নিচের কোন বানানটি শুদ্ধ?
সঠিক উত্তর
গনিরীহ
ব্যাখ্যা
প্রশ্নটা তৎসম শব্দের শুদ্ধ বানান যাচাই করছে। শুদ্ধ বানান নিরীহ, মানে শান্ত, যে কারো ক্ষতি করে না।
শব্দটি এসেছে নির্ আর ঈহা থেকে; ঈহা মানে চেষ্টা বা আকাঙ্ক্ষা। নির্-এর ই হ্রস্ব, আর ঈহা-র ঈ দীর্ঘ। দুই অংশ মিলে নি-তে হ্রস্ব ই-কার, রী-তে দীর্ঘ ঈ-কার।
নির্ উপসর্গ যুক্ত অন্য শব্দেও প্রথমে হ্রস্ব ই থাকে, যেমন নিরাপদ, নিরুপায়, নিরর্থক। তাই নী দিয়ে শুরু বানান ভুল।
নীরব আর নীরস শব্দে নী দীর্ঘ, কারণ সেগুলো আলাদা গঠন; সেগুলোর সাথে গুলিয়ে নীরিহ বা নীরীহ লেখাই সাধারণ ভুল।
স্টেপ বাই স্টেপ শিখুন
৩/৩| বানান | অবস্থা | কারণ |
|---|---|---|
| নীরিহ | ভুল | নি হ্রস্ব, রী দীর্ঘ; দুটোই উল্টো |
| নিরিহ | ভুল | ঈহা-র ঈ দীর্ঘ হবে |
| নীরীহ | ভুল | নির্-এর ই হ্রস্ব |
| নিরীহ | শুদ্ধ | নির্ + ঈহা |
- নিরীহ = নির্ + ঈহা (চেষ্টা)।
- নির্-এ হ্রস্ব ই: নি; ঈহা-তে দীর্ঘ ঈ: রী।
- শুদ্ধ বানান নিরীহ।
ক. নীরিহ: উল্টো: প্রথমে দীর্ঘ ঈ আর পরে হ্রস্ব ই, দুটোই ভুল।
খ. নিরিহ: নি ঠিক, কিন্তু ঈহা-র ঈ দীর্ঘ, তাই রি নয় রী।
ঘ. নীরীহ: রী ঠিক, কিন্তু নির্ উপসর্গে ই হ্রস্ব, তাই নী নয় নি।
নির্ উপসর্গ মানেই হ্রস্ব ই (নিরাপদ, নিরীক্ষা, নিরীহ); ঈহা-র ঈ মনে রাখলে রী দীর্ঘ।
নিরীহ মানুষ ছোট থেকে বড় হয়: আগে হ্রস্ব ই, পরে দীর্ঘ ঈ।
এই প্রশ্নটি আরও যেসব পরীক্ষায় এসেছে
বাংলা ভাষা ও সাহিত্য: এ রকম আরও প্রশ্ন
- কোন বানানটি শুদ্ধ?৩৩তম বিসিএস (২০১২)
- কোন বানানটি শুদ্ধ?৩৫তম বিসিএস (২০১৫)
- কোন বানানটি শুদ্ধ?৪১তম বিসিএস (২০২১)
- কোন বানানটি শুদ্ধ?৪১তম বিসিএস (২০২১)
- কোন বানানটি শুদ্ধ?৪৬তম বিসিএস (২০২৪)
- কোন বানানটি শুদ্ধ?সমন্বিত ৫ ব্যাংক: অফিসার (ক্যাশ) (২০২২)
বাংলা ভাষা ও সাহিত্য-এর সব প্রশ্ন › · সমন্বিত ৫ ব্যাংক ও ১ আর্থিক প্রতিষ্ঠান: অফিসার (ক্যাশ) (২০২৫)-এর পুরো প্রশ্নপত্র ›