সাধারণ বিজ্ঞান · পাতা ২
২১. What scientific theory proposed that Earth revolves around the sun? (সমন্বিত ৯ ব্যাংক ও ২ আর্থিক প্রতিষ্ঠান: সিনিয়র অফিসার, ২০২৫)
- কHeliocentrism
- খPlanetology
- গCosmology
- ঘSolaristry
সঠিক উত্তর: ক. Heliocentrism
প্রশ্নটা সূর্যকেন্দ্রিক মতবাদের নাম যাচাই করছে। যে তত্ত্ব বলে সূর্য কেন্দ্রে আর পৃথিবীসহ গ্রহগুলো তার চারদিকে ঘোরে, তাকে বলে Heliocentrism; গ্রিক helios মানে সূর্য।
এর আগে টলেমির Geocentrism বা ভূকেন্দ্রিক মতবাদ চালু ছিল, যেখানে পৃথিবীকে কেন্দ্র ধরা হতো। ১৫৪৩ সালে নিকোলাস কোপার্নিকাস তাঁর বইয়ে সূর্যকেন্দ্রিক মডেল উপস্থাপন করেন।
পরে গ্যালিলিও দূরবীন দিয়ে পর্যবেক্ষণ করে আর কেপলার গ্রহের উপবৃত্তাকার কক্ষপথের সূত্র দিয়ে এই মতবাদকে শক্ত ভিত্তি দেন।
Cosmology হলো গোটা মহাবিশ্বের উৎপত্তি ও গঠনের বিজ্ঞান, আর Planetology গ্রহবিজ্ঞান; এরা বিষয়ের নাম, নির্দিষ্ট তত্ত্ব নয়।
মনে রাখুন: Helio = সূর্য, Geo = পৃথিবী; কেন্দ্রে যে, নাম তার।
২২. What is the rarest and most expensive spice in the world by weight? (সমন্বিত ৯ ব্যাংক ও ২ আর্থিক প্রতিষ্ঠান: সিনিয়র অফিসার, ২০২৫)
- কSaffron
- খAsafoetida
- গFenugreek
- ঘAnis
সঠিক উত্তর: ক. Saffron
প্রশ্নটা ওজনের হিসাবে বিশ্বের সবচেয়ে দামি মসলা জানতে চায়। উত্তর জাফরান, ইংরেজিতে Saffron।
জাফরান আসে Crocus sativus ফুলের গর্ভমুণ্ড থেকে। প্রতিটি ফুলে মাত্র ৩টি সুতার মতো অংশ থাকে, আর সেগুলো হাতে তুলতে হয়। এক কেজি জাফরানের জন্য লাখের বেশি ফুল লাগে, তাই দাম এত বেশি।
ইরান বিশ্বের সবচেয়ে বেশি জাফরান উৎপাদন করে; ভারতের কাশ্মীর, স্পেনেও চাষ হয়।
হিং বা Asafoetida তীব্র গন্ধের জন্য পরিচিত, কিন্তু সস্তা। মেথি বা Fenugreek আর অ্যানিস খুবই সাধারণ মসলা।
মনে রাখুন: সবচেয়ে দামি মসলা জাফরান; দ্বিতীয় দামি হিসেবে প্রায়ই ভ্যানিলার নাম আসে।
২৩. What's the term for animals that maintain a constant body temperature? (সমন্বিত ৯ ব্যাংক ও ২ আর্থিক প্রতিষ্ঠান: সিনিয়র অফিসার, ২০২৫)
- কSaola
- খVaquita
- গEndotherms
- ঘRhinoceros
সঠিক উত্তর: গ. Endotherms
প্রশ্নটা জানতে চায় যেসব প্রাণী পরিবেশ যেমনই হোক নিজের দেহের তাপমাত্রা স্থির রাখে, তাদের কী বলে। উত্তর Endotherms, বাংলায় উষ্ণরক্ত বা সমতাপী প্রাণী।
Endo মানে ভেতর, therm মানে তাপ। এরা খাদ্য বিপাক করে ভেতরেই তাপ তৈরি করে; যেমন পাখি ও স্তন্যপায়ী, মানুষের দেহতাপ প্রায় ৩৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
এর উল্টো Ectotherms বা শীতলরক্ত প্রাণী, যেমন মাছ, ব্যাঙ, সাপ; এরা বাইরের তাপের উপর নির্ভর করে, তাই রোদ পোহায়।
বাকি তিনটি অপশন প্রাণীর নাম, কোনো শ্রেণির নাম নয়: Saola লাওস-ভিয়েতনামের বিরল গবাদিজাতীয় প্রাণী, Vaquita মেক্সিকোর ক্যালিফোর্নিয়া উপসাগরের ক্ষুদ্র পরপয়েস, আর গন্ডার। এরা স্তন্যপায়ী বলে নিজেরাও endotherm, কিন্তু শব্দটার নাম নয়।
মনে রাখুন: অপশনের মধ্যে একটাই বিজ্ঞানের পরিভাষা, বাকিগুলো প্রাণীর নাম; তাই এক নজরে উত্তর।
২৪. What is the name of world's first artificial satellite? (সমন্বিত ৯ ব্যাংক ও ২ আর্থিক প্রতিষ্ঠান: সিনিয়র অফিসার, ২০২৫)
- কPROBA
- খSputnik 1
- গPalapa A1
- ঘExplorer 1
সঠিক উত্তর: খ. Sputnik 1
প্রশ্নটা বিশ্বের প্রথম কৃত্রিম উপগ্রহের নাম জানতে চায়। উত্তর Sputnik 1, যা সোভিয়েত ইউনিয়ন ১৯৫৭ সালের ৪ অক্টোবর উৎক্ষেপণ করে।
এটি ছিল ছোট একটি ধাতব গোলক, চারটি অ্যান্টেনাসহ, যা রেডিও সংকেত পাঠাত। এর উৎক্ষেপণ দিয়ে মহাকাশ যুগ ও যুক্তরাষ্ট্র-সোভিয়েত মহাকাশ প্রতিযোগিতা শুরু হয়।
জবাবে যুক্তরাষ্ট্র ১৯৫৮ সালের জানুয়ারিতে তাদের প্রথম উপগ্রহ Explorer 1 পাঠায়। Palapa A1 ইন্দোনেশিয়ার প্রথম যোগাযোগ উপগ্রহ, ১৯৭৬ সালে; PROBA ইউরোপীয় মহাকাশ সংস্থার ছোট পরীক্ষামূলক উপগ্রহ, ২০০১ সালে।
ফাঁদ হলো Explorer 1: এটি যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম উপগ্রহ, বিশ্বের প্রথম নয়। আর বাংলাদেশের প্রথম উপগ্রহ বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১, ২০১৮ সালে।
মনে রাখুন: প্রথম উপগ্রহ Sputnik 1 (১৯৫৭), প্রথম প্রাণী নিয়ে Sputnik 2 (কুকুর লাইকা), প্রথম মানুষ ইউরি গাগারিন (১৯৬১)।
২৫. What is the chemical symbol for gold? (সমন্বিত ৫ ব্যাংক ও ১ আর্থিক প্রতিষ্ঠান: অফিসার, ক্যাশ) (২০২৫)
- কAu
- খAg
- গGa
- ঘGe
সঠিক উত্তর: ক. Au
প্রশ্নটা মৌলের রাসায়নিক প্রতীক যাচাই করছে। সোনার প্রতীক Au, যা এসেছে সোনার লাতিন নাম Aurum থেকে।
কিছু মৌলের প্রতীক ইংরেজি নাম থেকে নয়, লাতিন নাম থেকে এসেছে। যেমন রুপা Ag এসেছে Argentum থেকে, লোহা Fe এসেছে Ferrum থেকে, আর সোডিয়াম Na এসেছে Natrium থেকে।
Ga হলো গ্যালিয়াম, একটি ধাতু যা হাতের তালুর তাপেই গলে যায়। Ge হলো জার্মেনিয়াম, একটি অর্ধপরিবাহী মৌল।
সোনা আর রুপা দুটোই মূল্যবান ধাতু, আর ইংরেজি Gold-এর G দেখে Ga বা Ge ভাবাও সাধারণ ভুল। কিন্তু প্রতীক এসেছে লাতিন থেকে।
মনে রাখুন: লাতিন-নামের প্রতীক জোড়ায় মুখস্থ: Au সোনা, Ag রুপা, Fe লোহা, Cu তামা, Pb সিসা, Na সোডিয়াম, K পটাশিয়াম।
২৬. তরঙ্গের বেলায় কোন্টি সত্য? (৪৭তম বিসিএস, ২০২৫)
- কতড়িৎ চৌম্বকতরঙ্গ আলোর বেগে গমন করে
- খশব্দতরঙ্গ একধরনের তড়িৎ চৌম্বকতরঙ্গ
- গসকল তরঙ্গেই প্রতিফলন-প্রতিসরণ হয় না
- ঘতরঙ্গবেগ হলো এর কম্পাঙ্ক ও তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের অনুপাত
সঠিক উত্তর: ক. তড়িৎ চৌম্বকতরঙ্গ আলোর বেগে গমন করে
প্রশ্নটি তরঙ্গ সম্পর্কে চারটি বিবৃতির মধ্যে সত্যটি বেছে নিতে বলছে। সত্য হলো: তড়িৎচৌম্বক তরঙ্গ আলোর বেগে চলে।
আলো নিজেই একটি তড়িৎচৌম্বক তরঙ্গ। রেডিও, মাইক্রোওয়েভ, অবলোহিত, অতিবেগুনি, এক্সরে, গামা সব তড়িৎচৌম্বক তরঙ্গই শূন্য মাধ্যমে একই বেগে চলে, সেকেন্ডে প্রায় তিন লাখ কিলোমিটার। এরা মাধ্যম ছাড়াও চলতে পারে।
শব্দ তড়িৎচৌম্বক তরঙ্গ নয়, এটি যান্ত্রিক তরঙ্গ; চলতে বাতাস, পানি বা কঠিনের মতো মাধ্যম লাগে, তাই মহাশূন্যে শব্দ যায় না। সব তরঙ্গেরই প্রতিফলন ও প্রতিসরণ হয়, যেমন শব্দের প্রতিধ্বনি। আর তরঙ্গবেগ সমান কম্পাঙ্ক গুণ তরঙ্গদৈর্ঘ্য, অনুপাত নয়।
ফাঁদ হলো শেষ বিকল্পটি; কম্পাঙ্ক ও তরঙ্গদৈর্ঘ্য দুটোই আছে বলে ঠিক মনে হয়, কিন্তু সম্পর্কটা গুণফল।
মনে রাখুন: তরঙ্গবেগ সবসময় কম্পাঙ্ক গুণ তরঙ্গদৈর্ঘ্য।
২৭. হিগের কণার (Higgs Particle) প্রকৃতির সাথে কোন বাংলাদেশি বিজ্ঞানীর নাম জড়িয়ে আছে? (৪৭তম বিসিএস, ২০২৫)
- কস্যার জগদীশ চন্দ্র বসু
- খসত্যেন্দ্র নাথ বসু
- গপ্রফেসর জামাল নজরুল ইসলাম
- ঘড. কুদরত-ই-খুদা
সঠিক উত্তর: খ. সত্যেন্দ্র নাথ বসু
প্রশ্নটি হিগস কণার নামের সঙ্গে জড়িত বাঙালি বিজ্ঞানীর নাম জানতে চাইছে। হিগস কণাকে বলা হয় হিগস বোসন, আর বোসন শব্দটি এসেছে সত্যেন্দ্রনাথ বসুর নাম থেকে।
১৯২৪ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পদার্থবিজ্ঞান পড়ানোর সময় সত্যেন্দ্রনাথ বসু আলোর কণা গোনার একটি নতুন পরিসংখ্যান পদ্ধতি বের করে আইনস্টাইনের কাছে পাঠান। আইনস্টাইন তা অনুবাদ করে প্রকাশ করেন এবং আরও বিস্তৃত করেন। এটিই বসু-আইনস্টাইন পরিসংখ্যান, আর যেসব কণা এই নিয়ম মানে তাদের বলা হয় বোসন।
পূর্ণসংখ্যার স্পিনের কণা বোসন, যেমন আলোর কণা ফোটন। হিগস কণাও বোসন। ১৯৬৪ সালে পিটার হিগসসহ কয়েকজন বিজ্ঞানী এর ধারণা দেন, ২০১২ সালে সার্নের গবেষণাগারে এটি শনাক্ত হয়, এবং ২০১৩ সালে পিটার হিগস ও ফ্রাঁসোয়া এংলার্ট নোবেল পান।
ফাঁদ হলো জগদীশচন্দ্র বসু, কারণ পদবি একই। জগদীশচন্দ্র বেতার তরঙ্গ ও উদ্ভিদের সংবেদনশীলতা নিয়ে কাজ করেছেন, বোসন তাঁর নামে নয়।
মনে রাখুন: বোসন শব্দেই উত্তর: বসু, অর্থাৎ সত্যেন্দ্রনাথ বসু।
২৮. কোন্ গ্যাস গ্রিন হাউস ইফেক্ট ঘটায়? (৪৭তম বিসিএস, ২০২৫)
- কহাইড্রোজেন
- খনাইট্রোজেন
- গঅক্সিজেন
- ঘমিথেন
সঠিক উত্তর: ঘ. মিথেন
প্রশ্নটি চারটি গ্যাসের মধ্যে গ্রিনহাউস প্রভাব ঘটায় কোনটি তা জানতে চাইছে। উত্তর মিথেন।
গ্রিনহাউস গ্যাস সূর্যের আলো পৃথিবীতে আসতে দেয়, কিন্তু উত্তপ্ত পৃথিবী যে অবলোহিত তাপ ফেরত পাঠায় তা শোষণ করে আটকে রাখে। তিন বা বেশি পরমাণুর অণু, যেমন মিথেন, কার্বন ডাইঅক্সাইড ও জলীয় বাষ্প, কম্পনের মাধ্যমে এই তাপ শোষণ করতে পারে।
হাইড্রোজেন, নাইট্রোজেন ও অক্সিজেন একই রকম দুটি পরমাণুর অণু। এদের কম্পনে অবলোহিত রশ্মি শোষিত হয় না, তাই এরা গ্রিনহাউস গ্যাস নয়, যদিও বাতাসের বেশির ভাগ নাইট্রোজেন ও অক্সিজেন।
মিথেন আসে ধানক্ষেত, গবাদিপশুর হজম, জলাভূমি ও আবর্জনার স্তূপ থেকে। একই পরিমাণে এটি কার্বন ডাইঅক্সাইডের চেয়ে অনেক বেশি তাপ আটকায়।
মনে রাখুন: একই রকম দুই পরমাণুর গ্যাস গ্রিনহাউস নয়; বহু পরমাণুর গ্যাস হয়।
২৯. বিরল ভূতল খনিজ (Rare-Earth Minerals) সম্পর্কিত কোন তথ্যটি সঠিক? (৪৭তম বিসিএস, ২০২৫)
- কএর মধ্যে ১৫টি ধাতু রয়েছে
- খলিথিয়াম এই খনিজের মধ্যে অন্যতম সদস্য
- গএর অসাধারণ চৌম্বক ধর্ম রয়েছে
- ঘইউক্রেন এ খনিজ উৎপাদনে শীর্ষ অবস্থানে আছে
সঠিক উত্তর: গ. এর অসাধারণ চৌম্বক ধর্ম রয়েছে
প্রশ্নটি বিরল মৃত্তিকা উপাদান সম্পর্কে সঠিক তথ্য বেছে নিতে বলছে। সঠিক হলো: এদের অসাধারণ চৌম্বক ধর্ম রয়েছে।
বিরল মৃত্তিকা উপাদান মোট সতেরোটি: পনেরোটি ল্যান্থানাইড, সঙ্গে স্ক্যান্ডিয়াম ও ইট্রিয়াম। নিওডিমিয়াম, লোহা ও বোরনের সংকর দিয়ে জানা সবচেয়ে শক্তিশালী স্থায়ী চুম্বক তৈরি হয়, আর সামারিয়াম-কোবাল্ট চুম্বক উচ্চ তাপেও শক্তি ধরে রাখে।
এই চুম্বক বৈদ্যুতিক গাড়ির মোটর, বায়ুকল, হার্ডডিস্ক, স্মার্টফোন ও হেডফোনে লাগে। তাই এদের কৌশলগত খনিজ বলা হয়। উৎপাদন ও পরিশোধনে বিশ্বে শীর্ষে চীন।
ফাঁদ হলো পনেরোটি ধাতু, কারণ ল্যান্থানাইড পনেরোটি; কিন্তু পুরো দলে সতেরোটি। লিথিয়াম ব্যাটারির জন্য গুরুত্বপূর্ণ হলেও এটি ক্ষার ধাতু, বিরল মৃত্তিকা নয়। আর শীর্ষ উৎপাদক ইউক্রেন নয়, চীন।
মনে রাখুন: বিরল মৃত্তিকা: সতেরোটি, চুম্বকে বিখ্যাত, চীন শীর্ষে।
৩০. কোন ধাতু পানিতে ফেললে আগুন ধরে যায়? (৪৭তম বিসিএস, ২০২৫)
- কসোডিয়াম
- খম্যাগনেসিয়াম
- গরেডিয়াম
- ঘইউরেনিয়াম
সঠিক উত্তর: ক. সোডিয়াম
প্রশ্নটি কোন ধাতু পানিতে ফেললে আগুন ধরে যায় তা জানতে চাইছে। উত্তর সোডিয়াম।
সোডিয়াম একটি অত্যন্ত সক্রিয় ক্ষার ধাতু। পানিতে পড়লেই তীব্র বিক্রিয়ায় সোডিয়াম হাইড্রক্সাইড ও হাইড্রোজেন গ্যাস তৈরি হয় এবং প্রচুর তাপ বের হয়। সেই তাপে হাইড্রোজেন বাতাসের অক্সিজেনের সঙ্গে জ্বলে উঠতে পারে; পটাশিয়ামে এটি আরও সহজে ঘটে।
এই কারণে সোডিয়াম ও পটাশিয়াম কেরোসিনের নিচে রাখা হয়, যাতে বাতাসের জলীয় বাষ্প বা অক্সিজেনের সংস্পর্শে না আসে।
ম্যাগনেসিয়াম ঠান্ডা পানিতে খুব ধীরে বিক্রিয়া করে, তবে বাতাসে উজ্জ্বল সাদা শিখায় জ্বলে বলে অনেকে ভুল করেন। রেডিয়াম ও ইউরেনিয়াম মূলত তেজস্ক্রিয় মৌল হিসেবে পরিচিত, পানিতে আগুন ধরার উদাহরণ হিসেবে নয়।
মনে রাখুন: পানিতে আগুন: সোডিয়াম, পটাশিয়াম; সংরক্ষণ কেরোসিনে।
৩১. EPI-এর পূর্ণরূপ কী? (৪৭তম বিসিএস, ২০২৫)
- কExtended Program on immunization
- খExpanded program on immunization
- গEssential polio immunization
- ঘExtended pediatric immunization
সঠিক উত্তর: খ. Expanded program on immunization
প্রশ্নটি ইপিআই কর্মসূচির ইংরেজি পূর্ণরূপ জানতে চাইছে। এর পূর্ণরূপ এক্সপান্ডেড প্রোগ্রাম অন ইমিউনাইজেশন, বাংলায় সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচি।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ১৯৭৪ সালে এই কর্মসূচি চালু করে, যাতে সব শিশু প্রাণঘাতী সংক্রামক রোগের টিকা পায়। এক্সপান্ডেড বা সম্প্রসারিত মানে, গুটিবসন্ত নির্মূল কর্মসূচির অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে টিকাদান আরও অনেক রোগ ও সব শিশুর কাছে ছড়িয়ে দেওয়া।
বাংলাদেশে ইপিআই আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয় ১৯৭৯ সালের ৭ এপ্রিল, বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবসে। এর মাধ্যমে যক্ষ্মা, পোলিও, ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি, ধনুষ্টংকার, হাম ইত্যাদি রোগের টিকা দেওয়া হয়, এবং এটি দেশের অন্যতম সফল জনস্বাস্থ্য কর্মসূচি।
ফাঁদ হলো এক্সটেন্ডেড শব্দটি, যা দেখতে ও অর্থে কাছাকাছি। কিন্তু বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার দেওয়া নামে শব্দটি এক্সপান্ডেড।
মনে রাখুন: ইপিআই-এর ই হলো এক্সপান্ডেড, এক্সটেন্ডেড নয়।
৩২. কোন স্পেস টেলিস্কোপ ২০২১ সালে হাবল টেলিস্কোপের স্থলাভিষিক্ত হয়? (৪৭তম বিসিএস, ২০২৫)
- কজেমস ওয়েব
- খপাথ ফাইন্ডার
- গস্পিটজার
- ঘজন কেপলার
সঠিক উত্তর: ক. জেমস ওয়েব
প্রশ্নটি ২০২১ সালে হাবল টেলিস্কোপের উত্তরসূরি হিসেবে কোন মহাকাশ টেলিস্কোপ পাঠানো হয় তা জানতে চাইছে। উত্তর জেমস ওয়েব স্পেস টেলিস্কোপ।
হাবল উৎক্ষেপিত হয় ১৯৯০ সালে। নাসা, ইউরোপীয় ও কানাডীয় মহাকাশ সংস্থার যৌথ প্রকল্প জেমস ওয়েব ২০২১ সালের ২৫ ডিসেম্বর উৎক্ষেপণ করা হয়। এর প্রধান আয়না সাড়ে ছয় মিটার চওড়া, হাবলের চেয়ে অনেক বড়।
হাবল এখনো সচল, তাই স্থলাভিষিক্ত মানে উত্তরসূরি। ওয়েব মূলত অবলোহিত আলোয় কাজ করে এবং মহাবিশ্বের প্রথম দিকের ছায়াপথ দেখতে পারে।
অন্য নামগুলো ভিন্ন মিশন। স্পিটজার ছিল ২০০৩ সালের অবলোহিত টেলিস্কোপ, কেপলার ২০০৯ সালে গ্রহ খোঁজার টেলিস্কোপ, আর পাথফাইন্ডার ছিল মঙ্গলগ্রহে পাঠানো অবতরণযান।
মনে রাখুন: হাবল ১৯৯০, ওয়েব ২০২১: বড়দিনে উৎক্ষেপণ।
৩৩. ইথার সম্বন্ধে কোনটি মিথ্যা? (৪৭তম বিসিএস, ২০২৫)
- কএটি একটি রাসায়নিক তরল পদার্থ
- খএটি একটি কাল্পনিক মাধ্যম যা মহাবিশ্বে সর্বত্র বিরাজমান ছিল
- গএ মাধ্যম ছাড়া তাড়িৎ চৌম্বক তরঙ্গ সঞ্চালন সম্ভব নয়
- ঘএ কাল্পনিক মাধ্যমটির স্থিতিস্থাপক ধর্ম ছিলো
সঠিক উত্তর: গ. এ মাধ্যম ছাড়া তাড়িৎ চৌম্বক তরঙ্গ সঞ্চালন সম্ভব নয়
প্রশ্নটি পদার্থবিজ্ঞানের কল্পিত মাধ্যম ইথার সম্পর্কে মিথ্যা বিবৃতিটি খুঁজতে বলছে। মিথ্যা হলো: এ মাধ্যম ছাড়া তড়িৎচৌম্বক তরঙ্গ সঞ্চালন সম্ভব নয়।
উনিশ শতকে বিজ্ঞানীরা ভাবতেন শব্দের যেমন বাতাস লাগে, আলোরও তেমন একটি মাধ্যম লাগবে। তাই তাঁরা কল্পনা করেন মহাবিশ্বে সর্বত্র বিরাজমান, স্থিতিস্থাপক এক মাধ্যম, নাম ইথার।
১৮৮৭ সালে মাইকেলসন ও মর্লির পরীক্ষায় ইথারের কোনো প্রভাব পাওয়া যায়নি। পরে ১৯০৫ সালে আইনস্টাইনের বিশেষ আপেক্ষিকতা তত্ত্ব দেখায় যে আলো বা তড়িৎচৌম্বক তরঙ্গ শূন্য মাধ্যমেই চলতে পারে। তাই ইথার ছাড়া সঞ্চালন অসম্ভব, এই দাবিটি মিথ্যা। বিকল্পে ছাপা তাড়িৎ বানানটি ভুল; প্রমিত বানান তড়িৎ।
সাবধানতা: রসায়নে ইথার নামে সত্যিই একটি উদ্বায়ী তরল আছে, যা একসময় অজ্ঞান করার ওষুধ হিসেবে ব্যবহৃত হতো। তাই প্রথম বিবৃতিটি রসায়নের অর্থে সত্য, আর বাকি দুটি কল্পিত ইথারের ঐতিহাসিক ধারণা হিসেবে সত্য।
মনে রাখুন: তড়িৎচৌম্বক তরঙ্গের মাধ্যম লাগে না; লাগে বললেই মিথ্যা।
৩৪. আল্ট্রাসনোগ্রাফিতে ব্যবহৃত শব্দের কম্পাঙ্ক কত? (৪৭তম বিসিএস, ২০২৫)
- ক০.০১-০১ মেগাহার্জ
- খ০১-১০ মেগাহার্জ
- গ১০-২০ মেগাহার্জ
- ঘ২০-৩০ মেগাহার্জ
সঠিক উত্তর: খ. ০১-১০ মেগাহার্জ
প্রশ্নটি আল্ট্রাসনোগ্রাফিতে ব্যবহৃত শব্দের কম্পাঙ্ক জানতে চাইছে। বিকল্পগুলোর মধ্যে সঠিক পরিসর এক থেকে দশ মেগাহার্জ।
মানুষ বিশ হার্জ থেকে বিশ হাজার হার্জ পর্যন্ত শব্দ শুনতে পায়। বিশ হাজার হার্জের বেশি কম্পাঙ্কের শব্দ হলো শব্দোত্তর বা আল্ট্রাসাউন্ড। এক মেগাহার্জ মানে দশ লাখ হার্জ, তাই চিকিৎসার আল্ট্রাসাউন্ড শ্রাব্য সীমার চেয়ে বহু গুণ উঁচু।
যন্ত্রের প্রোব দেহে শব্দ পাঠায়, বিভিন্ন টিস্যু থেকে প্রতিধ্বনি ফিরে এলে কম্পিউটার তা দিয়ে ছবি বানায়। কম কম্পাঙ্ক, যেমন তিন থেকে পাঁচ মেগাহার্জ, গভীরে যায়, তাই পেট ও গর্ভের পরীক্ষায় লাগে। বেশি কম্পাঙ্ক অগভীর অংশের সূক্ষ্ম ছবি দেয়, যেমন থাইরয়েড। সাধারণ পরীক্ষার বেশির ভাগই এক থেকে দশ মেগাহার্জের মধ্যে।
ফাঁদ হলো বেশি কম্পাঙ্কের বিকল্পগুলো। খুব বেশি কম্পাঙ্ক দেহের গভীরে পৌঁছাতে পারে না, তাই সাধারণ পরীক্ষায় বিশ থেকে ত্রিশ মেগাহার্জ ব্যবহৃত হয় না।
মনে রাখুন: আল্ট্রাসনোগ্রাফি: এক থেকে দশ মেগাহার্জ।
৩৫. কোনটি শরীরে নাইট্রোজেন সরবরাহ করে? (৪৭তম বিসিএস, ২০২৫)
- কখনিজ লবণ
- খভিটামিন
- গস্নেহ
- ঘআমিষ
সঠিক উত্তর: ঘ. আমিষ
প্রশ্নটি খাদ্যের কোন উপাদান শরীরে নাইট্রোজেন সরবরাহ করে তা জানতে চাইছে। উত্তর আমিষ বা প্রোটিন।
আমিষ অ্যামাইনো এসিড দিয়ে গঠিত, আর প্রতিটি অ্যামাইনো এসিডে একটি অ্যামাইনো মূলক থাকে, যার মূল উপাদান নাইট্রোজেন। শর্করা ও স্নেহে মূলত কার্বন, হাইড্রোজেন ও অক্সিজেন থাকে, নাইট্রোজেন থাকে না।
দেহ এই নাইট্রোজেন দিয়ে নতুন প্রোটিন, এনজাইম, হরমোন এমনকি ডিএনএ-র ক্ষারক তৈরি করে। বাড়তি নাইট্রোজেন ইউরিয়া হয়ে প্রস্রাবের সঙ্গে বের হয়ে যায়। মাছ, মাংস, ডিম, ডাল আমিষের ভালো উৎস।
কিছু ভিটামিনে নাইট্রোজেন থাকলেও তা খুব সামান্য পরিমাণে লাগে, নাইট্রোজেনের উৎস হিসেবে গণ্য নয়। খনিজ লবণ ক্যালসিয়াম, লোহা ইত্যাদি সরবরাহ করে।
মনে রাখুন: নাইট্রোজেন মানেই অ্যামাইনো এসিড, অর্থাৎ আমিষ।
৩৬. হাইড্রোজেন বোমায় ক্রিয়া করে- (৪৭তম বিসিএস, ২০২৫)
- কফিশন বিক্রিয়া
- খফিউশন বিক্রিয়া
- গফিশন ও ফিউশন উভয়টিই
- ঘসাধারণ রাসায়নিক বিক্রিয়া
সঠিক উত্তর: গ. ফিশন ও ফিউশন উভয়টিই
প্রশ্নটি হাইড্রোজেন বোমায় কোন নিউক্লীয় বিক্রিয়া ঘটে তা জানতে চাইছে। উত্তর ফিশন ও ফিউশন উভয়ই, কারণ তাপনিউক্লীয় বোমার নকশায় দুটি বিক্রিয়াই পরপর ঘটে।
হাইড্রোজেন বোমার মূল শক্তি আসে ফিউশন থেকে: হাইড্রোজেনের ভারী আইসোটোপ ডিউটেরিয়াম ও ট্রিটিয়াম জুড়ে হিলিয়াম হয় এবং বিপুল শক্তি বের হয়। কিন্তু ফিউশন শুরু করতে কোটি ডিগ্রি তাপমাত্রা ও প্রচণ্ড চাপ দরকার।
সেই তাপ ও চাপ তৈরি করতে প্রথম ধাপে একটি ফিশন বোমা, অর্থাৎ ইউরেনিয়াম বা প্লুটোনিয়ামের বিভাজন, বিস্ফোরিত হয়। তারপর দ্বিতীয় ধাপে ফিউশন ঘটে। তাই হাইড্রোজেন বোমায় দুটি বিক্রিয়াই কাজ করে। পরমাণু বোমা বা অ্যাটম বোমায় শুধু ফিশন।
ফাঁদ হলো শুধু ফিউশন বেছে নেওয়া। অনেক পাঠ্যবই সংক্ষেপে শুধু ফিউশন লেখে, কারণ মূল শক্তি ফিউশনের; কিন্তু দুটি বিকল্পই থাকলে উভয়টিই বেশি নিখুঁত।
মনে রাখুন: পরমাণু বোমা শুধু ফিশন; হাইড্রোজেন বোমা ফিশন দিয়ে জ্বালানো ফিউশন।
৩৭. কোন গ্রহে 'Curiosity' মহাকাশযানটি প্রেরণ করা হয়? (৪৭তম বিসিএস, ২০২৫)
- কশনি
- খমঙ্গল
- গবৃহস্পতি
- ঘইউরেনাস
সঠিক উত্তর: খ. মঙ্গল
প্রশ্নটি কিউরিওসিটি মহাকাশযান কোন গ্রহে পাঠানো হয় তা জানতে চাইছে। উত্তর মঙ্গল।
কিউরিওসিটি নাসার মার্স সায়েন্স ল্যাবরেটরি মিশনের একটি গাড়ির আকারের রোভার। ২০১১ সালের ২৬ নভেম্বর উৎক্ষেপণের পর এটি ২০১২ সালের আগস্টে মঙ্গলের গেল খাদে অবতরণ করে।
এর কাজ ছিল জানা যে মঙ্গলে কখনো অণুজীব বাঁচার মতো পরিবেশ ছিল কি না। এটি প্রমাণ পেয়েছে যে গেল খাদে একসময় হ্রদ ও প্রবাহিত পানি ছিল। পরে ২০২১ সালে আরেকটি রোভার, পারসিভিয়ারেন্স, মঙ্গলে নামে।
শনি, বৃহস্পতি ও ইউরেনাস গ্যাসীয় গ্রহ, যাদের শক্ত পৃষ্ঠে রোভার নামানোর সুযোগ নেই; এসব গ্রহে কাসিনি, জুনো, ভয়েজারের মতো মহাকাশযান পাঠানো হয়েছে।
মনে রাখুন: রোভার মানেই মঙ্গল: কিউরিওসিটি, পারসিভিয়ারেন্স।
৩৮. ফিটকিরিতে কত অণু পানি থাকে? (৪৭তম বিসিএস, ২০২৫)
- ক২৪
- খ১৫
- গ০৭
- ঘ০৫
সঠিক উত্তর: ক. ২৪
প্রশ্নটি ফিটকিরির কেলাসে কত অণু পানি থাকে তা জানতে চাইছে। উত্তর চব্বিশ অণু।
ফিটকিরি বা পটাশ অ্যালাম একটি দ্বিলবণ: পটাশিয়াম সালফেট ও অ্যালুমিনিয়াম সালফেট মিলে তৈরি। এর পূর্ণ সংকেতে এক অণু পটাশিয়াম সালফেট, এক অণু অ্যালুমিনিয়াম সালফেট এবং চব্বিশ অণু কেলাস পানি থাকে।
সংকেতটি অর্ধেক করে প্রতি একটি পটাশিয়াম ও একটি অ্যালুমিনিয়ামের হিসাবেও লেখা যায়; তখন পানির অণু বারোটি দেখায়। কিন্তু প্রচলিত পূর্ণ সংকেতে চব্বিশ।
ফিটকিরি ঘোলা পানির ময়লা কণাকে জমাট বাঁধিয়ে তলায় বসিয়ে দেয়, তাই পানি বিশুদ্ধকরণে ব্যবহৃত হয়। কাটা জায়গায় রক্ত থামাতে ও দাড়ি কামানোর পরেও এটি লাগানো হয়।
মনে রাখুন: ফিটকিরি চব্বিশ, ব্লু ভিট্রিওল বা তুঁতে পাঁচ, সোডা ক্রিস্টাল দশ।
৩৯. 'Necessary evil' কোনটি? (৪৭তম বিসিএস, ২০২৫)
- কপ্রস্বেদন
- খঅভিস্রবন
- গব্যাপন
- ঘশোষণ
সঠিক উত্তর: ক. প্রস্বেদন
প্রশ্নটি জানতে চাইছে উদ্ভিদের কোন প্রক্রিয়াকে প্রয়োজনীয় অমঙ্গল বলা হয়। উত্তর প্রস্বেদন। উদ্ভিদবিজ্ঞানী কার্টিস এই নাম দেন।
প্রস্বেদন হলো পাতার পত্ররন্ধ্র দিয়ে জলীয় বাষ্প আকারে পানি বের হয়ে যাওয়া। মূল যে পানি শোষণ করে তার বেশির ভাগই এভাবে বেরিয়ে যায়। খরার সময় এতে গাছ নেতিয়ে পড়ে, এমনকি মরে যেতে পারে; এটি অমঙ্গলের দিক।
আবার প্রস্বেদন না হলে গাছ চলে না। এর টানে মূল থেকে পানি ও খনিজ লবণ পাতা পর্যন্ত ওঠে, পাতা ঠান্ডা থাকে, আর পত্ররন্ধ্র খোলা থাকায় কার্বন ডাইঅক্সাইড ঢুকে সালোকসংশ্লেষণ চলে। তাই এটি প্রয়োজনীয়।
অভিস্রবণ, ব্যাপন ও শোষণ গাছের উপকারী প্রক্রিয়া, এদের মধ্যে ক্ষতির দিক নেই বলে এদের এই নামে ডাকা হয় না।
মনে রাখুন: যে প্রক্রিয়ায় লাভ-ক্ষতি দুটোই, সেটিই প্রস্বেদন।
৪০. যখন দুটি বস্তুর সংঘর্ষ হয় এবং তারা একসাথে লেগে থাকে, তখন তাকে কোন ধরনের সংঘর্ষ বলে? (৪৭তম বিসিএস, ২০২৫)
- কস্থিতিস্থাপক সংঘর্ষ
- খপ্লাস্টিক সংঘর্ষ
- গঅস্থিতিস্থাপক সংঘর্ষ
- ঘঘর্ষনীয় সংঘর্ষ
সঠিক উত্তর: গ. অস্থিতিস্থাপক সংঘর্ষ
প্রশ্নটি সংঘর্ষের ধরন জানতে চাইছে, যেখানে ধাক্কার পর দুটি বস্তু একসঙ্গে লেগে চলে। প্রদত্ত উত্তর অস্থিতিস্থাপক সংঘর্ষ; আরও নির্দিষ্টভাবে একে পূর্ণ অস্থিতিস্থাপক সংঘর্ষ বলে।
সব সংঘর্ষেই মোট ভরবেগ সংরক্ষিত থাকে। স্থিতিস্থাপক সংঘর্ষে গতিশক্তিও সংরক্ষিত থাকে, যেমন দুটি বিলিয়ার্ড বলের ধাক্কা। অস্থিতিস্থাপক সংঘর্ষে গতিশক্তির কিছু অংশ তাপ, শব্দ বা বস্তুর আকৃতি বদলে খরচ হয়।
বস্তু দুটি লেগে গেলে গতিশক্তির ক্ষয় সবচেয়ে বেশি হয়, এবং দুটি একই বেগে চলে। যেমন কাদার দলা দেয়ালে লেগে যাওয়া, বা বন্দুকের গুলি কাঠের টুকরায় ঢুকে একসঙ্গে চলা। এটিই অস্থিতিস্থাপক সংঘর্ষের চরম রূপ।
সতর্কতা: পূর্ণ অস্থিতিস্থাপক সংঘর্ষকে কিছু বইয়ে প্লাস্টিক সংঘর্ষও বলা হয়, তাই সেই বিকল্পটিও কড়া অর্থে ভুল নয়। ঘর্ষণীয় সংঘর্ষ বলে কোনো প্রচলিত শ্রেণি নেই।
মনে রাখুন: লেগে গেলে অস্থিতিস্থাপক; ফিরে এলে আর শক্তি অটুট থাকলে স্থিতিস্থাপক।