'তুরস্ক-ভ্রমণ' কার লেখা?
সঠিক উত্তর
কইসমাইল হোসেন সিরাজী
ব্যাখ্যা
প্রশ্নটি তুরস্ক ভ্রমণ নামের ভ্রমণকাহিনির লেখক জানতে চেয়েছে। বইটি ইসমাইল হোসেন সিরাজীর লেখা।
বলকান যুদ্ধের সময়, ১৯১২ সালে, আহত তুর্কি সৈনিকদের সেবার জন্য ভারতবর্ষ থেকে একটি চিকিৎসক দল তুরস্কে যায়। সিরাজী সেই দলে ছিলেন। এই ভ্রমণের অভিজ্ঞতা আর তখনকার মুসলিম বিশ্বের অবস্থাই ১৯১৩ সালে প্রকাশিত তুরস্ক ভ্রমণের বিষয়।
সিরাজীর সবচেয়ে পরিচিত রচনা কাব্যগ্রন্থ অনল প্রবাহ, যা ব্রিটিশ সরকার বাজেয়াপ্ত করে। তাঁর নামের সিরাজী অংশটি এসেছে জন্মস্থান সিরাজগঞ্জ থেকে।
ফাঁদ হলো সৈয়দ মুজতবা আলী, কারণ বাংলা ভ্রমণসাহিত্যে তাঁর নামই সবার আগে মনে আসে। কিন্তু তাঁর বিখ্যাত ভ্রমণকাহিনি দেশে বিদেশে, যার পটভূমি আফগানিস্তান।
স্টেপ বাই স্টেপ শিখুন
৩/৩| লেখক | পরিচিত রচনা |
|---|---|
| ইসমাইল হোসেন সিরাজী | তুরস্ক ভ্রমণ, অনল প্রবাহ |
| সৈয়দ মুজতবা আলী | দেশে বিদেশে |
| আবু জাফর শামসুদ্দীন | পদ্মা মেঘনা যমুনা |
| শামসুদ্দীন আবুল কালাম | কাশবনের কন্যা |
| সিরাজীর তুরস্ক যাত্রা | ১৯১২, বলকান যুদ্ধে চিকিৎসক দল |
- তুরস্ক ভ্রমণ: ইসমাইল হোসেন সিরাজী।
- পটভূমি: বলকান যুদ্ধে চিকিৎসক দলের সঙ্গে তুরস্ক যাত্রা।
- মুজতবা আলীর ভ্রমণকাহিনি দেশে বিদেশে, তুরস্ক নয়।
খ. সৈয়দ মুজতবা আলী: সৈয়দ মুজতবা আলীর বিখ্যাত ভ্রমণকাহিনি দেশে বিদেশে, যার পটভূমি আফগানিস্তান; তুরস্ক ভ্রমণ তাঁর লেখা নয়।
গ. আবু জাফর শামসুদ্দীন: আবু জাফর শামসুদ্দীন কথাসাহিত্যিক, পদ্মা মেঘনা যমুনা উপন্যাসের লেখক; এই ভ্রমণকাহিনির সঙ্গে তাঁর যোগ নেই।
ঘ. শামসুদ্দীন আবুল কালাম: শামসুদ্দীন আবুল কালাম কাশবনের কন্যা উপন্যাসের লেখক; নামের শামসুদ্দীন অংশ দিয়ে বিভ্রান্ত করা হয়েছে।
তুরস্কের সঙ্গে যুক্ত বাঙালি লেখক মানেই ইসমাইল হোসেন সিরাজী; মুজতবা আলীর পথ আফগানিস্তানে।
সিরাজী গেলেন তুরস্ক, মুজতবা আলী কাবুল।