বাংলাদেশ বিষয়াবলি · পাতা ৫
৮১. Which bank offers loans to rural women without collateral? (সমন্বিত ৮ ব্যাংক ও ১ আর্থিক প্রতিষ্ঠান: সিনিয়র অফিসার, ২০২৫)
- কBangladesh Krishi Bank
- খGrameen Bank
- গBDBL
- ঘRajshahi Krishi Unnayan Bank
সঠিক উত্তর: খ. Grameen Bank
প্রশ্নটা ক্ষুদ্রঋণ নিয়ে। জামানত ছাড়া গ্রামীণ দরিদ্র নারীদের ঋণ দেওয়ার জন্য বিখ্যাত প্রতিষ্ঠান গ্রামীণ ব্যাংক, যার প্রতিষ্ঠাতা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস।
গ্রামীণ ব্যাংকের পদ্ধতিতে জামানতের বদলে কাজ করে দলভিত্তিক দায়: ছোট দলের সদস্যরা একে অপরের পরিশোধের বিষয়ে দায়িত্বশীল থাকেন। ঋণগ্রহীতাদের বিশাল অংশই নারী।
১৯৮৩ সালে অধ্যাদেশের মাধ্যমে এটি একটি বিশেষায়িত ব্যাংক হিসেবে যাত্রা শুরু করে। এই কাজের স্বীকৃতিতে ২০০৬ সালে মুহাম্মদ ইউনূস ও গ্রামীণ ব্যাংক যৌথভাবে নোবেল শান্তি পুরস্কার পান।
কৃষি ব্যাংক বা রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক গ্রামে ঋণ দিলেও তাদের মূল লক্ষ্য কৃষি খাত, আর বিডিবিএল শিল্প খাতের ব্যাংক। গ্রাম শব্দটি দেখে কৃষি ব্যাংক বেছে নেওয়াই এখানে ফাঁদ।
মনে রাখুন: জামানত ছাড়া ঋণ, নারী, ক্ষুদ্রঋণ, দলভিত্তিক দায়: এই শব্দগুলো দেখলেই গ্রামীণ ব্যাংক।
৮২. Where is ‘Simanto Gourab’ located? (সমন্বিত ৮ ব্যাংক ও ১ আর্থিক প্রতিষ্ঠান: সিনিয়র অফিসার, ২০২৫)
- কBGB Headquarter
- খBenapole
- গBangladesh-India border
- ঘDhaka Cantonment
সঠিক উত্তর: ক. BGB Headquarter
প্রশ্নটা বাংলাদেশের ভাস্কর্য ও স্মারক নিয়ে। প্রচলিত উত্তর অনুযায়ী সীমান্ত গৌরব নামের ভাস্কর্যটি সীমান্তরক্ষী বাহিনী বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ বা বিজিবির সদর দপ্তরে অবস্থিত।
নামটাই সূত্র দেয়: সীমান্ত মানে সীমান্তরক্ষী বাহিনী, আর গৌরব মানে সেই বাহিনীর মর্যাদা। বিজিবির সদর দপ্তর ঢাকার পিলখানায়।
বিজিবির আগের নাম ছিল বাংলাদেশ রাইফেলস বা বিডিআর। ২০০৯ সালে পিলখানা হত্যাকাণ্ডের পর ২০১০ সালের আইনে বাহিনীর নাম বদলে বিজিবি রাখা হয়।
নামের মধ্যে সীমান্ত শব্দ দেখে অনেকে বেনাপোল বা বাংলাদেশ ভারত সীমান্ত বেছে নেন। কিন্তু এটি সীমান্ত এলাকায় নয়, সীমান্তরক্ষী বাহিনীর সদর দপ্তরে।
মনে রাখুন: সীমান্ত শব্দওয়ালা স্মারক মানে সীমান্তরক্ষী বাহিনীর ঘর: বিজিবি সদর দপ্তর, পিলখানা।
৮৩. Which of the following is a specialized bank in Bangladesh? (সমন্বিত ৮ ব্যাংক ও ১ আর্থিক প্রতিষ্ঠান: সিনিয়র অফিসার, ২০২৫)
- কBRAC Bank
- খIslami Bank Bangladesh Limited
- গBangladesh Krishi Bank
- ঘSonali Bank
সঠিক উত্তর: গ. Bangladesh Krishi Bank
প্রশ্নটা বাংলাদেশের ব্যাংকের শ্রেণিবিভাগ নিয়ে। বিশেষায়িত ব্যাংক হলো সেই রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংক, যা সাধারণ বাণিজ্যিক ব্যাংকিংয়ের বদলে নির্দিষ্ট একটি খাতে অর্থায়নের জন্য গঠিত।
বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমনই একটি ব্যাংক; এর মূল কাজ কৃষি খাতে ঋণ দেওয়া। একই ধরনের আরেকটি হলো রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক।
সোনালী ব্যাংক রাষ্ট্রায়ত্ত বাণিজ্যিক ব্যাংক। ব্র্যাক ব্যাংক আর ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ বেসরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংক; ইসলামী ব্যাংক শরিয়াহভিত্তিক হলেও বিশেষায়িত ব্যাংক নয়।
ফাঁদ হলো সোনালী ব্যাংক: সরকারি হলেই বিশেষায়িত নয়। আবার ইসলামী ব্যাংক বিশেষ পদ্ধতিতে চলে বলে বিশেষায়িত মনে হতে পারে, কিন্তু শ্রেণিতে এটি বেসরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংক।
মনে রাখুন: বিশেষায়িত ব্যাংকের নামে সাধারণত খাতের নাম থাকে: কৃষি ব্যাংক, কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক।
৮৪. The main theme of the Bengali New Year 1432 celebration (সমন্বিত ৮ ব্যাংক ও ১ আর্থিক প্রতিষ্ঠান: সিনিয়র অফিসার, ২০২৫)
- কফ্যাসিবাদের অবসান, নববর্ষের ঐকতান
- খনববর্ষের ঐকতান, ফ্যাসিবাদের অবসান
- গবৈশাখের আহ্বান, ফ্যাসিবাদের অবসান
- ঘফ্যাসিবাদের অবসান, নববর্ষের আহ্বান
সঠিক উত্তর: খ. নববর্ষের ঐকতান, ফ্যাসিবাদের অবসান
প্রশ্নটা বাংলা নববর্ষ ১৪৩২ উদ্যাপনের প্রতিপাদ্য নিয়ে। ২০২৫ সালের ১৪ এপ্রিলের এই উৎসবের প্রতিপাদ্য ছিল: নববর্ষের ঐকতান, ফ্যাসিবাদের অবসান।
ঐকতান মানে নানা সুর মিলে একসঙ্গে বাজা, মানে সবার মিলিত কণ্ঠ। ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানের পর এটি ছিল প্রথম পহেলা বৈশাখ, তাই প্রতিপাদ্যে ঐক্য আর ফ্যাসিবাদের অবসানের কথা এসেছে।
এ বছর চারুকলা অনুষদের শোভাযাত্রার নামও বদলানো হয়; মঙ্গল শোভাযাত্রার বদলে নাম হয় বর্ষবরণ আনন্দ শোভাযাত্রা।
অপশনগুলো একই শব্দ দিয়ে বানানো, শুধু ক্রম আর শব্দ উল্টানো। মনে রাখুন, প্রথমে নববর্ষের ঐকতান, পরে ফ্যাসিবাদের অবসান।
মনে রাখুন: আগে উৎসব, পরে রাজনীতি: আগে নববর্ষের ঐকতান, পরে ফ্যাসিবাদের অবসান।
৮৫. The Swadeshi Movement in Bengal was associated with- (সমন্বিত ৮ ব্যাংক ও ১ আর্থিক প্রতিষ্ঠান: সিনিয়র অফিসার, ২০২৫)
- কJallianwala Bagh Massacre
- খ1857 Rebellion
- গPartition of Bengal (1905)
- ঘSalt March
সঠিক উত্তর: গ. Partition of Bengal (1905)
প্রশ্নটা বাংলার স্বদেশি আন্দোলনের পটভূমি নিয়ে। ১৯০৫ সালে লর্ড কার্জন বঙ্গভঙ্গ করলে তার প্রতিবাদে স্বদেশি আন্দোলন শুরু হয়।
আন্দোলনের মূল কৌশল ছিল বিলাতি পণ্য বর্জন আর দেশি পণ্য ব্যবহার। বিলাতি কাপড় পোড়ানো, দেশি শিল্প গড়ে তোলা এর অংশ ছিল। এই সময়েই রবীন্দ্রনাথ লেখেন আমার সোনার বাংলা।
আন্দোলনের চাপে ১৯১১ সালে বঙ্গভঙ্গ রদ হয়। তাই স্বদেশি আন্দোলনের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত ঘটনা বঙ্গভঙ্গ।
অন্য ঘটনাগুলো আলাদা সময়ের: সিপাহি বিদ্রোহ ১৮৫৭, জালিয়ানওয়ালাবাগ হত্যাকাণ্ড ১৯১৯, আর গান্ধীর লবণ সত্যাগ্রহ ১৯৩০। স্বদেশি শব্দটি গান্ধীর আন্দোলনের সঙ্গে গুলিয়ে ফেলাই ফাঁদ।
মনে রাখুন: স্বদেশি = ১৯০৫ = বঙ্গভঙ্গ = বিলাতি পণ্য বর্জন।
৮৬. What was the title of the Mughal-appointed governor of Bengal? (সমন্বিত ৮ ব্যাংক ও ১ আর্থিক প্রতিষ্ঠান: সিনিয়র অফিসার, ২০২৫)
- কNawab
- খSubahdar
- গNizam
- ঘSultan
সঠিক উত্তর: খ. Subahdar
প্রশ্নটা মুঘল প্রশাসন নিয়ে। মুঘল সাম্রাজ্য কয়েকটি প্রদেশে ভাগ ছিল, যার প্রতিটিকে বলা হতো সুবা। সুবার শাসক হিসেবে সম্রাট যাঁকে নিয়োগ দিতেন, তাঁর উপাধি সুবাদার।
বাংলা ছিল মুঘলদের সুবা বাংলা। ইসলাম খান, শায়েস্তা খান, মীর জুমলার মতো শাসকেরা ছিলেন বাংলার সুবাদার। ইসলাম খানের আমলে রাজধানী ঢাকায় আনা হয় এবং নাম হয় জাহাঙ্গীরনগর।
পরে মুঘল শক্তি দুর্বল হলে মুর্শিদকুলি খান থেকে বাংলার শাসকেরা কার্যত স্বাধীন হয়ে নবাব নামে পরিচিত হন। তাই নবাব হলো পরের যুগের উপাধি।
নিজাম হলো হায়দরাবাদের শাসকের উপাধি, আর সুলতান মুঘলদের আগের স্বাধীন সুলতানি আমলের উপাধি। নবাব শব্দ বাংলার সঙ্গে বেশি পরিচিত বলে এটাই প্রধান ফাঁদ।
মনে রাখুন: সুবা থেকে সুবাদার, যেমন জেলা থেকে জেলা প্রশাসক। আগে সুলতান, মাঝে সুবাদার, পরে নবাব।
৮৭. The name of the organizer of the 'March for Gaza' which was held in Dhaka on 12 April 2025. (সমন্বিত ৮ ব্যাংক ও ১ আর্থিক প্রতিষ্ঠান: সিনিয়র অফিসার, ২০২৫)
- কPalestine Solidarity Movement Bangladesh
- খIslamic Relief
- গGaza Freedom March
- ঘGaza Emergency Fund
সঠিক উত্তর: ক. Palestine Solidarity Movement Bangladesh
প্রশ্নটা ২০২৫ সালের ১২ এপ্রিল ঢাকায় অনুষ্ঠিত মার্চ ফর গাজা নিয়ে। এর আয়োজক ছিল প্যালেস্টাইন সলিডারিটি মুভমেন্ট বাংলাদেশ।
গাজায় ইসরায়েলি হামলার প্রতিবাদে ঢাকার সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে এই সমাবেশ হয়। এতে লক্ষাধিক মানুষ অংশ নেন, যা দেশের ইতিহাসে ফিলিস্তিনের পক্ষে সবচেয়ে বড় সমাবেশগুলোর একটি।
সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের খতিব, আর ঘোষণাপত্র পাঠ করেন আমার দেশ পত্রিকার সম্পাদক মাহমুদুর রহমান। বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও ইসলামি সংগঠনও যোগ দেয়।
অন্য অপশনগুলো শুনতে কাছাকাছি হলেও আয়োজক নয়। গাজা ফ্রিডম মার্চ নামটি সমাবেশের নামের সঙ্গে মিল রেখে বানানো ফাঁদ।
মনে রাখুন: মার্চ ফর গাজা, ঢাকা: আয়োজক প্যালেস্টাইন সলিডারিটি মুভমেন্ট বাংলাদেশ।
৮৮. Which financial institution was merged with Bangladesh Shilpa Bank to form Bangladesh Development Bank? (সমন্বিত ৮ ব্যাংক ও ১ আর্থিক প্রতিষ্ঠান: সিনিয়র অফিসার, ২০২৫)
- কBangladesh Industrial Credit Bank
- খCommunity Bank Bangladesh
- গBangladesh Shilpa Rin Sangstha
- ঘInfrastructure Development Company
সঠিক উত্তর: গ. Bangladesh Shilpa Rin Sangstha
প্রশ্নটা বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক লিমিটেড বা বিডিবিএলের জন্ম নিয়ে। দুটি রাষ্ট্রায়ত্ত শিল্প অর্থায়ন প্রতিষ্ঠান, বাংলাদেশ শিল্প ব্যাংক আর বাংলাদেশ শিল্প ঋণ সংস্থা একীভূত হয়ে বিডিবিএল গঠিত হয়।
দুটি প্রতিষ্ঠানের কাজ একই ছিল: শিল্প খাতে দীর্ঘমেয়াদি ঋণ দেওয়া। আলাদা দুই প্রতিষ্ঠান চালানোর বদলে একটি শক্তিশালী উন্নয়ন ব্যাংক গড়তে এদের মিলিয়ে দেওয়া হয়।
বিডিবিএল কোম্পানি হিসেবে নিবন্ধিত হয় ২০০৯ সালের নভেম্বরে, আর ২০১০ সালের জানুয়ারি থেকে কাজ শুরু করে।
বাংলাদেশ ইন্ডাস্ট্রিয়াল ক্রেডিট ব্যাংক নামটি শিল্প ঋণ সংস্থার ইংরেজি অনুবাদের মতো শোনায়, এটাই ফাঁদ। আর আইডকল অবকাঠামো খাতে অর্থায়ন করে, এখনো আলাদা প্রতিষ্ঠান।
মনে রাখুন: বিএসবি + বিএসআরএস = বিডিবিএল; দুটো নামেই শিল্প শব্দ আছে।
৮৯. With which district of Bangladesh is the GI product "Shataranji" associated? (সমন্বিত ৮ ব্যাংক ও ১ আর্থিক প্রতিষ্ঠান: সিনিয়র অফিসার, ২০২৫)
- কRangpur
- খDinajpur
- গBogra
- ঘTangail
সঠিক উত্তর: ক. Rangpur
প্রশ্নটা ভৌগোলিক নির্দেশক বা জিআই পণ্য নিয়ে। জিআই পণ্য হলো এমন পণ্য, যার গুণ ও পরিচিতি একটি নির্দিষ্ট এলাকার সঙ্গে জড়িত। শতরঞ্জি রংপুরের জিআই পণ্য।
শতরঞ্জি এক ধরনের হাতে বোনা মোটা সুতির কার্পেট বা মাদুর। রংপুর শহরের কাছে নিসবেতগঞ্জ গ্রাম এর জন্য বিখ্যাত, আর এই শতরঞ্জি এখন বিদেশেও রপ্তানি হয়।
বাংলাদেশে জিআই নিবন্ধন দেয় শিল্প মন্ত্রণালয়ের পেটেন্ট, শিল্প-নকশা ও ট্রেডমার্কস অধিদপ্তর বা ডিপিডিটি। দেশের প্রথম জিআই পণ্য জামদানি।
অন্য জেলাগুলোর নিজস্ব পরিচিত পণ্য আছে: বগুড়ার দই, দিনাজপুরের কাটারিভোগ চাল, টাঙ্গাইলের শাড়ি। এগুলো মনে রাখলে বিভ্রান্তি হয় না।
মনে রাখুন: রংপুর মানে শতরঞ্জি, বগুড়া মানে দই, দিনাজপুর মানে কাটারিভোগ।
৯০. The religion that flourished most under the Pala dynasty- (সমন্বিত ৮ ব্যাংক ও ১ আর্থিক প্রতিষ্ঠান: সিনিয়র অফিসার, ২০২৫)
- কHinduism
- খIslam
- গBuddhism
- ঘJainism
সঠিক উত্তর: গ. Buddhism
প্রশ্নটা প্রাচীন বাংলার পাল বংশ নিয়ে। পাল রাজারা ছিলেন বৌদ্ধধর্মের অনুসারী ও পৃষ্ঠপোষক, তাই তাঁদের আমলে বৌদ্ধধর্ম সবচেয়ে বেশি বিকশিত হয়।
অষ্টম শতকে মাৎস্যন্যায় নামের অরাজকতার পর জনগণের সমর্থনে গোপাল সিংহাসনে বসে পাল বংশের সূচনা করেন। পাল শাসন প্রায় চারশো বছর চলে।
তাঁর ছেলে ধর্মপাল নওগাঁর পাহাড়পুরে সোমপুর মহাবিহার আর বিক্রমশীলা মহাবিহার প্রতিষ্ঠা করেন। নালন্দাও পালদের পৃষ্ঠপোষকতা পায়। বৌদ্ধ সহজিয়াদের গান চর্যাপদের অনেক পদও এই যুগে রচিত বলে ধরা হয়।
পালদের পরে আসা সেন রাজারা ছিলেন হিন্দু এবং ব্রাহ্মণ্যধর্মের পৃষ্ঠপোষক। পাল আর সেন গুলিয়ে হিন্দুধর্ম বেছে নেওয়াই ফাঁদ।
মনে রাখুন: পাল মানে বৌদ্ধ, সেন মানে হিন্দু; পাহাড়পুর পাল আমলের বৌদ্ধ বিহার।
৯১. পাহাড়পুরের 'সোমপুর মহাবিহার' বাংলার কোন শাসন আমলের স্থাপত্য কীর্তির নিদর্শন? (৪৬তম বিসিএস, ২০২৪)
- কমৌর্য
- খপাল
- গগুপ্ত
- ঘচন্দ্র
সঠিক উত্তর: খ. পাল
প্রশ্নটা পাহাড়পুরের সোমপুর মহাবিহার কোন রাজবংশের আমলে তৈরি, তা জানতে চেয়েছে। উত্তর পাল আমল; বিহারটি নির্মাণ করেন পাল রাজা ধর্মপাল, অষ্টম শতকের শেষ ভাগে।
পাল রাজারা ছিলেন বৌদ্ধ ধর্মের পৃষ্ঠপোষক, তাই তাঁদের আমলে বাংলায় বড় বড় বৌদ্ধবিহার গড়ে ওঠে। নওগাঁ জেলার পাহাড়পুরে অবস্থিত সোমপুর মহাবিহার এর মধ্যে সবচেয়ে বিখ্যাত এবং উপমহাদেশের অন্যতম বৃহৎ বৌদ্ধবিহার।
১৯৮৫ সালে ইউনেস্কো একে বিশ্ব ঐতিহ্যের তালিকায় যুক্ত করে। বাংলাদেশের অন্য দুটি বিশ্ব ঐতিহ্য স্থান হলো বাগেরহাটের মসজিদের শহর ও সুন্দরবন।
ফাঁদ হলো মৌর্য ও গুপ্ত। মৌর্য আমলের নিদর্শন হিসেবে বগুড়ার মহাস্থানগড়ের শিলালিপি পরিচিত, আর গুপ্ত যুগ শেষ হয়েছিল পালদের অনেক আগে। বাংলার বড় বৌদ্ধবিহার শুনেই পাল মনে করুন।
মনে রাখুন: বাংলার বড় বৌদ্ধবিহার মানেই পাল আমল, আর পাহাড়পুর মানেই ধর্মপাল।
৯২. মুজিবনগর সরকারকে গার্ড অব অনার নেতৃত্ব দেন কে? (৪৬তম বিসিএস, ২০২৪)
- কমোহাম্মদ সোলায়মান
- খআব্দুল খালেক
- গমাহবুব উদ্দিন আহমেদ
- ঘশৈলেন্দ্র কিশোর চৌধুরী
সঠিক উত্তর: গ. মাহবুব উদ্দিন আহমেদ
প্রশ্নটা মুজিবনগর সরকারের শপথ অনুষ্ঠানে গার্ড অব অনারের নেতৃত্ব কে দিয়েছিলেন, তা জানতে চেয়েছে। ১৭ এপ্রিল ১৯৭১ মেহেরপুরের বৈদ্যনাথতলার আমবাগানে সরকারের শপথ হয়, আর সেখানে গার্ড অব অনারে নেতৃত্ব দেন ঝিনাইদহ মহকুমার তৎকালীন পুলিশ প্রধান মাহবুব উদ্দিন আহমেদ।
তিনি সহযোদ্ধা পুলিশ ও আনসার সদস্যদের নিয়ে অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি সৈয়দ নজরুল ইসলামকে গার্ড অব অনার দেন। মুক্তিযুদ্ধের শুরু থেকেই তিনি প্রতিরোধযুদ্ধে যুক্ত ছিলেন।
একই অনুষ্ঠানে অধ্যাপক ইউসুফ আলী স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র পাঠ করেন, আর অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন আবদুল মান্নান। প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন তাজউদ্দীন আহমদ, আর বৈদ্যনাথতলার নাম রাখা হয় মুজিবনগর।
বিকল্পের অন্য নামগুলো এই দায়িত্বের সাথে যুক্ত নয়। আব্দুল খালেক ছিলেন পুলিশের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা এবং পরে দেশের প্রথম স্বরাষ্ট্রসচিব, তাই পুলিশ শব্দ শুনে তাঁকে বেছে নেওয়া সহজ ফাঁদ।
মনে রাখুন: মুজিবনগরের তিন দায়িত্ব: ঘোষণাপত্র পাঠ করেন ইউসুফ আলী, অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন আবদুল মান্নান, গার্ড অব অনার দেন মাহবুব উদ্দিন আহমেদ।
৯৩. ঐতিহাসিক ৬-দফা দাবিতে কোন দু'টি বিষয় কেন্দ্রিয় সরকারের হাতে রাখার প্রস্তাব ছিল? (৪৬তম বিসিএস, ২০২৪)
- কবৈদেশিক বাণিজ্য ও প্রতিরক্ষা
- খঅর্থ ও পররাষ্ট্র
- গস্বরাষ্ট্র ও পরিকল্পনা
- ঘপ্রতিরক্ষা ও পররাষ্ট্র
সঠিক উত্তর: ঘ. প্রতিরক্ষা ও পররাষ্ট্র
প্রশ্নটা ছয় দফার একটি নির্দিষ্ট দাবি জানতে চেয়েছে: কেন্দ্রীয় সরকারের হাতে কোন দুটি বিষয় থাকবে। উত্তর প্রতিরক্ষা ও পররাষ্ট্র; এটি ছয় দফার দ্বিতীয় দফা।
১৯৬৬ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি লাহোরে বিরোধী দলগুলোর সম্মেলনের বিষয় নির্ধারণী কমিটিতে শেখ মুজিবুর রহমান ছয় দফা উপস্থাপন করেন। লক্ষ্য ছিল পূর্ব পাকিস্তানের পূর্ণ স্বায়ত্তশাসন, তাই কেন্দ্রের হাতে কেবল দুটি বিষয় রেখে বাকি সব ক্ষমতা প্রদেশকে দেওয়ার প্রস্তাব করা হয়।
অন্য দফাগুলো ক্ষমতা ভাগের বাকি অংশ ঠিক করে। প্রথম দফায় লাহোর প্রস্তাবের ভিত্তিতে যুক্তরাষ্ট্রীয় সংসদীয় সরকার, তৃতীয় দফায় মুদ্রা, চতুর্থ দফায় কর ও রাজস্ব, পঞ্চম দফায় বৈদেশিক মুদ্রা ও বাণিজ্য, আর ষষ্ঠ দফায় প্রদেশের নিজস্ব আধাসামরিক বাহিনী।
ফাঁদ হলো অর্থ ও বৈদেশিক বাণিজ্য। ছয় দফায় মুদ্রা, কর এবং বৈদেশিক বাণিজ্যের ক্ষমতা বরং প্রদেশের হাতে চাওয়া হয়েছিল, কারণ পূর্ব পাকিস্তানের আয় পশ্চিমে চলে যাওয়াই ছিল মূল অভিযোগ। প্রশ্নপত্রে কেন্দ্রিয় ছাপা হয়েছে; প্রমিত বানান কেন্দ্রীয়, কারণ ঈয় প্রত্যয় যুক্ত হলে ঈ-কার বসে।
মনে রাখুন: ছয় দফায় কেন্দ্রের ভাগে মাত্র দুটি বিষয়, তাই যে বিকল্পে অর্থ বা বাণিজ্য আছে সেটি বাদ।
৯৪. বাংলার প্রাচীন জনপথ হরিকেল-এর বর্তমান নাম কী? (৪৬তম বিসিএস, ২০২৪)
- কসিলেট ও চট্টগ্রাম
- খঢাকা ও ময়মনসিংহ
- গকুমিল্লা ও নোয়াখালী
- ঘরাজশাহী ও রংপুর
সঠিক উত্তর: ক. সিলেট ও চট্টগ্রাম
প্রশ্নটা প্রাচীন বাংলার জনপদ হরিকেলের বর্তমান অবস্থান জানতে চেয়েছে। প্রচলিত মতে হরিকেল ছিল বাংলার পূর্ব প্রান্তের জনপদ, যা বর্তমান সিলেট থেকে চট্টগ্রাম পর্যন্ত পাহাড়ি ও উপকূলীয় অঞ্চল জুড়ে বিস্তৃত।
হরিকেল নামাঙ্কিত মুদ্রা কুমিল্লার ময়নামতিতে পাওয়া গেছে, যা থেকে বোঝা যায় জনপদটি সমতটের পাশে, আরও পূর্বে আরাকানের দিকে ছিল। বাংলাপিডিয়া এর কেন্দ্র চট্টগ্রাম অঞ্চলে বলে মত দেয়, আর কিছু পরবর্তী পুথিতে হরিকেলকে সিলেটের সাথে যুক্ত করা হয়েছে।
তাই পরীক্ষার প্রচলিত উত্তর সিলেট ও চট্টগ্রাম। মনে রাখুন, প্রাচীন জনপদের সীমানা নিয়ে ইতিহাসবিদদের মধ্যে কিছু মতভেদ আছে, কিন্তু হরিকেলকে সবাই বাংলার পূর্ব প্রান্তেই রাখেন। প্রশ্নপত্রে জনপথ ছাপা হয়েছে, কিন্তু সঠিক শব্দ জনপদ; জনপথ মানে রাস্তা, আর জনপদ মানে প্রাচীন অঞ্চল বা রাজ্য।
অন্য বিকল্পগুলো অন্য জনপদের এলাকা। কুমিল্লা ও নোয়াখালী অঞ্চল ছিল সমতট, রাজশাহী অঞ্চল পুণ্ড্র ও বরেন্দ্রের অংশ, আর ঢাকা অঞ্চল প্রাচীন বঙ্গ জনপদের সাথে যুক্ত।
মনে রাখুন: মানচিত্রে উত্তরে পুণ্ড্র, মাঝে বঙ্গ, পূর্বে সমতট, আর একেবারে পূর্ব প্রান্তে হরিকেল।
৯৫. বাংলাদেশের কোন বিভাগে জনসংখ্যার ঘনত্ব সবচেয়ে কম? (৪৬তম বিসিএস, ২০২৪)
- কসিলেট
- খখুলনা
- গবরিশাল
- ঘচট্টগ্রাম
সঠিক উত্তর: গ. বরিশাল
প্রশ্নটা বিভাগভিত্তিক জনসংখ্যার ঘনত্বের তুলনা চেয়েছে। জনশুমারি ২০২২ এর প্রাথমিক প্রতিবেদন অনুযায়ী সবচেয়ে কম ঘনত্ব বরিশাল বিভাগে, প্রতি বর্গকিলোমিটারে প্রায় ৬৮৮ জন।
ঘনত্ব মানে মোট জনসংখ্যাকে আয়তন দিয়ে ভাগ করলে প্রতি বর্গকিলোমিটারে কতজন থাকেন। বরিশাল বিভাগের জনসংখ্যা আটটি বিভাগের মধ্যে সবচেয়ে কম, অথচ আয়তনে এটি সবচেয়ে ছোট বিভাগ নয়; তাই প্রতি বর্গকিলোমিটারে মানুষও সেখানে সবচেয়ে কম।
উল্টো দিকে সবচেয়ে বেশি ঘনত্ব ঢাকা বিভাগে, প্রায় ২১৫৬ জন। বিকল্পের অন্য বিভাগগুলোর মধ্যে খুলনায় প্রায় ৭৮২, সিলেটে ৮৭৩ আর চট্টগ্রামে ৯৭৯ জন।
ফাঁদ হলো খুলনা, কারণ এর ঘনত্বও কম এবং বরিশালের কাছাকাছি। খুলনা দ্বিতীয় সর্বনিম্ন, কিন্তু সর্বনিম্ন বরিশাল।
মনে রাখুন: জনসংখ্যায় সবচেয়ে ছোট বিভাগ বরিশাল, ঘনত্বেও সবার নিচে।
৯৬. ট্রেডিং কর্পোরেশন অব বাংলাদেশ কোন মন্ত্রণালয়ের আওতাভুক্ত? (৪৬তম বিসিএস, ২০২৪)
- কপরিকল্পনা
- খশিল্প
- গবাণিজ্য
- ঘঅর্থ
সঠিক উত্তর: গ. বাণিজ্য
প্রশ্নটা টিসিবি কোন মন্ত্রণালয়ের অধীন, তা জানতে চেয়েছে। ট্রেডিং কর্পোরেশন অব বাংলাদেশ বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অধীন একটি রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থা।
টিসিবি গঠিত হয় ১৯৭২ সালে। এর মূল কাজ চাল, ডাল, ভোজ্যতেল, চিনি ও পেঁয়াজের মতো নিত্যপণ্য আমদানি বা সংগ্রহ করে ন্যায্যমূল্যে বিক্রি করা, এবং বাজারে দাম অস্বাভাবিক বাড়লে সরবরাহ বাড়িয়ে তা স্থিতিশীল রাখা।
নামের ট্রেডিং শব্দটিই সূত্র: পণ্য কেনাবেচা ও বাজার ব্যবস্থাপনা বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের কাজ। রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো এবং জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরও একই মন্ত্রণালয়ের অধীন।
ফাঁদ হলো শিল্প মন্ত্রণালয়, কারণ কর্পোরেশন শব্দটি দেখে রাসায়নিক শিল্প সংস্থা বা চিনি ও খাদ্য শিল্প সংস্থার মতো শিল্প প্রতিষ্ঠানের কথা মনে আসে। কিন্তু টিসিবি কিছু উৎপাদন করে না, কেবল কেনাবেচা করে।
মনে রাখুন: নামে ট্রেডিং মানে কেনাবেচা, আর কেনাবেচার মন্ত্রণালয় বাণিজ্য।
৯৭. বাংলাদেশ সরকার কোন উৎস থেকে সর্বোচ্চ রাজস্ব আয় করে? (৪৬তম বিসিএস, ২০২৪)
- কভূমি রাজস্ব
- খমূল্য সংযোজন কর
- গআয়কর
- ঘআমদানি শুল্ক
সঠিক উত্তর: খ. মূল্য সংযোজন কর
প্রশ্নটা সরকারের রাজস্বের সবচেয়ে বড় উৎস জানতে চেয়েছে। পরীক্ষার সময় জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের আদায়ে মূল্য সংযোজন কর বা ভ্যাট ছিল সবচেয়ে বড় খাত, তারপর আয়কর।
ভ্যাট একটি পরোক্ষ কর: পণ্য বা সেবার প্রতিটি ধাপে যে মূল্য যোগ হয় তার উপর কর বসে, আর শেষ পর্যন্ত তা পরিশোধ করেন ভোক্তা। বাংলাদেশে ভ্যাট চালু হয় ১৯৯১ সালে। প্রায় সব কেনাকাটায় যুক্ত থাকায় এর আদায় সবচেয়ে বেশি।
আয়কর প্রত্যক্ষ কর, কিন্তু দেশে করদাতার সংখ্যা তুলনামূলক কম, তাই এর অংশ ভ্যাটের চেয়ে ছোট। বাণিজ্য উদারীকরণে শুল্কহার কমানো হয়েছে, তাই আমদানি শুল্কের অংশও ভ্যাটের চেয়ে কম।
ভূমি রাজস্ব ব্রিটিশ আমলে সরকারের প্রধান আয় ছিল; এখন এটি খুব ছোট উৎস এবং আদায় করে ভূমি মন্ত্রণালয়। ইতিহাসের এই তথ্য থেকেই বিকল্পটি ফাঁদ।
মনে রাখুন: রাজস্ব বোর্ডের আদায়ে শীর্ষ দুই মনে রাখুন: প্রথমে ভ্যাট, তারপর আয়কর।
৯৮. মারমাদের সবচেয়ে বড় উৎসবের নাম কী? (৪৬তম বিসিএস, ২০২৪)
- কবিজু
- খরাশ
- গসাংগ্রাই
- ঘবাইশু
সঠিক উত্তর: গ. সাংগ্রাই
প্রশ্নটা মারমা জনগোষ্ঠীর প্রধান উৎসবের নাম জানতে চেয়েছে। উত্তর সাংগ্রাই, যা পুরোনো বছর বিদায় ও নতুন বছর বরণের সময়, এপ্রিলের মাঝামাঝি পালিত হয়।
পার্বত্য চট্টগ্রামের কয়েকটি জাতিসত্তা এই সময়ে বর্ষবরণ উৎসব করে, শুধু নাম আলাদা। মারমাদের সাংগ্রাই, চাকমাদের বিজু, ত্রিপুরাদের বৈসু বা বৈসুক। তিনটির আদ্যক্ষর মিলিয়ে পুরো উৎসবটিকে বৈসাবি বলা হয়।
মারমাদের সাংগ্রাইয়ের সবচেয়ে পরিচিত আয়োজন জলকেলি বা পানি খেলা, যেখানে তরুণ তরুণীরা একে অপরের গায়ে পানি ছিটিয়ে নতুন বছরকে স্বাগত জানায়।
বিকল্পের রাস হলো মণিপুরীদের বড় উৎসব, কার্তিক পূর্ণিমায় রাসলীলা হিসেবে পালিত হয়। আর বাইশু নামটি ত্রিপুরাদের বৈসুর কাছাকাছি শোনায় বলে বিভ্রান্তি তৈরি করে।
মনে রাখুন: বৈসাবি ভাঙুন: বৈ মানে ত্রিপুরার বৈসু, সা মানে মারমার সাংগ্রাই, বি মানে চাকমার বিজু।
৯৯. বিশ্বকাপ ক্রিকেট ২০২৩-এ বাংলাদেশের কোন খেলোয়াড় সর্বোচ্চ রান করেন? (৪৬তম বিসিএস, ২০২৪)
- কলিটন দাস
- খমুশফিকুর রহিম
- গসাকিব আল হাসান
- ঘমাহমুদুল্লাহ রিয়াদ
সঠিক উত্তর: ঘ. মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ
প্রশ্নটা ২০২৩ সালের ওয়ানডে বিশ্বকাপে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক কে, তা জানতে চেয়েছে। উত্তর মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ, আট ম্যাচে ৩২৮ রান।
তিনি ছিলেন ওই আসরে বাংলাদেশের একমাত্র সেঞ্চুরিয়ান; দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে বড় হারের ম্যাচেও তিনি সেঞ্চুরি করেন। তাঁর ব্যাটিং গড় ছিল চুয়ান্নর বেশি, যা দলের সেরা।
আসরটি হয় ভারতে, আর বাংলাদেশ নয় ম্যাচে মাত্র দুটিতে জেতে। দলের অন্য ব্যাটারদের মধ্যে লিটন দাস করেন ২৮৪, মুশফিকুর রহিম ২০২ এবং সাকিব আল হাসান ১৮৬ রান।
ফাঁদ হলো লিটন দাস, কারণ তিনি ওপেনার এবং রানে মাহমুদউল্লাহর কাছাকাছি। অধিনায়ক সাকিবকেও অনেকে বেছে নেন, কিন্তু চারজনের মধ্যে তাঁর রানই সবচেয়ে কম।
মনে রাখুন: হতাশার আসরে অভিজ্ঞ মাহমুদউল্লাহই ছিলেন ব্যাটিংয়ের ভরসা: সর্বোচ্চ রান ও একমাত্র সেঞ্চুরি।
১০০. বাংলাদেশের পররাষ্ট্র নীতি সংক্রান্ত নির্দেশনা সংবিধানের কত অনুচ্ছেদে উল্লেখ করা হয়েছে? (৪৬তম বিসিএস, ২০২৪)
- ক২৫
- খ২৬
- গ২৭
- ঘ২৮
সঠিক উত্তর: ক. ২৫
প্রশ্নটা সংবিধানে পররাষ্ট্রনীতির মূলনীতি কোন অনুচ্ছেদে, তা জানতে চেয়েছে। উত্তর অনুচ্ছেদ ২৫, যার শিরোনাম আন্তর্জাতিক শান্তি, নিরাপত্তা ও সংহতির উন্নয়ন।
এই অনুচ্ছেদ বলে, জাতীয় সার্বভৌমত্ব ও সমতার প্রতি শ্রদ্ধা, অন্য রাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ না করা, আন্তর্জাতিক বিরোধের শান্তিপূর্ণ মীমাংসা এবং জাতিসংঘ সনদের নীতির প্রতি শ্রদ্ধা হবে রাষ্ট্রের আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ভিত্তি।
অনুচ্ছেদ ২৫ সংবিধানের দ্বিতীয় ভাগে, রাষ্ট্রপরিচালনার মূলনীতি অংশে, আর এটিই সেই ভাগের শেষ অনুচ্ছেদ। এই ভাগ আদালতে বলবৎযোগ্য নয়, তবে রাষ্ট্র পরিচালনার দিকনির্দেশনা দেয়।
পরের অনুচ্ছেদগুলো তৃতীয় ভাগের মৌলিক অধিকার অংশে। অনুচ্ছেদ ২৬ বলে মৌলিক অধিকারের সাথে অসামঞ্জস্যপূর্ণ আইন বাতিল হবে, ২৭ বলে আইনের দৃষ্টিতে সবাই সমান, আর ২৮ বৈষম্য নিষিদ্ধ করে।
মনে রাখুন: মূলনীতি ভাগ আট থেকে পঁচিশ, মৌলিক অধিকার ছাব্বিশ থেকে শুরু; পররাষ্ট্রনীতি মূলনীতির শেষ অনুচ্ছেদ।