সন্ধির নিয়মানুসারে কোন বানানটি ভুল?
সঠিক উত্তর
ঘপ্রত্যুষ
ব্যাখ্যা
প্রশ্নটা স্বরসন্ধির নিয়মে বানান যাচাই করছে। নিয়মটি হলো: ই বা ঈ-এর পর ভিন্ন স্বর এলে ই বা ঈ বদলে য-ফলা হয়, আর পরের স্বরটি য-ফলার সাথে কার হিসেবে যুক্ত হয়। একে বলে যণ্ সন্ধি।
মসি আর আধার মিলে মস্যাধার, প্রতি আর এক মিলে প্রত্যেক, নদী আর অম্বু মিলে নদ্যম্বু; তিনটিই এই নিয়মে ঠিক আছে।
প্রত্যূষ শব্দটি প্রতি আর ঊষ মিলে তৈরি। পরের স্বরটি দীর্ঘ ঊ, তাই য-ফলার সাথে দীর্ঘ ঊ-কার বসবে। শুদ্ধ বানান প্রত্যূষ; বিকল্পে হ্রস্ব উ-কার দিয়ে লেখা প্রত্যুষ, যা সন্ধির নিয়মে ভুল।
হ্রস্ব উ-কারের প্রত্যুৎপন্নমতি, অভ্যুদয় শব্দের সাথে মিল দেখে অনেকে প্রত্যুষ ঠিক ভাবেন; কিন্তু সেখানে মূল শব্দে হ্রস্ব উ আছে, এখানে আছে দীর্ঘ ঊ।
স্টেপ বাই স্টেপ শিখুন
৪/৪| সন্ধিবিচ্ছেদ | শুদ্ধ রূপ | বিকল্পে |
|---|---|---|
| মসি + আধার | মস্যাধার | ঠিক |
| প্রতি + এক | প্রত্যেক | ঠিক |
| নদী + অম্বু | নদ্যম্বু | ঠিক |
| প্রতি + ঊষ | প্রত্যূষ | প্রত্যুষ: ভুল |
- নিয়ম: ই বা ঈ-এর পর ভিন্ন স্বর এলে ই বা ঈ হয় য-ফলা।
- মসি + আধার, প্রতি + এক, নদী + অম্বু: তিনটি ঠিক।
- প্রতি + ঊষ হলে দীর্ঘ ঊ-কার থাকবে: প্রত্যূষ।
- তাই হ্রস্ব উ-কারের প্রত্যুষ বানানটি ভুল।
ক. মস্যাধার: মসি + আধার = মস্যাধার; নিয়ম মেনে ই হয়েছে য-ফলা, আ যুক্ত হয়েছে।
খ. প্রত্যেক: প্রতি + এক = প্রত্যেক; শুদ্ধ।
গ. নদ্যম্বু: নদী + অম্বু = নদ্যম্বু; ঈ হয়েছে য-ফলা, শুদ্ধ।
য-ফলার পরের কার মূল শব্দের প্রথম স্বর থেকেই আসে: অভি + উদয় = অভ্যুদয় (হ্রস্ব), প্রতি + ঊষ = প্রত্যূষ (দীর্ঘ)।
ঊষার আলোয় দীর্ঘ ভোর: প্রত্যূষ।
বাংলা ভাষা ও সাহিত্য: এ রকম আরও প্রশ্ন
- কোন বানানটি শুদ্ধ?৩৩তম বিসিএস (২০১২)
- কোন বানানটি শুদ্ধ?৩৫তম বিসিএস (২০১৫)
- কোন বানানটি শুদ্ধ?৪১তম বিসিএস (২০২১)
- কোন বানানটি শুদ্ধ?৪১তম বিসিএস (২০২১)
- কোন বানানটি শুদ্ধ?৪৬তম বিসিএস (২০২৪)
- কোন বানানটি শুদ্ধ?সমন্বিত ৫ ব্যাংক: অফিসার (ক্যাশ) (২০২২)
বাংলা ভাষা ও সাহিত্য-এর সব প্রশ্ন › · সমন্বিত ৬ ব্যাংক ও ২ আর্থিক প্রতিষ্ঠান: অফিসার (সাধারণ) (২০২৬)-এর পুরো প্রশ্নপত্র ›