কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি · পাতা ২৫
৪৮১. নিচের কোন মেমোরীটি Non-volatile? (৩৬তম বিসিএস, ২০১৬)
- কSRAM
- খDRAM
- গROM
- ঘউপরের সবগুলোই
সঠিক উত্তর: গ. ROM
প্রশ্নটি জানতে চেয়েছে কোন মেমোরি নন-ভোলাটাইল, অর্থাৎ বিদ্যুৎ চলে গেলেও তথ্য ধরে রাখে। উত্তর রম। রমে কম্পিউটার চালু হওয়ার স্থায়ী নির্দেশনা থাকে, যা বিদ্যুৎ ছাড়াও মুছে যায় না।
এসর্যাম আর ডির্যাম দুটোই র্যামের প্রকার, তাই দুটোই ভোলাটাইল। এসর্যাম বা স্ট্যাটিক র্যাম ফ্লিপ-ফ্লপ বর্তনীতে তথ্য রাখে, খুব দ্রুত, তাই প্রসেসরের ক্যাশ মেমোরিতে ব্যবহার হয়।
ডির্যাম বা ডায়নামিক র্যাম ক্ষুদ্র ক্যাপাসিটরে চার্জ হিসেবে তথ্য রাখে। চার্জ ধীরে ক্ষয় হয় বলে প্রতি সেকেন্ডে বহুবার রিফ্রেশ করতে হয়; সস্তা বলে এটাই কম্পিউটারের প্রধান র্যাম। বিদ্যুৎ গেলে দুটোর তথ্যই হারায়।
ফাঁদ হলো স্ট্যাটিক শব্দটি। স্ট্যাটিক মানে রিফ্রেশ লাগে না, স্থায়ী নয়; বিদ্যুৎ গেলে এসর্যামও সব ভুলে যায়।
মনে রাখুন: নামে র্যাম থাকলে ভোলাটাইল, রম বা ফ্ল্যাশ হলে নন-ভোলাটাইল।
৪৮২. নিচের কোনটি 3G Language নয়? (৩৬তম বিসিএস, ২০১৬)
- কC
- খJava
- গAssembly Language
- ঘC++
সঠিক উত্তর: গ. Assembly Language
প্রশ্নটি জানতে চেয়েছে কোনটি তৃতীয় প্রজন্মের ভাষা নয়। উত্তর অ্যাসেম্বলি ল্যাঙ্গুয়েজ, কারণ এটি দ্বিতীয় প্রজন্মের ভাষা।
প্রোগ্রামিং ভাষার প্রজন্ম এভাবে মনে রাখুন। প্রথম প্রজন্ম মেশিন ভাষা, শুধু শূন্য আর একের সারি। দ্বিতীয় প্রজন্ম অ্যাসেম্বলি, যেখানে সংখ্যার বদলে অ্যাড, মুভের মতো ছোট সংকেত শব্দ বা নেমোনিক থাকে। এটিও যন্ত্রের খুব কাছের নিম্নস্তরের ভাষা।
তৃতীয় প্রজন্মে আসে উচ্চস্তরের ভাষা, যা মানুষের ভাষার কাছাকাছি এবং যন্ত্র বদলালেও চলে: ফোরট্রান, কোবল, সি, সি প্লাস প্লাস, জাভা। চতুর্থ প্রজন্মে এসকিউএলের মতো ভাষা, আর পঞ্চম প্রজন্মে প্রোলগের মতো কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ভাষা।
ফাঁদ হলো সি বা সি প্লাস প্লাসকে নিম্নস্তরের ভেবে বাদ দেওয়া। সি যন্ত্রের কাছাকাছি কাজ করতে পারলেও এটি উচ্চস্তরের তৃতীয় প্রজন্মের ভাষা।
মনে রাখুন: প্রজন্মের সংখ্যা যত বাড়ে, ভাষা তত মানুষের কাছাকাছি; অ্যাসেম্বলি সবসময় দুই নম্বরে।
৪৮৩. নিচের কোন উক্তিটি সঠিক? (৩৬তম বিসিএস, ২০১৬)
- ক১ কিলোবাইট = ১০২৪ বাইট
- খ১ মেগাবাইট = ১০২৪ বাইট
- গ১ কিলোবাইট = ১০০০ বাইট
- ঘ১ মেগাবাইট = ১০০০ বাইট
সঠিক উত্তর: ক. ১ কিলোবাইট = ১০২৪ বাইট
প্রশ্নটি জানতে চেয়েছে মেমোরির এককের কোন সম্পর্কটি সঠিক। উত্তর এক কিলোবাইট সমান এক হাজার চব্বিশ বাইট। কম্পিউটার দুই-ভিত্তিক বা বাইনারি সংখ্যায় চলে, তাই মেমোরির একক বাড়ে দুইয়ের ঘাতে।
দুইয়ের ঘাত দশ হলো এক হাজার চব্বিশ, যা এক হাজারের সবচেয়ে কাছের দুইয়ের ঘাত। তাই এক কিলোবাইট ধরা হয় এক হাজার চব্বিশ বাইট। একইভাবে এক মেগাবাইট হলো এক হাজার চব্বিশ কিলোবাইট, অর্থাৎ দশ লাখ আটচল্লিশ হাজার পাঁচশো ছিয়াত্তর বাইট।
আন্তর্জাতিক মানদণ্ডে অবশ্য কিলো মানে ঠিক এক হাজার, আর এক হাজার চব্বিশ বাইটের জন্য আলাদা নাম কিবিবাইট রাখা হয়েছে। হার্ডডিস্কের গায়ে লেখা ধারণক্ষমতা এই দশমিক হিসাবে থাকে। তবে পরীক্ষা ও পাঠ্যবইয়ে কম্পিউটার মেমোরির প্রচলিত উত্তর এক হাজার চব্বিশ।
ফাঁদ দুটি। এক মেগাবাইট সমান এক হাজার চব্বিশ বাইট বিকল্পে সংখ্যা ঠিক, কিন্তু একক ভুল; এক মেগাবাইট আসলে এক হাজার চব্বিশ কিলোবাইট। আর এক হাজার বাইট বিকল্পটি দশমিক হিসাব, কম্পিউটার মেমোরির প্রচলিত হিসাব নয়।
মনে রাখুন: প্রতিটি বড় একক আগেরটির ১০২৪ গুণ: বাইট → কিলো → মেগা → গিগা → টেরা।
৪৮৪. Wi-fi কোন স্ট্যান্ডার্ড-এর উপর ভিত্তি করে কাজ করে? (৩৬তম বিসিএস, ২০১৬)
- কIEEE 802.11
- খIEEE 804.11
- গIEEE 803.11
- ঘIEEE 806.11
সঠিক উত্তর: ক. IEEE 802.11
প্রশ্নটি জানতে চেয়েছে ওয়াই-ফাই কোন মানদণ্ডের ওপর চলে। উত্তর আইইইই আট শূন্য দুই দশমিক এগারো। আইইইই হলো ইলেকট্রিক্যাল ও ইলেকট্রনিক্স প্রকৌশলীদের আন্তর্জাতিক সংগঠন, আর তাদের আট শূন্য দুই পরিবার নেটওয়ার্কের মানদণ্ড ঠিক করে।
আট শূন্য দুই দশমিক এগারো হলো তারহীন লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক বা ওয়্যারলেস ল্যানের মানদণ্ড; প্রথম সংস্করণ বের হয় ১৯৯৭ সালে। পরে এর নানা সংস্করণ এসেছে, যেমন এ, বি, জি, এন, এসি, এএক্স, আর এগুলোকে বাজারে ওয়াই-ফাই নামে বিক্রি করা হয়।
একই পরিবারের অন্য সদস্যরাও পরীক্ষায় আসে: আট শূন্য দুই দশমিক তিন হলো তারযুক্ত ইথারনেট, আট শূন্য দুই দশমিক পনেরো ব্লুটুথের মতো ব্যক্তিগত ছোট নেটওয়ার্ক, আর আট শূন্য দুই দশমিক ষোলো হলো ওয়াইম্যাক্স।
বাকি তিনটি বিকল্প আট শূন্য চার, আট শূন্য তিন, আট শূন্য ছয় দিয়ে শুরু; এ নামে কোনো ওয়াই-ফাই মানদণ্ড নেই। মনে রাখুন, নেটওয়ার্কের পরিবারটি সবসময় আট শূন্য দুই।
মনে রাখুন: ৮০২ পরিবার: .৩ ইথারনেট, .১১ ওয়াই-ফাই, .১৫ ব্লুটুথ, .১৬ ওয়াইম্যাক্স।
৪৮৫. নিচের কোনটিতে সাধারণত ইনফ্রারেড ডিভাইস ব্যবহার করা হয়? (৩৬তম বিসিএস, ২০১৬)
- কWAN
- খSatellite Communication
- গMAN
- ঘTV রিমোর্ট কন্ট্রোলে
সঠিক উত্তর: ঘ. TV রিমোর্ট কন্ট্রোলে
প্রশ্নটি জানতে চেয়েছে ইনফ্রারেড যন্ত্র সাধারণত কোথায় ব্যবহার হয়। উত্তর টিভির রিমোট কন্ট্রোলে। ইনফ্রারেড হলো লাল আলোর চেয়ে বড় তরঙ্গদৈর্ঘ্যের অদৃশ্য আলো। রিমোটের সামনের ছোট বাতি এই আলোর ঝলকে সংকেত পাঠায়, আর টিভির সেন্সর তা পড়ে চ্যানেল বা শব্দ বদলায়।
ইনফ্রারেড সংকেত যায় সোজা পথে, অল্প দূরত্বে, আর দেয়াল ভেদ করতে পারে না। তাই রিমোট টিভির দিকে তাক করতে হয়। এই সীমাবদ্ধতার জন্যই ইনফ্রারেড কাছাকাছি যন্ত্রের যোগাযোগে কাজের, বড় নেটওয়ার্কে নয়।
স্যাটেলাইট যোগাযোগে ব্যবহার হয় মাইক্রোওয়েভ, যা বায়ুমণ্ডল ভেদ করে হাজার হাজার কিলোমিটার যেতে পারে। শহরজুড়ে ম্যান বা দেশজুড়ে ওয়ান নেটওয়ার্কে লাগে অপটিক্যাল ফাইবার, কেবল আর মাইক্রোওয়েভ লিংক।
দূরত্বই এখানে মূল সূত্র। ইনফ্রারেড কয়েক মিটারের প্রযুক্তি, তাই ওয়ান, ম্যান বা স্যাটেলাইটের মতো বড় দূরত্বের বিকল্পগুলো বাদ। বিকল্পে ছাপা রিমোর্ট বানানটি ভুল, শুদ্ধ বানান রিমোট।
মনে রাখুন: ইনফ্রারেড মানে কাছে, সোজাসুজি, দেয়াল পেরোয় না: রিমোট কন্ট্রোল।
৪৮৬. (1011)2 + (0101)2=? (৩৬তম বিসিএস, ২০১৬)
- ক(1100)2
- খ(11000)2
- গ(01100)2
- ঘকোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর: ঘ. কোনোটিই নয়
প্রশ্নটি দুটি বাইনারি সংখ্যা যোগ করতে বলেছে: এক শূন্য এক এক আর শূন্য এক শূন্য এক। বাইনারি যোগের নিয়ম চারটি: শূন্য যোগ শূন্য শূন্য, শূন্য যোগ এক এক, এক যোগ এক হলে লিখি শূন্য আর হাতে থাকে এক, আর এক যোগ এক যোগ হাতের এক হলে লিখি এক, হাতে এক।
ডান দিক থেকে কলাম ধরে যোগ করি। প্রথম কলামে এক যোগ এক, লিখি শূন্য, হাতে এক। দ্বিতীয় কলামে এক যোগ শূন্য যোগ হাতের এক, আবার লিখি শূন্য, হাতে এক। তৃতীয় কলামে শূন্য যোগ এক যোগ হাতের এক, লিখি শূন্য, হাতে এক। চতুর্থ কলামে এক যোগ শূন্য যোগ হাতের এক, লিখি শূন্য, হাতে এক; শেষে হাতের এক সামনে বসে।
ফল দাঁড়ায় এক শূন্য শূন্য শূন্য শূন্য। দশমিকে মিলিয়ে দেখি: প্রথম সংখ্যাটি এগারো, দ্বিতীয়টি পাঁচ, যোগফল ষোলো; আর ষোলোর বাইনারি রূপ ঠিক এক শূন্য শূন্য শূন্য শূন্য। এটি কোনো বিকল্পে নেই, তাই উত্তর কোনোটিই নয়।
ফাঁদ হলো হাতের সংখ্যা সামলাতে ভুল করা। হাতের এক একেবারে না নিলে আসে এক এক এক শূন্য, মানে চোদ্দ; আর শেষের হাতের এক বাদ দিলে থাকে শুধু চারটি শূন্য। বিকল্পের এক এক শূন্য শূন্য হলো বারো, আর সামনে শূন্য বসানো শূন্য এক এক শূন্য শূন্যও বারো; কোনোটিই ষোলো নয়।
মনে রাখুন: দশমিকে বদলে যোগ করে আবার বাইনারি করুন: ১১ + ৫ = ১৬ = ২⁴, মানে ১ এর পরে চারটি শূন্য।
৪৮৭. WI MAX- এর পূর্ণরূপ কি? (৩৬তম বিসিএস, ২০১৬)
- কWorldwide Interoperability for Microwave Access
- খWorldwide Internet for Microwave Access
- গWorldwide Interconnection for Microwave Access
- ঘকোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর: ক. Worldwide Interoperability for Microwave Access
প্রশ্নটি ওয়াইম্যাক্স-এর পূর্ণরূপ জানতে চেয়েছে। উত্তর ওয়ার্ল্ডওয়াইড ইন্টারঅপারেবিলিটি ফর মাইক্রোওয়েভ অ্যাকসেস। ইন্টারঅপারেবিলিটি মানে ভিন্ন ভিন্ন কোম্পানির যন্ত্র একে অপরের সঙ্গে মিলে কাজ করতে পারা।
ওয়াইম্যাক্স হলো আইইইই আট শূন্য দুই দশমিক ষোলো মানদণ্ডের তারহীন ব্রডব্যান্ড প্রযুক্তি। ওয়াই-ফাই যেখানে একটি বাসা বা অফিস ঢাকে, ওয়াইম্যাক্স একটি টাওয়ার থেকে কয়েক কিলোমিটার এলাকা জুড়ে ইন্টারনেট দিতে পারে; তাই একে শহরজুড়ে বা ম্যান পর্যায়ের প্রযুক্তি বলা হয়।
বাংলাদেশে বাংলালায়ন ও কিউবির মতো প্রতিষ্ঠান এক সময় ওয়াইম্যাক্স দিয়ে তারহীন ইন্টারনেট দিত। পরে মোবাইল ফোর-জি প্রযুক্তি জনপ্রিয় হলে ওয়াইম্যাক্সের ব্যবহার কমে যায়।
ফাঁদ হলো ইন্টারনেট বা ইন্টারকানেকশন শব্দ দুটি; শুনতে মানানসই হলেও পূর্ণরূপের মূল শব্দ ইন্টারঅপারেবিলিটি।
মনে রাখুন: ওয়াইম্যাক্সের আই মানে ইন্টারনেট নয়, ইন্টারঅপারেবিলিটি।
৪৮৮. Boolean Algebra – এর নিচের কোনটি সঠিক? (৩৬তম বিসিএস, ২০১৬)
- কA + Ā = 1
- খA . A = 1
- গA + A = 2A
- ঘউপরের কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর: ক. A + Ā = 1
প্রশ্নটি বুলিয়ান অ্যালজেবরার কোন সূত্রটি সঠিক তা জানতে চেয়েছে। উত্তর এ অর এ-বার সমান এক। বুলিয়ান অ্যালজেবরায় চলক মাত্র দুটি মান নিতে পারে, শূন্য অথবা এক। যোগ চিহ্ন মানে অর, গুণ বা ডট মানে অ্যান্ড, আর মাথায় দাগ বা বার মানে নট বা পূরক।
এ-বার হলো এ-এর উল্টো মান। এ শূন্য হলে এ-বার এক, আর এ এক হলে এ-বার শূন্য। তাই এ আর এ-বারের মধ্যে কোনো একটি সবসময় এক থাকে। অর অপারেশনে যেকোনো একটি এক হলেই ফল এক, তাই এ অর এ-বার সবসময় এক।
এ অ্যান্ড এ সমান এ, এক নয়; কারণ এ শূন্য হলে শূন্য অ্যান্ড শূন্য শূন্যই থাকে। আর এ অর এ সমান এ, দুই-এ নয়। বুলিয়ান অ্যালজেবরায় দুই বলে কোনো মান নেই।
সবচেয়ে বড় ফাঁদ এ যোগ এ সমান দুই-এ, কারণ সাধারণ বীজগণিতে তা-ই হয়। বুলিয়ান যোগ মানে অর, সংখ্যা যোগ নয়; তাই এক অর এক এক-ই।
মনে রাখুন: বুলিয়ান সূত্র যাচাইয়ের সহজ উপায়: A = ০ আর A = ১ বসিয়ে দেখুন দুই ক্ষেত্রেই মেলে কি না।
৪৮৯. 8086 কত বিটের মাইক্রো প্রসেসর? (৩৬তম বিসিএস, ২০১৬)
- ক8
- খ16
- গ32
- ঘউপরের কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর: খ. 16
প্রশ্নটি জানতে চেয়েছে আট শূন্য আট ছয় কত বিটের মাইক্রোপ্রসেসর। উত্তর ষোলো বিট। ইন্টেল ১৯৭৮ সালে এটি বাজারে আনে, আর এর নির্দেশনা কাঠামো থেকেই আজকের এক্স-এইটি-সিক্স প্রসেসর পরিবারের নাম এসেছে।
প্রসেসর কত বিটের, তা বোঝায় এটি একবারে কত বিট ডেটা নিয়ে কাজ করতে পারে, অর্থাৎ এর রেজিস্টার ও ডেটা বাসের প্রস্থ। আট শূন্য আট ছয়ের রেজিস্টার ও ডেটা বাস ষোলো বিটের, আর অ্যাড্রেস বাস বিশ বিটের, যা দিয়ে এক মেগাবাইট মেমোরি ঠিকানা করা যেত।
ইন্টেলের ধারা মনে রাখুন: ১৯৭১ সালের চার শূন্য শূন্য চার চার বিট, যা প্রথম বাণিজ্যিক মাইক্রোপ্রসেসর; তারপর আট শূন্য শূন্য আট ও আট শূন্য আট শূন্য আট বিট; আট শূন্য আট ছয় ষোলো বিট; আর ১৯৮৫ সালের আট শূন্য তিন আট ছয় বত্রিশ বিট।
ফাঁদ হলো নামের আট দেখে আট বিট ভাবা। নামের সংখ্যা আর বিটের সংখ্যা এক নয়।
মনে রাখুন: ৮০৮৬ = ১৬ বিট, ৮০৮৮ = ভেতরে ১৬ কিন্তু বাইরের ডেটা বাস ৮ বিট, ৮০৩৮৬ = ৩২ বিট।
৪৯০. Mobile Phone -এর কোনটি input device নয়? (৩৬তম বিসিএস, ২০১৬)
- কKeypad
- খTouch Screen
- গCamera
- ঘPower Supply
সঠিক উত্তর: ঘ. Power Supply
প্রশ্নটি জানতে চেয়েছে মোবাইল ফোনের কোনটি ইনপুট যন্ত্র নয়। উত্তর পাওয়ার সাপ্লাই। ইনপুট যন্ত্র ব্যবহারকারী বা পরিবেশ থেকে তথ্য নিয়ে ফোনের প্রসেসরে পাঠায়; পাওয়ার সাপ্লাই কোনো তথ্য দেয় না, শুধু বিদ্যুৎ জোগায়।
কিপ্যাড চাপলে অক্ষর বা সংখ্যা ঢোকে, তাই এটি ইনপুট। টাচস্ক্রিন স্পর্শের অবস্থান ঢোকায়, আবার একই সঙ্গে ছবিও দেখায়; তাই একে ইনপুট ও আউটপুট দুটোই বলা হয়। ক্যামেরা আলো থেকে ছবি তৈরি করে ফোনে পাঠায়, তাই এটিও ইনপুট; মাইক্রোফোনও একই দলে।
পাওয়ার সাপ্লাই বা ব্যাটারি ফোনের সব অংশকে শক্তি দেয়, কিন্তু কোনো ডেটা তৈরি বা প্রেরণ করে না। তাই এটি ইনপুট বা আউটপুট নয়, শক্তির উৎস।
ফাঁদ হলো টাচস্ক্রিন। এটি পর্দা বলে অনেকে শুধু আউটপুট ভাবেন, কিন্তু স্পর্শ বোঝার ক্ষমতাই একে ইনপুট বানায়।
মনে রাখুন: প্রশ্ন করুন: অংশটি কি কোনো তথ্য ঢোকায়? না হলে সেটা ইনপুট নয়।
৪৯১. নিচের কোনটি ডাটাবেজ language? (৩৬তম বিসিএস, ২০১৬)
- কOracle
- খC
- গMS-Word
- ঘকোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর: ঘ. কোনোটিই নয়
প্রশ্নটি জানতে চেয়েছে কোনটি ডেটাবেজ ভাষা। প্রদত্ত উত্তর কোনোটিই নয়। কারণ ডেটাবেজের প্রমিত ভাষা হলো এসকিউএল, যার কোনো বিকল্পে উল্লেখ নেই।
ওরাকল আসলে ভাষা নয়, একটি ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম, অর্থাৎ ডেটা রাখা ও সামলানোর সফটওয়্যার; আবার একই নামের কোম্পানিও। ওরাকল ডেটাবেজের সঙ্গে কথা বলা হয় এসকিউএল ও তার বর্ধিত রূপ পিএল-এসকিউএল দিয়ে।
সি একটি সাধারণ কাজের প্রোগ্রামিং ভাষা, ডেটাবেজের বিশেষ ভাষা নয়। আর এমএস ওয়ার্ড লেখালেখির সফটওয়্যার বা ওয়ার্ড প্রসেসর।
ফাঁদ হলো ওরাকল, কারণ নামটি ডেটাবেজের সঙ্গে জড়িত। মনে রাখুন, সফটওয়্যার আর ভাষা আলাদা জিনিস: ওরাকল, মাই-এসকিউএল, এমএস অ্যাকসেস হলো ডেটাবেজ সফটওয়্যার, আর এসকিউএল হলো ভাষা। অনেক প্রকাশিত সমাধানে অবশ্য ওরাকলকেই উত্তর দেখানো হয়েছে।
মনে রাখুন: ডেটাবেজ ভাষা প্রশ্নে খুঁজুন এসকিউএল, ডিডিএল, ডিএমএল; ওরাকল বা অ্যাকসেস হলো সফটওয়্যার।
৪৯২. Linkedin – এর ক্ষেত্রে কোনটি সঠিক? (৩৬তম বিসিএস, ২০১৬)
- কএটি একটি বিজনেস অরিয়েন্টেড সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং সার্ভিস
- খএটি ২০০২ সালে প্রতিষ্ঠিত
- গ২০০৬ সালে এটির সদস্যসংখ্যা ২০ মিলিয়নের অধিক হয়
- ঘউপরের সবগুলোই
সঠিক উত্তর: ঘ. উপরের সবগুলোই
প্রশ্নটি লিংকডইন সম্পর্কে সঠিক তথ্য জানতে চেয়েছে, আর প্রদত্ত উত্তর উপরের সবগুলোই। লিংকডইন হলো পেশাজীবী ও ব্যবসাকেন্দ্রিক সামাজিক যোগাযোগ সাইট: এখানে মানুষ জীবনবৃত্তান্ত রাখে, চাকরি খোঁজে আর পেশাগত যোগাযোগ বাড়ায়। প্রথম তথ্যটি তাই সঠিক।
লিংকডইন প্রতিষ্ঠিত হয় ২০০২ সালের ডিসেম্বরে, রিড হফম্যান ও কয়েকজন সহযোগীর হাতে; সাইটটি সবার জন্য চালু হয় ২০০৩ সালের মে মাসে। তাই প্রতিষ্ঠার সাল ২০০২ বলা সঠিক।
তৃতীয় তথ্য, ২০০৬ সালে দুই কোটির বেশি সদস্য, গাইডবইগুলো সত্য ধরে উত্তর সবগুলোই দেখায়। তবে লিংকডইনের প্রকাশিত ইতিহাসে দেখা যায় ২০০৭ সালের এপ্রিলে সদস্য এক কোটিতে পৌঁছায়; তাই এই সংখ্যাটি নিয়ে সংশয় আছে। পরে ২০১৬ সালে মাইক্রোসফট লিংকডইন কিনে নেয়।
এ ধরনের প্রশ্নে প্রথম সঠিক তথ্য দেখেই থেমে যাওয়া সাধারণ ভুল; পরীক্ষার প্রত্যাশিত উত্তর সবগুলোই।
মনে রাখুন: লিংকডইন: প্রতিষ্ঠা ২০০২, চালু ২০০৩, মাইক্রোসফটের মালিকানা ২০১৬।
৪৯৩. কমিউনিকেশন সিস্টেমে গেটওয়ে কি কাজে ব্যবহার হয়? (৩৬তম বিসিএস, ২০১৬)
- কবিভিন্ন নেটওয়ার্ক ডিভাইস সংযুক্ত করার কাজে
- খদুই বা তার অধিক ভিন্ন ধরনের নেটওয়ার্ককে সংযুক্ত করার কাজে
- গএটি নেটওয়ার্ক হাব কিংবা সুইচের মতই কাজ করে
- ঘকোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর: খ. দুই বা তার অধিক ভিন্ন ধরনের নেটওয়ার্ককে সংযুক্ত করার কাজে
প্রশ্নটি জানতে চেয়েছে নেটওয়ার্কে গেটওয়ে কী কাজে লাগে। উত্তর দুই বা তার বেশি ভিন্ন ধরনের নেটওয়ার্ককে যুক্ত করা। গেটওয়ে শুধু সংযোগ দেয় না, এক নেটওয়ার্কের প্রোটোকল বা নিয়ম অন্য নেটওয়ার্কের নিয়মে অনুবাদ করে দেয়।
দুজন ভিন্ন ভাষার মানুষের মাঝে দোভাষী যেমন কাজ করে, গেটওয়েও তেমনি। যেমন বাসার ভেতরের নেটওয়ার্ককে ইন্টারনেটের সঙ্গে, বা পুরোনো টেলিফোন নেটওয়ার্ককে ইন্টারনেট ভিত্তিক ফোনের সঙ্গে যুক্ত করতে গেটওয়ে লাগে।
হাব আর সুইচ একই নেটওয়ার্কের ভেতরে কম্পিউটারগুলোকে জোড়ে। হাব সব তথ্য সবাইকে পাঠায়, আর সুইচ ঠিকানা দেখে শুধু নির্দিষ্ট কম্পিউটারে পাঠায়। রাউটার একই প্রোটোকলের আলাদা নেটওয়ার্কের মধ্যে পথ বেছে দেয়।
ফাঁদ হলো প্রথম বিকল্প, বিভিন্ন নেটওয়ার্ক যন্ত্র সংযুক্ত করা; এটা হাব বা সুইচের কাজ। গেটওয়ের মূল পরিচয় ভিন্ন ধরনের নেটওয়ার্কের সংযোগ।
মনে রাখুন: ভিন্ন, আলাদা প্রোটোকল, অনুবাদ শব্দ দেখলে গেটওয়ে।
৪৯৪. নিচের কোনটি কম্পিউটারের প্রাইমারি মেমোরি? (৩৬তম বিসিএস, ২০১৬)
- কRAM
- খHard Disk
- গPen drive
- ঘকোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর: ক. RAM
প্রশ্নটি জানতে চেয়েছে কোনটি কম্পিউটারের প্রাইমারি বা প্রধান মেমোরি। উত্তর র্যাম। প্রসেসর সরাসরি যে মেমোরি থেকে নির্দেশনা ও ডেটা নেয়, তাকে প্রাইমারি মেমোরি বলে; র্যাম ও রম দুটোই এর মধ্যে পড়ে।
কোনো প্রোগ্রাম চালালে তা হার্ডডিস্ক থেকে প্রথমে র্যামে আসে, তারপর প্রসেসর র্যাম থেকে পড়ে কাজ করে। কারণ হার্ডডিস্কের চেয়ে র্যাম বহুগুণ দ্রুত।
মেমোরিকে একটি পিরামিডের মতো ভাবুন। ওপরে প্রসেসরের ভেতরের রেজিস্টার আর ক্যাশ, সবচেয়ে দ্রুত কিন্তু ছোট। মাঝে র্যাম, প্রধান মেমোরি। নিচে হার্ডডিস্ক, এসএসডি, পেনড্রাইভের মতো সেকেন্ডারি মেমোরি, যা ধীর কিন্তু বিশাল আর স্থায়ী।
ফাঁদ হলো হার্ডডিস্ক, কারণ সব ফাইল সেখানে থাকে বলে একে মূল মেমোরি মনে হয়। কিন্তু হার্ডডিস্ক সহায়ক বা সেকেন্ডারি স্টোরেজ।
মনে রাখুন: প্রসেসর সরাসরি পড়ে কি না দেখুন: পড়লে প্রাইমারি (র্যাম, রম), না পড়লে সেকেন্ডারি।
৪৯৫. Plotter কোন ধরনের ডিভাইস? (৩৬তম বিসিএস, ২০১৬)
- কইনপুট
- খআউটপুট
- গমেমোরি
- ঘউপরের কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর: খ. আউটপুট
প্রশ্নটি জানতে চেয়েছে প্লটার কোন ধরনের যন্ত্র। উত্তর আউটপুট যন্ত্র। প্লটার কম্পিউটারের তৈরি নকশা বড় কাগজে কলম বা কালি দিয়ে এঁকে বের করে, অর্থাৎ কম্পিউটারের ফলাফল বাইরে নিয়ে আসে।
সাধারণ প্রিন্টার ছোট কাগজে লেখা ছাপে, আর প্লটার বড় মাপের কাগজে নিখুঁত রেখাচিত্র আঁকে। তাই স্থপতির বাড়ির নকশা, প্রকৌশলীর যন্ত্রাংশের ড্রয়িং, মানচিত্র বা বড় ব্যানার ছাপতে প্লটার ব্যবহার হয়।
একই আউটপুট দলে আছে মনিটর, প্রিন্টার, স্পিকার আর প্রজেক্টর। ইনপুট দলে কি-বোর্ড, মাউস, স্ক্যানার; মেমোরি হলো র্যাম, রম বা হার্ডডিস্কের মতো তথ্য রাখার জায়গা।
ফাঁদ হলো প্লটারের ছবি আঁকার কাজ দেখে একে গ্রাফিক্স ট্যাবলেটের মতো ইনপুট ভাবা। ট্যাবলেটে আমরা আঁকি কম্পিউটারকে দিতে, আর প্লটার কম্পিউটারের আঁকা আমাদের দেয়।
মনে রাখুন: প্লট মানে নকশা আঁকা: কম্পিউটারের নকশা বাইরে আসে, তাই আউটপুট।
৪৯৬. কম্পিউটার সিপিইউ (CPU) – এর কোন অংশ গাণিতিক সিদ্ধান্ত গ্রহণের কাজ করে? (৩৭তম বিসিএস, ২০১৬)
- কএএলইউ (ALU)
- খকন্ট্রোল ইউনিট (control unit)
- গরেজিস্টার সেট (Register set)
- ঘকোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর: ক. এএলইউ (ALU)
প্রশ্নটি জানতে চেয়েছে সিপিইউ-এর কোন অংশ গাণিতিক কাজ ও সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে। উত্তর এএলইউ, পুরো নাম অ্যারিথমেটিক লজিক ইউনিট। নামেই দুটি কাজ: অ্যারিথমেটিক মানে যোগ, বিয়োগ, গুণ, ভাগের হিসাব, আর লজিক মানে তুলনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া।
লজিক অংশ পরীক্ষা করে একটি সংখ্যা অন্যটির চেয়ে বড়, ছোট না সমান, অথবা কোনো শর্ত সত্য না মিথ্যা। এই তুলনার ফল দেখেই প্রোগ্রাম ঠিক করে কোন পথে যাবে। তাই সিদ্ধান্ত গ্রহণও এএলইউ-এর কাজ।
সিপিইউ-এর তিনটি প্রধান অংশ। কন্ট্রোল ইউনিট হলো পরিচালক: নির্দেশনা পড়ে কোন অংশ কখন কী করবে তা ঠিক করে দেয়, নিজে হিসাব করে না। রেজিস্টার হলো প্রসেসরের ভেতরের ছোট ও অতি দ্রুত মেমোরি, যেখানে হিসাবের সংখ্যা সাময়িক থাকে।
ফাঁদ হলো কন্ট্রোল ইউনিট। নিয়ন্ত্রণ মানে সিদ্ধান্ত ভেবে অনেকে এটি বেছে নেন, কিন্তু তুলনা করে যুক্তির সিদ্ধান্ত দেয় এএলইউ; কন্ট্রোল ইউনিট শুধু কাজ সমন্বয় করে।
মনে রাখুন: হিসাব বা তুলনা মানেই এএলইউ; পরিচালনা বা সমন্বয় মানেই কন্ট্রোল ইউনিট।
৪৯৭. একটি ২(দুই) ইনপুট লজিক সেটের আউটপুট ০ হবে, যদি এর ইনপুটগুলো সমান হয় – এর উক্তিটি কোন সেটের জন্য সত্য? (৩৭তম বিসিএস, ২০১৬)
- কAND
- খNOR
- গEx-OR
- ঘOR
সঠিক উত্তর: গ. Ex-OR
প্রশ্নটি জানতে চেয়েছে কোন দুই-ইনপুট লজিক গেটের আউটপুট শূন্য হয়, যখন দুটি ইনপুট সমান। উত্তর এক্স-অর গেট। প্রশ্নে ছাপা লজিক সেট শব্দটি আসলে লজিক গেট।
এক্স-অর মানে এক্সক্লুসিভ অর। এর নিয়ম: দুই ইনপুট ভিন্ন হলে আউটপুট এক, আর সমান হলে আউটপুট শূন্য। তাই শূন্য-শূন্য আর এক-এক, দুই ক্ষেত্রেই আউটপুট শূন্য। একে অমিল খোঁজার গেটও বলা যায়।
অন্য গেটগুলো মিলিয়ে দেখি। অ্যান্ড গেটে এক-এক দিলে আউটপুট এক, তাই সমান ইনপুটে সবসময় শূন্য নয়। অর গেটেও এক-এক দিলে এক। নর গেটে শূন্য-শূন্য দিলে আউটপুট এক। শুধু এক্স-অর দুই সমান অবস্থাতেই শূন্য দেয়।
ফাঁদ হলো নর। এক-এক দিলে নর শূন্য দেয় বলে মনে হয় মিলে গেছে, কিন্তু শূন্য-শূন্যে নর এক দেয়। দুটি সমান অবস্থাই মিলিয়ে দেখতে হবে।
মনে রাখুন: এক্স-অর ভিন্ন হলে এক, এক্স-নর সমান হলে এক; দুটো জোড়ায় মনে রাখুন।
৪৯৮. কোনটি অপারেটিং সিস্টেম নয়? (৩৭তম বিসিএস, ২০১৬)
- কC
- খDOS
- গCP/M
- ঘXENIX
সঠিক উত্তর: ক. C
প্রশ্নটি জানতে চেয়েছে কোনটি অপারেটিং সিস্টেম নয়। উত্তর সি, কারণ সি একটি প্রোগ্রামিং ভাষা। ডেনিস রিচি ১৯৭২ সালে বেল ল্যাবসে এটি তৈরি করেন, আর ইউনিক্স অপারেটিং সিস্টেমের বড় অংশ এই ভাষাতেই লেখা হয়।
অপারেটিং সিস্টেম হলো সেই মূল সফটওয়্যার, যা যন্ত্রাংশ পরিচালনা করে এবং ব্যবহারকারী ও অন্য প্রোগ্রামকে কম্পিউটার ব্যবহারের সুযোগ দেয়। বাকি তিনটিই এই ধরনের সফটওয়্যার।
ডস হলো ডিস্ক অপারেটিং সিস্টেম; মাইক্রোসফটের এমএস-ডস ১৯৮১ সালে আইবিএম পিসির সঙ্গে আসে। সিপি-এম ১৯৭৪ সালে গ্যারি কিলডালের তৈরি, প্রথম দিকের মাইক্রো কম্পিউটারের জনপ্রিয় অপারেটিং সিস্টেম। জেনিক্স হলো ইউনিক্সের একটি সংস্করণ, যা মাইক্রোসফট ১৯৮০ সালে বাজারে আনে।
সিপি-এম আর জেনিক্স অপরিচিত নাম বলে অনেকে এগুলোকে অপারেটিং সিস্টেম নয় ভেবে বসেন। কিন্তু প্রশ্নের সবচেয়ে পরিচিত নাম সি-ই আসলে দলছুট।
মনে রাখুন: অপরিচিত নাম দেখে ভয় পাবেন না; আগে পরিচিত নামগুলোর পরিচয় যাচাই করুন।
৪৯৯. ক্লাউড সার্ভার নিচের কোনটিতে সবচেয়ে ভালো বর্ণনা করা সম্ভব? (৩৭তম বিসিএস, ২০১৬)
- কনেটওয়ার্কের মাধ্যমে যুক্ত একাধিক কম্পিউটার সার্ভার
- খএকটি বিশাল ক্ষমতা সম্পন্ন কম্পিউটার সার্ভার
- গব্যবহারকারীর চাহিদা অনুযায়ী কম্পিউটিং সেবা দেয়া
- ঘউপরের কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর: গ. ব্যবহারকারীর চাহিদা অনুযায়ী কম্পিউটিং সেবা দেয়া
প্রশ্নটি জানতে চেয়েছে ক্লাউড সার্ভারের সবচেয়ে ভালো বর্ণনা কোনটি। উত্তর ব্যবহারকারীর চাহিদা অনুযায়ী কম্পিউটিং সেবা দেওয়া। ক্লাউড কম্পিউটিংয়ে নিজের যন্ত্র না কিনে ইন্টারনেটের মাধ্যমে অন্যের ডেটা সেন্টার থেকে সার্ভার, স্টোরেজ বা সফটওয়্যার ভাড়া নেওয়া হয়।
যুক্তরাষ্ট্রের মানদণ্ড সংস্থা নিস্টের সংজ্ঞায় ক্লাউডের মূল বৈশিষ্ট্য হলো চাহিদামতো সেবা: যখন যতটুকু দরকার, ততটুকু নেওয়া যায়, প্রয়োজনে বাড়ানো বা কমানো যায়, আর বিদ্যুৎ বিলের মতো ব্যবহার অনুযায়ী দাম দিতে হয়। গুগল ড্রাইভে ফাইল রাখা বা জিমেইল ব্যবহার এর সহজ উদাহরণ।
নেটওয়ার্কে যুক্ত একাধিক সার্ভার ক্লাউডের ভেতরে থাকে ঠিকই, কিন্তু শুধু কয়েকটি সার্ভার যুক্ত করলেই তা ক্লাউড হয় না; সেটি সাধারণ সার্ভার নেটওয়ার্ক। আর একটি বিশাল সার্ভার বললে ক্লাউডের ভাগাভাগি ও চাহিদামতো বাড়ানোর ধারণাটাই বাদ পড়ে।
ফাঁদ হলো প্রথম বিকল্প, কারণ এটি ক্লাউডের যন্ত্রাংশের সঠিক বর্ণনার মতো শোনায়। কিন্তু প্রশ্ন চেয়েছে সবচেয়ে ভালো বর্ণনা, আর ক্লাউডের পরিচয় তার সেবার ধরনে।
মনে রাখুন: ক্লাউড প্রশ্নে চাহিদামতো, অন-ডিমান্ড, ব্যবহার অনুযায়ী মূল্য শব্দগুলো খুঁজুন।
৫০০. IP-V6 এড্রেস কত বিটের? (৩৭তম বিসিএস, ২০১৬)
- ক১২৮
- খ৩২
- গ১২
- ঘ৬
সঠিক উত্তর: ক. ১২৮
প্রশ্নটি জানতে চেয়েছে আইপি ভার্সন সিক্স ঠিকানা কত বিটের। উত্তর একশো আটাশ বিট। ইন্টারনেটে যুক্ত প্রতিটি যন্ত্রের একটি আলাদা ঠিকানা লাগে, যাকে আইপি ঠিকানা বলে।
পুরোনো আইপি ভার্সন ফোর ঠিকানা বত্রিশ বিটের, তাই মোট ঠিকানা দুইয়ের ঘাত বত্রিশ, প্রায় চারশো উনত্রিশ কোটি। মোবাইল, কম্পিউটার আর স্মার্ট যন্ত্রের সংখ্যা এর চেয়ে বেশি হয়ে যাওয়ায় ঠিকানা ফুরিয়ে আসছিল। এই সমস্যা মেটাতে আইপি ভার্সন সিক্স এসেছে।
আইপি ভার্সন সিক্স ঠিকানা আটটি ভাগে লেখা হয়, প্রতিটি ভাগ ষোলো বিটের, আর হেক্সাডেসিমেল সংখ্যায়। আট গুণ ষোলো সমান একশো আটাশ বিট। এতে মোট ঠিকানা দুইয়ের ঘাত একশো আটাশ, যা তিন দশমিক চার গুণ দশের ঘাত আটত্রিশের মতো বিশাল।
ফাঁদ হলো বত্রিশ বিট, যা আইপি ভার্সন ফোরের মাপ। আর ছয় শুধু ভার্সনের নম্বর, বিটের সংখ্যা নয়; বারো বিটের কোনো আইপি ঠিকানাও নেই।
মনে রাখুন: আইপিভি৪ = ৩২, আইপিভি৬ = ১২৮; ভার্সন দেড় গুণ, বিট চার গুণ।