বাংলাদেশ বিষয়াবলি · পাতা ২৩
৪৪১. ৬ দফা দাবি পেশ করা হয় : (৩৬তম বিসিএস, ২০১৬)
- ক১৯৭০ সালে
- খ১৯৬৬ সালে
- গ১৯৬৫ সালে
- ঘ১৯৬৯ সালে
সঠিক উত্তর: খ. ১৯৬৬ সালে
প্রশ্নটি বাঙালির স্বাধিকার আন্দোলনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কর্মসূচি ছয় দফার সাল জানতে চেয়েছে। শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৬৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে লাহোরে বিরোধী দলগুলোর সম্মেলনে ছয় দফা দাবি পেশ করেন।
এর পটভূমি ছিল ১৯৬৫ সালের পাক-ভারত যুদ্ধ। ওই যুদ্ধে পূর্ব পাকিস্তান প্রায় অরক্ষিত ছিল, তাই প্রদেশের স্বায়ত্তশাসন, আলাদা মুদ্রা বা রিজার্ভ, কর আদায়ের ক্ষমতা ও নিজস্ব আধাসামরিক বাহিনীর দাবি জোরালো হয়।
ছয় দফাকে বাঙালির মুক্তির সনদ বলা হয়। এর ধারাবাহিকতায় আসে আগরতলা মামলা, ঊনসত্তরের গণ-অভ্যুত্থান ও সত্তরের নির্বাচন।
১৯৬৯ বা ১৯৭০ বেছে নেওয়া সাধারণ ভুল। ওই সালগুলো ছয় দফার ফল হিসেবে আসা গণ-অভ্যুত্থান ও নির্বাচনের, দাবি পেশের নয়।
মনে রাখুন: স্বাধিকার আন্দোলনের ক্রম: পঁয়ষট্টির যুদ্ধ, ছেষট্টির ছয় দফা, ঊনসত্তরের গণ-অভ্যুত্থান, সত্তরের নির্বাচন।
৪৪২. বঙ্গবন্ধুর ১৯৭১ সালের ৭ মার্চ ভাষণের সময়কালে পূর্ব পাকিস্তানে যে আন্দোলন চলছিল সেটি হলো : (৩৬তম বিসিএস, ২০১৬)
- কইসলামাবাদের সামরিক সরকার পদত্যাগের আন্দোলন
- খপূর্ব পাকিস্তানে অসহযোগ আন্দোলন
- গপ্রেসিডেন্ট ইয়াহিয়ার পদত্যাগ আন্দোলন
- ঘমার্শাল ‘ল’ পদত্যাগের আন্দোলন
সঠিক উত্তর: খ. পূর্ব পাকিস্তানে অসহযোগ আন্দোলন
১৯৭০ সালের নির্বাচনে আওয়ামী লীগ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেলেও ১৯৭১ সালের ১ মার্চ ইয়াহিয়া খান জাতীয় পরিষদের অধিবেশন অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত করেন। এর প্রতিবাদে বঙ্গবন্ধুর ডাকে পূর্ব পাকিস্তানে অসহযোগ আন্দোলন শুরু হয়।
অসহযোগ মানে কেন্দ্রীয় সামরিক সরকারের সঙ্গে কোনো সহযোগিতা না করা। অফিস, আদালত, ব্যাংক কার্যত বঙ্গবন্ধুর নির্দেশে চলতে থাকে।
৭ মার্চ রেসকোর্স ময়দানে, এখনকার সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে, দেওয়া ভাষণে তিনি আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার নির্দেশ দেন। সঙ্গে চারটি দাবি তোলেন: সামরিক আইন প্রত্যাহার, সেনাবাহিনীকে ব্যারাকে ফেরানো, হত্যার তদন্ত এবং নির্বাচিত প্রতিনিধিদের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তর।
বিকল্পগুলোতে পদত্যাগের কথা থাকায় বিভ্রান্তি হয়। কিন্তু তখনকার দাবি কারও পদত্যাগ ছিল না, ছিল সামরিক আইন প্রত্যাহার ও ক্ষমতা হস্তান্তর।
মনে রাখুন: ১৯৭১ সালের মার্চের প্রথম পঁচিশ দিন মানেই অসহযোগ আন্দোলন।
৪৪৩. ২৬ মার্চ ১৯৭১ এর স্বাধীনতা ঘোষণা বঙ্গবন্ধু জারী করেন - - (৩৬তম বিসিএস, ২০১৬)
- কবেতার/রেডিওর মাধ্যমে
- খওয়্যারলেসের মাধ্যমে
- গটেলিগ্রামের মাধ্যমে
- ঘটেলিভিশনের মাধ্যমে
সঠিক উত্তর: খ. ওয়্যারলেসের মাধ্যমে
২৫ মার্চ রাতে পাকিস্তানি বাহিনী অপারেশন সার্চলাইট শুরু করে। গ্রেপ্তার হওয়ার আগে, ২৬ মার্চের প্রথম প্রহরে, বঙ্গবন্ধু স্বাধীনতার ঘোষণা দেন।
ঘোষণাটি তৎকালীন ইপিআর, অর্থাৎ ইস্ট পাকিস্তান রাইফেলসের ওয়্যারলেসের মাধ্যমে চট্টগ্রামসহ বিভিন্ন স্থানে পাঠানো হয়। তাই উত্তর ওয়্যারলেস।
পরে চট্টগ্রামের কালুরঘাটে স্থাপিত স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র থেকে বঙ্গবন্ধুর পক্ষে এ ঘোষণা পাঠ করা হয়। অর্থাৎ বেতারের ভূমিকা ছিল ঘোষণা প্রচারে, বঙ্গবন্ধুর নিজের ঘোষণা জারিতে নয়।
বেতার বিকল্পটাই সবচেয়ে বেশি বিভ্রান্ত করে, কারণ মানুষ ঘোষণাটি বেতারে শুনেছিল। কিন্তু প্রশ্ন জানতে চেয়েছে বঙ্গবন্ধু কোন মাধ্যমে ঘোষণা জারি করেন।
মনে রাখুন: জারি ওয়্যারলেসে, প্রচার বেতারে।
৪৪৪. বাংলাদেশে রোপা আমন ধান কাটা হয় - - (৩৬তম বিসিএস, ২০১৬)
- কআষাঢ়-শ্রাবণ মাসে
- খভাদ্র-আশ্বিন মাসে
- গঅগ্রহায়ণ-পৌষ মাসে
- ঘমাঘ-ফাল্গুন
সঠিক উত্তর: গ. অগ্রহায়ণ-পৌষ মাসে
বাংলাদেশে ধানের তিন মৌসুম: আউশ, আমন ও বোরো। প্রতিটির রোপণ ও কাটার সময় আলাদা, আর প্রশ্নে সাধারণত এই সময়ের মিলটাই যাচাই করা হয়।
রোপা আমনের চারা বর্ষায়, মোটামুটি শ্রাবণ ও ভাদ্র মাসে, জমিতে রোপণ করা হয়। হেমন্তে, অগ্রহায়ণ ও পৌষ মাসে, এ ধান কাটা হয়।
অগ্রহায়ণে নতুন ধান ঘরে ওঠে বলেই এ সময় নবান্ন উৎসব হয়। আউশ কাটা হয় আষাঢ় ও শ্রাবণে, আর বোরো কাটা হয় বৈশাখ ও জ্যৈষ্ঠে।
আমনকে বর্ষার ধান ভেবে আষাঢ়-শ্রাবণ বেছে নেওয়াই সাধারণ ভুল। বর্ষায় আমন লাগানো হয়, কাটা নয়।
মনে রাখুন: আউশ কাটে বর্ষায়, আমন হেমন্তে, বোরো গ্রীষ্মে।
৪৪৫. তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা সংবিধানের কততম সংশোধনীর মাধ্যমে রদ করা হয়েছে? (৩৬তম বিসিএস, ২০১৬)
- ক১২ তম
- খ১৩ তম
- গ১৪ তম
- ঘ১৫ তম
- ঙকোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর: ঙ. কোনোটিই নয়
প্রশ্নটি তখনকার তথ্য অনুযায়ী; তখন সঠিক ছিল: ১৫ তম। এখন: এখন আর রদ নেই: ২০ নভেম্বর ২০২৫ আপিল বিভাগ পঞ্চদশ সংশোধনীর এই অংশ অকার্যকর ঘোষণা করে তত্ত্বাবধায়ক ব্যবস্থা ফিরিয়ে এনেছে (চতুর্দশ সংসদ নির্বাচন থেকে প্রযোজ্য)।
নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা সংবিধানে যুক্ত হয় ১৯৯৬ সালে ত্রয়োদশ সংশোধনীর মাধ্যমে। উদ্দেশ্য ছিল নির্বাচনের সময় একটি নিরপেক্ষ সরকার রাখা।
২০১১ সালে আপিল বিভাগ ত্রয়োদশ সংশোধনীকে অবৈধ ঘোষণা করে। এরপর একই বছর পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে সংবিধান থেকে তত্ত্বাবধায়ক ব্যবস্থা বাদ দেওয়া হয়।
দ্বাদশ সংশোধনী ১৯৯১ সালে সংসদীয় সরকার ব্যবস্থা ফিরিয়ে আনে, আর চতুর্দশ সংশোধনী ২০০৪ সালে সংরক্ষিত নারী আসন বাড়ায়। কোন সংশোধনী কী করেছে, সালসহ জোড়ায় মনে রাখলে এমন প্রশ্ন সহজ হয়।
ত্রয়োদশ সংখ্যাটি মাথায় থাকায় অনেকে সেটিই বেছে নেন। কিন্তু ত্রয়োদশ সংশোধনী এ ব্যবস্থা চালু করেছিল, বাতিল করেনি।
মনে রাখুন: ত্রয়োদশে চালু, পঞ্চদশে বাতিল।
৪৪৬. বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ কয় কক্ষবিশিষ্ট? (৩৬তম বিসিএস, ২০১৬)
- কএক কক্ষ
- খদুই বা দ্বিকক্ষ
- গতিন কক্ষ
- ঘবহুকক্ষ বিশিষ্ট
সঠিক উত্তর: ক. এক কক্ষ
সংবিধানের ৬৫ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী বাংলাদেশের আইনসভার নাম জাতীয় সংসদ, এবং এটি এককক্ষবিশিষ্ট। অর্থাৎ আইন পাস করার জন্য একটিই কক্ষ আছে।
সংসদে সরাসরি নির্বাচিত আসন তিনশো, সঙ্গে সংরক্ষিত নারী আসন। পরীক্ষার সময় নারী আসন ছিল পঞ্চাশটি, ফলে মোট সদস্য তিনশো পঞ্চাশ।
দ্বিকক্ষ আইনসভায় উচ্চকক্ষ ও নিম্নকক্ষ আলাদা থাকে, যেমন ভারতের রাজ্যসভা ও লোকসভা, বা যুক্তরাজ্যের হাউস অব লর্ডস ও হাউস অব কমন্স।
সংসদে স্পিকার, নানা সংসদীয় কমিটি ইত্যাদি থাকায় কেউ কেউ একাধিক কক্ষ ভাবেন। কিন্তু কক্ষ মানে আলাদা ভোটে আইন পাসের সভা, আর বাংলাদেশে তা একটিই।
৪৪৭. ভারতের কতটি ‘ছিটমহল’ বাংলাদেশের ভৌগোলিক সীমায় অন্তর্ভুক্ত হয়েছে? (৩৬তম বিসিএস, ২০১৬)
- ক১৬২ টি
- খ১১১ টি
- গ৫১ টি
- ঘ১০১ টি
সঠিক উত্তর: খ. ১১১ টি
১৯৭৪ সালের মুজিব-ইন্দিরা স্থলসীমান্ত চুক্তি এবং ২০১১ সালের প্রটোকল ২০১৫ সালে কার্যকর হয়। ২০১৫ সালের ৩১ জুলাই মধ্যরাতে দুই দেশের ছিটমহল বিনিময় হয়।
এ বিনিময়ে ভারতের ১১১টি ছিটমহল বাংলাদেশের ভূখণ্ডে যুক্ত হয়, আর বাংলাদেশের ৫১টি ছিটমহল ভারতের অংশ হয়। দুই দেশ মিলিয়ে মোট ছিটমহল ছিল ১৬২টি।
ছিটমহল মানে এক দেশের ভূখণ্ডের ভেতরে চারদিকে ঘেরা অন্য দেশের ছোট ভূখণ্ড। এগুলোর বাসিন্দারা নিজ দেশের নাগরিক সুবিধা পেতেন না, তাই বিনিময় ছিল মানবিক সমাধান।
সংখ্যাগুলো উল্টে ফেলাই প্রধান ফাঁদ। ৫১টি হলো বাংলাদেশের ছিটমহল, যা ভারতে গেছে, আর ১৬২টি দুই দেশের মোট সংখ্যা।
মনে রাখুন: বড় সংখ্যাটা বাংলাদেশে এসেছে: ১১১ এলো, ৫১ গেল, মোট ১৬২।
৪৪৮. বাংলাদেশের ভৌগোলিক অবস্থান কোনটি? (৩৬তম বিসিএস, ২০১৬)
- ক২২°৩০′ – ২০°-৩৪′ দক্ষিণ অক্ষাংশে
- খ৮০°৩১′ – ৪০°-৯০′ দ্রাঘিমাংশে
- গ৩৪°২৫° – ৩৮′ উত্তর অক্ষাংশে
- ঘ৮৮°০১′ – ৯২°৪১′ পূর্ব দ্রাঘিমাংশে
সঠিক উত্তর: ঘ. ৮৮°০১′ – ৯২°৪১′ পূর্ব দ্রাঘিমাংশে
বাংলাদেশ পৃথিবীর উত্তর গোলার্ধে এবং গ্রিনিচের মূল মধ্যরেখার পূর্বে অবস্থিত। তাই এর অবস্থান লিখতে হয় উত্তর অক্ষাংশ ও পূর্ব দ্রাঘিমাংশ দিয়ে।
বাংলাদেশ ২০ ডিগ্রি ৩৪ মিনিট থেকে ২৬ ডিগ্রি ৩৮ মিনিট উত্তর অক্ষাংশ এবং ৮৮ ডিগ্রি ১ মিনিট থেকে ৯২ ডিগ্রি ৪১ মিনিট পূর্ব দ্রাঘিমাংশের মধ্যে অবস্থিত। দেশের প্রায় মাঝখান দিয়ে কর্কটক্রান্তি রেখা গেছে।
বিকল্পগুলোর মধ্যে কেবল পূর্ব দ্রাঘিমাংশের বিকল্পটিতে সংখ্যা ও দিক দুটোই ঠিক। দ্রুত যাচাইয়ের উপায় হলো আগে দিক দেখা; দক্ষিণ অক্ষাংশ লেখা বিকল্প সঙ্গে সঙ্গে বাদ।
বাকি বিকল্পগুলোতে সংখ্যাগুলো আসল মানের এলোমেলো রূপ, যা দেখতে পরিচিত লাগে। দিক ও সংখ্যার মান দুটোই মিলিয়ে দেখলে ভুল ধরা পড়ে।
মনে রাখুন: অক্ষাংশ বিশ থেকে ছাব্বিশ উত্তর, দ্রাঘিমাংশ আটাশি থেকে বিরানব্বই পূর্ব।
৪৪৯. বাংলাদেশে প্রথম আদমশুমারি অনুষ্ঠিত হয় কবে? (৩৬তম বিসিএস, ২০১৬)
- ক১৯৭২ সাল
- খ১৯৭৩ সাল
- গ১৯৭৪ সাল
- ঘ১৯৭৭ সাল
সঠিক উত্তর: গ. ১৯৭৪ সাল
স্বাধীন বাংলাদেশে প্রথম আদমশুমারি হয় ১৯৭৪ সালে। এরপর মোটামুটি দশ বছর পরপর শুমারি হয়েছে: ১৯৮১, ১৯৯১, ২০০১ ও ২০১১ সালে।
২০২২ সালের শুমারি ছিল দেশের প্রথম ডিজিটাল জনশুমারি; এখন আদমশুমারির বদলে জনশুমারি ও গৃহগণনা নামটি ব্যবহৃত হয়।
উপমহাদেশে প্রথম আদমশুমারি হয় ১৮৭২ সালে লর্ড মেয়োর সময়, আর নিয়মিত দশকওয়ারি শুমারি শুরু হয় ১৮৮১ সালে লর্ড রিপনের সময়।
১৯৭৭ সালে হয়েছিল দেশের প্রথম কৃষিশুমারি। জনসংখ্যার শুমারির সঙ্গে এটি গুলিয়ে ফেলাই সাধারণ ভুল।
মনে রাখুন: শুমারির সাল: ৭৪, তারপর ৮১, ৯১, ০১, ১১ এবং ২২।
৪৫০. কোন উপজাতি বা ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর ধর্ম ইসলাম? (৩৬তম বিসিএস, ২০১৬)
- করাখাইন
- খমারমা
- গপাঙন
- ঘখিয়াং
সঠিক উত্তর: গ. পাঙন
প্রশ্নটি ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীগুলোর ধর্মবিশ্বাস নিয়ে। বাংলাদেশের বেশিরভাগ নৃ-গোষ্ঠী বৌদ্ধ, হিন্দু, খ্রিস্টান বা প্রকৃতিপূজারী; ইসলাম ধর্মাবলম্বী নৃ-গোষ্ঠী খুবই কম।
পাঙন হলো মণিপুরী জনগোষ্ঠীর মুসলিম অংশ, যাদের মণিপুরী মুসলিমও বলা হয়। তারা মূলত মৌলভীবাজার ও সিলেট অঞ্চলে বাস করে এবং ইসলাম ধর্ম পালন করে।
রাখাইন ও মারমারা থেরবাদী বৌদ্ধ। রাখাইনরা মূলত কক্সবাজার ও পটুয়াখালী অঞ্চলে, আর মারমারা পার্বত্য চট্টগ্রামে বাস করে। খিয়াংরাও পার্বত্য চট্টগ্রামের নৃ-গোষ্ঠী, যাদের বেশিরভাগ বৌদ্ধ, কিছু খ্রিস্টান।
মণিপুরী বললে অনেকে কেবল হিন্দু বৈষ্ণব মণিপুরীদের কথা ভাবেন, তাই পাঙন নামটি অপরিচিত লাগে। মনে রাখুন, মণিপুরীদের মুসলিম শাখাই পাঙন।
মনে রাখুন: নৃ-গোষ্ঠী আর ইসলাম একসঙ্গে দেখলেই উত্তর পাঙন।
৪৫১. ঢাকার ‘ ধোলাই খাল’ কে খনন করেন? (৩৬তম বিসিএস, ২০১৬)
- কপরিবিবি
- খইসলাম খান
- গশায়েস্তা খান
- ঘঈশা খান
সঠিক উত্তর: খ. ইসলাম খান
ধোলাই খাল পুরান ঢাকার একটি ঐতিহাসিক খাল। বাংলাপিডিয়া অনুযায়ী ঢাকার প্রথম মুঘল সুবাদার ইসলাম খান ১৬০৮ থেকে ১৬১০ সালের মধ্যে এটি খনন করান।
ইসলাম খান চিশতী ১৬১০ সালে বাংলার রাজধানী রাজমহল থেকে ঢাকায় আনেন এবং সম্রাট জাহাঙ্গীরের নামে শহরের নাম রাখেন জাহাঙ্গীরনগর। নতুন রাজধানীর প্রতিরক্ষা ও যোগাযোগে খালটির গুরুত্ব ছিল।
অন্য বিকল্পের ব্যক্তিরা ঢাকার অন্য ইতিহাসের সঙ্গে যুক্ত। শায়েস্তা খান ছোট কাটরা নির্মাণ করেন ও লালবাগ কেল্লার কাজ এগিয়ে নেন; পরীবিবি তাঁর কন্যা, যাঁর সমাধি লালবাগ কেল্লায়। ঈশা খান ছিলেন বারো ভূঁইয়াদের প্রধান, তাঁর কেন্দ্র সোনারগাঁও।
শায়েস্তা খান ঢাকার মুঘল ইতিহাসে সবচেয়ে পরিচিত নাম বলে অনেকে তাঁকেই বেছে নেন। কিন্তু খাল খনন রাজধানী স্থাপনের সময়ের কাজ, যা ইসলাম খানের আমলে।
মনে রাখুন: ঢাকায় রাজধানী আর ধোলাই খাল, দুটোই ইসলাম খানের।
৪৫২. বাংলাভাষাকে পাকিস্তান গণপরিষদ কোন তারিখে অন্যতম রাষ্ট্রভাষা হিসেবে স্বীকৃতি দেয়? (৩৬তম বিসিএস, ২০১৬)
- ক৭ মে ১৯৫৪
- খ২২ ফেব্রুয়ারি ১৯৫৩
- গ১৬ ফেব্রুয়ারি ১৯৫৬
- ঘ২১ ফেব্রুয়ারি ১৯৫২
সঠিক উত্তর: ক. ৭ মে ১৯৫৪
ভাষা আন্দোলনের পর বাংলাকে রাষ্ট্রভাষার মর্যাদা দেওয়ার প্রক্রিয়া কয়েক ধাপে এগিয়েছে। প্রশ্নটি জানতে চেয়েছে পাকিস্তান গণপরিষদ কবে বাংলাকে অন্যতম রাষ্ট্রভাষা হিসেবে মেনে নেয়।
১৯৫৪ সালের মার্চে প্রাদেশিক নির্বাচনে মুসলিম লীগের ভরাডুবির পর, ওই বছরের মে মাসে গণপরিষদ মুসলিম লীগের সমর্থনে বাংলাকে উর্দুর পাশাপাশি রাষ্ট্রভাষা করার প্রস্তাব গ্রহণ করে। প্রস্তাবটি গৃহীত হয় ১৯৫৪ সালের ৭ মে, আর এ প্রশ্নের প্রচলিত উত্তর এই তারিখটিই।
পরে ১৯৫৬ সালের সংবিধানে বাংলা ও উর্দু দুটোই পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা হিসেবে লেখা হয়। বাংলাপিডিয়া অনুযায়ী গণপরিষদ ১৯৫৬ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারি এ বিধান সর্বসম্মতভাবে গ্রহণ করে।
তাই ১৯৫৬ সালের বিকল্পটিও যুক্তিসংগত মনে হয়, আর এখানেই বিভ্রান্তি। প্রচলিত উত্তরে প্রথম স্বীকৃতি ধরা হয় ১৯৫৪ সালের মে মাসের প্রস্তাবকে। আর ২১ ফেব্রুয়ারি ১৯৫২ আন্দোলনের দিন, স্বীকৃতির নয়।
মনে রাখুন: ধাপ মনে রাখুন: ৫২ আন্দোলন, ৫৪ প্রস্তাব, ৫৬ সংবিধান।
৪৫৩. মুক্তিযুদ্ধকালীন কোন তারিখে বুদ্ধিজীবীদের ওপর ব্যাপক হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়? (৩৬তম বিসিএস, ২০১৬)
- ক২৫ মার্চ ১৯৭১
- খ২৬ মার্চ ১৯৭১
- গ১৪ ডিসেম্বর ১৯৭১
- ঘ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭১
সঠিক উত্তর: গ. ১৪ ডিসেম্বর ১৯৭১
মুক্তিযুদ্ধের শেষ দিকে, পরাজয় নিশ্চিত বুঝে পাকিস্তানি বাহিনী ও তাদের দোসর আলবদর ও আলশামস পরিকল্পিতভাবে দেশের বুদ্ধিজীবীদের হত্যা করে। এর সবচেয়ে ব্যাপক রূপ দেখা যায় ১৯৭১ সালের ১৪ ডিসেম্বর।
শিক্ষক, সাংবাদিক, চিকিৎসক, সাহিত্যিকদের বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে রায়েরবাজার ও মিরপুরের বধ্যভূমিতে হত্যা করা হয়। উদ্দেশ্য ছিল নতুন রাষ্ট্রকে মেধাশূন্য করা। তাই ১৪ ডিসেম্বর শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস।
২৫ মার্চ রাতে অপারেশন সার্চলাইটেও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কয়েকজন শিক্ষক নিহত হন। তবে সে রাতের হত্যাযজ্ঞ ছিল সাধারণ মানুষের ওপর গণহত্যা, আর দিনটি এখন জাতীয় গণহত্যা দিবস।
২৫ মার্চেও শিক্ষক হত্যার কথা জানা থাকায় অনেকে সেটি বেছে নেন। কিন্তু বুদ্ধিজীবীদের ওপর পরিকল্পিত ব্যাপক হত্যার দিন ১৪ ডিসেম্বর, বিজয়ের মাত্র দুই দিন আগে।
মনে রাখুন: চোদ্দ ডিসেম্বর বুদ্ধিজীবী, ষোলো ডিসেম্বর বিজয়: মাঝে দুই দিন।
৪৫৪. বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদানকারী প্রথম ইউরোপীয় দেশ কোনটি? (৩৬তম বিসিএস, ২০১৬)
- কযুক্তরাজ্য
- খপূর্ব জার্মানি
- গস্পেন
- ঘগ্রিস
সঠিক উত্তর: খ. পূর্ব জার্মানি
বাংলাদেশকে প্রথম স্বীকৃতি দেয় ভুটান, তারপর ভারত, দুটোই ১৯৭১ সালের ৬ ডিসেম্বর। ইউরোপের দেশগুলোর স্বীকৃতি আসে স্বাধীনতার পর, ১৯৭২ সালে।
ইউরোপের প্রথম দেশ হিসেবে পূর্ব জার্মানি, অর্থাৎ তৎকালীন জার্মান গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্র, ১৯৭২ সালের ১১ জানুয়ারি বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়।
পূর্ব জার্মানি তখন সোভিয়েত বলয়ের সমাজতান্ত্রিক রাষ্ট্র, আর সোভিয়েত ইউনিয়ন মুক্তিযুদ্ধে বাংলাদেশের পক্ষে ছিল; তাই সমাজতান্ত্রিক দেশগুলো আগেভাগে স্বীকৃতি দেয়। যুক্তরাজ্য স্বীকৃতি দেয় ১৯৭২ সালের ৪ ফেব্রুয়ারি।
বঙ্গবন্ধু মুক্তি পেয়ে প্রথমে লন্ডনে যান, আর যুক্তরাজ্যের সঙ্গে ঐতিহাসিক সম্পর্কও আছে; তাই অনেকে যুক্তরাজ্য বেছে নেন। কিন্তু যুক্তরাজ্যের স্বীকৃতি এসেছিল পূর্ব জার্মানির তিন সপ্তাহেরও বেশি পরে।
মনে রাখুন: প্রথম ভুটান; ইউরোপে প্রথম পূর্ব জার্মানি; আফ্রিকায় প্রথম সেনেগাল।
৪৫৫. বাংলাদেশের বৃহত্তর জেলা কতটি? (৩৬তম বিসিএস, ২০১৬)
- ক১৭ টি
- খ২০ টি
- গ৬৪ টি
- ঘ১৯ টি
সঠিক উত্তর: ঘ. ১৯ টি
বৃহত্তর জেলা বলতে ১৯৮৪ সালে মহকুমাগুলো জেলায় উন্নীত হওয়ার আগের পুরোনো বড় জেলাগুলোকে বোঝায়। আজও বৃহত্তর ময়মনসিংহ, বৃহত্তর কুমিল্লা এভাবে বলা হয়।
স্বাধীনতার সময় দেশে জেলা ছিল ১৯টি। এর আগে ১৯৬৯ সালে টাঙ্গাইল ময়মনসিংহ থেকে এবং পটুয়াখালী বরিশাল থেকে আলাদা জেলা হয়, তাতে ১৭টি জেলা বেড়ে ১৯টি হয়।
স্বাধীনতার পর ১৯৭৮ সালে জামালপুর আলাদা জেলা হয়, পরে আরও কয়েকটি জেলা গঠিত হয়, আর ১৯৮৪ সালের মধ্যে মহকুমা উন্নীত হয়ে জেলার সংখ্যা দাঁড়ায় ৬৪টিতে। কিন্তু বৃহত্তর জেলার হিসাব হয় সেই পুরোনো ১৯টি জেলা ধরে।
৬৪ বর্তমান জেলার সংখ্যা, আর ২০ সংখ্যাটি আসে ১৯৭৮ সালে জামালপুর জেলা হওয়ার পরের হিসাব থেকে। প্রশ্ন বৃহত্তর জেলার, তাই উত্তর ১৯টি।
মনে রাখুন: বৃহত্তর জেলা উনিশ, এখনকার জেলা চৌষট্টি।
৪৫৬. ‘শুভলং’ ঝরনা কোন জেলায় অবস্থিত? (৩৬তম বিসিএস, ২০১৬)
- করাঙামাটি
- খবান্দরবান
- গমৌলভীবাজার
- ঘসিলেট
সঠিক উত্তর: ক. রাঙামাটি
শুভলং ঝরনা রাঙামাটি জেলার বরকল উপজেলায়, কাপ্তাই হ্রদের তীরে অবস্থিত। রাঙামাটি শহর থেকে হ্রদপথে নৌকায় সেখানে যাওয়া যায়।
কাপ্তাই হ্রদ তৈরি হয়েছিল কর্ণফুলী নদীতে বাঁধ দিয়ে জলবিদ্যুৎ কেন্দ্র বানানোর সময়। এই হ্রদ ঘিরেই রাঙামাটির পর্যটন, আর শুভলং তার অন্যতম আকর্ষণ।
অন্য জেলারও বিখ্যাত ঝরনা আছে: মৌলভীবাজারে মাধবকুণ্ড ও হামহাম, বান্দরবানে নাফাখুম ও জাদিপাই, সিলেটে পাংথুমাই।
পাহাড়ি ঝরনা মানেই বান্দরবান, এমন ধারণা থেকে অনেকে ভুল করেন। ঝরনার নামের সঙ্গে জেলা মিলিয়ে একটি ছোট তালিকা মনে রাখলে এ ধরনের প্রশ্ন সহজ হয়।
মনে রাখুন: শুভলং মানেই কাপ্তাই হ্রদ, আর কাপ্তাই হ্রদ মানেই রাঙামাটি।
৪৫৭. বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা কবে গৃহীত হয়? (৩৬তম বিসিএস, ২০১৬)
- ক১৭ জানুয়ারি ১৯৭২
- খ২৬ মার্চ ১৯৭১
- গ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭১
- ঘ২১ ফেব্রুয়ারি ১৯৭২
সঠিক উত্তর: ক. ১৭ জানুয়ারি ১৯৭২
বর্তমান জাতীয় পতাকা সরকারিভাবে গৃহীত হয় ১৯৭২ সালের ১৭ জানুয়ারি। মুক্তিযুদ্ধের সময়ের পতাকার লাল বৃত্তের ভেতরে হলুদ রঙে দেশের মানচিত্র ছিল; নতুন পতাকা থেকে মানচিত্র বাদ দেওয়া হয়।
পতাকা গাঢ় সবুজ আয়তক্ষেত্র, মাঝখান থেকে সামান্য দণ্ডের দিকে সরানো একটি লাল বৃত্ত। দৈর্ঘ্য ও প্রস্থের অনুপাত দশ অনুপাত ছয়, আর বৃত্তের ব্যাসার্ধ দৈর্ঘ্যের পাঁচ ভাগের এক ভাগ।
মানচিত্রসহ পতাকা প্রথম উত্তোলিত হয় ১৯৭১ সালের ২ মার্চ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কলাভবন প্রাঙ্গণে। পরে শিল্পী কামরুল হাসান পতাকার চূড়ান্ত রূপ দেন।
২৬ মার্চ বা ১৬ ডিসেম্বর জাতীয় দিবস হওয়ায় সেগুলো সহজে চোখে পড়ে। কিন্তু তখন চালু ছিল মানচিত্রসহ পতাকা; বর্তমান পতাকা গৃহীত হয়েছে স্বাধীনতার পরে।
মনে রাখুন: পতাকা গৃহীত ১৭ জানুয়ারি ১৯৭২; অনুপাত ১০ : ৬।
৪৫৮. কোনো রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে জাতীয় সংগীতের কত চরণ বাজানো হয়? (৩৬তম বিসিএস, ২০১৬)
- কপ্রথম ১০ টি
- খপ্রথম ৪ টি
- গপ্রথম ৬ টি
- ঘপ্রথম ৫ টি
সঠিক উত্তর: খ. প্রথম ৪ টি
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের আমার সোনার বাংলা গানটির প্রথম দশ চরণ বাংলাদেশের জাতীয় সংগীত। কিন্তু কণ্ঠে গাওয়া আর বাদ্যযন্ত্রে বাজানোর নিয়ম আলাদা।
বাংলাপিডিয়া অনুযায়ী কণ্ঠে গাওয়ার সময় প্রথম দশ চরণ গাওয়া হয়, আর যন্ত্রসংগীতে বাজানোর জন্য নির্ধারিত প্রথম চার চরণ। প্রশ্নে বাজানোর কথা বলা হয়েছে, তাই উত্তর প্রথম চার চরণ।
জাতীয় সংগীত ব্যবহারের নিয়ম ঠিক করা আছে ১৯৭৮ সালের জাতীয় সংগীত বিধিমালায়। মূল গানটি পঁচিশ চরণের।
দশ সংখ্যাটি বেশি পরিচিত বলে অনেকে প্রথম দশ চরণ বেছে নেন। প্রশ্নের ক্রিয়াপদটি খেয়াল করুন: গাওয়া হলে দশ, বাজানো হলে চার।
মনে রাখুন: প্রশ্নে ক্রিয়াপদ দেখুন: গাওয়া হলে দশ, বাজানো হলে চার।
৪৫৯. ECNEC – এর চেয়ারম্যান বা সভাপতি কে? (৩৬তম বিসিএস, ২০১৬)
- কঅর্থমন্ত্রী
- খপ্রধানমন্ত্রী
- গপরিকল্পনামন্ত্রী
- ঘস্পীকার
সঠিক উত্তর: খ. প্রধানমন্ত্রী
একনেক মানে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি। দেশের বড় উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদনের সর্বোচ্চ ফোরাম এটি।
একনেকের চেয়ারপারসন প্রধানমন্ত্রী। মূল সংস্থা জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদ বা এনইসি, যা বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি অনুমোদন করে, তারও প্রধান প্রধানমন্ত্রী।
পরিকল্পনামন্ত্রী ও অর্থমন্ত্রী একনেকের গুরুত্বপূর্ণ সদস্য, আর প্রকল্প যাচাই করে পরিকল্পনা কমিশন। পরিকল্পনা কমিশনের চেয়ারপারসনও প্রধানমন্ত্রী।
প্রকল্প অনুমোদন পরিকল্পনার কাজ বলে অনেকে পরিকল্পনামন্ত্রী বেছে নেন। মনে রাখুন, একনেক, এনইসি ও পরিকল্পনা কমিশন তিনটিরই প্রধান প্রধানমন্ত্রী।
মনে রাখুন: উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদনের সর্বোচ্চ কমিটির সভাপতি সরকারপ্রধান।
৪৬০. ‘অগ্নিশ্বর’ কি ফসলের উন্নত জাত? (৩৬তম বিসিএস, ২০১৬)
- কধান
- খকলা
- গপাট
- ঘগম
সঠিক উত্তর: খ. কলা
অগ্নিশ্বর বাংলাদেশের একটি কলার জাত। গোলাপি আভা, ভালো ঘ্রাণ ও মিষ্টতার জন্য এটি পরিচিত।
এ ধরনের প্রশ্নে ফসলের জাতের নাম চিনতে হয়। কলার পরিচিত জাতের মধ্যে আছে সবরি, চাম্পা, সাগর ও অগ্নিশ্বর।
ধানের জাতের নামে সাধারণত ব্রি ধান বা বিনা ধান সঙ্গে নম্বর থাকে। গমের পরিচিত জাত কাঞ্চন ও সোনালিকা, আর পাটের প্রধান দুই ধরন দেশি ও তোষা।
মনে রাখতে নামের অগ্নি অংশটিকে এই কলার গোলাপি আভার সঙ্গে মিলিয়ে নিতে পারেন। নামটি অচেনা লাগলে অনেকে ধান ভেবে নেন, কারণ ধানের জাতই বেশি পড়া হয়।