ধ্বনিবাচক দ্বিরুক্ত শব্দ কোনটি?

সঠিক উত্তর

ঘকড়কড়

ব্যাখ্যা

দ্বিরুক্ত শব্দ মানে একই শব্দ দুবার বসে নতুন অর্থ তৈরি করা। এর একটি ভাগ ধ্বন্যাত্মক বা ধ্বনিবাচক দ্বিরুক্তি, যেখানে কোনো শব্দ বা আওয়াজের অনুকরণে শব্দটি জোড়া হয়।

কড়কড় হলো বাজ পড়া বা শক্ত কিছু ভাঙার আওয়াজের অনুকরণ, যেমন কড়কড় করে বাজ পড়ল। তাই এটি নিশ্চিতভাবে ধ্বনিবাচক দ্বিরুক্ত শব্দ। ঝমঝম, শনশন, ঘেউ ঘেউ, মড়মড় এর আরও উদাহরণ।

দরদর মূলত অবিরাম ঝরে পড়ার ভাব বোঝায়, যেমন দরদর করে ঘাম ঝরছে; কানে শোনা কোনো আওয়াজের অনুকরণ নয়। মরমর মানে মরো মরো অবস্থা, এটিও ভাব বোঝায়, আওয়াজ নয়। আর নরনর প্রমিত বাংলায় প্রচলিত শব্দ নয়।

চেনার কৌশল: শব্দটা কানে শোনা যায় এমন আওয়াজ কি না ভাবুন। আওয়াজ হলে ধ্বনিবাচক, আর অবস্থা বা ভাব হলে অন্য শ্রেণি।

এই প্রশ্নের উত্তর নিয়ে প্রকাশিত গাইডগুলোতে দ্বিমত আছে; এখানে সবচেয়ে প্রচলিত উত্তরটি দেওয়া হলো।

স্টেপ বাই স্টেপ শিখুন

৩/৩
শব্দকী বোঝায়ধ্বনিবাচক?
কড়কড়বাজ বা ভাঙার আওয়াজহ্যাঁ
দরদরঅবিরাম ঝরে পড়ানা
মরমর, নরনরমরো মরো অবস্থা; অপ্রচলিতনা
  1. ধ্বনিবাচক দ্বিরুক্তি মানে আওয়াজের অনুকরণে জোড়া শব্দ।
  2. কড়কড় বাজ পড়া বা ভাঙার আওয়াজ: ধ্বনিবাচক।
  3. দরদর ঝরে পড়ার ভাব, মরমর মরো মরো অবস্থা; নরনর প্রচলিত নয়।
অন্য অপশনগুলো কেন ভুল

ক. দরদর: দরদর ঝরে পড়ার অবস্থা বোঝায়, কানে শোনা আওয়াজ নয়।

খ. মরমর: মরমর মানে মরো মরো অবস্থা, আওয়াজ নয়; মড়মড় এর সঙ্গে গুলিয়ে ফেলার ফাঁদ।

গ. নরনর: নরনর প্রচলিত দ্বিরুক্ত শব্দ নয়; শুধু শুনতে মিল রাখা অপশন।

শর্টকাট

কানে শোনা যায় এমন আওয়াজ হলে ধ্বনিবাচক: কড়কড়, ঝমঝম, শনশন, ঘেউ ঘেউ।

মনে রাখুন

কড়কড় বাজ, ঝমঝম বৃষ্টি: শব্দ শুনলেই ধ্বনিবাচক।

এই প্রশ্নটি আরও যেসব পরীক্ষায় এসেছে

বাংলা ভাষা ও সাহিত্য: এ রকম আরও প্রশ্ন

বাংলা ভাষা ও সাহিত্য-এর সব প্রশ্ন › · সমন্বিত ৩ ব্যাংক: অফিসার (ক্যাশ) (২০১৮)-এর পুরো প্রশ্নপত্র ›