পাকিস্তান আমলে সামরিক শাসনের প্রতিক্রিয়ায় বাঙালি লেখকরা বক্তব্য প্রকাশ করেছেন -
সঠিক উত্তর
কমিথ রূপকের অবয়ব
ব্যাখ্যা
পাকিস্তান আমলে, বিশেষ করে ১৯৫৮ সালে আইয়ুব খানের সামরিক শাসনের পর, সরাসরি সরকারের সমালোচনা করা ছিল বিপজ্জনক। তাই লেখকরা প্রতিবাদ জানাতে মিথ, রূপক ও প্রতীকের আশ্রয় নেন।
পুরাণ বা লোককাহিনির চরিত্র দিয়ে গল্প বললে সরাসরি শাসকের নাম নিতে হয় না, অথচ পাঠক ঠিকই আসল অর্থ বুঝে নেন। একে বলে রূপকের অবয়বে বক্তব্য প্রকাশ।
উদাহরণ হিসেবে শওকত ওসমানের ক্রীতদাসের হাসি, যা প্রকাশিত হয় ১৯৬২ সালে। আরব্য রজনীর খলিফা হারুনুর রশীদের কাহিনির আড়ালে এটি আইয়ুবের স্বৈরশাসনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ। শামসুর রাহমানের কবিতায়ও এমন প্রতীকী প্রতিবাদ আছে।
বিশিষ্ট ভাষারীতি বা কাঠামো লেখার বৈশিষ্ট্য হতে পারে, কিন্তু সেন্সর এড়িয়ে প্রতিবাদের প্রধান কৌশল ছিল মিথ আর রূপক।
স্টেপ বাই স্টেপ শিখুন
৩/৩- ১৯৫৮আইয়ুব খানের সামরিক শাসন
- ষাটের দশকমিথ ও রূপকে প্রতিবাদী সাহিত্য
- ১৯৬২ক্রীতদাসের হাসি, শওকত ওসমান
- ১৯৫৮: আইয়ুব খানের সামরিক শাসন, সরাসরি সমালোচনা বিপজ্জনক।
- লেখকরা মিথ ও রূপকের আড়ালে প্রতিবাদ করেন।
- উদাহরণ: শওকত ওসমানের ক্রীতদাসের হাসি, ১৯৬২।
খ. বিশিষ্ট ভাষারীতি: বিশিষ্ট ভাষারীতি লেখকের শৈলী, সেন্সর এড়িয়ে প্রতিবাদের প্রধান উপায় নয়।
গ. বিশিষ্ট কাঠামো: কাঠামোগত নিরীক্ষা সামরিক শাসনের প্রতিক্রিয়ার মূল বৈশিষ্ট্য নয়।
ঘ. অতিপ্রাকৃত আবহ: অতিপ্রাকৃত আবহ সে সময়ের প্রতিবাদী সাহিত্যের প্রধান কৌশল ছিল না।
সামরিক শাসনে সাহিত্য মানেই রূপক; উদাহরণ ক্রীতদাসের হাসি।
হারুনুর রশীদের মুখোশে আইয়ুব খান।
বাংলা ভাষা ও সাহিত্য: এ রকম আরও প্রশ্ন
- ‘বাঙালি ও বাঙলা সাহিত্য’ গ্রন্থ কে রচনা করেছেন?৪৪তম বিসিএস (২০২২)
- ‘মহুয়া’ কে রচনা করেছেন?সমন্বিত ৯ ব্যাংক: অফিসার (জেনারেল) (২০২২)
- 'লিপিমালা' রচনা কে করেছেন?সমন্বিত ৩ ব্যাংক: অফিসার (ক্যাশ) (২০১৮)
- কোনটি ‘জিগীষা’র সম্প্রসারিত প্রকাশ?৪৪তম বিসিএস (২০২২)
- এক কথায় প্রকাশ কর- ‘পাখির ডাক’সমন্বিত ৮ ব্যাংক: অফিসার (২০২২)
- গীতাঞ্জলির ইংরেজি অনুবাদ সম্পাদনা করেছেন-৩৩তম বিসিএস (২০১২)
বাংলা ভাষা ও সাহিত্য-এর সব প্রশ্ন › · বাংলাদেশ ব্যাংক: অফিসার (সাধারণ) (২০১৮)-এর পুরো প্রশ্নপত্র ›