রুত চিনে নেয়। কালি চৌম্বক বলে দাগ বা সিল পড়লেও পড়তে ভুল কম হয়।
এটি একটি ইনপুট যন্ত্র। একই পরিবারের আরও তিনটি নাম পরীক্ষায় আসে: ওসিআর ছাপা লেখা চেনে, ওএমআর কাগজের দাগ বা বৃত্ত ভরাট চেনে, যেমন বিসিএসের উত্তরপত্র, আর বারকোড রিডার দোকানের পণ্যের দাগ পড়ে।
ফাঁদ হলো ম্যাগনেটিক ইঙ্ক কোড বিকল্পটি। এমআইসিআর-এর চারটি অক্ষর, তাই পূর্ণরূপেও চারটি শব্দ লাগবে; ক্যারেক্টার শব্দটি বাদ পড়লে তা ভুল।
মনে রাখুন: এম মানে ম্যাগনেটিক, তাই চেক; ও মানে অপটিক্যাল, তাই আলো দিয়ে পড়া।
১৭৭. নিচের কোনটি ডাটাবেজ ল্যাংগুয়েজ? (৩৫তম বিসিএস, ২০১৫)
- কData Definition Language
- খData Manipulation Language
- গQuery Language
- ঘউপরের সবগুলোই
সঠিক উত্তর: ঘ. উপরের সবগুলোই
প্রশ্নটি জানতে চেয়েছে কোনটি ডেটাবেজ ভাষা। উত্তর উপরের সবগুলোই, কারণ ডেটা ডেফিনিশন ল্যাঙ্গুয়েজ, ডেটা ম্যানিপুলেশন ল্যাঙ্গুয়েজ আর কোয়েরি ল্যাঙ্গুয়েজ তিনটিই ডেটাবেজের সঙ্গে কাজ করার ভাষা। বাস্তবে এগুলো এসকিউএল ভাষারই আলাদা অংশ।
ডেটা ডেফিনিশন ল্যাঙ্গুয়েজ ডেটাবেজের কাঠামো তৈরি ও বদলায়: নতুন টেবিল বানানো, কলাম যোগ করা বা টেবিল মুছে ফেলা। যেমন ক্রিয়েট টেবিল আদেশ।
ডেটা ম্যানিপুলেশন ল্যাঙ্গুয়েজ টেবিলের ভেতরের ডেটা নিয়ে কাজ করে: নতুন সারি ঢোকানো, বদলানো বা মুছে ফেলা। আর কোয়েরি ল্যাঙ্গুয়েজ দিয়ে প্রশ্ন করে দরকারি তথ্য খুঁজে আনা হয়, যেমন সিলেক্ট আদেশ দিয়ে সব ছাত্রের মধ্যে যাদের নম্বর আশির বেশি।
একটি নাম দেখে থেমে যাওয়াই এখানে ফাঁদ। তিনটিই সত্য, তাই উত্তর সবগুলোই।
মনে রাখুন: ডেটাবেজ প্রশ্নে ডি দিয়ে শুরু ভাষাগুলো (ডিডিএল, ডিএমএল, ডিসিএল) আর কোয়েরি সবই ডেটাবেজ ভাষা।
১৭৮. সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং টুইটার কত সালে তৈরি হয়? (৩৫তম বিসিএস, ২০১৫)
- ক২০০৪
- খ২০০৬
- গ২০০৩
- ঘ২০০৮
সঠিক উত্তর: খ. ২০০৬
প্রশ্নটি টুইটার তৈরির সাল জানতে চেয়েছে। উত্তর ২০০৬। ওই বছরের মার্চে জ্যাক ডরসি প্রথম টুইট পাঠান, আর জুলাইয়ে সেবাটি সবার জন্য চালু হয়। জ্যাক ডরসি, ইভান উইলিয়ামস, বিজ স্টোন ও নোয়া গ্লাস এর প্রতিষ্ঠাতা।
টুইটার একটি মাইক্রোব্লগিং সাইট: শুরুতে প্রতিটি বার্তা বা টুইট একশো চল্লিশ অক্ষরের মধ্যে লিখতে হতো, যা মোবাইল এসএমএসের সীমা থেকে এসেছিল।
আশপাশের সালগুলোও পরীক্ষায় আসে: লিংকডইন চালু ২০০৩ সালে, ফেসবুক ২০০৪ সালে, আর ইনস্টাগ্রাম ২০১০ সালে। এগুলোর সঙ্গেই টুইটারের সাল গুলিয়ে যায়।
সবচেয়ে বড় ফাঁদ ২০০৪, কারণ সেটা ফেসবুকের সাল। আর ২০০৩ লিংকডইনের সাল। পরে দুই হাজার তেইশ সালে টুইটারের নাম বদলে এক্স রাখা হয়, তবে প্রশ্নটি তার আগের।
মনে রাখুন: সামাজিক মাধ্যমের সাল ক্রমে: লিংকডইন ০৩, ফেসবুক ০৪, টুইটার ০৬, ইনস্টাগ্রাম ১০।
১৭৯. নিচের কোন স্মার্টফোন অপারেটিং সিস্টেমটি ওপেন সোর্স প্লাটফর্ম? (৩৫তম বিসিএস, ২০১৫)
- কIOS
- খWindows phone
- গAndroid
- ঘSymbian
সঠিক উত্তর: গ. Android
প্রশ্নটি জানতে চেয়েছে কোন স্মার্টফোন অপারেটিং সিস্টেম ওপেন সোর্স। উত্তর অ্যান্ড্রয়েড। ওপেন সোর্স মানে সফটওয়্যারের মূল কোড সবার জন্য উন্মুক্ত: যে কেউ দেখতে, বদলাতে ও নিজের যন্ত্রে ব্যবহার করতে পারে।
অ্যান্ড্রয়েড লিনাক্স কার্নেলের ওপর তৈরি, আর গুগল এর মূল কোড অ্যান্ড্রয়েড ওপেন সোর্স প্রজেক্ট নামে উন্মুক্ত রাখে। এজন্যই স্যামসাং, শাওমি, ওয়ালটনের মতো নানা কোম্পানি নিজেদের ফোনে অ্যান্ড্রয়েড বসাতে পারে।
আইওএস অ্যাপলের নিজস্ব বন্ধ সফটওয়্যার, শুধু আইফোনে চলে। উইন্ডোজ ফোন ছিল মাইক্রোসফটের মালিকানাধীন। নোকিয়ার সিম্বিয়ান দুই হাজার দশ সালে কিছুদিন ওপেন সোর্স হলেও পরের বছরই আবার বন্ধ লাইসেন্সে ফিরে যায়।
ফাঁদ হলো আইওএস, কারণ এটি খুব জনপ্রিয়। জনপ্রিয় আর ওপেন সোর্স এক কথা নয়; আইওএস-এর কোড অ্যাপল প্রকাশ করে না।
মনে রাখুন: ওপেন সোর্স মোবাইল ওএস প্রশ্নে উত্তর অ্যান্ড্রয়েড; বন্ধ ওএস প্রশ্নে আইওএস।
১৮০. মোবাইল কমিউনিকেশনে 4G-এর ক্ষেত্রে 3G এর তুলনায় অতিরিক্ত বৈশিষ্ট্য কি? (৩৫তম বিসিএস, ২০১৫)
- কভয়েস টেলিফোনি
- খভিডিও কল
- গমোবাইল টিভি
- ঘব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট সেবা
সঠিক উত্তর: ঘ. ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট সেবা
প্রশ্নটি জানতে চেয়েছে থ্রি-জির তুলনায় ফোর-জির বাড়তি বৈশিষ্ট্য কী। উত্তর ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট সেবা। ফোর-জি পুরোপুরি ইন্টারনেট প্রোটোকলভিত্তিক নেটওয়ার্ক, যা থ্রি-জির চেয়ে বহুগুণ দ্রুত তারহীন ব্রডব্যান্ড দেয়।
প্রজন্মগুলো ক্রমে মনে রাখুন। ওয়ান-জি ছিল অ্যানালগ কণ্ঠস্বর। টু-জি আনে ডিজিটাল কণ্ঠস্বর ও এসএমএস। থ্রি-জি আনে মোবাইলে ডেটা, ভিডিও কল ও মোবাইল টিভি। ফোর-জি, যেমন এলটিই, আনে উচ্চগতির ব্রডব্যান্ড, যাতে মোবাইলে বাসার ইন্টারনেটের মতো এইচডি ভিডিও দেখা যায়।
মাপকাঠি হিসেবে আন্তর্জাতিক টেলিযোগাযোগ ইউনিয়ন ফোর-জির জন্য চলন্ত অবস্থায় প্রতি সেকেন্ডে একশো মেগাবিট পর্যন্ত গতির লক্ষ্য ঠিক করেছিল, যেখানে থ্রি-জির গতি সাধারণত কয়েক মেগাবিটের ঘরে থাকে।
ফাঁদ হলো ভিডিও কল ও মোবাইল টিভি। এ দুটি থ্রি-জিতেই চালু হয়েছিল, তাই ফোর-জির নতুন বৈশিষ্ট্য নয়। আর কণ্ঠস্বর তো প্রথম প্রজন্ম থেকেই আছে।
মনে রাখুন: প্রতি প্রজন্মের একটি শব্দ: ১জি কথা, ২জি এসএমএস, ৩জি ভিডিও কল, ৪জি ব্রডব্যান্ড।