আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি · পাতা ২৪
৪৬১. মাথাপিছু গ্রিনহাউজ গ্যাস উদগীরণে সবচেয়ে বেশি দায়ী নিচের কোন দেশটি? (৩৭তম বিসিএস, ২০১৬)
- করাশিয়া
- খযুক্তরাষ্ট্র
- গইরান
- ঘজার্মানি
সঠিক উত্তর: ক. রাশিয়া
প্রশ্নটি তখনকার তথ্য অনুযায়ী; তখন সঠিক ছিল: যুক্তরাষ্ট্র। এখন: রাশিয়া (মাথাপিছু ~১৯ টন বনাম যুক্তরাষ্ট্র ~১৮ টন, ২০২৩)।
প্রশ্নটা মোট নয়, মাথাপিছু গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমন নিয়ে। একটি দেশের মোট নির্গমনকে তার জনসংখ্যা দিয়ে ভাগ করলে মাথাপিছু নির্গমন পাওয়া যায়। পরীক্ষার সময়, ২০১৬ সালের হিসাবে, এই চার দেশের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের মাথাপিছু নির্গমন ছিল সবচেয়ে বেশি।
আওয়ার ওয়ার্ল্ড ইন ডেটার হিসাবে ২০১৬ সালে মাথাপিছু নির্গমন ছিল প্রায়: যুক্তরাষ্ট্র ১৯ দশমিক ২ টন, রাশিয়া ১৭ দশমিক ৫ টন, জার্মানি ১১ টন আর ইরান ৯ দশমিক ৮ টন, কার্বন ডাই অক্সাইড সমতুল্য।
মোট আর মাথাপিছু গুলিয়ে ফেলবেন না। মোট নির্গমনে চীন শীর্ষে, কিন্তু বিপুল জনসংখ্যার কারণে মাথাপিছু হিসাবে চীন যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়ার চেয়ে অনেক পেছনে।
ফাঁদ রাশিয়া: তার মাথাপিছু নির্গমনও খুব বেশি এবং ব্যবধান কম। পরীক্ষার সময় যুক্তরাষ্ট্র এগিয়ে ছিল; পরের বছরগুলোতে যুক্তরাষ্ট্রের নির্গমন কমে আর রাশিয়ার বাড়ে, তাই হিসাব উল্টে যায়।
মনে রাখুন: মোট নির্গমনে চীন, মাথাপিছুতে এই চার দেশের মধ্যে পরীক্ষার সময় যুক্তরাষ্ট্র।
৪৬২. কোনটি নিরস্ত্রীকরণের সঙ্গে সম্পৃক্ত নয়? (৩৭তম বিসিএস, ২০১৬)
- কNATO
- খSALT
- গNPT
- ঘCTBT
সঠিক উত্তর: ক. NATO
প্রশ্নটা খুঁজছে কোনটি নিরস্ত্রীকরণ বা অস্ত্র নিয়ন্ত্রণের সঙ্গে যুক্ত নয়। উত্তর ন্যাটো, কারণ এটি কোনো অস্ত্র চুক্তি নয়, একটি সামরিক জোট।
ন্যাটো, মানে উত্তর আটলান্টিক চুক্তি সংস্থা, ১৯৪৯ সালে গঠিত হয় সোভিয়েত ইউনিয়নের বিরুদ্ধে যৌথ প্রতিরক্ষার জন্য। এর মূলনীতি, এক সদস্যের উপর হামলা সবার উপর হামলা বলে গণ্য হবে। অর্থাৎ এর লক্ষ্য অস্ত্র কমানো নয়, সম্মিলিত সামরিক শক্তি।
বাকি তিনটি অস্ত্র নিয়ন্ত্রণের আলোচনা বা চুক্তি। সল্ট হলো যুক্তরাষ্ট্র ও সোভিয়েত ইউনিয়নের কৌশলগত অস্ত্র সীমিতকরণ আলোচনা, যার প্রথম চুক্তি ১৯৭২ সালে। এনপিটি পারমাণবিক অস্ত্রের বিস্তার রোধ চুক্তি, ১৯৬৮ সালে সইয়ের জন্য উন্মুক্ত হয়। সিটিবিটি সব পারমাণবিক পরীক্ষা নিষিদ্ধের চুক্তি, ১৯৯৬ সালে গৃহীত।
মনে রাখুন: চুক্তি বা আলোচনা হলে নিরস্ত্রীকরণ; জোট হলে নয়।
৪৬৩. দ্য ব্লাড টেলিগ্রাম (The Blood Telegram) গ্রন্থটির লেখক - - (৩৫তম বিসিএস, ২০১৫)
- করিচার্ড সেশন
- খমার্কাস গ্রান্ডা
- গগ্যারি জে ব্যাস
- ঘপল ওয়ালেচ
সঠিক উত্তর: গ. গ্যারি জে ব্যাস
প্রশ্নটা দ্য ব্লাড টেলিগ্রাম বইয়ের লেখক জানতে চেয়েছে। বইটি লিখেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রিন্সটন বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজনীতি ও আন্তর্জাতিক সম্পর্কের অধ্যাপক গ্যারি জে ব্যাস; প্রকাশিত হয় ২০১৩ সালে।
বইটির পুরো নাম দ্য ব্লাড টেলিগ্রাম: নিক্সন, কিসিঞ্জার অ্যান্ড আ ফরগটেন জেনোসাইড। এতে দেখানো হয়েছে, ১৯৭১ সালে বাংলাদেশে পাকিস্তানি বাহিনীর গণহত্যার সময় প্রেসিডেন্ট নিক্সন ও কিসিঞ্জার কীভাবে পাকিস্তানের পাশে ছিলেন।
নামটি এসেছে ঢাকায় তখনকার মার্কিন কনসাল জেনারেল আর্চার ব্লাডের পাঠানো টেলিগ্রাম থেকে, যেখানে তিনি ও তাঁর সহকর্মীরা মার্কিন নীতির বিরুদ্ধে ভিন্নমত জানান।
ফাঁদ হলো রিচার্ড সেশন: নামটি মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে লেখা রিচার্ড সিসনের কাছাকাছি, যিনি লিও রোজের সঙ্গে ওয়ার অ্যান্ড সিসেশন লিখেছেন; কিন্তু ব্লাড টেলিগ্রাম তাঁর লেখা নয়।
মনে রাখুন: দুই নাম আলাদা রাখুন: টেলিগ্রাম পাঠান আর্চার ব্লাড, বই লেখেন গ্যারি ব্যাস।
৪৬৪. নেপালের সর্বশেষ রাজা ছিলেন - - (৩৫তম বিসিএস, ২০১৫)
- করাজা ধীরেন্দ্র
- খরাজা জ্ঞানেন্দ্র
- গরাজা বীরেন্দ্র
- ঘরাজা মহেন্দ্র
সঠিক উত্তর: খ. রাজা জ্ঞানেন্দ্র
প্রশ্নটা নেপালের শেষ রাজার নাম জানতে চেয়েছে। উত্তর জ্ঞানেন্দ্র; তাঁর শাসনের পর ২০০৮ সালের মে মাসে গণপরিষদ রাজতন্ত্র বিলুপ্ত করে নেপালকে প্রজাতন্ত্র ঘোষণা করে।
২০০১ সালের জুনে রাজপ্রাসাদ হত্যাকাণ্ডে রাজা বীরেন্দ্রসহ রাজপরিবারের অনেকে নিহত হন। গুরুতর আহত যুবরাজ দীপেন্দ্রকে রাজা ঘোষণা করা হয়, কিন্তু কয়েক দিনের মধ্যে তিনিও মারা যান। এরপর বীরেন্দ্রর ভাই জ্ঞানেন্দ্র রাজা হন।
রাজা মহেন্দ্র ছিলেন বীরেন্দ্রর বাবা, শাসন করেন ১৯৫৫ থেকে ১৯৭২ সাল পর্যন্ত। ধীরেন্দ্র ছিলেন বীরেন্দ্রর ছোট ভাই; তিনি রাজা হননি এবং ২০০১ সালের হত্যাকাণ্ডে নিহত হন।
ফাঁদ হলো বীরেন্দ্র: তাঁর মৃত্যুর ঘটনা বেশি আলোচিত বলে অনেকে তাঁকে শেষ রাজা ভাবেন; কিন্তু তাঁর পরেও জ্ঞানেন্দ্র রাজা ছিলেন।
মনে রাখুন: নেপালের শেষ তিন প্রধান রাজা: মহেন্দ্র, বীরেন্দ্র, জ্ঞানেন্দ্র; শেষজন জ্ঞানেন্দ্র।
৪৬৫. প্রথম বিশ্বযুদ্ধ চলাকালীন বেলফোর ঘোষণা ১৯১৭-এর মূল প্রতিপাদ্য ছিল, (৩৫তম বিসিএস, ২০১৫)
- কজাতিপুঞ্জ সৃষ্টি করা
- খঅটোমানদের জায়গা দখল করা
- গইহুদিদের জন্য একটি জাতিরাষ্ট্র গঠন
- ঘজার্মানির বিরুদ্ধে মিত্র শক্তির নতুন কৌশল অবলম্বন
সঠিক উত্তর: গ. ইহুদিদের জন্য একটি জাতিরাষ্ট্র গঠন
প্রশ্নটা ১৯১৭ সালের বেলফোর ঘোষণার মূল কথা জানতে চেয়েছে। এর মূল প্রতিপাদ্য ছিল ফিলিস্তিনে ইহুদি জনগণের জন্য একটি জাতীয় আবাসভূমি প্রতিষ্ঠায় ব্রিটেনের সমর্থন।
১৯১৭ সালের ২ নভেম্বর ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী আর্থার বেলফোর ব্রিটিশ ইহুদি নেতা লর্ড রথসচাইল্ডকে একটি চিঠিতে এই প্রতিশ্রুতি দেন। তখন ফিলিস্তিন ছিল অটোমান সাম্রাজ্যের অধীনে।
যুদ্ধের পর ফিলিস্তিন ব্রিটিশ ম্যান্ডেটের অধীনে আসে, আর বেলফোর ঘোষণার কথা সেই ম্যান্ডেটে যুক্ত হয়। এর ধারাবাহিকতায় ১৯৪৮ সালে ইসরায়েল রাষ্ট্র গঠিত হয়।
ঘোষণায় হুবহু রাষ্ট্র শব্দ ছিল না, ছিল জাতীয় আবাসভূমি; তবু বিকল্পগুলোর মধ্যে ইহুদিদের জাতিরাষ্ট্রের কথাই মূল বক্তব্যের সবচেয়ে কাছে। অটোমান ভূখণ্ড দখলের বিকল্পটি বিভ্রান্তিকর, কারণ অটোমান এলাকা ভাগাভাগির পরিকল্পনা ছিল ১৯১৬ সালের গোপন সাইকস পিকো চুক্তিতে।
মনে রাখুন: বেলফোর মানেই ইহুদি আবাসভূমি; সাইকস পিকো মানেই অটোমান ভাগ।
৪৬৬. প্রশান্ত মহাসাগরে যুক্তরাষ্ট্রের সপ্তম নৌবহরের সদর দপ্তর হচ্ছে - - (৩৫তম বিসিএস, ২০১৫)
- কইউকোসুক
- খহাওয়াই
- গগোয়াম
- ঘসুবিক বে
সঠিক উত্তর: ক. ইউকোসুক
প্রশ্নটা মার্কিন সপ্তম নৌবহরের সদর দপ্তর জানতে চেয়েছে। এর সদর দপ্তর জাপানের ইয়োকোসুকা নৌঘাঁটিতে; বিকল্পে নামটি ইউকোসুক বানানে লেখা।
সপ্তম নৌবহর মার্কিন প্রশান্ত মহাসাগরীয় নৌবহরের অধীনে পশ্চিম প্রশান্ত মহাসাগর ও ভারত মহাসাগর এলাকায় কাজ করে। এর কমান্ড জাহাজ ইউএসএস ব্লু রিজ ইয়োকোসুকায় অবস্থান করে।
বাংলাদেশের মানুষের কাছে নৌবহরটি পরিচিত ১৯৭১ সালের কারণে: মুক্তিযুদ্ধের শেষ দিকে যুক্তরাষ্ট্র বিমানবাহী রণতরী এন্টারপ্রাইজসহ সপ্তম নৌবহরের একটি দল বঙ্গোপসাগরের দিকে পাঠায়।
ফাঁদ হলো হাওয়াই: সেখানকার পার্ল হারবারে পুরো মার্কিন প্রশান্ত মহাসাগরীয় নৌবহরের সদর দপ্তর, সপ্তম নৌবহরের নয়। ফিলিপাইনের সুবিক বে একসময় বড় মার্কিন ঘাঁটি ছিল, ১৯৯২ সালে বন্ধ হয়।
মনে রাখুন: সপ্তম নৌবহর থাকে জাপানে: ইয়োকোসুকা।
৪৬৭. ‘ডমিনো’ তত্ত্বটি কোন অঞ্চলের জন্য প্রযোজ্য ছিল? (৩৫তম বিসিএস, ২০১৫)
- কনিকট প্রাচ্য
- খপূর্ব আফ্রিকা
- গদক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া
- ঘপূর্ব ইউরোপ
সঠিক উত্তর: গ. দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া
প্রশ্নটা ডমিনো তত্ত্ব কোন অঞ্চলের জন্য বলা হয়েছিল, তা জানতে চেয়েছে। উত্তর দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া।
১৯৫৪ সালের এপ্রিলে মার্কিন প্রেসিডেন্ট আইজেনহাওয়ার এক সংবাদ সম্মেলনে উদাহরণ দেন: সারি করে রাখা ডমিনোর প্রথমটি পড়লে বাকিগুলোও একে একে পড়ে যায়। তেমনি ইন্দোচীনে একটি দেশ কমিউনিস্টদের হাতে গেলে আশপাশের দেশগুলোও কমিউনিস্ট হয়ে যাবে, এই ছিল আশঙ্কা।
এই যুক্তিতেই যুক্তরাষ্ট্র দক্ষিণ ভিয়েতনামের পক্ষ নিয়ে ভিয়েতনাম যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ে।
ফাঁদ হলো পূর্ব ইউরোপ: সেখানে দেশগুলো একের পর এক কমিউনিস্ট শাসনে গিয়েছিল ঠিকই, কিন্তু তা দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর সোভিয়েত প্রভাবে আগেই ঘটে গিয়েছিল। ডমিনো তত্ত্ব বলা হয়েছিল এশিয়ার জন্য।
মনে রাখুন: ডমিনো মানে ভিয়েতনাম যুদ্ধ, অর্থাৎ দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া।
৪৬৮. ‘গ্লাসনস্ত নীতি’ কোন দেশে চালু হয়েছিল? (৩৫তম বিসিএস, ২০১৫)
- কচীন
- খসাবেক সোভিয়েত ইউনিয়ন
- গহাঙ্গেরি
- ঘপোল্যান্ড
সঠিক উত্তর: খ. সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়ন
প্রশ্নটা গ্লাসনস্ত নীতি কোন দেশে চালু হয়েছিল, তা জানতে চেয়েছে। উত্তর সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়ন।
১৯৮৫ সালে কমিউনিস্ট পার্টির প্রধান হওয়ার পর মিখাইল গর্বাচেভ দুটি সংস্কারনীতি নেন। গ্লাসনস্ত মানে খোলামেলা ভাব বা স্বচ্ছতা: সরকারের কাজ নিয়ে খোলাখুলি আলোচনা ও সমালোচনার সুযোগ। পেরেস্ত্রোইকা মানে পুনর্গঠন: অর্থনীতি ও রাজনীতির কাঠামো বদলানো।
এর কয়েক বছর পর, ১৯৯১ সালের ডিসেম্বরে, সোভিয়েত ইউনিয়ন ভেঙে যায়।
ফাঁদ হলো চীন: চীনেও ১৯৭৮ সাল থেকে দেং শিয়াওপিংয়ের সংস্কার ও উন্মুক্তকরণ নীতি চলেছিল, কিন্তু সেটির নাম গ্লাসনস্ত নয়। গ্লাসনস্ত রুশ শব্দ।
মনে রাখুন: গ্লাসনস্ত আর পেরেস্ত্রোইকা: দুটিই গর্বাচেভের।
৪৬৯. ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে সার্ক অঞ্চলের বাহিরে আমন্ত্রিত রাষ্ট্রের সংখ্যা - – (৩৫তম বিসিএস, ২০১৫)
- ক২
- খ৩
- গ৪
- ঘ১
সঠিক উত্তর: ঘ. ১
প্রশ্নটা ২০১৪ সালে নরেন্দ্র মোদির প্রথম শপথ অনুষ্ঠানে সার্কের বাইরের কয়টি দেশকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল, তা জানতে চেয়েছে। উত্তর একটি: মরিশাস।
২০১৪ সালের ২৬ মে নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠিত শপথে সার্কের সব সদস্য দেশের সরকারপ্রধানকে আমন্ত্রণ জানানো হয়। সঙ্গে আমন্ত্রিত হন মরিশাসের প্রধানমন্ত্রী নবীনচন্দ্র রামগুলাম।
সার্কের সদস্য আটটি: বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান, নেপাল, ভুটান, শ্রীলঙ্কা, মালদ্বীপ ও আফগানিস্তান। মরিশাস ভারত মহাসাগরের দ্বীপরাষ্ট্র, সার্কের সদস্য নয়, তবে সেখানে ভারতীয় বংশোদ্ভূত মানুষ সংখ্যাগরিষ্ঠ।
বড় সংখ্যার বিকল্প দেখে বিভ্রান্ত হবেন না; সার্কের বাইরে আমন্ত্রিত দেশ ছিল কেবল একটি।
মনে রাখুন: মোদির ২০১৪ সালের শপথ: সার্ক, সঙ্গে শুধু মরিশাস।
৪৭০. বর্তমান বিশ্বের কোন দেশটির সংবিধানকে ‘শান্তি সংবিধান’ বলা হয়? (৩৫তম বিসিএস, ২০১৫)
- কজাপান
- খপেরু
- গকোস্টারিকা
- ঘসুইজারল্যান্ড
সঠিক উত্তর: ক. জাপান
প্রশ্নটা কোন দেশের সংবিধানকে শান্তি সংবিধান বলা হয়, তা জানতে চেয়েছে। উত্তর জাপান।
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে পরাজয়ের পর মার্কিন দখলদারির সময় জাপানের নতুন সংবিধান তৈরি হয়, যা ১৯৪৭ সালের ৩ মে কার্যকর হয়।
এর নবম অনুচ্ছেদে জাপান যুদ্ধকে রাষ্ট্রের সার্বভৌম অধিকার হিসেবে চিরতরে ত্যাগ করে এবং যুদ্ধের জন্য স্থল, নৌ ও বিমানবাহিনী না রাখার অঙ্গীকার করে। এ কারণেই একে শান্তি সংবিধান বলা হয়। বাস্তবে জাপান আত্মরক্ষা বাহিনী রেখেছে।
ফাঁদ হলো কোস্টারিকা: দেশটি ১৯৪৮ সালে সেনাবাহিনী বিলুপ্ত করে এবং ১৯৪৯ সালের সংবিধানে তা লেখে। কিন্তু শান্তি সংবিধান নামটি জাপানের সংবিধানের জন্যই প্রচলিত।
মনে রাখুন: নবম অনুচ্ছেদ মানেই জাপানের শান্তি সংবিধান।
৪৭১. ‘Global Terrorism Index’ ২০১৪ অনুযায়ী বিশ্বে সর্বাপেক্ষা ঝুঁকিপূর্ণ রাষ্ট্র - - (৩৫তম বিসিএস, ২০১৫)
- কসিরিয়া
- খসুদান
- গইরাক
- ঘসোমালিয়া
সঠিক উত্তর: গ. ইরাক
প্রশ্নটা গ্লোবাল টেরোরিজম ইনডেক্স ২০১৪ অনুযায়ী সন্ত্রাসবাদে সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত দেশ জানতে চেয়েছে। উত্তর ইরাক; ২০১৪ সালের সূচকে ইরাক প্রথম স্থানে ছিল।
সূচকটি প্রকাশ করে অস্ট্রেলিয়ার সিডনিভিত্তিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান ইনস্টিটিউট ফর ইকোনমিকস অ্যান্ড পিস। সন্ত্রাসী হামলার সংখ্যা, নিহত ও আহতের সংখ্যা এবং সম্পদের ক্ষতি মিলিয়ে দেশগুলোর স্কোর ঠিক হয়।
২০১৪ সালের সূচক মূলত ২০১৩ সালের ঘটনার ভিত্তিতে তৈরি। শীর্ষ পাঁচে ছিল ইরাক, আফগানিস্তান, পাকিস্তান, নাইজেরিয়া ও সিরিয়া; এই পাঁচ দেশেই ২০১৩ সালে সন্ত্রাসী হামলায় মোট মৃত্যুর আশি শতাংশের বেশি ঘটে।
ফাঁদ হলো সিরিয়া: গৃহযুদ্ধের কারণে নামটি পরিচিত এবং শীর্ষ পাঁচেই ছিল, কিন্তু প্রথম নয়। সুদান ও সোমালিয়া শীর্ষ পাঁচে ছিল না।
মনে রাখুন: ২০১৪ সালের সন্ত্রাস সূচকের শীর্ষে ইরাক; বাকি শীর্ষ চার আফগানিস্তান, পাকিস্তান, নাইজেরিয়া, সিরিয়া।
৪৭২. দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর পূর্ব-পশ্চিম দ্বন্দ্বের ফলে সৃষ্ট পূর্বের অর্থনৈতিক জোটটির নাম ছিল - – (৩৫তম বিসিএস, ২০১৫)
- ককমিন্টার্ন
- খকমিনফর্ম
- গকমেকন
- ঘকোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর: গ. কমেকন
প্রশ্নটা স্নায়ুযুদ্ধের সময় পূর্ব ব্লকের অর্থনৈতিক জোটের নাম জানতে চেয়েছে। উত্তর কমেকন, পুরো নাম কাউন্সিল ফর মিউচুয়াল ইকোনমিক অ্যাসিস্ট্যান্স।
১৯৪৯ সালের জানুয়ারিতে মস্কোয় সোভিয়েত ইউনিয়ন ও পূর্ব ইউরোপের কমিউনিস্ট দেশগুলো মিলে এটি গঠন করে। পশ্চিম ইউরোপে মার্কিন সহায়তার মার্শাল পরিকল্পনার পাল্টা হিসেবে একে দেখা হয়। ১৯৯১ সালে কমেকন বিলুপ্ত হয়।
নাম তিনটি কাছাকাছি, তাই কাজ দিয়ে আলাদা করুন। কমিন্টার্ন হলো ১৯১৯ সালে গঠিত কমিউনিস্ট আন্তর্জাতিক, আর কমিনফর্ম হলো ১৯৪৭ সালে গঠিত কমিউনিস্ট পার্টিগুলোর তথ্য ব্যুরো। দুটিই রাজনৈতিক সংগঠন, অর্থনৈতিক জোট নয়।
পূর্ব ব্লকের সামরিক জোট ছিল ১৯৫৫ সালের ওয়ারশ চুক্তি। মনে রাখুন: অর্থনীতিতে কমেকন, সামরিক ক্ষেত্রে ওয়ারশ।
মনে রাখুন: কমেকনের মধ্যে ইকন, মানে ইকোনমি: অর্থনৈতিক জোট।
৪৭৩. ব্রিকসের সর্বশেষ শীর্ষ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়- (৩৫তম বিসিএস, ২০১৫)
- করাশিয়া
- খব্রাজিল
- গভারত
- ঘদক্ষিণ আফ্রিকা
সঠিক উত্তর: গ. ভারত
প্রশ্নটি তখনকার তথ্য অনুযায়ী; তখন সঠিক ছিল: ব্রাজিল। এখন: ভারত (১৮তম, নয়াদিল্লি, ১২–১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬)।
প্রশ্নটা পরীক্ষার সময়ের সর্বশেষ ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলনের স্থান জানতে চেয়েছে। ৩৫তম বিসিএস প্রিলিমিনারি হয় ২০১৫ সালের মার্চে; তার আগের সর্বশেষ সম্মেলন, ষষ্ঠ ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলন, হয় ২০১৪ সালের জুলাইয়ে ব্রাজিলের ফোর্তালেজায়।
এই সম্মেলনেই ব্রিকসের নিউ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক গঠনের চুক্তি হয়, যার সদর দপ্তর চীনের সাংহাইয়ে।
ব্রিকস সম্মেলন সদস্য দেশগুলোতে পালাক্রমে হয়। প্রথম সম্মেলন ২০০৯ সালে রাশিয়ার ইয়েকাতেরিনবার্গে, চতুর্থটি ২০১২ সালে ভারতের নয়াদিল্লিতে, পঞ্চমটি ২০১৩ সালে দক্ষিণ আফ্রিকার ডারবানে, আর ষষ্ঠটি ২০১৪ সালে ব্রাজিলে।
ফাঁদ হলো রাশিয়া: সপ্তম সম্মেলন রাশিয়ার উফায় হয়েছিল, কিন্তু সেটা ২০১৫ সালের জুলাইয়ে, এই পরীক্ষার পরে।
মনে রাখুন: সর্বশেষ জানতে চাইলে পরীক্ষার তারিখের আগের ঘটনাটাই ধরুন।
৪৭৪. ‘উইঘুর’ হলো- (৩৫তম বিসিএস, ২০১৫)
- কচীনের একটি খাবারের নাম
- খচীনের একটি ধর্মীয় স্থানের নাম
- গচীনের একটি শহরের নাম
- ঘচীনের একটি সম্প্রদায়ের নাম
সঠিক উত্তর: ঘ. চীনের একটি সম্প্রদায়ের নাম
প্রশ্নটা উইঘুর কী, তা জানতে চেয়েছে। উইঘুর চীনের একটি জাতিগত সম্প্রদায়; এরা তুর্কি ভাষাগোষ্ঠীর এবং প্রধানত মুসলিম।
উইঘুরদের মূল বাস চীনের উত্তর-পশ্চিমের জিনজিয়াং উইঘুর স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চলে। অঞ্চলটির নামেই তাই উইঘুর শব্দ আছে।
চীনের সংখ্যাগরিষ্ঠ জাতি হান; উইঘুর, তিব্বতি, হুই প্রভৃতি সংখ্যালঘু জাতিগোষ্ঠী।
উইঘুরদের নিজস্ব রান্না বা শহর থাকলেও উইঘুর শব্দটি নিজে কোনো খাবার, শহর বা ধর্মীয় স্থানের নাম নয়; এটি একটি জনগোষ্ঠীর নাম।
মনে রাখুন: উইঘুর মানুষ, জিনজিয়াং তাদের ভূমি।
৪৭৫. ১৯৮২ সালের সমুদ্র আইন সংক্রান্ত কনভেনশন অনুযায়ী একটি উপকূলীয় রাষ্ট্রের মহীসোপানের (Continental Shelf) সীমা হবে ভিত্তি রেখা হতে- (৩৫তম বিসিএস, ২০১৫)
- ক২০০ নটিকেল মাইল
- খ৩০০ নটিকেল মাইল
- গ৩৫০ নটিকেল মাইল
- ঘ৪৫০ নটিকেল মাইল
সঠিক উত্তর: গ. ৩৫০ নটিকেল মাইল
প্রশ্নটা ১৯৮২ সালের জাতিসংঘ সমুদ্র আইন কনভেনশন অনুযায়ী মহীসোপানের সীমা জানতে চেয়েছে। সাধারণ নিয়মে মহীসোপান ভিত্তিরেখা থেকে ২০০ নটিক্যাল মাইল পর্যন্ত; তবে ভূতাত্ত্বিকভাবে মহীসোপান আরও বিস্তৃত হলে সর্বোচ্চ ৩৫০ নটিক্যাল মাইল পর্যন্ত দাবি করা যায়।
কনভেনশনের ছিয়াত্তর নম্বর অনুচ্ছেদে এই নিয়ম আছে। বাড়তি অংশের বাইরের সীমা হয় ভিত্তিরেখা থেকে ৩৫০ নটিক্যাল মাইল, অথবা ২৫০০ মিটার গভীরতার রেখা থেকে ১০০ নটিক্যাল মাইল। এর জন্য মহীসোপানের সীমা বিষয়ক কমিশনে তথ্য জমা দিতে হয়।
সমুদ্রের অঞ্চলগুলো ক্রমানুসারে মনে রাখুন: রাজসমুদ্র ১২ নটিক্যাল মাইল, সংলগ্ন অঞ্চল ২৪, একান্ত অর্থনৈতিক অঞ্চল ২০০, আর মহীসোপান ২০০ থেকে সর্বোচ্চ ৩৫০।
ফাঁদ হলো ২০০ নটিক্যাল মাইল: এটি একান্ত অর্থনৈতিক অঞ্চলের সীমা এবং মহীসোপানের সাধারণ সীমা। প্রশ্নকর্তা এখানে সর্বোচ্চ সীমাকেই উত্তর ধরেছেন।
মনে রাখুন: ১২, ২৪, ২০০, ৩৫০: রাজসমুদ্র, সংলগ্ন অঞ্চল, অর্থনৈতিক অঞ্চল, মহীসোপানের সর্বোচ্চ সীমা।
৪৭৬. ‘মংডু’ কোন দুটি দেশের সীমান্ত এলাকা? (৩৫তম বিসিএস, ২০১৫)
- কবাংলাদেশ-মায়ানমার
- খমিয়ানমার-চীন
- গবাংলাদেশ-ভারত
- ঘভারত-মায়ানমার
সঠিক উত্তর: ক. বাংলাদেশ-মায়ানমার
প্রশ্নটা মংডু কোন দুই দেশের সীমান্তে, তা জানতে চেয়েছে। মংডু মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যের একটি সীমান্ত শহর, বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্তে অবস্থিত।
এখানে নাফ নদী দুই দেশের সীমানা তৈরি করেছে; নদীর পশ্চিম তীরে কক্সবাজারের টেকনাফ, আর পূর্ব তীরে মংডু।
রাখাইন রাজ্যের এই এলাকায় রোহিঙ্গা মুসলিমদের বড় অংশের বাস ছিল; তাই রোহিঙ্গা সংকটের খবরে মংডু নামটি বারবার আসে।
মিয়ানমারের সঙ্গে ভারত ও চীনেরও সীমান্ত আছে, তাই সেসব বিকল্পও বিশ্বাসযোগ্য মনে হয়। কিন্তু মংডু নাফ নদীর তীরে, যার ওপারে বাংলাদেশ।
মনে রাখুন: টেকনাফের ওপারে মংডু, মাঝখানে নাফ নদী।
৪৭৭. ‘The Art of War’ গ্রন্থের রচয়িতা- (৩৫তম বিসিএস, ২০১৫)
- কক্লজউইজ
- খআলফ্রেড মাহান
- গসুন জু
- ঘকৌটিল্য
সঠিক উত্তর: গ. সুন জু
প্রশ্নটা দ্য আর্ট অব ওয়ার গ্রন্থের রচয়িতা জানতে চেয়েছে। এটি প্রাচীন চীনের সমরবিদ সুন জুর লেখা, যুদ্ধকৌশল নিয়ে পৃথিবীর অন্যতম প্রাচীন গ্রন্থ।
বইটির তেরোটি অধ্যায়ে যুদ্ধের পরিকল্পনা, কৌশল ও শত্রুকে জানার গুরুত্ব নিয়ে আলোচনা আছে। এর একটি বিখ্যাত শিক্ষা হলো, যুদ্ধ না করেই শত্রুকে বশে আনাই সর্বোচ্চ দক্ষতা।
সমর ও রাষ্ট্রচিন্তার অন্য বিখ্যাত বই: প্রুশিয়ার সেনানায়ক কার্ল ফন ক্লজউইৎসের অন ওয়ার, মার্কিন নৌ কর্মকর্তা আলফ্রেড মাহানের দ্য ইনফ্লুয়েন্স অব সি পাওয়ার আপন হিস্ট্রি, আর প্রাচীন ভারতের কৌটিল্যের অর্থশাস্ত্র।
ফাঁদ হলো ক্লজউইৎস: তাঁর বইয়ের নামেও ওয়ার শব্দ আছে, কিন্তু সেটি অন ওয়ার, আর্ট অব ওয়ার নয়।
মনে রাখুন: আর্ট অব ওয়ার চীনের সুন জুর, অন ওয়ার প্রুশিয়ার ক্লজউইৎসের।
৪৭৮. বর্তমান বিশ্বে ‘নিউ সিল্ক রোড’ এর প্রবক্তা- (৩৫তম বিসিএস, ২০১৫)
- কজাপান
- খভারত
- গআফগানিস্তান
- ঘচীন
সঠিক উত্তর: ঘ. চীন
প্রশ্নটা বর্তমান বিশ্বে নিউ সিল্ক রোড ধারণার প্রবক্তা জানতে চেয়েছে। উত্তর চীন; ২০১৩ সালে চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিনফিং প্রাচীন রেশম পথ নতুন করে গড়ার এই উদ্যোগ ঘোষণা করেন।
২০১৩ সালের সেপ্টেম্বরে কাজাখস্তানে তিনি স্থলপথের সিল্ক রোড ইকোনমিক বেল্ট আর অক্টোবরে ইন্দোনেশিয়ায় একবিংশ শতাব্দীর সামুদ্রিক রেশম পথের প্রস্তাব দেন। দুটি মিলে প্রথমে ওয়ান বেল্ট ওয়ান রোড, পরে বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভ নামে পরিচিত হয়।
প্রাচীন সিল্ক রোড ছিল চীন থেকে মধ্য এশিয়া হয়ে ইউরোপ পর্যন্ত বাণিজ্যপথ, যে পথে চীনা রেশম পশ্চিমে যেত। নতুন উদ্যোগে সড়ক, রেল, বন্দর ও জ্বালানি অবকাঠামোয় বিনিয়োগ করে সেই সংযোগ ফিরিয়ে আনার কথা বলা হয়।
ফাঁদ হলো আফগানিস্তান: ২০১১ সালে যুক্তরাষ্ট্র আফগানিস্তানকে কেন্দ্র করে একটি নিউ সিল্ক রোড পরিকল্পনার কথা বলেছিল। কিন্তু সেটির প্রবক্তা ছিল যুক্তরাষ্ট্র, আফগানিস্তান নয়; আর বর্তমানে নামটি চীনের উদ্যোগের সঙ্গেই যুক্ত।
মনে রাখুন: সিল্ক মানে রেশম, রেশম মানে চীন।
৪৭৯. ‘WIPO’ এর সদর দপ্তর- (৩৫তম বিসিএস, ২০১৫)
- কব্রাসেলস
- খলন্ডন
- গজেনেভা
- ঘপ্যারিস
সঠিক উত্তর: গ. জেনেভা
প্রশ্নটা বিশ্ব মেধাসম্পদ সংস্থা, সংক্ষেপে ডব্লিউআইপিও, এর সদর দপ্তর জানতে চেয়েছে। এর সদর দপ্তর সুইজারল্যান্ডের জেনেভায়।
১৯৬৭ সালের স্টকহোম কনভেনশনের মাধ্যমে সংস্থাটি গঠিত হয় এবং ১৯৭৪ সালে জাতিসংঘের বিশেষায়িত সংস্থার মর্যাদা পায়। এটি পেটেন্ট, ট্রেডমার্ক, কপিরাইটসহ মেধাস্বত্ব সুরক্ষায় কাজ করে।
জেনেভায় আরও অনেক আন্তর্জাতিক সংস্থার সদর দপ্তর: বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা, বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা, আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা ও আন্তর্জাতিক রেড ক্রস কমিটি।
ব্রাসেলসে ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও ন্যাটো, লন্ডনে আন্তর্জাতিক সমুদ্র সংস্থা, আর প্যারিসে ইউনেস্কো; এগুলো মেধাসম্পদ সংস্থার ঠিকানা নয়।
মনে রাখুন: ডব্লিউ দিয়ে শুরু অনেক আন্তর্জাতিক সংস্থা জেনেভায়: ডব্লিউএইচও, ডব্লিউটিও, ডব্লিউআইপিও, ডব্লিউএমও; তবে ডব্লিউএফপি রোমে।
৪৮০. Who is known as the ‘Lady of the Lamp’? (৩৪তম বিসিএস, ২০১৩)
- কSorojini Naidu
- খHellen Killer
- গFlorence Nightingale
- ঘMadame Teresa
সঠিক উত্তর: গ. Florence Nightingale
প্রশ্নটা একটি বিখ্যাত উপাধি কার, তা জানতে চেয়েছে। ‘লেডি উইথ দ্য ল্যাম্প’ বা প্রদীপ হাতে মহিলা হলেন ব্রিটিশ নার্স ফ্লোরেন্স নাইটিঙ্গেল।
ক্রিমিয়ার যুদ্ধের সময় তখনকার অটোমান সাম্রাজ্যের স্কুটারির, বর্তমান ইস্তাম্বুলের উস্কুদারের, সামরিক হাসপাতালে তিনি রাতে প্রদীপ হাতে ঘুরে আহত সৈনিকদের খোঁজ নিতেন। সেখান থেকেই এই নাম।
তাঁকে আধুনিক নার্সিংয়ের পথিকৃৎ বলা হয়। ১৮৬০ সালে লন্ডনের সেন্ট টমাস হাসপাতালে তিনি নার্স প্রশিক্ষণ স্কুল চালু করেন, আর তাঁর জন্মদিন বারো মে পালিত হয় আন্তর্জাতিক নার্স দিবস হিসেবে।
ফাঁদ হলো সরোজিনী নাইডু: তাঁর উপাধিতেও নাইটিঙ্গেল শব্দ আছে, নাইটিঙ্গেল অব ইন্ডিয়া বা ভারতের কোকিল। তবে সেটা তাঁর কবিতার জন্য, সেবার জন্য নয়।
মনে রাখুন: নাইটিঙ্গেল দুজন: ফ্লোরেন্স হলেন প্রদীপের মহিলা, সরোজিনী হলেন ভারতের কোকিল।