বাংলাদেশ বিষয়াবলি · পাতা ৮
১৪১. The 8th five year plan of Bangladesh has been formulated for the period of (সমন্বিত ১০ ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান: সিনিয়র অফিসার, ২০২৩)
- ক2019 – 2024
- খ2020 - 2024
- গ2021 – 2026
- ঘ2020 - 2025
সঠিক উত্তর: ঘ. 2020 - 2025
বাংলাদেশের অষ্টম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার মেয়াদ ২০২০ সালের জুলাই থেকে ২০২৫ সালের জুন, অর্থাৎ ২০২০-২১ থেকে ২০২৪-২৫ অর্থবছর। পরীক্ষায় সংক্ষেপে লেখা হয় ২০২০ থেকে ২০২৫।
পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা পাঁচটি অর্থবছর জুড়ে হয়, আর বাংলাদেশের অর্থবছর শুরু জুলাইয়ে। তাই সপ্তম পরিকল্পনা ছিল ২০১৬ থেকে ২০২০, এবং অষ্টমটি ঠিক তারপর।
প্রথম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা ছিল ১৯৭৩ থেকে ১৯৭৮। ২০২০ থেকে ২০২৪ অপশনটি মাত্র চার বছর, আর ২০২১ থেকে ২০২৬ এক বছর পিছিয়ে; এগুলোই ফাঁদ।
মনে রাখুন: পঞ্চবার্ষিক মানে পাঁচ অর্থবছর; শুরুর সাল যোগ ৫ = শেষের সাল।
১৪২. Who formulates 'Monetary Policy' in Bangladesh and how many times in a year? (জনতা ব্যাংক: অফিসার, রুরাল ক্রেডিট) (২০২৩)
- কBangladesh Bank, once a year
- খMinistry of Finance, once a year
- গBangladesh Bank, twice a year
- ঘMinistry of Finance, twice a year
- ঙকোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর: ঙ. কোনোটিই নয়
প্রশ্নটি তখনকার তথ্য অনুযায়ী; তখন সঠিক ছিল: Bangladesh Bank, twice a year। এখন: ২০২৬ সালের সেপ্টেম্বর থেকে বাংলাদেশ ব্যাংক বছরে চারবার, অর্থাৎ ত্রৈমাসিক ভিত্তিতে মুদ্রানীতি ঘোষণা করছে।।
প্রশ্নটি দুটি জিনিস একসাথে যাচাই করে: মুদ্রানীতি কে প্রণয়ন করে, আর বছরে কতবার। মুদ্রানীতি মানে দেশের অর্থের সরবরাহ, সুদহার আর ঋণপ্রবাহ নিয়ন্ত্রণের নীতি, আর এটি সবসময় কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কাজ। বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক হলো বাংলাদেশ ব্যাংক।
পরীক্ষার সময়, মানে ২০২৩ সালে, বাংলাদেশ ব্যাংক বছরে দুবার মুদ্রানীতি ঘোষণা করত: অর্থবছরের প্রথম ছয় মাসের জন্য জুলাইয়ে, আর পরের ছয় মাসের জন্য জানুয়ারিতে। তাই সঠিক উত্তর বাংলাদেশ ব্যাংক, বছরে দুবার।
অর্থ মন্ত্রণালয় কাজ করে রাজস্বনীতি নিয়ে, মানে কর আর সরকারি ব্যয়ের নীতি, যার বড় প্রকাশ হলো বাজেট। মুদ্রানীতি আর রাজস্বনীতি গুলিয়ে ফেলাই এই প্রশ্নের মূল ফাঁদ।
আরেকটি ফাঁদ হলো বছরে একবার। বাজেট বছরে একবার আসে বলে অনেকে মুদ্রানীতিকেও বার্ষিক ভাবেন, কিন্তু পরীক্ষার সময় মুদ্রানীতি ছিল ষাণ্মাসিক।
মনে রাখুন: মুদ্রা মানে টাকা, টাকার নীতি টাকা ছাপানো প্রতিষ্ঠানের: বাংলাদেশ ব্যাংক। বাজেট মানে রাজস্বনীতি: অর্থ মন্ত্রণালয়।
১৪৩. Recently Bangladesh Bank has increased its policy rate by.. (জনতা ব্যাংক: অফিসার, রুরাল ক্রেডিট) (২০২৩)
- ক50 Basis points
- খ75 basis points
- গ100 basis points
- ঘNone of these
- ঙকোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর: ঙ. কোনোটিই নয়
প্রশ্নটি তখনকার তথ্য অনুযায়ী; তখন সঠিক ছিল: 75 basis points। এখন: ২০২৬ সালের ৩০ জুলাই বাংলাদেশ ব্যাংক নীতি সুদহার ৫০ বেসিস পয়েন্ট কমিয়ে ১০ থেকে ৯.৫০ শতাংশ করে, যা ২ আগস্ট থেকে কার্যকর হয়।।
প্রশ্নটি পরীক্ষার সময়কার সাম্প্রতিক ঘটনা। ২০২৩ সালের অক্টোবরের শুরুতে বাংলাদেশ ব্যাংক নীতি সুদহার, মানে রেপো রেট, ৬ দশমিক ৫ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ৭ দশমিক ২৫ শতাংশ করে। বৃদ্ধি হলো শূন্য দশমিক ৭৫ শতাংশ বিন্দু।
এক বেসিস পয়েন্ট মানে এক শতাংশের একশ ভাগের এক ভাগ। তাই ১ শতাংশ বিন্দু সমান ১০০ বেসিস পয়েন্ট, আর শূন্য দশমিক ৭৫ শতাংশ বিন্দু সমান ৭৫ বেসিস পয়েন্ট।
নীতি সুদহার হলো যে হারে কেন্দ্রীয় ব্যাংক বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোকে স্বল্পমেয়াদি ধার দেয়। মূল্যস্ফীতি কমাতে এই হার বাড়ানো হয়, যাতে ঋণ ব্যয়বহুল হয় আর বাজারে টাকার প্রবাহ কমে।
ফাঁদ হলো ৫০ বেসিস পয়েন্ট। এর ঠিক পরের মাস নভেম্বর ২০২৩-এ আবার ৫০ বেসিস পয়েন্ট বাড়ানো হয়েছিল, তাই দুটো গুলিয়ে যায়; কিন্তু ২৭ অক্টোবরের পরীক্ষার আগের সর্বশেষ বৃদ্ধি ছিল ৭৫।
মনে রাখুন: শতাংশ বিন্দুকে ১০০ দিয়ে গুণ করলেই বেসিস পয়েন্ট: ০.২৫% = ২৫, ০.৫০% = ৫০, ০.৭৫% = ৭৫।
১৪৪. The name of the current Chief of Army Staff of Bangladesh is- (জনতা ব্যাংক: অফিসার, রুরাল ক্রেডিট) (২০২৩)
- কSM Shafiuddin Ahmed
- খAziz Ahmed
- গSM Saifuddin Ahmed
- ঘKazi Habibul Awal
- ঙকোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর: ঙ. কোনোটিই নয়
প্রশ্নটি তখনকার তথ্য অনুযায়ী; তখন সঠিক ছিল: SM Shafiuddin Ahmed। এখন: ২৩ জুন ২০২৪ থেকে বাংলাদেশের সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান।।
প্রশ্নটি পরীক্ষার সময়ের পদাধিকারী জানতে চেয়েছে। ২০২৩ সালের অক্টোবরে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্রধান ছিলেন জেনারেল এস এম শফিউদ্দিন আহমেদ। তিনি ২০২১ সালের জুনে দায়িত্ব নেন এবং ২০২৪ সালের জুন পর্যন্ত ছিলেন।
তাঁর আগে সেনাপ্রধান ছিলেন জেনারেল আজিজ আহমেদ, ২০১৮ থেকে ২০২১ পর্যন্ত। তাই আজিজ আহমেদ সাবেক সেনাপ্রধান, পরীক্ষার সময়ের নন।
কাজী হাবিবুল আউয়াল সেনাবাহিনীর কেউ নন; তিনি তখন প্রধান নির্বাচন কমিশনার ছিলেন। একই সময়ের বিভিন্ন পদের নাম দিয়ে বিভ্রান্ত করা হয়েছে।
সবচেয়ে সূক্ষ্ম ফাঁদ হলো এস এম সাইফুদ্দিন আহমেদ। নামটি প্রায় একই শোনায়, কিন্তু সঠিক নাম শফিউদ্দিন। তাড়াহুড়ায় বানান না মিলিয়ে উত্তর দিলে এখানেই ভুল হয়।
মনে রাখুন: পদাধিকারীর প্রশ্নে কাছাকাছি বানানের দুটি নাম থাকলে অক্ষর মিলিয়ে দেখুন: শফিউদ্দিন বনাম সাইফুদ্দিন।
১৪৫. The name of the designer of the three-story Third Terminal of Hazrat Shahjalal International Airport is....... (জনতা ব্যাংক: অফিসার, রুরাল ক্রেডিট) (২০২৩)
- কZaha Hadid
- খFrank Lloyd Wright
- গRohani Baharin
- ঘNone of them
সঠিক উত্তর: গ. Rohani Baharin
হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তিনতলা তৃতীয় টার্মিনালের নকশা করেছেন স্থপতি রোহানি বাহারিন। পরীক্ষার কয়েকদিন আগে, ২০২৩ সালের অক্টোবরে, টার্মিনালটির আংশিক উদ্বোধন বা সফট ওপেনিং হয়।
টার্মিনালটির আয়তন প্রায় ২ লাখ ৩০ হাজার বর্গমিটার। পুরোপুরি চালু হলে বিমানবন্দরের যাত্রী ধারণক্ষমতা প্রায় আড়াই গুণ হবে বলে ধরা হয়েছিল।
জাহা হাদিদ একজন বিখ্যাত ইরাকি-ব্রিটিশ স্থপতি, আর ফ্র্যাঙ্ক লয়েড রাইট মার্কিন স্থপতি। দুজনই বিশ্বখ্যাত, কিন্তু এই টার্মিনালের সঙ্গে তাঁদের সম্পর্ক নেই; বিখ্যাত নাম দিয়ে বিভ্রান্ত করা হয়েছে।
বাংলাদেশের স্থাপনার নকশাকার প্রায়ই প্রশ্নে আসে। জাতীয় সংসদ ভবনের নকশাকার লুই আই কান, আর জাতীয় স্মৃতিসৌধের সৈয়দ মাইনুল হোসেন।
মনে রাখুন: অপরিচিত নামটিই অনেক সময় উত্তর: বিশ্বখ্যাত স্থপতিদের নাম সাধারণত ফাঁদ হিসেবে বসানো হয়।
১৪৬. In Asian Games 2023, Bangladesh did win how many medals? (জনতা ব্যাংক: অফিসার, রুরাল ক্রেডিট) (২০২৩)
- কOne Silver and One Bronze
- খTwo Bronzes
- গTwo Silvers
- ঘOne Gold and One Silver
সঠিক উত্তর: খ. Two Bronzes
চীনের হাংজুতে ২০২৩ সালে অনুষ্ঠিত এশিয়ান গেমসে, যার আনুষ্ঠানিক নাম ২০২২ এশিয়ান গেমস, বাংলাদেশ মোট দুটি পদক জেতে, দুটিই ব্রোঞ্জ।
দুটি পদকই এসেছে ক্রিকেট থেকে। নারী ক্রিকেট দল ব্রোঞ্জ জেতে, আর পুরুষ দল ব্রোঞ্জ পদকের ম্যাচে পাকিস্তানকে হারিয়ে ব্রোঞ্জ পায়।
কোভিডের কারণে গেমস এক বছর পিছিয়ে ২০২৩ সালে হয়েছিল, তাই নামের সাল আর আয়োজনের সাল আলাদা। প্রশ্নে কখনো ২০২২, কখনো ২০২৩ লেখা থাকতে পারে; দুটি একই আসর।
রুপা বা সোনার অপশনগুলো ফাঁদ। ২০১০ সালের গুয়াংজু এশিয়ান গেমসে বাংলাদেশ ক্রিকেটে সোনা জিতেছিল, সেই স্মৃতি থেকে অনেকে সোনা বা রুপা বেছে নেন।
মনে রাখুন: হাংজুতে বাংলাদেশের দুই পদক, দুটিই ক্রিকেটে, দুটিই ব্রোঞ্জ।
১৪৭. Amar Sonar Bangla "My Golden Bengal" is the national anthem of Bangladesh, written by Nobel Laureate Rabindranath Tagore in which year? (জনতা ব্যাংক: অফিসার, রুরাল ক্রেডিট) (২০২৩)
- ক1913
- খ1911
- গ1905
- ঘNone of these
সঠিক উত্তর: গ. 1905
আমার সোনার বাংলা গানটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর লেখেন ১৯০৫ সালে, বঙ্গভঙ্গের প্রতিবাদে চলা স্বদেশি আন্দোলনের সময়। বাংলাকে ভাগ করার বিরুদ্ধে মানুষের আবেগ জাগাতে এ ধরনের বেশ কয়েকটি দেশাত্মবোধক গান তিনি তখন রচনা করেন।
স্বাধীনতার পর ১৯৭২ সালে গানটির প্রথম দশ লাইন বাংলাদেশের জাতীয় সংগীত হিসেবে গৃহীত হয়। গানের সুর নেওয়া হয়েছে বাউল গগন হরকরার গান আমি কোথায় পাব তারে থেকে।
অন্য দুটি সাল ফাঁদ। ১৯১৩ সালে রবীন্দ্রনাথ গীতাঞ্জলির জন্য সাহিত্যে নোবেল পান। ১৯১১ সালে তিনি জন গণ মন রচনা করেন, যা পরে ভারতের জাতীয় সংগীত হয়; আর এ বছরই বঙ্গভঙ্গ রদ হয়।
মনে রাখার সূত্র: বঙ্গভঙ্গ আর আমার সোনার বাংলা একই বছরে, ১৯০৫।
মনে রাখুন: বঙ্গভঙ্গের বছর মনে থাকলেই উত্তর: ১৯০৫। গানটি ছিল বঙ্গভঙ্গবিরোধী আন্দোলনের গান।
১৪৮. How many woman freedom fighters received the 'Bir Protik' award for their contribution to the liberation war of Bangladesh? (জনতা ব্যাংক: অফিসার, রুরাল ক্রেডিট) (২০২৩)
- ক5
- খ3
- গ2
- ঘ6
সঠিক উত্তর: গ. 2
মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বের জন্য বীর প্রতীক খেতাব পাওয়া নারী মুক্তিযোদ্ধা মাত্র দুজন: ক্যাপ্টেন ডাক্তার সিতারা বেগম ও তারামন বিবি।
সিতারা বেগম ছিলেন সেনাবাহিনীর চিকিৎসক। মুক্তিযুদ্ধের সময় তিনি দুই নম্বর সেক্টরের অধীনে আগরতলার কাছে বাংলাদেশ হাসপাতাল পরিচালনা করেন এবং আহত মুক্তিযোদ্ধাদের চিকিৎসা দেন।
তারামন বিবি কুড়িগ্রামের মেয়ে। এগারো নম্বর সেক্টরে তিনি সরাসরি অস্ত্র হাতে যুদ্ধ করেন এবং গুপ্তচর হিসেবেও কাজ করেন।
মুক্তিযুদ্ধের চারটি বীরত্বসূচক খেতাব হলো, উঁচু থেকে নিচে: বীরশ্রেষ্ঠ, বীর উত্তম, বীর বিক্রম ও বীর প্রতীক। এই খেতাবপ্রাপ্তদের মধ্যে নারী কেবল এই দুজন, তাই অন্য সংখ্যাগুলো ভুল।
মনে রাখুন: নারী বীর প্রতীক দুজন: একজন ডাক্তার (সিতারা), একজন যোদ্ধা (তারামন)।
১৪৯. In which year, Father of the Nation Bangabandhu Sheikh Mujibur Rahman received the Julio-Curie award? (জনতা ব্যাংক: অফিসার, রুরাল ক্রেডিট) (২০২৩)
- ক1972
- খ1973
- গ1974
- ঘNone of these
সঠিক উত্তর: খ. 1973
জুলিও কুরি শান্তি পদক দেয় বিশ্ব শান্তি পরিষদ। ১৯৭২ সালে পরিষদ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে এই পদক দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়, আর ১৯৭৩ সালের ২৩ মে ঢাকায় আনুষ্ঠানিকভাবে পদকটি তাঁর হাতে তুলে দেওয়া হয়।
প্রশ্নে বলা হয়েছে পদক গ্রহণের বছর, তাই উত্তর ১৯৭৩। সেই অনুষ্ঠানেই বিশ্ব শান্তি পরিষদের মহাসচিব রমেশ চন্দ্র বলেন, বঙ্গবন্ধু শুধু বাংলার নন, তিনি বিশ্বের বন্ধু। এখান থেকেই বিশ্ববন্ধু উপাধি এসেছে।
পদকটির নাম ফরাসি বিজ্ঞানী ফ্রেডেরিক জুলিও কুরির নামে, যিনি বিশ্ব শান্তি পরিষদের প্রথম সভাপতি ছিলেন। শান্তি ও মুক্তির সংগ্রামে অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে এ পদক দেওয়া হয়।
ফাঁদ হলো ১৯৭২। পুরস্কার ঘোষণার বছর ১৯৭২ হওয়ায় অনেকে এটি বেছে নেন, কিন্তু গ্রহণ করেছেন ১৯৭৩ সালে। প্রতি বছর ২৩ মে এই দিনটি স্মরণ করা হয়।
মনে রাখুন: ঘোষণা ১৯৭২, গ্রহণ ১৯৭৩। প্রশ্নে received বা গ্রহণ থাকলে ১৯৭৩।
১৫০. The National Seed Board has recently approved two new rice varieties developed by the Bangladesh Rice Research Institute. These are- (জনতা ব্যাংক: অফিসার, রুরাল ক্রেডিট) (২০২৩)
- কBRRI 103 and 104
- খBRRI-104 & Brri 105
- গBRRI-105 & Brri 106
- ঘNone of these
সঠিক উত্তর: গ. BRRI-105 & Brri 106
২০২৩ সালের মার্চে জাতীয় বীজ বোর্ড বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট বা ব্রি উদ্ভাবিত দুটি নতুন জাত অনুমোদন দেয়: ব্রি ধান ১০৫ ও ব্রি ধান ১০৬। পরীক্ষার সময় এরাই ছিল ব্রির সর্বশেষ অনুমোদিত জাত।
ব্রি ধান ১০৫ বোরো মৌসুমের জাত। এর গ্লাইসেমিক ইনডেক্স কম, মানে খেলে রক্তে চিনি ধীরে বাড়ে, তাই একে ডায়াবেটিসবান্ধব ধান বলা হয়। ব্রি ধান ১০৬ জোয়ার-ভাটা এলাকার অলবণাক্ত জমির জন্য উদ্ভাবিত।
জাতগুলোর নম্বর ক্রমানুসারে আসে, তাই সর্বশেষ জাত চিনতে সবচেয়ে বড় নম্বরগুলো মনে রাখাই যথেষ্ট। এই দুটি নিয়ে ব্রির উদ্ভাবিত জাতের মোট সংখ্যা দাঁড়ায় ১১৩, হাইব্রিডসহ।
১০৩ ও ১০৪ আগের জাত, আর ১০৪ ও ১০৫ একটি আগের ও একটি নতুন জাত মিশিয়ে বানানো ফাঁদ।
মনে রাখুন: সাম্প্রতিক জাতের প্রশ্নে সবচেয়ে বড় ক্রমিক নম্বরের জোড়াটি প্রায়ই উত্তর; পরীক্ষার তারিখের আগের সর্বশেষ অনুমোদন মিলিয়ে নিন।
১৫১. The name of Bangladeshi who got the Ramon Magsaysay Award 2023 is (জনতা ব্যাংক: অফিসার, রুরাল ক্রেডিট) (২০২৩)
- কKorvi Rakshand
- খSyeda Rizwana Hasan
- গFirdausi Qadri
- ঘNoman Khan
সঠিক উত্তর: ক. Korvi Rakshand
২০২৩ সালে র্যামন ম্যাগসাইসাই পুরস্কার পান বাংলাদেশের করভি রাকসান্দ। তিনি জাগো ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা, যারা সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের বিনামূল্যে শিক্ষা দেয় এবং তরুণদের স্বেচ্ছাসেবায় যুক্ত করে।
র্যামন ম্যাগসাইসাই পুরস্কারকে এশিয়ার নোবেল বলা হয়। ফিলিপাইনের প্রয়াত প্রেসিডেন্ট র্যামন ম্যাগসাইসাইয়ের নামে ১৯৫৭ সালে এটি প্রবর্তিত হয়, আর প্রথম দেওয়া হয় ১৯৫৮ সালে।
অন্য দুজনও ম্যাগসাইসাই পেয়েছেন, কিন্তু ভিন্ন বছরে। পরিবেশ আইনজীবী সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান পান ২০১২ সালে, আর কলেরা ও টিকা গবেষক বিজ্ঞানী ফেরদৌসী কাদরী পান ২০২১ সালে।
তাই এই প্রশ্নে বছরটাই আসল। ম্যাগসাইসাইজয়ী বাংলাদেশিদের নাম জানা থাকলেও কে কোন বছরে পেয়েছেন, সেটা না মেলালে ভুল হয়।
মনে রাখুন: ম্যাগসাইসাইজয়ী সাম্প্রতিক বাংলাদেশি তিনজন: রিজওয়ানা ২০১২, কাদরী ২০২১, করভি ২০২৩।
১৫২. The name of the first Bangladeshi Vice president of the Asian Development Bank is- (জনতা ব্যাংক: অফিসার, রুরাল ক্রেডিট) (২০২৩)
- কFatima Yasmin
- খDr. Fahmida Khatun
- গDr. Fahmida Nabi
- ঘNone of them
সঠিক উত্তর: ক. Fatima Yasmin
এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক বা এডিবির প্রথম বাংলাদেশি ভাইস প্রেসিডেন্ট ফাতিমা ইয়াসমিন। ২০২৩ সালের জুনে এডিবি তাঁকে সেক্টরস অ্যান্ড থিমস বিভাগের ভাইস প্রেসিডেন্ট হিসেবে তিন বছরের জন্য নিয়োগ দেয়।
এর আগে তিনি বাংলাদেশ সরকারের অর্থ বিভাগের সিনিয়র সচিব ছিলেন; তিনিই ছিলেন অর্থ বিভাগের প্রথম নারী সচিব।
এডিবি ১৯৬৬ সালে প্রতিষ্ঠিত, সদর দপ্তর ফিলিপাইনের রাজধানী ম্যানিলায়। বাংলাদেশ ১৯৭৩ সালে এর সদস্য হয়।
ড. ফাহমিদা খাতুন একজন অর্থনীতিবিদ, সেন্টার ফর পলিসি ডায়লগ বা সিপিডির নির্বাহী পরিচালক; তিনি এডিবির ভাইস প্রেসিডেন্ট হননি। পরিচিত নারী অর্থনীতিবিদের নাম দিয়ে বিভ্রান্ত করা হয়েছে।
মনে রাখুন: অর্থ সচিব থেকে এডিবির ভিপি: ফাতিমা ইয়াসমিন, ২০২৩।
১৫৩. 'ভারত ছাড়' আন্দোলন শুরু হয় - (৪৫তম বিসিএস, ২০২৩)
- ক১৯১৭ সালে
- খ১৯২৭ সালে
- গ১৯৩৭ সালে
- ঘ১৯৪২ সালে
সঠিক উত্তর: ঘ. ১৯৪২ সালে
প্রশ্নটা ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনের একটি বড় পর্বের সাল জানতে চেয়েছে। ভারত ছাড় আন্দোলন শুরু হয় ১৯৪২ সালে।
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ চলাকালে ১৯৪২ সালের আগস্টে বোম্বাইয়ে কংগ্রেসের অধিবেশনে ভারত ছাড় প্রস্তাব গৃহীত হয়। গান্ধী ডাক দেন করেঙ্গে ইয়া মরেঙ্গে, অর্থাৎ করব নয়তো মরব। পরদিনই গান্ধীসহ শীর্ষ নেতারা গ্রেপ্তার হন, আর আন্দোলন সারা দেশে ছড়িয়ে পড়ে।
এর ঠিক আগে, ১৯৪২ সালের মার্চে, ক্রিপস মিশন ব্যর্থ হয়েছিল। ভারতীয়দের পূর্ণ ক্ষমতা হস্তান্তরের কোনো প্রতিশ্রুতি না পেয়ে কংগ্রেস ব্রিটিশদের অবিলম্বে ভারত ছেড়ে যাওয়ার দাবি তোলে।
বিকল্পের বাকি বছরগুলোও গান্ধী বা ব্রিটিশ শাসনের অন্য ঘটনার বছর: ১৯১৭ সালে চম্পারণ সত্যাগ্রহ, ১৯২৭ সালে সাইমন কমিশন গঠন, ১৯৩৭ সালে প্রাদেশিক নির্বাচন। এগুলো চিনে রাখলে বিভ্রান্তি কমে।
মনে রাখুন: দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের মাঝখানে, ক্রিপস মিশনের পর: ১৯৪২।
১৫৪. 'সর্বদলীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম কমিটি' গঠিত হয় - (৪৫তম বিসিএস, ২০২৩)
- ক১৯৪৮ সালে
- খ১৯৫০ সালে
- গ১৯৫২ সালে
- ঘ১৯৫৪ সালে
সঠিক উত্তর: গ. ১৯৫২ সালে
প্রশ্নটা ভাষা আন্দোলনের একটি সংগঠনের গঠনকাল জানতে চেয়েছে। উত্তরমালায় সঠিক ধরা হয়েছে ১৯৫২ সাল।
১৯৫২ সালের জানুয়ারির শেষে প্রধানমন্ত্রী খাজা নাজিমুদ্দিন ঢাকায় আবার ঘোষণা দেন, উর্দুই হবে পাকিস্তানের একমাত্র রাষ্ট্রভাষা। এর প্রতিবাদে ৩১ জানুয়ারি মওলানা ভাসানীর সভাপতিত্বে সভা করে সব দলের প্রতিনিধি নিয়ে সর্বদলীয় কেন্দ্রীয় রাষ্ট্রভাষা কর্মপরিষদ গঠিত হয়, আহ্বায়ক কাজী গোলাম মাহবুব।
এই সর্বদলীয় পরিষদই ২১ ফেব্রুয়ারি সারা দেশে হরতাল ও বিক্ষোভের ডাক দেয়। সেদিন ১৪৪ ধারা ভেঙে মিছিল হলে পুলিশের গুলিতে রফিক, জব্বার, বরকতসহ অনেকে শহীদ হন।
সাবধান থাকুন: ১৯৪৮ সালেও রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ নতুন করে গঠিত হয়েছিল, আর ১৯৫০ সালে আবদুল মতিনকে আহ্বায়ক করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম কমিটি হয়। কিন্তু সব দলকে নিয়ে কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ, যার ডাকে একুশ এসেছে, সেটি ১৯৫২ সালের।
মনে রাখুন: সর্বদলীয় আর কেন্দ্রীয় শব্দ দুটি মানেই ১৯৫২, একুশের ঠিক আগে।
১৫৫. বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের অধিবেশন আহ্বান করেন কে? (৪৫তম বিসিএস, ২০২৩)
- করাষ্ট্রপতি
- খস্পীকার
- গচীফ হুইপ
- ঘপ্রধানমন্ত্রী
সঠিক উত্তর: ক. রাষ্ট্রপতি
প্রশ্নটা জানতে চেয়েছে জাতীয় সংসদের অধিবেশন কে আহ্বান করেন। উত্তর রাষ্ট্রপতি।
সংবিধানের ৭২ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি সংসদ আহ্বান, স্থগিত ও ভঙ্গ করেন। সংসদ নির্বাচনের ফল ঘোষণার ৩০ দিনের মধ্যে প্রথম অধিবেশন ডাকতে হয়, আর দুই অধিবেশনের মাঝে ৬০ দিনের বেশি বিরতি থাকতে পারে না।
তবে সংসদীয় পদ্ধতিতে রাষ্ট্রপতি এই কাজটি প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ অনুযায়ী করেন। তাই সিদ্ধান্তের পেছনে প্রধানমন্ত্রী থাকলেও আনুষ্ঠানিকভাবে অধিবেশন আহ্বান করেন রাষ্ট্রপতি।
স্পিকার অধিবেশন চলাকালে সভাপতিত্ব করেন বলে অনেকে তাঁকে বেছে নেন। কিন্তু অধিবেশন ডাকা আর অধিবেশন পরিচালনা করা আলাদা কাজ।
মনে রাখুন: ডাকেন রাষ্ট্রপতি, চালান স্পিকার।
১৫৬. ঐতিহাসিক 'ছয়-দফা' বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করেন - (৪৫তম বিসিএস, ২০২৩)
- ক৫ ফেব্রুয়ারি ১৯৬৬
- খ২৩ মার্চ ১৯৬৬
- গ২৬ মার্চ ১৯৬৬
- ঘ৩১ মার্চ ১৯৬৬
সঠিক উত্তর: খ. ২৩ মার্চ ১৯৬৬
প্রশ্নটা ছয় দফা আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণার তারিখ জানতে চেয়েছে। উত্তর ২৩ মার্চ ১৯৬৬।
১৯৬৬ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি লাহোরে বিরোধী দলগুলোর সম্মেলনের বিষয় নির্বাচনী কমিটিতে বঙ্গবন্ধু ছয় দফা উত্থাপন করেন। ২১ ফেব্রুয়ারি আওয়ামী লীগের ওয়ার্কিং কমিটি এটি অনুমোদন করে, আর ১৮ মার্চ দলের কাউন্সিলে আমাদের বাঁচার দাবি: ৬ দফা কর্মসূচি পুস্তিকা বিতরণ করা হয়। ২৩ মার্চ ইংরেজিতে সিক্স পয়েন্ট ফর্মুলা: আওয়ার রাইট টু লিভ নামে এটি প্রকাশিত হয়; এই দিনটিকেই আনুষ্ঠানিক ঘোষণার দিন ধরা হয়।
তাই এই প্রশ্নে দুটি তারিখ আলাদা করতে হবে: উত্থাপন ৫ ফেব্রুয়ারি, আনুষ্ঠানিক ঘোষণা ২৩ মার্চ। ছয় দফাকে বাঙালির মুক্তির সনদ বলা হয়।
এখানে বড় ফাঁদ ৫ ফেব্রুয়ারি, কারণ প্রশ্ন উত্থাপন নয়, আনুষ্ঠানিক ঘোষণার কথা জানতে চেয়েছে। আর ২৬ মার্চ তারিখটি স্বাধীনতা দিবসের সঙ্গে মিলিয়ে বিভ্রান্ত করে।
মনে রাখুন: উত্থাপন পাঁচ ফেব্রুয়ারি, ঘোষণা তেইশে মার্চ।
১৫৭. 'পূর্ব পাকিস্তান আওয়ামী মুসলিম লীগ' প্রতিষ্ঠাকালীন সাধারণ সম্পাদক - (৪৫তম বিসিএস, ২০২৩)
- কশেখ মুজিবুর রহমান
- খশামছুল হক
- গআতাউর রহমান খান
- ঘআবুল হাশিম
সঠিক উত্তর: খ. শামছুল হক
প্রশ্নটা পূর্ব পাকিস্তান আওয়ামী মুসলিম লীগের প্রতিষ্ঠাকালীন সাধারণ সম্পাদক জানতে চেয়েছে। উত্তর শামসুল হক।
১৯৪৯ সালের ২৩ জুন ঢাকার রোজ গার্ডেনে দলটি প্রতিষ্ঠিত হয়। সভাপতি হন মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী, সাধারণ সম্পাদক শামসুল হক। শেখ মুজিবুর রহমান তখন কারাগারে থাকলেও তাঁকে যুগ্ম সম্পাদক করা হয়।
শেখ মুজিব পরে ১৯৫৩ সালে দলের সাধারণ সম্পাদক হন। ১৯৫৫ সালে দলের নাম থেকে মুসলিম শব্দ বাদ দিয়ে অসাম্প্রদায়িক আওয়ামী লীগ করা হয়।
বঙ্গবন্ধুর নাম আওয়ামী লীগের সঙ্গে সবচেয়ে বেশি জড়িত বলে অনেকে তাঁকেই বেছে নেন। কিন্তু প্রতিষ্ঠার সময় তিনি ছিলেন যুগ্ম সম্পাদক, সাধারণ সম্পাদক নন।
মনে রাখুন: প্রতিষ্ঠাকালে ভাসানী সভাপতি, শামসুল হক সম্পাদক, মুজিব যুগ্ম।
১৫৮. 'প্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্রভাষা বাংলা' কথাটি সংবিধানের কোন্ অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে? (৪৫তম বিসিএস, ২০২৩)
- কঅনুচ্ছেদ : ২
- খঅনুচ্ছেদ : ৩
- গঅনুচ্ছেদ : ৪
- ঘঅনুচ্ছেদ : ৫
সঠিক উত্তর: খ. অনুচ্ছেদ : ৩
প্রশ্নটা সংবিধানের প্রথম ভাগ, অর্থাৎ প্রজাতন্ত্র অংশ থেকে। প্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্রভাষা বাংলা: এই কথাটি আছে অনুচ্ছেদ ৩ এ।
প্রথম ভাগের অনুচ্ছেদগুলো রাষ্ট্রের মৌলিক পরিচয় দেয়। অনুচ্ছেদ ১ এ প্রজাতন্ত্রের নাম ও প্রকৃতি, ২ এ রাষ্ট্রের সীমানা, ৩ এ রাষ্ট্রভাষা, ৪ এ জাতীয় সংগীত, পতাকা ও প্রতীক, আর ৫ এ রাজধানী।
ক্রমটা একটা যুক্তিতে মনে রাখা যায়: আগে দেশ কী, তারপর কোথায়, তারপর কোন ভাষায় কথা বলে, তারপর তার প্রতীক, শেষে রাজধানী।
জাতীয় সংগীত, পতাকা আর ভাষা সবই জাতীয় পরিচয়ের বিষয় বলে অনুচ্ছেদ ৪ বেছে নেওয়ার ঝুঁকি থাকে। কিন্তু ভাষার জন্য আলাদা অনুচ্ছেদ, ৩।
মনে রাখুন: এক দেশ, দুই সীমানা, তিন ভাষা, চার প্রতীক, পাঁচ রাজধানী।
১৫৯. ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণ সংবিধানের কোন্ তফসিলে আছে? (৪৫তম বিসিএস, ২০২৩)
- কচতুর্থ তফসিল
- খপঞ্চম তফসিল
- গষষ্ঠ তফসিল
- ঘসপ্তম তফসিল
সঠিক উত্তর: খ. পঞ্চম তফসিল
প্রশ্নটা সংবিধানের তফসিল নিয়ে। ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণ আছে পঞ্চম তফসিলে।
২০১১ সালের পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে সংবিধানে তিনটি নতুন তফসিল যোগ হয়। পঞ্চম তফসিলে ১৯৭১ সালের ৭ মার্চ রেসকোর্স ময়দানে দেওয়া বঙ্গবন্ধুর ভাষণ, ষষ্ঠ তফসিলে ২৬ মার্চের প্রথম প্রহরে বঙ্গবন্ধুর স্বাধীনতার ঘোষণা, আর সপ্তম তফসিলে ১০ এপ্রিল ১৯৭১ এর স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র।
ক্রমটা ঘটনার সময় অনুসারে সাজানো: আগে ভাষণ, তারপর ঘোষণা, তারপর মুজিবনগর সরকারের ঘোষণাপত্র। চতুর্থ তফসিলে আছে ক্রান্তিকালীন ও অস্থায়ী বিধানাবলি।
ষষ্ঠ আর সপ্তম তফসিল দুটিই স্বাধীনতার ঘোষণা নিয়ে, নামের মিল থেকে বিভ্রান্তি হয়। ঘটনার ক্রম মনে রাখলেই ভাষণের জায়গা পঞ্চম।
মনে রাখুন: ঘটনার ক্রমেই তফসিল: ভাষণ পাঁচ, ঘোষণা ছয়, ঘোষণাপত্র সাত।
১৬০. বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ী "কোর্ট অব্ রেকর্ড" হিসাবে গণ্য - (৪৫তম বিসিএস, ২০২৩)
- কলেবার কোর্ট
- খজজ কোর্ট
- গহাই কোর্ট
- ঘসুপ্রীম কোর্ট
সঠিক উত্তর: ঘ. সুপ্রীম কোর্ট
প্রশ্নটা জানতে চেয়েছে সংবিধান অনুযায়ী কোন আদালত কোর্ট অব রেকর্ড। উত্তর সুপ্রিম কোর্ট।
সংবিধানের ১০৮ অনুচ্ছেদ বলে, সুপ্রিম কোর্ট একটি কোর্ট অব রেকর্ড হবে এবং আদালত অবমাননার জন্য তদন্ত ও শাস্তির আদেশ দেওয়ার ক্ষমতাসহ এ ধরনের আদালতের সব ক্ষমতা তার থাকবে।
কোর্ট অব রেকর্ড মানে এমন আদালত, যার রায় ও কার্যধারা স্থায়ী নথি হিসেবে সংরক্ষিত হয় এবং পরবর্তী মামলায় প্রমাণ হিসেবে গণ্য হয়; নিজের অবমাননার শাস্তি দেওয়ার ক্ষমতাও তার থাকে। আলাদাভাবে ১১১ অনুচ্ছেদ বলে, সুপ্রিম কোর্টের ঘোষিত আইন অধস্তন সব আদালতের জন্য বাধ্যতামূলক।
হাইকোর্ট বিভাগ আলাদা আদালত নয়, এটি সুপ্রিম কোর্টের একটি বিভাগ। তাই সংবিধান মর্যাদাটি দিয়েছে পুরো সুপ্রিম কোর্টকে; হাইকোর্ট বিকল্পটি এখানে ফাঁদ।
মনে রাখুন: সংবিধানে কোর্ট অব রেকর্ড একটাই: সুপ্রিম কোর্ট, অনুচ্ছেদ ১০৮।