আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি · পাতা ২
২১. চীনের উদ্যোগে চালু করা 'বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভ'(BRI)-এর প্রাথমিক লক্ষ্য কী? (৫০তম বিসিএস, ২০২৬)
- কএকটি নতুন আন্তর্জাতিক মুদ্রা প্রতিষ্ঠা করা
- খনৌ ঘাঁটির মাধ্যমে বিশ্বব্যাপী অর্থনৈতিক সম্প্রসারণ
- গবিশ্বব্যাপী অর্থনৈতিক উন্নয়নে অর্থায়ন
- ঘবাণিজ্য এবং অবকাঠামোর একটি বিশ্বব্যাপী নেটওয়ার্ক তৈরি করা
সঠিক উত্তর: ঘ. বাণিজ্য এবং অবকাঠামোর একটি বিশ্বব্যাপী নেটওয়ার্ক তৈরি করা
প্রশ্নটা যাচাই করছে চীনের বেল্ট অ্যান্ড রোড উদ্যোগের মূল লক্ষ্য। উত্তর বাণিজ্য ও অবকাঠামোর একটি বিশ্বব্যাপী নেটওয়ার্ক তৈরি। সড়ক, রেল, বন্দর, জ্বালানি লাইনের মতো অবকাঠামো দিয়ে এশিয়া, ইউরোপ ও আফ্রিকাকে চীনের সঙ্গে যুক্ত করাই এর ভাবনা।
নামের দুই অংশ দুই পথ বোঝায়। বেল্ট হলো স্থলপথের সিল্ক রোড অর্থনৈতিক বলয়, যা শি জিনপিং ২০১৩ সালের সেপ্টেম্বরে কাজাখস্তানে ঘোষণা করেন। রোড হলো একুশ শতকের সামুদ্রিক সিল্ক রোড, যা ঘোষিত হয় একই বছরের অক্টোবরে ইন্দোনেশিয়ায়।
বাংলাদেশ ২০১৬ সালের অক্টোবরে শি জিনপিংয়ের ঢাকা সফরের সময় এই উদ্যোগে সহযোগিতার দলিলে সই করে।
ফাঁদ হলো অর্থায়ন। এই উদ্যোগে চীন প্রচুর ঋণ দেয়, কিন্তু ঋণ হলো উপায়, লক্ষ্য নয়; লক্ষ্য হলো সংযোগের নেটওয়ার্ক। আর কিছু বন্দর নিয়ে কৌশলগত সন্দেহ থাকলেও উদ্যোগটির ঘোষিত লক্ষ্য নৌঘাঁটি নয়।
মনে রাখুন: নামেই উত্তর: বেল্ট আর রোড মানে পথ, আর পথ মানে সংযোগের নেটওয়ার্ক।
২২. আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা আলোচনায় নিচের কোন্ সাইবার হুমকিটি ক্রমবর্ধমানভাবে তাৎপর্যপূর্ণ হয়ে উঠেছে? (৫০তম বিসিএস, ২০২৬)
- কফিশিং (Phishing)
- খস্প্যাম ইমেইল (Spam e-mail)
- গর্যানসমওয়ার অ্যাটাক (Ransomware Attack)
- ঘপরিচয় চুরি (Identity Theft)
সঠিক উত্তর: গ. র্যানসমওয়ার অ্যাটাক (Ransomware Attack)
প্রশ্নটা জানতে চায় কোন সাইবার হুমকি এখন শুধু ব্যক্তিগত অপরাধ নয়, রাষ্ট্রের নিরাপত্তার বিষয় হয়ে উঠেছে। উত্তর র্যানসমওয়্যার আক্রমণ। এতে ক্ষতিকর প্রোগ্রাম কম্পিউটারের ফাইল তালাবদ্ধ বা এনক্রিপ্ট করে, আর খুলে দেওয়ার বিনিময়ে মুক্তিপণ দাবি করে।
এটি নিরাপত্তার বিষয় কারণ লক্ষ্য হয় হাসপাতাল, জ্বালানি সরবরাহ, বন্দরের মতো গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো। ২০১৭ সালে ওয়ানাক্রাই আক্রমণে ব্রিটেনের জাতীয় স্বাস্থ্যসেবাসহ বহু দেশের প্রতিষ্ঠান অচল হয়, আর ২০২১ সালের মে মাসে কলোনিয়াল পাইপলাইন আক্রমণে যুক্তরাষ্ট্রের পূর্ব উপকূলে জ্বালানি সংকট দেখা দেয়।
তাই এটি আন্তর্জাতিক আলোচনায় এসেছে: ২০২১ সালের অক্টোবরে যুক্তরাষ্ট্রের উদ্যোগে ত্রিশটির বেশি দেশ নিয়ে র্যানসমওয়্যার মোকাবিলার আন্তর্জাতিক উদ্যোগ শুরু হয়।
ফিশিং, স্প্যাম ও পরিচয় চুরিও সাইবার অপরাধ, তবে এগুলোর শিকার সাধারণত ব্যক্তি। ফিশিং প্রায়ই আক্রমণের প্রবেশপথ হিসেবে ব্যবহৃত হয় বলে অনেকে এটাকেই বেছে নেন; কিন্তু অবকাঠামো অচল করে দেওয়া চূড়ান্ত আঘাতটি র্যানসমওয়্যার।
মনে রাখুন: নিরাপত্তা বা রাষ্ট্র শব্দ থাকলে সেই হুমকি খুঁজুন যা অবকাঠামো অচল করে: র্যানসমওয়্যার।
২৩. '_______ কনভেনশন' বিপজ্জনক বর্জ্যের আন্তঃসীমান্ত পরিবহন নিয়ন্ত্রণ করে। (৫০তম বিসিএস, ২০২৬)
- কস্টকহোম
- খরোটারডাম
- গবাসেল
- ঘমিনামাটা
সঠিক উত্তর: গ. বাসেল
প্রশ্নটা যাচাই করছে বিপজ্জনক বর্জ্য এক দেশ থেকে আরেক দেশে নেওয়া নিয়ন্ত্রণের আন্তর্জাতিক চুক্তি কোনটি। উত্তর বাসেল কনভেনশন। সুইজারল্যান্ডের বাসেলে ২২ মার্চ ১৯৮৯ এটি গৃহীত হয়।
পটভূমি হলো ধনী দেশগুলো থেকে বিষাক্ত বর্জ্য সস্তায় গরিব দেশে ফেলে দেওয়ার প্রবণতা। বাসেল কনভেনশন এমন পরিবহনের আগে গ্রহীতা দেশের লিখিত সম্মতি বাধ্যতামূলক করে এবং বর্জ্যের পরিবেশসম্মত ব্যবস্থাপনা চায়।
রাসায়নিক ও বর্জ্যবিষয়ক আরও তিনটি চুক্তি প্রায়ই একসঙ্গে আসে। রটারডাম কনভেনশন, ১৯৯৮, ক্ষতিকর রাসায়নিক ও কীটনাশক বাণিজ্যে আগাম অবহিত সম্মতির নিয়ম করে। স্টকহোম কনভেনশন, ২০০১, স্থায়ী জৈব দূষক নিয়ে। মিনামাতা কনভেনশন, ২০১৩, পারদ নিয়ে।
ফাঁদ হলো রটারডাম, কারণ এটিও আন্তঃসীমান্ত বাণিজ্য আর সম্মতির কথা বলে। পার্থক্য হলো রটারডাম রাসায়নিক পণ্যের বাণিজ্য নিয়ে, আর বাসেল বর্জ্যের পরিবহন নিয়ে।
মনে রাখুন: বর্জ্য মানে বাসেল, রাসায়নিক বাণিজ্য মানে রটারডাম, দূষক মানে স্টকহোম, পারদ মানে মিনামাতা।
২৪. পারস্য উপসাগর থেকে জালানী তেলের প্রবাহ রক্ষায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র তাদের '_______ ডকট্রিন' অনুসরণ করে? (৫০তম বিসিএস, ২০২৬)
- কমনরো
- খট্রুম্যান
- গবুশ
- ঘকার্টার
সঠিক উত্তর: ঘ. কার্টার
প্রশ্নটা যাচাই করছে পারস্য উপসাগর রক্ষায় মার্কিন নীতির নাম। উত্তর কার্টার ডকট্রিন। প্রেসিডেন্ট জিমি কার্টার ২৩ জানুয়ারি ১৯৮০ কংগ্রেসে স্টেট অব দ্য ইউনিয়ন ভাষণে এটি ঘোষণা করেন। প্রশ্নে ছাপা ‘জালানী’ বানানটি ভুল; প্রমিত বানান ‘জ্বালানি’।
ঘোষণার মূল কথা: কোনো বহিঃশক্তি পারস্য উপসাগর অঞ্চলের নিয়ন্ত্রণ নিতে চাইলে তা যুক্তরাষ্ট্রের অত্যাবশ্যক স্বার্থে আঘাত বলে গণ্য হবে, এবং প্রয়োজনে সামরিক শক্তি দিয়ে তা ঠেকানো হবে। প্রেক্ষাপট ছিল ১৯৭৯ সালের শেষে আফগানিস্তানে সোভিয়েত হস্তক্ষেপ, ইরানের বিপ্লব আর তেল সংকট।
অন্য তিনটি ডকট্রিনও মার্কিন পররাষ্ট্রনীতির, তাই বিভ্রান্তি হয়। মনরো ডকট্রিন, ১৮২৩, আমেরিকা মহাদেশে ইউরোপীয় হস্তক্ষেপের বিরোধিতা করে। ট্রুম্যান ডকট্রিন, ১৯৪৭, কমিউনিজম ঠেকাতে গ্রিস ও তুরস্ককে সহায়তা দিয়ে শুরু হয়। বুশ ডকট্রিন এগারো সেপ্টেম্বরের হামলার পর আগাম আক্রমণের নীতি।
সবচেয়ে বড় ফাঁদ বুশ ডকট্রিন, কারণ বুশ প্রশাসনের ইরাক যুদ্ধ মধ্যপ্রাচ্যের সঙ্গে যুক্ত। কিন্তু উপসাগরের তেলপ্রবাহ রক্ষার প্রকাশ্য অঙ্গীকার প্রথম আসে কার্টারের ঘোষণায়।
মনে রাখুন: উপসাগর আর তেল শব্দ একসঙ্গে দেখলেই কার্টার ডকট্রিন, ১৯৮০।
২৫. সম্প্রতি পেরুতে খুঁজে পাওয়া ৩৫০০ বছরের পুরোনো শহরের নাম কী? (৪৭তম বিসিএস, ২০২৫)
- কমাচুপিচু
- খকোরাল
- গপেনিকো
- ঘকুস্কো
সঠিক উত্তর: গ. পেনিকো
২০২৫ সালের জুলাইয়ে পেরুর প্রত্নতত্ত্ববিদরা প্রায় সাড়ে তিন হাজার বছরের পুরোনো নগর পেনিকো দর্শনার্থীদের জন্য উন্মুক্ত করেন। নগরটি পেরুর উত্তরের বারানকা প্রদেশে।
আট বছরের গবেষণার পর এটি উন্মুক্ত হয়। ধারণা করা হয়, কাছের প্রাচীন কারাল নগরের মানুষ তাদের বড় নগর ছেড়ে যাওয়ার সময় পেনিকো গড়ে ওঠে, এবং এটি উপকূল ও আন্দিজ পর্বত অঞ্চলের মধ্যে বাণিজ্যের কেন্দ্র ছিল।
ফাঁদ হলো কারাল, যা বিকল্পে কোরাল লেখা। কারাল প্রায় পাঁচ হাজার বছরের পুরোনো, আমেরিকা মহাদেশের প্রাচীনতম পরিচিত সভ্যতা, এবং এটি আগেই পরিচিত; সম্প্রতি উন্মুক্ত নগর পেনিকো।
মনে রাখুন: নতুন খবর পেনিকো, পুরোনো খবর কারাল।
২৬. ১৯৪৭ সালে প্যালেস্টাইনকে বিভাজনের পরিকল্পনা জাতিসংঘের কোন প্রস্তাবের মাধ্যমে গৃহীত হয়? (৪৭তম বিসিএস, ২০২৫)
- ক১৮০ নং প্রস্তাব
- খ১৮১ নং প্রস্তাব
- গ১৬০ নং প্রস্তাব
- ঘ১৬১ নং প্রস্তাব
সঠিক উত্তর: খ. ১৮১ নং প্রস্তাব
১৯৪৭ সালের ২৯ নভেম্বর জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ ১৮১ নম্বর প্রস্তাব গ্রহণ করে, যা ফিলিস্তিন বিভাজন পরিকল্পনা নামে পরিচিত।
এই প্রস্তাবে ব্রিটিশ ম্যান্ডেটের অধীন ফিলিস্তিনকে একটি আরব ও একটি ইহুদি রাষ্ট্রে ভাগ করার এবং জেরুজালেমকে আন্তর্জাতিক তত্ত্বাবধানে রাখার কথা বলা হয়। আরব দেশগুলো প্রস্তাবটি মেনে নেয়নি; পরের বছর ইসরায়েল রাষ্ট্র ঘোষণা হয় এবং প্রথম আরব-ইসরায়েল যুদ্ধ শুরু হয়।
বাকি নম্বরগুলো কাছাকাছি সংখ্যা দিয়ে বিভ্রান্ত করার জন্য। মনে রাখার উপায়: সাতচল্লিশের বিভাজন, এক আট এক।
মনে রাখুন: ফিলিস্তিন বিভাজন: সাধারণ পরিষদের প্রস্তাব ১৮১, ১৯৪৭।
২৭. নিম্নের কোন দেশটি 'গোলান হাইটস্' বিরোধের একটি পক্ষ? (৪৭তম বিসিএস, ২০২৫)
- কলেবানন
- খজর্ডান
- গসিরিয়া
- ঘসৌদি আরব
সঠিক উত্তর: গ. সিরিয়া
গোলান মালভূমি সিরিয়ার ভূখণ্ড। ১৯৬৭ সালের ছয় দিনের যুদ্ধে ইসরায়েল এটি দখল করে, তাই বিরোধের দুই পক্ষ সিরিয়া ও ইসরায়েল।
১৯৮১ সালে ইসরায়েল গোলানে নিজের আইন প্রয়োগ করে কার্যত এটিকে নিজের অংশ করে নেয়। জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদ সেই পদক্ষেপকে অকার্যকর ঘোষণা করে, আর আন্তর্জাতিকভাবে গোলানকে দখলকৃত সিরীয় ভূখণ্ডই ধরা হয়।
উঁচু মালভূমি হওয়ায় এখান থেকে উত্তর ইসরায়েল ও দামেস্কের দিকে নজর রাখা যায়, আবার জর্ডান নদীর উৎস অঞ্চলের পানিও এর সঙ্গে জড়িত; তাই এর কৌশলগত গুরুত্ব অনেক।
ফাঁদ হলো লেবানন, যার শেবা ফার্মস নামে কাছাকাছি একটি ছোট এলাকা নিয়ে আলাদা বিরোধ আছে।
মনে রাখুন: গোলান: সিরিয়া বনাম ইসরায়েল; শেবা ফার্মস: লেবানন।
২৮. নিচের কোন সভ্যতার সময়কালে ওজন পরিমাপ ও দৈর্ঘ্য মাপার পদ্ধতি আবিষ্কার হয়েছিল? (৪৭তম বিসিএস, ২০২৫)
- কসিন্ধু সভ্যতা
- খমিশরীয় সভ্যতা
- গগ্রিক সভ্যতা
- ঘঅ্যাসেরীয় সভ্যতা
সঠিক উত্তর: ক. সিন্ধু সভ্যতা
প্রচলিত উত্তর অনুযায়ী ওজন ও দৈর্ঘ্য মাপার মানসম্মত পদ্ধতির জন্য সিন্ধু সভ্যতা বিখ্যাত। হরপ্পা ও মহেঞ্জোদারোসহ বিভিন্ন নগরে একই মাপের পাথরের বাটখারা পাওয়া গেছে।
এই বাটখারাগুলো ঘনক আকৃতির এবং একটি নির্দিষ্ট অনুপাতে ছোট থেকে বড় সাজানো, যা দূরের নগরগুলোতেও একই রকম। লোথালে দাগকাটা হাতির দাঁতের মাপকাঠি পাওয়া গেছে, যা দিয়ে দৈর্ঘ্য মাপা হতো। এতে বোঝা যায় বাণিজ্য ও নগর পরিকল্পনায় একটি অভিন্ন মাপের ব্যবস্থা চালু ছিল।
সিন্ধু সভ্যতা পরিকল্পিত নগর, সোজা রাস্তা ও উন্নত পয়ঃনিষ্কাশনের জন্যও পরিচিত। প্রশ্নে মাপজোকের সঙ্গে নগর পরিকল্পনার যোগ মনে রাখলেই এই উত্তর আসে।
মনে রাখুন: মাপজোক আর পরিকল্পিত নগর মানেই সিন্ধু সভ্যতা।
২৯. ন্যাটো (NATO) চার্টারের কোন ধারায় সম্মিলিত প্রতিরক্ষার কথা উল্লেখ আছে? (৪৭তম বিসিএস, ২০২৫)
- কআর্টিকেল-২
- খআর্টিকেল-৩
- গআর্টিকেল-৫
- ঘআর্টিকেল-৬
সঠিক উত্তর: গ. আর্টিকেল-৫
ন্যাটো চুক্তির পাঁচ নম্বর অনুচ্ছেদে সম্মিলিত প্রতিরক্ষার কথা আছে: ইউরোপ বা উত্তর আমেরিকায় কোনো সদস্যের ওপর সশস্ত্র আক্রমণ মানে সব সদস্যের ওপর আক্রমণ।
এই অনুচ্ছেদ জাতিসংঘ সনদের একান্ন অনুচ্ছেদে স্বীকৃত আত্মরক্ষার অধিকারের ভিত্তিতে তৈরি। এটি একবারই প্রয়োগ হয়েছে, ২০০১ সালের ১১ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্রে হামলার পর।
ছয় নম্বর অনুচ্ছেদ পাঁচের সঙ্গে জড়িত, তাই এটি বড় ফাঁদ। ছয় অনুচ্ছেদ শুধু ঠিক করে দেয় কোন এলাকায় আক্রমণ হলে পাঁচ অনুচ্ছেদ খাটবে; প্রতিরক্ষার অঙ্গীকার নিজে পাঁচ অনুচ্ছেদে।
মনে রাখুন: ন্যাটোর হৃদয় পাঁচ নম্বর অনুচ্ছেদ।
৩০. রোম সংবিধি (Rome Statute) এর ফলে কোন সংস্থাটি প্রতিষ্ঠিত হয়? (৪৭তম বিসিএস, ২০২৫)
- কInternational Court of Justice (ICJ)
- খInternational Criminal Court (ICC)
- গInternational Atomic Energy Agency (IAEA)
- ঘEuropean Union (EU)
সঠিক উত্তর: খ. International Criminal Court (ICC)
রোম সংবিধির মাধ্যমে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত প্রতিষ্ঠিত হয়। সংবিধিটি ১৯৯৮ সালের ১৭ জুলাই রোমে গৃহীত হয় এবং ২০০২ সালের ১ জুলাই কার্যকর হয়।
আদালতটি নেদারল্যান্ডসের হেগে অবস্থিত। এটি ব্যক্তির বিচার করে, রাষ্ট্রের নয়; অপরাধগুলো হলো গণহত্যা, মানবতাবিরোধী অপরাধ, যুদ্ধাপরাধ ও আগ্রাসন। বাংলাদেশ রোম সংবিধির পক্ষভুক্ত দেশ।
বড় ফাঁদ হলো আন্তর্জাতিক বিচার আদালত। সেটিও হেগে, কিন্তু তা ১৯৪৫ সালের জাতিসংঘ সনদের মাধ্যমে গঠিত এবং রাষ্ট্রে রাষ্ট্রে বিরোধের নিষ্পত্তি করে।
আরেকটি ফাঁদ ইউরোপীয় ইউনিয়ন, কারণ ১৯৫৭ সালের রোম চুক্তি ইউরোপীয় অর্থনৈতিক সম্প্রদায় গঠন করেছিল; সেটা রোম চুক্তি, রোম সংবিধি নয়।
মনে রাখুন: রোম সংবিধি মানে অপরাধ আদালত, রোম চুক্তি মানে ইউরোপীয় অর্থনৈতিক সম্প্রদায়।
৩১. কোন দেশগুলো মেডিসিন লাইন/সীমানা দ্বারা বিভক্ত? (৪৭তম বিসিএস, ২০২৫)
- কব্রাজিল ও বলিভিয়া
- খযুক্তরাষ্ট্র ও কানাডা
- গজার্মানি ও পোল্যান্ড
- ঘমিশর ও সুদান
সঠিক উত্তর: খ. যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডা
মেডিসিন লাইন বলা হয় যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডার সীমান্তকে, বিশেষ করে উনপঞ্চাশ ডিগ্রি অক্ষরেখা বরাবর অংশকে।
নামটি দিয়েছিল উত্তর আমেরিকার আদিবাসীরা। উনিশ শতকে যুক্তরাষ্ট্রের সেনারা আদিবাসীদের তাড়া করে এই সীমান্তে এসে থেমে যেত, ওপারে কানাডায় ঢুকত না। ১৮৭৬ সালের লিটল বিগহর্ন যুদ্ধের পর লাকোটা নেতা সিটিং বুলের দল সীমান্ত পেরিয়ে কানাডায় আশ্রয় নেয়। আদিবাসীদের চোখে এই অদৃশ্য রেখা যেন জাদুকরী সুরক্ষা দিত, তাই নাম মেডিসিন লাইন।
সীমারেখার অন্য পরিচিত নামগুলোর সঙ্গে গুলিয়ে ফেলবেন না: ভারত ও পাকিস্তানের সীমা র্যাডক্লিফ লাইন, পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের সীমা ডুরান্ড লাইন, জার্মানি ও পোল্যান্ডের সীমা ওডার নাইসে লাইন।
মনে রাখুন: মেডিসিন লাইন মানে উনপঞ্চাশ ডিগ্রি অক্ষরেখার যুক্তরাষ্ট্র-কানাডা সীমান্ত।
৩২. বাংলাদেশ কখন নারীর বিরুদ্ধে সকল প্রকার বৈষম্য (CEDAW) দূরীকরণ সনদে সম্মতি জানায়? (৪৭তম বিসিএস, ২০২৫)
- ক১০ ডিসেম্বর ১৯৮৪
- খ৬ নভেম্বর ১৯৮৪
- গ৫ আগস্ট ১৯৮৫
- ঘ২ ফেব্রুয়ারি ১৯৮৭
সঠিক উত্তর: খ. ৬ নভেম্বর ১৯৮৪
বাংলাদেশ ১৯৮৪ সালের ৬ নভেম্বর নারীর প্রতি সব ধরনের বৈষম্য বিলোপ সনদ, সংক্ষেপে সিডও, পক্ষভুক্ত হয়। বাংলাদেশ আগে সই না করে সরাসরি যোগদানের মাধ্যমে, অর্থাৎ অ্যাকসেশন পদ্ধতিতে, এই সনদের পক্ষ হয়।
সনদটি জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে ১৯৭৯ সালের ১৮ ডিসেম্বর গৃহীত হয় এবং ১৯৮১ সালে কার্যকর হয়। নারীর অধিকার নিয়ে সবচেয়ে বিস্তৃত আন্তর্জাতিক দলিল বলে একে নারীর অধিকারের আন্তর্জাতিক বিল বলা হয়।
বাংলাদেশ যোগদানের সময় কয়েকটি ধারায় আপত্তি বা সংরক্ষণ রাখে, যার মধ্যে দুই নম্বর ধারা আছে; এ নিয়ে নারী অধিকারকর্মীরা দীর্ঘদিন সংরক্ষণ তুলে নেওয়ার দাবি জানিয়ে আসছেন।
ফাঁদ হলো ১০ ডিসেম্বর ১৯৮৪। ওই দিন জাতিসংঘ নির্যাতনবিরোধী সনদ গৃহীত হয়, আর ১০ ডিসেম্বর মানবাধিকার দিবস; তাই তারিখটি চেনা মনে হয়।
মনে রাখুন: সিডও: গৃহীত ১৯৭৯, বাংলাদেশের অনুমোদন ৬ নভেম্বর ১৯৮৪।
৩৩. যুক্তরাষ্ট্রের পরিচালিত 'অপারেশন মিডনাইট হ্যামার' ইরানে কবে হামলা করে? (৪৭তম বিসিএস, ২০২৫)
- ক২০ জুন ২০২৫
- খ২১ জুন ২০২৫
- গ২২ জুন ২০২৫
- ঘ২৩ জুন ২০২৫
সঠিক উত্তর: গ. ২২ জুন ২০২৫
অপারেশন মিডনাইট হ্যামারে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের তিনটি পারমাণবিক স্থাপনায় হামলা চালায়: ফোর্দো, নাতানজ ও ইস্পাহান। ইরানের স্থানীয় সময়ে হামলা শুরু হয় ২০২৫ সালের ২২ জুন রাত দুইটার পর, তাই নির্ধারিত উত্তর ২২ জুন।
হামলায় সাতটি বি টু স্টেলথ বোমারু বিমান মাটির গভীরে আঘাত হানার উপযোগী বিশাল বাংকার বাস্টার বোমা ফেলে, প্রধানত ফোর্দোর পাহাড়ের নিচের স্থাপনায়। একটি সাবমেরিন থেকে টমাহক ক্ষেপণাস্ত্রও ছোড়া হয়।
সময় অঞ্চলের পার্থক্যটা বোঝা জরুরি। যুক্তরাষ্ট্রের পূর্বাঞ্চলীয় সময়ে তখন ২১ জুন সন্ধ্যা, তাই মার্কিন সূত্রে ২১ জুন লেখা হতে পারে। ইরান ও এশিয়ার হিসাবে তারিখটি ২২ জুন।
২৩ জুনও একটি ফাঁদ: ওই দিন ইরান কাতারে যুক্তরাষ্ট্রের আল উদেইদ ঘাঁটিতে পাল্টা ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায়।
মনে রাখুন: যে দেশে হামলা, সেই দেশের সময়ে তারিখ ধরুন: ইরানে ২২ জুন।
৩৪. আফগানিস্তানের তালেবান সরকারকে বৈধ কর্তৃপক্ষ হিসেবে স্বীকৃতি প্রদানকারী প্রথম রাষ্ট্র কোনটি? (৪৭তম বিসিএস, ২০২৫)
- কইরাক
- খচীন
- গরাশিয়া
- ঘপাকিস্তান
সঠিক উত্তর: গ. রাশিয়া
২০২১ সালের আগস্টে তালেবান দ্বিতীয়বার আফগানিস্তানের ক্ষমতা দখল করে। এই সরকারকে প্রথম দেশ হিসেবে আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি দেয় রাশিয়া, ২০২৫ সালের ৩ জুলাই।
রাশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় তালেবান নিয়োজিত রাষ্ট্রদূতের পরিচয়পত্র গ্রহণ করে এবং জানায়, এতে দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা বাড়বে।
চীন একটি বড় ফাঁদ। ২০২৪ সালের শুরুতে চীন তালেবান নিয়োজিত রাষ্ট্রদূতের পরিচয়পত্র গ্রহণ করেছিল, কিন্তু সরকারকে আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি দেয়নি।
পাকিস্তানও ফাঁদ। তালেবানের প্রথম শাসনামলে, ১৯৯৭ সালে, পাকিস্তান তাদের স্বীকৃতি দিয়েছিল; কিন্তু ২০২১ সালের পরের সরকারকে প্রথম স্বীকৃতি দিয়েছে রাশিয়া।
মনে রাখুন: বর্তমান তালেবান সরকারকে প্রথম স্বীকৃতি: রাশিয়া, জুলাই ২০২৫।
৩৫. 'The One Big Beautifull Bill Act' এ USA হতে remittance প্রেরণ করতে কী পরিমাণ কর ধার্য করা হয়েছে? (৪৭তম বিসিএস, ২০২৫)
- ক৫%
- খ৩%
- গ১%
- ঘ২%
সঠিক উত্তর: গ. ১%
যুক্তরাষ্ট্রের ওয়ান বিগ বিউটিফুল বিল অ্যাক্ট অনুযায়ী দেশ থেকে বিদেশে পাঠানো রেমিট্যান্সের ওপর এক শতাংশ কর ধার্য হয়েছে। আইনটিতে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ২০২৫ সালের ৪ জুলাই সই করেন, আর করটি কার্যকর ২০২৬ সালের ১ জানুয়ারি থেকে। আইনের সঠিক নাম One Big Beautiful Bill Act, যেখানে Beautiful বানানে একটি এল।
করটি সব প্রেরকের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য, নাগরিকত্ব যা-ই হোক। তবে শুধু নগদ টাকা, মানি অর্ডার বা ক্যাশিয়ার্স চেকের মতো নগদভিত্তিক মাধ্যমে পাঠালে কর বসে। ব্যাংক হিসাব থেকে বা যুক্তরাষ্ট্রে ইস্যু করা ডেবিট ও ক্রেডিট কার্ড দিয়ে পাঠালে এই কর নেই।
প্রস্তাব পর্যায়ে হার ছিল পাঁচ শতাংশ, পরে কংগ্রেসে আলোচনায় কমে সাড়ে তিন শতাংশ হয়, আর চূড়ান্ত আইনে দাঁড়ায় এক শতাংশ। ফাঁদ হলো পাঁচ শতাংশ, যেটি খবরে প্রথম দিকে বেশি এসেছিল।
বাংলাদেশের মতো রেমিট্যান্সনির্ভর দেশের জন্য খবরটি গুরুত্বপূর্ণ। তবে মনে রাখুন, ব্যাংক হিসাব থেকে বা যুক্তরাষ্ট্রে ইস্যু করা কার্ড দিয়ে পাঠালে এই কর লাগে না।
মনে রাখুন: পাঁচ থেকে সাড়ে তিন, শেষে এক শতাংশ।
৩৬. ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে সিন্ধু নদের পানিবণ্টন চুক্তি কবে সম্পাদিত হয়? (৪৭তম বিসিএস, ২০২৫)
- ক১৯৬০
- খ১৯৬৬
- গ১৯৭৪
- ঘ১৯৭৫
সঠিক উত্তর: ক. ১৯৬০
সিন্ধু পানি চুক্তি ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে ১৯৬০ সালের ১৯ সেপ্টেম্বর করাচিতে সই হয়। বিশ্বব্যাংক দীর্ঘ আলোচনায় মধ্যস্থতা করে এবং নিজেও চুক্তিতে সই করে।
ভারতের পক্ষে প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহরু আর পাকিস্তানের পক্ষে প্রেসিডেন্ট আইয়ুব খান সই করেন। চুক্তিতে সিন্ধু অববাহিকার ছয় নদী ভাগ হয়: পূর্বের তিন নদী ইরাবতী বা রাভি, বিপাশা বা বিয়াস, আর শতদ্রু বা সাতলুজ পায় ভারত; পশ্চিমের তিন নদী সিন্ধু, ঝিলম ও চেনাব পায় পাকিস্তান।
পশ্চিমের নদীতেও ভারত সীমিত সেচ এবং জলবিদ্যুতের মতো পানি না কমানো ব্যবহার করতে পারে। ১৯৬৫ ও ১৯৭১ সালের যুদ্ধের মধ্যেও চুক্তিটি বহাল ছিল, তাই একে টেকসই পানিচুক্তির উদাহরণ বলা হতো।
ফাঁদ হলো ১৯৬৬, যে বছর দুই দেশের মধ্যে তাসখন্দ চুক্তি হয়; সেটি যুদ্ধ-পরবর্তী শান্তিচুক্তি, পানিচুক্তি নয়।
মনে রাখুন: সিন্ধু পানি চুক্তি ১৯৬০; তাসখন্দ চুক্তি ১৯৬৬; সিমলা চুক্তি ১৯৭২।
৩৭. UNOPS এর পূর্ণরূপ কী? (৪৭তম বিসিএস, ২০২৫)
- কUnited Nations Organization for Peace and Security
- খUnited Nations Office for Public Service
- গUnited Nations Office for Project Service
- ঘUnited Nations Operations and planning system
সঠিক উত্তর: গ. United Nations Office for Project Service
ইউএনওপিএসের পূর্ণরূপ ইউনাইটেড নেশনস অফিস ফর প্রজেক্ট সার্ভিসেস, অর্থাৎ জাতিসংঘের প্রকল্প সেবা কার্যালয়।
সংস্থাটি জাতিসংঘ ও সদস্য দেশগুলোর হয়ে অবকাঠামো নির্মাণ, পণ্য ও সেবা কেনা এবং প্রকল্প ব্যবস্থাপনার কাজ করে। এর যাত্রা ১৯৭৩ সালে জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচির একটি অংশ হিসেবে; ১৯৯৫ সাল থেকে এটি স্বতন্ত্র ও নিজস্ব আয়ে চলা সংস্থা। সদর দপ্তর ডেনমার্কের কোপেনহেগেনে।
বিকল্পগুলো একই অক্ষর দিয়ে বানানো। ও মানে অফিস, পি মানে প্রজেক্ট, এস মানে সার্ভিসেস; পাবলিক, পিস বা প্ল্যানিং শব্দ ঢুকিয়ে বিভ্রান্ত করা হয়েছে।
মনে রাখুন: ইউএনওপিএস মানে প্রকল্প সেবার কার্যালয়, কোপেনহেগেনে।
৩৮. বর্তমানে অর্থনীতির ব্যাপ্তি অনুসারে বিশ্বের বৃহত্তম অর্থনৈতিক জোট কোনটি? (৪৭তম বিসিএস, ২০২৫)
- কEU
- খWTO
- গRCEP
- ঘAU
সঠিক উত্তর: গ. RCEP
অর্থনীতির আকারে বিশ্বের বৃহত্তম বাণিজ্য জোট আরসেপ, অর্থাৎ আঞ্চলিক সমন্বিত অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব। এর সদস্য ১৫টি দেশ: আসিয়ানের ১০ দেশ এবং চীন, জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া, অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ড।
চুক্তিটি ২০২০ সালের নভেম্বরে সই হয় এবং ২০২২ সালের ১ জানুয়ারি কার্যকর হয়। সদস্য দেশগুলো মিলে বিশ্বের মোট দেশজ উৎপাদনের প্রায় ৩০ শতাংশ ধারণ করে, যা ইউরোপীয় ইউনিয়নের চেয়ে বেশি।
ফাঁদ হলো ইউরোপীয় ইউনিয়ন, যা বহু বছর বড় জোট হিসেবে পরিচিত ছিল; কিন্তু চীন ও জাপান থাকায় আরসেপের মোট অর্থনীতি বড়।
বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা প্রায় সব দেশকে নিয়ে একটি বৈশ্বিক সংস্থা, আঞ্চলিক অর্থনৈতিক জোট নয়। আফ্রিকান ইউনিয়নের সদস্য ৫৫টি হলেও মোট অর্থনীতি তুলনায় অনেক ছোট।
মনে রাখুন: চীন ও জাপান যে জোটে, অর্থনীতির আকারে সেটিই বড়: আরসেপ।
৩৯. জাতিসংঘের বিশ্ব পর্যটন সংস্থা বা জাতিসংঘ পর্যটন (পূর্বতন UNWTO) এর সদর দপ্তর কোথায়? (৪৭তম বিসিএস, ২০২৫)
- কতুরিন, ইতালি
- খমাদ্রিদ, স্পেন
- গপ্যারিস, ফ্রান্স
- ঘফ্রাঙ্কফুর্ট, জার্মানি
সঠিক উত্তর: খ. মাদ্রিদ, স্পেন
জাতিসংঘ পর্যটন সংস্থার সদর দপ্তর স্পেনের রাজধানী মাদ্রিদে। ২০২৪ সালের জানুয়ারিতে সংস্থাটির নাম বিশ্ব পর্যটন সংস্থা থেকে বদলে জাতিসংঘ পর্যটন রাখা হয়, সদর দপ্তর আগের মতোই মাদ্রিদে।
সংস্থাটি দায়িত্বশীল, টেকসই ও সবার জন্য সহজলভ্য পর্যটনের প্রসারে কাজ করে। এর উদ্যোগে প্রতিবছর ২৭ সেপ্টেম্বর বিশ্ব পর্যটন দিবস পালিত হয়।
ফাঁদ হলো তুরিন। ইতালির তুরিনে আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার প্রশিক্ষণ কেন্দ্র ও জাতিসংঘের কর্মী প্রশিক্ষণ কলেজ আছে, কিন্তু পর্যটন সংস্থার সদর দপ্তর নেই।
মনে রাখুন: পর্যটনের ঘর মাদ্রিদ; দিবস ২৭ সেপ্টেম্বর।
৪০. কোন দেশটি OPEC এর সদস্য নয়? (৪৭তম বিসিএস, ২০২৫)
- কইন্দোনেশিয়া
- খনাইজেরিয়া
- গবাংলাদেশ
- ঘগ্যাবন
সঠিক উত্তর: গ. বাংলাদেশ
ওপেক হলো পেট্রোলিয়াম রপ্তানিকারক দেশগুলোর সংস্থা, ১৯৬০ সালে বাগদাদে গঠিত, সদর দপ্তর ভিয়েনায়। বাংলাদেশ তেল রপ্তানিকারক নয় এবং কখনো ওপেকের সদস্য ছিল না, তাই নির্ধারিত উত্তর বাংলাদেশ।
নাইজেরিয়া ১৯৭১ সাল থেকে সদস্য। গ্যাবন ১৯৭৫ সালে যোগ দিয়ে ১৯৯৫ সালে বেরিয়ে যায়, আবার ২০১৬ সালে ফিরে আসে।
ইন্দোনেশিয়ার বিষয়টি খেয়াল করুন। দেশটি ১৯৬২ সালে যোগ দেয়, তেল আমদানিকারক হয়ে পড়ায় ২০০৯ সালে সদস্যপদ স্থগিত করে, ২০১৬ সালের শুরুতে ফিরে এসে সেই বছরের নভেম্বরে আবার স্থগিত করে। তাই পরীক্ষার সময় ইন্দোনেশিয়াও সক্রিয় সদস্য ছিল না; তবে বাংলাদেশ কখনোই সদস্য না হওয়ায় সেটিই স্পষ্টতম উত্তর।
মনে রাখুন: যে দেশ তেল রপ্তানি করে না, সে ওপেকে নেই: বাংলাদেশ।