আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি · পাতা ৮
১৪১. Sunshine Policy- এর সাথে কোন দুটি দেশ জড়িত ? (৪০তম বিসিএস, ২০১৯)
- কচীন, রাশিয়া
- খউত্তর কোরিয়া, দক্ষিণ কোরিয়া
- গজাপান, থাইল্যান্ড
- ঘতাইওয়ান, হংকং
সঠিক উত্তর: খ. উত্তর কোরিয়া, দক্ষিণ কোরিয়া
প্রশ্নটা ‘সানশাইন পলিসি’ কোন দুই দেশের সঙ্গে জড়িত, তা চায়। উত্তর উত্তর কোরিয়া ও দক্ষিণ কোরিয়া। এটি ছিল উত্তর কোরিয়ার প্রতি দক্ষিণ কোরিয়ার সমঝোতা ও সহযোগিতার নীতি, যা প্রেসিডেন্ট কিম দে জুং ১৯৯৮ সালে চালু করেন।
নামটি এসেছে ঈশপের গল্প থেকে: বাতাস আর সূর্যের প্রতিযোগিতায় জোর খাটিয়ে নয়, উষ্ণতা দিয়েই সূর্য পথিকের কোট খোলাতে পারে। তেমনি চাপ নয়, সহায়তা ও যোগাযোগের মাধ্যমে উত্তর কোরিয়াকে কাছে টানাই ছিল লক্ষ্য।
এই নীতির ধারাবাহিকতায় ২০০০ সালের জুনে পিয়ংইয়ংয়ে দুই কোরিয়ার প্রথম শীর্ষ বৈঠক হয়, আর কিম দে জুং সে বছর শান্তিতে নোবেল পান। ২০০৮ সালে দক্ষিণ কোরিয়ায় নতুন সরকার আসার পর নীতিটি কার্যত শেষ হয়।
মনে রাখুন: সানশাইন মানে উষ্ণতা দিয়ে কাছে টানা: দক্ষিণ কোরিয়া থেকে উত্তর কোরিয়ার দিকে।
১৪২. BRICS কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত ব্যাংকের নাম হচ্ছে- (৪০তম বিসিএস, ২০১৯)
- কNew Development Bank ( NDB)
- খBRICS Development Bank (BDB)
- গEconomic Development Bank (EDB)
- ঘInternational Commercial Bank (ICB)
সঠিক উত্তর: ক. New Development Bank ( NDB)
প্রশ্নটা ব্রিকস জোটের গড়া ব্যাংকের নাম চায়। উত্তর নিউ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক।
২০১৪ সালের জুলাইয়ে ব্রাজিলের ফোর্তালেজায় ষষ্ঠ ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলনে ব্যাংকটির চুক্তি সই হয়, আর ২০১৫ সালে এটি কাজ শুরু করে। সদর দপ্তর চীনের সাংহাইয়ে। এর কাজ সদস্য ও অন্যান্য উন্নয়নশীল দেশে অবকাঠামো ও টেকসই উন্নয়ন প্রকল্পে ঋণ দেওয়া।
একই সম্মেলনে ব্রিকসের জরুরি রিজার্ভ ব্যবস্থাও গঠিত হয়, যা সদস্যদের লেনদেন ভারসাম্যের সংকটে সহায়তা দেয়।
পরীক্ষার পরের ঘটনা: বাংলাদেশ ২০২১ সালে এই ব্যাংকের সদস্য হয়। আর বিকল্পের ‘ব্রিকস ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক’ নামটি সবচেয়ে বিভ্রান্তিকর, কারণ নামে ব্রিকস আছে; কিন্তু আনুষ্ঠানিক নাম নিউ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক।
মনে রাখুন: ব্রিকসের ব্যাংক নিউ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক, সাংহাই; চীনের নেতৃত্বের আরেকটি ব্যাংক এআইআইবি, বেইজিং।
১৪৩. চীন নিচের কোন আফ্রিকান দেশটিতে সামরিক ঘাঁটি স্থাপনের মাধ্যমে কৌশলগত সম্পর্ক স্থাপন করেছে? (৪০তম বিসিএস, ২০১৯)
- কইথিওপিয়া
- খজাম্বিয়া
- গলাইবেরিয়া
- ঘজিবুতি
সঠিক উত্তর: ঘ. জিবুতি
প্রশ্নটা আফ্রিকায় চীনের সামরিক ঘাঁটির দেশ চায়। উত্তর জিবুতি; ২০১৭ সালের আগস্টে সেখানে চীনের প্রথম বিদেশি সামরিক ঘাঁটি আনুষ্ঠানিকভাবে চালু হয়।
জিবুতি আফ্রিকার শৃঙ্গ অঞ্চলে, বাব-এল-মান্দেব প্রণালির মুখে, যেখান দিয়ে লোহিত সাগর ও সুয়েজ খালের জাহাজপথ এডেন উপসাগর হয়ে ভারত মহাসাগরে যায়। চীন একে সহায়তা ঘাঁটি বলে, যা জলদস্যুবিরোধী টহল ও শান্তিরক্ষা মিশনে রসদ জোগায়।
এই অবস্থানের গুরুত্বের কারণেই জিবুতিতে যুক্তরাষ্ট্রের ক্যাম্প লেমোনিয়ের, ফ্রান্স ও জাপানের ঘাঁটিও আছে।
ইথিওপিয়া বিকল্পটি ফাঁদ, কারণ সেটি জিবুতির প্রতিবেশী এবং চীনা অর্থায়নে আদ্দিস আবাবা থেকে জিবুতি পর্যন্ত রেলপথও হয়েছে। কিন্তু ১৯৯৩ সালে ইরিত্রিয়ার স্বাধীনতার পর থেকে ইথিওপিয়া স্থলবেষ্টিত, নৌঘাঁটির সুযোগ নেই।
মনে রাখুন: চীনের প্রথম বিদেশি সামরিক ঘাঁটি মানে জিবুতি, ২০১৭।
১৪৪. নিচের কোন সংস্থাটির সচিবালয় বাংলাদেশে অবস্থিত ? (৪০তম বিসিএস, ২০১৯)
- কBIMSTEC
- খCICA
- গIORA
- ঘSAARC
সঠিক উত্তর: ক. BIMSTEC
প্রশ্নটা কোন সংস্থার সচিবালয় বাংলাদেশে, তা চায়। উত্তর বিমসটেক; ২০১৪ সালের সেপ্টেম্বরে ঢাকায় এর স্থায়ী সচিবালয় উদ্বোধন হয়।
বিমসটেক, মানে বহুখাতভিত্তিক কারিগরি ও অর্থনৈতিক সহযোগিতার জন্য বঙ্গোপসাগরীয় উদ্যোগ, ১৯৯৭ সালে ব্যাংককে গঠিত হয়। সদস্য সাতটি: বঙ্গোপসাগরের তীরের বাংলাদেশ, ভারত, মিয়ানমার, শ্রীলঙ্কা ও থাইল্যান্ড, আর হিমালয়ের নেপাল ও ভুটান।
অন্য সংস্থাগুলোর সচিবালয়: সার্ক নেপালের কাঠমান্ডুতে, ভারত মহাসাগরীয় দেশগুলোর জোট আইওরা মরিশাসে, আর এশিয়ায় পারস্পরিক আস্থা গঠনের সম্মেলন সিকা কাজাখস্তানে।
সার্ক বিকল্পটি ফাঁদ, কারণ সার্কের প্রতিষ্ঠা সম্মেলন হয়েছিল ঢাকায়; কিন্তু এর সচিবালয় কাঠমান্ডুতে।
মনে রাখুন: বঙ্গোপসাগরের জোট, বঙ্গোপসাগরের দেশে সচিবালয়: বিমসটেক, ঢাকা।
১৪৫. নিচের কোন সংস্থাটির স্থায়ী সদর দপ্তর নেই? (৪০তম বিসিএস, ২০১৯)
- কNATO
- খNAM
- গEU
- ঘASEAN
সঠিক উত্তর: খ. NAM
প্রশ্নটা খুঁজছে কোন সংস্থার স্থায়ী সদর দপ্তর নেই। উত্তর জোট নিরপেক্ষ আন্দোলন, সংক্ষেপে ন্যাম।
ন্যাম ১৯৬১ সালে যুগোস্লাভিয়ার বেলগ্রেডে প্রথম শীর্ষ সম্মেলনের মাধ্যমে যাত্রা শুরু করে; শীতল যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র বা সোভিয়েত, কোনো জোটে না যাওয়া দেশগুলো এর সদস্য। নেহরু, নাসের, টিটো, সুকর্ণ ও এনক্রুমা এর প্রধান উদ্যোক্তা।
ন্যামের কোনো স্থায়ী সচিবালয় নেই; যে দেশ সভাপতি থাকে, তার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ই সমন্বয় করে। পরীক্ষার সময় সভাপতি ছিল ভেনেজুয়েলা, আর ২০১৯ সালের অক্টোবরে দায়িত্ব নেয় আজারবাইজান।
ইইউ বিকল্পটি কিছুটা বিভ্রান্ত করে, কারণ এর কিছু প্রতিষ্ঠান বিভিন্ন শহরে ছড়ানো। তবে এর প্রধান প্রতিষ্ঠানগুলোর স্থায়ী দপ্তর ব্রাসেলসে।
মনে রাখুন: আন্দোলন ও অনানুষ্ঠানিক জোট, যেমন ন্যাম, ব্রিকস, জি-২০, সাধারণত সদর দপ্তরহীন।
১৪৬. জাতিসংঘ বিষয়ক আলোচনায় পি৫ (P5) বলতে কি বুঝায়? (৪০তম বিসিএস, ২০১৯)
- কনিরাপত্তা পরিষদের পাঁচটি স্থায়ী সদস্য রাষ্ট্র
- খপাঁচটি পরমাণু শক্তিধর রাষ্ট্র
- গপাঁচটি জাতিসংঘ সংস্থা
- ঘউপরের কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর: ক. নিরাপত্তা পরিষদের পাঁচটি স্থায়ী সদস্য রাষ্ট্র
প্রশ্নটা জাতিসংঘের আলোচনায় পি-ফাইভ পরিভাষার মানে চায়। পি-ফাইভ মানে পারমানেন্ট ফাইভ, অর্থাৎ নিরাপত্তা পরিষদের পাঁচ স্থায়ী সদস্য: যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, রাশিয়া ও চীন।
এরা জাতিসংঘ সনদ অনুযায়ী স্থায়ী আসন ও ভেটো ক্ষমতার অধিকারী। পদ্ধতিগত নয় এমন যেকোনো প্রস্তাবে এদের যেকোনো একটি দেশ বিপক্ষে ভোট দিলে প্রস্তাব পাস হয় না।
মজার মিল হলো, এই পাঁচ দেশই পারমাণবিক অস্ত্র বিস্তার রোধ চুক্তিতে স্বীকৃত পাঁচ পারমাণবিক অস্ত্রধারী রাষ্ট্র। তবু পরিভাষাটি এসেছে নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্যপদ থেকে; আর ভারত, পাকিস্তান, উত্তর কোরিয়ার মতো পারমাণবিক অস্ত্রধারী দেশও আছে, যারা পি-ফাইভে নেই।
তাই পারমাণবিক শক্তির বিকল্পটিই ফাঁদ: দেশ পাঁচটি এক হলেও ‘পি’ মানে পারমানেন্ট, পারমাণবিক নয়।
মনে রাখুন: পি মানে পারমানেন্ট; পি-ফাইভ মানে নিরাপত্তা পরিষদের ভেটোধারী পাঁচ।
১৪৭. মিনস্ক নিচের কোন দেশের রাজধানী? (৪০তম বিসিএস, ২০১৯)
- কতাজাকিস্তান
- খআজারবাইজান
- গপর্তুগাল
- ঘবেলারুশ
সঠিক উত্তর: ঘ. বেলারুশ
প্রশ্নটা মিনস্ক কোন দেশের রাজধানী, তা চায়। উত্তর বেলারুশ, পূর্ব ইউরোপের স্থলবেষ্টিত দেশ, যা ১৯৯১ সালে সোভিয়েত ইউনিয়ন ভাঙার পর স্বাধীন হয়।
মিনস্ক আন্তর্জাতিক খবরে আসে ইউক্রেন সংকটের কারণে: ২০১৪ ও ২০১৫ সালে পূর্ব ইউক্রেনের যুদ্ধ থামাতে এই শহরে দুটি যুদ্ধবিরতি সমঝোতা হয়, যা মিনস্ক চুক্তি নামে পরিচিত। স্বাধীন রাষ্ট্রগুলোর কমনওয়েলথ, সিআইএসের নির্বাহী দপ্তরও মিনস্কে।
অন্য বিকল্পগুলোর রাজধানী: তাজিকিস্তানের দুশানবে, আজারবাইজানের বাকু, পর্তুগালের লিসবন।
সাবেক সোভিয়েত দেশগুলোর রাজধানী সহজে গুলিয়ে যায়, তাই তাজিকিস্তান ও আজারবাইজান বিকল্পে রাখা হয়েছে। মিনস্ক চুক্তি ইউক্রেন নিয়ে হলেও শহরটি বেলারুশের, এটি মনে রাখলেই উত্তর মেলে।
মনে রাখুন: মিনস্ক চুক্তি ইউক্রেন নিয়ে, কিন্তু শহরটি বেলারুশের।
১৪৮. সর্বশেষ মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলন কোন সালের কোন মাসে অনুষ্ঠিত হয়েছে? (৪০তম বিসিএস, ২০১৯)
- কসেপ্টেম্বর, ২০১৮
- খমার্চ, ২০১৯
- গফেব্রুয়ারি , ২০১৯
- ঘডিসেম্বর , ২০১৮
- ঙকোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর: ঙ. কোনোটিই নয়
প্রশ্নটি তখনকার তথ্য অনুযায়ী; তখন সঠিক ছিল: ফেব্রুয়ারি , ২০১৯। এখন: ফেব্রুয়ারি ২০২৬ (৬২তম, ১৩–১৫ ফেব্রুয়ারি)।
প্রশ্নটা ২০১৯ সালের পরীক্ষার আগে সর্বশেষ মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলনের মাস ও সাল চায়। উত্তর ফেব্রুয়ারি ২০১৯; পঞ্চান্নতম সম্মেলনটি ১৫ থেকে ১৭ ফেব্রুয়ারি জার্মানির মিউনিখে হয়।
মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলন বৈশ্বিক নিরাপত্তা ও প্রতিরক্ষা নীতি নিয়ে বিশ্বনেতা, মন্ত্রী ও বিশেষজ্ঞদের বার্ষিক আলোচনা সভা; এর যাত্রা ১৯৬৩ সালে।
সূত্রটি সহজ: সম্মেলনটি প্রতি বছর ফেব্রুয়ারিতে হয়। তাই বিকল্পে ফেব্রুয়ারি থাকলে সেটিই আগে যাচাই করুন।
মার্চ ২০১৯ বিকল্পটি ফাঁদ, কারণ সেটি পরীক্ষার কাছাকাছি সময়; কিন্তু সম্মেলন হয়েছিল তার আগের মাসে।
মনে রাখুন: মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলন মানে প্রতি বছর ফেব্রুয়ারি।
১৪৯. কোন দেশটি ইউরোপের বাল্টিক অঞ্চলে অবস্থিত নয়? (৪০তম বিসিএস, ২০১৯)
- কফিনল্যান্ড
- খপোল্যান্ড
- গঅস্ট্রিয়া
- ঘসুইডেন
সঠিক উত্তর: গ. অস্ট্রিয়া
প্রশ্নটা জানতে চেয়েছে কোন দেশ বাল্টিক অঞ্চলের বাইরে। এখানে বাল্টিক অঞ্চল বলতে উত্তর ইউরোপের বাল্টিক সাগর ঘিরে থাকা দেশগুলোকে বোঝানো হয়েছে, শুধু এস্তোনিয়া, লাটভিয়া ও লিথুয়ানিয়া নামের তিন বাল্টিক রাষ্ট্রকে নয়।
বাল্টিক সাগরের তীরে আছে নয়টি দেশ: সুইডেন, ফিনল্যান্ড, রাশিয়া, এস্তোনিয়া, লাটভিয়া, লিথুয়ানিয়া, পোল্যান্ড, জার্মানি ও ডেনমার্ক। ফিনল্যান্ড, সুইডেন ও পোল্যান্ড তিনটিই এই তালিকায় আছে।
অস্ট্রিয়া মধ্য ইউরোপের একটি স্থলবেষ্টিত দেশ, এর কোনো সমুদ্রতীরই নেই। তাই বাল্টিক সাগরের সঙ্গে দেশটির সরাসরি কোনো সংযোগ নেই।
সাধারণ ফাঁদ হলো পোল্যান্ড। দেশটিকে অনেকে মধ্য ইউরোপের দেশ ভেবে বাদ দিতে চান, কিন্তু পোল্যান্ডের পুরো উত্তর উপকূল বাল্টিক সাগরে, আর বড় বন্দর গদানস্ক সেখানেই।
মনে রাখুন: বিকল্পের মধ্যে যে দেশের কোনো সমুদ্রতীরই নেই, সেটি বাল্টিক অঞ্চলের হতে পারে না।
১৫০. ২০২২ সালের ফিফা বিশ্বকাপ অনুষ্ঠিত হবে : (৩৮তম বিসিএস, ২০১৭)
- কদুবাই
- খসিউল
- গকাতার
- ঘবার্লিন
সঠিক উত্তর: গ. কাতার
প্রশ্নটা ২০১৭ সালে করা, তখন ২০২২ বিশ্বকাপ ছিল ভবিষ্যতের আসর। ফিফা ২০১০ সালের ডিসেম্বরে কাতারকে ২০২২ সালের আয়োজক নির্বাচন করে।
কাতারই প্রথম মধ্যপ্রাচ্য ও আরব দেশ হিসেবে বিশ্বকাপ আয়োজনের সুযোগ পায়। প্রচণ্ড গরমের কারণে আসরটি প্রথাগত জুন-জুলাইয়ের বদলে নভেম্বর-ডিসেম্বরে নেওয়া হয়।
পরীক্ষার পরের ঘটনা: ২০২২ সালের ডিসেম্বরে ফাইনালে ফ্রান্সকে হারিয়ে আর্জেন্টিনা চ্যাম্পিয়ন হয়।
দুবাই বিকল্পটি ফাঁদ, কারণ সেটিও উপসাগরীয় শহর। কিন্তু দুবাই সংযুক্ত আরব আমিরাতের, আর বিশ্বকাপের আয়োজক হয় দেশ, শহর নয়।
মনে রাখুন: ২০১৮ রাশিয়া, ২০২২ কাতার, ২০২৬ যুক্তরাষ্ট্র-কানাডা-মেক্সিকো।
১৫১. ইসলামী সহযোগিতা সংস্থা (ওআইসি) এর দাপ্তরিক ভাষার সংখ্যা হচ্ছে : (৩৮তম বিসিএস, ২০১৭)
- ক৫
- খ৩
- গ৪
- ঘ২
সঠিক উত্তর: খ. ৩
প্রশ্নটা ইসলামী সহযোগিতা সংস্থার দাপ্তরিক ভাষার সংখ্যা চায়। উত্তর তিন: আরবি, ইংরেজি ও ফরাসি।
ভাষা তিনটি সদস্যদেশগুলোর প্রধান ভাষাগোষ্ঠীর সঙ্গে মেলে: আরব বিশ্বের দেশ, ইংরেজি ব্যবহারকারী দেশ, আর সেনেগাল ও মালির মতো ফরাসিভাষী আফ্রিকান দেশ।
ওআইসি ১৯৬৯ সালে মরক্কোর রাবাতে প্রথম শীর্ষ সম্মেলনের মাধ্যমে যাত্রা শুরু করে। সদর দপ্তর সৌদি আরবের জেদ্দায়, সদস্য ৫৭টি দেশ। বাংলাদেশ ১৯৭৪ সালে সদস্য হয়।
জাতিসংঘের ছয় দাপ্তরিক ভাষার কথা মাথায় থাকলে বড় সংখ্যা বেছে নেওয়ার প্রবণতা হয়। ওআইসির ভাষা মাত্র তিনটি।
মনে রাখুন: ওআইসি: আরবি, ইংরেজি, ফরাসি, তিন ভাষা; জাতিসংঘের ছয় ভাষার সঙ্গে গুলিয়ে ফেলবেন না।
১৫২. নৈরাজ্য যে তত্ত্বের মূল উপাদান সেটি হচ্ছে: (৩৮তম বিসিএস, ২০১৭)
- কনয়া উদারতাবাদ
- খগঠনবাদ
- গবাস্তববাদ
- ঘনব্য মার্কসবাদ
সঠিক উত্তর: গ. বাস্তববাদ
প্রশ্নটা আন্তর্জাতিক সম্পর্কের তত্ত্ব নিয়ে। এখানে নৈরাজ্য মানে বিশৃঙ্খলা নয়, বরং রাষ্ট্রগুলোর উপরে কোনো কেন্দ্রীয় সরকার বা কর্তৃপক্ষ না থাকা। এই ধারণাকে যে তত্ত্ব কেন্দ্রে রাখে, তা বাস্তববাদ।
বাস্তববাদের যুক্তি: উপরে কেউ নেই বলে প্রতিটি রাষ্ট্রকে নিজের নিরাপত্তা নিজেকেই নিশ্চিত করতে হয়, তাই রাষ্ট্র ক্ষমতা ও জাতীয় স্বার্থকে সবার আগে রাখে। হ্যান্স মরগেনথাউ এবং নব্য বাস্তববাদী কেনেথ ওয়াল্টজ এই ধারার প্রধান তাত্ত্বিক।
অন্য তত্ত্বগুলো নৈরাজ্যকে ভিন্নভাবে দেখে। নয়া উদারতাবাদ নৈরাজ্য মেনে নিয়েও বলে, প্রতিষ্ঠান ও সহযোগিতা দিয়ে তা সামলানো যায়। গঠনবাদী আলেক্সান্ডার ওয়েন্ড্টের বিখ্যাত কথা, নৈরাজ্য হলো রাষ্ট্র যা বানায় তাই; অর্থাৎ এটি সামাজিকভাবে নির্মিত। নব্য মার্কসবাদ নৈরাজ্য নয়, শ্রেণি ও কেন্দ্র-প্রান্তের শোষণে জোর দেয়।
নয়া উদারতাবাদ বিকল্পটি ফাঁদ, কারণ সেটিও নৈরাজ্যের অনুমান নিয়ে শুরু করে। কিন্তু তার মূল উপাদান সহযোগিতা ও প্রতিষ্ঠান, নৈরাজ্য নয়।
মনে রাখুন: ‘নৈরাজ্য’, ‘ক্ষমতা’, ‘জাতীয় স্বার্থ’, ‘ক্ষমতার ভারসাম্য’: এই শব্দ দেখলে বাস্তববাদ।
১৫৩. সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট রোনাল্ড রিগান কর্তৃক ঘোষিত স্ট্রেটেজিক ডিফেন্স ইনিসিয়েটিভ (এস.ডি.আই) এর জনপ্রিয় নাম ছিল : (৩৮তম বিসিএস, ২০১৭)
- কথাড
- খশয়তানের সম্রাজ্যে আক্রমণ
- গতারকা যুদ্ধ
- ঘম্যাড
সঠিক উত্তর: গ. তারকা যুদ্ধ
প্রশ্নটা রোনাল্ড রিগানের কৌশলগত প্রতিরক্ষা উদ্যোগের জনপ্রিয় নাম চায়। ১৯৮৩ সালের ২৩ মার্চ ঘোষিত এই পরিকল্পনার লক্ষ্য ছিল মহাকাশ ও ভূমিভিত্তিক ব্যবস্থা দিয়ে শত্রুর পারমাণবিক ক্ষেপণাস্ত্র মাঝপথে ধ্বংস করা।
লেজার ও মহাকাশ অস্ত্রের এই কল্পবিজ্ঞানের মতো পরিকল্পনাকে সমালোচকেরা বিখ্যাত চলচ্চিত্রের নামে ‘স্টার ওয়ার্স’, মানে তারকা যুদ্ধ, বলে ডাকতে শুরু করেন; নামটিই টিকে যায়।
উদ্যোগটি ছিল ম্যাড, মানে পারস্পরিক নিশ্চিত ধ্বংসের ভারসাম্য থেকে বেরিয়ে আসার চেষ্টা। সেই ভারসাম্যে দুই পক্ষই জানে, পাল্টা আঘাতে দুজনেই ধ্বংস হবে।
‘শয়তানের সাম্রাজ্যে আক্রমণ’ বিকল্পটি ফাঁদ। ১৯৮৩ সালের মার্চেই রিগান এক ভাষণে সোভিয়েত ইউনিয়নকে ‘শয়তানের সাম্রাজ্য’ বলেছিলেন, কিন্তু সেটি ভাষণের কথা, প্রতিরক্ষা উদ্যোগের নাম নয়।
মনে রাখুন: মহাকাশে লেজার দিয়ে ক্ষেপণাস্ত্র ঠেকানোর পরিকল্পনা মানেই তারকা যুদ্ধ।
১৫৪. ২০১৫ সালে প্যারিসে অনুষ্ঠিত কপ-২১ এ কত সংখ্যক জাতি অংশগ্রহণ করেছিল? (৩৮তম বিসিএস, ২০১৭)
- ক১৯৩
- খ১৬৮
- গ১৯৯
- ঘ১৯৬
সঠিক উত্তর: ঘ. ১৯৬
প্রশ্নটা ২০১৫ সালের প্যারিস জলবায়ু সম্মেলনের অংশগ্রহণকারী পক্ষের সংখ্যা চায়। কপ মানে কনফারেন্স অব দ্য পার্টিজ, অর্থাৎ জাতিসংঘ জলবায়ু পরিবর্তন কাঠামো সনদের পক্ষগুলোর বার্ষিক সম্মেলন; প্যারিসেরটি ছিল একুশতম।
এই সম্মেলনে সনদের ১৯৬টি পক্ষ প্যারিস চুক্তি গ্রহণ করে। পক্ষ মানে কেবল দেশ নয়; আঞ্চলিক অর্থনৈতিক জোট হিসেবে ইউরোপীয় ইউনিয়নও সনদের পক্ষ।
হিসাবটা এভাবে মেলে: জাতিসংঘের ১৯৩টি সদস্যরাষ্ট্র, সঙ্গে জাতিসংঘের সদস্য নয় এমন দুই পক্ষ কুক দ্বীপপুঞ্জ ও নিউয়ে, আর ইউরোপীয় ইউনিয়ন; মোট ১৯৬।
প্যারিস চুক্তির মূল লক্ষ্য বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধি শিল্পযুগের আগের তুলনায় ২ ডিগ্রি সেলসিয়াসের যথেষ্ট নিচে রাখা, এবং ১ দশমিক ৫ ডিগ্রিতে সীমিত রাখার চেষ্টা করা।
১৯৩ বিকল্পটিই সবচেয়ে বড় ফাঁদ, কারণ এটি জাতিসংঘের সদস্যরাষ্ট্রের চেনা সংখ্যা। কিন্তু জলবায়ু সনদের পক্ষ তার চেয়ে তিনটি বেশি।
মনে রাখুন: জাতিসংঘ ১৯৩ + কুক দ্বীপপুঞ্জ ও নিউয়ে ২ + ইউরোপীয় ইউনিয়ন ১ = ১৯৬।
১৫৫. মিয়ানমারে রোহিঙ্গারা তাদের নাগরিকত্ব হারায় : (৩৮তম বিসিএস, ২০১৭)
- ক১৯৬২ সনে
- খ১৯৮৬ সনে
- গ১৯৭৮ সনে
- ঘ১৯৮২ সনে
সঠিক উত্তর: ঘ. ১৯৮২ সনে
প্রশ্নটা মিয়ানমারে রোহিঙ্গাদের নাগরিকত্ব হারানোর সাল চায়। উত্তর ১৯৮২: সে বছরের নাগরিকত্ব আইনে রাষ্ট্রস্বীকৃত জাতিগোষ্ঠীর তালিকায় রোহিঙ্গাদের রাখা হয়নি, ফলে তারা কার্যত রাষ্ট্রহীন হয়ে পড়ে।
এই আইনে পূর্ণ নাগরিকত্ব পায় মূলত সেই জাতিগোষ্ঠীগুলো, যারা ১৮২৩ সালের আগে, অর্থাৎ প্রথম ইঙ্গ-বর্মি যুদ্ধের আগে থেকে দেশে বসবাস করছে বলে রাষ্ট্র স্বীকার করে। সরকার রোহিঙ্গাদের এই তালিকার বাইরে রাখে।
আগের ধাপগুলোও জানা দরকার। ১৯৬২ সালে জেনারেল নে উইন সামরিক অভ্যুত্থানে ক্ষমতা নেন। ১৯৭৮ সালে ‘নাগামিন’ বা ড্রাগন কিং অভিযানের সময় প্রায় দুই লাখ রোহিঙ্গা বাংলাদেশে পালিয়ে আসে।
১৯৭৮ সালটি ফাঁদ: সেটি বড় শরণার্থী ঢলের বছর, কিন্তু আইন করে নাগরিকত্ব কেড়ে নেওয়া হয় চার বছর পরে।
মনে রাখুন: বাষট্টিতে সামরিক শাসন, আটাত্তরে উচ্ছেদ, বিরাশিতে নাগরিকত্ব হরণ।
১৫৬. গুয়াম-এর গভর্নরের নাম হচ্ছে : (৩৮তম বিসিএস, ২০১৭)
- কএ্যডি ক্যালভো
- খডোনাল্ড ডাক
- গরন ব্লম
- ঘগ্লেন বেক
- ঙকোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর: ঙ. কোনোটিই নয়
প্রশ্নটি তখনকার তথ্য অনুযায়ী; তখন সঠিক ছিল: এ্যডি ক্যালভো। এখন: লু লিওন গেরেরো (২০১৯ থেকে)।
প্রশ্নটা ২০১৭ সালে, পরীক্ষার সময়কার গুয়ামের গভর্নরের নাম চায়। তখন গভর্নর ছিলেন এডি ক্যালভো, যিনি ২০১১ থেকে ২০১৯ সাল পর্যন্ত দুই মেয়াদে দায়িত্বে ছিলেন।
গুয়াম পশ্চিম প্রশান্ত মহাসাগরের একটি দ্বীপ, যুক্তরাষ্ট্রের অঙ্গরাজ্য নয় এমন একটি অঞ্চল। এখানে যুক্তরাষ্ট্রের বড় সামরিক ঘাঁটি আছে।
প্রশ্নটা তখন প্রাসঙ্গিক ছিল, কারণ ২০১৭ সালের আগস্টে উত্তর কোরিয়া গুয়ামের আশপাশে ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়ার হুমকি দেয়, আর গভর্নর ক্যালভো তখন খবরে আসেন।
পরীক্ষার পরের পরিবর্তন: ২০১৯ সালে গভর্নর হন লু লিওন গেরেরো। বাকি বিকল্পের মধ্যে ডোনাল্ড ডাক কার্টুন চরিত্র, গ্লেন বেক মার্কিন টিভি উপস্থাপক, আর রন ব্লম নামে গুয়ামের কোনো গভর্নর ছিলেন না।
মনে রাখুন: গুয়ামের গভর্নর মানে দ্বীপের স্থানীয় রাজনীতিক; কার্টুন বা টিভি তারকার নাম আগে বাদ দিন।
১৫৭. অক্টোবর বিপ্লবের নেতৃত্ব দিয়েছেন : (৩৮তম বিসিএস, ২০১৭)
- ককার্ল মার্কস
- খফ্লেডরিক এঙ্গেলস
- গভি. আই. লেনিন
- ঘমাও সে তুং
সঠিক উত্তর: গ. ভি. আই. লেনিন
প্রশ্নটা ১৯১৭ সালের রুশ অক্টোবর বিপ্লবের নেতার নাম চায়। উত্তর ভ্লাদিমির ইলিচ লেনিন, বলশেভিক দলের নেতা।
বিপ্লবটি পুরোনো জুলিয়ান পঞ্জিকায় ২৫ অক্টোবর হয়েছিল বলে এর নাম অক্টোবর বিপ্লব; আধুনিক গ্রেগরীয় পঞ্জিকায় তারিখটি ৭ নভেম্বর। এতে বলশেভিকরা অস্থায়ী সরকারকে উৎখাত করে ক্ষমতা নেয়, আর পরে ১৯২২ সালে সোভিয়েত ইউনিয়ন গঠিত হয়।
বাকি নাম সময় দিয়েই বাদ দেওয়া যায়। কার্ল মার্কস মারা যান ১৮৮৩ সালে, ফ্রেডরিখ এঙ্গেলস ১৮৯৫ সালে; তাঁরা মার্কসবাদের তাত্ত্বিক, বিপ্লবের বহু আগে প্রয়াত। মাও সে তুং নেতৃত্ব দেন চীনের বিপ্লবে, যার ফলে ১৯৪৯ সালে গণচীন প্রতিষ্ঠিত হয়।
মার্কসের নাম বেছে নেওয়ার প্রবণতা আছে, কারণ বিপ্লবটি তাঁর তত্ত্বে অনুপ্রাণিত। কিন্তু তত্ত্বের জনক আর বিপ্লবের নেতা আলাদা মানুষ।
মনে রাখুন: রুশ বিপ্লব লেনিন, চীনা বিপ্লব মাও; মার্কস-এঙ্গেলস কেবল তত্ত্ব।
১৫৮. দুই বা ততোধিক প্রতিদ্বন্দ্বী বৃহৎ শক্তিসমূহের মাঝখানে অবস্থিত দেশকে বলা হয় : (৩৮তম বিসিএস, ২০১৭)
- কস্থলবেষ্টিত রাষ্ট্র
- খনিরপেক্ষ রাষ্ট্র
- গবাফার রাষ্ট্র
- ঘজিরো সাম রাষ্ট্র
সঠিক উত্তর: গ. বাফার রাষ্ট্র
প্রশ্নটা একটি সংজ্ঞা চায়। দুই বা ততোধিক প্রতিদ্বন্দ্বী বড় শক্তির মাঝখানে থাকা দেশকে বাফার রাষ্ট্র বা মধ্যবর্তী রাষ্ট্র বলে।
বাফার মানে ধাক্কা সামলানোর গদি। এমন দেশ মাঝখানে থাকায় বড় শক্তিগুলোর সীমান্ত সরাসরি মেলে না, ফলে সংঘাতের ঝুঁকি কমে। ঐতিহাসিক উদাহরণ উনিশ শতকের আফগানিস্তান, যা ব্রিটিশ ভারত ও রুশ সাম্রাজ্যের মাঝে ছিল; আজ প্রায়ই নেপালকে ভারত ও চীনের মাঝের বাফার বলা হয়।
অন্য পরিভাষাগুলো আলাদা জিনিস বোঝায়। স্থলবেষ্টিত রাষ্ট্র মানে সমুদ্রতট নেই এমন দেশ। নিরপেক্ষ রাষ্ট্র মানে যে দেশ যুদ্ধে কোনো পক্ষ নেয় না, যেমন সুইজারল্যান্ড। আর জিরো সাম হলো খেলা-তত্ত্বের ধারণা, যেখানে এক পক্ষের লাভ মানেই অন্য পক্ষের সমান ক্ষতি।
স্থলবেষ্টিত বিকল্পটি ফাঁদ, কারণ নেপাল বা আফগানিস্তানের মতো অনেক বাফার রাষ্ট্র স্থলবেষ্টিতও। কিন্তু সংজ্ঞাটি প্রতিদ্বন্দ্বী শক্তির মাঝে অবস্থান বোঝায়, সমুদ্র না থাকা নয়।
মনে রাখুন: মাঝখানের গদি মানে বাফার।
১৫৯. পিং পং এর অর্থ হচ্ছে : (৩৮তম বিসিএস, ২০১৭)
- কভলিবল
- খটেবিল টেনিস
- গবাস্কেট বল
- ঘলন টেনিস
সঠিক উত্তর: খ. টেবিল টেনিস
প্রশ্নটা পিং পং কোন খেলার আরেক নাম, তা জানতে চায়। উত্তর টেবিল টেনিস।
নামটি এসেছে খেলার শব্দ থেকে: বল টেবিলে আর র্যাকেটে লাগার আওয়াজ ‘পিং’ আর ‘পং’ শোনায়। উনিশ শতকের শেষে ইংল্যান্ডে খাবার টেবিলে টেনিসের ঘরোয়া রূপ হিসেবে খেলাটি জনপ্রিয় হয়, তাই নাম টেবিল টেনিস।
খেলাটি ১৯৮৮ সালের সিউল অলিম্পিক থেকে অলিম্পিকে আছে। আর ১৯৭১ সালে যুক্তরাষ্ট্রের টেবিল টেনিস দলের চীন সফর দুই দেশের সম্পর্কের বরফ গলাতে সাহায্য করে, যা ‘পিং পং কূটনীতি’ নামে বিখ্যাত।
লন টেনিস বিকল্পটি ফাঁদ, কারণ নামেই ‘টেনিস’ আছে। কিন্তু লন টেনিস খেলা হয় মাঠের বড় কোর্টে, টেবিলে নয়।
মনে রাখুন: শব্দ থেকে নাম: পিং পং মানে টেবিল টেনিস।
১৬০. বেল্ট ও রোড ইনিসিয়েটিভ (বি আর আই) প্রস্তাব করেছে : (৩৮তম বিসিএস, ২০১৭)
- কচীন
- খজাপান
- গভারত
- ঘআসিয়ান
সঠিক উত্তর: ক. চীন
প্রশ্নটা বেল্ট অ্যান্ড রোড উদ্যোগের প্রস্তাবক দেশের নাম চায়। উত্তর চীন; প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং ২০১৩ সালে উদ্যোগটি ঘোষণা করেন।
উদ্যোগটির দুটি অংশ। ‘বেল্ট’ মানে স্থলপথের সিল্ক রোড অর্থনৈতিক বলয়, যা শি ২০১৩ সালের সেপ্টেম্বরে কাজাখস্তানে ঘোষণা করেন। ‘রোড’ মানে একুশ শতকের সামুদ্রিক সিল্ক রোড, যা একই বছরের অক্টোবরে ইন্দোনেশিয়ায় ঘোষিত হয়। নাম শুনে উল্টো মনে হলেও বেল্ট স্থলে, রোড সাগরে।
লক্ষ্য প্রাচীন সিল্ক রোডের আদলে এশিয়া, ইউরোপ ও আফ্রিকাজুড়ে সড়ক, রেল, বন্দর ও জ্বালানি অবকাঠামো গড়ে চীনের সঙ্গে সংযোগ বাড়ানো। বাংলাদেশ ২০১৬ সালের অক্টোবরে শি জিনপিংয়ের ঢাকা সফরের সময় এই উদ্যোগে যুক্ত হয়।
ভারত বিকল্পটি ভুল; ভারত বরং উদ্যোগটির বিরোধিতা করে, কারণ এর অংশ চীন-পাকিস্তান অর্থনৈতিক করিডোর পাকিস্তান-নিয়ন্ত্রিত কাশ্মীরের মধ্য দিয়ে গেছে।
মনে রাখুন: সিল্ক রোড শুনলেই চীন: বেল্ট স্থলে, রোড সাগরে।