নিচের কোনটি প্রবন্ধের বই?
সঠিক উত্তর
গকালান্তর
ব্যাখ্যা
প্রশ্নটা জানতে চেয়েছে কোনটি প্রবন্ধের বই। ‘কালান্তর’ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রবন্ধগ্রন্থ, প্রকাশিত হয় ১৯৩৭ সালে। এতে সমাজ, রাজনীতি ও সমকালীন সমস্যা নিয়ে তাঁর প্রবন্ধ আছে।
বাকি তিনটি উপন্যাস। ‘পল্লীসমাজ’ শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের, যেখানে গ্রামসমাজের সংকীর্ণতা দেখানো হয়েছে।
‘দিবারাত্রির কাব্য’ মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রথম লেখা উপন্যাস, আর ‘মৃত্যুক্ষুধা’ কাজী নজরুল ইসলামের উপন্যাস।
ফাঁদ হলো ‘দিবারাত্রির কাব্য’: নামে ‘কাব্য’ থাকায় অনেকে কবিতার বই ভাবেন, কিন্তু এটি উপন্যাস। রবীন্দ্রনাথের অন্য প্রবন্ধগ্রন্থ: ‘সভ্যতার সংকট’, ‘পঞ্চভূত’, ‘বিচিত্র প্রবন্ধ’।
স্টেপ বাই স্টেপ শিখুন
৩/৩| বই | লেখক | ধরন |
|---|---|---|
| পল্লীসমাজ | শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় | উপন্যাস |
| দিবারাত্রির কাব্য | মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় | উপন্যাস |
| মৃত্যুক্ষুধা | কাজী নজরুল ইসলাম | উপন্যাস |
| কালান্তর | রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর | প্রবন্ধ (১৯৩৭) |
- প্রতিটি বইয়ের লেখক ও ধরন দেখি।
- পল্লীসমাজ, দিবারাত্রির কাব্য, মৃত্যুক্ষুধা: তিনটিই উপন্যাস।
- কালান্তর রবীন্দ্রনাথের প্রবন্ধগ্রন্থ, ১৯৩৭।
ক. পল্লীসমাজ: পল্লীসমাজ শরৎচন্দ্রের উপন্যাস।
খ. দিবারাত্রির কাব্য: দিবারাত্রির কাব্য মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপন্যাস; নামের ‘কাব্য’ ফাঁদ।
ঘ. মৃত্যুক্ষুধা: মৃত্যুক্ষুধা নজরুলের উপন্যাস।
নামে ‘কাব্য’ বা ‘সমাজ’ থাকলেই বইয়ের ধরন বোঝা যায় না; লেখক ধরে মনে রাখুন।
কালান্তরে কালের কথা, তাই প্রবন্ধ।
বাংলা ভাষা ও সাহিত্য: এ রকম আরও প্রশ্ন
- নিচের কোনটি বিশেষ্য পদ?৩৬তম বিসিএস (২০১৬)
- নিচের কোনটি অশুদ্ধ?৩৭তম বিসিএস (২০১৬)
- নিচের কোনটি সমার্থক নয়?প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক: অফিসার (ক্যাশ) (২০২১)
- নিচের কোনটি ভিন্নার্থক?সমন্বিত ৬ ব্যাংক ও ২ আর্থিক প্রতিষ্ঠান: অফিসার (সাধারণ) (২০২৬)
- নিচের কোনটি তৎসম শব্দ?৪৪তম বিসিএস (২০২২)
- নিচের কোনটি যৌগিক বাক্য?৪৪তম বিসিএস (২০২২)
বাংলা ভাষা ও সাহিত্য-এর সব প্রশ্ন › · প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক: সিনিয়র এক্সিকিউটিভ অফিসার (২০১৮)-এর পুরো প্রশ্নপত্র ›