কোন বানানটি শুদ্ধ?
সঠিক উত্তর
কপ্রতিযোগিতা
ব্যাখ্যা
প্রশ্নটি ই-কার আর ঈ-কারের নিয়ম যাচাই করছে। শুদ্ধ বানান প্রতিযোগিতা। মূল শব্দ প্রতিযোগী, শেষে দীর্ঘ ঈ। এটি ইন্ প্রত্যয়ে গঠিত ঈ-কারান্ত শব্দ; এমন শব্দে তা বা ত্ব প্রত্যয় যোগ হলে শেষের ঈ-কার হ্রস্ব ই-কার হয়ে যায়।
এই নিয়মে প্রতিযোগী থেকে প্রতিযোগিতা, সহযোগী থেকে সহযোগিতা, দায়ী থেকে দায়িত্ব, মন্ত্রী থেকে মন্ত্রিত্ব, প্রাণী থেকে প্রাণিজগৎ। তাই সহযোগীতা বানানও ভুল।
শ্রদ্ধাঞ্জলি শব্দের শেষে হ্রস্ব ই, কারণ অঞ্জলি শব্দটিই হ্রস্ব ই দিয়ে লেখা হয়। শ্রদ্ধাঞ্জলী লিখলে ভুল।
ফাঁদ হলো প্রতিযোগীতা। মূল শব্দ প্রতিযোগী মনে রেখে অনেকে তা যোগ করার পরও দীর্ঘ ঈ রেখে দেন।
স্টেপ বাই স্টেপ শিখুন
৩/৩| ভুল | শুদ্ধ | নিয়ম |
|---|---|---|
| প্রতিযোগীতা | প্রতিযোগিতা | ইন্ প্রত্যয়ের ঈ + তা → ই |
| সহযোগীতা | সহযোগিতা | ইন্ প্রত্যয়ের ঈ + তা → ই |
| শ্রদ্ধাঞ্জলী | শ্রদ্ধাঞ্জলি | অঞ্জলি হ্রস্ব ই |
- মূল শব্দ প্রতিযোগী, শেষে দীর্ঘ ঈ।
- তা যোগ হলে শেষের ঈ-কার হ্রস্ব ই-কার হয়: প্রতিযোগিতা।
- একই নিয়মে সহযোগিতা; আর অঞ্জলি নিজেই হ্রস্ব ই, তাই শ্রদ্ধাঞ্জলি।
খ. সহযোগীতা: সহযোগী শব্দে তা যোগ হলে ঈ-কার ই-কার হয়, তাই শুদ্ধ রূপ সহযোগিতা।
গ. শ্রদ্ধাঞ্জলী: অঞ্জলি শব্দটি হ্রস্ব ই দিয়ে লেখা, তাই শুদ্ধ রূপ শ্রদ্ধাঞ্জলি।
ঘ. প্রতিযোগীতা: মূল শব্দের দীর্ঘ ঈ ধরে রাখাই এখানে ভুল; তা যোগ হলে ঈ ছোট হয়ে প্রতিযোগিতা।
ইন্ প্রত্যয়ান্ত ঈ-কারান্ত শব্দে (প্রতিযোগী, মন্ত্রী, প্রাণী) তা, ত্ব বা সমাসে অন্য শব্দ জুড়লে ঈ হ্রস্ব হয়: দায়িত্ব, মন্ত্রিসভা, প্রাণিবিদ্যা। সব ঈ-কারান্ত শব্দে নয়, যেমন নদীতীর।
তা এলেই ঈ ছোট হয়ে ই।