বাংলাদেশ বিষয়াবলি · পাতা ১২
২২১. সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে ‘সরকারি কর্ম কমিশন’ (PSC) গঠনের উল্লেখ আছে? (৪০তম বিসিএস, ২০১৯)
- ক১৩৭ নং অনুচ্ছেদে
- খ১৩৫ নং অনুচ্ছেদে
- গ১৩৮ নং অনুচ্ছেদে
- ঘ১৩৪ নং অনুচ্ছেদে
সঠিক উত্তর: ক. ১৩৭ নং অনুচ্ছেদে
প্রশ্নটা সরকারি কর্ম কমিশন বা পিএসসি গঠনের সাংবিধানিক অনুচ্ছেদ জানতে চেয়েছে। সংবিধানের ১৩৭ অনুচ্ছেদে বলা আছে, আইনের দ্বারা বাংলাদেশের জন্য এক বা একাধিক সরকারি কর্ম কমিশন প্রতিষ্ঠার বিধান করা যাবে।
সংবিধানের নবম ভাগ বাংলাদেশের কর্মবিভাগ নিয়ে। এর দ্বিতীয় পরিচ্ছেদে সরকারি কর্ম কমিশন: ১৩৭ এ প্রতিষ্ঠা, ১৩৮ এ সদস্য নিয়োগ, ১৩৯ এ পদের মেয়াদ, ১৪০ এ কমিশনের দায়িত্ব।
প্রথম পরিচ্ছেদে আছে কর্মবিভাগের সাধারণ বিধান: ১৩৪ অনুচ্ছেদে কর্মের মেয়াদ, ১৩৫ অনুচ্ছেদে বেসামরিক কর্মচারীদের বরখাস্ত বা অপসারণের সুরক্ষা।
ফাঁদ হলো ১৩৮, যা পিএসসির সঙ্গেই যুক্ত কিন্তু সদস্য নিয়োগ নিয়ে, প্রতিষ্ঠা নিয়ে নয়।
মনে রাখুন: পিএসসি শুরু ১৩৭ থেকে: প্রতিষ্ঠা ১৩৭, নিয়োগ ১৩৮, মেয়াদ ১৩৯, দায়িত্ব ১৪০।
২২২. আওয়ামী লীগের ৬-দফা পেশ করা হয়েছিলো – (৪০তম বিসিএস, ২০১৯)
- ক১৯৬৬ সালে
- খ১৯৬৭ সালে
- গ১৯৬৮ সালে
- ঘ১৯৬৯ সালে
সঠিক উত্তর: ক. ১৯৬৬ সালে
প্রশ্নটা ছয় দফা পেশের সাল জানতে চেয়েছে। শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৬৬ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি লাহোরে বিরোধী দলগুলোর সম্মেলনে ছয় দফা পেশ করেন। পরে এটি আওয়ামী লীগের কর্মসূচি হিসেবে গৃহীত হয়।
ছয় দফার মূল কথা ছিল পূর্ব পাকিস্তানের পূর্ণ স্বায়ত্তশাসন। একে বাঙালির মুক্তির সনদ বলা হয়, কারণ এর দাবিগুলোই পরে স্বাধীনতা আন্দোলনের ভিত্তি হয়।
পরের ঘটনাগুলো ক্রমে মনে রাখুন: ছয় দফা আন্দোলন দমাতে ১৯৬৮ সালে আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা, আর তার প্রতিবাদে ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থান।
ফাঁদ হলো ১৯৬৮ বা ১৯৬৯, কারণ ওই বছরগুলোর বড় ঘটনা ছয় দফারই ধারাবাহিকতা।
মনে রাখুন: ছেষট্টিতে ছয় দফা: দুটোতেই ছয়।
২২৩. বঙ্গবন্ধুসহ আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলায় মোট আসামী সংখ্যা ছিল – (৪০তম বিসিএস, ২০১৯)
- ক৩৪ জন
- খ৩৫ জন
- গ৩৬ জন
- ঘ৩২ জন
সঠিক উত্তর: খ. ৩৫ জন
প্রশ্নটা আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলার মোট আসামির সংখ্যা জানতে চেয়েছে। ১৯৬৮ সালে শেখ মুজিবুর রহমানসহ মোট ৩৫ জনকে এই মামলায় আসামি করা হয়।
মামলার আনুষ্ঠানিক নাম ছিল রাষ্ট্র বনাম শেখ মুজিবুর রহমান ও অন্যান্য, আর তিনি ছিলেন এক নম্বর আসামি। অভিযোগ ছিল ভারতের সহায়তায় সশস্ত্র পন্থায় পূর্ব পাকিস্তানকে বিচ্ছিন্ন করার ষড়যন্ত্র।
ছয় দফা আন্দোলন দমাতে মামলাটি করা হয়েছিল, কিন্তু ফল হয় উল্টো। ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থানের চাপে ২২ ফেব্রুয়ারি মামলা প্রত্যাহার হয় এবং পরদিন শেখ মুজিবকে বঙ্গবন্ধু উপাধি দেওয়া হয়।
বিকল্পগুলো একজনের ব্যবধানে সাজানো, তাই সংখ্যাটি হুবহু মনে রাখতে হবে। বঙ্গবন্ধুকে বাদ দিয়ে গুনলে ৩৪ আসে, এটাই প্রধান ফাঁদ।
মনে রাখুন: এক নম্বর আসামি বঙ্গবন্ধু, মোট পঁয়ত্রিশ।
২২৪. তৃণমূল পর্যায়ে স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে কমিউনিটি ক্লিনিক চালু করা হয়- (৪০তম বিসিএস, ২০১৯)
- ক১৩ হাজার ১২৫ টি
- খ১৩ হাজার ১৩০ টি
- গ১৩ হাজার ১৩৬ টি
- ঘ১৩ হাজার ১৪৬ টি
- ঙকোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর: ঙ. কোনোটিই নয়
প্রশ্নটি তখনকার তথ্য অনুযায়ী; তখন সঠিক ছিল: ১৩ হাজার ১৩৬ টি। এখন: ১৪,৪৬০টি কমিউনিটি ক্লিনিক চালু (জুন ২০২৬)।
প্রশ্নটা তৃণমূলে স্বাস্থ্যসেবা দিতে চালু কমিউনিটি ক্লিনিকের সংখ্যা জানতে চেয়েছে। পরীক্ষার সময় দেশে তেরো হাজারের বেশি কমিউনিটি ক্লিনিক চালু ছিল, আর প্রচলিত উত্তর অনুযায়ী সংখ্যাটি ১৩ হাজার ১৩৬।
কমিউনিটি ক্লিনিক হলো সরকারি স্বাস্থ্যসেবার সবচেয়ে নিচের স্তর, যেখানে প্রতি ছয় হাজার মানুষের জন্য একটি ক্লিনিক রাখার লক্ষ্য। এখানে প্রাথমিক চিকিৎসা, মা ও শিশুর স্বাস্থ্যসেবা, টিকা ও পরিবার পরিকল্পনা সেবা এবং বিনামূল্যে কিছু ওষুধ দেওয়া হয়।
সেবাগ্রহীতাদের বড় অংশ নারী ও শিশু। জনগণের দান করা জমিতে সরকার ক্লিনিক নির্মাণ করে, তাই এটি সরকারি-বেসরকারি অংশীদারত্বের উদাহরণ।
সংখ্যাটি সময়ের সঙ্গে বাড়ছে, তাই প্রশ্নের উত্তর পরীক্ষার সময়ের হিসাবে। বিকল্পগুলো খুব কাছাকাছি, শেষ দুই অঙ্ক তিন ছয় মনে রাখতে হবে।
মনে রাখুন: তেরো হাজার একশো ছত্রিশ: তেরো, এক, তিন, ছয়।
২২৫. ‘Let There Be light ‘ – বিখ্যাত ছবিটি পরিচালনা করেন- (৪০তম বিসিএস, ২০১৯)
- কআমজাদ হোসেন
- খজহির রায়হান
- গখান আতাউর রহমান
- ঘশেখ নিয়ামত আলী
সঠিক উত্তর: খ. জহির রায়হান
প্রশ্নটা লেট দেয়ার বি লাইট চলচ্চিত্রের পরিচালক জানতে চেয়েছে। উত্তর জহির রায়হান। তিনি স্বাধীনতার আগে ইংরেজি ভাষায় এই চলচ্চিত্রের কাজ শুরু করেন, কিন্তু তা অসমাপ্ত থেকে যায়।
১৯৭২ সালের ৩০ জানুয়ারি নিখোঁজ ভাই শহীদুল্লা কায়সারকে খুঁজতে মিরপুরে গিয়ে জহির রায়হান নিজেই নিখোঁজ হন। ফলে ছবিটি আর শেষ হয়নি।
জহির রায়হানের অন্য বিখ্যাত কাজ: জীবন থেকে নেয়া, আর মুক্তিযুদ্ধের সময় বানানো প্রামাণ্যচিত্র স্টপ জেনোসাইড। তিনি হাজার বছর ধরে উপন্যাসের লেখকও।
অন্য পরিচালকদের পরিচিত কাজ দিয়ে বিকল্পগুলো বাদ দেওয়া যায়: খান আতাউর রহমানের আবার তোরা মানুষ হ, শেখ নিয়ামত আলীর সূর্য দীঘল বাড়ি, আমজাদ হোসেনের গোলাপী এখন ট্রেনে।
মনে রাখুন: আলো জ্বালার ছবি অসমাপ্ত রেখে হারিয়ে যান জহির রায়হান।
২২৬. আলাউদ্দিন হুসেন শাহ্ কখন বৃহত্তর বাংলা শাসন করেন? (৪০তম বিসিএস, ২০১৯)
- ক১৪৯৮ – ১৫১৬ খ্রিস্টাব্দে
- খ১৪৯৮ -১৫১৭ খ্রিস্টাব্দে
- গ১৪৯৮ – ১৫১৮ খ্রিস্টাব্দে
- ঘ১৪৯৮ -১৫১৯ খ্রিস্টাব্দে
সঠিক উত্তর: ঘ. ১৪৯৮ -১৫১৯ খ্রিস্টাব্দে
প্রশ্নটা হোসেন শাহী বংশের প্রতিষ্ঠাতা আলাউদ্দিন হুসেন শাহের শাসনকাল জানতে চেয়েছে। বাংলাপিডিয়া অনুযায়ী তিনি ১৪৯৪ থেকে ১৫১৯ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত বাংলা শাসন করেন।
লক্ষ করুন, সব বিকল্পেই শুরুর সাল ১৪৯৮ ছাপা হয়েছে, যা বাংলাপিডিয়ার ১৪৯৪ সালের সঙ্গে মেলে না; এটি প্রশ্নেরই ত্রুটি। তাই এখানে উত্তর ঠিক করতে হয় শুধু শেষের সাল দেখে: তাঁর শাসন শেষ হয় ১৫১৯ সালে।
তাঁর শাসনামলকে বাংলার মুসলিম শাসনের স্বর্ণযুগ বলা হয়। তিনি কামরূপ ও কামতা জয় করেন, চট্টগ্রাম দখলে আনেন এবং বাংলা সাহিত্যের পৃষ্ঠপোষকতা করেন; তাঁর সময়েই শ্রীচৈতন্যের বৈষ্ণব আন্দোলন বিস্তার লাভ করে।
কৌশল: শুরুর সাল এক হলে শুধু শেষের সালের পার্থক্য দেখুন। হুসেন শাহের পর তাঁর পুত্র নসরত শাহ ১৫১৯ সালে সিংহাসনে বসেন।
মনে রাখুন: হুসেন শাহের শেষ বছর ১৫১৯, পুত্র নসরত শাহের শুরুও ১৫১৯।
২২৭. প্রাচীন বাংলায় মৌর্য শাসনের প্রতিষ্ঠাতা কে ? (৪০তম বিসিএস, ২০১৯)
- কঅশোক মৌর্য
- খচন্দ্রগুপ্ত মৌর্য
- গসমুদ্রগুপ্ত
- ঘএর কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর: খ. চন্দ্রগুপ্ত মৌর্য
প্রশ্নটা মৌর্য শাসনের প্রতিষ্ঠাতা জানতে চেয়েছে। মৌর্য সাম্রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা চন্দ্রগুপ্ত মৌর্য, যিনি খ্রিস্টপূর্ব চতুর্থ শতকে নন্দ বংশকে পরাজিত করে মগধে এই সাম্রাজ্য গড়ে তোলেন।
বাংলার উত্তরাঞ্চল যে মৌর্য শাসনের অধীনে ছিল, তার প্রমাণ বগুড়ার মহাস্থানগড়ে পাওয়া ব্রাহ্মী লিপির শিলালিপি। তাই প্রাচীন বাংলায় মৌর্য শাসনের সূচনাও এই বংশের প্রতিষ্ঠাতার সঙ্গে যুক্ত।
অশোক ছিলেন চন্দ্রগুপ্তের পৌত্র এবং মৌর্য বংশের সবচেয়ে বিখ্যাত সম্রাট, কিন্তু প্রতিষ্ঠাতা নন। সমুদ্রগুপ্ত পরবর্তী গুপ্ত বংশের সম্রাট, মৌর্য নন।
ফাঁদ হলো অশোক, কারণ তাঁর নাম বেশি পরিচিত। প্রতিষ্ঠাতা শব্দটি দেখলেই বংশের প্রথম শাসককে খুঁজুন।
মনে রাখুন: যে বংশের নামে প্রশ্ন, সেই বংশের প্রথম রাজাই প্রতিষ্ঠাতা: মৌর্য মানে চন্দ্রগুপ্ত মৌর্য।
২২৮. ইউরোপীয় বণিকদের মধ্যে বাংলায় প্রথম এসেছিলেন – (৪০তম বিসিএস, ২০১৯)
- কপর্তুগীজরা
- খইংরেজরা
- গওলন্দাজরা
- ঘফরাসিরা
সঠিক উত্তর: ক. পর্তুগীজরা
প্রশ্নটা ইউরোপীয় বণিকদের মধ্যে কারা প্রথম বাংলায় আসে, তা জানতে চেয়েছে। উত্তর পর্তুগিজরা, যারা ষোড়শ শতকের প্রথম ভাগে বাংলায় আসে।
১৪৯৮ সালে ভাস্কো দা গামা সমুদ্রপথে ভারতের কালিকটে পৌঁছানোর পর পর্তুগিজরা ভারত মহাসাগরের বাণিজ্যে আধিপত্য গড়ে। এরপর তারা বাংলার চট্টগ্রাম ও সাতগাঁওয়ে বাণিজ্য শুরু করে; চট্টগ্রামকে তারা বলত পোর্তো গ্রান্দে, আর সাতগাঁওকে পোর্তো পেকেনো।
অন্য ইউরোপীয় শক্তিগুলো আসে সপ্তদশ শতকে: প্রথমে ওলন্দাজ, তারপর ইংরেজ, দিনেমার ও ফরাসি। ইংরেজরা পরে পলাশীর যুদ্ধে জয়ী হয়ে বাংলার শাসক হয়ে ওঠে।
ফাঁদ হলো ইংরেজ, কারণ বাংলার ইতিহাসে তাদের প্রভাব সবচেয়ে বেশি। কিন্তু প্রভাব বেশি মানেই প্রথম আসা নয়।
মনে রাখুন: ইউরোপীয়দের আগমনের ক্রম: পর্তুগিজ, ওলন্দাজ, ইংরেজ, দিনেমার, ফরাসি।
২২৯. বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি পাট উৎপন্ন হয় কোন জেলায়? (৪০তম বিসিএস, ২০১৯)
- কফরিদপুর
- খরংপুর
- গজামালপুর
- ঘশেরপুর
সঠিক উত্তর: ক. ফরিদপুর
প্রশ্নটি জানতে চেয়েছে কোন জেলায় পাট সবচেয়ে বেশি উৎপন্ন হয়। পরীক্ষার সময়ের কৃষি পরিসংখ্যান অনুযায়ী উত্তর ফরিদপুর।
পাট চাষে দরকার উষ্ণ ও আর্দ্র আবহাওয়া, প্রচুর বৃষ্টি আর নরম পলিমাটি। কাটার পর পাট পচাতে লাগে খাল, বিল বা ডোবার পানি। পদ্মা তীরের ফরিদপুর অঞ্চলে এর সবই আছে, তাই সেখানে পাটের আবাদ ও ফলন দুটোই বেশি।
পাটের জন্য পরিচিত অন্য অঞ্চলগুলো হলো যশোর, কুষ্টিয়া, টাঙ্গাইল ও বৃহত্তর ময়মনসিংহ। তবে উৎপাদনের তালিকায় শীর্ষে ফরিদপুর।
ফাঁদ হলো জামালপুর, কারণ বৃহত্তর ময়মনসিংহ অঞ্চল পাটের জন্য নাম করা। জামালপুরে পাট হয় ঠিকই, কিন্তু সবচেয়ে বেশি নয়।
মনে রাখুন: পাটের প্রশ্নে প্রথমে ফরিদপুর মনে করুন; পাট গবেষণা ইনস্টিটিউট কিন্তু ঢাকায়।
২৩০. বাংলাদেশে মোট আবাদযোগ্য জমির পরিমাণ- (৪০তম বিসিএস, ২০১৯)
- ক২ কোটি ৪০ লক্ষ একর
- খ২ কোটি ৫০ লক্ষ একর
- গ২ কোটি ২৫ লক্ষ একর
- ঘ২ কোটি ২১ লক্ষ একর
সঠিক উত্তর: ঘ. ২ কোটি ২১ লক্ষ একর
প্রশ্নটি দেশের মোট আবাদযোগ্য জমির পরিমাণ একরে জানতে চেয়েছে। সরকারি হিসাব সাধারণত হেক্টরে দেওয়া থাকে, তাই একরে রূপান্তর করে বিকল্পের সঙ্গে মেলাতে হয়।
বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর দুই হাজার উনিশ ও বিশ সালের ভূমি ব্যবহার জরিপে আবাদযোগ্য জমি ছিল প্রায় ৮৮ লক্ষ হেক্টর। এক হেক্টর প্রায় আড়াই একরের সমান, তাই এটি দাঁড়ায় প্রায় ২ কোটি ১৮ লক্ষ একর।
বিকল্পগুলোর মধ্যে এর সবচেয়ে কাছের মান ২ কোটি ২১ লক্ষ একর। বসতি, রাস্তা ও কারখানায় কৃষিজমি চলে যাওয়ায় এ পরিমাণ প্রতি বছর একটু একটু কমছে, তাই বিভিন্ন বইয়ে সংখ্যা সামান্য আলাদা দেখা যায়।
ফাঁদ হলো ২ কোটি ৪০ লক্ষ একর, যা কোনো কোনো গাইডে উত্তর হিসেবে দেওয়া আছে। এটি প্রায় ৯৭ লক্ষ হেক্টরের সমান, সরকারি হিসাবের চেয়ে অনেক বেশি।
মনে রাখুন: হেক্টরকে একরে নিতে আড়াই দিয়ে গুণ করুন; প্রায় ৮৮ লক্ষ হেক্টর মানে প্রায় ২ কোটি ২০ লক্ষ একর।
২৩১. ‘গারো উপজাতি’ কোন জেলায় বাস করে ? (৪০তম বিসিএস, ২০১৯)
- কপার্বত্য চট্টগ্রাম
- খসিলেট
- গময়মনসিংহ
- ঘটাঙ্গাইল
সঠিক উত্তর: গ. ময়মনসিংহ
প্রশ্নটি গারো জনগোষ্ঠীর প্রধান আবাসস্থল জানতে চেয়েছে। উত্তর বৃহত্তর ময়মনসিংহ অঞ্চল।
গারোরা মূলত ভারতের মেঘালয় সীমান্ত ঘেঁষা গারো পাহাড়ের পাদদেশে বাস করে। বাংলাদেশে তাদের বড় বসতি নেত্রকোনার দুর্গাপুর ও কলমাকান্দা, ময়মনসিংহের হালুয়াঘাট ও ধোবাউড়া এবং শেরপুরের সীমান্ত এলাকায়। এসবই বৃহত্তর ময়মনসিংহের অংশ।
গারো সমাজ মাতৃসূত্রীয়: সম্পত্তি ও বংশপরিচয় চলে মায়ের দিক থেকে। তারা নিজেদের আচিক বা মান্দি বলে পরিচয় দেয়।
ফাঁদ হলো টাঙ্গাইল, কারণ মধুপুর গড়েও গারো বসতি আছে। কিন্তু প্রধান ও বিস্তৃত আবাস বৃহত্তর ময়মনসিংহ।
মনে রাখুন: জাতিগোষ্ঠীর নামের সঙ্গে পাহাড়ের নাম মেলান: গারো পাহাড়ের নিচেই বৃহত্তর ময়মনসিংহ।
২৩২. প্রাচীন বাংলার হরিকেল জনপদ অঞ্চলভুক্ত এলাকা - (৩৮তম বিসিএস, ২০১৭)
- করাজশাহী
- খদিনাজপুর
- গখুলনা
- ঘচট্টগ্রাম
সঠিক উত্তর: ঘ. চট্টগ্রাম
প্রশ্নটা প্রাচীন বাংলার জনপদের ভৌগোলিক অবস্থান যাচাই করছে। হরিকেল ছিল বাংলার পূর্ব ও দক্ষিণ-পূর্ব প্রান্তের জনপদ, যার মধ্যে বর্তমান চট্টগ্রাম অঞ্চল পড়ে; সিলেট অঞ্চলকেও এর অংশ ধরা হয়।
প্রাচীন চীনা পর্যটক ও বিভিন্ন লিপিতে হরিকেলকে বঙ্গের পূর্ব প্রান্ত হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। চন্দ্র রাজবংশের শাসনামলে হরিকেল একটি গুরুত্বপূর্ণ রাজ্য ছিল।
অন্য বিকল্পগুলো উত্তর ও দক্ষিণ-পশ্চিম বাংলার এলাকা। রাজশাহী ও দিনাজপুর অঞ্চল ছিল বরেন্দ্র ও পুণ্ড্র জনপদের অংশ, যার কেন্দ্র ছিল বগুড়ার মহাস্থানগড়।
মনে রাখার উপায়: জনপদের নাম শুনলে মানচিত্রে দিক ঠিক করুন। হরিকেল পূর্বে সমুদ্রের ধারে, পুণ্ড্র ও বরেন্দ্র উত্তরে।
মনে রাখুন: হরিকেল মানেই পূর্ব প্রান্ত: চট্টগ্রাম ও সিলেট।
২৩৩. নিচের মোঘল সম্রাটদের মধ্যে কে প্রথম আত্মজীবনী লিখেছিলেন? (৩৮তম বিসিএস, ২০১৭)
- কআকবর
- খবাবর
- গশাহজাহান
- ঘহুমায়ুন
সঠিক উত্তর: খ. বাবর
প্রশ্নটা মোগল সম্রাটদের লেখা আত্মজীবনী নিয়ে। মোগল সাম্রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা বাবর নিজেই তাঁর জীবনের কাহিনি লিখেছিলেন, যার নাম তুজুক-ই-বাবরি বা বাবরনামা। এটি তিনি লিখেছিলেন চাগতাই তুর্কি ভাষায়।
বাবর ছিলেন প্রথম মোগল সম্রাট, তাই তাঁর আত্মজীবনীই স্বাভাবিকভাবে প্রথম মোগল আত্মজীবনী। পরে সম্রাট জাহাঙ্গীরও তুজুক-ই-জাহাঙ্গীরি নামে আত্মজীবনী লেখেন।
বাকি সম্রাটদের জীবনী অন্যরা লিখেছেন। হুমায়ুনের জীবনী হুমায়ুননামা লিখেছেন তাঁর বোন গুলবদন বেগম, আকবরের সময়ের ইতিহাস আকবরনামা লিখেছেন আবুল ফজল।
ফাঁদ হলো আকবরনামা বা হুমায়ুননামা নাম দেখে সম্রাটকেই লেখক ভাবা। নামের সঙ্গে সম্রাটের নাম থাকলেই সেটি আত্মজীবনী নয়।
মনে রাখুন: মোগলদের নিজ হাতে লেখা আত্মজীবনী দুটি: বাবর ও জাহাঙ্গীর; প্রথম বাবর।
২৩৪. ঐতিহাসিক ছয় দফা ঘোষণা করা হয় ১৯৬৬ সালের - (৩৮তম বিসিএস, ২০১৭)
- কফেব্রুয়ারিতে
- খমে মাসে
- গজুলাই মাসে
- ঘআগস্টে
সঠিক উত্তর: ক. ফেব্রুয়ারিতে
প্রশ্নটা ছয় দফা ঘোষণার মাস জানতে চেয়েছে। ১৯৬৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে লাহোরে বিরোধী দলগুলোর সম্মেলনে শেখ মুজিবুর রহমান ছয় দফা কর্মসূচি পেশ করেন। তারিখটি ছিল ৫ ফেব্রুয়ারি।
ছয় দফার মূল দাবি ছিল পূর্ব পাকিস্তানের স্বায়ত্তশাসন: আলাদা মুদ্রা বা মুদ্রা পাচার রোধের ব্যবস্থা, কর আদায়ের ক্ষমতা, বৈদেশিক বাণিজ্যের হিসাব আর আঞ্চলিক আধাসামরিক বাহিনী। একে বাঙালির মুক্তির সনদ বলা হয়।
পরে ছয় দফার পক্ষে আন্দোলন জোরালো হয়। ১৯৬৬ সালের ৭ জুন সারা দেশে হরতাল পালিত হয়, যে দিনটি এখন ছয় দফা দিবস।
ফাঁদ হলো ছয় দফা দিবস ৭ জুনের কথা মনে করে জুন কাছাকাছি কোনো মাস বেছে নেওয়া। ঘোষণা ফেব্রুয়ারিতে, দিবস জুনে।
মনে রাখুন: ঘোষণা ফেব্রুয়ারি, লাহোরে; দিবস ৭ জুন, ঢাকায়।
২৩৫. মুজিবনগর সরকারের ত্রাণ ও পুনর্বাসন মন্ত্রী কে ছিলেন? (৩৮তম বিসিএস, ২০১৭)
- কক্যাপ্টেন এম মনসুর আলী
- খতাজউদ্দীন আহমদ
- গএ. এইচ. এম কামারুজ্জামান
- ঘখন্দকার মোশতাক আহমদ
সঠিক উত্তর: গ. এ. এইচ. এম কামারুজ্জামান
প্রশ্নটা ১৯৭১ সালের মুজিবনগর সরকারের মন্ত্রীদের দপ্তর বণ্টন যাচাই করছে। এ এইচ এম কামারুজ্জামান ছিলেন স্বরাষ্ট্র, কৃষি এবং ত্রাণ ও পুনর্বাসন মন্ত্রী।
এই সরকারে বঙ্গবন্ধু ছিলেন রাষ্ট্রপতি, তাঁর অনুপস্থিতিতে সৈয়দ নজরুল ইসলাম ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি। তাজউদ্দীন আহমদ ছিলেন প্রধানমন্ত্রী।
ক্যাপ্টেন এম মনসুর আলী ছিলেন অর্থমন্ত্রী, আর খন্দকার মোশতাক আহমদ ছিলেন পররাষ্ট্র এবং আইন ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী।
মনে রাখুন, শরণার্থী ও ত্রাণের দায়িত্ব ছিল স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর হাতেই, তাই কামারুজ্জামান। জাতীয় চার নেতার সবাই এই সরকারে থাকায় নামগুলো সহজে গুলিয়ে যায়।
মনে রাখুন: তা প্রধান, ম অর্থ, মো পররাষ্ট্র, কা স্বরাষ্ট্র ও ত্রাণ।
২৩৬. কিসের ভিত্তিতে পূর্ব বাংলায় ভাষা আন্দোলন হয়েছিল? (৩৮তম বিসিএস, ২০১৭)
- কদ্বি-জাতি তত্ত্ব
- খসামাজিক চেতনা
- গঅসাম্প্রদায়িকতা
- ঘবাঙ্গালী জাতীয়তাবাদ
সঠিক উত্তর: ঘ. বাঙ্গালী জাতীয়তাবাদ
প্রশ্নটা ভাষা আন্দোলনের আদর্শিক ভিত্তি জানতে চেয়েছে। মাতৃভাষা বাংলার মর্যাদার দাবিতে যে আন্দোলন হয়, তার মূলে ছিল বাঙালি পরিচয়ের চেতনা, অর্থাৎ বাঙালি জাতীয়তাবাদ।
পাকিস্তান রাষ্ট্র গড়ে উঠেছিল ধর্মভিত্তিক দ্বিজাতি তত্ত্বের ওপর। কিন্তু উর্দুকে একমাত্র রাষ্ট্রভাষা করার চেষ্টায় পূর্ব বাংলার মানুষ বুঝল, ধর্ম এক হলেও ভাষা ও সংস্কৃতিতে তারা আলাদা জাতি।
এই উপলব্ধিই ভাষা আন্দোলনকে বাঙালি জাতীয়তাবাদের প্রথম বড় প্রকাশে পরিণত করে, যা পরে ছয় দফা ও মুক্তিযুদ্ধের পথ তৈরি করে।
ফাঁদ হলো অসাম্প্রদায়িকতা বেছে নেওয়া। আন্দোলনে অসাম্প্রদায়িক চেতনা ছিল, কিন্তু মূল ভিত্তি ছিল ভাষাভিত্তিক জাতিসত্তা।
মনে রাখুন: ভাষা মানেই জাতিসত্তা: ভাষা আন্দোলনের ভিত্তি বাঙালি জাতীয়তাবাদ।
২৩৭. ১৯৫৪ সালের পূর্ববাংলা প্রাদেশিক পরিষদ নির্বাচনে যুক্ত ছিলেন না - (৩৮তম বিসিএস, ২০১৭)
- কশেরে বাংলা এ কে ফজলুল হক
- খহোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী
- গমাওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী
- ঘনবাব স্যার সলিমুল্লাহ
সঠিক উত্তর: ঘ. নবাব স্যার সলিমুল্লাহ
প্রশ্নটা জানতে চেয়েছে ১৯৫৪ সালের নির্বাচনে কে যুক্ত ছিলেন না। নবাব স্যার সলিমুল্লাহ ১৯১৫ সালেই মারা যান, তাই প্রায় চার দশক পরের এ নির্বাচনে তাঁর থাকার প্রশ্নই ওঠে না।
১৯৫৪ সালের পূর্ববঙ্গ প্রাদেশিক পরিষদ নির্বাচনে মুসলিম লীগের বিরুদ্ধে যুক্তফ্রন্ট গঠিত হয়। এর প্রধান তিন নেতা ছিলেন শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হক, হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী ও মাওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী।
যুক্তফ্রন্ট একুশ দফা কর্মসূচি নিয়ে নির্বাচনে নামে এবং বিপুল জয় পায়। ফজলুল হক মুখ্যমন্ত্রী হন।
এ ধরনের প্রশ্নে কৌশল হলো নেতাদের জীবৎকাল মিলিয়ে দেখা। সলিমুল্লাহর নাম আসে ১৯০৫ সালের বঙ্গভঙ্গ ও ১৯০৬ সালের মুসলিম লীগ প্রতিষ্ঠার সঙ্গে।
মনে রাখুন: মৃত্যুসাল দেখুন: ১৯১৫ সালে মারা যাওয়া কেউ ১৯৫৪ সালের নির্বাচনে থাকতে পারেন না।
২৩৮. জুম চাষ হয় - (৩৮তম বিসিএস, ২০১৭)
- কবরিশালে
- খময়মনসিংহে
- গখাগড়াছড়িতে
- ঘদিনাজপুরে
সঠিক উত্তর: গ. খাগড়াছড়িতে
প্রশ্নটা জুম চাষের অঞ্চল জানতে চেয়েছে। জুম হলো পাহাড়ের ঢালে জঙ্গল কেটে ও পুড়িয়ে গর্ত করে বীজ বোনার এক ধরনের স্থানান্তরিত চাষ। তাই এটি হয় পাহাড়ি এলাকায়, যেমন খাগড়াছড়ি।
বাংলাদেশে জুম চাষ প্রধানত পার্বত্য চট্টগ্রামের তিন জেলা খাগড়াছড়ি, রাঙ্গামাটি ও বান্দরবানে প্রচলিত। চাকমা, মারমা, ত্রিপুরাসহ পাহাড়ি জনগোষ্ঠী এই পদ্ধতিতে ধান, ভুট্টা, তিল ইত্যাদি একসঙ্গে চাষ করে।
কয়েক বছর চাষের পর জমির উর্বরতা কমে গেলে কৃষকেরা অন্য ঢালে সরে যান, তাই একে স্থানান্তরিত চাষ বলে।
সমতলের জেলা দেখলেই বাদ দিন। বরিশাল, ময়মনসিংহ ও দিনাজপুরে পাহাড়ি ঢাল নেই, সেখানে প্রচলিত লাঙলের চাষ হয়।
মনে রাখুন: জুম শুনলেই পার্বত্য চট্টগ্রাম: খাগড়াছড়ি, রাঙ্গামাটি, বান্দরবান।
২৩৯. চাকমা জনগোষ্ঠীর লোকসংখ্যা সর্বাধিক - (৩৮তম বিসিএস, ২০১৭)
- করাঙ্গামাটি জেলায়
- খখাগড়াছড়ি জেলায়
- গবান্দরবান জেলায়
- ঘসিলেট জেলায়
সঠিক উত্তর: ক. রাঙ্গামাটি জেলায়
প্রশ্নটা চাকমা জনগোষ্ঠীর প্রধান বসতি জানতে চেয়েছে। চাকমারা বাংলাদেশের বৃহত্তম ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী, আর তাদের সবচেয়ে বেশি মানুষ বাস করে রাঙ্গামাটি জেলায়।
রাঙ্গামাটি চাকমা সার্কেলের কেন্দ্র; চাকমা রাজার বাসস্থানও এখানেই। খাগড়াছড়িতেও বিপুলসংখ্যক চাকমা আছে, তবে মোট সংখ্যায় রাঙ্গামাটি এগিয়ে।
পার্বত্য চট্টগ্রামের তিন সার্কেল মনে রাখলে প্রশ্নটা সহজ হয়: চাকমা সার্কেল রাঙ্গামাটিতে, বোমাং সার্কেল বান্দরবানে, মং সার্কেল খাগড়াছড়িতে। বান্দরবানে মারমারা বেশি।
ফাঁদ হলো খাগড়াছড়ি বেছে নেওয়া, কারণ সেখানেও চাকমা বসতি ঘন। আর সিলেটের পরিচিত নৃগোষ্ঠী খাসিয়া ও মণিপুরি, চাকমা নয়।
মনে রাখুন: চাকমা সার্কেল মানেই রাঙ্গামাটি।
২৪০. বাংলাদেশের প্রথম আদমশুমারী হয় - - (৩৮তম বিসিএস, ২০১৭)
- ক১৯৭৯ সালে
- খ১৯৭২ সালে
- গ১৯৭৩ সালে
- ঘ১৯৭৪ সালে
সঠিক উত্তর: ঘ. ১৯৭৪ সালে
প্রশ্নটা স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম আদমশুমারির সাল জানতে চেয়েছে। স্বাধীনতার পর প্রথম আদমশুমারি হয় ১৯৭৪ সালে।
এরপর প্রায় দশ বছর পরপর শুমারি হয়েছে: ১৯৮১, ১৯৯১, ২০০১ ও ২০১১ সালে। ২০২২ সালের শুমারি হয় প্রথম ডিজিটাল জনশুমারি হিসেবে।
স্বাধীনতার পরের প্রথম দুই বছরে রাষ্ট্র গঠনের বড় কাজগুলো চলছিল: ১৯৭২ সালে সংবিধান প্রণয়ন, ১৯৭৩ সালে প্রথম সংসদ নির্বাচন। শুমারি হয় এর পরে, ১৯৭৪ সালে।
ফাঁদ হলো ১৯৭২ বা ১৯৭৩ বেছে নেওয়া, স্বাধীনতার ঠিক পরের বছর ভেবে। মনে রাখুন, দ্বিতীয় শুমারি ১৯৮১ সালে, অর্থাৎ প্রথমটির সাত বছর পর।
মনে রাখুন: শুমারির সাল: চুয়াত্তর, একাশি, একানব্বই, দুই হাজার এক, দুই হাজার এগারো, তারপর দুই হাজার বাইশ।