আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি · পাতা ২২
৪২১. নিম্নের কোন কার্যক্রমের সাথে অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল যুক্ত? (৩৮তম বিসিএস, ২০১৭)
- কপ্রাণীদের প্রতি নিষ্ঠুরতা রোধ
- খপরিবেশ সংরক্ষণ
- গমানবাধিকার সংরক্ষণ
- ঘঐতিহাসিক স্থাপনা সংরক্ষণ
সঠিক উত্তর: গ. মানবাধিকার সংরক্ষণ
প্রশ্নটা অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের কাজের ক্ষেত্র চায়। উত্তর মানবাধিকার সংরক্ষণ; সংগঠনটি ১৯৬১ সালে লন্ডনে ব্রিটিশ আইনজীবী পিটার বেনেনসনের উদ্যোগে যাত্রা শুরু করে।
শুরুতে লক্ষ্য ছিল ‘বিবেকের বন্দি’, অর্থাৎ শুধু মত প্রকাশের জন্য কারাবন্দি মানুষদের মুক্তির দাবি। পরে কাজ বাড়ে নির্যাতন, মৃত্যুদণ্ড ও গুমের বিরুদ্ধে প্রচারণায়। এই কাজের স্বীকৃতিতে সংগঠনটি ১৯৭৭ সালে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার পায়।
‘অ্যামনেস্টি’ শব্দের মানে সাধারণ ক্ষমা, যা নামেই বন্দিমুক্তির ইঙ্গিত দেয়।
অন্য কাজগুলোর জন্য আলাদা সংগঠন আছে: পরিবেশ রক্ষায় গ্রিনপিস, ঐতিহাসিক স্থাপনা রক্ষায় ইউনেস্কোর বিশ্ব ঐতিহ্য কর্মসূচি, আর প্রাণীর প্রতি নিষ্ঠুরতা রোধে যুক্তরাজ্যের আরএসপিসিএর মতো প্রাণীকল্যাণ সংগঠন।
মনে রাখুন: অ্যামনেস্টি মানে সাধারণ ক্ষমা, তাই বন্দি ও মানবাধিকার।
৪২২. UNHCR-এর সদর দপ্তর কোথায়? (৩৮তম বিসিএস, ২০১৭)
- কনিউইয়র্ক
- খরোম
- গজেনেভা
- ঘলন্ডন
সঠিক উত্তর: গ. জেনেভা
প্রশ্নটা জাতিসংঘ শরণার্থী বিষয়ক হাইকমিশনারের কার্যালয়ের সদর দপ্তর চায়। উত্তর সুইজারল্যান্ডের জেনেভা।
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ ১৯৫০ সালের ডিসেম্বরে সংস্থাটি গঠন করে, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে ঘরছাড়া মানুষদের সহায়তার জন্য; কাজ শুরু হয় ১৯৫১ সালে। পরে এর কাজ সারা বিশ্বে ছড়ায়, বাংলাদেশে রোহিঙ্গা শরণার্থীদের সহায়তাতেও এটি কাজ করে।
সংস্থাটি ১৯৫৪ ও ১৯৮১ সালে দুবার শান্তিতে নোবেল পায়। জেনেভায় আরও আছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা, আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা ও আন্তর্জাতিক রেড ক্রস কমিটি।
নিউইয়র্ক বেছে নেওয়ার প্রবণতা আছে, কারণ সেখানে জাতিসংঘের মূল দপ্তর। কিন্তু জাতিসংঘের অনেক মানবিক সংস্থার ঘর জেনেভায়।
মনে রাখুন: শরণার্থী, স্বাস্থ্য, শ্রম, রেড ক্রস: মানবিক সংস্থার শহর জেনেভা।
৪২৩. ভারতের সবচেয়ে প্রাচীন রাজনৈতিক দল কোনটি? (৩৮তম বিসিএস, ২০১৭)
- কবারতীয় জনতা পার্টি
- খকমুনিস্ট পার্টি
- গইন্ডিয়ান ন্যাশনাল কংগ্রেস
- ঘবহুজন সমাজ পার্টি
সঠিক উত্তর: গ. ইন্ডিয়ান ন্যাশনাল কংগ্রেস
প্রশ্নটা ভারতের প্রাচীনতম রাজনৈতিক দল চায়। উত্তর ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেস, প্রতিষ্ঠিত ১৮৮৫ সালের ডিসেম্বরে বোম্বাইয়ে, আজকের মুম্বাইয়ে।
দলটির প্রতিষ্ঠায় মূল উদ্যোক্তা ছিলেন অবসরপ্রাপ্ত ব্রিটিশ কর্মকর্তা অ্যালান অক্টাভিয়ান হিউম, আর প্রথম সভাপতি বাঙালি আইনজীবী উমেশচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়। এই দলের নেতৃত্বেই ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলন এগিয়েছে।
অন্য দলগুলো অনেক পরের: কমিউনিস্ট পার্টি বিশ শতকের বিশের দশকে, ভারতীয় জনতা পার্টি ১৯৮০ সালে এবং বহুজন সমাজ পার্টি ১৯৮৪ সালে।
বিজেপি বিকল্পটি ফাঁদ, কারণ পরীক্ষার সময় এটিই ক্ষমতাসীন বড় দল ছিল। কিন্তু বড় বা ক্ষমতাসীন মানেই প্রাচীন নয়।
মনে রাখুন: উনিশ শতকের দল একটাই: কংগ্রেস, ১৮৮৫।
৪২৪. Imperialism, the Highest Stage of Capitalism বইটি কার লেখা? (৩৮তম বিসিএস, ২০১৭)
- কটমাস হবসন
- খভি. আই লেনিন
- গকার্ল মার্কস
- ঘএন্টিনিও গ্রামসি
সঠিক উত্তর: খ. ভি. আই লেনিন
প্রশ্নটা ‘সাম্রাজ্যবাদ, পুঁজিবাদের সর্বোচ্চ স্তর’ বইয়ের লেখক চায়। উত্তর ভ্লাদিমির ইলিচ লেনিন; বইটি ১৯১৬ সালে লেখা, প্রকাশিত হয় ১৯১৭ সালে।
লেনিনের মূল যুক্তি: পুঁজিবাদ পরিণত হলে একচেটিয়া কারবার ও ব্যাংক-পুঁজি প্রাধান্য পায়, আর উদ্বৃত্ত পুঁজির বাজার খুঁজতে বড় শক্তিগুলো উপনিবেশ দখলে প্রতিযোগিতা করে। এই প্রতিযোগিতাকেই তিনি প্রথম বিশ্বযুদ্ধের মূলে দেখেছেন।
বইটি লিখতে লেনিন ব্রিটিশ অর্থনীতিবিদ জন অ্যাটকিনসন হবসনের ১৯০২ সালের বই ‘ইম্পেরিয়ালিজম: আ স্টাডি’ ব্যবহার করেছিলেন।
হবসন বিকল্পটিই ফাঁদ। সাম্রাজ্যবাদ নিয়ে তাঁরও বিখ্যাত বই আছে, কিন্তু তাঁর নাম জন হবসন; আর টমাস হবস ছিলেন ‘লেভিয়াথান’-এর লেখক দার্শনিক। দুই নাম মিশিয়ে বিকল্পটি বানানো।
মনে রাখুন: ‘সর্বোচ্চ স্তর’ কথাটা লেনিনের; হবসনের বইয়ের নাম শুধু ‘ইম্পেরিয়ালিজম’।
৪২৫. MDG-এর অন্যতম লক্ষ্য কি? (৩৬তম বিসিএস, ২০১৬)
- কদেশ থেকে পোলিও নির্মূল
- খHIV / AIDS নির্মূল করা
- গযক্ষ্মা নির্মূল করা
- ঘক্ষুধা ও দারিদ্র্য দূর করা
সঠিক উত্তর: ঘ. ক্ষুধা ও দারিদ্র্য দূর করা
প্রশ্নটা সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্য বা এমডিজির একটি লক্ষ্য জানতে চেয়েছে। এমডিজির প্রথম লক্ষ্য ছিল চরম দারিদ্র্য ও ক্ষুধা দূর করা।
২০০০ সালের সেপ্টেম্বরে জাতিসংঘের সহস্রাব্দ সম্মেলনের ঘোষণা থেকে আটটি লক্ষ্য আসে, মেয়াদ ছিল ২০১৫ সাল। অন্য লক্ষ্যগুলোর মধ্যে ছিল সর্বজনীন প্রাথমিক শিক্ষা, নারী-পুরুষ সমতা, শিশুমৃত্যু কমানো, মাতৃস্বাস্থ্যের উন্নয়ন, এইচআইভি ও অন্যান্য রোগ মোকাবিলা, পরিবেশের টেকসইতা এবং উন্নয়নের জন্য বৈশ্বিক অংশীদারত্ব।
খেয়াল করুন, ষষ্ঠ লক্ষ্যে এইচআইভি বা এইডস, ম্যালেরিয়া ও অন্যান্য রোগ মোকাবিলার কথা ছিল, নির্মূলের নয়; লক্ষ্য ছিল বিস্তার থামানো ও কমিয়ে আনা। যক্ষ্মাও এই অন্যান্য রোগের মধ্যে ছিল।
২০১৫ সালে এমডিজির মেয়াদ শেষে ১৭টি লক্ষ্য নিয়ে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্য বা এসডিজি গৃহীত হয়। ফাঁদ হলো রোগ নির্মূলের বিকল্পগুলো: নির্মূল শব্দটি এমডিজির রোগ বিষয়ক লক্ষ্যের ভাষা নয়।
মনে রাখুন: এমডিজির প্রথম লক্ষ্য দারিদ্র্য ও ক্ষুধা; এসডিজিরও প্রথম দুটি লক্ষ্য দারিদ্র্য ও ক্ষুধা।
৪২৬. কোন সংকটকে কেন্দ্র করে ১৯৫০ সালে ‘ শান্তির জন্য ঐক্য প্রস্তাব’ জাতিসংঘের মাধ্যমে পেশ করা হয়? (৩৬তম বিসিএস, ২০১৬)
- কভিয়েতনাম সংকট
- খসাইপ্রাস সংকট
- গকোরিয়া সংকট
- ঘপ্যালেস্টাইন সংকট
সঠিক উত্তর: গ. কোরিয়া সংকট
প্রশ্নটা জানতে চেয়েছে কোন সংকটে ১৯৫০ সালে জাতিসংঘে শান্তির জন্য ঐক্য প্রস্তাব আনা হয়। উত্তর কোরিয়া সংকট।
১৯৫০ সালের জুনে কোরিয়া যুদ্ধ শুরু হয়। আগস্টে সোভিয়েত ইউনিয়ন নিরাপত্তা পরিষদে ফিরে এসে ভেটো দিয়ে পরিষদের সিদ্ধান্ত আটকাতে থাকে।
তখন যুক্তরাষ্ট্রের উদ্যোগে ১৯৫০ সালের ৩ নভেম্বর সাধারণ পরিষদ প্রস্তাব নম্বর ৩৭৭ গ্রহণ করে। এতে বলা হয়, স্থায়ী সদস্যদের মতভেদে নিরাপত্তা পরিষদ শান্তি রক্ষায় ব্যর্থ হলে সাধারণ পরিষদ বিষয়টি বিবেচনা করে সুপারিশ করতে পারবে।
পরে এই প্রস্তাবের ভিত্তিতে ১৯৫৬ সালের সুয়েজ সংকটে প্রথম জরুরি বিশেষ অধিবেশন ডাকা হয়। তাই মধ্যপ্রাচ্যের সংকটকে গুলিয়ে ফেলা সাধারণ ভুল; প্রস্তাবের জন্ম কোরিয়া যুদ্ধে।
মনে রাখুন: ১৯৫০ সাল মানেই কোরিয়া যুদ্ধ; সে বছরের জাতিসংঘ প্রস্তাবও কোরিয়াকে ঘিরে।
৪২৭. সুয়েজ খাল কোন বছর চালু হয়? (৩৬তম বিসিএস, ২০১৬)
- ক১৯০৩
- খ১৮৬৯
- গ১৮৮৯
- ঘ১৮৫৪
সঠিক উত্তর: খ. ১৮৬৯
প্রশ্নটা সুয়েজ খাল কবে চালু হয়, তা জানতে চেয়েছে। উত্তর ১৮৬৯; সে বছরের ১৭ নভেম্বর খালটি আনুষ্ঠানিকভাবে খুলে দেওয়া হয়।
খালটি মিসরের ভেতর দিয়ে ভূমধ্যসাগর ও লোহিত সাগরকে যুক্ত করেছে। ফলে ইউরোপ থেকে এশিয়ায় যেতে জাহাজকে আর আফ্রিকা ঘুরে উত্তমাশা অন্তরীপ হয়ে যেতে হয় না।
ফরাসি কূটনীতিক ফার্দিনান্দ দ্য লেসেপস ১৮৫৪ সালে খাল খননের অনুমতি পান, খনন শুরু হয় ১৮৫৯ সালে, আর শেষ হয় দশ বছর পর। ১৯৫৬ সালে মিসরের প্রেসিডেন্ট নাসের খালটি জাতীয়করণ করেন।
ফাঁদ হলো ১৮৫৪: এটি অনুমতি পাওয়ার বছর, চালুর নয়। আর ১৯০৩ সালের সঙ্গে জড়িয়ে আছে পানামা খাল; সে বছর যুক্তরাষ্ট্র ও পানামার মধ্যে খাল চুক্তি হয়।
মনে রাখুন: অনুমতি ১৮৫৪, খনন ১৮৫৯, উদ্বোধন ১৮৬৯, জাতীয়করণ ১৯৫৬।
৪২৮. নিম্নলিখিত কোনটি International Mother Earth day? (৩৬তম বিসিএস, ২০১৬)
- ক১৮ এপ্রিল
- খ২০ এপ্রিল
- গ২২ এপ্রিল
- ঘ২৪ এপ্রিল
সঠিক উত্তর: গ. ২২ এপ্রিল
প্রশ্নটা আন্তর্জাতিক মাতৃ ধরিত্রী দিবসের তারিখ জানতে চেয়েছে। উত্তর ২২ এপ্রিল।
১৯৭০ সালের ২২ এপ্রিল যুক্তরাষ্ট্রে প্রথম আর্থ ডে বা ধরিত্রী দিবস পালিত হয়; পরিবেশ রক্ষার দাবিতে বিপুল মানুষ এতে অংশ নেয়।
২০০৯ সালে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ এই দিনটিকে আন্তর্জাতিক মাতৃ ধরিত্রী দিবস হিসেবে ঘোষণা করে।
এপ্রিলের অন্য দিবস গুলিয়ে যেতে পারে: ১৮ এপ্রিল বিশ্ব ঐতিহ্য দিবস, ২০ এপ্রিল জাতিসংঘের চীনা ভাষা দিবস। ৫ জুনের বিশ্ব পরিবেশ দিবসের সঙ্গেও ধরিত্রী দিবস গুলিয়ে ফেলবেন না।
মনে রাখুন: ধরিত্রী দিবস ২২ এপ্রিল, পরিবেশ দিবস ৫ জুন।
৪২৯. প্রেসিডেন্ট উইড্র উইলসনের 14 points এ কত নম্বর point এ জাতিপুঞ্জের সৃষ্টির কথা উল্লেখ করা হয়েছে? (৩৬তম বিসিএস, ২০১৬)
- ক৯
- খ১২
- গ১৩
- ঘ১৪
সঠিক উত্তর: ঘ. ১৪
প্রশ্নটা উইলসনের চৌদ্দ দফার কোন দফায় জাতিপুঞ্জ গঠনের কথা আছে, তা জানতে চেয়েছে। উত্তর শেষ দফা, অর্থাৎ চৌদ্দ নম্বর।
১৯১৮ সালের ৮ জানুয়ারি মার্কিন প্রেসিডেন্ট উড্রো উইলসন কংগ্রেসে প্রথম বিশ্বযুদ্ধোত্তর শান্তির রূপরেখা হিসেবে চৌদ্দ দফা পেশ করেন। শেষ দফায় তিনি বড়-ছোট সব রাষ্ট্রের রাজনৈতিক স্বাধীনতা ও ভৌগোলিক অখণ্ডতা রক্ষায় রাষ্ট্রগুলোর একটি সাধারণ সংস্থা গঠনের প্রস্তাব দেন।
এই প্রস্তাব থেকেই ১৯২০ সালে লিগ অব নেশনস বা জাতিপুঞ্জ গঠিত হয়। মজার ব্যাপার, যুক্তরাষ্ট্র নিজেই এতে যোগ দেয়নি, কারণ মার্কিন সিনেট ভার্সাই চুক্তি অনুমোদন করেনি।
অন্য দফাগুলো নির্দিষ্ট অঞ্চল নিয়ে: নবম দফা ইতালির সীমানা, দ্বাদশ দফা অটোমান সাম্রাজ্য, ত্রয়োদশ দফা স্বাধীন পোল্যান্ড। সংখ্যাগুলো কাছাকাছি বলে বিভ্রান্তি হয়; মনে রাখুন, সংস্থার কথা শেষ দফায়।
মনে রাখুন: উইলসনের শেষ দফাই সবচেয়ে বড়: জাতিপুঞ্জ।
৪৩০. ১৭৮৩ সালে ভার্সাইতে কয়টি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়? (৩৬তম বিসিএস, ২০১৬)
- ক২
- খ৩
- গ৪
- ঘ৫
সঠিক উত্তর: ক. ২
প্রশ্নটা ১৭৮৩ সালে ভার্সাইতে কয়টি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়, তা জানতে চেয়েছে। উত্তর দুটি।
আমেরিকার স্বাধীনতা যুদ্ধ শেষে ১৭৮৩ সালের ৩ সেপ্টেম্বর ব্রিটেন প্রতিপক্ষদের সঙ্গে আলাদা আলাদা শান্তিচুক্তি করে। যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চুক্তি সই হয় প্যারিসে, যা প্যারিস চুক্তি নামে পরিচিত; এতে ব্রিটেন যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতা স্বীকার করে।
একই দিনে ভার্সাইতে ব্রিটেন দুটি চুক্তি করে: একটি ফ্রান্সের সঙ্গে, অন্যটি স্পেনের সঙ্গে। নেদারল্যান্ডসের সঙ্গে ব্রিটেনের চূড়ান্ত চুক্তি হয় ১৭৮৪ সালে।
ফাঁদ হলো সব চুক্তি একসাথে গোনা: প্যারিসের চুক্তিটি ভার্সাইতে নয়, আর ডাচ চুক্তি পরের বছরের। ১৯১৯ সালের বিখ্যাত ভার্সাই চুক্তির সঙ্গেও এটি গুলিয়ে ফেলবেন না।
মনে রাখুন: ১৭৮৩: প্যারিসে আমেরিকা, ভার্সাইতে ফ্রান্স ও স্পেন।
৪৩১. লাওসের (Laos) সরকারি নাম কি? (৩৬তম বিসিএস, ২০১৬)
- কThe Lao People’s Democratic Republic
- খRepublic of Laos
- গKingdom of Laos
- ঘDemocratic Republic of Laos
সঠিক উত্তর: ক. The Lao People’s Democratic Republic
প্রশ্নটা লাওসের সরকারি নাম জানতে চেয়েছে। উত্তর লাও পিপলস ডেমোক্র্যাটিক রিপাবলিক।
১৯৭৫ সালের ২ ডিসেম্বর কমিউনিস্ট পাথেত লাও রাজতন্ত্র বিলুপ্ত করে এই নাম গ্রহণ করে। দেশটি এখনো একদলীয় কমিউনিস্ট রাষ্ট্র, রাজধানী ভিয়েনতিয়েন।
এর আগে দেশটির নাম ছিল কিংডম অব লাওস, মানে লাওস রাজ্য; তাই সেই বিকল্পটি পুরোনো নাম, বর্তমানের নয়।
কমিউনিস্ট দেশগুলোর সরকারি নামে প্রায়ই পিপলস শব্দ থাকে, যেমন পিপলস রিপাবলিক অব চায়না। লাওসের নামের বিশেষত্ব হলো, শুরুতে দেশের নাম লাওস নয়, জাতির নাম লাও।
মনে রাখুন: লাওসের সরকারি নামে তিনটি শব্দ খুঁজুন: লাও, পিপলস, ডেমোক্র্যাটিক।
৪৩২. নিচের কোন রাষ্ট্র সর্বাধিক রাষ্ট্রের সাথে সীমান্তযুক্ত? (৩৬তম বিসিএস, ২০১৬)
- কভারত
- খচীন
- গমিয়ানমার
- ঘআফগানিস্তান
সঠিক উত্তর: খ. চীন
প্রশ্নটা বিকল্পের দেশগুলোর মধ্যে কোনটির স্থলসীমান্ত সবচেয়ে বেশি দেশের সঙ্গে, তা জানতে চেয়েছে। উত্তর চীন; চীনের ১৪টি দেশের সঙ্গে স্থলসীমান্ত আছে। রাশিয়ারও ১৪টি, তাই এই দুই দেশ যৌথভাবে শীর্ষে।
চীনের প্রতিবেশী: উত্তর কোরিয়া, রাশিয়া, মঙ্গোলিয়া, কাজাখস্তান, কিরগিজস্তান, তাজিকিস্তান, আফগানিস্তান, পাকিস্তান, ভারত, নেপাল, ভুটান, মিয়ানমার, লাওস ও ভিয়েতনাম।
অন্যদের হিসাব: মিয়ানমারের সীমান্ত পাঁচটি দেশের সঙ্গে, বাংলাদেশ, ভারত, চীন, লাওস ও থাইল্যান্ড। আফগানিস্তানের ছয়টি: ইরান, পাকিস্তান, চীন, তাজিকিস্তান, উজবেকিস্তান ও তুর্কমেনিস্তান।
ভারতের স্থলসীমান্ত ছয়টি দেশের সঙ্গে: পাকিস্তান, চীন, নেপাল, ভুটান, বাংলাদেশ ও মিয়ানমার; ভারতের দাবি করা এলাকা ধরলে আফগানিস্তানসহ সাতটি। বড় দেশ বলে ভারত বেছে নেওয়াই এখানে ফাঁদ।
মনে রাখুন: সবচেয়ে বেশি প্রতিবেশী: চীন ও রাশিয়া, দুই দেশেরই ১৪টি।
৪৩৩. জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচি (UNDP) – এর শীর্ষ পদটি কি? (৩৬তম বিসিএস, ২০১৬)
- কপ্রশাসক
- খমহাপরিচালক
- গমহাসচিব
- ঘপ্রেসিডেন্ট
সঠিক উত্তর: ক. প্রশাসক
প্রশ্নটা জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচি বা ইউএনডিপির শীর্ষ পদের নাম জানতে চেয়েছে। উত্তর প্রশাসক, ইংরেজিতে অ্যাডমিনিস্ট্রেটর।
ইউএনডিপি ১৯৬৫ সালে গঠিত, সদর দপ্তর নিউইয়র্কে। ২০১৬ সালের এই পরীক্ষার সময় এর প্রশাসক ছিলেন নিউজিল্যান্ডের সাবেক প্রধানমন্ত্রী হেলেন ক্লার্ক।
জাতিসংঘ পরিবারে শীর্ষ পদবি সংস্থাভেদে আলাদা। জাতিসংঘের প্রধান মহাসচিব; বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা, ইউনেস্কো, আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা ও আইএইএর প্রধান মহাপরিচালক; বিশ্বব্যাংকের প্রধান প্রেসিডেন্ট; আর ইউএনডিপির প্রধান প্রশাসক।
ফাঁদ হলো মহাসচিব: জাতিসংঘের অঙ্গসংস্থা বলে অনেকে ভাবেন ইউএনডিপির প্রধানও মহাসচিব। কিন্তু জাতিসংঘ ব্যবস্থায় মহাসচিব পদবি জাতিসংঘ সচিবালয়ের প্রধানের।
মনে রাখুন: ইউএনডিপি মানে প্রশাসক; জাতিসংঘ মানে মহাসচিব।
৪৩৪. যুক্তরাষ্ট্র কবে এককভাবে ABM (Anti-Ballistic Missile) চুক্তি থেকে নিজেকে প্রত্যাহার করে? (৩৬তম বিসিএস, ২০১৬)
- কজুন ২০০১
- খজুন ২০০০
- গজুন ২০০২
- ঘজুন ২০০৩
সঠিক উত্তর: গ. জুন ২০০২
প্রশ্নটা যুক্তরাষ্ট্র কবে এককভাবে এবিএম চুক্তি থেকে বেরিয়ে যায়, তা জানতে চেয়েছে। উত্তর জুন ২০০২; প্রত্যাহার কার্যকর হয় ২০০২ সালের ১৩ জুন।
এবিএম বা অ্যান্টি ব্যালিস্টিক মিসাইল চুক্তি ১৯৭২ সালে যুক্তরাষ্ট্র ও সোভিয়েত ইউনিয়নের মধ্যে স্বাক্ষরিত হয়। এতে দুই দেশ ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরোধ ব্যবস্থা সীমিত রাখতে রাজি হয়।
২০০১ সালের ১৩ ডিসেম্বর প্রেসিডেন্ট জর্জ ডব্লিউ বুশ প্রত্যাহারের ঘোষণা দেন। চুক্তি থেকে বেরোতে ছয় মাসের নোটিশ লাগে, তাই প্রত্যাহার কার্যকর হয় ছয় মাস পরে, ২০০২ সালের জুনে।
ফাঁদ হলো জুন ২০০১: অনেকে ঘোষণার বছর ২০০১ মনে রাখেন, কিন্তু ঘোষণা ছিল ডিসেম্বরে, আর কার্যকর হয় পরের বছরের জুনে।
মনে রাখুন: ঘোষণা ডিসেম্বর ২০০১, কার্যকর ছয় মাস পরে জুন ২০০২।
৪৩৫. আরব লীগ প্রতিষ্ঠা পায় - - (৩৬তম বিসিএস, ২০১৬)
- ক১৯৪৯
- খ১৯৫০
- গ১৯৪৫
- ঘ১৯৪০
সঠিক উত্তর: গ. ১৯৪৫
প্রশ্নটা আরব লিগ প্রতিষ্ঠার বছর জানতে চেয়েছে। উত্তর ১৯৪৫; সে বছরের ২২ মার্চ মিসরের কায়রোতে আরব লিগ প্রতিষ্ঠিত হয়।
প্রতিষ্ঠাতা সদস্য ছিল মিসর, ইরাক, ট্রান্সজর্ডান, লেবানন, সৌদি আরব ও সিরিয়া; কয়েক সপ্তাহ পরে ইয়েমেন যোগ দেয়। সদর দপ্তর কায়রোতে।
প্রতিষ্ঠার প্রস্তুতি হিসেবে ১৯৪৪ সালের অক্টোবরে আলেকজান্দ্রিয়া প্রটোকল স্বাক্ষরিত হয়। লক্ষ্য ছিল আরব দেশগুলোর মধ্যে রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সাংস্কৃতিক সহযোগিতা বাড়ানো।
আরব লিগ জাতিসংঘেরও কয়েক মাস আগে গঠিত; জাতিসংঘ হয় ১৯৪৫ সালের অক্টোবরে। ১৯৪৯ সাল ন্যাটোর প্রতিষ্ঠার বছর, তাই সেটি দেখে বিভ্রান্ত হবেন না।
মনে রাখুন: আরব লিগ মার্চ ১৯৪৫, জাতিসংঘ অক্টোবর ১৯৪৫: একই বছর, লিগ আগে।
৪৩৬. Yalta Conference–এর একটি লক্ষ্য ছিল: (৩৬তম বিসিএস, ২০১৬)
- কবিশ্বযুদ্ধের কারণ নির্ণয়
- খজিব্রালটার প্রণালীর সুরক্ষা
- গজাতিসংঘ প্রতিষ্ঠা
- ঘযুদ্ধে ক্ষতিগ্রস্তদের ক্ষতিপূরণ প্রদান
সঠিক উত্তর: গ. জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠা
প্রশ্নটা ইয়াল্টা সম্মেলনের একটি লক্ষ্য জানতে চেয়েছে। উত্তর জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠা।
১৯৪৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে ক্রিমিয়ার ইয়াল্টায় যুক্তরাষ্ট্রের রুজভেল্ট, ব্রিটেনের চার্চিল ও সোভিয়েত ইউনিয়নের স্তালিন মিলিত হন। তাঁরা যুদ্ধোত্তর বিশ্বের রূপরেখা নিয়ে সিদ্ধান্ত নেন।
সেখানে ঠিক হয়, জাতিসংঘ গঠনের জন্য ১৯৪৫ সালের এপ্রিলে সান ফ্রান্সিসকোতে সম্মেলন ডাকা হবে; নিরাপত্তা পরিষদে স্থায়ী সদস্যদের ভোটপদ্ধতি, যা থেকে ভেটো ক্ষমতা, তাও চূড়ান্ত হয়। জার্মানিকে দখল অঞ্চলে ভাগ করা আর জাপানের বিরুদ্ধে সোভিয়েত যুদ্ধে যোগদানের বিষয়ও সেখানে ঠিক হয়।
জার্মানির কাছ থেকে যুদ্ধের ক্ষতিপূরণ আদায় নিয়েও আলোচনা হয়েছিল, তাই ক্ষতিপূরণের বিকল্পটি বিভ্রান্ত করে। কিন্তু ক্ষতিগ্রস্তদের ক্ষতিপূরণ দেওয়া সম্মেলনের লক্ষ্য ছিল না; ইয়াল্টার সবচেয়ে পরিচিত ফল জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠার পথ তৈরি।
মনে রাখুন: ইয়াল্টা মানে তিন নেতা, জাতিসংঘ আর ভেটো।
৪৩৭. বর্তমানে NAM-এর সদস্য সংখ্যা - (৩৬তম বিসিএস, ২০১৬)
- ক১২০
- খ১৫
- গ৭৭
- ঘ২১
- ঙকোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর: ঙ. কোনোটিই নয়
প্রশ্নটি তখনকার তথ্য অনুযায়ী; তখন সঠিক ছিল: ১২০। এখন: ১২১টি (দক্ষিণ সুদান ২০২৪-এ যোগদান)।
প্রশ্নটা পরীক্ষার সময় জোটনিরপেক্ষ আন্দোলন বা ন্যামের সদস্যসংখ্যা জানতে চেয়েছে। ২০১৬ সালের শুরুতে, এই পরীক্ষার সময়, ন্যামের সদস্য ছিল ১২০টি দেশ।
১৯৬১ সালে যুগোস্লাভিয়ার বেলগ্রেডে প্রথম শীর্ষ সম্মেলনের মাধ্যমে ন্যামের যাত্রা শুরু। উদ্যোক্তাদের মধ্যে ছিলেন যুগোস্লাভিয়ার টিটো, ভারতের নেহরু, মিসরের নাসের, ইন্দোনেশিয়ার সুকর্ণ ও ঘানার এনক্রুমা।
স্নায়ুযুদ্ধের সময় যুক্তরাষ্ট্র বা সোভিয়েত, কোনো জোটে যোগ না দেওয়া দেশগুলোর সংগঠন এটি; জাতিসংঘের পর এটিই সবচেয়ে বড় রাষ্ট্রজোট। বাংলাদেশ ১৯৭৩ সালে সদস্য হয়।
বাকি সংখ্যাগুলো অন্য জোটের: গ্রুপ অব সেভেনটি সেভেনের নাম এসেছে প্রতিষ্ঠাতা ৭৭টি দেশ থেকে, গ্রুপ অব ফিফটিন গঠিত হয়েছিল ১৫টি উন্নয়নশীল দেশ নিয়ে, আর এপেকের সদস্য ২১টি অর্থনীতি।
মনে রাখুন: ন্যাম ১২০, এপেক ২১; আর ৭৭ ও ১৫ হলো জি সেভেনটি সেভেন ও জি ফিফটিনের নামের সংখ্যা।
৪৩৮. ‘War and Peace’ উপন্যাসের রচয়িতা - – (৩৬তম বিসিএস, ২০১৬)
- কলিও টলস্টয়
- খডেভিড রিকার্ডো
- গকার্ল মার্কস
- ঘজেন অস্টিন
সঠিক উত্তর: ক. লিও টলস্টয়
প্রশ্নটা ওয়ার অ্যান্ড পিস উপন্যাসের লেখক জানতে চেয়েছে। উত্তর রুশ ঔপন্যাসিক লিও টলস্টয়।
উপন্যাসটি ১৮৬৯ সালে পূর্ণাঙ্গ বই আকারে প্রকাশিত হয়। এর পটভূমি নেপোলিয়নের রাশিয়া আক্রমণসহ উনিশ শতকের শুরুর যুদ্ধের সময়ের রুশ সমাজ।
টলস্টয়ের আরেকটি বিখ্যাত উপন্যাস আনা কারেনিনা।
বাকি তিনজনের পরিচিত বই: ব্রিটিশ অর্থনীতিবিদ ডেভিড রিকার্ডোর প্রিন্সিপলস অব পলিটিক্যাল ইকোনমি অ্যান্ড ট্যাক্সেশন, কার্ল মার্কসের দাস কাপিটাল, আর জেন অস্টিনের উপন্যাস প্রাইড অ্যান্ড প্রেজুডিস। দুই অর্থনীতিবিদ আর এক ইংরেজ ঔপন্যাসিককে বাদ দিলেই উত্তর মেলে।
মনে রাখুন: দুই অর্থনীতিবিদ আর এক ইংরেজ নারী লেখক বাদ দিলে থাকেন রুশ টলস্টয়।
৪৩৯. আন্তর্জাতিক রেড ক্রস-এর সদর দপ্তর : (৩৬তম বিসিএস, ২০১৬)
- কভিয়েনা
- খজেনেভা
- গপ্যারিস
- ঘলন্ডন
সঠিক উত্তর: খ. জেনেভা
প্রশ্নটা আন্তর্জাতিক রেড ক্রসের সদর দপ্তর জানতে চেয়েছে। আন্তর্জাতিক রেড ক্রস কমিটির সদর দপ্তর সুইজারল্যান্ডের জেনেভায়।
সুইস ব্যবসায়ী হেনরি ডুনান্ট ১৮৫৯ সালে ইতালির সলফেরিনো যুদ্ধে আহত সৈনিকদের দুর্দশা দেখে বই লেখেন; তাঁর উদ্যোগে ১৮৬৩ সালে জেনেভায় এই কমিটি গঠিত হয়। ডুনান্ট ১৯০১ সালে ফরাসি শান্তিকর্মী ফ্রেদেরিক পাসির সঙ্গে যৌথভাবে প্রথম শান্তি নোবেল পুরস্কার পান।
রেড ক্রস কমিটি নিজে তিনবার শান্তিতে নোবেল পেয়েছে: ১৯১৭, ১৯৪৪ ও ১৯৬৩ সালে। রেড ক্রস ও রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটিগুলোর আন্তর্জাতিক ফেডারেশনের সদর দপ্তরও জেনেভায়।
সংস্থার প্রতীক সুইজারল্যান্ডের পতাকার রং উল্টে তৈরি, সাদা জমিনে লাল ক্রস; এটিও জেনেভা মনে রাখার সূত্র।
মনে রাখুন: সুইস পতাকার উল্টো রং, তাই রেড ক্রস সুইজারল্যান্ডের জেনেভায়।
৪৪০. IAEA -এর সদর দপ্তর হচ্ছে : (৩৬তম বিসিএস, ২০১৬)
- কজেনেভা
- খভিয়েনা
- গওয়াশিংটন
- ঘপ্যারিস
সঠিক উত্তর: খ. ভিয়েনা
প্রশ্নটা আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থা বা আইএইএর সদর দপ্তর জানতে চেয়েছে। এর সদর দপ্তর অস্ট্রিয়ার রাজধানী ভিয়েনায়।
১৯৫৭ সালে প্রতিষ্ঠিত সংস্থাটি পরমাণু শক্তির শান্তিপূর্ণ ব্যবহার বাড়ানো আর সামরিক কাজে অপব্যবহার ঠেকাতে কাজ করে। এর ধারণা এসেছিল মার্কিন প্রেসিডেন্ট আইজেনহাওয়ারের অ্যাটমস ফর পিস ভাষণ থেকে।
২০০৫ সালে আইএইএ ও এর তৎকালীন মহাপরিচালক মোহাম্মদ এলবারাদেই যৌথভাবে শান্তিতে নোবেল পান। ভিয়েনায় তেল রপ্তানিকারক দেশগুলোর সংগঠন ওপেকের সদর দপ্তরও আছে।
ফাঁদ হলো জেনেভা: জাতিসংঘের অনেক সংস্থা জেনেভায় বলে সেটি স্বাভাবিক মনে হয়, কিন্তু পরমাণু সংস্থা ভিয়েনায়।
মনে রাখুন: পরমাণু সংস্থা আর তেলের ওপেক, দুটিই ভিয়েনায়।