কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি · পাতা ২৯
৫৬১. ROM ভিত্তিক প্রোগ্রামের নাম কি? (৩৮তম বিসিএস, ২০১৭)
- কmalware
- খfirmware
- গvirus
- ঘlip-lop
সঠিক উত্তর: খ. firmware
প্রশ্নটি জানতে চেয়েছে, রম বা রিড অনলি মেমোরিতে স্থায়ীভাবে বসানো প্রোগ্রামকে কী বলে। উত্তর ফার্মওয়্যার। এটি সফটওয়্যার আর হার্ডওয়্যারের মাঝামাঝি জিনিস; ফার্ম মানে শক্ত বা স্থির, কারণ এটি সহজে বদলায় না।
রমের তথ্য বিদ্যুৎ চলে গেলেও মুছে যায় না। তাই কম্পিউটার চালু হওয়ার মুহূর্তে যে প্রোগ্রাম লাগে, যেমন বায়োস, সেটি রমে রাখা হয়। মোবাইল ফোন, রাউটার, টিভি বা ওয়াশিং মেশিনের ভেতরের নিয়ন্ত্রক প্রোগ্রামও ফার্মওয়্যার।
ফাঁদ হলো ম্যালওয়্যার আর ভাইরাস; শেষে ওয়্যার মিল থাকায় অনেকে গুলিয়ে ফেলেন। এ দুটি ক্ষতিকর সফটওয়্যার, রমের সঙ্গে এদের সম্পর্ক নেই। শেষ বিকল্পের লিপ-লপ নামে কিছু নেই; সম্ভবত ফ্লিপ-ফ্লপ বোঝানো হয়েছে, যা এক বিট তথ্য ধরে রাখার একটি ইলেকট্রনিক সার্কিট, কোনো প্রোগ্রাম নয়।
মনে রাখুন: ROM + সফটওয়্যার = firmware। BIOS হলো এর সবচেয়ে পরিচিত উদাহরণ।
৫৬২. একটি লজিক গেট-এর আউটপুট 1 হয় যখন এর সব ইনপুট 0 থাকে। এই গেটটি– (৩৮তম বিসিএস, ২০১৭)
- কAND
- খOR
- গXOR
- ঘNAND
সঠিক উত্তর: ঘ. NAND
প্রশ্নটি লজিক গেটের সত্যক সারণি যাচাই করছে: সব ইনপুট শূন্য হলে কোন গেট এক দেয়। উত্তর ন্যান্ড গেট।
অ্যান্ড গেট এক দেয় কেবল তখন, যখন সব ইনপুট এক। তাই সব ইনপুট শূন্য হলে অ্যান্ডের আউটপুট শূন্য। ন্যান্ড মানে অ্যান্ডের পরে একটি নট গেট বসানো, তাই সেই শূন্য উল্টে হয়ে যায় এক।
অর গেট কোনো একটি ইনপুট এক হলেই এক দেয়, তাই সব শূন্যে এটি শূন্য। এক্সঅর এক দেয় যখন দুই ইনপুট আলাদা; সব ইনপুট সমান শূন্য বলে এটিও শূন্য দেয়।
মনে রাখুন, নর এবং এক্সনর গেটও সব শূন্য ইনপুটে এক দেয়, কিন্তু সেগুলো বিকল্পে নেই। যে গেটের নামে নট লুকিয়ে আছে, সেগুলোই সাধারণত শূন্য ইনপুটে এক দেয়।
মনে রাখুন: সব ইনপুট 0 হলে 1 দেয় শুধু উল্টানো গেটগুলো: NAND, NOR, XNOR।
৫৬৩. কোনটি মাইক্রোসফটের প্রথম প্রোগ্রাম? (৩৮তম বিসিএস, ২০১৭)
- কWindows XP
- খWindows 98
- গMS DOS
- ঘWindows 7
সঠিক উত্তর: গ. MS DOS
প্রশ্নটি মাইক্রোসফটের পণ্যগুলোর সময়ক্রম যাচাই করছে। বিকল্পগুলোর মধ্যে সবচেয়ে পুরোনো এমএস-ডস, যা ১৯৮১ সালে আইবিএম পার্সোনাল কম্পিউটারের সঙ্গে এসেছিল।
এমএস-ডস মানে মাইক্রোসফট ডিস্ক অপারেটিং সিস্টেম। এটি ছিল কমান্ড লাইনভিত্তিক; মাউস বা জানালা নয়, কিবোর্ডে আদেশ লিখে চালাতে হতো। মাইক্রোসফট এটি শূন্য থেকে লেখেনি, সিয়াটল কম্পিউটার প্রোডাক্টসের একটি ডস কিনে উন্নত করেছিল।
উইন্ডোজ এসেছে পরে। উইন্ডোজের প্রথম সংস্করণ ১৯৮৫ সালে, উইন্ডোজ নাইন্টি এইট ১৯৯৮ সালে, উইন্ডোজ এক্সপি ২০০১ সালে আর উইন্ডোজ সেভেন ২০০৯ সালে। প্রথম দিকের উইন্ডোজ আসলে ডসের ওপরেই চলত।
সূক্ষ্ম কথা: মাইক্রোসফটের একেবারে প্রথম পণ্য ছিল ১৯৭৫ সালের অল্টেয়ার বেসিক নামের একটি প্রোগ্রামিং ভাষা। কিন্তু সেটি বিকল্পে নেই, তাই প্রদত্ত বিকল্পের মধ্যে প্রথম হলো এমএস-ডস।
মনে রাখুন: ‘প্রথম’ জানতে চাইলে বিকল্পগুলো সাল ধরে সাজান; DOS সবসময় Windows-এর আগে।
৫৬৪. ডিস্ক ডিফ্রাগমেন্টেশান ব্যবহৃত হয় - - (৩৮তম বিসিএস, ২০১৭)
- কভাইরাস ধ্বংসের জন্য
- খখারাপ সেক্টরসমূহ পরীক্ষা করতে
- গডিস্কের ফাইলগুলোকে পুনর্বিন্যস্ত করতে
- ঘডিস্ক ফরমেট করতে
সঠিক উত্তর: গ. ডিস্কের ফাইলগুলোকে পুনর্বিন্যস্ত করতে
প্রশ্নটি ডিস্ক ডিফ্র্যাগমেন্টেশনের কাজ জানতে চেয়েছে। উত্তর, ডিস্কের ফাইলগুলোকে পুনর্বিন্যস্ত করা।
হার্ডডিস্কে বারবার ফাইল লেখা আর মোছার ফলে একটি ফাইলের টুকরোগুলো ডিস্কের নানা জায়গায় ছড়িয়ে পড়ে; একে বলে ফ্র্যাগমেন্টেশন। তখন একটি ফাইল পড়তে ডিস্কের রিড-রাইট হেডকে বারবার এদিক-ওদিক যেতে হয়, ফলে কম্পিউটার ধীর হয়ে যায়।
ডিফ্র্যাগমেন্টেশন একই ফাইলের টুকরোগুলোকে পাশাপাশি সাজিয়ে দেয় এবং ফাঁকা জায়গাগুলো এক জায়গায় আনে। এতে হেড কম নড়ে, ফাইল দ্রুত পড়া যায়। ঘূর্ণায়মান হার্ডডিস্কেই এর উপকার; সলিড স্টেট ড্রাইভে এটি দরকার হয় না।
ফাঁদ হলো খারাপ সেক্টর পরীক্ষা। সেটা করে চেক ডিস্ক জাতীয় আলাদা টুল। ভাইরাস ধ্বংস করে অ্যান্টিভাইরাস, আর ফরম্যাট করলে ডিস্কের সব তথ্য মুছে নতুন করে প্রস্তুত হয়।
মনে রাখুন: Defrag = সাজানো, Check Disk = খারাপ সেক্টর খোঁজা, Format = সব মুছে প্রস্তুত করা।
৫৬৫. কোন সাইটটি কেনা-বেচার জন্য নয়? (৩৮তম বিসিএস, ২০১৭)
- কekhanei.com
- খolx.com
- গgoogle.com
- ঘamazon.com
সঠিক উত্তর: গ. google.com
প্রশ্নটি জানতে চেয়েছে কোন ওয়েবসাইটের মূল কাজ কেনা-বেচা নয়। উত্তর গুগল ডট কম, কারণ এটি মূলত একটি সার্চ ইঞ্জিন, যা ইন্টারনেটে তথ্য খুঁজে দেয়।
অ্যামাজন বিশ্বের সবচেয়ে বড় অনলাইন খুচরা বিক্রেতাদের একটি, যেখানে কোম্পানি নিজেই পণ্য বিক্রি করে। ওএলএক্স আর এখানেই ডট কম হলো শ্রেণিবদ্ধ বিজ্ঞাপনের সাইট, যেখানে মানুষ পুরোনো বা নতুন জিনিস বেচার বিজ্ঞাপন দেয়; এখানেই ছিল বাংলাদেশের এমন একটি সাইট।
ফাঁদ হলো, গুগলেও বিজ্ঞাপন ও শপিং অংশ আছে, তাই কেউ দ্বিধায় পড়তে পারেন। কিন্তু গুগল নিজে বেচাকেনার বাজার নয়; এটি অন্য সাইটের পণ্য খুঁজে দেখায়, আর এর মূল পরিচয় সার্চ ইঞ্জিন।
মনে রাখুন: ‘সামঞ্জস্যহীন’ খুঁজতে প্রতিটি সাইটের মূল কাজ এক শব্দে লিখুন; যেটা আলাদা সেটাই উত্তর।
৫৬৬. কম্পিউটার নেটওয়ার্ক OSI মডেমের স্তর কয়টি? (৩৮তম বিসিএস, ২০১৭)
- ক৭
- খ৫
- গ৯
- ঘ৮
সঠিক উত্তর: ক. ৭
প্রশ্নটি কম্পিউটার নেটওয়ার্কের ওএসআই মডেলের স্তরসংখ্যা জানতে চেয়েছে; প্রশ্নে মডেম ছাপা হলেও এখানে বোঝানো হয়েছে মডেল। উত্তর সাতটি স্তর।
ওএসআই মানে ওপেন সিস্টেমস ইন্টারকানেকশন। আন্তর্জাতিক মান সংস্থা আইএসও এটি ১৯৮৪ সালে প্রকাশ করে, যাতে ভিন্ন ভিন্ন কোম্পানির যন্ত্র একই নিয়মে যোগাযোগ করতে পারে। প্রতিটি স্তর একটি নির্দিষ্ট দায়িত্ব নেয় আর নিচের স্তরের সেবা ব্যবহার করে।
নিচ থেকে ওপরে স্তরগুলো হলো: ফিজিক্যাল, ডেটা লিংক, নেটওয়ার্ক, ট্রান্সপোর্ট, সেশন, প্রেজেন্টেশন ও অ্যাপ্লিকেশন। ইংরেজি বাক্য প্লিজ ডু নট থ্রো সসেজ পিৎজা অ্যাওয়ে মনে রাখলে প্রতিটি শব্দের প্রথম অক্ষর থেকে ক্রম পাওয়া যায়।
ফাঁদ হলো পাঁচ। বাস্তব ইন্টারনেটে চলা টিসিপি-আইপি মডেলে স্তর চারটি, কোনো কোনো বইয়ে পাঁচটি দেখানো হয়; সেটি ওএসআই নয়।
মনে রাখুন: OSI = ৭, TCP/IP = ৪। ক্রম: Please Do Not Throw Sausage Pizza Away (নিচ থেকে)।
৫৬৭. কোন প্রটোকলটি ইন্টারনেট সংযোগের ক্ষেত্রে সর্বাধিক ব্যবহৃত হয়? (৩৮তম বিসিএস, ২০১৭)
- কTCP/IP
- খNovel Netware
- গNet BEUI
- ঘLinux
সঠিক উত্তর: ক. TCP/IP
প্রশ্নটি জানতে চেয়েছে ইন্টারনেট সংযোগে কোন প্রটোকল সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয়। উত্তর টিসিপি-আইপি, যা আসলে কয়েকটি প্রটোকলের একটি গুচ্ছ এবং গোটা ইন্টারনেটের ভিত্তি।
আইপি বা ইন্টারনেট প্রটোকল প্রতিটি যন্ত্রকে একটি ঠিকানা দেয় এবং ডেটার প্যাকেটকে পথ দেখিয়ে গন্তব্যে নেয়। টিসিপি বা ট্রান্সমিশন কন্ট্রোল প্রটোকল নিশ্চিত করে যে সব প্যাকেট ঠিক ক্রমে, হারানো ছাড়াই পৌঁছেছে। আরপানেট ১৯৮৩ সালের ১ জানুয়ারি এই প্রটোকল গ্রহণ করে, সেখান থেকেই আধুনিক ইন্টারনেটের যাত্রা।
ফাঁদগুলো দেখি। নভেল নেটওয়্যার ছিল স্থানীয় নেটওয়ার্কের একটি পুরোনো নেটওয়ার্ক অপারেটিং সিস্টেম; প্রশ্নে বানানটি নভেল এক এল দিয়ে ছাপা। নেটবিউই ছোট স্থানীয় নেটওয়ার্কের প্রটোকল, যা রাউটার পার হতে পারে না, তাই ইন্টারনেটে অচল। আর লিনাক্স কোনো প্রটোকলই নয়, একটি অপারেটিং সিস্টেম।
মনে রাখুন: ইন্টারনেট মানেই TCP/IP; বাকি নামগুলো হয় পুরোনো LAN প্রযুক্তি, নয়তো অপারেটিং সিস্টেম।
৫৬৮. কোন চিহ্নটি ই-মেইল ঠিকানায় অবশ্যই থাকবে? (৩৮তম বিসিএস, ২০১৭)
- ক$
- খ#
- গ&
- ঘ@
সঠিক উত্তর: ঘ. @
প্রশ্নটি ই-মেইল ঠিকানার গঠন জানতে চেয়েছে। প্রতিটি ই-মেইল ঠিকানায় অ্যাট চিহ্ন থাকতেই হবে; এটি ছাড়া ঠিকানা বৈধ নয়।
ই-মেইল ঠিকানার দুটি অংশ। অ্যাট চিহ্নের বাঁয়ে থাকে ব্যবহারকারীর নাম, ডানে থাকে ডোমেইন, মানে কোন মেইল সার্ভারে বার্তা যাবে। যেমন নেম অ্যাট জিমেইল ডট কম ঠিকানায় নেম হলো ব্যবহারকারী, জিমেইল ডট কম হলো ডোমেইন।
১৯৭১ সালে রে টমলিনসন আরপানেটে প্রথম নেটওয়ার্ক ই-মেইল পাঠানোর সময় এই চিহ্নটি বেছে নেন, কারণ নামের মধ্যে এটি সাধারণত থাকে না এবং ইংরেজিতে এর অর্থ ‘অমুক জায়গায়’।
বাকি চিহ্নগুলো ই-মেইলে বাধ্যতামূলক নয়। হ্যাশ চিহ্ন হ্যাশট্যাগে, ডলার চিহ্ন মুদ্রায় আর অ্যান্ড চিহ্ন ‘এবং’ বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
মনে রাখুন: যেকোনো ই-মেইল = নাম @ ডোমেইন। সাধারণ ঠিকানায় @ থাকে একবারই।
৫৬৯. নিচের কোনটি সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়? (৩৮তম বিসিএস, ২০১৭)
- কফেসবুক
- খটুইটার
- গলিংকড ইন
- ঘউইকিপিডিয়া
সঠিক উত্তর: ঘ. উইকিপিডিয়া
প্রশ্নটি বেমানান জিনিস খুঁজতে বলেছে। ফেসবুক, টুইটার আর লিংকডইন তিনটিই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম, যেখানে মানুষ প্রোফাইল খুলে অন্যদের সঙ্গে যুক্ত হয়। উইকিপিডিয়া এদের দলে পড়ে না, তাই এটিই উত্তর।
উইকিপিডিয়া একটি মুক্ত অনলাইন বিশ্বকোষ, যাত্রা শুরু ২০০১ সালে। যে কেউ এর নিবন্ধ লিখতে ও সম্পাদনা করতে পারে, আর এটি পরিচালনা করে অলাভজনক প্রতিষ্ঠান উইকিমিডিয়া ফাউন্ডেশন। এর উদ্দেশ্য তথ্য দেওয়া, বন্ধুত্ব বা যোগাযোগ নয়।
বাকিদের মধ্যে লিংকডইন ২০০৩ সালে চালু হওয়া পেশাজীবীদের নেটওয়ার্ক, ফেসবুক ২০০৪ সালে আর টুইটার ২০০৬ সালে চালু হয়। টুইটারের নাম ২০২৩ সালে বদলে এক্স রাখা হয়েছে, তবে এটি এখনো সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম।
ফাঁদ হলো লিংকডইন: চাকরি আর পেশার সাইট বলে অনেকে একে আলাদা ভাবেন, কিন্তু এটিও একটি সামাজিক নেটওয়ার্ক।
মনে রাখুন: ‘সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়’ প্রশ্নে প্রত্যেকটিকে এক শব্দে শ্রেণি দিন; যে আলাদা শ্রেণিতে পড়ে সেটাই উত্তর।
৫৭০. 10101111 এর 1’s complement কোনটি? (৩৮তম বিসিএস, ২০১৭)
- ক1111 1111
- খ0000 0000
- গ0101 0000
- ঘ1100 0011
সঠিক উত্তর: গ. 0101 0000
প্রশ্নটি একটি বাইনারি সংখ্যার ওয়ানস কমপ্লিমেন্ট বা এক-এর পরিপূরক জানতে চেয়েছে। নিয়ম খুব সহজ: প্রতিটি বিট উল্টে দিতে হয়, শূন্য হবে এক আর এক হবে শূন্য।
সংখ্যাটি চার বিট করে দুই ভাগে ভাঙি: এক শূন্য এক শূন্য, আর এক এক এক এক। প্রথম ভাগ উল্টে হয় শূন্য এক শূন্য এক, দ্বিতীয় ভাগ উল্টে হয় শূন্য শূন্য শূন্য শূন্য। তাই উত্তর শূন্য এক শূন্য এক শূন্য শূন্য শূন্য শূন্য।
কম্পিউটারে ঋণাত্মক সংখ্যা প্রকাশে এই পরিপূরক ব্যবহৃত হয়। এর সঙ্গে আরও এক যোগ করলে পাওয়া যায় টুস কমপ্লিমেন্ট, যা আধুনিক কম্পিউটারে বেশি প্রচলিত।
ফাঁদ হলো সব এক বিকল্পটি। কোনো সংখ্যা আর তার ওয়ানস কমপ্লিমেন্ট যোগ করলে সবসময় সব বিট এক হয়; তাই ওটা যোগফল, পরিপূরক নয়।
মনে রাখুন: 1's complement = বিট উল্টানো; 2's complement = বিট উল্টে 1 যোগ (এখানে 0101 0001)।
৫৭১. কোন মাধ্যমে আলোর পালস ব্যবহৃত হয়? (৩৮তম বিসিএস, ২০১৭)
- কতামার তার
- খকো-এক্সিয়াল ক্যাবল
- গঅপটিকাল ফাইবার
- ঘওয়্যারলেস মিডিয়া
সঠিক উত্তর: গ. অপটিকাল ফাইবার
প্রশ্নটি জানতে চেয়েছে কোন সংযোগ মাধ্যমে তথ্য আলোর পালস হিসেবে চলে। উত্তর অপটিক্যাল ফাইবার।
অপটিক্যাল ফাইবার চুলের মতো সরু কাচ বা প্লাস্টিকের তন্তু। এর কেন্দ্রের প্রতিসরাঙ্ক চারপাশের আবরণের চেয়ে বেশি, তাই আলো ভেতরে পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলনের মাধ্যমে বারবার প্রতিফলিত হয়ে বহু দূর চলে যায়। আলো জ্বলা মানে এক, নিভে থাকা মানে শূন্য, এভাবে তথ্য যায়।
এতে গতি ও ব্যান্ডউইথ সবচেয়ে বেশি, বৈদ্যুতিক গোলযোগে প্রভাবিত হয় না। এজন্য সাগরতলের সাবমেরিন ক্যাবলও অপটিক্যাল ফাইবার; বাংলাদেশ ২০০৬ সালে সি-মি-উই চার সাবমেরিন ক্যাবলে যুক্ত হয়।
ফাঁদ হলো কো-এক্সিয়াল ক্যাবল, যা দেখতে মোটা ও উন্নত মনে হয়। কিন্তু তামার তার আর কো-এক্সিয়াল দুটোতেই তথ্য চলে বৈদ্যুতিক সংকেতে, আর ওয়্যারলেস মাধ্যমে চলে মূলত রেডিও ও মাইক্রোওয়েভ তরঙ্গ।
মনে রাখুন: আলো শুনলেই অপটিক্যাল ফাইবার; নীতি: পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন।
৫৭২. নিচের কোন মেমোরীটি Non-volatile? (৩৬তম বিসিএস, ২০১৬)
- কSRAM
- খDRAM
- গROM
- ঘউপরের সবগুলোই
সঠিক উত্তর: গ. ROM
প্রশ্নটি জানতে চেয়েছে কোন মেমোরি নন-ভোলাটাইল, অর্থাৎ বিদ্যুৎ চলে গেলেও তথ্য ধরে রাখে। উত্তর রম। রমে কম্পিউটার চালু হওয়ার স্থায়ী নির্দেশনা থাকে, যা বিদ্যুৎ ছাড়াও মুছে যায় না।
এসর্যাম আর ডির্যাম দুটোই র্যামের প্রকার, তাই দুটোই ভোলাটাইল। এসর্যাম বা স্ট্যাটিক র্যাম ফ্লিপ-ফ্লপ বর্তনীতে তথ্য রাখে, খুব দ্রুত, তাই প্রসেসরের ক্যাশ মেমোরিতে ব্যবহার হয়।
ডির্যাম বা ডায়নামিক র্যাম ক্ষুদ্র ক্যাপাসিটরে চার্জ হিসেবে তথ্য রাখে। চার্জ ধীরে ক্ষয় হয় বলে প্রতি সেকেন্ডে বহুবার রিফ্রেশ করতে হয়; সস্তা বলে এটাই কম্পিউটারের প্রধান র্যাম। বিদ্যুৎ গেলে দুটোর তথ্যই হারায়।
ফাঁদ হলো স্ট্যাটিক শব্দটি। স্ট্যাটিক মানে রিফ্রেশ লাগে না, স্থায়ী নয়; বিদ্যুৎ গেলে এসর্যামও সব ভুলে যায়।
মনে রাখুন: নামে র্যাম থাকলে ভোলাটাইল, রম বা ফ্ল্যাশ হলে নন-ভোলাটাইল।
৫৭৩. নিচের কোনটি 3G Language নয়? (৩৬তম বিসিএস, ২০১৬)
- কC
- খJava
- গAssembly Language
- ঘC++
সঠিক উত্তর: গ. Assembly Language
প্রশ্নটি জানতে চেয়েছে কোনটি তৃতীয় প্রজন্মের ভাষা নয়। উত্তর অ্যাসেম্বলি ল্যাঙ্গুয়েজ, কারণ এটি দ্বিতীয় প্রজন্মের ভাষা।
প্রোগ্রামিং ভাষার প্রজন্ম এভাবে মনে রাখুন। প্রথম প্রজন্ম মেশিন ভাষা, শুধু শূন্য আর একের সারি। দ্বিতীয় প্রজন্ম অ্যাসেম্বলি, যেখানে সংখ্যার বদলে অ্যাড, মুভের মতো ছোট সংকেত শব্দ বা নেমোনিক থাকে। এটিও যন্ত্রের খুব কাছের নিম্নস্তরের ভাষা।
তৃতীয় প্রজন্মে আসে উচ্চস্তরের ভাষা, যা মানুষের ভাষার কাছাকাছি এবং যন্ত্র বদলালেও চলে: ফোরট্রান, কোবল, সি, সি প্লাস প্লাস, জাভা। চতুর্থ প্রজন্মে এসকিউএলের মতো ভাষা, আর পঞ্চম প্রজন্মে প্রোলগের মতো কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ভাষা।
ফাঁদ হলো সি বা সি প্লাস প্লাসকে নিম্নস্তরের ভেবে বাদ দেওয়া। সি যন্ত্রের কাছাকাছি কাজ করতে পারলেও এটি উচ্চস্তরের তৃতীয় প্রজন্মের ভাষা।
মনে রাখুন: প্রজন্মের সংখ্যা যত বাড়ে, ভাষা তত মানুষের কাছাকাছি; অ্যাসেম্বলি সবসময় দুই নম্বরে।
৫৭৪. নিচের কোন উক্তিটি সঠিক? (৩৬তম বিসিএস, ২০১৬)
- ক১ কিলোবাইট = ১০২৪ বাইট
- খ১ মেগাবাইট = ১০২৪ বাইট
- গ১ কিলোবাইট = ১০০০ বাইট
- ঘ১ মেগাবাইট = ১০০০ বাইট
সঠিক উত্তর: ক. ১ কিলোবাইট = ১০২৪ বাইট
প্রশ্নটি জানতে চেয়েছে মেমোরির এককের কোন সম্পর্কটি সঠিক। উত্তর এক কিলোবাইট সমান এক হাজার চব্বিশ বাইট। কম্পিউটার দুই-ভিত্তিক বা বাইনারি সংখ্যায় চলে, তাই মেমোরির একক বাড়ে দুইয়ের ঘাতে।
দুইয়ের ঘাত দশ হলো এক হাজার চব্বিশ, যা এক হাজারের সবচেয়ে কাছের দুইয়ের ঘাত। তাই এক কিলোবাইট ধরা হয় এক হাজার চব্বিশ বাইট। একইভাবে এক মেগাবাইট হলো এক হাজার চব্বিশ কিলোবাইট, অর্থাৎ দশ লাখ আটচল্লিশ হাজার পাঁচশো ছিয়াত্তর বাইট।
আন্তর্জাতিক মানদণ্ডে অবশ্য কিলো মানে ঠিক এক হাজার, আর এক হাজার চব্বিশ বাইটের জন্য আলাদা নাম কিবিবাইট রাখা হয়েছে। হার্ডডিস্কের গায়ে লেখা ধারণক্ষমতা এই দশমিক হিসাবে থাকে। তবে পরীক্ষা ও পাঠ্যবইয়ে কম্পিউটার মেমোরির প্রচলিত উত্তর এক হাজার চব্বিশ।
ফাঁদ দুটি। এক মেগাবাইট সমান এক হাজার চব্বিশ বাইট বিকল্পে সংখ্যা ঠিক, কিন্তু একক ভুল; এক মেগাবাইট আসলে এক হাজার চব্বিশ কিলোবাইট। আর এক হাজার বাইট বিকল্পটি দশমিক হিসাব, কম্পিউটার মেমোরির প্রচলিত হিসাব নয়।
মনে রাখুন: প্রতিটি বড় একক আগেরটির ১০২৪ গুণ: বাইট → কিলো → মেগা → গিগা → টেরা।
৫৭৫. Wi-fi কোন স্ট্যান্ডার্ড-এর উপর ভিত্তি করে কাজ করে? (৩৬তম বিসিএস, ২০১৬)
- কIEEE 802.11
- খIEEE 804.11
- গIEEE 803.11
- ঘIEEE 806.11
সঠিক উত্তর: ক. IEEE 802.11
প্রশ্নটি জানতে চেয়েছে ওয়াই-ফাই কোন মানদণ্ডের ওপর চলে। উত্তর আইইইই আট শূন্য দুই দশমিক এগারো। আইইইই হলো ইলেকট্রিক্যাল ও ইলেকট্রনিক্স প্রকৌশলীদের আন্তর্জাতিক সংগঠন, আর তাদের আট শূন্য দুই পরিবার নেটওয়ার্কের মানদণ্ড ঠিক করে।
আট শূন্য দুই দশমিক এগারো হলো তারহীন লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক বা ওয়্যারলেস ল্যানের মানদণ্ড; প্রথম সংস্করণ বের হয় ১৯৯৭ সালে। পরে এর নানা সংস্করণ এসেছে, যেমন এ, বি, জি, এন, এসি, এএক্স, আর এগুলোকে বাজারে ওয়াই-ফাই নামে বিক্রি করা হয়।
একই পরিবারের অন্য সদস্যরাও পরীক্ষায় আসে: আট শূন্য দুই দশমিক তিন হলো তারযুক্ত ইথারনেট, আট শূন্য দুই দশমিক পনেরো ব্লুটুথের মতো ব্যক্তিগত ছোট নেটওয়ার্ক, আর আট শূন্য দুই দশমিক ষোলো হলো ওয়াইম্যাক্স।
বাকি তিনটি বিকল্প আট শূন্য চার, আট শূন্য তিন, আট শূন্য ছয় দিয়ে শুরু; এ নামে কোনো ওয়াই-ফাই মানদণ্ড নেই। মনে রাখুন, নেটওয়ার্কের পরিবারটি সবসময় আট শূন্য দুই।
মনে রাখুন: ৮০২ পরিবার: .৩ ইথারনেট, .১১ ওয়াই-ফাই, .১৫ ব্লুটুথ, .১৬ ওয়াইম্যাক্স।
৫৭৬. নিচের কোনটিতে সাধারণত ইনফ্রারেড ডিভাইস ব্যবহার করা হয়? (৩৬তম বিসিএস, ২০১৬)
- কWAN
- খSatellite Communication
- গMAN
- ঘTV রিমোর্ট কন্ট্রোলে
সঠিক উত্তর: ঘ. TV রিমোর্ট কন্ট্রোলে
প্রশ্নটি জানতে চেয়েছে ইনফ্রারেড যন্ত্র সাধারণত কোথায় ব্যবহার হয়। উত্তর টিভির রিমোট কন্ট্রোলে। ইনফ্রারেড হলো লাল আলোর চেয়ে বড় তরঙ্গদৈর্ঘ্যের অদৃশ্য আলো। রিমোটের সামনের ছোট বাতি এই আলোর ঝলকে সংকেত পাঠায়, আর টিভির সেন্সর তা পড়ে চ্যানেল বা শব্দ বদলায়।
ইনফ্রারেড সংকেত যায় সোজা পথে, অল্প দূরত্বে, আর দেয়াল ভেদ করতে পারে না। তাই রিমোট টিভির দিকে তাক করতে হয়। এই সীমাবদ্ধতার জন্যই ইনফ্রারেড কাছাকাছি যন্ত্রের যোগাযোগে কাজের, বড় নেটওয়ার্কে নয়।
স্যাটেলাইট যোগাযোগে ব্যবহার হয় মাইক্রোওয়েভ, যা বায়ুমণ্ডল ভেদ করে হাজার হাজার কিলোমিটার যেতে পারে। শহরজুড়ে ম্যান বা দেশজুড়ে ওয়ান নেটওয়ার্কে লাগে অপটিক্যাল ফাইবার, কেবল আর মাইক্রোওয়েভ লিংক।
দূরত্বই এখানে মূল সূত্র। ইনফ্রারেড কয়েক মিটারের প্রযুক্তি, তাই ওয়ান, ম্যান বা স্যাটেলাইটের মতো বড় দূরত্বের বিকল্পগুলো বাদ। বিকল্পে ছাপা রিমোর্ট বানানটি ভুল, শুদ্ধ বানান রিমোট।
মনে রাখুন: ইনফ্রারেড মানে কাছে, সোজাসুজি, দেয়াল পেরোয় না: রিমোট কন্ট্রোল।
৫৭৭. (1011)2 + (0101)2=? (৩৬তম বিসিএস, ২০১৬)
- ক(1100)2
- খ(11000)2
- গ(01100)2
- ঘকোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর: ঘ. কোনোটিই নয়
প্রশ্নটি দুটি বাইনারি সংখ্যা যোগ করতে বলেছে: এক শূন্য এক এক আর শূন্য এক শূন্য এক। বাইনারি যোগের নিয়ম চারটি: শূন্য যোগ শূন্য শূন্য, শূন্য যোগ এক এক, এক যোগ এক হলে লিখি শূন্য আর হাতে থাকে এক, আর এক যোগ এক যোগ হাতের এক হলে লিখি এক, হাতে এক।
ডান দিক থেকে কলাম ধরে যোগ করি। প্রথম কলামে এক যোগ এক, লিখি শূন্য, হাতে এক। দ্বিতীয় কলামে এক যোগ শূন্য যোগ হাতের এক, আবার লিখি শূন্য, হাতে এক। তৃতীয় কলামে শূন্য যোগ এক যোগ হাতের এক, লিখি শূন্য, হাতে এক। চতুর্থ কলামে এক যোগ শূন্য যোগ হাতের এক, লিখি শূন্য, হাতে এক; শেষে হাতের এক সামনে বসে।
ফল দাঁড়ায় এক শূন্য শূন্য শূন্য শূন্য। দশমিকে মিলিয়ে দেখি: প্রথম সংখ্যাটি এগারো, দ্বিতীয়টি পাঁচ, যোগফল ষোলো; আর ষোলোর বাইনারি রূপ ঠিক এক শূন্য শূন্য শূন্য শূন্য। এটি কোনো বিকল্পে নেই, তাই উত্তর কোনোটিই নয়।
ফাঁদ হলো হাতের সংখ্যা সামলাতে ভুল করা। হাতের এক একেবারে না নিলে আসে এক এক এক শূন্য, মানে চোদ্দ; আর শেষের হাতের এক বাদ দিলে থাকে শুধু চারটি শূন্য। বিকল্পের এক এক শূন্য শূন্য হলো বারো, আর সামনে শূন্য বসানো শূন্য এক এক শূন্য শূন্যও বারো; কোনোটিই ষোলো নয়।
মনে রাখুন: দশমিকে বদলে যোগ করে আবার বাইনারি করুন: ১১ + ৫ = ১৬ = ২⁴, মানে ১ এর পরে চারটি শূন্য।
৫৭৮. WI MAX- এর পূর্ণরূপ কি? (৩৬তম বিসিএস, ২০১৬)
- কWorldwide Interoperability for Microwave Access
- খWorldwide Internet for Microwave Access
- গWorldwide Interconnection for Microwave Access
- ঘকোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর: ক. Worldwide Interoperability for Microwave Access
প্রশ্নটি ওয়াইম্যাক্স-এর পূর্ণরূপ জানতে চেয়েছে। উত্তর ওয়ার্ল্ডওয়াইড ইন্টারঅপারেবিলিটি ফর মাইক্রোওয়েভ অ্যাকসেস। ইন্টারঅপারেবিলিটি মানে ভিন্ন ভিন্ন কোম্পানির যন্ত্র একে অপরের সঙ্গে মিলে কাজ করতে পারা।
ওয়াইম্যাক্স হলো আইইইই আট শূন্য দুই দশমিক ষোলো মানদণ্ডের তারহীন ব্রডব্যান্ড প্রযুক্তি। ওয়াই-ফাই যেখানে একটি বাসা বা অফিস ঢাকে, ওয়াইম্যাক্স একটি টাওয়ার থেকে কয়েক কিলোমিটার এলাকা জুড়ে ইন্টারনেট দিতে পারে; তাই একে শহরজুড়ে বা ম্যান পর্যায়ের প্রযুক্তি বলা হয়।
বাংলাদেশে বাংলালায়ন ও কিউবির মতো প্রতিষ্ঠান এক সময় ওয়াইম্যাক্স দিয়ে তারহীন ইন্টারনেট দিত। পরে মোবাইল ফোর-জি প্রযুক্তি জনপ্রিয় হলে ওয়াইম্যাক্সের ব্যবহার কমে যায়।
ফাঁদ হলো ইন্টারনেট বা ইন্টারকানেকশন শব্দ দুটি; শুনতে মানানসই হলেও পূর্ণরূপের মূল শব্দ ইন্টারঅপারেবিলিটি।
মনে রাখুন: ওয়াইম্যাক্সের আই মানে ইন্টারনেট নয়, ইন্টারঅপারেবিলিটি।
৫৭৯. Boolean Algebra – এর নিচের কোনটি সঠিক? (৩৬তম বিসিএস, ২০১৬)
- কA + Ā = 1
- খA . A = 1
- গA + A = 2A
- ঘউপরের কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর: ক. A + Ā = 1
প্রশ্নটি বুলিয়ান অ্যালজেবরার কোন সূত্রটি সঠিক তা জানতে চেয়েছে। উত্তর এ অর এ-বার সমান এক। বুলিয়ান অ্যালজেবরায় চলক মাত্র দুটি মান নিতে পারে, শূন্য অথবা এক। যোগ চিহ্ন মানে অর, গুণ বা ডট মানে অ্যান্ড, আর মাথায় দাগ বা বার মানে নট বা পূরক।
এ-বার হলো এ-এর উল্টো মান। এ শূন্য হলে এ-বার এক, আর এ এক হলে এ-বার শূন্য। তাই এ আর এ-বারের মধ্যে কোনো একটি সবসময় এক থাকে। অর অপারেশনে যেকোনো একটি এক হলেই ফল এক, তাই এ অর এ-বার সবসময় এক।
এ অ্যান্ড এ সমান এ, এক নয়; কারণ এ শূন্য হলে শূন্য অ্যান্ড শূন্য শূন্যই থাকে। আর এ অর এ সমান এ, দুই-এ নয়। বুলিয়ান অ্যালজেবরায় দুই বলে কোনো মান নেই।
সবচেয়ে বড় ফাঁদ এ যোগ এ সমান দুই-এ, কারণ সাধারণ বীজগণিতে তা-ই হয়। বুলিয়ান যোগ মানে অর, সংখ্যা যোগ নয়; তাই এক অর এক এক-ই।
মনে রাখুন: বুলিয়ান সূত্র যাচাইয়ের সহজ উপায়: A = ০ আর A = ১ বসিয়ে দেখুন দুই ক্ষেত্রেই মেলে কি না।
৫৮০. 8086 কত বিটের মাইক্রো প্রসেসর? (৩৬তম বিসিএস, ২০১৬)
- ক8
- খ16
- গ32
- ঘউপরের কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর: খ. 16
প্রশ্নটি জানতে চেয়েছে আট শূন্য আট ছয় কত বিটের মাইক্রোপ্রসেসর। উত্তর ষোলো বিট। ইন্টেল ১৯৭৮ সালে এটি বাজারে আনে, আর এর নির্দেশনা কাঠামো থেকেই আজকের এক্স-এইটি-সিক্স প্রসেসর পরিবারের নাম এসেছে।
প্রসেসর কত বিটের, তা বোঝায় এটি একবারে কত বিট ডেটা নিয়ে কাজ করতে পারে, অর্থাৎ এর রেজিস্টার ও ডেটা বাসের প্রস্থ। আট শূন্য আট ছয়ের রেজিস্টার ও ডেটা বাস ষোলো বিটের, আর অ্যাড্রেস বাস বিশ বিটের, যা দিয়ে এক মেগাবাইট মেমোরি ঠিকানা করা যেত।
ইন্টেলের ধারা মনে রাখুন: ১৯৭১ সালের চার শূন্য শূন্য চার চার বিট, যা প্রথম বাণিজ্যিক মাইক্রোপ্রসেসর; তারপর আট শূন্য শূন্য আট ও আট শূন্য আট শূন্য আট বিট; আট শূন্য আট ছয় ষোলো বিট; আর ১৯৮৫ সালের আট শূন্য তিন আট ছয় বত্রিশ বিট।
ফাঁদ হলো নামের আট দেখে আট বিট ভাবা। নামের সংখ্যা আর বিটের সংখ্যা এক নয়।
মনে রাখুন: ৮০৮৬ = ১৬ বিট, ৮০৮৮ = ভেতরে ১৬ কিন্তু বাইরের ডেটা বাস ৮ বিট, ৮০৩৮৬ = ৩২ বিট।