আলংকারিক প্রয়োগ বর্জনীয় যে ক্ষেত্রে-
সঠিক উত্তর
ঘসারাংশ লিখন
ব্যাখ্যা
প্রশ্নটা রচনার বিভিন্ন ধরনে ভাষার রীতি নিয়ে। আলংকারিক প্রয়োগ মানে উপমা, রূপক, অলংকারপূর্ণ সাজানো ভাষা।
সারাংশ লিখনের উদ্দেশ্য মূল লেখার মূল ভাবটুকু অল্প কথায়, সহজ ও সরল ভাষায় তুলে ধরা। সেখানে অলংকার, উদ্ধৃতি, উদাহরণ বা নিজের মত যোগ করা যায় না, কারণ তাতে লেখা বড় হয় আর মূল ভাব ঘোলাটে হয়।
উল্টো দিকে ভাবসম্প্রসারণ আর প্রবন্ধে ভাবকে বিস্তৃত করতে হয়, সেখানে উপমা বা উদ্ধৃতি লেখাকে সমৃদ্ধ করে। ব্যক্তিগত পত্রেও আবেগ প্রকাশে কিছুটা আলংকারিক ভাষা চলে।
ফাঁদ হলো পত্র লিখন। দাপ্তরিক চিঠি সাদামাটা হয় ঠিকই, কিন্তু পত্রের সব ধরনে অলংকার বর্জনীয় নয়; সারাংশে সব সময়ই বর্জনীয়।
স্টেপ বাই স্টেপ শিখুন
৩/৩| রচনার ধরন | আলংকারিক ভাষা |
|---|---|
| ভাবসম্প্রসারণ | চলে, ভাব বিস্তারে সাহায্য করে |
| প্রবন্ধ রচনা | চলে |
| পত্র লিখন | ব্যক্তিগত পত্রে কিছুটা চলে |
| সারাংশ লিখন | বর্জনীয়, শুধু মূল ভাব |
- আলংকারিক প্রয়োগ মানে উপমা, রূপকে সাজানো ভাষা।
- ভাবসম্প্রসারণ ও প্রবন্ধে ভাব বাড়াতে অলংকার চলে।
- সারাংশে শুধু মূল ভাব, সহজ ভাষায়: অলংকার বর্জনীয়।
ক. পত্র লিখন: পত্রের সব ধরনে অলংকার বর্জনীয় নয়; ব্যক্তিগত পত্রে আবেগময় ভাষা চলে।
খ. ভাবসম্প্রসারণ: ভাবসম্প্রসারণে ভাব বিস্তারের জন্য উপমা, উদ্ধৃতি ব্যবহার করা যায়।
গ. প্রবন্ধ রচনা: প্রবন্ধে অলংকার লেখাকে সমৃদ্ধ করে, বর্জনীয় নয়।
যেখানে লেখা ছোট করতে হয় (সারাংশ, সারমর্ম), সেখানে অলংকার নয়; যেখানে বড় করতে হয় (ভাবসম্প্রসারণ, প্রবন্ধ), সেখানে চলে।
ছোট করলে সাদা ভাষা, বড় করলে সাজানো ভাষা।