বাংলা ভাষায় শব্দ সাধন হয় না নিম্নোক্ত কোন উপায়ে?
সঠিক উত্তর
খলিঙ্গ পরিবর্তন দ্বারা
ব্যাখ্যা
প্রশ্নটা শব্দ গঠনের উপায় নিয়ে। নতুন অর্থের নতুন শব্দ তৈরির প্রধান উপায় হলো উপসর্গ, প্রত্যয়, সমাস ও সন্ধি। প্রচলিত উত্তর অনুযায়ী লিঙ্গ পরিবর্তন এই তালিকায় পড়ে না।
উপসর্গ শব্দের আগে বসে নতুন অর্থ তৈরি করে: হার শব্দের আগে প্র বসে প্রহার, আ বসে আহার, বি বসে বিহার। সমাস একাধিক শব্দ জুড়ে নতুন শব্দ বানায়: সিংহ চিহ্নিত আসন মিলে সিংহাসন।
লিঙ্গ পরিবর্তনে বাঘ থেকে বাঘিনী, দেব থেকে দেবী হয়। এতে মূল অর্থ বদলায় না, শুধু পুরুষ না নারী সেটা বোঝানো হয়। তাই গাইডগুলো একে শব্দ সাধনের উপায় ধরে না।
সতর্কতা: কিছু ব্যাকরণ বইয়ে লিঙ্গ ও বচন পরিবর্তনকেও শব্দ গঠনের মধ্যে ধরা হয়। তবু পরীক্ষার প্রচলিত উত্তর লিঙ্গ পরিবর্তন; সমাস আর উপসর্গ যে নতুন শব্দ তৈরি করে, তা নিয়ে কোনো দ্বিমত নেই।
এই প্রশ্নের উত্তর নিয়ে প্রকাশিত গাইডগুলোতে দ্বিমত আছে; এখানে সবচেয়ে প্রচলিত উত্তরটি দেওয়া হলো।
স্টেপ বাই স্টেপ শিখুন
৩/৩উপসর্গ, প্রত্যয়, সমাস, সন্ধি নতুন শব্দ গড়ে; লিঙ্গ বদলে একই শব্দের স্ত্রী রূপ হয়
- উপসর্গ: হার শব্দের আগে প্র বসে নতুন শব্দ প্রহার।
- সমাস: সিংহ চিহ্নিত আসন মিলে নতুন শব্দ সিংহাসন।
- লিঙ্গ পরিবর্তন: বাঘ থেকে বাঘিনী; অর্থ একই, শুধু স্ত্রী রূপ।
ক. সমাস দ্বারা: সমাসে একাধিক শব্দ জুড়ে নতুন শব্দ তৈরি হয়, যেমন সিংহাসন; এটি শব্দ সাধনের স্বীকৃত উপায়।
গ. উপসর্গ যোগে: উপসর্গ যোগে নতুন অর্থের শব্দ তৈরি হয়, যেমন প্রহার, আহার, বিহার।
ঘ. ক, খ, ও গ তিন উপায়েই হয়: প্রচলিত উত্তর অনুযায়ী লিঙ্গ পরিবর্তন শব্দ সাধনের উপায় নয়, তাই তিন উপায়েই হয় বলা ঠিক নয়।
শব্দ গঠনের চার প্রধান পথ: উপসর্গ (অপমান), প্রত্যয় (ঘরামি), সমাস (রাজপুত্র), সন্ধি (বিদ্যালয়)।
উপসর্গে নতুন অর্থ, সমাসে নতুন শব্দ, লিঙ্গে শুধু নতুন পোশাক।