বাংলা ভাষা ও সাহিত্যসমন্বিত ৫ ব্যাংক ও ১ আর্থিক প্রতিষ্ঠান: অফিসার (২০১৮)

বাংলা সাহিত্যে চলিত ভাষায় রচিত গ্রন্থ কোনটি?

সঠিক উত্তর

গবীরবলের হালখাতা

ব্যাখ্যা

বাংলা গদ্যে চলিত রীতির প্রতিষ্ঠার সবচেয়ে বড় নাম প্রমথ চৌধুরী। তিনি ১৯১৪ সালে সবুজপত্র পত্রিকা বের করেন এবং সেখানে চলিত ভাষায় প্রবন্ধ লিখে এই রীতিকে সাহিত্যের ভাষা হিসেবে প্রতিষ্ঠা করেন।

বীরবল ছিল তাঁর ছদ্মনাম। এই নামে লেখা প্রবন্ধ নিয়ে ১৯১৭ সালে প্রকাশিত হয় বীরবলের হালখাতা, যা চলিত ভাষায় রচিত গ্রন্থের সবচেয়ে পরিচিত উদাহরণ। তাই প্রশ্নের প্রত্যাশিত উত্তর এটিই।

নারীর মূল্য শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের প্রবন্ধ, অনিলা দেবী ছদ্মনামে লেখা। তেল নুন লকড়ি প্রমথ চৌধুরীর প্রথম প্রবন্ধগ্রন্থ, ১৯০৬ সালে, সবুজপত্রের আগের। রায়তের কথাও প্রমথ চৌধুরীর লেখা, ১৯২৬ সালে প্রকাশিত।

এখানে সতর্ক থাকুন: রায়তের কথাও সবুজপত্র যুগের পরের রচনা, তাই চলিত রীতিতেই লেখা বলে ধরা যায়। কিন্তু চলিত ভাষার প্রতীক গ্রন্থ হিসেবে পরীক্ষায় সবসময় বীরবলের হালখাতাই চাওয়া হয়।

এই প্রশ্নের উত্তর নিয়ে প্রকাশিত গাইডগুলোতে দ্বিমত আছে; এখানে সবচেয়ে প্রচলিত উত্তরটি দেওয়া হলো।

স্টেপ বাই স্টেপ শিখুন

৪/৪
  1. ১৯০৬তেল নুন লকড়ি
  2. ১৯১৪সবুজপত্র পত্রিকা
  3. ১৯১৭বীরবলের হালখাতা
  4. ১৯২৬রায়তের কথা
  1. প্রমথ চৌধুরী ১৯০৬ সালে প্রথম প্রবন্ধগ্রন্থ তেল নুন লকড়ি প্রকাশ করেন।
  2. ১৯১৪ সালে সবুজপত্র পত্রিকা দিয়ে চলিত রীতির আন্দোলন শুরু করেন।
  3. ১৯১৭ সালে বীরবল নামে লেখা বীরবলের হালখাতা প্রকাশিত হয়: চলিত ভাষার প্রতীক গ্রন্থ।
  4. ১৯২৬ সালে রায়তের কথা; নারীর মূল্য শরৎচন্দ্রের লেখা।
অন্য অপশনগুলো কেন ভুল

ক. নারীর মূল্য: নারীর মূল্য শরৎচন্দ্রের প্রবন্ধ, চলিত ভাষার প্রতীক গ্রন্থ নয়।

খ. রায়তের কথা: রায়তের কথাও প্রমথ চৌধুরীর, তবে চলিত ভাষার প্রতীক হিসেবে প্রত্যাশিত উত্তর বীরবলের হালখাতা।

ঘ. তেল নুন লাকড়ী: তেল নুন লকড়ি প্রমথ চৌধুরীর প্রথম প্রবন্ধগ্রন্থ, সবুজপত্রের চলিত আন্দোলনের আগের।

শর্টকাট

চলিত রীতি মানেই প্রমথ চৌধুরী, সবুজপত্র আর বীরবলের হালখাতা।

মনে রাখুন

বীরবলের হালখাতায় চলিত ভাষার নতুন হিসাব খোলা হলো।

বাংলা ভাষা ও সাহিত্য: এ রকম আরও প্রশ্ন

বাংলা ভাষা ও সাহিত্য-এর সব প্রশ্ন › · সমন্বিত ৫ ব্যাংক ও ১ আর্থিক প্রতিষ্ঠান: অফিসার (২০১৮)-এর পুরো প্রশ্নপত্র ›