বাংলাদেশ বিষয়াবলি · পাতা ১১
২০১. বাংলাদেশ সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে ‘বার্ষিক আর্থিক বিবৃতি’-এর কথা উল্লেখ করা হয়েছে? (৪৩তম বিসিএস, ২০২১)
- ক৮১
- খ৮৫
- গ৮৭
- ঘ৮৮
সঠিক উত্তর: গ. ৮৭
প্রশ্নটা সংবিধানের অর্থসংক্রান্ত অংশ থেকে, যা পঞ্চম ভাগের দ্বিতীয় পরিচ্ছেদে আছে। বার্ষিক আর্থিক বিবৃতি, অর্থাৎ বাজেট, সংসদে উপস্থাপনের কথা আছে অনুচ্ছেদ ৮৭ এ।
অনুচ্ছেদ ৮৭ অনুযায়ী প্রত্যেক অর্থবছর সম্পর্কে সরকারের আনুমানিক আয় ও ব্যয়ের একটি বিবৃতি সংসদে উপস্থাপন করতে হয়। এই বিবৃতিকেই সংবিধানে বার্ষিক আর্থিক বিবৃতি বলা হয়েছে; সাধারণ ভাষায় এটিই বাজেট।
পাশের অনুচ্ছেদগুলো ক্রম ধরে মনে রাখা যায়। ৮১ অর্থবিল, ৮৪ সংযুক্ত তহবিল ও প্রজাতন্ত্রের সরকারি হিসাব, ৮৫ সরকারি অর্থের নিয়ন্ত্রণ, ৮৭ বার্ষিক আর্থিক বিবৃতি, ৮৮ সংযুক্ত তহবিলের উপর দায়যুক্ত ব্যয়, ৯০ নির্দিষ্টকরণ আইন।
৮৮ আর ৮৭ খুব কাছাকাছি এবং দুটিই বাজেটের অংশ বলে গুলিয়ে যায়। মনে রাখুন, বিবৃতি পেশ ৮৭ এ, আর কোন ব্যয়ে সংসদের ভোট লাগে না সেটা ৮৮ এ।
মনে রাখুন: সাতাশি মানে বাজেট পেশ; একাশি মানে অর্থবিল।
২০২. কোনটি সাংবিধানিক পদ নয়? (৪৩তম বিসিএস, ২০২১)
- কপ্রধান নির্বাচন কমিশনার
- খচেয়ারম্যান, পাবলিক সার্ভিস কমিশন
- গচেয়ারম্যান, মানবাধিকার কমিশন
- ঘকনট্রোলার ও অডিটর জেনারেল
সঠিক উত্তর: গ. চেয়ারম্যান, মানবাধিকার কমিশন
প্রশ্নটা সাংবিধানিক পদ আর আইন দিয়ে তৈরি পদের পার্থক্য বুঝতে চেয়েছে। যে প্রতিষ্ঠান বা পদের কথা সংবিধানেই লেখা, সেটি সাংবিধানিক; আর যেটি সংসদের পাস করা আইনে তৈরি, সেটি সংবিধিবদ্ধ।
জাতীয় মানবাধিকার কমিশন গঠিত হয়েছে জাতীয় মানবাধিকার কমিশন আইন, ২০০৯ এর মাধ্যমে। সংবিধানে এই কমিশনের উল্লেখ নেই, তাই এর চেয়ারম্যান সাংবিধানিক পদ নয়।
বাকি তিনটি পদ সংবিধানে আছে। নির্বাচন কমিশন অনুচ্ছেদ ১১৮ এ, মহা হিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক অনুচ্ছেদ ১২৭ এ, আর সরকারি কর্ম কমিশন অনুচ্ছেদ ১৩৭ এ।
একই রকম আইনভিত্তিক প্রতিষ্ঠান হলো দুর্নীতি দমন কমিশন ও তথ্য কমিশন। কমিশন শব্দ দেখেই সব কমিশনকে সাংবিধানিক ভাবা এখানে ফাঁদ।
মনে রাখুন: সংবিধানে আছে নির্বাচন কমিশন ও সরকারি কর্ম কমিশন; মানবাধিকার কমিশন ও দুদক আইনে তৈরি।
২০৩. বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সেক্টরগুলোর মধ্যে কোন খাতে বেশি কর্মসংস্থান হয়? (৪০তম বিসিএস, ২০১৯)
- কনির্মাণ খাত
- খকৃষি খাত
- গসেবা খাত
- ঘশিল্প কারখানা খাত
সঠিক উত্তর: খ. কৃষি খাত
প্রশ্নটা কর্মসংস্থানের দিক থেকে সবচেয়ে বড় খাত জানতে চেয়েছে। পরীক্ষার সময়ের সর্বশেষ শ্রমশক্তি জরিপ ২০১৬-১৭ অনুযায়ী মোট কর্মসংস্থানের প্রায় ৪০ দশমিক ৬ শতাংশ ছিল কৃষি খাতে, যা একক খাত হিসেবে সর্বোচ্চ।
একই জরিপে সেবা খাতে ছিল প্রায় ৩৯ শতাংশ আর শিল্প খাতে প্রায় ২০ দশমিক ৪ শতাংশ। কৃষি ও সেবার ব্যবধান কম, তবু কৃষি এগিয়ে।
লক্ষ্য করুন, জিডিপিতে কৃষির অংশ সবচেয়ে কম হলেও কর্মসংস্থানে সবচেয়ে বেশি। এর মানে কৃষিতে মাথাপিছু উৎপাদনশীলতা কম, অনেক মানুষ মিলে তুলনামূলক কম মূল্য তৈরি করেন।
ফাঁদ হলো সেবা খাত, কারণ জিডিপিতে সেবা খাতের অংশ সবচেয়ে বড়। প্রশ্ন কর্মসংস্থান নিয়ে, জিডিপি নিয়ে নয়।
মনে রাখুন: জিডিপিতে সেবা প্রথম, কর্মসংস্থানে কৃষি প্রথম।
২০৪. ২০১৮ সালে বাংলাদেশের Per Capita GDP (nominal) কত? (৪০তম বিসিএস, ২০১৯)
- ক$ ১,৭৫০ মার্কিন ডলার
- খ$ ১,৭৫১ মার্কিন ডলার
- গ$ ১,৭৫২ মার্কিন ডলার
- ঘ$ ১,৭৫৩ মার্কিন ডলার
সঠিক উত্তর: খ. $ ১,৭৫১ মার্কিন ডলার
প্রশ্নটা ২০১৮ সালের মাথাপিছু আয়ের সংখ্যা জানতে চেয়েছে। পরিসংখ্যান ব্যুরোর চূড়ান্ত হিসাবে ২০১৭-১৮ অর্থবছরে বাংলাদেশের মাথাপিছু আয় ছিল ১ হাজার ৭৫১ মার্কিন ডলার।
প্রশ্নে পার ক্যাপিটা জিডিপি বলা হলেও সংখ্যাটি আসলে মাথাপিছু জাতীয় আয়ের। জাতীয় আয়ে প্রবাসী আয়সহ বিদেশ থেকে আসা নিট আয় যোগ হয়, তাই বাংলাদেশে মাথাপিছু জাতীয় আয় মাথাপিছু জিডিপির চেয়ে বেশি।
২০১৮ সালের এপ্রিলে প্রকাশিত সাময়িক হিসাবে সংখ্যাটি ছিল ১ হাজার ৭৫২ ডলার; সেপ্টেম্বরে চূড়ান্ত হিসাবে তা দাঁড়ায় ১ হাজার ৭৫১ ডলারে। আগের অর্থবছরের ১ হাজার ৬১০ ডলারের তুলনায় এটি প্রায় একশো চল্লিশ ডলার বেশি।
এখানে সব বিকল্প এক ডলারের ব্যবধানে, তাই সংখ্যাটি হুবহু মনে রাখতে হবে। সবচেয়ে বড় ফাঁদ ১ হাজার ৭৫২, যা ছিল সাময়িক হিসাব।
মনে রাখুন: সতেরো-আঠারোর মাথাপিছু আয়: সতেরোশো একান্ন ডলার।
২০৫. আইন ও সালিশ কেন্দ্র কি ধরণের সংস্থা? (৪০তম বিসিএস, ২০১৯)
- কঅর্থনৈতিক
- খমানবাধিকার
- গধর্মীয়
- ঘখেলাধুলা
সঠিক উত্তর: খ. মানবাধিকার
প্রশ্নটা আইন ও সালিশ কেন্দ্র কী ধরনের সংস্থা, তা জানতে চেয়েছে। আইন ও সালিশ কেন্দ্র, সংক্ষেপে আসক, ১৯৮৬ সালে প্রতিষ্ঠিত একটি বেসরকারি মানবাধিকার ও আইন সহায়তা সংস্থা।
সংস্থাটি সুবিধাবঞ্চিত মানুষকে বিনা খরচে আইনি সহায়তা দেয়, নারী ও শিশু নির্যাতন, বিচারবহির্ভূত হত্যা ও অন্যান্য মানবাধিকার লঙ্ঘনের তথ্য সংগ্রহ করে এবং নিয়মিত মানবাধিকার প্রতিবেদন প্রকাশ করে।
নামের মধ্যেই সূত্র আছে। আইন ও সালিশ মানে আইনি সহায়তা এবং বিরোধ মীমাংসা, যা মানুষের অধিকার রক্ষার কাজ।
এ ধরনের প্রশ্নে বাংলাদেশের অন্য মানবাধিকার সংস্থার নামও মনে রাখুন, যেমন অধিকার এবং জাতীয় মানবাধিকার কমিশন, যা সরকারি সংবিধিবদ্ধ প্রতিষ্ঠান।
মনে রাখুন: নামে আইন ও সালিশ, কাজে মানবাধিকার রক্ষা।
২০৬. বাংলাদেশ জাতিসংঘের – (৪০তম বিসিএস, ২০১৯)
- ক১৪৬ তম সদস্য
- খ১৩৬ তম সদস্য
- গ১২৬ তম সদস্য
- ঘ১১৬ তম সদস্য
সঠিক উত্তর: খ. ১৩৬ তম সদস্য
প্রশ্নটা জাতিসংঘে বাংলাদেশের সদস্যপদের ক্রমিক সংখ্যা জানতে চেয়েছে। ১৯৭৪ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশ জাতিসংঘের ১৩৬তম সদস্য হয়।
এর এক সপ্তাহ পর, ২৫ সেপ্টেম্বর, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে প্রথমবার বাংলায় ভাষণ দেন।
সদস্যপদ পেতে দেরি হয়েছিল, কারণ ১৯৭২ সালে নিরাপত্তা পরিষদে চীন বাংলাদেশের সদস্যপদের বিরুদ্ধে ভেটো দেয়। পাকিস্তানের স্বীকৃতির পর ১৯৭৪ সালে বাধা দূর হয়।
বিকল্পগুলো দশের ব্যবধানে সাজানো, তাই সংখ্যা মনে রাখার কৌশল কাজে লাগে: এক তিন ছয়।
মনে রাখুন: এক তিন ছয়, সতেরো সেপ্টেম্বর চুয়াত্তর।
২০৭. বাংলাদেশ প্রথম জাতীয় সংসদের নির্বাচন হয় – (৪০তম বিসিএস, ২০১৯)
- ক৭ ফেব্রুয়ারি , ১৯৭৩
- খ৭ জানুয়ারি, ১৯৭৩
- গ৭ মার্চ, ১৯৭৩
- ঘ৭ এপ্রিল , ১৯৭৩
সঠিক উত্তর: গ. ৭ মার্চ, ১৯৭৩
প্রশ্নটা স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তারিখ জানতে চেয়েছে। নির্বাচনটি হয় ১৯৭৩ সালের ৭ মার্চ।
এই নির্বাচনে তিনশো আসনের মধ্যে আওয়ামী লীগ ২৯৩টি আসনে জয়ী হয়। নতুন সংবিধান কার্যকর হওয়ার পর এটিই ছিল প্রথম সাধারণ নির্বাচন।
প্রথম সংসদের প্রথম অধিবেশন বসে ১৯৭৩ সালের ৭ এপ্রিল। তারিখ দুটি একই সংখ্যা সাত দিয়ে, তাই গুলিয়ে ফেলা সহজ।
ফাঁদ হলো ৭ এপ্রিল, যা প্রথম অধিবেশনের দিন। মনে রাখার উপায়: ৭ মার্চ বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ভাষণের দিন, ঠিক দুই বছর পর একই দিনে প্রথম সংসদ নির্বাচন।
মনে রাখুন: নির্বাচন ৭ মার্চ, অধিবেশন ৭ এপ্রিল, দুটিই ১৯৭৩।
২০৮. ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় জাতিসংঘে কোন দেশ বাংলাদেশের পক্ষে ‘ভেটো’ প্রদান করেছিল? (৪০তম বিসিএস, ২০১৯)
- কযুক্তরাজ্য
- খফ্রান্স
- গযুক্তরাষ্ট্র
- ঘসোভিয়েত ইউনিয়ন
সঠিক উত্তর: ঘ. সোভিয়েত ইউনিয়ন
প্রশ্নটা মুক্তিযুদ্ধের সময় জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে বাংলাদেশের পক্ষে কে ভেটো দিয়েছিল, তা জানতে চেয়েছে। উত্তর সোভিয়েত ইউনিয়ন।
১৯৭১ সালের ডিসেম্বরে যুদ্ধ চূড়ান্ত পর্যায়ে গেলে নিরাপত্তা পরিষদে যুদ্ধবিরতি ও সেনা প্রত্যাহারের প্রস্তাব ওঠে। এমন প্রস্তাব পাস হলে পাকিস্তানি বাহিনী রক্ষা পেত, তাই সোভিয়েত ইউনিয়ন একাধিকবার ভেটো দিয়ে সেগুলো আটকে দেয়।
যুক্তরাষ্ট্র ও চীন ছিল পাকিস্তানের পক্ষে। যুক্তরাজ্য ও ফ্রান্স ভোটদানে বিরত থাকে।
ভেটো ক্ষমতা আছে কেবল পাঁচ স্থায়ী সদস্যের: যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, চীন ও তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়ন। বিকল্পের চারটিই স্থায়ী সদস্য, তাই প্রত্যেকের ভূমিকা জানা জরুরি।
মনে রাখুন: একাত্তরে বন্ধু সোভিয়েত, বিপক্ষে যুক্তরাষ্ট্র ও চীন।
২০৯. বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ৭ই মার্চের ভাষণ সংবিধানের কোন তফসিলে অন্তর্ভু্ক্ত করা হয়েছে? (৪০তম বিসিএস, ২০১৯)
- কচতুর্থ তফসিলে
- খপঞ্চম তফসিলে
- গষষ্ঠ তফসিলে
- ঘসপ্তম তফসিলে
সঠিক উত্তর: খ. পঞ্চম তফসিলে
প্রশ্নটা বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ সংবিধানের কোন তফসিলে আছে, তা জানতে চেয়েছে। ২০১১ সালের পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে ভাষণটি পঞ্চম তফসিলে যুক্ত করা হয়।
একই সংশোধনীতে স্বাধীনতার আরও দুটি দলিল যুক্ত হয়। ষষ্ঠ তফসিলে আছে ২৬ মার্চ ১৯৭১ এর প্রথম প্রহরে বঙ্গবন্ধুর স্বাধীনতার ঘোষণা, আর সপ্তম তফসিলে ১০ এপ্রিল ১৯৭১ এর স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র।
সহজ কৌশল: তিনটি দলিল সময়ের ক্রমে তিনটি তফসিলে বসানো। প্রথমে ৭ মার্চ, তারপর ২৬ মার্চ, তারপর ১০ এপ্রিল; অর্থাৎ পঞ্চম, ষষ্ঠ, সপ্তম।
চতুর্থ তফসিল আলাদা বিষয়ের: এটি ক্রান্তিকালীন ও অস্থায়ী বিধান নিয়ে।
মনে রাখুন: পাঁচ, ছয়, সাত: ভাষণ, ঘোষণা, ঘোষণাপত্র।
২১০. ‘বঙ্গভঙ্গ’ কালে ভারতের ভাইসরয় কে ছিলেন? (৪০তম বিসিএস, ২০১৯)
- কলর্ড কার্জন
- খলর্ড ওয়াভেল
- গলর্ড মাউন্ট ব্যাটেন
- ঘলর্ড লিনলিথগো
সঠিক উত্তর: ক. লর্ড কার্জন
প্রশ্নটা ১৯০৫ সালের বঙ্গভঙ্গের সময়ের ভাইসরয় জানতে চেয়েছে। তখন ভারতের ভাইসরয় ছিলেন লর্ড কার্জন, আর তাঁর উদ্যোগেই বঙ্গভঙ্গ কার্যকর হয়।
প্রশাসনিক সুবিধার কথা বলে বাংলা প্রদেশ ভাগ করে ঢাকাকে রাজধানী করে পূর্ববঙ্গ ও আসাম নামে নতুন প্রদেশ গঠন করা হয়। তীব্র আন্দোলনের মুখে ১৯১১ সালে লর্ড হার্ডিঞ্জের সময় বঙ্গভঙ্গ রদ হয়।
বাকি তিনজন অনেক পরের ভাইসরয়। লর্ড লিনলিথগো ছিলেন দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময়, লর্ড ওয়াভেল তার পরে, আর লর্ড মাউন্টব্যাটেন ১৯৪৭ সালে ভারত ভাগের সময় শেষ ভাইসরয়।
কৌশল: বঙ্গভঙ্গ শুরু শতাব্দীর শুরুতে, তাই বিকল্পের মধ্যে সবচেয়ে আগের ভাইসরয়কে খুঁজুন।
মনে রাখুন: কার্জন ভাগ করেন, হার্ডিঞ্জ জোড়া লাগান।
২১১. বাংলাদেশ প্রথম আদমশুমারি অনুষ্ঠিত হয়? (৪০তম বিসিএস, ২০১৯)
- ক১৯৭২ সালে
- খ১৯৭৩ সালে
- গ১৯৭৪ সালে
- ঘ১৯৭৫ সালে
সঠিক উত্তর: গ. ১৯৭৪ সালে
প্রশ্নটা স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম আদমশুমারি কোন সালে হয়েছিল, তা জানতে চেয়েছে। উত্তর ১৯৭৪ সাল।
আদমশুমারি মানে দেশের সব মানুষকে একটি নির্দিষ্ট সময়ে গুনে তাদের বয়স, লিঙ্গ, শিক্ষা, পেশা ইত্যাদি তথ্য সংগ্রহ করা। বাংলাদেশে এর দায়িত্ব পরিসংখ্যান ব্যুরোর।
প্রথম শুমারির পর সাধারণত দশ বছর পরপর শুমারি হয়েছে: ১৯৮১, ১৯৯১, ২০০১, ২০১১। ২০২২ সালের শুমারি ছিল প্রথম ডিজিটাল জনশুমারি, যার নামও বদলে জনশুমারি ও গৃহগণনা রাখা হয়।
ফাঁদ হলো ১৯৭২ বা ১৯৭৩ বেছে নেওয়া। ১৯৭৫ বিকল্পটিও কাছাকাছি, কিন্তু দ্বিতীয় শুমারি ১৯৮১ সালে হওয়ার হিসাব মনে রাখলে প্রথমটি ১৯৭৪ বলে নিশ্চিত হওয়া যায়।
মনে রাখুন: শুমারির সাল: চুয়াত্তর, একাশি, একানব্বই, দুই হাজার এক, দুই হাজার এগারো, তারপর দুই হাজার বাইশ।
২১২. Inclusive Development Index ( IDI) – এর ভিত্তিতে, দক্ষিণ এশিয়ায় বাংলাদেশের স্থান কত? (৪০তম বিসিএস, ২০১৯)
- কপ্রথম স্থান
- খদ্বিতীয় স্থান
- গতৃতীয় স্থান
- ঘচতুর্থ স্থান
সঠিক উত্তর: খ. দ্বিতীয় স্থান
প্রশ্নটা বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামের ইনক্লুসিভ ডেভেলপমেন্ট ইনডেক্স বা অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়ন সূচকে দক্ষিণ এশিয়ায় বাংলাদেশের অবস্থান জানতে চেয়েছে। ২০১৮ সালের সূচকে দক্ষিণ এশিয়ায় বাংলাদেশ ছিল দ্বিতীয়।
এই সূচক শুধু জিডিপি প্রবৃদ্ধি নয়, বরং প্রবৃদ্ধির সুফল কতটা সমভাবে মানুষের কাছে পৌঁছায় তা মাপে: যেমন বৈষম্য, দারিদ্র্য, কর্মসংস্থান, পরিবেশের টেকসই ব্যবহার ও প্রজন্মান্তরের ন্যায্যতা।
উদীয়মান অর্থনীতির তালিকায় নেপাল ছিল ২২তম, বাংলাদেশ ৩৪তম, শ্রীলঙ্কা ৪০তম, পাকিস্তান ৪৭তম আর ভারত ৬২তম। তাই দক্ষিণ এশিয়ায় নেপাল প্রথম, বাংলাদেশ দ্বিতীয়।
ফাঁদ হলো প্রথম স্থান বেছে নেওয়া, বাংলাদেশের দ্রুত প্রবৃদ্ধির কথা ভেবে। কিন্তু এই সূচকে নেপাল এগিয়ে ছিল।
মনে রাখুন: অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়ন সূচক ২০১৮: দক্ষিণ এশিয়ায় নেপাল এক, বাংলাদেশ দুই।
২১৩. ২০১৮ সালে বাংলাদেশের মোট রপ্তানি আয় কত? (৪০তম বিসিএস, ২০১৯)
- ক$ ৪০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার
- খ$ ৪১ বিলিয়ন মার্কিন ডলার
- গ$ ৪২ বিলিয়ন মার্কিন ডলার
- ঘ$ ৪৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলার
সঠিক উত্তর: খ. $ ৪১ বিলিয়ন মার্কিন ডলার
প্রশ্নটা ২০১৮ সালে বাংলাদেশের মোট রপ্তানি আয় জানতে চেয়েছে। প্রচলিত উত্তর ৪১ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।
রপ্তানির সংখ্যা নির্ভর করে কোন সময় ও কী ধরা হচ্ছে তার ওপর। রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর হিসাবে পণ্য রপ্তানি ২০১৭-১৮ অর্থবছরে ছিল প্রায় ৩৬ দশমিক ৬৭ বিলিয়ন ডলার, আর ২০১৮-১৯ অর্থবছরে প্রায় ৪০ দশমিক ৫৩ বিলিয়ন ডলার। পঞ্জিকাবর্ষ ২০১৮ এর হিসাব দুই অর্থবছরের মাঝামাঝি পড়ে, আর সেবা রপ্তানি যোগ করলে মোট আরও বাড়ে।
রপ্তানি আয়ের সিংহভাগ, প্রায় চার ভাগের তিন ভাগেরও বেশি, আসে তৈরি পোশাক খাত থেকে।
এ ধরনের প্রশ্নে অর্থবছর আর পঞ্জিকাবর্ষ গুলিয়ে না ফেলাই মূল সাবধানতা। এই প্রশ্নের উত্তর গাইডগুলোর প্রচলিত হিসাবের ওপর নির্ভরশীল।
মনে রাখুন: রপ্তানির প্রশ্নে আগে দেখুন অর্থবছর না পঞ্জিকাবর্ষ, শুধু পণ্য না পণ্য ও সেবা।
২১৪. Alliance যে দেশে ভিত্তিক গার্মেন্টস ব্রান্ডগুলোর সংগঠন- (৪০তম বিসিএস, ২০১৯)
- কযুক্তরাজ্যের
- খযুক্তরাষ্ট্রের
- গকানাডার
- ঘইউরোপিয়ান ইউনিয়নের
সঠিক উত্তর: খ. যুক্তরাষ্ট্রের
প্রশ্নটা অ্যালায়েন্স নামের পোশাক ক্রেতা জোট কোন দেশভিত্তিক, তা জানতে চেয়েছে। অ্যালায়েন্স ফর বাংলাদেশ ওয়ার্কার সেফটি ছিল উত্তর আমেরিকার, মূলত যুক্তরাষ্ট্রের ব্র্যান্ড ও খুচরা বিক্রেতাদের জোট।
২০১৩ সালে রানা প্লাজা ধসের পর বাংলাদেশের পোশাক কারখানার ভবন, অগ্নি ও বৈদ্যুতিক নিরাপত্তা পরিদর্শনের জন্য ক্রেতারা দুটি জোট গঠন করে। ওয়ালমার্ট, গ্যাপ, টার্গেটের মতো মার্কিন প্রতিষ্ঠানগুলো যোগ দেয় অ্যালায়েন্সে।
অন্য জোটটির নাম অ্যাকর্ড, যাতে ছিল মূলত ইউরোপের দুই শতাধিক ব্র্যান্ড, যেমন এইচঅ্যান্ডএম ও জারার মালিক প্রতিষ্ঠান। অ্যাকর্ড ছিল ট্রেড ইউনিয়নসহ আইনগতভাবে বাধ্যতামূলক চুক্তি।
ফাঁদ হলো ইউরোপীয় ইউনিয়ন বিকল্প, কারণ দুটি জোটের কথা একসঙ্গে আসে। মনে রাখুন: অ্যালায়েন্স আমেরিকান, অ্যাকর্ড ইউরোপীয়।
মনে রাখুন: অ্যালায়েন্সের এ আমেরিকা, অ্যাকর্ড ইউরোপ।
২১৫. ২০১৮ সালে বাংলাদেশের GDP – তে শিল্প খাতের অবদান কত? (৪০তম বিসিএস, ২০১৯)
- ক২৯.৬৬%
- খ৩০.৬৬%
- গ৩২.৬৬%
- ঘ৩৩.৬৬%
সঠিক উত্তর: ঘ. ৩৩.৬৬%
প্রশ্নটা ২০১৮ সালে জিডিপিতে শিল্প খাতের অবদান জানতে চেয়েছে। সরকারি হিসাবে ২০১৭-১৮ অর্থবছরে শিল্প খাতের অবদান ছিল তেত্রিশ শতাংশের কিছু বেশি, বিকল্পগুলোর মধ্যে যা মেলে ৩৩ দশমিক ৬৬ শতাংশে।
একই সময়ে সেবা খাতের অংশ ছিল অর্ধেকের বেশি, প্রায় ৫২ থেকে ৫৩ শতাংশ, আর কৃষির অংশ প্রায় ১৪ শতাংশ।
শিল্প খাতের অংশ গত কয়েক দশক ধরে বাড়ছে, মূলত তৈরি পোশাক, নির্মাণ ও বিদ্যুৎ খাতের দ্রুত সম্প্রসারণের কারণে। তাই প্রতি বছর এর অংশ আগের বছরের চেয়ে কিছুটা বেশি হয়।
বিকল্পগুলো এক শতাংশের ব্যবধানে সাজানো, তাই আনুমানিক ধারণা যথেষ্ট নয়। মনে রাখুন, তিন খাতের ভাগ মিলে একশো শতাংশ; কৃষি প্রায় চৌদ্দ আর সেবা বাহান্নর বেশি হলে শিল্পের জন্য থাকে তেত্রিশ থেকে চৌত্রিশের ঘর।
মনে রাখুন: বড় তিন খাতের ভাগ মোটামুটি মনে রাখুন: কৃষি চৌদ্দ, শিল্প তেত্রিশ-চৌত্রিশ, সেবা বাহান্ন।
২১৬. ২০১৮-১৯ অর্থ বছরে রপ্তানি প্রণোদনা রাখা হয়েছে- (৪০তম বিসিএস, ২০১৯)
- কসাড়ে ৪ হাজার কোটি টাকা
- খসাড়ে ৫ হাজার কোটি টাকা
- গসাড়ে ৩ হাজার কোটি টাকা
- ঘসাড়ে ৬ হাজার কোটি টাকা
সঠিক উত্তর: ক. সাড়ে ৪ হাজার কোটি টাকা
প্রশ্নটা ২০১৮-১৯ অর্থবছরে রপ্তানি প্রণোদনার বরাদ্দ জানতে চেয়েছে। সে বছর রপ্তানিকারকদের নগদ সহায়তার জন্য মোট সাড়ে চার হাজার কোটি টাকা, অর্থাৎ পঁয়তাল্লিশ বিলিয়ন টাকা রাখা হয়।
রপ্তানি প্রণোদনা মানে রপ্তানিকারকদের রপ্তানি মূল্যের নির্দিষ্ট অংশ নগদ টাকায় ফেরত দেওয়া। এর উদ্দেশ্য বিশ্ববাজারে দেশীয় পণ্যকে প্রতিযোগিতায় টিকিয়ে রাখা এবং নতুন পণ্য ও নতুন বাজারে রপ্তানিকে উৎসাহিত করা।
তৈরি পোশাক ছাড়াও পাট, চামড়া, কৃষিপণ্য, হিমায়িত চিংড়ি, হালকা প্রকৌশল পণ্যের মতো খাত এই সুবিধা পায়। ২০১৮-১৯ অর্থবছরে তালিকায় নতুন ৯টি পণ্য যোগ হয়ে মোট পণ্যের সংখ্যা দাঁড়ায় ৩৫।
বিকল্পগুলো এক হাজার কোটির ব্যবধানে সাজানো। সংখ্যাটি মনে রাখার উপায়: সাড়ে চার হাজার কোটি মানে পঁয়তাল্লিশ বিলিয়ন টাকা।
মনে রাখুন: সাড়ে চার হাজার কোটি মানে পঁয়তাল্লিশ বিলিয়ন টাকা।
২১৭. বাংলাদেশে প্রথম ভ্যাট (VAT) চালু হয়- (৪০তম বিসিএস, ২০১৯)
- ক১৯৯১ সালে
- খ১৯৭৩ সালে
- গ১৯৮৬ সালে
- ঘ১৯৯৬ সালে
সঠিক উত্তর: ক. ১৯৯১ সালে
প্রশ্নটা বাংলাদেশে মূল্য সংযোজন কর বা ভ্যাট কবে চালু হয়, তা জানতে চেয়েছে। মূল্য সংযোজন কর আইন ১৯৯১ এর আওতায় ১৯৯১ সালের ১ জুলাই দেশে ভ্যাট চালু হয়।
ভ্যাট হলো পরোক্ষ কর, যা পণ্য বা সেবার প্রতিটি হাতবদলের ধাপে শুধু সংযোজিত মূল্যের ওপর আদায় হয়। আগের বিক্রয় করের তুলনায় এতে করের ওপর কর চাপার সমস্যা কমে।
পরে মূল্য সংযোজন কর ও সম্পূরক শুল্ক আইন ২০১২ প্রণীত হয়, যা কার্যকর হয় ২০১৯ সালের ১ জুলাই। ভ্যাট আদায় করে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড।
ফাঁদ হলো ১৯৯৬ বা ১৯৮৬ বেছে নেওয়া। মনে রাখুন, ভ্যাট এসেছে ১৯৯১ সালের আইনে; আর নতুন আইন প্রণীত হয় ২০১২ সালে, কার্যকর হয় ২০১৯ সালে।
মনে রাখুন: একানব্বইয়ে ভ্যাট এল, উনিশে নতুন আইন চালু হলো।
২১৮. সংবিধানের কোন সংশোধনকে ‘first distortion of constitution’ বলে আখ্যায়িত করা হয়? (৪০তম বিসিএস, ২০১৯)
- ক৫ম সংশোধনকে
- খ৪ র্থ সংশোধনকে
- গ৩ য় সংশোধনকে
- ঘ২ য় সংশোধনকে
সঠিক উত্তর: ক. ৫ম সংশোধনকে
প্রশ্নটা জানতে চেয়েছে কোন সংশোধনীকে সংবিধানের প্রথম বিকৃতি বলা হয়। প্রচলিত উত্তর পঞ্চম সংশোধনী।
১৯৭৯ সালে পাস হওয়া পঞ্চম সংশোধনী ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট থেকে ১৯৭৯ সালের এপ্রিল পর্যন্ত সামরিক শাসনামলের সব ফরমান, আদেশ ও কার্যক্রমকে বৈধতা দেয়। একই সঙ্গে সামরিক ফরমানের মাধ্যমে সংবিধানের মূলনীতিতে আনা পরিবর্তন, যেমন ধর্মনিরপেক্ষতা বাদ দেওয়া, স্থায়ী রূপ পায়।
সংসদের বাইরে সামরিক ফরমানে সংবিধান বদলানো এবং পরে তা বৈধ করার কারণেই একে সংবিধানের বিকৃতি বলা হয়। ২০১০ সালে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ এই সংশোধনীকে অবৈধ ঘোষণা করে।
ফাঁদ হলো চতুর্থ সংশোধনী। ১৯৭৫ সালের এই সংশোধনী একদলীয় রাষ্ট্রপতিশাসিত ব্যবস্থা আনে এবং কেউ কেউ এর সমালোচনাও করেন, তবে প্রচলিত উত্তরে প্রথম বিকৃতি বলা হয় পঞ্চম সংশোধনীকে।
মনে রাখুন: সামরিক শাসনের বৈধতা দেওয়া সংশোধনী দুটি: পঞ্চম ও সপ্তম; প্রথমটি পঞ্চম।
২১৯. স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র সংবিধানের কততম তফসিলে সংযোজন করা হয়েছে? (৪০তম বিসিএস, ২০১৯)
- কচতুর্থ
- খপঞ্চম
- গষষ্ঠ
- ঘসপ্তম
সঠিক উত্তর: ঘ. সপ্তম
প্রশ্নটা স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র সংবিধানের কোন তফসিলে আছে, তা জানতে চেয়েছে। ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল মুজিবনগর সরকার যে স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র জারি করে, তা আছে সপ্তম তফসিলে।
এই ঘোষণাপত্রের ভিত্তিতেই মুজিবনগর সরকার গঠিত হয় এবং ১৭ এপ্রিল শপথ নেয়। একে বাংলাদেশের প্রথম অন্তর্বর্তীকালীন সংবিধানও বলা হয়।
২০১১ সালের পঞ্চদশ সংশোধনীতে তিনটি দলিল যুক্ত হয়: পঞ্চম তফসিলে ৭ মার্চের ভাষণ, ষষ্ঠ তফসিলে ২৬ মার্চের স্বাধীনতার ঘোষণা, সপ্তম তফসিলে ১০ এপ্রিলের স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র।
ফাঁদ হলো ষষ্ঠ তফসিল। স্বাধীনতার ঘোষণা আর স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র দুটি আলাদা দলিল; পত্র শব্দটিই পার্থক্য গড়ে দেয়।
মনে রাখুন: ঘোষণা ষষ্ঠে, ঘোষণাপত্র সপ্তমে: পত্র যোগ হলে তফসিলও এক বাড়ে।
২২০. গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান প্রবর্তিত হয়- (৪০তম বিসিএস, ২০১৯)
- ক১৭ এপ্রিল , ১৯৭১
- খ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭২
- গ৭ মার্চ , ১৯৭২
- ঘ২৬ মার্চ, ১৯৭৩
সঠিক উত্তর: খ. ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭২
প্রশ্নটা বাংলাদেশের সংবিধান কবে প্রবর্তিত বা কার্যকর হয়, তা জানতে চেয়েছে। সংবিধান কার্যকর হয় ১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর, বিজয়ের প্রথম বার্ষিকীতে।
এর আগে ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর গণপরিষদে সংবিধান গৃহীত হয়। তাই দুটি তারিখ আলাদা: ৪ নভেম্বর গৃহীত, ১৬ ডিসেম্বর প্রবর্তিত।
ড. কামাল হোসেনের নেতৃত্বে চৌত্রিশ সদস্যের খসড়া কমিটি সংবিধান প্রণয়ন করে। স্বাধীনতার এক বছরের মধ্যেই পুরো প্রক্রিয়া শেষ হয়।
ফাঁদ হলো ১৭ এপ্রিল ১৯৭১, যেদিন মুজিবনগর সরকার শপথ নেয়। সেটি স্বাধীনতার ঘোষণাপত্রের সঙ্গে যুক্ত, সংবিধানের সঙ্গে নয়।
মনে রাখুন: গৃহীত ৪ নভেম্বর, প্রবর্তিত ১৬ ডিসেম্বর, দুটিই ১৯৭২।