কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি · পাতা ৩০
৫৮১. Mobile Phone -এর কোনটি input device নয়? (৩৬তম বিসিএস, ২০১৬)
- কKeypad
- খTouch Screen
- গCamera
- ঘPower Supply
সঠিক উত্তর: ঘ. Power Supply
প্রশ্নটি জানতে চেয়েছে মোবাইল ফোনের কোনটি ইনপুট যন্ত্র নয়। উত্তর পাওয়ার সাপ্লাই। ইনপুট যন্ত্র ব্যবহারকারী বা পরিবেশ থেকে তথ্য নিয়ে ফোনের প্রসেসরে পাঠায়; পাওয়ার সাপ্লাই কোনো তথ্য দেয় না, শুধু বিদ্যুৎ জোগায়।
কিপ্যাড চাপলে অক্ষর বা সংখ্যা ঢোকে, তাই এটি ইনপুট। টাচস্ক্রিন স্পর্শের অবস্থান ঢোকায়, আবার একই সঙ্গে ছবিও দেখায়; তাই একে ইনপুট ও আউটপুট দুটোই বলা হয়। ক্যামেরা আলো থেকে ছবি তৈরি করে ফোনে পাঠায়, তাই এটিও ইনপুট; মাইক্রোফোনও একই দলে।
পাওয়ার সাপ্লাই বা ব্যাটারি ফোনের সব অংশকে শক্তি দেয়, কিন্তু কোনো ডেটা তৈরি বা প্রেরণ করে না। তাই এটি ইনপুট বা আউটপুট নয়, শক্তির উৎস।
ফাঁদ হলো টাচস্ক্রিন। এটি পর্দা বলে অনেকে শুধু আউটপুট ভাবেন, কিন্তু স্পর্শ বোঝার ক্ষমতাই একে ইনপুট বানায়।
মনে রাখুন: প্রশ্ন করুন: অংশটি কি কোনো তথ্য ঢোকায়? না হলে সেটা ইনপুট নয়।
৫৮২. নিচের কোনটি ডাটাবেজ language? (৩৬তম বিসিএস, ২০১৬)
- কOracle
- খC
- গMS-Word
- ঘকোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর: ঘ. কোনোটিই নয়
প্রশ্নটি জানতে চেয়েছে কোনটি ডেটাবেজ ভাষা। প্রদত্ত উত্তর কোনোটিই নয়। কারণ ডেটাবেজের প্রমিত ভাষা হলো এসকিউএল, যার কোনো বিকল্পে উল্লেখ নেই।
ওরাকল আসলে ভাষা নয়, একটি ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম, অর্থাৎ ডেটা রাখা ও সামলানোর সফটওয়্যার; আবার একই নামের কোম্পানিও। ওরাকল ডেটাবেজের সঙ্গে কথা বলা হয় এসকিউএল ও তার বর্ধিত রূপ পিএল-এসকিউএল দিয়ে।
সি একটি সাধারণ কাজের প্রোগ্রামিং ভাষা, ডেটাবেজের বিশেষ ভাষা নয়। আর এমএস ওয়ার্ড লেখালেখির সফটওয়্যার বা ওয়ার্ড প্রসেসর।
ফাঁদ হলো ওরাকল, কারণ নামটি ডেটাবেজের সঙ্গে জড়িত। মনে রাখুন, সফটওয়্যার আর ভাষা আলাদা জিনিস: ওরাকল, মাই-এসকিউএল, এমএস অ্যাকসেস হলো ডেটাবেজ সফটওয়্যার, আর এসকিউএল হলো ভাষা। অনেক প্রকাশিত সমাধানে অবশ্য ওরাকলকেই উত্তর দেখানো হয়েছে।
মনে রাখুন: ডেটাবেজ ভাষা প্রশ্নে খুঁজুন এসকিউএল, ডিডিএল, ডিএমএল; ওরাকল বা অ্যাকসেস হলো সফটওয়্যার।
৫৮৩. Linkedin – এর ক্ষেত্রে কোনটি সঠিক? (৩৬তম বিসিএস, ২০১৬)
- কএটি একটি বিজনেস অরিয়েন্টেড সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং সার্ভিস
- খএটি ২০০২ সালে প্রতিষ্ঠিত
- গ২০০৬ সালে এটির সদস্যসংখ্যা ২০ মিলিয়নের অধিক হয়
- ঘউপরের সবগুলোই
সঠিক উত্তর: ঘ. উপরের সবগুলোই
প্রশ্নটি লিংকডইন সম্পর্কে সঠিক তথ্য জানতে চেয়েছে, আর প্রদত্ত উত্তর উপরের সবগুলোই। লিংকডইন হলো পেশাজীবী ও ব্যবসাকেন্দ্রিক সামাজিক যোগাযোগ সাইট: এখানে মানুষ জীবনবৃত্তান্ত রাখে, চাকরি খোঁজে আর পেশাগত যোগাযোগ বাড়ায়। প্রথম তথ্যটি তাই সঠিক।
লিংকডইন প্রতিষ্ঠিত হয় ২০০২ সালের ডিসেম্বরে, রিড হফম্যান ও কয়েকজন সহযোগীর হাতে; সাইটটি সবার জন্য চালু হয় ২০০৩ সালের মে মাসে। তাই প্রতিষ্ঠার সাল ২০০২ বলা সঠিক।
তৃতীয় তথ্য, ২০০৬ সালে দুই কোটির বেশি সদস্য, গাইডবইগুলো সত্য ধরে উত্তর সবগুলোই দেখায়। তবে লিংকডইনের প্রকাশিত ইতিহাসে দেখা যায় ২০০৭ সালের এপ্রিলে সদস্য এক কোটিতে পৌঁছায়; তাই এই সংখ্যাটি নিয়ে সংশয় আছে। পরে ২০১৬ সালে মাইক্রোসফট লিংকডইন কিনে নেয়।
এ ধরনের প্রশ্নে প্রথম সঠিক তথ্য দেখেই থেমে যাওয়া সাধারণ ভুল; পরীক্ষার প্রত্যাশিত উত্তর সবগুলোই।
মনে রাখুন: লিংকডইন: প্রতিষ্ঠা ২০০২, চালু ২০০৩, মাইক্রোসফটের মালিকানা ২০১৬।
৫৮৪. কমিউনিকেশন সিস্টেমে গেটওয়ে কি কাজে ব্যবহার হয়? (৩৬তম বিসিএস, ২০১৬)
- কবিভিন্ন নেটওয়ার্ক ডিভাইস সংযুক্ত করার কাজে
- খদুই বা তার অধিক ভিন্ন ধরনের নেটওয়ার্ককে সংযুক্ত করার কাজে
- গএটি নেটওয়ার্ক হাব কিংবা সুইচের মতই কাজ করে
- ঘকোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর: খ. দুই বা তার অধিক ভিন্ন ধরনের নেটওয়ার্ককে সংযুক্ত করার কাজে
প্রশ্নটি জানতে চেয়েছে নেটওয়ার্কে গেটওয়ে কী কাজে লাগে। উত্তর দুই বা তার বেশি ভিন্ন ধরনের নেটওয়ার্ককে যুক্ত করা। গেটওয়ে শুধু সংযোগ দেয় না, এক নেটওয়ার্কের প্রোটোকল বা নিয়ম অন্য নেটওয়ার্কের নিয়মে অনুবাদ করে দেয়।
দুজন ভিন্ন ভাষার মানুষের মাঝে দোভাষী যেমন কাজ করে, গেটওয়েও তেমনি। যেমন বাসার ভেতরের নেটওয়ার্ককে ইন্টারনেটের সঙ্গে, বা পুরোনো টেলিফোন নেটওয়ার্ককে ইন্টারনেট ভিত্তিক ফোনের সঙ্গে যুক্ত করতে গেটওয়ে লাগে।
হাব আর সুইচ একই নেটওয়ার্কের ভেতরে কম্পিউটারগুলোকে জোড়ে। হাব সব তথ্য সবাইকে পাঠায়, আর সুইচ ঠিকানা দেখে শুধু নির্দিষ্ট কম্পিউটারে পাঠায়। রাউটার একই প্রোটোকলের আলাদা নেটওয়ার্কের মধ্যে পথ বেছে দেয়।
ফাঁদ হলো প্রথম বিকল্প, বিভিন্ন নেটওয়ার্ক যন্ত্র সংযুক্ত করা; এটা হাব বা সুইচের কাজ। গেটওয়ের মূল পরিচয় ভিন্ন ধরনের নেটওয়ার্কের সংযোগ।
মনে রাখুন: ভিন্ন, আলাদা প্রোটোকল, অনুবাদ শব্দ দেখলে গেটওয়ে।
৫৮৫. নিচের কোনটি কম্পিউটারের প্রাইমারি মেমোরি? (৩৬তম বিসিএস, ২০১৬)
- কRAM
- খHard Disk
- গPen drive
- ঘকোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর: ক. RAM
প্রশ্নটি জানতে চেয়েছে কোনটি কম্পিউটারের প্রাইমারি বা প্রধান মেমোরি। উত্তর র্যাম। প্রসেসর সরাসরি যে মেমোরি থেকে নির্দেশনা ও ডেটা নেয়, তাকে প্রাইমারি মেমোরি বলে; র্যাম ও রম দুটোই এর মধ্যে পড়ে।
কোনো প্রোগ্রাম চালালে তা হার্ডডিস্ক থেকে প্রথমে র্যামে আসে, তারপর প্রসেসর র্যাম থেকে পড়ে কাজ করে। কারণ হার্ডডিস্কের চেয়ে র্যাম বহুগুণ দ্রুত।
মেমোরিকে একটি পিরামিডের মতো ভাবুন। ওপরে প্রসেসরের ভেতরের রেজিস্টার আর ক্যাশ, সবচেয়ে দ্রুত কিন্তু ছোট। মাঝে র্যাম, প্রধান মেমোরি। নিচে হার্ডডিস্ক, এসএসডি, পেনড্রাইভের মতো সেকেন্ডারি মেমোরি, যা ধীর কিন্তু বিশাল আর স্থায়ী।
ফাঁদ হলো হার্ডডিস্ক, কারণ সব ফাইল সেখানে থাকে বলে একে মূল মেমোরি মনে হয়। কিন্তু হার্ডডিস্ক সহায়ক বা সেকেন্ডারি স্টোরেজ।
মনে রাখুন: প্রসেসর সরাসরি পড়ে কি না দেখুন: পড়লে প্রাইমারি (র্যাম, রম), না পড়লে সেকেন্ডারি।
৫৮৬. Plotter কোন ধরনের ডিভাইস? (৩৬তম বিসিএস, ২০১৬)
- কইনপুট
- খআউটপুট
- গমেমোরি
- ঘউপরের কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর: খ. আউটপুট
প্রশ্নটি জানতে চেয়েছে প্লটার কোন ধরনের যন্ত্র। উত্তর আউটপুট যন্ত্র। প্লটার কম্পিউটারের তৈরি নকশা বড় কাগজে কলম বা কালি দিয়ে এঁকে বের করে, অর্থাৎ কম্পিউটারের ফলাফল বাইরে নিয়ে আসে।
সাধারণ প্রিন্টার ছোট কাগজে লেখা ছাপে, আর প্লটার বড় মাপের কাগজে নিখুঁত রেখাচিত্র আঁকে। তাই স্থপতির বাড়ির নকশা, প্রকৌশলীর যন্ত্রাংশের ড্রয়িং, মানচিত্র বা বড় ব্যানার ছাপতে প্লটার ব্যবহার হয়।
একই আউটপুট দলে আছে মনিটর, প্রিন্টার, স্পিকার আর প্রজেক্টর। ইনপুট দলে কি-বোর্ড, মাউস, স্ক্যানার; মেমোরি হলো র্যাম, রম বা হার্ডডিস্কের মতো তথ্য রাখার জায়গা।
ফাঁদ হলো প্লটারের ছবি আঁকার কাজ দেখে একে গ্রাফিক্স ট্যাবলেটের মতো ইনপুট ভাবা। ট্যাবলেটে আমরা আঁকি কম্পিউটারকে দিতে, আর প্লটার কম্পিউটারের আঁকা আমাদের দেয়।
মনে রাখুন: প্লট মানে নকশা আঁকা: কম্পিউটারের নকশা বাইরে আসে, তাই আউটপুট।
৫৮৭. কম্পিউটার সিপিইউ (CPU) – এর কোন অংশ গাণিতিক সিদ্ধান্ত গ্রহণের কাজ করে? (৩৭তম বিসিএস, ২০১৬)
- কএএলইউ (ALU)
- খকন্ট্রোল ইউনিট (control unit)
- গরেজিস্টার সেট (Register set)
- ঘকোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর: ক. এএলইউ (ALU)
প্রশ্নটি জানতে চেয়েছে সিপিইউ-এর কোন অংশ গাণিতিক কাজ ও সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে। উত্তর এএলইউ, পুরো নাম অ্যারিথমেটিক লজিক ইউনিট। নামেই দুটি কাজ: অ্যারিথমেটিক মানে যোগ, বিয়োগ, গুণ, ভাগের হিসাব, আর লজিক মানে তুলনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া।
লজিক অংশ পরীক্ষা করে একটি সংখ্যা অন্যটির চেয়ে বড়, ছোট না সমান, অথবা কোনো শর্ত সত্য না মিথ্যা। এই তুলনার ফল দেখেই প্রোগ্রাম ঠিক করে কোন পথে যাবে। তাই সিদ্ধান্ত গ্রহণও এএলইউ-এর কাজ।
সিপিইউ-এর তিনটি প্রধান অংশ। কন্ট্রোল ইউনিট হলো পরিচালক: নির্দেশনা পড়ে কোন অংশ কখন কী করবে তা ঠিক করে দেয়, নিজে হিসাব করে না। রেজিস্টার হলো প্রসেসরের ভেতরের ছোট ও অতি দ্রুত মেমোরি, যেখানে হিসাবের সংখ্যা সাময়িক থাকে।
ফাঁদ হলো কন্ট্রোল ইউনিট। নিয়ন্ত্রণ মানে সিদ্ধান্ত ভেবে অনেকে এটি বেছে নেন, কিন্তু তুলনা করে যুক্তির সিদ্ধান্ত দেয় এএলইউ; কন্ট্রোল ইউনিট শুধু কাজ সমন্বয় করে।
মনে রাখুন: হিসাব বা তুলনা মানেই এএলইউ; পরিচালনা বা সমন্বয় মানেই কন্ট্রোল ইউনিট।
৫৮৮. একটি ২(দুই) ইনপুট লজিক সেটের আউটপুট ০ হবে, যদি এর ইনপুটগুলো সমান হয় – এর উক্তিটি কোন সেটের জন্য সত্য? (৩৭তম বিসিএস, ২০১৬)
- কAND
- খNOR
- গEx-OR
- ঘOR
সঠিক উত্তর: গ. Ex-OR
প্রশ্নটি জানতে চেয়েছে কোন দুই-ইনপুট লজিক গেটের আউটপুট শূন্য হয়, যখন দুটি ইনপুট সমান। উত্তর এক্স-অর গেট। প্রশ্নে ছাপা লজিক সেট শব্দটি আসলে লজিক গেট।
এক্স-অর মানে এক্সক্লুসিভ অর। এর নিয়ম: দুই ইনপুট ভিন্ন হলে আউটপুট এক, আর সমান হলে আউটপুট শূন্য। তাই শূন্য-শূন্য আর এক-এক, দুই ক্ষেত্রেই আউটপুট শূন্য। একে অমিল খোঁজার গেটও বলা যায়।
অন্য গেটগুলো মিলিয়ে দেখি। অ্যান্ড গেটে এক-এক দিলে আউটপুট এক, তাই সমান ইনপুটে সবসময় শূন্য নয়। অর গেটেও এক-এক দিলে এক। নর গেটে শূন্য-শূন্য দিলে আউটপুট এক। শুধু এক্স-অর দুই সমান অবস্থাতেই শূন্য দেয়।
ফাঁদ হলো নর। এক-এক দিলে নর শূন্য দেয় বলে মনে হয় মিলে গেছে, কিন্তু শূন্য-শূন্যে নর এক দেয়। দুটি সমান অবস্থাই মিলিয়ে দেখতে হবে।
মনে রাখুন: এক্স-অর ভিন্ন হলে এক, এক্স-নর সমান হলে এক; দুটো জোড়ায় মনে রাখুন।
৫৮৯. কোনটি অপারেটিং সিস্টেম নয়? (৩৭তম বিসিএস, ২০১৬)
- কC
- খDOS
- গCP/M
- ঘXENIX
সঠিক উত্তর: ক. C
প্রশ্নটি জানতে চেয়েছে কোনটি অপারেটিং সিস্টেম নয়। উত্তর সি, কারণ সি একটি প্রোগ্রামিং ভাষা। ডেনিস রিচি ১৯৭২ সালে বেল ল্যাবসে এটি তৈরি করেন, আর ইউনিক্স অপারেটিং সিস্টেমের বড় অংশ এই ভাষাতেই লেখা হয়।
অপারেটিং সিস্টেম হলো সেই মূল সফটওয়্যার, যা যন্ত্রাংশ পরিচালনা করে এবং ব্যবহারকারী ও অন্য প্রোগ্রামকে কম্পিউটার ব্যবহারের সুযোগ দেয়। বাকি তিনটিই এই ধরনের সফটওয়্যার।
ডস হলো ডিস্ক অপারেটিং সিস্টেম; মাইক্রোসফটের এমএস-ডস ১৯৮১ সালে আইবিএম পিসির সঙ্গে আসে। সিপি-এম ১৯৭৪ সালে গ্যারি কিলডালের তৈরি, প্রথম দিকের মাইক্রো কম্পিউটারের জনপ্রিয় অপারেটিং সিস্টেম। জেনিক্স হলো ইউনিক্সের একটি সংস্করণ, যা মাইক্রোসফট ১৯৮০ সালে বাজারে আনে।
সিপি-এম আর জেনিক্স অপরিচিত নাম বলে অনেকে এগুলোকে অপারেটিং সিস্টেম নয় ভেবে বসেন। কিন্তু প্রশ্নের সবচেয়ে পরিচিত নাম সি-ই আসলে দলছুট।
মনে রাখুন: অপরিচিত নাম দেখে ভয় পাবেন না; আগে পরিচিত নামগুলোর পরিচয় যাচাই করুন।
৫৯০. ক্লাউড সার্ভার নিচের কোনটিতে সবচেয়ে ভালো বর্ণনা করা সম্ভব? (৩৭তম বিসিএস, ২০১৬)
- কনেটওয়ার্কের মাধ্যমে যুক্ত একাধিক কম্পিউটার সার্ভার
- খএকটি বিশাল ক্ষমতা সম্পন্ন কম্পিউটার সার্ভার
- গব্যবহারকারীর চাহিদা অনুযায়ী কম্পিউটিং সেবা দেয়া
- ঘউপরের কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর: গ. ব্যবহারকারীর চাহিদা অনুযায়ী কম্পিউটিং সেবা দেয়া
প্রশ্নটি জানতে চেয়েছে ক্লাউড সার্ভারের সবচেয়ে ভালো বর্ণনা কোনটি। উত্তর ব্যবহারকারীর চাহিদা অনুযায়ী কম্পিউটিং সেবা দেওয়া। ক্লাউড কম্পিউটিংয়ে নিজের যন্ত্র না কিনে ইন্টারনেটের মাধ্যমে অন্যের ডেটা সেন্টার থেকে সার্ভার, স্টোরেজ বা সফটওয়্যার ভাড়া নেওয়া হয়।
যুক্তরাষ্ট্রের মানদণ্ড সংস্থা নিস্টের সংজ্ঞায় ক্লাউডের মূল বৈশিষ্ট্য হলো চাহিদামতো সেবা: যখন যতটুকু দরকার, ততটুকু নেওয়া যায়, প্রয়োজনে বাড়ানো বা কমানো যায়, আর বিদ্যুৎ বিলের মতো ব্যবহার অনুযায়ী দাম দিতে হয়। গুগল ড্রাইভে ফাইল রাখা বা জিমেইল ব্যবহার এর সহজ উদাহরণ।
নেটওয়ার্কে যুক্ত একাধিক সার্ভার ক্লাউডের ভেতরে থাকে ঠিকই, কিন্তু শুধু কয়েকটি সার্ভার যুক্ত করলেই তা ক্লাউড হয় না; সেটি সাধারণ সার্ভার নেটওয়ার্ক। আর একটি বিশাল সার্ভার বললে ক্লাউডের ভাগাভাগি ও চাহিদামতো বাড়ানোর ধারণাটাই বাদ পড়ে।
ফাঁদ হলো প্রথম বিকল্প, কারণ এটি ক্লাউডের যন্ত্রাংশের সঠিক বর্ণনার মতো শোনায়। কিন্তু প্রশ্ন চেয়েছে সবচেয়ে ভালো বর্ণনা, আর ক্লাউডের পরিচয় তার সেবার ধরনে।
মনে রাখুন: ক্লাউড প্রশ্নে চাহিদামতো, অন-ডিমান্ড, ব্যবহার অনুযায়ী মূল্য শব্দগুলো খুঁজুন।
৫৯১. IP-V6 এড্রেস কত বিটের? (৩৭তম বিসিএস, ২০১৬)
- ক১২৮
- খ৩২
- গ১২
- ঘ৬
সঠিক উত্তর: ক. ১২৮
প্রশ্নটি জানতে চেয়েছে আইপি ভার্সন সিক্স ঠিকানা কত বিটের। উত্তর একশো আটাশ বিট। ইন্টারনেটে যুক্ত প্রতিটি যন্ত্রের একটি আলাদা ঠিকানা লাগে, যাকে আইপি ঠিকানা বলে।
পুরোনো আইপি ভার্সন ফোর ঠিকানা বত্রিশ বিটের, তাই মোট ঠিকানা দুইয়ের ঘাত বত্রিশ, প্রায় চারশো উনত্রিশ কোটি। মোবাইল, কম্পিউটার আর স্মার্ট যন্ত্রের সংখ্যা এর চেয়ে বেশি হয়ে যাওয়ায় ঠিকানা ফুরিয়ে আসছিল। এই সমস্যা মেটাতে আইপি ভার্সন সিক্স এসেছে।
আইপি ভার্সন সিক্স ঠিকানা আটটি ভাগে লেখা হয়, প্রতিটি ভাগ ষোলো বিটের, আর হেক্সাডেসিমেল সংখ্যায়। আট গুণ ষোলো সমান একশো আটাশ বিট। এতে মোট ঠিকানা দুইয়ের ঘাত একশো আটাশ, যা তিন দশমিক চার গুণ দশের ঘাত আটত্রিশের মতো বিশাল।
ফাঁদ হলো বত্রিশ বিট, যা আইপি ভার্সন ফোরের মাপ। আর ছয় শুধু ভার্সনের নম্বর, বিটের সংখ্যা নয়; বারো বিটের কোনো আইপি ঠিকানাও নেই।
মনে রাখুন: আইপিভি৪ = ৩২, আইপিভি৬ = ১২৮; ভার্সন দেড় গুণ, বিট চার গুণ।
৫৯২. নিচের কোনটি ইনপুট ডিভাইস? (৩৭তম বিসিএস, ২০১৬)
- কOMR
- খCOM
- গPlotter
- ঘMonitor
সঠিক উত্তর: ক. OMR
প্রশ্নটি জানতে চেয়েছে কোনটি ইনপুট যন্ত্র। উত্তর ওএমআর, পুরো নাম অপটিক্যাল মার্ক রিডার বা রিকগনিশন। এটি কাগজে পেনসিল বা কলমে ভরাট করা বৃত্ত বা দাগ আলো ফেলে শনাক্ত করে, আর সেই তথ্য কম্পিউটারে পাঠায়।
বিসিএস প্রিলিমিনারি, ভর্তি পরীক্ষা বা বোর্ড পরীক্ষার এমসিকিউ উত্তরপত্র ওএমআর দিয়েই দ্রুত মূল্যায়ন করা হয়। ভরাট বৃত্তে আলো কম প্রতিফলিত হয়, সেটা দেখেই যন্ত্র বোঝে কোন উত্তর দাগানো হয়েছে।
বাকি তিনটি আউটপুট যন্ত্র। সিওএম মানে কম্পিউটার আউটপুট মাইক্রোফিল্ম: কম্পিউটারের তথ্য সরাসরি ক্ষুদ্র ফিল্মে ছাপিয়ে সংরক্ষণ করে। প্লটার বড় কাগজে নকশা আঁকে, আর মনিটর পর্দায় ফলাফল দেখায়।
ফাঁদ হলো সিওএম, কারণ নামটি অপরিচিত। এর পুরো নামেই আউটপুট শব্দটি আছে, তাই এটি ইনপুট হতে পারে না।
মনে রাখুন: রিডার বা রিকগনিশন শব্দ থাকলে (ওএমআর, ওসিআর, এমআইসিআর) সাধারণত ইনপুট যন্ত্র।
৫৯৩. ইউনিকোডের মাধ্যমে সম্ভাব্য কতগুলো চিহ্নকে নির্দিষ্ট করা যায়? (৩৭তম বিসিএস, ২০১৬)
- ক২৫৬ টি
- খ৪০৯৬ টি
- গ৬৫৫৩৬ টি
- ঘ৪২৯৪৯৬৭২৯৬ টি
সঠিক উত্তর: গ. ৬৫৫৩৬ টি
প্রশ্নটি জানতে চেয়েছে ইউনিকোড দিয়ে কতগুলো চিহ্ন নির্দিষ্ট করা যায়। প্রদত্ত উত্তর পঁয়ষট্টি হাজার পাঁচশো ছত্রিশ। ইউনিকোড এমন একটি সংকেত পদ্ধতি, যাতে পৃথিবীর প্রায় সব ভাষার বর্ণ, বাংলা বর্ণসহ, প্রত্যেকটির জন্য আলাদা নম্বর থাকে।
পাঠ্যবইয়ের হিসাবে ইউনিকোড ষোলো বিটের সংকেত। ষোলো বিট দিয়ে দুইয়ের ঘাত ষোলো, অর্থাৎ পঁয়ষট্টি হাজার পাঁচশো ছত্রিশটি আলাদা নম্বর বানানো যায়। একইভাবে আট বিটের বর্ধিত আসকি দিয়ে দুইশো ছাপ্পান্নটি চিহ্ন হয়, যা ইংরেজির জন্য যথেষ্ট হলেও বাংলা, চীনা, আরবির মতো ভাষা ধরে না।
বাকি বিকল্পগুলোও দুইয়ের ঘাত: দুইশো ছাপ্পান্ন হলো আট বিট, চার হাজার ছিয়ানব্বই বারো বিট, আর চারশো উনত্রিশ কোটির বেশি সংখ্যাটি বত্রিশ বিট। ইউনিকোডের প্রথম নকশা ষোলো বিটের ছিল বলে পরীক্ষার উত্তর পঁয়ষট্টি হাজার পাঁচশো ছত্রিশ।
সূক্ষ্ম কথা হলো, ১৯৯৬ সালে ইউনিকোডের দ্বিতীয় সংস্করণেই পরিসর বাড়ানো হয়; এখন এতে সতেরোটি তলে এগারো লাখের বেশি সংকেত-স্থান আছে। তবু পাঠ্যবই ও পরীক্ষায় প্রচলিত উত্তর ষোলো বিট ধরেই, আর বিকল্পগুলোর মধ্যে এটিই সবচেয়ে মানানসই। ফাঁদ হলো দুইশো ছাপ্পান্ন, যা বর্ধিত আসকির মাপ।
মনে রাখুন: বর্ধিত আসকি ৮ বিটে ২৫৬, ইউনিকোড ১৬ বিটে ৬৫,৫৩৬; বিকল্পগুলো দুইয়ের ঘাত দিয়ে চিনে নিন।
৫৯৪. এনড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেমের ক্ষেত্রে নিচের কোনটি সঠিক? (৩৭তম বিসিএস, ২০১৬)
- কএটির নির্মাতা গুগল
- খএটি লিনাক্স কার্নেল নির্ভর
- গএটি প্রধানত টাচস্ক্রিন মোবাইল ডিভাইসের জন্য তৈরি
- ঘউপরের সবগুলো সঠিক
সঠিক উত্তর: ঘ. উপরের সবগুলো সঠিক
প্রশ্নটি অ্যান্ড্রয়েড সম্পর্কে সঠিক তথ্য জানতে চেয়েছে। উত্তর উপরের সবগুলো সঠিক, কারণ তিনটি তথ্যই সত্য।
অ্যান্ড্রয়েড প্রথমে অ্যান্ডি রুবিনের অ্যান্ড্রয়েড ইনকর্পোরেটেড নামের ছোট কোম্পানি তৈরি শুরু করে। ২০০৫ সালে গুগল কোম্পানিটি কিনে নেয়, আর তখন থেকে গুগলই এর মূল নির্মাতা ও উন্নয়নকারী। প্রথম অ্যান্ড্রয়েড ফোন বাজারে আসে ২০০৮ সালে।
অ্যান্ড্রয়েডের ভিত্তি লিনাক্স কার্নেল। কার্নেল হলো অপারেটিং সিস্টেমের কেন্দ্র, যা প্রসেসর, মেমোরি ও যন্ত্রাংশ সামলায়। আর অ্যান্ড্রয়েড মূলত টাচস্ক্রিন মোবাইল যন্ত্র, অর্থাৎ স্মার্টফোন ও ট্যাবলেটের জন্য নকশা করা; পরে টিভি, ঘড়ি ও গাড়ির জন্যও সংস্করণ এসেছে।
এ ধরনের প্রশ্নে একটি তথ্য সঠিক দেখে থেমে যাওয়াই সাধারণ ভুল। গুগল প্রথম থেকে নির্মাতা ছিল না বলে কেউ প্রথম তথ্যে সন্দেহ করতে পারেন, কিন্তু প্রচলিত অর্থে অ্যান্ড্রয়েড গুগলের তৈরি বলেই ধরা হয়।
মনে রাখুন: অ্যান্ড্রয়েড তিন শব্দে: গুগল, লিনাক্স, টাচস্ক্রিন।
৫৯৫. আইওএস (IOS) মোবাইল অপারেটিং সিস্টেমটি কোন প্রতিষ্ঠান বাজারজাত করে? (৩৭তম বিসিএস, ২০১৬)
- কঅ্যাপল
- খগুগল
- গমাইক্রোসফট
- ঘআইবিএম
সঠিক উত্তর: ক. অ্যাপল
প্রশ্নটি জানতে চেয়েছে আইওএস মোবাইল অপারেটিং সিস্টেম কোন প্রতিষ্ঠান বাজারজাত করে। উত্তর অ্যাপল। ২০০৭ সালে প্রথম আইফোনের সঙ্গে এটি আসে, শুরুতে নাম ছিল আইফোন ওএস; ২০১০ সালে নাম বদলে আইওএস রাখা হয়।
আইওএস শুধু অ্যাপলের নিজের যন্ত্র, যেমন আইফোন ও আইপড টাচে চলে; অন্য কোনো কোম্পানি এটি ব্যবহার করতে পারে না। আইপ্যাডেও শুরুতে আইওএস চলত।
অন্য তিনটি কোম্পানির মোবাইল অপারেটিং সিস্টেম আলাদা। গুগলের অ্যান্ড্রয়েড, আর মাইক্রোসফটের ছিল উইন্ডোজ ফোন। আইবিএম মূলত বড় ব্যবসায়িক কম্পিউটার ও সেবার প্রতিষ্ঠান, তাদের কোনো জনপ্রিয় মোবাইল অপারেটিং সিস্টেম নেই।
ফাঁদ হলো আইবিএম। নামের শুরুর আই অক্ষর দেখে আইওএস-এর সঙ্গে মেলানো যায়, কিন্তু আইওএস-এর আই এসেছে আইফোন থেকে।
মনে রাখুন: আইফোন, আইপ্যাড, আইওএস: আই-পরিবার মানেই অ্যাপল।
৫৯৬. EDSAC কম্পিউটার -এ ডাটা সংরক্ষণের জন্য কি ধরনের মেমোরি ব্যবহার হতো? (৩৭তম বিসিএস, ২০১৬)
- কRAM
- খROM
- গMercury Delay Lines
- ঘRegisters
সঠিক উত্তর: গ. Mercury Delay Lines
প্রশ্নটি জানতে চেয়েছে এডস্যাক কম্পিউটারে ডেটা রাখার জন্য কোন মেমোরি ব্যবহার হতো। উত্তর মার্কারি ডিলে লাইন। এডস্যাক যুক্তরাজ্যের কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ে মরিস উইলকসের দল তৈরি করে, আর এটি ১৯৪৯ সালের মে মাসে প্রথম প্রোগ্রাম চালায়।
মার্কারি ডিলে লাইন হলো পারদ ভরা লম্বা নল। নলের এক প্রান্তে বিদ্যুৎ সংকেতকে শব্দতরঙ্গের স্পন্দনে বদলে পাঠানো হতো; পারদের ভেতর দিয়ে যেতে যে সময় লাগে, সেই সময়টুকু তথ্য নলের ভেতরে থাকত। অন্য প্রান্তে সংকেত ধরে আবার শুরুতে পাঠানো হতো, এভাবে তথ্য ঘুরে ঘুরে জমা থাকত।
মেমোরি প্রযুক্তির ধারা মনে রাখুন: চল্লিশের দশকের শেষে ডিলে লাইন ও উইলিয়ামস টিউব, পঞ্চাশের দশকে ম্যাগনেটিক কোর মেমোরি, আর সত্তরের দশক থেকে সেমিকন্ডাক্টর র্যাম ও রম।
ফাঁদ হলো র্যাম ও রম, কারণ আজকের কম্পিউটারে এ দুটিই পরিচিত। সেমিকন্ডাক্টর র্যাম ও রম এডস্যাকের দুই দশক পরে এসেছে। আর রেজিস্টার প্রসেসরের ভেতরের ছোট জায়গা, মূল ডেটা সংরক্ষণের মেমোরি নয়।
মনে রাখুন: প্রথম প্রজন্মের কম্পিউটারের মেমোরি: ডিলে লাইন, উইলিয়ামস টিউব, পরে ম্যাগনেটিক কোর; চিপ নয়।
৫৯৭. ই-কমার্স সাইট amazon.com কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয়? (৩৭তম বিসিএস, ২০১৬)
- ক১৯৯০ সালে
- খ১৯৮৮ সালে
- গ১৯৯৪ সালে
- ঘ১৯৯৮ সালে
সঠিক উত্তর: গ. ১৯৯৪ সালে
প্রশ্নটি জানতে চেয়েছে অ্যামাজন ডট কম কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। উত্তর ১৯৯৪। ওই বছরের জুলাইয়ে জেফ বেজোস যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন অঙ্গরাজ্যে নিজের গ্যারেজে কোম্পানিটি শুরু করেন; শুরুতে নাম ছিল ক্যাডাব্রা।
অ্যামাজনের ওয়েবসাইট চালু হয় ১৯৯৫ সালে, শুরুতে শুধু অনলাইনে বই বিক্রির দোকান হিসেবে। পরে এটি প্রায় সব ধরনের পণ্যের বাজার হয়ে ওঠে, আর আজ ক্লাউড সেবা অ্যামাজন ওয়েব সার্ভিসেসেরও বড় প্রতিষ্ঠান।
কাছাকাছি সালগুলো মনে রাখুন: ১৯৯৫ সালে ওয়েবসাইট চালু ও একই বছর ইবে, ১৯৯৭ সালে অ্যামাজন শেয়ারবাজারে আসে, আর ১৯৯৮ সালে গুগল প্রতিষ্ঠিত হয়।
ফাঁদ হলো ১৯৯৮, কারণ সেটা গুগলের প্রতিষ্ঠার সাল। আর ১৯৮৮ বা ১৯৯০ সালে সাধারণ মানুষের জন্য ওয়েবই ছিল না, অনলাইন দোকান তো দূরের কথা।
মনে রাখুন: অ্যামাজন ৯৪, গুগল ৯৮, ফেসবুক ২০০৪: ক্রমটা মনে রাখুন।
৫৯৮. ই-মেইল আদান প্রদানে ব্যবহৃত SMTP এর পূর্ণরূপ কি? (৩৭তম বিসিএস, ২০১৬)
- কSimple Message Transmission Protocol
- খStrategic Mail Transfer Protocol
- গStrategic Mail Transmission Protocol
- ঘSimple Mail Transfer Protocol
সঠিক উত্তর: ঘ. Simple Mail Transfer Protocol
প্রশ্নটি ই-মেইল পাঠানোর প্রোটোকল এসএমটিপি-র পূর্ণরূপ জানতে চেয়েছে। উত্তর সিম্পল মেইল ট্রান্সফার প্রোটোকল। প্রোটোকল মানে যন্ত্রগুলোর মধ্যে তথ্য বিনিময়ের নির্দিষ্ট নিয়ম।
এসএমটিপি ই-মেইল পাঠানোর কাজ করে: আপনার ই-মেইল অ্যাপ থেকে মেইল সার্ভারে, আর এক সার্ভার থেকে প্রাপকের সার্ভারে বার্তা পৌঁছে দেয়। নামের ট্রান্সফার শব্দটিই বলে দেয় এর কাজ স্থানান্তর।
প্রাপক যখন নিজের সার্ভার থেকে মেইল নামিয়ে পড়েন, তখন লাগে অন্য প্রোটোকল: পপ থ্রি, যা মেইল নামিয়ে আনে, অথবা আইম্যাপ, যা সার্ভারে রেখেই সব যন্ত্রে মেলায়। তাই মনে রাখুন, এসএমটিপি পাঠায়, পপ ও আইম্যাপ গ্রহণ করে।
ভুল বিকল্পগুলো মূল শব্দ বদলে বানানো: মেইলের বদলে মেসেজ, সিম্পলের বদলে স্ট্র্যাটেজিক, ট্রান্সফারের বদলে ট্রান্সমিশন। চার অক্ষরের প্রতিটি শব্দ মিলিয়ে নিলেই ফাঁদ এড়ানো যায়।
মনে রাখুন: এসএমটিপি = সেন্ড মেইল টু পিপল ভেবে মনে রাখুন: পাঠানোর প্রোটোকল।
৫৯৯. TCP দিয়ে কোনটি বোঝানো হয়? (৩৭তম বিসিএস, ২০১৬)
- কপ্রোগ্রাম
- খপ্রোটোকল
- গপ্রোগ্রামিং
- ঘফ্লোচার্ট
সঠিক উত্তর: খ. প্রোটোকল
প্রশ্নটি জানতে চেয়েছে টিসিপি দিয়ে কী বোঝানো হয়। উত্তর প্রোটোকল। টিসিপি-র পূর্ণরূপ ট্রান্সমিশন কন্ট্রোল প্রোটোকল, যা ইন্টারনেটে নির্ভরযোগ্যভাবে তথ্য পৌঁছে দেওয়ার নিয়ম।
টিসিপি বড় তথ্যকে ছোট ছোট প্যাকেটে ভাগ করে, প্রতিটিতে ক্রমিক নম্বর দেয়, আর প্রাপকের কাছ থেকে পৌঁছানোর নিশ্চয়তা নেয়। কোনো প্যাকেট হারালে আবার পাঠায়, আর প্রাপকের দিকে নম্বর মিলিয়ে ঠিক ক্রমে সাজায়। তাই ই-মেইল বা ওয়েবপাতা অক্ষত পৌঁছায়।
ইন্টারনেটের টিসিপি-আইপি মডেলে চারটি স্তর। সবচেয়ে ওপরে অ্যাপ্লিকেশন স্তর, যেখানে এইচটিটিপি ও এসএমটিপি; তার নিচে ট্রান্সপোর্ট স্তর, যেখানে টিসিপি ও ইউডিপি; তারপর ইন্টারনেট স্তর, যেখানে আইপি ঠিকানা দিয়ে পথ ঠিক হয়; আর সবচেয়ে নিচে নেটওয়ার্ক অ্যাকসেস স্তর, যেমন ইথারনেট ও ওয়াই-ফাই।
ফাঁদ হলো প্রোগ্রাম, কারণ টিসিপি সফটওয়্যারের ভেতরেই চলে। কিন্তু টিসিপি নিজে কোনো প্রোগ্রাম নয়, নিয়মের সমষ্টি; শেষের পি অক্ষরটিই প্রোটোকল।
মনে রাখুন: সংক্ষেপের শেষে পি থাকলে (টিসিপি, এইচটিটিপি, এফটিপি, এসএমটিপি) সাধারণত প্রোটোকল।
৬০০. Push এবং Pop নিচের কার সাথে সম্পর্কিত? (৩৭তম বিসিএস, ২০১৬)
- কQueue
- খStack
- গUnion
- ঘArray
সঠিক উত্তর: খ. Stack
প্রশ্নটি জানতে চেয়েছে পুশ ও পপ কোন ডেটা স্ট্রাকচারের সঙ্গে জড়িত। উত্তর স্ট্যাক। স্ট্যাকে একটির ওপর আরেকটি উপাদান রাখা হয়, আর সবসময় শুধু ওপরের প্রান্তে যোগ বা বাদ দেওয়া যায়।
পুশ মানে স্ট্যাকের ওপরে নতুন উপাদান রাখা, আর পপ মানে ওপরের উপাদানটি তুলে নেওয়া। তাই যেটি সবার শেষে ঢোকে, সেটিই সবার আগে বের হয়; একে বলে লাস্ট ইন ফার্স্ট আউট বা লিফো নীতি। থালার স্তূপের কথা ভাবুন: ওপরের থালাটাই আগে নেওয়া হয়।
কিউ এর উল্টো: যে আগে ঢোকে সে আগে বের হয়, ফিফো নীতি, যেমন টিকিটের লাইন। কিউয়ের কাজের নাম এনকিউ ও ডিকিউ। অ্যারে হলো ক্রমিক নম্বর ধরে উপাদান রাখার সারি, আর ইউনিয়ন সি ভাষার একটি ডেটা ধরন, যেখানে কয়েকটি চলক একই মেমোরি ভাগ করে।
ফাঁদ হলো কিউ, কারণ এটিও উপাদান ঢোকানো আর বের করার কাঠামো। কিন্তু পুশ-পপ শব্দ জোড়া স্ট্যাকের, কিউয়ের শব্দ জোড়া এনকিউ-ডিকিউ।
মনে রাখুন: পুশ-পপ মানে স্ট্যাক ও লিফো; এনকিউ-ডিকিউ মানে কিউ ও ফিফো।