কোনটি রবীন্দ্ররচনার অন্তর্গত নয়?
সঠিক উত্তর
খঅগ্নিগ্রাসী বিশ্বত্রাসি জাগুক আবার আত্মদান।
ব্যাখ্যা
প্রশ্নটি চারটি চরণ দিয়ে জানতে চেয়েছে কোনটি রবীন্দ্রনাথের লেখা নয়। উত্তর অগ্নিগ্রাসী বিশ্বত্রাসি জাগুক আবার আত্মদান চরণটি; রবীন্দ্ররচনায় এই চরণ পাওয়া যায় না।
কী আঁচল বিছায়েছ বটের মূলে, নদীর কূলে কূলে চরণটি সবচেয়ে সহজে চেনা যায়, কারণ এটি আমাদের জাতীয় সংগীত আমার সোনার বাংলা থেকে নেওয়া, যা রবীন্দ্রনাথের লেখা।
আমার প্রাণের মানুষ আছে প্রাণে, তাই হেরি তায় সকল খানে একটি রবীন্দ্রসংগীত। এর বাউল সুরের ভাব দেখে অনেকে লালনের গান ভাবেন, কিন্তু এটি রবীন্দ্রনাথের। কালের যাত্রার ধ্বনি শুনিতে কি পাও চরণটিও রবীন্দ্রনাথের কবিতা থেকে।
এমন প্রশ্নে আগে যে চরণগুলো নিশ্চিত চেনেন সেগুলো বাদ দিন। জাতীয় সংগীতের চরণ সবচেয়ে নিশ্চিত সূত্র; বাকি থাকা অচেনা চরণটিই সাধারণত উত্তর।
স্টেপ বাই স্টেপ শিখুন
৪/৪| চরণ | রবীন্দ্ররচনা? |
|---|---|
| কী আঁচল বিছায়েছ বটের মূলে | হ্যাঁ, আমার সোনার বাংলা |
| প্রাণের মানুষ আছে প্রাণে | হ্যাঁ, রবীন্দ্রসংগীত |
| কালের যাত্রার ধ্বনি শুনিতে কি পাও | হ্যাঁ, রবীন্দ্রকবিতা |
| অগ্নিগ্রাসী বিশ্বত্রাসি জাগুক আবার আত্মদান | না |
- জাতীয় সংগীতের চরণ কী আঁচল বিছায়েছ: রবীন্দ্রনাথের, বাদ।
- প্রাণের মানুষ আছে প্রাণে: রবীন্দ্রসংগীত, বাদ।
- কালের যাত্রার ধ্বনি: রবীন্দ্রকবিতা, বাদ।
- বাকি থাকে অগ্নিগ্রাসী বিশ্বত্রাসি চরণটি: এটি রবীন্দ্ররচনা নয়।
ক. কালের যাত্রার ধ্বনি শুনিতে কি পাও?: কালের যাত্রার ধ্বনি শুনিতে কি পাও রবীন্দ্রনাথেরই কবিতার চরণ, তাই এটি বাদ।
গ. প্রাণের মানুষ আছে প্রাণে তাই হেরি তায় সকল খানে?: প্রাণের মানুষ আছে প্রাণে রবীন্দ্রসংগীত; বাউল ভাবের কারণে লালনের গান ভেবে ভুল হয়।
ঘ. কি আঁচল বিছায়েছ বটের মূলে নদীর কূলে।: এটি জাতীয় সংগীত আমার সোনার বাংলার চরণ, যা রবীন্দ্রনাথের লেখা।
নিশ্চিত চেনা চরণ, বিশেষ করে জাতীয় সংগীতের লাইন, আগে বাদ দিন; অচেনা চরণটিই উত্তর।
সোনার বাংলার আঁচল রবীন্দ্রনাথের, আগুনের ত্রাস নয়।