‘কপালকুণ্ডলা’ কোন প্রকৃতির রচনা?
সঠিক উত্তর
করোমান্সমূলক উপন্যাস
ব্যাখ্যা
প্রশ্নটি উপন্যাসের ধরন জানতে চেয়েছে। বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের কপালকুণ্ডলা ১৮৬৬ সালে প্রকাশিত রোমান্সধর্মী উপন্যাস। এটি বঙ্কিমের দ্বিতীয় উপন্যাস; প্রথমটি দুর্গেশনন্দিনী, ১৮৬৫ সালে।
নায়িকা কপালকুণ্ডলা সমুদ্রতীরের জঙ্গলে এক কাপালিকের কাছে বড় হয়েছে। নবকুমারের সঙ্গে বিয়ের পর সংসারে মানিয়ে নিতে না পারা, রহস্যময় প্রকৃতি আর কল্পনার জগৎই একে রোমান্স করেছে; বাস্তব ইতিহাস বা সমাজসমস্যা এখানে মুখ্য নয়।
তুলনার জন্য মনে রাখুন: বঙ্কিমের ঐতিহাসিক উপন্যাস রাজসিংহ, আর সামাজিক উপন্যাস বিষবৃক্ষ ও কৃষ্ণকান্তের উইল।
ফাঁদ হলো বিয়োগান্তক নাটক বিকল্পটি। গল্পের শেষ করুণ বলে কেউ কেউ ট্র্যাজেডি ভাবেন, কিন্তু কপালকুণ্ডলা নাটক নয়, গদ্যে লেখা উপন্যাস।
স্টেপ বাই স্টেপ শিখুন
৩/৩| বঙ্কিমের উপন্যাস | ধরন |
|---|---|
| রাজসিংহ | ঐতিহাসিক |
| বিষবৃক্ষ, কৃষ্ণকান্তের উইল | সামাজিক |
| কপালকুণ্ডলা (১৮৬৬) | রোমান্স |
- বঙ্কিমের ঐতিহাসিক উপন্যাস: রাজসিংহ।
- বঙ্কিমের সামাজিক উপন্যাস: বিষবৃক্ষ, কৃষ্ণকান্তের উইল।
- জঙ্গলে বড় হওয়া নায়িকার রহস্যময় কাহিনি কপালকুণ্ডলা: রোমান্স।
খ. বিয়োগান্তক নাটক: কপালকুণ্ডলা নাটক নয়, উপন্যাস; করুণ সমাপ্তি দেখে বিয়োগান্তক নাটক ভাবাই ফাঁদ।
গ. ঐতিহাসিক উপন্যাস: বঙ্কিমের ঐতিহাসিক উপন্যাস রাজসিংহ; কপালকুণ্ডলায় ইতিহাস নয়, রহস্য ও কল্পনা প্রধান।
ঘ. সামাজিক উপন্যাস: সামাজিক উপন্যাস হলো বিষবৃক্ষ বা কৃষ্ণকান্তের উইল; কপালকুণ্ডলার জগৎ সমাজের বাইরের বন ও সমুদ্রতীর।
বঙ্কিমের উপন্যাস তিন ভাগে মনে রাখুন: ইতিহাস রাজসিংহ, সমাজ বিষবৃক্ষ, রোমান্স কপালকুণ্ডলা।
বনের মেয়ে কপালকুণ্ডলা, তাই রোমান্স।