আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি · পাতা ৬
১০১. জার্মানীর প্রথম নারী চ্যান্সেলর কে? (৪১তম বিসিএস, ২০২১)
- কঅ্যানেগরেট ক্রাম্প
- খলিনা হেডরিচ
- গঅ্যাঞ্জেলা মারকেল
- ঘপেট্রা কেলি
সঠিক উত্তর: গ. অ্যাঞ্জেলা মারকেল
প্রশ্নটা জার্মানির প্রথম নারী চ্যান্সেলরের নাম জানতে চেয়েছে। উত্তর অ্যাঞ্জেলা মারকেল। চ্যান্সেলর হলেন জার্মানির সরকারপ্রধান, অনেকটা প্রধানমন্ত্রীর মতো।
মারকেল খ্রিস্টান ডেমোক্রেটিক ইউনিয়ন দলের নেতা হিসেবে ২০০৫ সালে চ্যান্সেলর হন, আর পরীক্ষার সময়ও তিনিই দায়িত্বে ছিলেন; টানা ১৬ বছর পর ২০২১ সালের ডিসেম্বরে তিনি বিদায় নেন। তিনি বড় হয়েছেন তৎকালীন পূর্ব জার্মানিতে।
বাকি নামগুলোও জার্মান রাজনীতি বা ইতিহাসের সঙ্গে যুক্ত, তাই চিনে রাখা ভালো। অ্যানেগ্রেট ক্রাম্প কারেনবাওয়ার মারকেলের পর দলের সভাপতি ও প্রতিরক্ষামন্ত্রী হয়েছিলেন, পেত্রা কেলি জার্মান গ্রিন পার্টির অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা।
ফাঁদ হলো অ্যানেগ্রেট ক্রাম্প কারেনবাওয়ার। তাঁকে মারকেলের উত্তরসূরি ভাবা হলেও তিনি কখনো চ্যান্সেলর হননি।
মনে রাখুন: জার্মানির এখন পর্যন্ত একমাত্র নারী চ্যান্সেলর মারকেল, তাই প্রথম নারী চ্যান্সেলরও তিনিই।
১০২. আন্তর্জাতিক বিচার আদালত রোহিঙ্গা গণহত্যা বিষয়ক অন্তর্বর্তীকালীন রায়ে মিয়ানমারকে কয়টি নির্দিষ্ট ব্যবস্থা গ্রহণের কথা বলেছে? (৪১তম বিসিএস, ২০২১)
- ক৩টি
- খ২টি
- গ৫টি
- ঘ৪টি
সঠিক উত্তর: ঘ. ৪টি
প্রশ্নটা গাম্বিয়ার করা রোহিঙ্গা গণহত্যা মামলায় আন্তর্জাতিক বিচার আদালতের অন্তর্বর্তী আদেশ নিয়ে। ২০২০ সালের ২৩ জানুয়ারি আদালত সর্বসম্মতভাবে মিয়ানমারকে চারটি নির্দিষ্ট ব্যবস্থা নিতে বলে।
প্রথম, রাখাইনের রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে গণহত্যা সনদে বর্ণিত সব ধরনের কাজ ঠেকাতে সব ব্যবস্থা নেওয়া। দ্বিতীয়, সেনাবাহিনী ও তাদের নিয়ন্ত্রণে থাকা অনিয়মিত বাহিনী যেন এমন কাজ না করে বা উসকানি না দেয়, তা নিশ্চিত করা।
তৃতীয়, গণহত্যার অভিযোগ সংক্রান্ত প্রমাণ ধ্বংস হওয়া ঠেকানো ও সংরক্ষণ করা। চতুর্থ, আদেশ কার্যকরের বিষয়ে চার মাসের মধ্যে এবং এরপর প্রতি ছয় মাস পরপর আদালতে প্রতিবেদন দেওয়া।
অন্তর্বর্তী আদেশ মানে চূড়ান্ত রায়ের আগে সাময়িক সুরক্ষা ব্যবস্থা। প্রতিবেদনকে আলাদা ব্যবস্থা হিসেবে না গুনলে উত্তর তিন মনে হয়, এটাই ফাঁদ।
মনে রাখুন: চার ব্যবস্থা মনে রাখুন চার শব্দে: প্রতিরোধ, নিয়ন্ত্রণ, প্রমাণ, প্রতিবেদন।
১০৩. কোন দুটি দেশের মধ্যে সীমান্ত বিরোধ নিষ্পত্তির জন্য ২০১৯ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার দেয়া হয়? (৪১তম বিসিএস, ২০২১)
- কক্যামেরুন এবং ইথিওপিয়া
- খপেরু এবং ভেনেজুয়েলা
- গইথিওপিয়া এবং ইরিত্রিয়া
- ঘমালি এবং সেনেগাল
সঠিক উত্তর: গ. ইথিওপিয়া এবং ইরিত্রিয়া
প্রশ্নটা ২০১৯ সালের নোবেল শান্তি পুরস্কারের প্রেক্ষাপট জানতে চেয়েছে। পুরস্কার পান ইথিওপিয়ার প্রধানমন্ত্রী আবি আহমেদ, প্রতিবেশী ইরিত্রিয়ার সঙ্গে সীমান্ত বিরোধ নিষ্পত্তির উদ্যোগের জন্য।
ইরিত্রিয়া একসময় ইথিওপিয়ার অংশ ছিল। ১৯৯৮ থেকে ২০০০ সাল পর্যন্ত দুই দেশের মধ্যে সীমান্ত নিয়ে রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ হয়, এরপর প্রায় দুই দশক যুদ্ধও নয়, শান্তিও নয়, এমন অচলাবস্থা চলে।
২০১৮ সালে প্রধানমন্ত্রী হয়েই আবি আহমেদ সীমান্ত কমিশনের রায় মেনে নেওয়ার ঘোষণা দেন, আর সে বছরের জুলাইয়ে দুই দেশ শান্তি ঘোষণায় সই করে। এর স্বীকৃতিতেই ২০১৯ সালের পুরস্কার; পুরস্কারটি তিনি একাই পান।
বিকল্পের অন্য জোড়াগুলোর অনেকগুলোর মধ্যে সীমান্তই নেই, যেমন পেরু ও ভেনেজুয়েলা, কিংবা ক্যামেরুন ও ইথিওপিয়া। ইথিওপিয়া নাম দেখে প্রথম বিকল্পে ঝাঁপিয়ে পড়াই ফাঁদ।
মনে রাখুন: বিকল্পের জোড়া দুটি দেশের মধ্যে আদৌ সীমান্ত আছে কি না আগে দেখুন; ইথিওপিয়া ও ইরিত্রিয়াই প্রকৃত প্রতিবেশী।
১০৪. ইনকা সভ্যতা কোন অঞ্চলে বিরাজমান ছিল? (৪১তম বিসিএস, ২০২১)
- কদক্ষিণ আমেরিকা
- খআফ্রিকা
- গমধ্যপ্রাচ্য
- ঘইউরোপ
সঠিক উত্তর: ক. দক্ষিণ আমেরিকা
প্রশ্নটা ইনকা সভ্যতার অবস্থান জানতে চেয়েছে। ইনকা সভ্যতা গড়ে উঠেছিল দক্ষিণ আমেরিকার আন্দিজ পর্বতমালা অঞ্চলে, যার কেন্দ্র ছিল বর্তমান পেরু।
ইনকাদের রাজধানী ছিল কুসকো। পাহাড়ের গায়ে ধাপ কেটে চাষাবাদ, পাথরের নিখুঁত স্থাপত্য আর দীর্ঘ সড়কব্যবস্থা ছিল এই সভ্যতার বৈশিষ্ট্য। পাহাড়চূড়ার নগর মাচু পিচু এর সবচেয়ে বিখ্যাত নিদর্শন।
ষোড়শ শতকে স্পেনীয় অভিযাত্রী ফ্রান্সিসকো পিসারোর আক্রমণে ইনকা সাম্রাজ্যের পতন ঘটে।
আমেরিকার তিন প্রাচীন সভ্যতা গুলিয়ে ফেলাই সবচেয়ে বড় ফাঁদ। মায়া মধ্য আমেরিকায়, অ্যাজটেক মেক্সিকোতে, আর ইনকা দক্ষিণ আমেরিকায়।
মনে রাখুন: ইনকা মানেই আন্দিজ, পেরু, মাচু পিচু: দক্ষিণ আমেরিকা।
১০৫. নিচের কোন দেশটিতে রাশিয়ার সামরিক ঘাঁটির সুবিধা বিদ্যমান? (৪১তম বিসিএস, ২০২১)
- ককিউবা
- খভিয়েতনাম
- গউজবেকিস্তান
- ঘসোমালিয়া
সঠিক উত্তর: খ. ভিয়েতনাম
প্রশ্নটা জানতে চেয়েছে বিকল্পের কোন দেশে রাশিয়া সামরিক সুবিধা পায়। প্রচলিত উত্তর ভিয়েতনাম, যেখানে কাম রানহ উপসাগরে রুশ বাহিনীর দীর্ঘ উপস্থিতি ছিল।
স্নায়ুযুদ্ধের সময় থেকে কাম রানহ ছিল সোভিয়েত ও পরে রুশ প্রশান্ত মহাসাগরীয় নৌবহরের বড় ঘাঁটি। ২০০২ সালের মে মাসে রাশিয়া ঘাঁটিটি আনুষ্ঠানিকভাবে ভিয়েতনামকে ফিরিয়ে দেয়। তবে পরেও রুশ সামরিক বিমান ও জাহাজ সেখানে জ্বালানি নেওয়ার সুবিধা পেয়েছে; ২০১৫ সালে যুক্তরাষ্ট্র এ নিয়ে ভিয়েতনামের কাছে আপত্তি জানায়।
অন্য বিকল্পগুলো কেন বাদ: কিউবার লুর্দেসে রুশ গোয়েন্দা শোনার কেন্দ্র ছিল, ২০০১ সালে রাশিয়া তা বন্ধের ঘোষণা দেয়। সোমালিয়ার বারবেরায় সোভিয়েত ঘাঁটি ছিল, কিন্তু ১৯৭৭ সালে সোমালিয়া সোভিয়েতদের বের করে দেয়। উজবেকিস্তানে কোনো রুশ সামরিক ঘাঁটি নেই।
সাবধান থাকা দরকার: মধ্য এশিয়ায় রাশিয়ার ঘাঁটি আছে তাজিকিস্তান ও কিরগিজস্তানে, উজবেকিস্তানে নয়। মধ্য এশিয়া শুনেই উজবেকিস্তান বেছে নেওয়া এখানে ফাঁদ।
মনে রাখুন: পুরোনো সোভিয়েত ঘাঁটির মধ্যে যেখানে পরে আবার রুশ ব্যবহারের সুবিধা ফিরেছে, সেটিই এখানে উত্তর: কাম রানহ।
১০৬. ফিনল্যান্ড কোন দেশের উপনিবেশ ছিল? (৪১তম বিসিএস, ২০২১)
- করাশিয়া
- খডেনমার্ক
- গসুইডেন
- ঘইংল্যান্ড
সঠিক উত্তর: গ. সুইডেন
প্রশ্নটা জানতে চেয়েছে ফিনল্যান্ড কার অধীনে ছিল। প্রচলিত উত্তর সুইডেন, কারণ মধ্যযুগ থেকে ১৮০৯ সাল পর্যন্ত প্রায় ছয় শতক ফিনল্যান্ড সুইডিশ রাজ্যের অংশ ছিল।
১৮০৮ থেকে ১৮০৯ সালের যুদ্ধে সুইডেন হেরে গেলে ফিনল্যান্ড রুশ সাম্রাজ্যের হাতে চলে যায় এবং একটি স্বায়ত্তশাসিত গ্র্যান্ড ডাচি হিসেবে রুশ জারের অধীনে থাকে। রুশ বিপ্লবের সুযোগে ১৯১৭ সালের ৬ ডিসেম্বর ফিনল্যান্ড স্বাধীনতা ঘোষণা করে।
দীর্ঘ সুইডিশ শাসনের ছাপ আজও স্পষ্ট: সুইডিশ ভাষা এখনো ফিনল্যান্ডের দুটি জাতীয় ভাষার একটি। এ কারণেই প্রশ্নকর্তা দীর্ঘতম শাসনকারী হিসেবে সুইডেনকে উত্তর ধরেছেন।
ফাঁদ হলো রাশিয়া। ফিনল্যান্ড রাশিয়া থেকেই স্বাধীন হয়েছিল, তাই অনেকে রাশিয়া বেছে নেন। কিন্তু রুশ শাসন ছিল একশো বছরের মতো, আর সুইডিশ শাসন প্রায় ছয়শো বছর।
মনে রাখুন: কোন দেশ কার অধীনে ছিল প্রশ্নে সাধারণত দীর্ঘতম শাসককে ধরা হয়: ফিনল্যান্ডের বেলায় সুইডেন।
১০৭. আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল কোন সালে গঠিত হয়? (৪১তম বিসিএস, ২০২১)
- ক১৯৪৪ সালে
- খ১৯৪৫ সালে
- গ১৯৪৮ সালে
- ঘ১৯৪৯ সালে
সঠিক উত্তর: খ. ১৯৪৫ সালে
প্রশ্নটা আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল বা আইএমএফ গঠনের বছর জানতে চেয়েছে। গৃহীত উত্তর ১৯৪৫, কারণ ওই বছরের ২৭ ডিসেম্বর সদস্য দেশগুলোর অনুমোদনে আইএমএফের চুক্তি কার্যকর হয় এবং সংস্থাটি আনুষ্ঠানিকভাবে গঠিত হয়।
এর পটভূমি ১৯৪৪ সালের জুলাইয়ে যুক্তরাষ্ট্রের ব্রেটন উডসে অনুষ্ঠিত জাতিসংঘ মুদ্রা ও অর্থ সম্মেলন। সেখানে আইএমএফ ও বিশ্বব্যাংক গঠনের চুক্তি তৈরি হয়, তাই দুটিকে ব্রেটন উডস যমজ বলা হয়। আইএমএফ কাজ শুরু করে ১৯৪৭ সালের মার্চে, সদর দপ্তর ওয়াশিংটন ডিসি।
সিদ্ধান্তের বছর আর গঠনের বছর আলাদা করা এই প্রশ্নের মূল কৌশল। চুক্তির খসড়া ১৯৪৪ সালে, কার্যকর ও গঠন ১৯৪৫ সালে।
তাই সবচেয়ে বড় ফাঁদ ১৯৪৪। ব্রেটন উডস সম্মেলনের সাল বেশি পরিচিত বলে অনেকে সেটিই বেছে নেন।
মনে রাখুন: ব্রেটন উডস প্রতিষ্ঠানের প্রশ্নে সম্মেলনের সাল ১৯৪৪, আর গঠনের সাল ১৯৪৫।
১০৮. জাতিসংঘের কোন সংস্থাটি করোনা ভাইরাসকে ‘pandemic’ ঘোষণা করেছে? (৪১তম বিসিএস, ২০২১)
- কECOSOC
- খFAO
- গWHO
- ঘHRC
সঠিক উত্তর: গ. WHO
প্রশ্নটা জানতে চেয়েছে কোভিড উনিশকে বৈশ্বিক মহামারি বা প্যানডেমিক ঘোষণা করেছিল জাতিসংঘের কোন সংস্থা। উত্তর বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা, যার সদর দপ্তর সুইজারল্যান্ডের জেনেভায়।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা আগে ২০২০ সালের ৩০ জানুয়ারি একে আন্তর্জাতিক উদ্বেগের জনস্বাস্থ্য জরুরি অবস্থা ঘোষণা করে। এরপর রোগটি বহু মহাদেশে দ্রুত ছড়িয়ে পড়লে ২০২০ সালের ১১ মার্চ মহাপরিচালক তেদরোস আধানম গেব্রেয়েসুস একে প্যানডেমিক ঘোষণা দেন।
সহজ যুক্তি: রোগ ও জনস্বাস্থ্য সংক্রান্ত বৈশ্বিক ঘোষণা দেওয়ার দায়িত্ব জাতিসংঘের বিশেষায়িত স্বাস্থ্য সংস্থার, অন্য কারও নয়।
অন্য বিকল্পগুলো জাতিসংঘের সংস্থা হলেও কাজ ভিন্ন: অর্থনৈতিক ও সামাজিক পরিষদ, খাদ্য ও কৃষি সংস্থা, এবং মানবাধিকার পরিষদ।
মনে রাখুন: স্বাস্থ্য সংক্রান্ত যেকোনো বৈশ্বিক ঘোষণার প্রশ্নে উত্তর বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা।
১০৯. যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ডেমোক্রেটিক দলের মনোনয়নের জন্য ন্যূনতম কতজন ডেলিগেটের সমর্থন প্রয়োজন? (৪১তম বিসিএস, ২০২১)
- ক২৫০০
- খ১৯৯১
- গ১৯৫০
- ঘ১৮৯০
- ঙকোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর: ঙ. কোনোটিই নয়
প্রশ্নটি তখনকার তথ্য অনুযায়ী; তখন সঠিক ছিল: ১৯৯১। এখন: ১,৯৭৬ জন (২০২৪ সালের নির্বাচন)।
প্রশ্নটা ২০২০ সালের মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের প্রাথমিক পর্ব নিয়ে। ডেমোক্রেটিক দলের প্রার্থী হতে জাতীয় সম্মেলনের প্রথম ভোটে প্রতিশ্রুত ডেলিগেটদের নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা লাগে, যা পরীক্ষার সময় ছিল ন্যূনতম ১৯৯১ জন।
প্রতিশ্রুত ডেলিগেট হলেন রাজ্যগুলোর প্রাথমিক নির্বাচন ও ককাসের ফল অনুযায়ী নির্দিষ্ট প্রার্থীকে ভোট দিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ প্রতিনিধি। ২০২০ সালে এদের মোট সংখ্যা ছিল ৩৯৭৯ জন। দলের নতুন নিয়মে সুপারডেলিগেটরা প্রথম ভোটে সাধারণত ভোট দিতে পারেন না, তাই হিসাব শুধু প্রতিশ্রুত ডেলিগেটদের নিয়ে।
৩৯৭৯ এর অর্ধেক ১৯৮৯ দশমিক ৫। দলের ঘোষিত হিসাবে সংখ্যাগরিষ্ঠতা মানে অর্ধেকের সঙ্গে এক যোগ, তাই হয় ১৯৯০ দশমিক ৫; আধা ভোট হয় না বলে ওপরের দিকে পূর্ণ সংখ্যা নিলে দাঁড়ায় ১৯৯১।
সংখ্যাটি প্রতি নির্বাচনে মোট ডেলিগেট অনুযায়ী বদলায়। তাই এ ধরনের প্রশ্নে কোন সালের নির্বাচন, সেটি আগে খেয়াল করুন।
মনে রাখুন: ডেমোক্র্যাটদের হিসাবে মোট প্রতিশ্রুত ডেলিগেটের অর্ধেকের সঙ্গে এক যোগ করে ওপরের দিকে পূর্ণ সংখ্যা নিন।
১১০. ইরান-ইরাক যুদ্ধবিরতির তদারকির কাজে নিয়োজিত জাতিসংঘের বাহিনী কোন নামে পরিচিত ছিল? (৪৩তম বিসিএস, ২০২১)
- কUNIMOG
- খUNIIMOG
- গUNGOMAP
- ঘUNICEF
সঠিক উত্তর: খ. UNIIMOG
প্রশ্নটা ইরান-ইরাক যুদ্ধবিরতি তদারকির জাতিসংঘ বাহিনীর নাম জানতে চেয়েছে। নাম ইউএনআইআইএমওজি, পুরো রূপ জাতিসংঘ ইরান-ইরাক সামরিক পর্যবেক্ষক দল।
ইরান-ইরাক যুদ্ধ চলে ১৯৮০ থেকে ১৯৮৮ সাল পর্যন্ত। ১৯৮৮ সালের আগস্টে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হলে তা তদারকির জন্য এই পর্যবেক্ষক দল গঠিত হয় এবং ১৯৯১ সালের শুরু পর্যন্ত কাজ করে।
বাংলাদেশের জন্য মিশনটি বিশেষ, কারণ ১৯৮৮ সালে এর মাধ্যমেই বাংলাদেশ সেনাবাহিনী প্রথম জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে অংশ নেয়।
ফাঁদটা বানানে। নামে দুটি দেশের জন্য দুটি আই থাকে, একটি ইরান ও একটি ইরাকের। একটি আই থাকা রূপটি ভুল।
মনে রাখুন: নামে UN, তারপর Iran ও Iraq এর দুটি I, তারপর MOG: UNIIMOG।
১১১. আন্তর্জাতিক গণতন্ত্র দিবস কোন তারিখে পালিত হয়? (৪৩তম বিসিএস, ২০২১)
- ক১৫ সেপ্টেম্বর
- খ১৫ অক্টোবর
- গ১৫ নভেম্বর
- ঘ১৫ ডিসেম্বর
সঠিক উত্তর: ক. ১৫ সেপ্টেম্বর
প্রশ্নটা আন্তর্জাতিক গণতন্ত্র দিবসের তারিখ জানতে চেয়েছে। দিবসটি প্রতি বছর ১৫ সেপ্টেম্বর পালিত হয়।
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ ২০০৭ সালে দিবসটি ঘোষণা করে এবং ২০০৮ সাল থেকে এটি পালিত হচ্ছে। উদ্দেশ্য হলো গণতন্ত্রের নীতি, মানুষের মতপ্রকাশ ও অংশগ্রহণের অধিকার নিয়ে সচেতনতা বাড়ানো।
জাতিসংঘের দিবসগুলো মাস দিয়ে মনে রাখা সুবিধাজনক। সেপ্টেম্বরে গণতন্ত্র দিবস ও শান্তি দিবস, অক্টোবরের ১৫ তারিখে গ্রামীণ নারী দিবস, আর ডিসেম্বরের ১০ তারিখে মানবাধিকার দিবস।
বিকল্পগুলোতে তারিখ সবখানেই ১৫, শুধু মাস আলাদা। তাই মাসটাই আসল পরীক্ষা: সেপ্টেম্বর।
মনে রাখুন: সব বিকল্পে ১৫ থাকলে শুধু মাস মনে রাখুন: গণতন্ত্র সেপ্টেম্বরে।
১১২. ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল-এর প্রধান কার্যালয় কোথায়? (৪৩তম বিসিএস, ২০২১)
- কফ্রান্স
- খজার্মানি
- গনেদারল্যান্ড
- ঘহাঙ্গেরি
সঠিক উত্তর: খ. জার্মানি
প্রশ্নটা ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনালের প্রধান কার্যালয় জানতে চেয়েছে। দুর্নীতিবিরোধী এই বেসরকারি আন্তর্জাতিক সংস্থার সদর দপ্তর জার্মানির রাজধানী বার্লিনে।
সংস্থাটি ১৯৯৩ সালে বার্লিনেই প্রতিষ্ঠিত হয়। এটি প্রতি বছর দুর্নীতির ধারণা সূচক প্রকাশ করে, যাতে বিশেষজ্ঞ ও ব্যবসায়ীদের ধারণার ভিত্তিতে দেশগুলোর সরকারি খাতের দুর্নীতি মাপা হয়।
সংস্থাটির বহু দেশে জাতীয় শাখা আছে, যেমন বাংলাদেশে টিআইবি। শাখা অনেক দেশে থাকলেও কেন্দ্রীয় সদর দপ্তর একটাই, বার্লিনে।
ইউরোপের বড় বড় আন্তর্জাতিক দপ্তরের শহরগুলো মাথায় ঘুরলে ভুল হয়। নেদারল্যান্ডসের হেগে আন্তর্জাতিক বিচার আদালত, ফ্রান্সের প্যারিসে ইউনেস্কো, কিন্তু ট্রান্সপারেন্সি বার্লিনে।
মনে রাখুন: দুর্নীতির ধারণা সূচক দেখলেই বার্লিন।
১১৩. চীন থেকে ক্রয়কৃত বাংলাদেশ নৌবাহিনীর ডুবোজাহাজ দুটি নিম্নোক্ত কোন শ্রেণির? (৪৩তম বিসিএস, ২০২১)
- ককিলো-ক্লাস
- খমিং-ক্লাস
- গডলফিন-ক্লাস
- ঘশ্যাং-ক্লাস
সঠিক উত্তর: খ. মিং-ক্লাস
প্রশ্নটা বাংলাদেশ নৌবাহিনীর প্রথম দুটি ডুবোজাহাজের শ্রেণি জানতে চেয়েছে। চীন থেকে কেনা বানৌজা নবযাত্রা ও বানৌজা জয়যাত্রা মিং শ্রেণির, চীনা নাম টাইপ শূন্য তিন পাঁচ জি।
মিং শ্রেণি হলো ডিজেল ও বৈদ্যুতিক শক্তিতে চলা প্রচলিত আক্রমণাত্মক ডুবোজাহাজ। ২০১৭ সালের ১২ মার্চ চট্টগ্রামে দুটি ডুবোজাহাজ কমিশন লাভ করে, আর এর মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ নৌবাহিনী ত্রিমাত্রিক বাহিনীতে পরিণত হয়: জলের ওপর, জলের নিচে ও আকাশে।
অন্য শ্রেণিগুলো চিনে রাখা দরকার। কিলো শ্রেণি রাশিয়ার তৈরি ডিজেল ডুবোজাহাজ, ডলফিন শ্রেণি ইসরায়েলি নৌবাহিনীর জার্মান নির্মিত ডুবোজাহাজ, আর শ্যাং শ্রেণি চীনের পারমাণবিক শক্তিচালিত ডুবোজাহাজ।
ফাঁদ হলো শ্যাং শ্রেণি, কারণ সেটিও চীনের। কিন্তু শ্যাং পারমাণবিক ডুবোজাহাজ, যা চীন রপ্তানি করে না; বাংলাদেশ পেয়েছে প্রচলিত মিং শ্রেণি।
মনে রাখুন: চীনের ডুবোজাহাজের মধ্যে প্রচলিত ও রপ্তানিযোগ্যটি খুঁজুন: মিং।
১১৪. জিবুতি দেশটি কোথায় অবস্থিত? (৪৩তম বিসিএস, ২০২১)
- কএডেন উপসাগরের পাশে
- খপ্রশান্ত মহাসাগরে
- গদক্ষিণ আমেরিকায়
- ঘদক্ষিণ চীন সাগরে
সঠিক উত্তর: ক. এডেন উপসাগরের পাশে
প্রশ্নটা জিবুতির ভৌগোলিক অবস্থান জানতে চেয়েছে। জিবুতি পূর্ব আফ্রিকার শিং অঞ্চলের ছোট দেশ, এর উপকূল এডেন উপসাগর ও লোহিত সাগরের সংযোগস্থলে।
দেশটির ঠিক পাশেই বাব এল মান্দেব প্রণালী, যা লোহিত সাগরকে এডেন উপসাগর ও ভারত মহাসাগরের সঙ্গে যুক্ত করেছে। সুয়েজ খাল দিয়ে যাওয়া জাহাজগুলোকে এই প্রণালী পার হতে হয়, তাই জিবুতির অবস্থান কৌশলগতভাবে খুব গুরুত্বপূর্ণ।
এই গুরুত্বের কারণেই যুক্তরাষ্ট্র, ফ্রান্স, চীনসহ কয়েকটি দেশের সামরিক ঘাঁটি জিবুতিতে। চীনের প্রথম বিদেশি সামরিক ঘাঁটিও এখানে, ২০১৭ সালে চালু। দেশটি ১৯৭৭ সালে ফ্রান্সের কাছ থেকে স্বাধীন হয়।
জিবুতির প্রতিবেশী ইরিত্রিয়া, ইথিওপিয়া ও সোমালিয়া। নামটা অপরিচিত ঠেকলে প্রশান্ত মহাসাগরের দ্বীপরাষ্ট্র ভেবে ভুল হতে পারে, এটাই ফাঁদ।
মনে রাখুন: আফ্রিকার শিং অঞ্চলের যেকোনো উপকূলীয় দেশের প্রশ্নে এডেন উপসাগর ও লোহিত সাগর মাথায় রাখুন।
১১৫. নিম্নের কোনটি জাতিসংঘের সংস্থা নয়? (৪৩তম বিসিএস, ২০২১)
- কআসিয়ান আঞ্চলিক ফোরাম (ARF)
- খআঞ্চলিক শ্রম সংস্থা (ILO)
- গআন্তর্জাতিক কৃষি উন্নয়ন তহবিল (IFAD)
- ঘখাদ্য ও কৃষি সংস্থা (FAO)
সঠিক উত্তর: ক. আসিয়ান আঞ্চলিক ফোরাম (ARF)
প্রশ্নটা জাতিসংঘ পরিবারের বাইরের সংস্থাটি খুঁজতে বলছে। উত্তর আসিয়ান আঞ্চলিক ফোরাম, যা আসিয়ানের নেতৃত্বে চলা একটি আঞ্চলিক নিরাপত্তা সংলাপের মঞ্চ।
আসিয়ান আঞ্চলিক ফোরাম ১৯৯৪ সালে যাত্রা শুরু করে। আসিয়ানের সদস্য দেশ ছাড়াও এর আলোচনায় এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের বিভিন্ন দেশ অংশ নেয়, বাংলাদেশও এর সদস্য। তবে এটি জাতিসংঘের কোনো অঙ্গ বা বিশেষায়িত সংস্থা নয়।
বাকি তিনটি জাতিসংঘের বিশেষায়িত সংস্থা। আইএলও ১৯১৯ সালে গঠিত, সদর দপ্তর জেনেভা। খাদ্য ও কৃষি সংস্থা ১৯৪৫ সালে, আর আন্তর্জাতিক কৃষি উন্নয়ন তহবিল ১৯৭৭ সালে গঠিত; দুটির সদর দপ্তরই রোমে।
একটি সতর্কতা: মূল প্রশ্নপত্রেই বিকল্পে আইএলওর নাম আঞ্চলিক শ্রম সংস্থা ছাপা হয়েছিল, সঠিক নাম আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা। আঞ্চলিক শব্দ দেখে এটিকে জাতিসংঘের বাইরের সংস্থা ভাবা এখানে ফাঁদ।
মনে রাখুন: নামে কোনো আঞ্চলিক জোটের নাম, যেমন আসিয়ান, থাকলে সেটি জাতিসংঘের সংস্থা নয়।
১১৬. United Nations Framework Convention on Climate Change-এর মূল আলোচ্য বিষয়- (৪৩তম বিসিএস, ২০২১)
- কজীবাশ্ম জ্বালানীর ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ
- খগ্রিন হাউস গ্যাসের নিঃসরণ ও প্রশমন
- গসমুদ্রের উচ্চতা বৃদ্ধি
- ঘবৈশ্বিক মরুকরণ প্রক্রিয়া এবং বনায়ন
সঠিক উত্তর: খ. গ্রিন হাউস গ্যাসের নিঃসরণ ও প্রশমন
প্রশ্নটা জাতিসংঘ জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক কাঠামো সনদের মূল বিষয় জানতে চেয়েছে। সনদের মূল লক্ষ্য গ্রিনহাউস গ্যাসের নিঃসরণ কমানো ও প্রশমন, যাতে বায়ুমণ্ডলে এদের ঘনত্ব জলবায়ুর জন্য বিপজ্জনক মাত্রায় না পৌঁছায়।
সনদটি ১৯৯২ সালে গৃহীত হয় এবং ব্রাজিলের রিও ডি জেনিরোর ধরিত্রী সম্মেলনে স্বাক্ষরের জন্য উন্মুক্ত হয়; কার্যকর হয় ১৯৯৪ সালে। এর অধীনে প্রতি বছর পক্ষগুলোর সম্মেলন বা কপ হয়।
এই সনদের কাঠামোর মধ্যেই ১৯৯৭ সালে কিয়োটো প্রটোকল এবং ২০১৫ সালে প্যারিস চুক্তি হয়েছে। দুটিরই কেন্দ্রে গ্রিনহাউস গ্যাস নিঃসরণ কমানোর অঙ্গীকার।
ফাঁদ হলো জীবাশ্ম জ্বালানির ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ। জীবাশ্ম জ্বালানি নিঃসরণের প্রধান উৎস হলেও সেটি লক্ষ্য অর্জনের একটি উপায় মাত্র; সনদের মূল বিষয় সব গ্রিনহাউস গ্যাসের নিঃসরণ।
মনে রাখুন: জলবায়ু সনদ, কিয়োটো, প্যারিস: তিনটির মূল শব্দ একটাই, গ্রিনহাউস গ্যাস নিঃসরণ।
১১৭. World Development Report কোন সংস্থার বার্ষিক প্রকাশনা? (৪৩তম বিসিএস, ২০২১)
- কUNDP
- খWorld Bank
- গIMF
- ঘBRICS
সঠিক উত্তর: খ. World Bank
প্রশ্নটা জানতে চেয়েছে বিশ্ব উন্নয়ন প্রতিবেদন কার প্রকাশনা। উত্তর বিশ্বব্যাংক, যা ১৯৭৮ সাল থেকে প্রতি বছর এই প্রতিবেদন প্রকাশ করছে।
প্রতিবছর প্রতিবেদনটি উন্নয়নের একটি নির্দিষ্ট বিষয়ে আলোকপাত করে, যেমন দারিদ্র্য, শিক্ষা, ডিজিটাল প্রযুক্তি বা প্রতিষ্ঠান। তাই এর নামের সঙ্গে প্রায়ই সেই বছরের বিষয় যুক্ত থাকে।
নামের মিল থাকা প্রতিবেদনগুলো জোড়ায় শিখুন। মানব উন্নয়ন প্রতিবেদন ইউএনডিপির, বিশ্ব অর্থনৈতিক পূর্বাভাস আইএমএফের, আর বিশ্ব বিনিয়োগ প্রতিবেদন আঙ্কটাডের।
সবচেয়ে বড় ফাঁদ ইউএনডিপি, কারণ এর মানব উন্নয়ন প্রতিবেদনেও উন্নয়ন শব্দটি আছে। মানব শব্দটি থাকলে ইউএনডিপি, না থাকলে বিশ্বব্যাংক।
মনে রাখুন: Human থাকলে ইউএনডিপি, World Development হলে বিশ্বব্যাংক।
১১৮. ব্যাডমিন্টন কোন দেশের জাতীয় খেলা? (৪৩তম বিসিএস, ২০২১)
- কমালয়েশিয়া
- খইন্দোনেশিয়া
- গচীন
- ঘইংল্যান্ড
সঠিক উত্তর: খ. ইন্দোনেশিয়া
প্রশ্নটা জানতে চেয়েছে ব্যাডমিন্টন কোন দেশের জাতীয় খেলা। প্রচলিত গাইড ও পরীক্ষার উত্তর ইন্দোনেশিয়া, যেখানে ব্যাডমিন্টন সবচেয়ে জনপ্রিয় খেলাগুলোর একটি এবং অলিম্পিকে দেশটির বেশির ভাগ সাফল্য এই খেলা থেকেই।
তবে জেনে রাখা ভালো, ব্যাডমিন্টনকে ইন্দোনেশিয়ার জাতীয় খেলা বলা হয় মূলত জনপ্রিয়তা ও সাফল্যের কারণে। জাতীয় খেলার এ ধরনের প্রশ্নে সাধারণত দেশটির সবচেয়ে জনপ্রিয় ও ঐতিহ্যবাহী খেলাকেই ধরা হয়।
অন্য বিকল্পগুলোর সঙ্গে যুক্ত খেলাও মনে রাখুন। মালয়েশিয়ার জাতীয় খেলা হিসেবে সাধারণত সেপাক তাকরো ধরা হয়, চীনে টেবিল টেনিসকে জাতীয় খেলার মর্যাদায় দেখা হয়। আর আধুনিক ব্যাডমিন্টনের নামটি এসেছে ইংল্যান্ডের ব্যাডমিন্টন হাউস নামের একটি বাড়ি থেকে।
ফাঁদ দুটি। মালয়েশিয়াও ব্যাডমিন্টনে শক্তিশালী, তাই অনেক গাইডে মালয়েশিয়া লেখা থাকে। আর খেলার নাম ইংল্যান্ড থেকে আসায় কেউ কেউ ইংল্যান্ড বেছে নেন।
মনে রাখুন: বিসিএসের গাইড অনুযায়ী ব্যাডমিন্টন ইন্দোনেশিয়া, সেপাক তাকরো মালয়েশিয়া, টেবিল টেনিস চীন।
১১৯. ‘The lady with the Lamp’ নামে পরিচিত- (৪৩তম বিসিএস, ২০২১)
- কহেলেন কেলার
- খফ্লোরেন্স নাইটিঙ্গেল
- গমাদার তেরেসা
- ঘসরোজিনী নাইডু
সঠিক উত্তর: খ. ফ্লোরেন্স নাইটিঙ্গেল
প্রশ্নটা জানতে চেয়েছে দ্য লেডি উইথ দ্য ল্যাম্প নামে কে পরিচিত। উত্তর ফ্লোরেন্স নাইটিঙ্গেল, আধুনিক নার্সিং পেশার পথিকৃৎ।
ক্রিমিয়ার যুদ্ধের সময়, ১৮৫০ এর দশকে, তিনি তুরস্কের স্কুতারিতে ব্রিটিশ সামরিক হাসপাতালে আহত সৈন্যদের সেবার নেতৃত্ব দেন। রাতে প্রদীপ হাতে ওয়ার্ডে ঘুরে রোগীদের খোঁজ নিতেন, সেখান থেকেই এই নাম।
যুদ্ধের পর ১৮৬০ সালে তিনি লন্ডনের সেন্ট টমাস হাসপাতালে নার্সিং স্কুল প্রতিষ্ঠা করেন। তাঁর জন্মদিন ১২ মে আন্তর্জাতিক নার্স দিবস হিসেবে পালিত হয়।
ফাঁদ হলো সরোজিনী নাইডু, কারণ তাঁর উপাধিতেও নাইটিঙ্গেল শব্দ আছে: ভারতের নাইটিঙ্গেল, তাঁর কবিতার জন্য। কিন্তু প্রদীপ হাতে সেবিকা ফ্লোরেন্স নাইটিঙ্গেল।
মনে রাখুন: প্রদীপ মানে নার্সিং, নার্সিং মানে ফ্লোরেন্স নাইটিঙ্গেল।
১২০. মিয়ানমারের নির্বাসিত সরকারের নাম – (৪৩তম বিসিএস, ২০২১)
- কএনএলডি সরকার
- খন্যাশনাল ইউনিটি সরকার
- গবার্মিজ গভর্নমেন্ট ইন এক্সাইল
- ঘঅং সান সু চি সরকার
সঠিক উত্তর: খ. ন্যাশনাল ইউনিটি সরকার
প্রশ্নটা মিয়ানমারের অভ্যুত্থানবিরোধী সমান্তরাল সরকারের নাম জানতে চেয়েছে। পরীক্ষার সময় এর নাম ছিল ন্যাশনাল ইউনিটি গভর্নমেন্ট, বাংলায় জাতীয় ঐক্যের সরকার।
২০২০ সালের নভেম্বরের নির্বাচনে অং সান সু চির দল এনএলডি বিপুলভাবে জেতে। কিন্তু ২০২১ সালের ১ ফেব্রুয়ারি সেনাবাহিনী অভ্যুত্থান ঘটিয়ে সু চিসহ নেতাদের আটক করে।
এরপর ক্ষমতাচ্যুত সংসদ সদস্য, জাতিগত সংখ্যালঘু গোষ্ঠী ও আন্দোলনকারীরা মিলে ২০২১ সালের ১৬ এপ্রিল ন্যাশনাল ইউনিটি গভর্নমেন্ট গঠন ঘোষণা করেন। এর সদস্যদের অনেকে দেশের বাইরে বা আত্মগোপনে থেকে কাজ করেন, তাই একে নির্বাসিত সরকার বলা হয়।
ফাঁদ হলো এনএলডি সরকার। এনএলডি একটি রাজনৈতিক দলের নাম; এর নেতারা নতুন সরকারে থাকলেও সরকারের নাম ন্যাশনাল ইউনিটি গভর্নমেন্ট।
মনে রাখুন: দলের নাম আর সরকারের নাম আলাদা: দল এনএলডি, সমান্তরাল সরকার এনইউজি।