শুদ্ধ বানান কোনটি?
সঠিক উত্তর
কঅধোগতি
ব্যাখ্যা
অধোগতি শব্দের মূলে আছে অধঃ আর গতি, অর্থাৎ নিচের দিকে যাওয়া। এদের মিলন হয় বিসর্গ সন্ধির নিয়মে।
নিয়মটি হলো: অ-কারের পরে বিসর্গ, আর পরের শব্দ শুরু হয় ঘোষ ধ্বনি দিয়ে, যেমন বর্গের তৃতীয়, চতুর্থ, পঞ্চম বর্ণ বা য র ল ব হ। তখন অ আর বিসর্গ মিলে ও-কার হয়। গতির গ বর্গের তৃতীয় বর্ণ, তাই অধঃ হয়ে যায় অধো, আর পুরো শব্দ অধোগতি।
একই নিয়মে অধঃ আর মুখ মিলে অধোমুখ, মনঃ আর যোগ মিলে মনোযোগ, তিরঃ আর ধান মিলে তিরোধান।
ভুলগুলো তিন রকম: অধঃগতি শব্দে সন্ধি হয়নি, অধগতি শব্দে বিসর্গ হারিয়েছে কিন্তু ও-কার আসেনি, আর অধোঃগতি শব্দে ও-কার আর বিসর্গ দুটোই রাখা হয়েছে। সন্ধির পরে বিসর্গ ও-কারে রূপ নেয়, পাশাপাশি থাকে না।
স্টেপ বাই স্টেপ শিখুন
৩/৩| বানান | বিচার |
|---|---|
| অধঃগতি | সন্ধি হয়নি |
| অধগতি | বিসর্গ বাদ, ও আসেনি |
| অধোঃগতি | ও আর বিসর্গ দুটোই |
| অধোগতি | অধঃ + গতি, বিসর্গ হলো ও |
- অধঃগতি আর অধগতি: একটিতে সন্ধি হয়নি, অন্যটিতে বিসর্গ হারিয়ে ও আসেনি।
- অধোঃগতি: ও-কার আর বিসর্গ দুটোই রাখা, যা হয় না।
- অধঃ আর গতি, ঘোষ ধ্বনি গ: বিসর্গ ও-কার হয়ে অধোগতি।
খ. অধঃগতি: বিসর্গ সন্ধি হয়নি; ঘোষ ধ্বনি গ-এর আগে বিসর্গ থাকার কথা নয়।
গ. অধগতি: বিসর্গ বাদ পড়েছে কিন্তু ও-কার আসেনি; সন্ধির নিয়ম অর্ধেক মানা হয়েছে।
ঘ. অধোঃগতি: বিসর্গ ও-কারে রূপ নিয়েছে, তাই দুটো একসঙ্গে থাকতে পারে না।
অ-কার, বিসর্গ, পরে ঘোষ ধ্বনি হলে ও: অধোগতি, অধোমুখ, মনোযোগ, তিরোধান।
অধঃ নামে নিচে, হয়ে যায় অধো।