বাংলাদেশ বিষয়াবলি · পাতা ১১
২০১. বাংলার সর্বপ্রাচীন জনপদের নাম কী? (৪৪তম বিসিএস, ২০২২)
- কপুণ্ড্র
- খতাম্রলিপ্ত
- গগৌড়
- ঘহরিকেল
সঠিক উত্তর: ক. পুণ্ড্র
প্রশ্নটা প্রাচীন বাংলার জনপদগুলোর মধ্যে সবচেয়ে পুরোনোটি জানতে চেয়েছে। উত্তর পুণ্ড্র।
পুণ্ড্রের রাজধানী ছিল পুণ্ড্রনগর, বর্তমান বগুড়ার মহাস্থানগড়। সেখানে পাওয়া মৌর্য যুগের ব্রাহ্মী শিলালিপিটি বাংলাদেশে পাওয়া প্রাচীনতম শিলালিপি। এমন প্রত্নপ্রমাণের কারণেই পুণ্ড্রকে বাংলার প্রাচীনতম জনপদ ধরা হয়।
অন্য জনপদগুলোর উল্লেখ পরে পাওয়া যায়। গৌড় নাম বিশেষ গুরুত্ব পায় সপ্তম শতকে শশাঙ্কের সময়, হরিকেলের উল্লেখ আসে আরও পরে। তাম্রলিপ্ত ছিল প্রাচীন সমুদ্রবন্দর, বর্তমান পশ্চিমবঙ্গের মেদিনীপুর অঞ্চলে।
গৌড় নামটি বেশি শোনা যায় বলে অনেকে একে প্রাচীনতম ভাবেন। কিন্তু পরিচিতি আর প্রাচীনতা এক কথা নয়।
মনে রাখুন: প্রাচীনতম জনপদ পুণ্ড্র, তার রাজধানী পুণ্ড্রনগর আজকের মহাস্থানগড়: দুটোই বগুড়ায়।
২০২. বাংলাদেশের বৃহত্তর ঢাকা জেলা প্রাচীনকালে কোন জনপদের অন্তর্ভুক্ত ছিল? (৪৪তম বিসিএস, ২০২২)
- কসমতট
- খপুণ্ড্র
- গবঙ্গ
- ঘহরিকেল
সঠিক উত্তর: গ. বঙ্গ
প্রশ্নটা বৃহত্তর ঢাকা অঞ্চল প্রাচীন কালে কোন জনপদে ছিল তা জানতে চেয়েছে। উত্তর বঙ্গ জনপদ।
বঙ্গ জনপদ ছিল বর্তমান ঢাকা, বিক্রমপুর, ফরিদপুর ও আশপাশের নিচু এলাকা নিয়ে। বিক্রমপুর ছিল বঙ্গের গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র, পরে চন্দ্র ও সেন রাজাদের সময়েও এর গুরুত্ব ছিল।
এই বঙ্গ নাম থেকেই পরে বাঙ্গালা ও বাংলা নামের উৎপত্তি হয়েছে। তাই ঢাকা মনে পড়লে বঙ্গ জনপদের কথাই আসা উচিত।
সমতট কুমিল্লা অঞ্চলে বলে ঢাকার কাছাকাছি মনে হয়, তাই অনেকে এটি বেছে নেন। কিন্তু সমতট ছিল মেঘনার পূর্বে, ঢাকা মেঘনার পশ্চিমে।
মনে রাখুন: ঢাকা-বিক্রমপুর মানেই বঙ্গ; বঙ্গ থেকেই বাংলা।
২০৩. বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে কতজন মুক্তিযোদ্ধাকে ‘বীর বিক্রম’ খেতাবে ভূষিত করা হয়? (৪৪তম বিসিএস, ২০২২)
- ক৭ জন
- খ৬৮ জন
- গ১৭৫ জন
- ঘ৪২৬ জন
সঠিক উত্তর: গ. ১৭৫ জন
প্রশ্নটা মুক্তিযুদ্ধের বীরত্বসূচক খেতাবের সংখ্যা জানতে চেয়েছে। বীর বিক্রম খেতাব পেয়েছেন ১৭৫ জন।
মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বের জন্য চার স্তরের খেতাব দেওয়া হয়। মর্যাদার ক্রমে বীরশ্রেষ্ঠ ৭ জন, বীর উত্তম ৬৮ জন, বীর বিক্রম ১৭৫ জন এবং বীর প্রতীক ৪২৬ জন; সব মিলিয়ে ৬৭৬ জন।
নিয়মটা সহজ: খেতাব যত উঁচু, সংখ্যা তত কম। বীর বিক্রম তৃতীয় স্তরের খেতাব, তাই এর সংখ্যা তৃতীয় সংখ্যাটি।
বিকল্পের বাকি তিনটি সংখ্যা আসলে অন্য তিন খেতাবের। সংখ্যা চেনা থাকলেও কোনটি কোন খেতাবের, তা গুলিয়ে ফেলাই এখানে ফাঁদ।
মনে রাখুন: খেতাব নিচে নামলে সংখ্যা বাড়ে: ৭, ৬৮, ১৭৫, ৪২৬।
২০৪. মুজিবনগর সরকারের ত্রাণ ও পুনর্বাসন মন্ত্রী কে ছিলেন? (৪৪তম বিসিএস, ২০২২)
- কতাজউদ্দিন আহমেদ
- খএ এইচ এম কামরুজ্জামান
- গসৈয়দ নজরুল ইসলাম
- ঘএম মনসুর আলী
সঠিক উত্তর: খ. এ এইচ এম কামরুজ্জামান
প্রশ্নটা মুজিবনগর সরকারের মন্ত্রীদের দায়িত্ব জানতে চেয়েছে। ত্রাণ ও পুনর্বাসন মন্ত্রী ছিলেন এ এইচ এম কামারুজ্জামান।
১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল গঠিত এবং ১৭ এপ্রিল শপথ নেওয়া মুজিবনগর সরকারে কামারুজ্জামানের হাতে ছিল স্বরাষ্ট্র, কৃষি এবং ত্রাণ ও পুনর্বাসন মন্ত্রণালয়।
অন্যদের দায়িত্বও মনে রাখা দরকার। রাষ্ট্রপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, তাঁর অনুপস্থিতিতে উপরাষ্ট্রপতি সৈয়দ নজরুল ইসলাম অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি। প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দীন আহমদ, অর্থমন্ত্রী এম মনসুর আলী, আর পররাষ্ট্র ও আইনমন্ত্রী খন্দকার মোশতাক আহমদ।
প্রধানমন্ত্রী অনেক মন্ত্রণালয় নিজের হাতে রেখেছিলেন বলে অনেকে তাজউদ্দীন আহমদকে বেছে নেন। কিন্তু ত্রাণ ও পুনর্বাসন ছিল কামারুজ্জামানের দায়িত্বে।
মনে রাখুন: কামারুজ্জামানের তিন দায়িত্ব: স্বরাষ্ট্র, কৃষি, ত্রাণ।
২০৫. কোন শাসকদের আমলে বাংলাভাষী অঞ্চল ‘বাঙ্গালা’ নামে পরিচিত হয়ে ওঠে? (৪৪তম বিসিএস, ২০২২)
- কমৌর্য
- খগুপ্ত
- গপাল
- ঘমুসলিম
সঠিক উত্তর: ঘ. মুসলিম
প্রশ্নটা জানতে চেয়েছে কোন যুগে পুরো বাংলাভাষী অঞ্চল একটি নামে, বাঙ্গালা নামে পরিচিত হয়। উত্তর মুসলিম শাসনামল।
সুলতান শামসুদ্দিন ইলিয়াস শাহ চৌদ্দ শতকের মাঝামাঝি লখনৌতি, সাতগাঁও ও সোনারগাঁওকে এক শাসনের অধীনে আনেন। তিনি শাহ-ই-বাঙ্গালা উপাধি নেন, আর তখন থেকেই পুরো অঞ্চল বাঙ্গালা নামে পরিচিত হতে থাকে।
এর আগে বাংলা নানা জনপদে বিভক্ত ছিল: পুণ্ড্র, বঙ্গ, গৌড়, সমতট ইত্যাদি। মৌর্য, গুপ্ত বা পাল আমলে পুরো অঞ্চলের একক নাম বাঙ্গালা ছিল না। পরে মুঘল আমলে সম্রাট আকবরের সময় এটি সুবা বাংলা নামে পরিচিত হয়।
পাল আমল বাংলার নিজস্ব শাসনের গৌরবময় যুগ বলে অনেকে পাল বেছে নেন। কিন্তু পাল রাজারা গৌড়েশ্বর নামে পরিচিত ছিলেন, পুরো দেশের একক নাম তখনো তৈরি হয়নি।
মনে রাখুন: বাঙ্গালা নাম মানেই ইলিয়াস শাহ, শাহ-ই-বাঙ্গালা।
২০৬. বাংলার প্রথম স্বাধীন নবাব কে ছিলেন? (৪৪তম বিসিএস, ২০২২)
- কশশাঙ্ক
- খমুর্শিদ কুলি খান
- গসিরাজউদ্দৌলা
- ঘআব্বাস আলী মীর্জা
সঠিক উত্তর: খ. মুর্শিদ কুলি খান
প্রশ্নটা বাংলার নবাবি আমলের সূচনা পরীক্ষা করছে। মুর্শিদকুলী খান প্রথমে মুঘল সম্রাট আওরঙ্গজেবের আমলে ১৭০০ সালের দিকে বাংলার দেওয়ান, মানে রাজস্ব প্রধান, হন।
১৭০৪ সালের দিকে তিনি দেওয়ানি দপ্তর ঢাকা থেকে মকসুদাবাদে সরিয়ে নেন, যার নাম পরে হয় মুর্শিদাবাদ। ১৭১৭ সালে তিনি বাংলার সুবাদার বা নাজিম হন।
আওরঙ্গজেবের মৃত্যুর পর মুঘল কেন্দ্র দুর্বল হয়ে পড়ে। মুর্শিদকুলী খান সম্রাটের প্রতি নামমাত্র আনুগত্য রাখতেন আর নিয়মিত রাজস্ব পাঠাতেন, কিন্তু শাসন চালাতেন নিজের মতো; তাঁর পর ক্ষমতা যায় জামাতা সুজাউদ্দিনের হাতে, মানে পদটা কার্যত বংশগত হয়ে যায়। এই কার্যত স্বাধীনতার জন্যই তাঁকে বাংলার প্রথম স্বাধীন নবাব বলা হয়।
ফাঁদ হলো শশাঙ্ক আর সিরাজউদ্দৌলা। শশাঙ্ক সপ্তম শতকে বাংলার প্রথম স্বাধীন রাজা, নবাব নন; আর সিরাজউদ্দৌলা বাংলার শেষ স্বাধীন নবাব।
মনে রাখুন: প্রথম স্বাধীন রাজা শশাঙ্ক, প্রথম স্বাধীন নবাব মুর্শিদকুলী খান, শেষ স্বাধীন নবাব সিরাজউদ্দৌলা।
২০৭. চীনদেশের কোন ভ্রমণকারী গুপ্তযুগে বাংলাদেশে আগমন করেন? (৪৪তম বিসিএস, ২০২২)
- কহিউয়েন সাং
- খফা হিয়েন
- গআই সিং
- ঘএদের সকলেই
সঠিক উত্তর: খ. ফা হিয়েন
প্রশ্নটা জানতে চেয়েছে গুপ্তযুগে কোন চীনা পরিব্রাজক বাংলায় এসেছিলেন। উত্তর ফা-হিয়েন।
ফা-হিয়েন দ্বিতীয় চন্দ্রগুপ্তের রাজত্বকালে, পঞ্চম শতকের শুরুতে ভারতবর্ষ ভ্রমণ করেন। বাংলায় তিনি তাম্রলিপ্ত বন্দরে প্রায় দুই বছর থেকে বৌদ্ধ গ্রন্থ নকল করেন, তারপর সেখান থেকে জাহাজে শ্রীলঙ্কা যান।
হিউয়েন সাং এসেছিলেন সপ্তম শতকে, হর্ষবর্ধনের সময়ে, যখন গুপ্ত সাম্রাজ্য আর ছিল না। ইৎসিং বা আই সিং আসেন আরও পরে, সপ্তম শতকের শেষ দিকে। তাই তিনজনই গুপ্তযুগে এসেছিলেন, এ কথা ঠিক নয়।
তিন পরিব্রাজকের ক্রম মনে রাখুন: ফা-হিয়েন প্রথম, হিউয়েন সাং দ্বিতীয়, ইৎসিং তৃতীয়। হিউয়েন সাং সবচেয়ে পরিচিত বলে অনেকে তাঁকে বেছে নেন, এটাই ফাঁদ।
মনে রাখুন: ক্রমে আসে ফা-হিয়েন, হিউয়েন সাং, ইৎসিং; গুপ্তযুগের প্রশ্নে প্রথমজন।
২০৮. কোনো নাগরিকের মৌলিক অধিকার লঙ্ঘিত হলে সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদের বিধান অনুযায়ী তিনি মামলা করতে পারেন? (৪৪তম বিসিএস, ২০২২)
- ক৪৪
- খ৪৭
- গ১০২
- ঘ১০৩
সঠিক উত্তর: গ. ১০২
প্রশ্নটা মৌলিক অধিকার লঙ্ঘিত হলে মামলার বিধান কোন অনুচ্ছেদে তা জানতে চেয়েছে। মামলা করা হয় অনুচ্ছেদ ১০২ অনুযায়ী, হাইকোর্ট বিভাগে।
অনুচ্ছেদ ৪৪ বলে, তৃতীয় ভাগের মৌলিক অধিকার বলবৎ করার জন্য ১০২ অনুচ্ছেদের প্রথম দফা অনুযায়ী হাইকোর্ট বিভাগে মামলা রুজু করার অধিকার নিশ্চিত করা হলো। অর্থাৎ ৪৪ অধিকারটির নিশ্চয়তা দেয়, আর ১০২ বলে কীভাবে, কোন আদালতে সেটি প্রয়োগ হবে।
অনুচ্ছেদ ১০২ হাইকোর্ট বিভাগের রিট এখতিয়ার। এর মাধ্যমে আদালত সরকারি কর্তৃপক্ষকে কোনো কাজ করতে বা না করতে নির্দেশ দিতে পারে, আটক ব্যক্তিকে হাজির করাতে পারে।
এই প্রশ্নে সবচেয়ে বড় ফাঁদ অনুচ্ছেদ ৪৪, কারণ এটিও মৌলিক অধিকার বলবৎ করার কথা বলে। কিন্তু মামলা দায়েরের প্রক্রিয়াগত বিধান ১০২ এ।
মনে রাখুন: অধিকারের নিশ্চয়তা ৪৪ এ, মামলার রাস্তা ১০২ এ।
২০৯. বাংলাদেশের সরকার পদ্ধতি- (৪৪তম বিসিএস, ২০২২)
- কএককেন্দ্রিক
- খযুক্তরাষ্ট্রীয়
- গরাজতন্ত্র
- ঘরাষ্ট্রপতিশাসিত
সঠিক উত্তর: ক. এককেন্দ্রিক
প্রশ্নটা বাংলাদেশের রাষ্ট্রকাঠামোর ধরন জানতে চেয়েছে। বাংলাদেশ এককেন্দ্রিক রাষ্ট্র, যুক্তরাষ্ট্রীয় নয়।
সংবিধানের ১ অনুচ্ছেদ বলে, বাংলাদেশ একটি একক, স্বাধীন ও সার্বভৌম প্রজাতন্ত্র। একক মানে সারা দেশের জন্য একটিই কেন্দ্রীয় সরকার ও একটিই আইনসভা; যুক্তরাষ্ট্রের মতো আলাদা প্রাদেশিক সরকার বা প্রাদেশিক আইনসভা নেই।
এককেন্দ্রিকতা হলো রাষ্ট্রের কাঠামো, আর সংসদীয় বা রাষ্ট্রপতিশাসিত হলো সরকার চালানোর পদ্ধতি। ১৯৯১ সালের দ্বাদশ সংশোধনীর পর থেকে বাংলাদেশে সংসদীয় পদ্ধতি চালু আছে।
রাষ্ট্রপতিশাসিত বিকল্পটি ফাঁদ, কারণ ১৯৭৫ সালের চতুর্থ সংশোধনী থেকে ১৯৯১ পর্যন্ত দেশে রাষ্ট্রপতিশাসিত ব্যবস্থা ছিল। কিন্তু সেটা অতীত, আর এককেন্দ্রিক কাঠামো তখনো বদলায়নি।
মনে রাখুন: অনুচ্ছেদ ১ এর একক শব্দটিই উত্তর: এককেন্দ্রিক।
২১০. BSTI-এর পূর্ণ অভিব্যক্তি কী? (৪৪তম বিসিএস, ২০২২)
- কBangladesh Salt Testing Institute
- খBangladesh Strategic Training Institute
- গBangladesh Standards and Testing Institution
- ঘBangladesh Society for Telecommunication and Information
সঠিক উত্তর: গ. Bangladesh Standards and Testing Institution
প্রশ্নটা একটি সরকারি প্রতিষ্ঠানের সংক্ষিপ্ত নামের পূর্ণরূপ জানতে চেয়েছে। বিএসটিআই এর পূর্ণরূপ বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশন, মানে পণ্যের মান নির্ধারণ ও পরীক্ষার জাতীয় প্রতিষ্ঠান।
প্রতিষ্ঠানটি শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীনে কাজ করে। পণ্যের জাতীয় মান নির্ধারণ, পণ্য পরীক্ষা করে মান সনদ দেওয়া এবং ওজন ও পরিমাপের যন্ত্র যাচাই করা এর প্রধান কাজ।
নামের অক্ষরগুলো ভাঙলেই উত্তর মেলে। বি মানে বাংলাদেশ, এস মানে স্ট্যান্ডার্ডস বা মান, টি মানে টেস্টিং বা পরীক্ষণ, আই মানে ইনস্টিটিউশন।
বিকল্পগুলোর প্রতিটিতে অক্ষর মেলানো হয়েছে, তাই শুধু অক্ষর মিলিয়ে উত্তর হয় না। প্রতিষ্ঠানের কাজ, মানে পণ্যের মান যাচাই, মনে থাকলেই সঠিক বিকল্প চেনা যায়।
মনে রাখুন: বিএসটিআই এর কাজ পণ্যের মান দেখা, তাই এস মানে স্ট্যান্ডার্ডস।
২১১. বঙ্গভঙ্গের কারণে কোন নতুন প্রদেশ সৃষ্টি হয়েছিল? (৪৪তম বিসিএস, ২০২২)
- কপূর্ববঙ্গ ও বিহার
- খপূর্ববঙ্গ ও আসাম
- গপূর্ববঙ্গ ও উড়িষ্যা
- ঘপূর্ববঙ্গ ও পশ্চিমবঙ্গ
সঠিক উত্তর: খ. পূর্ববঙ্গ ও আসাম
প্রশ্নটা ১৯০৫ সালের বঙ্গভঙ্গে কোন নতুন প্রদেশ তৈরি হয়েছিল তা জানতে চেয়েছে। উত্তর পূর্ববঙ্গ ও আসাম।
লর্ড কার্জনের সময় বিশাল বাংলা প্রেসিডেন্সি ভাগ করে পূর্ব বাংলার জেলাগুলোর সঙ্গে আসামকে জুড়ে নতুন প্রদেশ গঠিত হয়। এর রাজধানী হয় ঢাকা। বাকি পশ্চিম বাংলা, বিহার ও উড়িষ্যা নিয়ে থাকে বাংলা প্রদেশ।
প্রশাসনিক সুবিধার কথা বলা হলেও এর বিরুদ্ধে স্বদেশি আন্দোলন গড়ে ওঠে। শেষ পর্যন্ত ১৯১১ সালে বঙ্গভঙ্গ রদ করা হয়।
বিহার ও উড়িষ্যা পুরোনো বাংলা প্রদেশেই থেকে গিয়েছিল, নতুন প্রদেশে যায়নি। আর পশ্চিমবঙ্গ নামের প্রদেশ তৈরি হয় ১৯৪৭ সালের দেশভাগে, তাই এগুলো ফাঁদ।
মনে রাখুন: বঙ্গভঙ্গের নতুন প্রদেশ মানে পূর্ববঙ্গ যোগ আসাম, রাজধানী ঢাকা।
২১২. ‘তমদ্দুন মজলিশ’ কে প্রতিষ্ঠা করেন? (৪৪তম বিসিএস, ২০২২)
- কহাজী শরিয়ত উল্লাহ
- খশেরে বাংলা এ কে ফজলুল হক
- গআবুল কাশেম
- ঘমাওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী
সঠিক উত্তর: গ. আবুল কাশেম
প্রশ্নটা ভাষা আন্দোলনের সূচনাকারী সংগঠন তমদ্দুন মজলিসের প্রতিষ্ঠাতা জানতে চেয়েছে। উত্তর অধ্যাপক আবুল কাশেম।
দেশভাগের পরপরই, ১৯৪৭ সালের সেপ্টেম্বরের শুরুতে, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞানের শিক্ষক আবুল কাশেম তমদ্দুন মজলিস প্রতিষ্ঠা করেন। এটি ছিল একটি সাংস্কৃতিক সংগঠন।
১৫ সেপ্টেম্বর তমদ্দুন মজলিস পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা: বাংলা না উর্দু নামে একটি পুস্তিকা প্রকাশ করে। বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা করার দাবিতে এটিই ছিল প্রথম সাংগঠনিক উদ্যোগ, তাই ভাষা আন্দোলনের শুরু তমদ্দুন মজলিসের হাত ধরে।
শেরে বাংলা বা ভাসানীর মতো বড় নাম দেখে অনেকে বিভ্রান্ত হন। ভাসানী ১৯৫২ সালের সর্বদলীয় কর্মপরিষদের সভায় সভাপতিত্ব করেছিলেন, কিন্তু তমদ্দুন মজলিস তাঁর গড়া নয়।
মনে রাখুন: ভাষা আন্দোলনের প্রথম সংগঠন তমদ্দুন মজলিস, প্রতিষ্ঠাতা আবুল কাশেম।
২১৩. ‘আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি, আমি কি ভুলিতে পারি’ গানটি কে রচনা করেন? (৪৪তম বিসিএস, ২০২২)
- কমুনীর চৌধুরী
- খজহির রায়হান
- গআবদুল গাফফার চৌধুরী
- ঘকাজী নজরুল ইসলাম
সঠিক উত্তর: গ. আবদুল গাফফার চৌধুরী
প্রশ্নটা একুশের অমর গানের রচয়িতা জানতে চেয়েছে। আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি গানটি লিখেছেন সাংবাদিক ও সাহিত্যিক আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী।
১৯৫২ সালের একুশে ফেব্রুয়ারির গুলিবর্ষণের পর শহীদদের স্মরণে তিনি কবিতাটি লেখেন। প্রথমে এতে সুর দেন আবদুল লতিফ; পরে আলতাফ মাহমুদের করা সুরটিই প্রভাতফেরির গান হিসেবে প্রচলিত হয়।
এখানে রচয়িতা আর সুরকার আলাদা করে মনে রাখা জরুরি। কথা গাফ্ফার চৌধুরীর, বর্তমান সুর আলতাফ মাহমুদের।
ভাষা আন্দোলন নিয়ে কবর নাটক লিখেছেন মুনীর চৌধুরী, আর যে চলচ্চিত্রে একুশের প্রভাতফেরির দৃশ্যে এই গান আছে, সেই জীবন থেকে নেয়া বানিয়েছেন জহির রায়হান। এই দুই পরিচিত নামই এখানে বড় ফাঁদ।
মনে রাখুন: কথা গাফ্ফার, সুর আলতাফ, নাটক মুনীর।
২১৪. কোন দেশ বাংলা ভাষাকে তাদের অন্যতম রাষ্ট্রভাষা হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে? (৪৪তম বিসিএস, ২০২২)
- কলাইবেরিয়া
- খনামিবিয়া
- গহাইতি
- ঘসিয়েরা লিওন
সঠিক উত্তর: ঘ. সিয়েরা লিওন
প্রশ্নটা জানতে চেয়েছে কোন দেশ বাংলাকে তাদের অন্যতম সরকারি ভাষার মর্যাদা দিয়েছে। উত্তর পশ্চিম আফ্রিকার দেশ সিয়েরা লিওন।
সিয়েরা লিওনের গৃহযুদ্ধের পর সেখানে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে বাংলাদেশি সেনারা বড় ভূমিকা রাখেন। তাঁদের অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে ২০০২ সালের ডিসেম্বরে তৎকালীন প্রেসিডেন্ট আহমদ তেজান কাব্বা বাংলাকে সম্মানসূচক সরকারি ভাষা ঘোষণা করেন।
এখানে কারণটা মনে রাখলেই দেশ মনে থাকবে: শান্তিরক্ষী সেনা থেকে ভাষার স্বীকৃতি। সিয়েরা লিওনের প্রধান সরকারি ভাষা ইংরেজি; বাংলার মর্যাদাটি সম্মানসূচক।
লাইবেরিয়াও সিয়েরা লিওনের প্রতিবেশী এবং সেখানেও বাংলাদেশি শান্তিরক্ষী ছিলেন, তাই এটি সবচেয়ে কাছের ফাঁদ।
মনে রাখুন: শান্তিরক্ষী আর বাংলা ভাষা: সিয়েরা লিওন।
২১৫. বাংলাদেশের ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর সংখ্যা- (৪৪তম বিসিএস, ২০২২)
- ক২০
- খ৪৮
- গ২৫
- ঘ৩২
- ঙকোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর: ঙ. কোনোটিই নয়
প্রশ্নটি তখনকার তথ্য অনুযায়ী; তখন সঠিক ছিল: ৪৮। এখন: ৫০টি (গেজেটভুক্ত, ২০১৯ থেকে)।
প্রশ্নটা বাংলাদেশে ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর সংখ্যা জানতে চেয়েছে। পরীক্ষার উত্তরমালায় সঠিক ধরা হয়েছে ৪৮।
এই সংখ্যা নিয়ে বিভ্রান্তির কারণ, সরকারি তালিকা সময়ের সঙ্গে বদলেছে। ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান আইন, ২০১০ এর তফসিলে ২৭টি জনগোষ্ঠীর নাম ছিল। ২০১৯ সালে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় তফসিল সংশোধন করে গেজেট প্রকাশ করলে সংখ্যা দাঁড়ায় ৫০।
বিকল্পে ৫০ নেই, আর ২০, ২৫ বা ৩২ কোনো সরকারি তালিকার সঙ্গে মেলে না। তাই উত্তরমালা বিকল্পগুলোর মধ্যে ৪৮ কেই সঠিক ধরেছে।
এ ধরনের প্রশ্নে কোন সালের কোন তালিকা, সেটা খেয়াল রাখা জরুরি। পরীক্ষার সময়, অর্থাৎ ২০২২ সালে, গেজেট অনুযায়ী তালিকাভুক্ত ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী ছিল ৫০টি।
মনে রাখুন: সরকারি তালিকা দুটি মনে রাখুন: ২০১০ সালে ২৭, ২০১৯ সালে ৫০।
২১৬. নিম্নের কোন পত্রিকাটির প্রকাশনা উপলক্ষ্যে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর আশীর্বাণী পাঠিয়েছিলেন? (৪৪তম বিসিএস, ২০২২)
- কসবুজপত্র
- খশনিবারের চিঠি
- গকল্লোল
- ঘধূমকেতু
সঠিক উত্তর: ঘ. ধূমকেতু
প্রশ্নটা জানতে চেয়েছে কোন পত্রিকার প্রকাশ উপলক্ষে রবীন্দ্রনাথ আশীর্বাণী পাঠিয়েছিলেন। উত্তর কাজী নজরুল ইসলামের ধূমকেতু।
১৯২২ সালের আগস্টে নজরুল অর্ধসাপ্তাহিক ধূমকেতু প্রকাশ করেন। রবীন্দ্রনাথ আশীর্বাণী পাঠান, যার শুরু আয় চলে আয় রে ধূমকেতু, আঁধারে বাঁধ অগ্নিসেতু। এই আশীর্বাণী পত্রিকার প্রতিটি সংখ্যার প্রথম পাতায় ছাপা হতো।
ধূমকেতুতে প্রকাশিত আনন্দময়ীর আগমনে কবিতার জন্য নজরুল রাজদ্রোহের অভিযোগে কারাদণ্ড পান। কারাগারে থাকাকালে রবীন্দ্রনাথ তাঁকে বসন্ত নাটক উৎসর্গ করেন।
সবুজপত্রের সঙ্গে রবীন্দ্রনাথ ঘনিষ্ঠভাবে যুক্ত ছিলেন এবং সেখানে নিয়মিত লিখতেন, তাই এটি বড় ফাঁদ। কিন্তু আশীর্বাণী পাঠানোর বিখ্যাত ঘটনাটি ধূমকেতুর।
মনে রাখুন: আশীর্বাণীর লাইনেই পত্রিকার নাম: আয় চলে আয় রে ধূমকেতু।
২১৭. বাংলাদেশের জাতীয় প্রতীকে কয়টি তারকা আছে? (৪৪তম বিসিএস, ২০২২)
- ক২টি
- খ৩টি
- গ৪টি
- ঘ৫টি
সঠিক উত্তর: গ. ৪টি
প্রশ্নটা বাংলাদেশের জাতীয় প্রতীকে তারকার সংখ্যা জানতে চেয়েছে। উত্তর ৪টি।
জাতীয় প্রতীকের মাঝখানে পানিতে ভাসমান জাতীয় ফুল শাপলা। শাপলার দুই পাশে ধানের শীষ, আর উপরে পরস্পর যুক্ত পাটগাছের তিনটি পাতা। পাটপাতার দুই পাশে দুটি করে মোট ৪টি তারকা।
প্রতীকটি ছবির মতো কল্পনা করলে গোনা সহজ: বাম পাশে দুটি, ডান পাশে দুটি। সংবিধানের ৪ অনুচ্ছেদে জাতীয় প্রতীকের বর্ণনা আছে।
পাটপাতা তিনটি বলে অনেকে তারকাও তিনটি ধরে নেন। এটাই এখানে প্রধান ফাঁদ।
মনে রাখুন: পাতা তিন, তারা চার।
২১৮. বাঙালির মুক্তির সনদ ‘ছয় দফা’ কোন তারিখে আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হয়েছিল? (৪৪তম বিসিএস, ২০২২)
- ক২১ ফেব্রুয়ারি ১৯৫৪
- খ২২ মার্চ ১৯৫৮
- গ২০ এপ্রিল ১৯৬২
- ঘ২৩ মার্চ ১৯৬৬
সঠিক উত্তর: ঘ. ২৩ মার্চ ১৯৬৬
প্রশ্নটা ছয় দফা আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণার তারিখ জানতে চেয়েছে। উত্তর ২৩ মার্চ ১৯৬৬।
ঘটনাক্রমটা এমন: ১৯৬৬ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি লাহোরে বিরোধী দলগুলোর সম্মেলনের বিষয় নির্বাচনী কমিটিতে বঙ্গবন্ধু ছয় দফা উত্থাপন করেন। ২১ ফেব্রুয়ারি আওয়ামী লীগের ওয়ার্কিং কমিটি এটি অনুমোদন করে, আর ১৮ মার্চ দলের কাউন্সিলে আমাদের বাঁচার দাবি: ৬ দফা কর্মসূচি পুস্তিকা বিতরণ করা হয়। ২৩ মার্চ ইংরেজিতে সিক্স পয়েন্ট ফর্মুলা: আওয়ার রাইট টু লিভ নামে এটি প্রকাশিত হয়; এই দিনটিকেই আনুষ্ঠানিক ঘোষণার দিন ধরা হয়।
তাই উত্থাপনের তারিখ ৫ ফেব্রুয়ারি আর আনুষ্ঠানিক ঘোষণার তারিখ ২৩ মার্চ, দুটো আলাদা করে মনে রাখতে হবে। ছয় দফাকে বাঙালির মুক্তির সনদ বলা হয়।
বাকি বিকল্পগুলো অন্য ঘটনার বছর দিয়ে বানানো। ১৯৫৪ সালে যুক্তফ্রন্ট নির্বাচন, ১৯৫৮ সালে আইয়ুব খানের সামরিক শাসন, ১৯৬২ সালে শিক্ষা আন্দোলন; ছয় দফা এসেছে ১৯৬৬ সালে।
মনে রাখুন: ছয় দফা: পাঁচ ফেব্রুয়ারি উত্থাপন, তেইশে মার্চ ঘোষণা, সাল ছেষট্টি।
২১৯. ‘এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম’ – জাতির পিতা কবে এই ঘোষণা দেন? (৪৪তম বিসিএস, ২০২২)
- ক২৬ মার্চ ১৯৭১
- খ৭ মার্চ ১৯৭১
- গ৩ মার্চ ১৯৭১
- ঘ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭১
সঠিক উত্তর: খ. ৭ মার্চ ১৯৭১
প্রশ্নটা বঙ্গবন্ধুর বিখ্যাত উক্তিটি কোন দিনের ভাষণে, তা জানতে চেয়েছে। এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম: এটি ১৯৭১ সালের ৭ মার্চের ভাষণের শেষ অংশ।
সেদিন ঢাকার রেসকোর্স ময়দানে, বর্তমান সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে, বিশাল জনসমাবেশে বঙ্গবন্ধু ভাষণটি দেন। এতে তিনি ঘরে ঘরে দুর্গ গড়ে তোলার আহ্বান জানান।
২০১৭ সালের অক্টোবরে ইউনেস্কো ভাষণটিকে মেমোরি অব দ্য ওয়ার্ল্ড রেজিস্টারে অন্তর্ভুক্ত করে, অর্থাৎ বিশ্বের প্রামাণ্য ঐতিহ্যের স্বীকৃতি দেয়।
২৬ মার্চ স্বাধীনতা ঘোষণার দিন বলে অনেকে এটি বেছে নেন। কিন্তু এই উক্তিটি ঘোষণাপত্রের নয়, ৭ মার্চের জনসভার ভাষণের।
মনে রাখুন: মুক্তির সংগ্রাম, স্বাধীনতার সংগ্রাম: ৭ মার্চের ভাষণের শেষ লাইন।
২২০. বাংলাদেশে জুম চাষ কোথায় হয়? (৪৪তম বিসিএস, ২০২২)
- কবান্দরবান
- খময়মনসিংহ
- গরাজশাহী
- ঘদিনাজপুর
সঠিক উত্তর: ক. বান্দরবান
প্রশ্নটা জুম চাষের এলাকা জানতে চেয়েছে। জুম চাষ হয় পার্বত্য চট্টগ্রামে, বিকল্পের মধ্যে বান্দরবানে।
জুম হলো পাহাড়ের ঢালে স্থানান্তরিত চাষ। শুকনো মৌসুমে জঙ্গল কেটে পুড়িয়ে জমি পরিষ্কার করা হয়, বর্ষার শুরুতে গর্ত করে একসঙ্গে ধান, ভুট্টা, তিল, মরিচসহ নানা বীজ বোনা হয়। কয়েক বছর পর জমির উর্বরতা কমলে অন্য পাহাড়ে সরে যাওয়া হয়।
এ চাষের জন্য পাহাড়ি ঢাল দরকার, তাই এটি হয় বান্দরবান, রাঙামাটি ও খাগড়াছড়িতে। চাকমা, মারমা, ম্রো, ত্রিপুরাসহ পাহাড়ি জনগোষ্ঠী জুম চাষ করে।
বাকি তিনটি জেলা সমতল বা উঁচু বরেন্দ্রভূমির, পাহাড়ি ঢাল নেই। উত্তরবঙ্গে নৃগোষ্ঠী থাকায় দিনাজপুর বা রাজশাহী বেছে নেওয়াটা ফাঁদ।
মনে রাখুন: জুম মানে পাহাড়; পাহাড় মানে পার্বত্য চট্টগ্রাম।