বাংলাদেশ বিষয়াবলি · পাতা ৩
৪১. Where is the Ethnic Cultural Academy Birisiri situated? (সমন্বিত ২ ব্যাংক, সোনালী ও জনতা): অফিসার (আইটি) (২০২৬)
- কRangamati
- খHabiganj
- গNetrakona
- ঘMymensingh
সঠিক উত্তর: গ. Netrakona
বিরিশিরি ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর কালচারাল একাডেমি নেত্রকোনা জেলার দুর্গাপুর উপজেলায় অবস্থিত। এলাকাটি গারো পাহাড়ের পাদদেশে, সীমান্তের কাছে।
এ অঞ্চলে গারো, হাজংসহ কয়েকটি ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর বসবাস। তাদের ভাষা, গান, নাচ আর ঐতিহ্য সংরক্ষণ ও চর্চার জন্যই একাডেমিটি গড়ে তোলা হয়েছে।
দুর্গাপুরের পাশ দিয়ে বয়ে গেছে সোমেশ্বরী নদী, আর কাছেই বিজয়পুরের সাদামাটির পাহাড়; পর্যটনের প্রশ্নে এগুলোও আসে।
অনেকে নামের মিল দেখে বা কাছাকাছি বলে ময়মনসিংহ বেছে নেন। দুর্গাপুর আগে বৃহত্তর ময়মনসিংহের অংশ ছিল, কিন্তু এখন উপজেলাটি নেত্রকোনা জেলায়।
মনে রাখুন: বিরিশিরি = দুর্গাপুর = সোমেশ্বরী নদী = নেত্রকোনা; এক সুতোয় গেঁথে রাখুন।
৪২. In which district the 'Tin Bigha Corridor' is located? (সমন্বিত ২ ব্যাংক, সোনালী ও জনতা): অফিসার (আইটি) (২০২৬)
- কNilphamari
- খLalmonirhat
- গRangpur
- ঘKurigram
সঠিক উত্তর: খ. Lalmonirhat
তিনবিঘা করিডর লালমনিরহাট জেলার পাটগ্রাম উপজেলায়। এটি ভারতের ভূখণ্ডের একটি সরু পথ, যা বাংলাদেশের দহগ্রাম-আঙ্গরপোতা ছিটমহলকে মূল ভূখণ্ডের সঙ্গে যুক্ত করে।
নামের কারণ, জমির পরিমাণ প্রায় তিন বিঘা। ১৯৭৪ সালের মুজিব-ইন্দিরা স্থলসীমান্ত চুক্তিতে এটি বাংলাদেশকে ব্যবহার করতে দেওয়ার কথা হয়।
১৯৯২ সালের ২৬ জুন করিডরটি ইজারার ভিত্তিতে বাংলাদেশের জন্য খুলে দেওয়া হয়, তবে শুরুতে দিনের নির্দিষ্ট সময়ে। ২০১১ সাল থেকে এটি চব্বিশ ঘণ্টা খোলা থাকে।
নীলফামারী, রংপুর আর কুড়িগ্রাম কাছের জেলা বলে বিভ্রান্তি তৈরি করে। পাটগ্রাম মনে রাখলেই হবে, কারণ বুড়িমারী স্থলবন্দরও এই উপজেলায়।
মনে রাখুন: তিনবিঘা, দহগ্রাম, বুড়িমারী: তিনটিই পাটগ্রাম, লালমনিরহাট।
৪৩. What is the position of Bangla among the most spoken languages of the world? (সমন্বিত ৯ ব্যাংক ও ২ আর্থিক প্রতিষ্ঠান: সিনিয়র অফিসার, ২০২৫)
- ক3rd
- খ5th
- গ7th
- ঘ9th
সঠিক উত্তর: গ. 7th
এথনোলগের হিসাবে মোট ভাষাভাষীর সংখ্যায়, মানে মাতৃভাষা ও দ্বিতীয় ভাষা মিলিয়ে, বাংলা বিশ্বের সপ্তম বৃহত্তম ভাষা। প্রায় ২৭ কোটির বেশি মানুষ বাংলায় কথা বলেন।
শীর্ষ ক্রম: ইংরেজি, ম্যান্ডারিন চীনা, হিন্দি, স্প্যানিশ, আরবি, ফরাসি, তারপর বাংলা। পর্তুগিজ, ইন্দোনেশীয় ও উর্দু বাংলার পরে।
শুধু মাতৃভাষীর হিসাবে বাংলার স্থান উৎসভেদে ষষ্ঠ বা সপ্তম, প্রায় ২৩ কোটি মানুষ; কোনো কোনো বইয়ে পঞ্চমও লেখা হয়। কিন্তু most spoken বলতে সাধারণত মোট ভাষাভাষী বোঝায়, আর সেই হিসাবে বাংলা সপ্তম।
মাতৃভাষীর তালিকা আর মোট ভাষাভাষীর তালিকা গুলিয়ে ফেলাই এখানে প্রধান ফাঁদ। পঞ্চম সংখ্যাটা মাতৃভাষীর পুরোনো হিসাব থেকে আসে; মোট ভাষাভাষীর তালিকায় পঞ্চম স্থান প্রমিত আরবির।
মনে রাখুন: মোট ভাষাভাষীর তালিকায় বাংলার ঠিক আগে ফরাসি, ঠিক পরে পর্তুগিজ।
৪৪. The latest general circulation coins issued in Bangladesh were in the year: (সমন্বিত ৯ ব্যাংক ও ২ আর্থিক প্রতিষ্ঠান: সিনিয়র অফিসার, ২০২৫)
- ক2014
- খ2015
- গ2024
- ঘ2025
সঠিক উত্তর: ক. 2014
প্রশ্নটা বাংলাদেশে সাধারণ লেনদেনের জন্য সর্বশেষ কবে নতুন ধাতব মুদ্রা ছাড়া হয়েছিল, তা জানতে চায়। এখানে স্মারক মুদ্রা বা কাগজের নোট নয়, প্রচলিত কয়েনের কথা।
বাংলাদেশে বর্তমানে প্রচলিত কয়েন ১, ২ ও ৫ টাকার। সর্বশেষ সিরিজে ২ ও ৫ টাকার কয়েন ছাড়া হয় ২০১৩ সালে, আর ১ টাকার কয়েন আসে ২০১৪ সালে।
এর পরে বিভিন্ন জাতীয় উপলক্ষে কিছু স্মারক মুদ্রা এসেছে, কিন্তু সেগুলো সাধারণ লেনদেনের মুদ্রা নয়।
২০২৪ সালে বাংলাদেশ ব্যাংক নোটের নকশা বদলের সিদ্ধান্ত নেয়, আর ২০২৫ সালে নতুন নকশার কাগজের নোট বাজারে আসে; নতুন সাধারণ কয়েন নয়। নোট আর কয়েন গুলিয়ে ফেলাই এখানে ফাঁদ।
মনে রাখুন: নোট আর কয়েন আলাদা করে মনে রাখুন: সর্বশেষ সাধারণ কয়েন ২০১৩-১৪, নোটের নতুন নকশা ২০২৪-২৫।
৪৫. How many scheduled banks are there in Bangladesh? (সমন্বিত ৫ ব্যাংক ও ১ আর্থিক প্রতিষ্ঠান: অফিসার, ক্যাশ) (২০২৫)
- ক45
- খ56
- গ62
- ঘ79
সঠিক উত্তর: গ. 62
প্রশ্নটা বাংলাদেশের ব্যাংক খাতের একটি পরিসংখ্যান যাচাই করছে। পরীক্ষার সময়, মানে ২০২৫ সালের জুলাইয়ে, বাংলাদেশে তফসিলি ব্যাংক ছিল ৬২টি।
তফসিলি ব্যাংক মানে যেসব ব্যাংক বাংলাদেশ ব্যাংক অর্ডার ১৯৭২-এর তফসিলভুক্ত, এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের সরাসরি তত্ত্বাবধান ও নিয়ন্ত্রণে কাজ করে। এর মধ্যে আছে রাষ্ট্রমালিকানাধীন বাণিজ্যিক ব্যাংক, বিশেষায়িত ব্যাংক, বেসরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংক আর বিদেশি ব্যাংক।
যেসব ব্যাংক এই তফসিলে নেই, যেমন বিশেষ আইনে গঠিত কিছু প্রতিষ্ঠান, সেগুলোকে অ-তফসিলি ব্যাংক বলে।
এ ধরনের সংখ্যা সময়ের সাথে বদলায়। নতুন ব্যাংকের লাইসেন্স বা একীভূতকরণে সংখ্যা ওঠানামা করে; যেমন ২০২৫ সালে পাঁচটি দুর্বল ইসলামি ব্যাংক মিলে সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক গঠনের প্রক্রিয়া শুরু হয়। তাই পরীক্ষার আগে সর্বশেষ সংখ্যা দেখে নেওয়া জরুরি।
মনে রাখুন: ব্যাংক সংখ্যার প্রশ্নে পরীক্ষার তারিখটা মাথায় রাখুন; একীভূতকরণ বা নতুন লাইসেন্সে সংখ্যা বদলায়।
৪৬. What is the size of ADP in the national budget 2025-2026 in crore taka? (সমন্বিত ৫ ব্যাংক ও ১ আর্থিক প্রতিষ্ঠান: অফিসার, ক্যাশ) (২০২৫)
- ক250,000
- খ230,000
- গ412,000
- ঘ316,000
সঠিক উত্তর: খ. 230,000
প্রশ্নটা ২০২৫-২৬ অর্থবছরের জাতীয় বাজেটের তথ্য যাচাই করছে। এ বাজেটে বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি, সংক্ষেপে এডিপি, ধরা হয়েছে ২ লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকা।
অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের অর্থ উপদেষ্টা সালেহউদ্দিন আহমেদ ২০২৫ সালের জুনে মোট ৭ লাখ ৯০ হাজার কোটি টাকার এই বাজেট ঘোষণা করেন। সংসদ না থাকায় বাজেট টেলিভিশনে উপস্থাপন করা হয়।
এডিপি হলো বাজেটের উন্নয়ন অংশ, যা দিয়ে সড়ক, সেতু, বিদ্যুৎকেন্দ্রের মতো প্রকল্পে খরচ হয়। ২০২৪-২৫ অর্থবছরের মূল এডিপি ছিল ২ লাখ ৬৫ হাজার কোটি টাকা, তাই নতুন এডিপি আগের মূল বরাদ্দের চেয়ে ৩৫ হাজার কোটি টাকা কম।
অনেকে মোট বাজেট, রাজস্ব আয়ের লক্ষ্য বা আগের বছরের এডিপির সাথে গুলিয়ে ফেলেন। মনে রাখুন: মোট ৭ লাখ ৯০ হাজার, এডিপি ২ লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকা।
মনে রাখুন: ২০২৫-২৬ বাজেটের জোড়া সংখ্যা: মোট ৭.৯০ লাখ কোটি, এডিপি ২.৩০ লাখ কোটি।
৪৭. Which of the following is the most traded security in DSE? (সমন্বিত ৫ ব্যাংক ও ১ আর্থিক প্রতিষ্ঠান: অফিসার, ক্যাশ) (২০২৫)
- কOrdinary Share
- খSukuk
- গBond
- ঘT-bill
সঠিক উত্তর: ক. Ordinary Share
প্রশ্নটা জানতে চায় ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ বা ডিএসই-তে কোন ধরনের সিকিউরিটি সবচেয়ে বেশি লেনদেন হয়। উত্তর সাধারণ শেয়ার, ইংরেজিতে Ordinary Share বা Common Share।
ডিএসই-র প্রতিদিনের লেনদেনের প্রায় পুরোটা আসে তালিকাভুক্ত কোম্পানির সাধারণ শেয়ার থেকে; এর সঙ্গে কিছু মিউচুয়াল ফান্ড ইউনিটও কেনাবেচা হয়। সাধারণ শেয়ারের মালিক কোম্পানির আংশিক মালিক, লভ্যাংশ পান এবং ভোট দিতে পারেন।
বন্ড আর সুকুক ডিএসই-তে তালিকাভুক্ত থাকলেও এগুলোর লেনদেন খুবই কম। সরকারি ট্রেজারি বন্ড ২০২২ সাল থেকে স্টক এক্সচেঞ্জে লেনদেনের সুযোগ পেলেও বাজার এখনো পাতলা।
ট্রেজারি বিল মূলত বাংলাদেশ ব্যাংকের নিলামে ও আন্তঃব্যাংক বা মানি মার্কেটে হাতবদল হয়, শেয়ারবাজারে নয়। তাই টি-বিল ধরলে সেটা ভুল বাজারের কথা হয়ে যায়।
মনে রাখুন: শেয়ারবাজারের নামেই উত্তর: স্টক এক্সচেঞ্জে স্টক বা শেয়ারই সবচেয়ে বেশি চলে।
৪৮. Which of the following is not a scheduled bank in Bangladesh? (সমন্বিত ৫ ব্যাংক ও ১ আর্থিক প্রতিষ্ঠান: অফিসার, ক্যাশ) (২০২৫)
- কRupali Bank
- খAgrani Bank
- গAB Bank
- ঘBangladesh Bank
সঠিক উত্তর: ঘ. Bangladesh Bank
তফসিলি ব্যাংক বা Scheduled Bank হলো যে ব্যাংক বাংলাদেশ ব্যাংক অর্ডার ১৯৭২-এর ৩৭ অনুচ্ছেদের অধীনে তফসিলে তালিকাভুক্ত এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের নিয়ন্ত্রণে ব্যবসা করে।
রূপালী ও অগ্রণী ব্যাংক রাষ্ট্রমালিকানাধীন বাণিজ্যিক ব্যাংক, এবি ব্যাংক বেসরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংক। তিনটিই তফসিলি ব্যাংক।
বাংলাদেশ ব্যাংক নিজেই কেন্দ্রীয় ব্যাংক; সে তফসিল তৈরি করে ও অন্য ব্যাংকগুলোকে নিয়ন্ত্রণ করে। নিয়ন্ত্রক নিজে নিজের তালিকাভুক্ত সদস্য নয়, তাই বাংলাদেশ ব্যাংক তফসিলি ব্যাংক নয়।
মনে রাখুন: “তফসিলি নয়” প্রশ্নে কেন্দ্রীয় ব্যাংক থাকলে সেটিই উত্তর।
৪৯. Which method is currently used to collect fares in the Dhaka Metro Rail? (সমন্বিত ৮ ব্যাংক ও ১ আর্থিক প্রতিষ্ঠান: অফিসার, জেনারেল) (২০২৫)
- কOpen loop
- খClosed loop
- গUTS
- ঘMobile banking
সঠিক উত্তর: খ. Closed loop
প্রশ্নটা ঢাকা মেট্রোরেলের ভাড়া আদায় পদ্ধতি জানতে চেয়েছে। পরীক্ষার সময় যাত্রীরা ভাড়া দিতেন এমআরটি পাস, র্যাপিড পাস বা একক যাত্রার কার্ড দিয়ে। এগুলো ক্লোজড লুপ ব্যবস্থা।
ক্লোজড লুপ মানে কার্ডটি শুধু নির্দিষ্ট এক বা কয়েকটি পরিবহন সেবার জন্য তৈরি, আগে টাকা রিচার্জ করে রাখতে হয়, আর সাধারণ ব্যাংক কার্ড দিয়ে সরাসরি গেটে ভাড়া দেওয়া যায় না।
ওপেন লুপ মানে যেকোনো ব্যাংকের ডেবিট বা ক্রেডিট কার্ড, বা মোবাইলের এনএফসি দিয়ে সরাসরি গেটে ট্যাপ করে ভাড়া দেওয়া, যেমন লন্ডনের মেট্রোতে চলে। ঢাকা মেট্রোতে তখনো এটি চালু হয়নি।
ফাঁদ হলো মোবাইল ব্যাংকিং। বিকাশ বা নগদ দিয়ে কার্ড রিচার্জের সুবিধা এলেও গেটে ভাড়া কাটে সেই ক্লোজড লুপ কার্ড থেকেই।
মনে রাখুন: নিজস্ব কার্ড লাগলে ক্লোজড লুপ, যেকোনো ব্যাংক কার্ড চললে ওপেন লুপ।
৫০. 'Dasiar Chara' is- (সমন্বিত ৮ ব্যাংক ও ১ আর্থিক প্রতিষ্ঠান: অফিসার, জেনারেল) (২০২৫)
- কA former Indian enclave within Bangladesh
- খA canal flowing through Shahparir Island
- গTraditional Folk Music of Garo Women
- ঘA type of folk poetry of the Sylhet region
সঠিক উত্তর: ক. A former Indian enclave within Bangladesh
দাসিয়ার ছড়া ছিল বাংলাদেশের ভেতরে থাকা ভারতের একটি ছিটমহল, কুড়িগ্রাম জেলার ফুলবাড়ী উপজেলায়। ছিটমহল মানে এক দেশের ভূখণ্ড যা চারদিক থেকে অন্য দেশের ভূখণ্ড দিয়ে ঘেরা।
দেশভাগের পর ভারত ও বাংলাদেশের সীমান্তে এমন বহু ছিটমহল থেকে যায়, যেখানকার মানুষ কোনো দেশেরই নাগরিক সুবিধা ঠিকমতো পেত না। ১৯৭৪ সালের মুজিব-ইন্দিরা স্থলসীমান্ত চুক্তি এবং ২০১১ সালের প্রটোকল ২০১৫ সালে কার্যকর হওয়ার মাধ্যমে এর সমাধান হয়।
২০১৫ সালের ৩১ জুলাই মধ্যরাতে ছিটমহল বিনিময় কার্যকর হয়। বাংলাদেশের ভেতরের ভারতের ১১১টি ছিটমহল বাংলাদেশের অংশ হয়, আর ভারতের ভেতরের বাংলাদেশের ৫১টি ছিটমহল ভারতের অংশ হয়। ফলে দাসিয়ার ছড়া এখন বাংলাদেশের অংশ, তাই প্রশ্নে সাবেক ছিটমহল বলা হয়েছে।
ফাঁদ হলো ছড়া শব্দটি। এটি শুনে খাল বা লোকছড়া মনে হতে পারে, কিন্তু এটি একটি জায়গার নাম।
মনে রাখুন: ছিটমহলের প্রশ্নে সংখ্যা জোড়া মনে রাখুন: ১১১টি এল বাংলাদেশে, ৫১টি গেল ভারতে।
৫১. Which of the following is not an ecologically critical area of Bangladesh- (সমন্বিত ৮ ব্যাংক ও ১ আর্থিক প্রতিষ্ঠান: অফিসার, জেনারেল) (২০২৫)
- কHakaluki
- খSundarbans
- গChalanbil
- ঘSonadia Island
সঠিক উত্তর: গ. Chalanbil
প্রতিবেশ সংকটাপন্ন এলাকা বা ইকোলজিক্যালি ক্রিটিক্যাল এরিয়া হলো এমন এলাকা যার পরিবেশ ঝুঁকিতে আছে বলে সরকার পরিবেশ সংরক্ষণ আইন ১৯৯৫ অনুযায়ী বিশেষ সুরক্ষা ঘোষণা করে। প্রথম ঘোষণা আসে ১৯৯৯ সালে।
ঘোষিত এলাকার মধ্যে আছে সুন্দরবন সংলগ্ন এলাকা, কক্সবাজার-টেকনাফ সৈকত, সেন্ট মার্টিন দ্বীপ, সোনাদিয়া দ্বীপ, হাকালুকি হাওর, টাঙ্গুয়ার হাওর, মারজাত বাওর, গুলশান-বারিধারা লেক, ঢাকার চারপাশের চার নদী এবং জাফলং-ডাউকি নদী।
চলনবিল দেশের সবচেয়ে বড় বিল, পাবনা, নাটোর ও সিরাজগঞ্জ জুড়ে বিস্তৃত, কিন্তু এটি প্রতিবেশ সংকটাপন্ন এলাকার তালিকায় নেই।
ফাঁদ হলো চলনবিলের বিখ্যাত জলাভূমি পরিচয়। হাকালুকি বা টাঙ্গুয়ার হাওরের মতো এটিও বড় জলাভূমি, তাই অনেকে একে তালিকাভুক্ত ধরে নেন।
মনে রাখুন: ECA-তে দুই হাওর (হাকালুকি, টাঙ্গুয়ার), এক বাওর (মারজাত), কিন্তু কোনো বিল নেই।
৫২. What type of foreign trade policy does Bangladesh follow? (সমন্বিত ৮ ব্যাংক ও ১ আর্থিক প্রতিষ্ঠান: অফিসার, জেনারেল) (২০২৫)
- কClosed trade
- খCompletely free trade
- গControlled free trade
- ঘUnilateral trade
সঠিক উত্তর: গ. Controlled free trade
প্রশ্নটা বাংলাদেশের বৈদেশিক বাণিজ্য নীতির ধরন জানতে চেয়েছে। স্বাধীনতার পর প্রথম দিকে বাণিজ্য ছিল কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রিত। আশির দশকের শেষ থেকে, বিশেষ করে নব্বইয়ের দশকে, শুল্ক কমানো ও আমদানি-রপ্তানি উদারীকরণ শুরু হয়।
তবে বাংলাদেশ পুরোপুরি অবাধ বাণিজ্য করে না। আমদানি নীতি আদেশ ও রপ্তানি নীতির মাধ্যমে কিছু পণ্য নিষিদ্ধ বা শর্তযুক্ত থাকে, দেশীয় শিল্প রক্ষায় শুল্ক ও সম্পূরক শুল্ক আছে, আর বৈদেশিক মুদ্রা লেনদেন বাংলাদেশ ব্যাংকের নিয়ন্ত্রণে চলে।
তাই বাণিজ্য খোলা, কিন্তু সরকারি নিয়ন্ত্রণসহ। একেই নিয়ন্ত্রিত অবাধ বাণিজ্য নীতি বলা হয়।
ফাঁদ হলো সম্পূর্ণ অবাধ বাণিজ্য। উদারীকরণের কথা শুনে অনেকে এটি বেছে নেন, কিন্তু শুল্ক, কোটা ও নিষিদ্ধ তালিকা থাকায় বাণিজ্য সম্পূর্ণ মুক্ত নয়।
মনে রাখুন: খোলা বাজার কিন্তু শুল্ক ও আমদানি নীতি আছে: মানে নিয়ন্ত্রিত অবাধ বাণিজ্য।
৫৩. কোন মুসলিম চিন্তাবিদ প্রথম 'দ্বি-জাতি তত্ত্ব' সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা দেন? (৪৭তম বিসিএস, ২০২৫)
- কআল্লামা ইকবাল
- খসৈয়দ আহমদ খান
- গমোহাম্মদ আলী জিন্নাহ
- ঘমওলানা আকরম খাঁ
সঠিক উত্তর: খ. সৈয়দ আহমদ খান
প্রশ্নটা জানতে চেয়েছে কোন মুসলিম চিন্তাবিদ প্রথম স্পষ্টভাবে দ্বিজাতি তত্ত্বের ধারণা দেন। প্রচলিত উত্তর স্যার সৈয়দ আহমদ খান, যিনি উনিশ শতকের শেষ ভাগে বলেন হিন্দু ও মুসলমান দুটি আলাদা জাতি।
সৈয়দ আহমদ খান আলীগড় আন্দোলনের প্রতিষ্ঠাতা। ১৮৭৫ সালে তিনি আলীগড়ে মোহামেডান অ্যাংলো ওরিয়েন্টাল কলেজ প্রতিষ্ঠা করেন, যা পরে আলীগড় মুসলিম বিশ্ববিদ্যালয় হয়। মুসলমানদের আলাদা শিক্ষা ও রাজনৈতিক স্বার্থের পক্ষে তাঁর যুক্তি থেকেই দ্বিজাতি ধারণার সূচনা ধরা হয়।
পরে এই ধারণা রাজনৈতিক রূপ পায়। আল্লামা ইকবাল ১৯৩০ সালে এলাহাবাদে মুসলিম লীগের অধিবেশনে উত্তর পশ্চিম ভারতে মুসলমানদের আলাদা রাষ্ট্রের প্রস্তাব দেন, আর মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ ১৯৪০ সালের লাহোর অধিবেশনে দ্বিজাতি তত্ত্বকে আনুষ্ঠানিকভাবে তুলে ধরেন।
ফাঁদ হলো জিন্নাহ, কারণ তিনিই তত্ত্বটিকে পাকিস্তান আন্দোলনের ভিত্তি বানান। কিন্তু প্রশ্নে প্রথম শব্দটি আছে; প্রথম ধারণা দেন সৈয়দ আহমদ খান, জিন্নাহ তা প্রচার ও প্রয়োগ করেন।
মনে রাখুন: দ্বিজাতি তত্ত্বের তিন ধাপ: ধারণা সৈয়দ আহমদের, স্বপ্ন ইকবালের, রাজনৈতিক দাবি জিন্নাহর।
৫৪. কোন বছর পাকিস্তান সরকার বাংলাকে অন্যতম রাষ্ট্রভাষা হিসেবে স্বীকৃতি দেয়? (৪৭তম বিসিএস, ২০২৫)
- ক১৯৫২
- খ১৯৫৪
- গ১৯৫৬
- ঘ১৯৬৯
সঠিক উত্তর: গ. ১৯৫৬
প্রশ্নটা জানতে চেয়েছে পাকিস্তান সরকার কবে বাংলাকে অন্যতম রাষ্ট্রভাষার স্বীকৃতি দেয়। চূড়ান্ত সাংবিধানিক স্বীকৃতি আসে ১৯৫৬ সালে, পাকিস্তানের প্রথম সংবিধানে।
১৯৫৬ সালের সংবিধানের ২১৪ অনুচ্ছেদে বলা হয়, পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা হবে উর্দু ও বাংলা। সংবিধানটি গৃহীত হয় ২৯ ফেব্রুয়ারি এবং কার্যকর হয় ২৩ মার্চ ১৯৫৬।
এর পেছনে ছিল দীর্ঘ আন্দোলন। ১৯৫২ সালের একুশে ফেব্রুয়ারি ভাষা আন্দোলনের চূড়া; ১৯৫৪ সালের ৭ মে পাকিস্তান গণপরিষদ বাংলাকে অন্যতম রাষ্ট্রভাষা করার প্রস্তাব গ্রহণ করে, আর ১৯৫৬ সালের সংবিধানে তা আইনি রূপ পায়।
ফাঁদ হলো ১৯৫৪, কারণ সে বছর গণপরিষদে প্রস্তাব পাস হয়। কিন্তু প্রস্তাব আর সাংবিধানিক স্বীকৃতি আলাদা; প্রশ্নটি স্বীকৃতির, তাই উত্তর ১৯৫৬।
মনে রাখুন: বায়ান্নয় রক্ত, চুয়ান্নয় প্রস্তাব, ছাপ্পান্নয় সংবিধানে স্বীকৃতি।
৫৫. 'তমদ্দুন মজলিস'-এর নেতা জনাব আবুল কাশেম ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কোন বিষয়ের শিক্ষক ছিলেন? (৪৭তম বিসিএস, ২০২৫)
- করসায়ন বিজ্ঞান
- খগণিত
- গইতিহাস
- ঘপদার্থ বিজ্ঞান
সঠিক উত্তর: ঘ. পদার্থ বিজ্ঞান
প্রশ্নটা তমদ্দুন মজলিসের প্রতিষ্ঠাতা অধ্যাপক আবুল কাশেম ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কোন বিষয়ের শিক্ষক ছিলেন, তা জানতে চেয়েছে। উত্তর পদার্থবিজ্ঞান।
ভাষা আন্দোলনের সূচনায় তাঁর ভূমিকা বড়। ১৯৪৭ সালের সেপ্টেম্বরের শুরুতে তিনি তমদ্দুন মজলিস প্রতিষ্ঠা করেন, আর ১৫ সেপ্টেম্বর সংগঠনটি পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা বাংলা না উর্দু নামে পুস্তিকা প্রকাশ করে। রাষ্ট্রভাষা বাংলার দাবিতে এটি প্রথম দিকের সংগঠিত লিখিত উদ্যোগ।
বিজ্ঞানের শিক্ষক হয়েও তিনি বাংলা মাধ্যমে উচ্চশিক্ষার পক্ষে ছিলেন। পরে ঢাকায় বাংলা কলেজ প্রতিষ্ঠায় তিনি নেতৃত্ব দেন।
বিজ্ঞানের শিক্ষক ভাষা আন্দোলনের নেতা, এই অমিলই প্রশ্নের মূল চমক। ভাষা ও সংস্কৃতির সংগঠন দেখে ইতিহাসের মতো মানবিক বিষয় ভাবা স্বাভাবিক, কিন্তু তিনি ছিলেন পদার্থবিজ্ঞানের শিক্ষক।
মনে রাখুন: তমদ্দুন মজলিসের নেতা বিজ্ঞানের মানুষ: পদার্থবিজ্ঞানের শিক্ষক, পরে বাংলা কলেজের প্রতিষ্ঠাতা।
৫৬. স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের জনপ্রিয় অনুষ্ঠান 'জল্লাদের দরবার' এর রচয়িতা কে ছিলেন? (৪৭তম বিসিএস, ২০২৫)
- ককল্যাণ মিত্র
- খরাজু আহমেদ
- গএম আর আকতার মুকুল
- ঘনারায়ণ ঘোষ (মিতা)
সঠিক উত্তর: ক. কল্যাণ মিত্র
প্রশ্নটা স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের অনুষ্ঠান জল্লাদের দরবার কে লিখেছিলেন, তা জানতে চেয়েছে। উত্তর নাট্যকার কল্যাণ মিত্র।
জল্লাদের দরবার ছিল রূপকধর্মী ধারাবাহিক নাটক। এতে পাকিস্তানের সামরিক শাসক ইয়াহিয়া খানকে কেল্লা ফতে খান নামে ব্যঙ্গ করে দেখানো হতো, যা মুক্তিযুদ্ধের সময় শ্রোতাদের মনোবল বাড়াত।
কল্যাণ মিত্রের জন্ম ১৯৩৯ সালে কুষ্টিয়ায়; তিনি অভিনেতা, নির্দেশক ও নাট্যকার। ১৯৭২ সালে তিনি নাটকে বাংলা একাডেমি পুরস্কার পান।
সবচেয়ে বড় ফাঁদ এম আর আখতার মুকুল, কারণ তিনি স্বাধীন বাংলা বেতারের আরেক জনপ্রিয় অনুষ্ঠান চরমপত্রের রচয়িতা ও পাঠক। রাজু আহমেদ এই নাটকের মূল চরিত্রে অভিনয় করতেন, আর নারায়ণ ঘোষ মিতা চলচ্চিত্র পরিচালক হিসেবে পরিচিত; দুজনের কেউই নাটকটির রচয়িতা নন।
মনে রাখুন: স্বাধীন বাংলা বেতারের দুই ব্যঙ্গ অনুষ্ঠান: চরমপত্র মুকুলের, জল্লাদের দরবার কল্যাণ মিত্রের।
৫৭. কোন তারিখে আসাদুজ্জামান আসাদ পুলিশের গুলিতে শহিদ হন? (৪৭তম বিসিএস, ২০২৫)
- ক১৮ জানুয়ারি ১৯৬৯
- খ২০ জানুয়ারি ১৯৬৯
- গ২২ জানুয়ারি ১৯৬৯
- ঘ২৪ জানুয়ারি ১৯৬৯
সঠিক উত্তর: খ. ২০ জানুয়ারি ১৯৬৯
প্রশ্নটা ছাত্রনেতা আসাদের শহিদ হওয়ার তারিখ জানতে চেয়েছে। ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানের সময় ১৯৬৯ সালের ২০ জানুয়ারি ঢাকায় মিছিলে পুলিশের গুলিতে শহিদ হন আমানুল্লাহ মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান।
ছাত্রদের এগারো দফার আন্দোলনে তিনি সক্রিয় ছিলেন। তাঁর মৃত্যুর পর আন্দোলন আরও তীব্র হয়, আর তাঁর স্মরণে ঢাকার আইয়ুব গেটের নাম বদলে রাখা হয় আসাদ গেট।
এর চার দিন পর, ২৪ জানুয়ারি ১৯৬৯, স্কুলছাত্র মতিউর রহমান পুলিশের গুলিতে শহিদ হন; দিনটি গণঅভ্যুত্থান দিবস হিসেবে পালিত হয়। পরে ১৮ ফেব্রুয়ারি রাজশাহীতে অধ্যাপক শামসুজ্জোহা শহিদ হন, আর ২২ ফেব্রুয়ারি আগরতলা মামলা প্রত্যাহার করা হয়।
ফাঁদ হলো ২৪ জানুয়ারি, কারণ সেটিও শহিদ হওয়ার দিন এবং বেশি পরিচিত গণঅভ্যুত্থান দিবস। আসাদ ২০ জানুয়ারি, মতিউর ২৪ জানুয়ারি।
মনে রাখুন: ঊনসত্তরের শহিদের ক্রম: বিশে আসাদ, চব্বিশে মতিউর, আঠারো ফেব্রুয়ারি জোহা।
৫৮. 'ঢাকা প্রকাশ' সাপ্তাহিক পত্রিকাটির প্রথম সম্পাদক কে? (৪৭তম বিসিএস, ২০২৫)
- ককৃষ্ণচন্দ্র মজুমদার
- খসিকান্দর আবু জাফর
- গশামসুর রাহমান
- ঘরামানন্দ চট্টোপাধ্যায়
সঠিক উত্তর: ক. কৃষ্ণচন্দ্র মজুমদার
প্রশ্নটা সাপ্তাহিক ঢাকা প্রকাশের প্রথম সম্পাদক জানতে চেয়েছে। উত্তর কবি কৃষ্ণচন্দ্র মজুমদার।
ঢাকা প্রকাশ প্রকাশিত হয় ১৮৬১ সালে। এটি ঢাকা থেকে প্রকাশিত প্রথম দিকের বাংলা সংবাদপত্রগুলোর একটি এবং পূর্ববঙ্গের সাংবাদিকতার পথিকৃৎ হিসেবে ধরা হয়।
কৃষ্ণচন্দ্র মজুমদার কবি হিসেবেও পরিচিত; তাঁর বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ সদ্ভাবশতক।
অন্য বিকল্পগুলো পরের যুগের সম্পাদক। রামানন্দ চট্টোপাধ্যায় কলকাতার প্রবাসী ও মডার্ন রিভিউর সম্পাদক, সিকান্দার আবু জাফর ১৯৫৭ সালে মাসিক সমকাল প্রতিষ্ঠা করেন, আর কবি শামসুর রাহমান দৈনিক বাংলার সম্পাদক ছিলেন; সময়ের হিসাবেই এঁরা ১৮৬১ সালের পত্রিকার প্রথম সম্পাদক হতে পারেন না।
মনে রাখুন: প্রশ্নে ঢাকা প্রকাশ মানেই ১৮৬১; বিশ শতকের সম্পাদকেরা আপনাতেই বাদ পড়েন।
৫৯. সেরিকালচার বলতে বোঝায়- (৪৭তম বিসিএস, ২০২৫)
- কতুলা চাষ
- খনীল চাষ
- গরেশম পোকা চাষ
- ঘতামাক চাষ
সঠিক উত্তর: গ. রেশম পোকা চাষ
প্রশ্নটা সেরিকালচার শব্দের অর্থ জানতে চেয়েছে। সেরিকালচার মানে রেশম পোকা পালন করে রেশম উৎপাদন।
শব্দটির প্রথম অংশ সেরি এসেছে রেশম বোঝানো গ্রিক ও লাতিন শব্দ থেকে, আর কালচার মানে চাষ বা পালন। রেশম পোকা তুঁত গাছের পাতা খেয়ে গুটি বাঁধে, আর সেই গুটি থেকে সুতা ছাড়িয়ে রেশম বস্ত্র তৈরি হয়।
বাংলাদেশে রেশমের কেন্দ্র রাজশাহী; এখানেই বাংলাদেশ রেশম উন্নয়ন বোর্ডের সদর দপ্তর, আর রাজশাহী সিল্ক একটি ভৌগোলিক নির্দেশক পণ্য।
এ ধরনের প্রশ্নে কালচার যুক্ত শব্দের তালিকা মনে রাখলে সুবিধা: এপিকালচার মৌমাছি পালন, পিসিকালচার মাছ চাষ, হর্টিকালচার উদ্যান চাষ, সিলভিকালচার বনায়ন।
মনে রাখুন: কালচারের আগের অংশটাই বিষয়: সেরি রেশম, এপি মৌমাছি, পিসি মাছ।
৬০. বিগত ৫০ বছরে বাংলাদেশে কোন ফসলের চাষ তুলনামূলকভাবে সবচেয়ে বেশি বৃদ্ধি পেয়েছে? (৪৭তম বিসিএস, ২০২৫)
- কভূট্টা
- খপাট
- গধান
- ঘগোল আলু
সঠিক উত্তর: ক. ভূট্টা
প্রশ্নটা জানতে চেয়েছে গত পঞ্চাশ বছরে কোন ফসলের চাষ তুলনামূলকভাবে সবচেয়ে বেশি বেড়েছে। উত্তর ভুট্টা; কারণ শুরুতে এর আবাদ প্রায় ছিলই না, আর এখন এটি ধানের পরেই উৎপাদনে দ্বিতীয় প্রধান দানাশস্য।
তুলনামূলক বৃদ্ধি মানে শতকরা হারে বৃদ্ধি। খুব ছোট ভিত্তি থেকে শুরু হওয়ায় ভুট্টার উৎপাদন ও আবাদি জমি বহু গুণ বেড়েছে। ধানের উৎপাদনও বেড়েছে, কিন্তু ধান শুরু থেকেই বড় ফসল, তাই হারে বৃদ্ধি অনেক কম।
ভুট্টার এই বিস্তারের মূল কারণ হাঁস মুরগি ও মাছের খাদ্যের চাহিদা। পোলট্রি শিল্প বাড়ার সাথে সাথে পশুখাদ্যের প্রধান উপাদান হিসেবে ভুট্টার চাহিদা দ্রুত বেড়েছে, আর হাইব্রিড জাত ফলন বাড়িয়েছে।
পাট বিকল্পটি ফাঁদ: পাট একসময় সোনালি আঁশ ও প্রধান রপ্তানি পণ্য ছিল, কিন্তু স্বাধীনতার পর এর আবাদ বাড়েনি, বরং কমেছে। গোল আলুর উৎপাদনও বেড়েছে, তবে ভুট্টার মতো প্রায় শূন্য থেকে শুরু হয়নি।
মনে রাখুন: তুলনামূলক বৃদ্ধির প্রশ্নে খুঁজুন কোন ফসল প্রায় শূন্য থেকে শুরু করেছে; বাংলাদেশে সেটি ভুট্টা।