নিচের কোন বানানটি শুদ্ধ?
সঠিক উত্তর
কমনীষী
ব্যাখ্যা
প্রশ্নটা একটি তৎসম শব্দের ই-কার ঈ-কার যাচাই করছে। শুদ্ধ বানান মনীষী, যেখানে নী আর ষী দুটোতেই দীর্ঘ ঈ-কার।
শব্দটি এসেছে মনীষা থেকে, যার অর্থ প্রজ্ঞা বা গভীর বুদ্ধি। মূল শব্দ মনীষায় নী দীর্ঘ, তাই মনীষীতেও নী দীর্ঘ থাকে।
শেষের ষী দীর্ঘ হওয়ার কারণ ইন্ প্রত্যয়। ইন্ প্রত্যয়ে গঠিত শব্দ বাংলায় দীর্ঘ ঈ-কারে শেষ হয়: যেমন গুণী, জ্ঞানী, মন্ত্রী, প্রাণী।
ভুলটা সাধারণত হয় শেষ অক্ষরে। মনে রাখুন, এ ধরনের শব্দ সমাসের প্রথমে বসলে আবার হ্রস্ব হয়, যেমন মন্ত্রিসভা, প্রাণিবিদ্যা; কিন্তু একক শব্দ মনীষীতে দুটোই দীর্ঘ।
স্টেপ বাই স্টেপ শিখুন
৩/৩| বানান | অবস্থা | কোথায় ভুল |
|---|---|---|
| মনিষি | ভুল | নী আর ষী দুটোই দীর্ঘ হবে |
| মনীষি | ভুল | শেষের ষী দীর্ঘ হবে |
| মনিষী | ভুল | নী দীর্ঘ হবে (মনীষা) |
| মনীষী | শুদ্ধ | মনীষা + ইন্ |
- মনিষি: নী আর ষী দুটোতেই হ্রস্ব ই-কার, দুটোই ভুল।
- মনীষি ও মনিষী: একটি করে জায়গায় ভুল।
- মনীষা থেকে নী দীর্ঘ, ইন্ প্রত্যয়ে ষী দীর্ঘ: মনীষী।
খ. মনিষি: নী আর ষী দুটোই হ্রস্ব লেখা; দুটোতেই দীর্ঘ ঈ-কার হবে।
গ. মনীষি: শেষের ষি হ্রস্ব লেখা; ইন্ প্রত্যয়ে শেষে দীর্ঘ ঈ-কার হয়।
ঘ. মনিষী: প্রথম নি হ্রস্ব লেখা; মূল শব্দ মনীষায় নী দীর্ঘ।
ইন্ প্রত্যয়ের শব্দ শেষে দীর্ঘ ঈ: গুণী, জ্ঞানী, মন্ত্রী, মনীষী; সমাসের প্রথমে গেলে হ্রস্ব: মন্ত্রিসভা।
মনীষী দুই দিকেই বড়: নী বড়, ষী বড়।