বাংলা ভাষা ও সাহিত্যরূপালী ব্যাংক: অফিসার (ক্যাশ) (২০১৮)

নিচের সমাসবদ্ধ শব্দ হলো -

সঠিক উত্তর

ঘঅনতিদূরে

ব্যাখ্যা

অনতিদূরে শব্দটি নঞ তৎপুরুষ সমাসে গঠিত: ন অতিদূর, অর্থাৎ যা খুব দূরে নয়, তার সঙ্গে এ বিভক্তি যুক্ত হয়ে অনতিদূরে। ন বা নঞ এর পর অ বা অন আসে; স্বরবর্ণ দিয়ে শুরু শব্দের আগে বসে অন, যেমন অন্ অতি মিলে অনতি।

একই নিয়মে গঠিত আরও শব্দ: অনতিদীর্ঘ, অনতিবৃহৎ, অনাদি, অনাচার, অজানা, অচেনা, অকেজো।

প্রবৃত্তি সমাস নয়, এটি প্র উপসর্গ আর বৃৎ ধাতু ও ক্তি প্রত্যয়ে গঠিত শব্দ। উচ্চশাখা আর সবেগ নিয়ে সতর্কতা দরকার: উচ্চ যে শাখা ধরে কর্মধারয়, আর বেগের সহিত বর্তমান ধরে সবেগ সহার্থক বহুব্রীহি হিসেবেও ব্যাখ্যা করা যায়।

তাই প্রশ্নটি নিখুঁত নয়; সম্ভবত প্রশ্নকর্তা নঞ তৎপুরুষ সমাসের সবচেয়ে স্পষ্ট উদাহরণ চেয়েছেন, আর দুই উৎসের চাবিতেই উত্তর অনতিদূরে।

এই প্রশ্নের উত্তর নিয়ে প্রকাশিত গাইডগুলোতে দ্বিমত আছে; এখানে সবচেয়ে প্রচলিত উত্তরটি দেওয়া হলো।

স্টেপ বাই স্টেপ শিখুন

৪/৪
অনতিদূরে
ন+অতিদূর
অন্+অতিদূর→অনতিদূর
প্র+বৃত্তি→উপসর্গজাত, সমাস নয়

নঞ তৎপুরুষ: ন + স্বরাদি শব্দ → অন্; যেমন অনাদি, অনাচার

  1. অনতিদূরে শব্দকে ভাঙি।
  2. ন + অতিদূর: স্বরের আগে ন হয় অন।
  3. অন + অতিদূর = অনতিদূর, এ বিভক্তি যোগে অনতিদূরে।
  4. সমাস: নঞ তৎপুরুষ। প্রবৃত্তি উপসর্গ-প্রত্যয়জাত, সমাস নয়।
অন্য অপশনগুলো কেন ভুল

ক. উচ্চশাখা: উচ্চ যে শাখা ধরে কর্মধারয় বলা যায়; তবে প্রশ্নকর্তার প্রত্যাশিত উত্তর নঞ তৎপুরুষের স্পষ্ট উদাহরণ।

খ. সবেগ: সবেগ কে সহার্থক বহুব্রীহি ধরা যায়; প্রশ্নের অস্পষ্টতার উৎস এটিই।

গ. প্রবৃত্তি: প্রবৃত্তি প্র উপসর্গ ও প্রত্যয়যোগে গঠিত, সমাসবদ্ধ শব্দ নয়।

শর্টকাট

শব্দের শুরুতে অ, অন, না, নি থাকলে আর অর্থে নয় বা নেই বোঝালে আগে নঞ তৎপুরুষ ভাবুন।

মনে রাখুন

না-দিয়ে শুরু, না-বাচক মানে: নঞ তৎপুরুষ।

বাংলা ভাষা ও সাহিত্য: এ রকম আরও প্রশ্ন

বাংলা ভাষা ও সাহিত্য-এর সব প্রশ্ন › · রূপালী ব্যাংক: অফিসার (ক্যাশ) (২০১৮)-এর পুরো প্রশ্নপত্র ›