বাংলাদেশ বিষয়াবলি · পাতা ৬
১০১. মাতৃপ্রধান পরিবার ব্যবস্থার প্রচলন কোন জাতীসত্ত্বায় রয়েছে? (৪৬তম বিসিএস, ২০২৪)
- কগারো
- খসাওতাল
- গমনিপুরি
- ঘচাকমা
সঠিক উত্তর: ক. গারো
প্রশ্নটা মাতৃসূত্রীয় পরিবারব্যবস্থার জাতিসত্তা চিনতে চেয়েছে। বাংলাদেশে গারো সমাজ এর সবচেয়ে পরিচিত উদাহরণ; খাসিয়ারাও মাতৃসূত্রীয়। প্রশ্নে ছাপা জাতীসত্ত্বা বানানটির প্রমিত রূপ জাতিসত্তা।
গারো পরিবারে সন্তান মায়ের গোত্রের পরিচয় পায়, আর সম্পত্তির উত্তরাধিকার যায় মেয়ের দিকে; সাধারণত পরিবারের একজন কন্যা প্রধান উত্তরাধিকারী হন। বিয়ের পর স্বামী সাধারণত স্ত্রীর বাড়িতে এসে থাকেন।
বাংলাদেশে গারোদের প্রধান বসতি ময়মনসিংহ, নেত্রকোনা, শেরপুর ও টাঙ্গাইলের মধুপুর অঞ্চলে। গারোরা নিজেদের মান্দি বা আচিক বলে পরিচয় দেন।
বিকল্পের অন্য জাতিসত্তাগুলো পিতৃসূত্রীয়। সাঁওতাল, মণিপুরী ও চাকমা পরিবারে বংশপরিচয় ও সম্পত্তি বাবার দিক থেকে আসে, তাই এগুলো ভুল।
মনে রাখুন: মাতৃসূত্রীয় জাতিসত্তা দুটি মনে রাখুন: গারো আর খাসিয়া; বিকল্পের বাকিরা পিতৃসূত্রীয়।
১০২. অ্যাটর্নি জেনারেল রাষ্ট্রের কোন অংশের কর্মকর্তা? (৪৬তম বিসিএস, ২০২৪)
- কপ্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়
- খবিচার বিভাগ
- গনির্বাহী বিভাগ
- ঘমন্ত্রীপরিষদ বিভাগ
সঠিক উত্তর: গ. নির্বাহী বিভাগ
প্রশ্নটা অ্যাটর্নি জেনারেল রাষ্ট্রের কোন বিভাগের পদ, তা জানতে চেয়েছে। সংবিধানের চতুর্থ ভাগ, অর্থাৎ নির্বাহী বিভাগের অংশে, অনুচ্ছেদ ৬৪ এ অ্যাটর্নি জেনারেলের পদ রাখা হয়েছে; তাই তিনি নির্বাহী বিভাগের কর্মকর্তা।
রাষ্ট্রপতি সুপ্রিম কোর্টের বিচারক হওয়ার যোগ্য একজন ব্যক্তিকে অ্যাটর্নি জেনারেল নিয়োগ দেন। তিনি রাষ্ট্রের প্রধান আইন কর্মকর্তা; আদালতে সরকারের পক্ষে মামলা পরিচালনা করেন এবং সরকারকে আইনি পরামর্শ দেন।
দায়িত্ব পালনের জন্য বাংলাদেশের সব আদালতে বক্তব্য পেশের অধিকার তাঁর আছে। তবু তিনি বিচারক নন, রাষ্ট্রের আইনজীবী।
ফাঁদ হলো বিচার বিভাগ, কারণ তিনি আদালতে কাজ করেন। কিন্তু সংবিধানে পদটি বিচার বিভাগের ষষ্ঠ ভাগে নয়, নির্বাহী বিভাগের চতুর্থ ভাগে।
মনে রাখুন: নির্বাহী বিভাগের ভাগ শেষ হয় অনুচ্ছেদ ৬৪ এ, অ্যাটর্নি জেনারেল দিয়ে; ৬৫ থেকে শুরু সংসদ।
১০৩. বাংলাদেশের সংবিধান প্রণয়ন কমিটির একমাত্র নারী সদস্য কে ছিলেন? (৪৬তম বিসিএস, ২০২৪)
- কসাজেদা চৌধুরী
- খনুরজাহান মোর্শেদ
- গরাফিয়া আক্তার ডলি
- ঘরাজিয়া বানু
সঠিক উত্তর: ঘ. রাজিয়া বানু
প্রশ্নটা বাংলাদেশের সংবিধান প্রণয়নের ইতিহাস যাচাই করছে। ১৯৭২ সালের ১১ এপ্রিল গণপরিষদ ড. কামাল হোসেনের নেতৃত্বে ৩৪ সদস্যের সংবিধান প্রণয়ন কমিটি গঠন করে।
এই ৩৪ জনের মধ্যে একমাত্র নারী সদস্য ছিলেন বেগম রাজিয়া বানু। কমিটির খসড়া গণপরিষদে ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর গৃহীত হয় এবং ১৬ ডিসেম্বর থেকে কার্যকর হয়।
এই প্রশ্নের সঙ্গে প্রায়ই আসে কমিটির সভাপতি কে, সদস্য কতজন, আর সংবিধান কবে গৃহীত ও কার্যকর হয়; তাই পুরো তথ্যগুচ্ছ একসাথে মনে রাখুন।
ফাঁদ হলো বাকি পরিচিত নারী রাজনীতিকদের নাম। তাঁরা পরিচিত নারী রাজনীতিক, কিন্তু সংবিধান প্রণয়ন কমিটির সদস্য ছিলেন না।
১০৪. কোন ক্ষেত্রে অবদানের জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২০১৬ সালে প্ল্যানেট ৫০-৫০ চ্যাম্পিয়ন পদক পান? (৪৬তম বিসিএস, ২০২৪)
- কমানবাধিকার
- খনারীর ক্ষমতায়ন
- গশিশু মৃত্যুহার হ্রাস
- ঘমাতৃ মৃত্যুহার হ্রাস
সঠিক উত্তর: খ. নারীর ক্ষমতায়ন
প্রশ্নটা জানতে চেয়েছে ২০১৬ সালের প্ল্যানেট ফিফটি ফিফটি চ্যাম্পিয়ন সম্মাননা কোন ক্ষেত্রে অবদানের জন্য দেওয়া হয়। উত্তর নারীর ক্ষমতায়ন; জাতিসংঘের নারী বিষয়ক সংস্থা ইউএন উইমেন এই সম্মাননা দেয়।
নামের ফিফটি ফিফটি অংশই সূত্র: এর অর্থ নারী পুরুষের সমান অংশীদারত্ব। ইউএন উইমেনের এই উদ্যোগের লক্ষ্য ২০৩০ সালের মধ্যে লিঙ্গসমতা, আর এ লক্ষ্যে কাজ করা নেতাদের এই সম্মাননা দেওয়া হয়।
২০১৬ সালের সেপ্টেম্বরে নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দপ্তরে এক অনুষ্ঠানে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে এটি দেওয়া হয়। একই অনুষ্ঠানে গ্লোবাল পার্টনারশিপ ফোরাম তাঁকে এজেন্ট অব চেঞ্জ পুরস্কারও দেয়, সেটিও নারীর ক্ষমতায়নে অবদানের জন্য।
বাকি বিকল্পগুলো অন্য পুরস্কারের সাথে গুলিয়ে যায়। যেমন শিশুমৃত্যু হ্রাসে সাফল্যের জন্য ২০১০ সালে বাংলাদেশ এমডিজি পুরস্কার পেয়েছিল; প্ল্যানেট ফিফটি ফিফটি সেই ধরনের স্বাস্থ্যবিষয়ক পুরস্কার নয়।
মনে রাখুন: ফিফটি ফিফটি মানে নারী পুরুষ অর্ধেক অর্ধেক, তাই উত্তর নারীর ক্ষমতায়ন।
১০৫. বাংলাদেশের ২য় প্রেক্ষিত পরিকল্পনার মেয়াদ কবে শেষ হবে? (৪৬তম বিসিএস, ২০২৪)
- ক২০৩১
- খ২০৩৫
- গ২০৪১
- ঘ২০৪৫
সঠিক উত্তর: গ. ২০৪১
প্রশ্নটা দ্বিতীয় প্রেক্ষিত পরিকল্পনার শেষ বছর জানতে চেয়েছে। এর মেয়াদ ২০২১ থেকে ২০৪১ সাল, তাই উত্তর ২০৪১।
প্রেক্ষিত পরিকল্পনা হলো প্রায় বিশ বছরের দীর্ঘমেয়াদি রূপরেখা, আর এর লক্ষ্য বাস্তবায়িত হয় পাঁচ বছর মেয়াদি পরিকল্পনাগুলোর মাধ্যমে। প্রথম প্রেক্ষিত পরিকল্পনা ছিল ২০১০ থেকে ২০২১, যা বাস্তবায়িত হয় ষষ্ঠ ও সপ্তম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার মাধ্যমে।
দ্বিতীয় প্রেক্ষিত পরিকল্পনার মূল লক্ষ্য ২০৪১ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে উচ্চ আয়ের দেশে পরিণত করা। এর প্রথম ধাপ অষ্টম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা, জুলাই ২০২০ থেকে জুন ২০২৫।
ফাঁদ হলো ২০৩১, কারণ ওই বছরে উচ্চ মধ্যম আয়ের দেশ হওয়ার অন্তর্বর্তী লক্ষ্য ধরা হয়েছে। আরেকটি দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা ডেল্টা প্ল্যানের শেষ বছর ২১০০, তাই এটিকেও অনেকে গুলিয়ে ফেলেন।
মনে রাখুন: প্রেক্ষিত পরিকল্পনা মোটামুটি বিশ বছরের: ২০২১ এর সাথে ২০ যোগ করলে ২০৪১।
১০৬. ২০২২-২৩ অর্থবছরে বাংলাদেশ কোন দেশ থেকে পণ্য রপ্তানি বাবদ সবচেয়ে বেশি আয় করেছে? (৪৬তম বিসিএস, ২০২৪)
- কযুক্তরাষ্ট্র
- খযুক্তরাজ্য
- গজার্মানী
- ঘস্পেন
সঠিক উত্তর: ক. যুক্তরাষ্ট্র
প্রশ্নটা ২০২২ ২৩ অর্থবছরে বাংলাদেশের একক বৃহত্তম রপ্তানি বাজার জানতে চেয়েছে। উত্তর যুক্তরাষ্ট্র; দীর্ঘদিন ধরেই এটি বাংলাদেশি পণ্যের সবচেয়ে বড় একক দেশভিত্তিক গন্তব্য।
রপ্তানির সিংহভাগ তৈরি পোশাক, তাই পোশাকের বাজারই এই ক্রম ঠিক করে। ওই অর্থবছরে শুধু তৈরি পোশাকই যুক্তরাষ্ট্রে গেছে প্রায় সাড়ে আট বিলিয়ন ডলারের, জার্মানিতে প্রায় ছয় দশমিক সাত বিলিয়ন, যুক্তরাজ্যে প্রায় পাঁচ দশমিক তিন এবং স্পেনে প্রায় তিন দশমিক আট বিলিয়ন ডলারের।
একটি সূক্ষ্ম বিষয় মনে রাখুন: অঞ্চল হিসেবে ইউরোপীয় ইউনিয়ন মিলিতভাবে সবচেয়ে বড় বাজার, কিন্তু একক দেশ হিসেবে যুক্তরাষ্ট্র শীর্ষে, তারপর জার্মানি।
প্রশ্নে কোন দেশ থেকে আয় বলতে বোঝানো হয়েছে কোন দেশে রপ্তানি করে আয়। জার্মানি দ্বিতীয় হওয়ায় এটিই প্রধান ফাঁদ।
মনে রাখুন: একক দেশ হিসেবে যুক্তরাষ্ট্র, তারপর জার্মানি; অঞ্চল হিসেবে ইউরোপীয় ইউনিয়ন।
১০৭. 'মুজিব: একটি জাতির রূপকার' চলচ্চিত্রের পরিচালক কে? (৪৬তম বিসিএস, ২০২৪)
- কগুরু দত্ত
- খশিবু সিরিল
- গশ্যাম বেনেগাল
- ঘবিশাল ভরদ্বাজ
সঠিক উত্তর: গ. শ্যাম বেনেগাল
প্রশ্নটা মুজিব একটি জাতির রূপকার চলচ্চিত্রের পরিচালক জানতে চেয়েছে। উত্তর ভারতের খ্যাতিমান চলচ্চিত্রকার শ্যাম বেনেগাল।
এটি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জীবনভিত্তিক চলচ্চিত্র, বাংলাদেশ ও ভারতের সরকারি যৌথ প্রযোজনায় তৈরি। বাংলাদেশে মুক্তি পায় ২০২৩ সালের অক্টোবরে, আর নাম ভূমিকায় অভিনয় করেন আরিফিন শুভ।
শ্যাম বেনেগাল ভারতের সমান্তরাল ধারার চলচ্চিত্রের অন্যতম পথিকৃৎ; অঙ্কুর, নিশান্ত ও মন্থন তাঁর বিখ্যাত ছবি। ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে তিনি মারা যান।
অন্য পরিচালকদের সাথে এই ছবির সম্পর্ক নেই। গুরু দত্ত পিয়াসা ও কাগজ কে ফুলের নির্মাতা, মারা যান ১৯৬৪ সালে; বিশাল ভরদ্বাজ মকবুল, ওমকারা ও হায়দারের মতো শেক্সপিয়ারভিত্তিক ছবির জন্য পরিচিত।
মনে রাখুন: বঙ্গবন্ধুর বায়োপিক মানে পরিচালক শ্যাম বেনেগাল আর নাম ভূমিকায় আরিফিন শুভ।
১০৮. বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে ১৯৭৪ সালের কোন মাসে বাংলায় বক্তৃতা দেন? (৪৬তম বিসিএস, ২০২৪)
- কসেপ্টেম্বর
- খঅক্টোবর
- গনভেম্বর
- ঘডিসেম্বর
সঠিক উত্তর: ক. সেপ্টেম্বর
প্রশ্নটা জাতিসংঘে বঙ্গবন্ধুর বাংলায় ভাষণের মাস জানতে চেয়েছে। তিনি ১৯৭৪ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ঊনত্রিশতম অধিবেশনে বাংলায় ভাষণ দেন।
এর এক সপ্তাহ আগে, ১৭ সেপ্টেম্বর ১৯৭৪, বাংলাদেশ জাতিসংঘের ১৩৬তম সদস্য হয়। এর আগে ১৯৭২ সালে চীনের ভেটোর কারণে সদস্যপদ আটকে ছিল।
এটি ছিল জাতিসংঘের মঞ্চে বাংলায় দেওয়া প্রথম ভাষণ। এতে তিনি শান্তি, ন্যায়বিচার এবং ক্ষুধা ও দারিদ্র্যের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক সহযোগিতার কথা বলেন।
ফাঁদ হলো অক্টোবর বা ডিসেম্বর। সদস্যপদ আর ভাষণ দুটোই একই মাসে, সেপ্টেম্বরে; সতেরো আর পঁচিশ, এই দুই তারিখ জোড়া মনে রাখুন।
মনে রাখুন: সদস্যপদ ১৭ সেপ্টেম্বর, ভাষণ ২৫ সেপ্টেম্বর: দুটোই ১৯৭৪ সালের সেপ্টেম্বরে।
১০৯. The Foreshadowing of Bangladesh গবেষণা গ্রন্থটির লেখক কে? (৪৬তম বিসিএস, ২০২৪)
- করেহমান সোবহান
- খআনিসুর রহমান
- গনুরুল ইসলাম
- ঘহারুন-অর-রশিদ
সঠিক উত্তর: ঘ. হারুন-অর-রশিদ
প্রশ্নটা দ্য ফোরশ্যাডোয়িং অব বাংলাদেশ গ্রন্থের লেখক জানতে চেয়েছে। উত্তর রাষ্ট্রবিজ্ঞানী অধ্যাপক হারুন অর রশিদ।
গ্রন্থটির বিষয় বঙ্গীয় মুসলিম লীগ ও বাংলার মুসলিম রাজনীতি। ফোরশ্যাডোয়িং মানে পূর্বাভাস; লেখক দেখিয়েছেন, ব্রিটিশ আমলের বাংলার মুসলিম রাজনীতির ভেতরেই পরবর্তী বাংলাদেশের পূর্বাভাস ছিল। বইটি ১৯৮৭ সালে বাংলাদেশ এশিয়াটিক সোসাইটি থেকে প্রকাশিত হয়।
হারুন অর রশিদ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞানের অধ্যাপক এবং পরে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ছিলেন।
অন্য তিনজন খ্যাতিমান অর্থনীতিবিদ, আর তাঁদের পরিচিত বইগুলো ভিন্ন বিষয়ের। যেমন রেহমান সোবহানের আত্মজীবনী আনট্র্যাঙ্কুইল রিকালেকশনস এবং নুরুল ইসলামের মেকিং অব আ নেশন; নামগুলো পরিচিত বলেই বিভ্রান্তি হয়।
মনে রাখুন: ফোরশ্যাডোয়িং মানে পূর্বাভাস: সাতচল্লিশের আগের মুসলিম লীগ রাজনীতিতে বাংলাদেশের পূর্বাভাস, লিখেছেন রাষ্ট্রবিজ্ঞানী হারুন অর রশিদ।
১১০. বাংলাদেশের প্রথম রাষ্ট্রপতি কে? (৪৬তম বিসিএস, ২০২৪)
- কবঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান
- খসৈয়দ নজরুল ইসলাম
- গতাজউদ্দীন আহমেদ
- ঘবিচারপতি আবু সাঈদ চৌধুরী
সঠিক উত্তর: ক. বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান
প্রশ্নটা বাংলাদেশের প্রথম রাষ্ট্রপতির নাম জানতে চেয়েছে। ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিলের স্বাধীনতার ঘোষণাপত্রে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে রাষ্ট্রপতি ঘোষণা করা হয়; তাই তিনিই প্রথম রাষ্ট্রপতি।
মুক্তিযুদ্ধের সময় বঙ্গবন্ধু পাকিস্তানে বন্দি ছিলেন। তাই একই ঘোষণাপত্র অনুযায়ী উপরাষ্ট্রপতি সৈয়দ নজরুল ইসলাম অস্থায়ী রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করেন, আর প্রধানমন্ত্রী হন তাজউদ্দীন আহমদ।
১৯৭২ সালের ১০ জানুয়ারি দেশে ফিরে বঙ্গবন্ধু ১২ জানুয়ারি প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব নেন, আর বিচারপতি আবু সাঈদ চৌধুরী হন রাষ্ট্রপতি। তাই আবু সাঈদ চৌধুরীকে দ্বিতীয় রাষ্ট্রপতি ধরা হয়।
ফাঁদ হলো সৈয়দ নজরুল ইসলাম ও আবু সাঈদ চৌধুরী। প্রথমজন ছিলেন অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি, আর দ্বিতীয়জন স্বাধীন দেশে রাষ্ট্রপতি হলেও তালিকায় দ্বিতীয়।
মনে রাখুন: প্রথম রাষ্ট্রপতি বঙ্গবন্ধু, প্রথম অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি সৈয়দ নজরুল ইসলাম, প্রথম প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দীন আহমদ।
১১১. দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোটার উপস্থিতির হার কত শতাংশ ছিল? (৪৬তম বিসিএস, ২০২৪)
- ক৪০.৮
- খ৪০.৯
- গ৪১.৬
- ঘ৪১.৮
সঠিক উত্তর: ঘ. ৪১.৮
প্রশ্নটা দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোটার উপস্থিতির হার জানতে চেয়েছে। ২০২৪ সালের ৭ জানুয়ারির এই নির্বাচনে নির্বাচন কমিশন চূড়ান্তভাবে ভোট পড়ার হার ঘোষণা করে ৪১ দশমিক ৮ শতাংশ।
ভোটের দিন সন্ধ্যায় প্রধান নির্বাচন কমিশনার প্রথমে প্রায় ৪০ শতাংশের কথা বলেন; পরে সব কেন্দ্রের হিসাব মিলিয়ে সংখ্যাটি দাঁড়ায় ৪১ দশমিক ৮।
এই নির্বাচনে প্রধান বিরোধী দল বিএনপি অংশ নেয়নি, যা কম উপস্থিতির বড় কারণ হিসেবে আলোচিত হয়।
বিকল্পগুলো খুব কাছাকাছি, তাই প্রাথমিক চল্লিশ শতাংশের ধারণা থেকে চল্লিশের ঘরের সংখ্যা বেছে নেওয়াই ফাঁদ। চূড়ান্ত সংখ্যা একচল্লিশ দশমিক আট।
মনে রাখুন: চূড়ান্ত সংখ্যা মনে রাখুন ৪১.৮; ভোটের দিনের প্রাথমিক ৪০ শতাংশের সাথে গুলিয়ে ফেলবেন না।
১১২. বাংলাদেশ সংবিধানের কত নম্বর অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি প্রধান বিচারপতি নিয়োগ দেন? (৪৬তম বিসিএস, ২০২৪)
- ক৯৫
- খ৯৬
- গ৯৭
- ঘ৯৮
সঠিক উত্তর: ক. ৯৫
প্রশ্নটা প্রধান বিচারপতি নিয়োগের সাংবিধানিক অনুচ্ছেদ জানতে চেয়েছে। উত্তর অনুচ্ছেদ ৯৫: রাষ্ট্রপতি প্রধান বিচারপতিকে নিয়োগ দেন, আর প্রধান বিচারপতির সাথে পরামর্শ করে অন্য বিচারকদের নিয়োগ দেন।
এই অনুচ্ছেদে বিচারক হওয়ার যোগ্যতাও আছে: বাংলাদেশের নাগরিক হতে হবে, এবং সুপ্রিম কোর্টে অন্তত দশ বছর অ্যাডভোকেট হিসেবে কাজ বা বাংলাদেশে অন্তত দশ বছর বিচার বিভাগীয় পদে থাকার অভিজ্ঞতা লাগবে।
পাশের অনুচ্ছেদগুলোও পরীক্ষায় আসে। অনুচ্ছেদ ৯৬ বিচারকদের পদের মেয়াদ, যেখানে অবসরের বয়স সাতষট্টি বছর; ৯৭ অস্থায়ী প্রধান বিচারপতি; আর ৯৮ অতিরিক্ত বিচারক নিয়োগ।
মনে রাখার উপায়: বিচার বিভাগের ভাগ শুরু হয় অনুচ্ছেদ ৯৪ এ সুপ্রিম কোর্ট প্রতিষ্ঠা দিয়ে, তার পরেই ৯৫ এ বিচারক নিয়োগ। আগে আদালত, তারপর নিয়োগ।
মনে রাখুন: চুরানব্বইয়ে আদালত, পঁচানব্বইয়ে নিয়োগ, ছিয়ানব্বইয়ে মেয়াদ ও অবসর।
১১৩. ১৯৫৪ সালের নির্বাচনে যুক্তফ্রন্ট কতটি আসনে জয়লাভ করেছিল? (৪৬তম বিসিএস, ২০২৪)
- ক২১৯
- খ২২১
- গ২২৩
- ঘ২২৫
সঠিক উত্তর: গ. ২২৩
প্রশ্নটা ১৯৫৪ সালের পূর্ববঙ্গ প্রাদেশিক পরিষদ নির্বাচনে যুক্তফ্রন্টের আসনসংখ্যা জানতে চেয়েছে। মোট ৩০৯ আসনের এই নির্বাচনে যুক্তফ্রন্ট পায় ২২৩টি আসন।
নির্বাচন হয় ১৯৫৪ সালের ৮ থেকে ১২ মার্চ। ১৯৫৩ সালের ৪ ডিসেম্বর আওয়ামী মুসলিম লীগ ও কৃষক শ্রমিক পার্টির ঐক্যের মধ্য দিয়ে যুক্তফ্রন্ট গঠিত হয়, পরে যোগ দেয় নেজামে ইসলাম ও গণতন্ত্রী দল; নির্বাচনী ইশতেহার ছিল একুশ দফা।
দলভিত্তিক হিসাবে আওয়ামী মুসলিম লীগ পায় ১৪৩, কৃষক শ্রমিক পার্টি ৪৮, নেজামে ইসলাম ১৯ এবং গণতন্ত্রী দল ১৩টি আসন, যোগফল ২২৩। ক্ষমতাসীন মুসলিম লীগ পায় মাত্র ৯টি আসন।
বিকল্পের সংখ্যাগুলো খুব কাছাকাছি, তাই দলভিত্তিক যোগফল মনে রাখলে উত্তর নিশ্চিত হয়।
মনে রাখুন: চার দলের আসন যোগ করুন: ১৪৩ যোগ ৪৮ যোগ ১৯ যোগ ১৩ সমান ২২৩।
১১৪. বাংলাদেশ সর্বাধিক জনশক্তি রপ্তানি করে কোন দেশে? (৪৬তম বিসিএস, ২০২৪)
- কসংযুক্ত আরব আমিরাত
- খসৌদিআরব
- গকুয়েত
- ঘমালয়েশিয়া
সঠিক উত্তর: খ. সৌদিআরব
প্রশ্নটা কোন দেশে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি কর্মী পাঠায়, তা জানতে চেয়েছে। জনশক্তি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরোর হিসাবে বহু বছর ধরে শীর্ষ গন্তব্য সৌদি আরব; পরীক্ষার সময়ও তাই ছিল।
সৌদি আরবে নির্মাণ, পরিচ্ছন্নতা, কৃষি, গৃহকর্ম ও সেবা খাতে বিপুল শ্রমিকের চাহিদা আছে। ১৯৭৬ সাল থেকে বিদেশে যাওয়া মোট বাংলাদেশি কর্মীর সবচেয়ে বড় অংশও গেছে সৌদি আরবে।
অন্য বড় গন্তব্য মালয়েশিয়া, ওমান, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও কাতার, তবে সংখ্যায় এরা সৌদি আরবের পেছনে।
ফাঁদ হলো সংযুক্ত আরব আমিরাত, কারণ একসময় সেখানে প্রচুর কর্মী যেত এবং রেমিট্যান্সেও এটি শীর্ষ উৎসগুলোর একটি। কিন্তু কর্মী পাঠানোর সংখ্যায় শীর্ষে সৌদি আরব।
মনে রাখুন: কর্মী পাঠানোর যেকোনো শীর্ষ প্রশ্নে, পুরুষ হোক বা নারী, আগে সৌদি আরব ভাবুন।
১১৫. কতজন নারী ২০২৩ সালে বেগম রোকেয়া পদক পেয়েছেন? (৪৬তম বিসিএস, ২০২৪)
- ক৩
- খ৪
- গ৫
- ঘ৬
সঠিক উত্তর: গ. ৫
প্রশ্নটা ২০২৩ সালে বেগম রোকেয়া পদকপ্রাপ্ত নারীর সংখ্যা জানতে চেয়েছে। ওই বছর পাঁচজন বিশিষ্ট নারীকে এই পদক দেওয়া হয়।
পদকটি নারী জাগরণের অগ্রদূত বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেনের নামে, সরকার ১৯৯৫ সাল থেকে এটি দিচ্ছে। প্রতিবছর ৯ ডিসেম্বর রোকেয়া দিবসে নারী শিক্ষা, নারী অধিকার, নারী জাগরণ ও পল্লি উন্নয়নের মতো ক্ষেত্রে অবদানের জন্য পদক দেওয়া হয়।
২০২৩ সালের পাঁচ পদকপ্রাপ্ত ছিলেন নারী শিক্ষায় খালেদা একরাম, মরণোত্তর; নারীর আর্থসামাজিক উন্নয়নে কামরুন্নেসা আশরাফ দিনা, মরণোত্তর; নারী অধিকারে ডা. হালিদা হানুম আক্তার; নারী জাগরণে পর্বতারোহী নিশাত মজুমদার এবং পল্লি উন্নয়নে রণিতা বালা।
পদকপ্রাপ্তের সংখ্যা প্রতিবছর এক নয়, তাই এটি বছরভিত্তিক তথ্য হিসেবে মনে রাখতে হয়। ক্ষেত্রগুলো গুনলেই এই বছরের সংখ্যা মিলে যায়।
মনে রাখুন: ২০২৩ সালের ক্ষেত্রগুলো গুনুন: শিক্ষা, আর্থসামাজিক উন্নয়ন, অধিকার, জাগরণ, পল্লি উন্নয়ন; পাঁচ ক্ষেত্রে পাঁচজন।
১১৬. বাংলাদেশ প্রথম ওয়ানডে এবং টেস্ট সিরিজ জয় করে কোন দেশের বিপক্ষে? (৪৬তম বিসিএস, ২০২৪)
- কপাকিস্তান
- খদক্ষিণ আফ্রিকা
- গভারত
- ঘজিম্বাবুয়ে
সঠিক উত্তর: ঘ. জিম্বাবুয়ে
প্রশ্নটা জানতে চেয়েছে বাংলাদেশ প্রথম টেস্ট সিরিজ ও প্রথম ওয়ানডে সিরিজ কোন দেশের বিপক্ষে জেতে। দুটোই জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে, ২০০৫ সালের জানুয়ারিতে দেশের মাটিতে।
জানুয়ারির শুরুতে চট্টগ্রামে প্রথম টেস্টে জিতে বাংলাদেশ পায় টেস্ট ইতিহাসের প্রথম জয়। ঢাকার দ্বিতীয় টেস্ট ড্র হওয়ায় দুই ম্যাচের সিরিজ জেতে এক শূন্য ব্যবধানে।
এরপর পাঁচ ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজে বাংলাদেশ জেতে তিন দুই ব্যবধানে, যা ছিল প্রথম ওয়ানডে সিরিজ জয়। একই সফরে দুই ফরম্যাটেই প্রথম সিরিজ জয় আসে।
বাংলাদেশ টেস্ট মর্যাদা পায় ২০০০ সালে এবং প্রথম টেস্ট খেলে ভারতের বিপক্ষে। এই তথ্য থেকেই ভারত বিকল্পটি ফাঁদ হয়ে দাঁড়ায়।
মনে রাখুন: প্রথম টেস্ট জয়, প্রথম টেস্ট সিরিজ, প্রথম ওয়ানডে সিরিজ: তিন প্রশ্নের এক উত্তর, জিম্বাবুয়ে, ২০০৫।
১১৭. বাংলাদেশ ভারত স্থল সীমান্ত সম্পর্কিত প্রটোকলটি কত সালে স্বাক্ষরিত হয়? (৪৬তম বিসিএস, ২০২৪)
- ক১৯৭৪
- খ২০১১
- গ২০১৩
- ঘ২০১৫
সঠিক উত্তর: খ. ২০১১
প্রশ্নটা বাংলাদেশ ভারত স্থল সীমান্ত চুক্তির প্রটোকল স্বাক্ষরের সাল জানতে চেয়েছে। উত্তর ২০১১; ওই বছরের ৬ সেপ্টেম্বর ভারতের প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিংয়ের ঢাকা সফরে প্রটোকলটি স্বাক্ষরিত হয়।
মূল চুক্তি হয়েছিল ১৯৭৪ সালের ১৬ মে, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও ইন্দিরা গান্ধীর মধ্যে, যা মুজিব ইন্দিরা চুক্তি নামে পরিচিত। বাংলাদেশ তা দ্রুত অনুমোদন করলেও ভারত দীর্ঘদিন অনুসমর্থন করেনি, ফলে ছিটমহল ও অপদখলীয় ভূমির সমস্যা ঝুলে থাকে।
২০১১ সালের প্রটোকল ছিটমহল বিনিময়, অপদখলীয় জমি এবং প্রায় ছয় কিলোমিটার অচিহ্নিত সীমান্তের মতো অমীমাংসিত বিষয় নিষ্পত্তির পথ ঠিক করে। ২০১৫ সালে ভারতের সংসদ সংবিধান সংশোধন করে চুক্তি ও প্রটোকল অনুমোদন করে, আর ৩১ জুলাই ২০১৫ মধ্যরাতে ছিটমহল বিনিময় কার্যকর হয়।
ফাঁদ দুটি: ১৯৭৪ মূল চুক্তির বছর, আর ২০১৫ বাস্তবায়নের বছর। প্রটোকল এই দুইয়ের মাঝখানে, ২০১১ সালে।
মনে রাখুন: চুক্তি চুয়াত্তরে, প্রটোকল এগারোয়, বাস্তবায়ন পনেরোয়।
১১৮. বাংলাদেশ কত সালে আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার সদস্যপদ লাভ করে? (৪৬তম বিসিএস, ২০২৪)
- ক১৯৭২
- খ১৯৭৩
- গ১৯৭৪
- ঘ১৯৭৫
সঠিক উত্তর: ক. ১৯৭২
প্রশ্নটা বাংলাদেশ কবে আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা বা আইএলওর সদস্য হয়, তা জানতে চেয়েছে। উত্তর ১৯৭২; সঠিক তারিখ ২২ জুন ১৯৭২।
আইএলও প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯১৯ সালে, সদর দপ্তর সুইজারল্যান্ডের জেনেভায়; এখন এটি জাতিসংঘের একটি বিশেষায়িত সংস্থা। এর বিশেষত্ব ত্রিপক্ষীয় কাঠামো: সরকার, মালিক ও শ্রমিক, তিন পক্ষের প্রতিনিধি একসাথে সিদ্ধান্ত নেয়।
অন্য সংস্থার সদস্যপদের সাল মিলিয়ে মনে রাখা যায়: কমনওয়েলথ ১৯৭২ সালের এপ্রিলে, ওআইসি ১৯৭৪ সালের ফেব্রুয়ারিতে, জাতিসংঘ ১৯৭৪ সালের সেপ্টেম্বরে।
ফাঁদ হলো ১৯৭৪, কারণ জাতিসংঘের সদস্যপদ সে বছর। কিন্তু আইএলও জাতিসংঘের চেয়েও পুরোনো সংস্থা, আর বাংলাদেশ তাতে যোগ দেয় জাতিসংঘে ঢোকার দুই বছর আগেই।
মনে রাখুন: স্বাধীনতার প্রথম বছরেই কমনওয়েলথ ও আইএলও; চুয়াত্তরে ওআইসি ও জাতিসংঘ।
১১৯. বাংলাদেশের অভিবাসী নারী শ্রমিকদের সর্বাধিক গন্তব্যস্থল – (৪৬তম বিসিএস, ২০২৪)
- কসৌদি আরব
- খকুয়েত
- গওমান
- ঘজর্দান
সঠিক উত্তর: ক. সৌদি আরব
প্রশ্নটা বাংলাদেশি নারী অভিবাসী কর্মীদের প্রধান গন্তব্য জানতে চেয়েছে। জনশক্তি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরোর হিসাবে পরীক্ষার সময় নারী কর্মীরা সবচেয়ে বেশি যেতেন সৌদি আরবে।
২০১৫ সালে বাংলাদেশ ও সৌদি আরবের মধ্যে গৃহকর্মী পাঠানোর চুক্তির পর থেকে সেখানে নারী কর্মী যাওয়া দ্রুত বাড়ে; তাঁদের বেশিরভাগ গৃহকর্মী হিসেবে কাজ করেন।
অন্য উল্লেখযোগ্য গন্তব্য জর্ডান, ওমান ও সংযুক্ত আরব আমিরাত। জর্ডানে নারী কর্মীরা মূলত পোশাক কারখানায় কাজ করেন, তাই এটিও বড় বাজার, তবে সংখ্যায় সৌদি আরবের পরে।
জর্ডানের পোশাক কারখানায় বাংলাদেশি নারী কর্মীর খবর বেশি আসায় অনেকে জর্ডান বেছে নেন। কিন্তু মোট সংখ্যায় এগিয়ে সৌদি আরব।
মনে রাখুন: পুরুষ হোক বা নারী, বিদেশে কর্মী পাঠানোর শীর্ষ গন্তব্য সৌদি আরব।
১২০. হিলি স্থল বন্দরটি বাংলাদেশের কোথায় অবস্থিত? (৪৬তম বিসিএস, ২০২৪)
- কবিরামপুর, দিনাজপুর
- খঘোড়াঘাট, দিনাজপুর
- গহাকিমপুর, দিনাজপুর
- ঘপাঁচ বিবি, জয়পুর হাট
সঠিক উত্তর: গ. হাকিমপুর, দিনাজপুর
প্রশ্নটা হিলি স্থলবন্দরের সঠিক উপজেলা জানতে চেয়েছে। উত্তর দিনাজপুর জেলার হাকিমপুর উপজেলা; হিলি এলাকাটি এই উপজেলাতেই।
হিলির অপর পাশে ভারতের পশ্চিমবঙ্গের দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা। এই বন্দর দিয়ে ভারত থেকে চাল, পেঁয়াজ, আলুসহ নানা পণ্য আমদানি হয়, তাই উত্তরবঙ্গের বাণিজ্যে এর গুরুত্ব অনেক।
হাকিমপুর উপজেলা অনেকের কাছে হিলি নামেই পরিচিত, আর এটিই প্রশ্নের মূল চাবি। দিনাজপুরের আরেকটি পরিচিত স্থলবন্দর বিরল।
বিকল্পের বিরামপুর ও ঘোড়াঘাট দিনাজপুরেরই অন্য উপজেলা, আর পাঁচবিবি জয়পুরহাট জেলায়। সবই একই অঞ্চলের নাম বলে বিভ্রান্তি হয়, কিন্তু বন্দরটি হাকিমপুরে।
মনে রাখুন: হিলি মানে হাকিমপুর: দুটো নামই হ দিয়ে শুরু।