বাংলা ভাষা ও সাহিত্যপ্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক: এক্সিকিউটিভ অফিসার (সাধারণ) (২০১৭)

বাংলা সাহিত্যে চলিত রীতির প্রবর্তক কে?

সঠিক উত্তর

গপ্রমথ চৌধুরী

ব্যাখ্যা

প্রশ্নটা বাংলা গদ্যে চলিত রীতি কে প্রতিষ্ঠা করেন, তা নিয়ে। উত্তর প্রমথ চৌধুরী।

১৯১৪ সালে তিনি সবুজপত্র পত্রিকা বের করেন এবং এর মাধ্যমে সাহিত্যে মানুষের মুখের ভাষার কাছাকাছি চলিত রীতি চালু করেন। তাঁর ছদ্মনাম বীরবল, তাই এই ভঙ্গিকে বীরবলী রীতিও বলা হয়।

এর আগে সাহিত্যের ভাষা ছিল মূলত সাধু রীতি। বিদ্যাসাগর সাধু রীতিকে সুসংহত করেন বলে তাঁকে বাংলা গদ্যের জনক বলা হয়। প্যারীচাঁদ মিত্রের আলালের ঘরের দুলাল কথ্য ভাষার আদলে লেখা হলেও সেটা আলালী ভাষা, পুরোপুরি চলিত রীতি নয়।

ফাঁদ হলো রবীন্দ্রনাথ: সবুজপত্রের যুগে তিনিও চলিত রীতিতে লিখেছেন, কিন্তু প্রবর্তক প্রমথ চৌধুরী।

স্টেপ বাই স্টেপ শিখুন

৩/৩
  1. ১৮৪৭-৫০বিদ্যাসাগর: সাধু গদ্যের রূপকার
  2. ১৮৫৮আলালের ঘরের দুলাল: আলালী ভাষা
  3. ১৯১৪সবুজপত্র: প্রমথ চৌধুরীর চলিত রীতি
  1. সাধু রীতি গুছিয়ে দেন বিদ্যাসাগর।
  2. ১৮৫৮ সালে প্যারীচাঁদের আলালের ঘরের দুলাল আলালী ভাষায়।
  3. ১৯১৪ সালে সবুজপত্র দিয়ে প্রমথ চৌধুরী চলিত রীতি চালু করেন।
অন্য অপশনগুলো কেন ভুল

ক. ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর: বিদ্যাসাগর সাধু রীতির গদ্যকে সুসংহত করেন; তাঁকে বাংলা গদ্যের জনক বলা হয়।

খ. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর: রবীন্দ্রনাথ পরে চলিত রীতিতে লিখেছেন, কিন্তু প্রবর্তক নন।

ঘ. প্যারীচাঁদ মিত্র: প্যারীচাঁদের আলালী ভাষা কথ্য ধাঁচের হলেও পূর্ণ চলিত রীতি নয়।

শর্টকাট

সবুজপত্র = চলিত রীতি = প্রমথ চৌধুরী (বীরবল)।

মনে রাখুন

সবুজ পাতায় চলিত কথা, প্রমথ চৌধুরীর বার্তা।

বাংলা ভাষা ও সাহিত্য: এ রকম আরও প্রশ্ন

বাংলা ভাষা ও সাহিত্য-এর সব প্রশ্ন › · প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক: এক্সিকিউটিভ অফিসার (সাধারণ) (২০১৭)-এর পুরো প্রশ্নপত্র ›