আমাদের সম্পর্কে
প্রশ্নব্যাংক নতুন · ফ্রি৩,০২১টি আসল বিসিএস প্রশ্ন, ব্যাখ্যাসহসমাধান ও ব্যাখ্যা
বাংলা ভাষা ও সাহিত্য৪৩তম বিসিএস (২০২১)

কেন্তুমের কোন দুটি শাখা এশিয়ার অন্তর্গত?

সঠিক উত্তর

কহিত্তিক ও তুখারিক

ব্যাখ্যা

প্রশ্নটি ইন্দো-ইউরোপীয় ভাষাবংশের শাখা নিয়ে। এই ভাষাবংশকে দুই ভাগে ভাগ করা হয়: কেন্তুম আর শতম। নাম দুটি এসেছে একশো সংখ্যার শব্দ থেকে; লাতিনে একশো কেন্তুম, আর আবেস্তা ভাষায় সতম।

কেন্তুম শাখার ভাষাগুলো প্রধানত ইউরোপের: গ্রিক, ইতালীয় বা লাতিন, কেলটিক, জার্মানিক। কিন্তু এই শাখার দুটি ভাষা প্রচলিত ছিল এশিয়ায়: হিত্তীয় বা হিত্তিক, যা চলত আনাতোলিয়া অর্থাৎ বর্তমান তুরস্কে, আর তুখারীয় বা তুখারিক, যা চলত মধ্য এশিয়ার তারিম অববাহিকায়।

অন্যদিকে শতম শাখায় আছে ইন্দো-ইরানীয়, বাল্টো-স্লাভিক, আর্মেনীয়, আলবেনীয়। বাংলা এই শতম শাখারই ইন্দো-ইরানীয় ধারা থেকে এসেছে।

ফাঁদ হলো মাগধী ও গৌড়ী। এগুলো আমাদের পরিচিত প্রাকৃত, বাংলার উৎস হিসেবে আলোচিত, তাই চোখে পড়ে। কিন্তু এরা শতম শাখার ভারতীয় ধারার, কেন্তুমের নয়।

স্টেপ বাই স্টেপ শিখুন

৪/৪
শাখাভাষাঅঞ্চল
কেন্তুমগ্রিক, লাতিন, কেলটিক, জার্মানিকইউরোপ
কেন্তুমহিত্তীয় (হিত্তিক)আনাতোলিয়া, এশিয়া
কেন্তুমতুখারীয় (তুখারিক)তারিম অববাহিকা, এশিয়া
শতমইন্দো-ইরানীয়, বাল্টো-স্লাভিকবাংলা এই শাখার
  1. কেন্তুমের ইউরোপীয় ভাষা: গ্রিক, লাতিন, কেলটিক, জার্মানিক।
  2. কেন্তুমের এশীয় ভাষা ১: হিত্তীয়, আনাতোলিয়ায়।
  3. কেন্তুমের এশীয় ভাষা ২: তুখারীয়, মধ্য এশিয়ার তারিম অববাহিকায়।
  4. শতম: ইন্দো-ইরানীয় ইত্যাদি; বাংলা, মাগধী, গৌড়ী এই শাখার।
অন্য অপশনগুলো কেন ভুল

খ. তামিল ও দ্রাবিড়: তামিল দ্রাবিড় ভাষাবংশের ভাষা, আর দ্রাবিড় নিজেই আলাদা ভাষাবংশ; ইন্দো-ইউরোপীয়ই নয়।

গ. আর্য ও অনার্য: আর্য ও অনার্য জাতিগোষ্ঠী বা সাংস্কৃতিক ভাগের নাম, কোনো ভাষাশাখা নয়।

ঘ. মাগধী ও গৌড়ী: মাগধী ও গৌড়ী প্রাকৃত শতম শাখার ভারতীয় ধারার; কেন্তুমের সঙ্গে এদের সম্পর্ক নেই।

শর্টকাট

কেন্তুমের এশিয়ার জোড়া মনে রাখুন হি আর তু দিয়ে: হিত্তিক ও তুখারিক।

মনে রাখুন

কেন্তুম ইউরোপের, তবু এশিয়ায় দুই অতিথি: হিত্তি আর তুখারি।