সাধারণ বিজ্ঞান · পাতা ৩
৪১. পৃথিবীর কক্ষপথের বিভিন্ন বিন্দু থেকে দেখলে কোন ঘটনার কারণে একটি নক্ষত্রের অবস্থানের আপাত পরিবর্তন ঘটে? (৪৭তম বিসিএস, ২০২৫)
- কডপলার ইফেক্ট
- খরেডশিফ্ট
- গকসমিক
- ঘপ্যারালেক্স
সঠিক উত্তর: ঘ. প্যারালেক্স
প্রশ্নটি জানতে চাইছে পৃথিবী কক্ষপথের ভিন্ন জায়গায় থাকলে কাছের নক্ষত্রের অবস্থান যে সামান্য সরে যেতে দেখা যায়, সেই ঘটনার নাম কী। উত্তর লম্বন বা প্যারালাক্স।
চোখের সামনে একটি আঙুল রেখে একবার বাম চোখ, একবার ডান চোখ বন্ধ করলে আঙুলটি পেছনের দেয়ালের সাপেক্ষে সরে যায়। এটাই লম্বন। একইভাবে জানুয়ারিতে আর জুলাইতে পৃথিবী সূর্যের দুই পাশে থাকে, তাই কাছের নক্ষত্রকে দূরের নক্ষত্রের পটভূমিতে সামান্য সরে যেতে দেখা যায়।
সরণের কোণ মেপে ত্রিকোণমিতি দিয়ে নক্ষত্রের দূরত্ব বের করা যায়; নক্ষত্র যত কাছে, সরণ তত বেশি। ১৮৩৮ সালে ফ্রিডরিখ বেসেল এ পদ্ধতিতে প্রথম কোনো নক্ষত্রের দূরত্ব মাপেন। দূরত্বের একক পারসেক এই লম্বন থেকেই এসেছে।
ফাঁদ হলো ডপলার প্রভাব ও লোহিত সরণ। এগুলো নক্ষত্রের আলোর রঙ বা কম্পাঙ্কের পরিবর্তন, অবস্থানের আপাত পরিবর্তন নয়।
মনে রাখুন: অবস্থানের আপাত পরিবর্তন মানে লম্বন; রঙের পরিবর্তন মানে ডপলার বা লোহিত সরণ।
৪২. What is a pico-second? (সমন্বিত ৮ ব্যাংক ও ১ আর্থিক প্রতিষ্ঠান: সিনিয়র অফিসার, ২০২৫)
- কOne trillionth of a second
- খOne millionth of a second
- গOne billionth of a second
- ঘOne thousandth of a second
সঠিক উত্তর: ক. One trillionth of a second
প্রশ্নটা এসআই উপসর্গ নিয়ে। পিকো মানে ১০ এর ঘাত মাইনাস ১২। তাই এক পিকোসেকেন্ড হলো এক সেকেন্ডের এক লক্ষ কোটি ভাগের এক ভাগ, ইংরেজিতে one trillionth।
উপসর্গগুলো প্রতি ধাপে ১০০০ গুণ ছোট হয়: মিলি মানে হাজার ভাগের এক, মাইক্রো মানে দশ লক্ষ ভাগের এক, ন্যানো মানে একশো কোটি ভাগের এক, আর পিকো মানে এক লক্ষ কোটি ভাগের এক।
ইংরেজি গণনায় মিলিয়ন হলো ১০ এর ঘাত ৬, বিলিয়ন ৯, আর ট্রিলিয়ন ১২। তাই মাইক্রো মানে মিলিয়নথ, ন্যানো মানে বিলিয়নথ, পিকো মানে ট্রিলিয়নথ।
কম্পিউটারের গতি মাপতে ন্যানোসেকেন্ড ও পিকোসেকেন্ড ব্যবহার হয়। ন্যানো আর পিকো গুলিয়ে বিলিয়নথ বেছে নেওয়াই সবচেয়ে বড় ফাঁদ।
মনে রাখুন: মিলি-মাইক্রো-ন্যানো-পিকো: ঘাত ৩, ৬, ৯, ১২। থাউজ্যান্ড-মিলিয়ন-বিলিয়ন-ট্রিলিয়নের সঙ্গে জোড়া মেলান।
৪৩. কৃষ্ণগহ্বর নিয়ে কোন বাঙালি বিজ্ঞানী গবেষণা করেছেন? (৪৬তম বিসিএস, ২০২৪)
- ককুদরত-ই-খুদা
- খকাজী মোতাহার হোসেন
- গজামাল নজরুল ইসলাম
- ঘআব্দুল মতিন চৌধুরী
সঠিক উত্তর: গ. জামাল নজরুল ইসলাম
প্রশ্নটি কৃষ্ণগহ্বর নিয়ে গবেষণা করা বাঙালি বিজ্ঞানীর নাম জানতে চাইছে। উত্তর অধ্যাপক জামাল নজরুল ইসলাম, যিনি গাণিতিক পদার্থবিজ্ঞান ও বিশ্বতত্ত্বের গবেষক।
তিনি কেমব্রিজের তাত্ত্বিক জ্যোতির্বিদ্যা প্রতিষ্ঠানসহ বিদেশের নানা প্রতিষ্ঠানে কাজ করেন। ১৯৮৩ সালে কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয় প্রেস থেকে প্রকাশিত তাঁর বই দি আলটিমেট ফেট অব দি ইউনিভার্স মহাবিশ্বের দূর ভবিষ্যৎ নিয়ে লেখা এবং বিশ্বজুড়ে আলোচিত।
দেশে ফিরে তিনি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে গাণিতিক ও ভৌত বিজ্ঞান গবেষণা কেন্দ্র গড়ে তোলেন। কৃষ্ণগহ্বরের আরেক নাম কৃষ্ণবিবর; এই নামে তাঁর প্রথম বাংলা বই ১৯৮৫ সালে বাংলা একাডেমি থেকে প্রকাশিত হয়।
বাকি তিনজন অন্য ক্ষেত্রে বিখ্যাত। কুদরত-ই-খুদা রসায়নবিদ ও স্বাধীন দেশের প্রথম শিক্ষা কমিশনের প্রধান। কাজী মোতাহার হোসেন পরিসংখ্যানবিদ ও দাবাড়ু। আব্দুল মতিন চৌধুরী পদার্থবিজ্ঞানী ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ছিলেন।
মনে রাখুন: কৃষ্ণগহ্বর বা মহাবিশ্বের পরিণতি এলেই জামাল নজরুল ইসলাম।
৪৪. নিচের কোনটি গ্রীনহাউজ গ্যাস নয়? (৪৬তম বিসিএস, ২০২৪)
- কজলীয় বাষ্প (H2O)
- খকার্বন ডাইঅক্সাইড (CO2)
- গমিথেন (CH4)
- ঘনাইট্রিক অক্সাইড (NO)
সঠিক উত্তর: ঘ. নাইট্রিক অক্সাইড (NO)
প্রশ্নটি কোন গ্যাস গ্রিনহাউস গ্যাস নয় তা জানতে চাইছে। গ্রিনহাউস গ্যাস পৃথিবী থেকে বিকিরিত অবলোহিত তাপ শোষণ করে আটকে রাখে। নাইট্রিক অক্সাইড এই তালিকায় পড়ে না।
জলীয় বাষ্প সবচেয়ে বড় প্রাকৃতিক গ্রিনহাউস গ্যাস। কার্বন ডাইঅক্সাইড আসে জীবাশ্ম জ্বালানি পোড়ানো থেকে, আর মিথেন আসে ধানক্ষেত, গবাদিপশু ও আবর্জনা থেকে; দুটোই প্রধান গ্রিনহাউস গ্যাস।
নাইট্রোজেনের দুটি অক্সাইড গুলিয়ে যায়। নাইট্রাস অক্সাইড, যাকে লাফিং গ্যাস বলে, শক্তিশালী গ্রিনহাউস গ্যাস। কিন্তু নাইট্রিক অক্সাইড সরাসরি তাপ আটকানোর গ্যাস নয়; এটি ধোঁয়াশা ও এসিড বৃষ্টির দূষক।
তাই ফাঁদ হলো নাইট্রোজেনের অক্সাইড দেখেই গ্রিনহাউস গ্যাস ধরে নেওয়া। নাইট্রাস আর নাইট্রিক, নাম দুটো আলাদা করে মনে রাখুন।
মনে রাখুন: নাইট্রাস হ্যাঁ, নাইট্রিক না।
৪৫. জলীয় দ্রবণে pH এর সর্বোচ্চ মান কোনটি? (৪৬তম বিসিএস, ২০২৪)
- ক৭
- খ১০
- গ১৪
- ঘ২০
সঠিক উত্তর: গ. ১৪
প্রশ্নটি পিএইচ স্কেলের সীমা জানতে চাইছে। জলীয় দ্রবণের সাধারণ পিএইচ স্কেল শূন্য থেকে চৌদ্দ, তাই সর্বোচ্চ মান চৌদ্দ।
পিএইচ মাপে দ্রবণে হাইড্রোজেন আয়নের ঘনমাত্রা। পঁচিশ ডিগ্রি সেলসিয়াসে পানিতে হাইড্রোজেন ও হাইড্রক্সাইড আয়নের ঘনমাত্রার গুণফল সবসময় দশের ঘাত ঋণাত্মক চৌদ্দ। তাই পিএইচ আর পিওএইচ যোগ করলে সবসময় চৌদ্দ হয়; এখান থেকেই স্কেলের সীমা।
সাত নিরপেক্ষ, যেমন বিশুদ্ধ পানি। সাতের নিচে অম্লীয়, যেমন লেবুর রস; সাতের উপরে ক্ষারীয়, যেমন সাবান পানি। মান যত চৌদ্দের কাছে, ক্ষার তত তীব্র। খুব ঘন এসিড বা ক্ষারে মান সামান্য এই সীমা ছাড়াতে পারে, তবে সাধারণ স্কেল চৌদ্দ পর্যন্তই।
ফাঁদ হলো সাত, যা নিরপেক্ষ বিন্দু, সর্বোচ্চ নয়। আর দশ বা বিশ স্কেলের কোনো সীমা নয়।
মনে রাখুন: পিএইচ স্কেল শূন্য থেকে চৌদ্দ, মাঝখানে সাত নিরপেক্ষ।
৪৬. কোন অর্গানেলটি পর্দা দ্বারা আবেষ্টিত থাকে না? (৪৬তম বিসিএস, ২০২৪)
- করাইবোসোম
- খক্লোরোপ্লাস্ট
- গমাইটোকন্ড্রিয়া
- ঘপারোক্সিসোম
সঠিক উত্তর: ক. রাইবোসোম
প্রশ্নটি কোষের কোন অঙ্গাণুর চারপাশে আবরণী পর্দা নেই তা জানতে চাইছে। উত্তর রাইবোসোম।
রাইবোসোম আরএনএ ও প্রোটিন দিয়ে গঠিত দুটি উপএককের ছোট কণা, যার কোনো ঝিল্লি নেই। এটি অ্যামাইনো এসিড জুড়ে প্রোটিন তৈরি করে, তাই একে প্রোটিনের কারখানা বলে। ব্যাকটেরিয়ার মতো আদিকোষেও রাইবোসোম থাকে।
মাইটোকন্ড্রিয়া ও ক্লোরোপ্লাস্টের চারপাশে দুই স্তরের পর্দা থাকে; প্রথমটি শক্তি উৎপাদন করে, দ্বিতীয়টি সালোকসংশ্লেষণ করে। পারঅক্সিসোম এক স্তরের পর্দায় ঘেরা থাকে এবং হাইড্রোজেন পারঅক্সাইড ভাঙে। পর্দাবিহীন আরেকটি অঙ্গাণু হলো সেন্ট্রিওল।
ফাঁদ হলো পারঅক্সিসোম, কারণ এটি ছোট ও কম পরিচিত। কিন্তু ছোট হলেও এর একটি পর্দা আছে।
মনে রাখুন: পর্দাবিহীন অঙ্গাণু: রাইবোসোম ও সেন্ট্রিওল।
৪৭. প্রাকৃতিক ইউরেনিয়ামে শতকরা কতভাগ 238U আইসোটোপ থাকে? (৪৬তম বিসিএস, ২০২৪)
- ক50%
- খ99.3%
- গ0%
- ঘ69.3%
সঠিক উত্তর: খ. 99.3%
প্রশ্নটি প্রাকৃতিক ইউরেনিয়ামে ইউরেনিয়াম-২৩৮ আইসোটোপের ভাগ জানতে চাইছে। খনি থেকে পাওয়া ইউরেনিয়ামের প্রায় ৯৯ দশমিক ৩ শতাংশই ইউরেনিয়াম-২৩৮।
বাকি প্রায় শূন্য দশমিক সাত শতাংশ ইউরেনিয়াম-২৩৫, আর খুবই সামান্য ইউরেনিয়াম-২৩৪। আইসোটোপ মানে একই মৌলের পরমাণু, প্রোটন সংখ্যা একই কিন্তু নিউট্রন সংখ্যা আলাদা।
পারমাণবিক চুল্লিতে শৃঙ্খল বিক্রিয়া চালায় মূলত ইউরেনিয়াম-২৩৫, কারণ ধীর নিউট্রন দিয়ে এটি সহজে বিভাজিত হয়। প্রাকৃতিক ইউরেনিয়ামে এর ভাগ খুব কম, তাই চুল্লির জ্বালানির জন্য এর ভাগ বাড়ানো হয়, একে সমৃদ্ধকরণ বলে। রূপপুর বিদ্যুৎকেন্দ্রেও এমন সমৃদ্ধ জ্বালানি ব্যবহৃত হয়।
ফাঁদ হলো ভাগগুলো উল্টে ফেলা। জ্বালানির আইসোটোপ ইউরেনিয়াম-২৩৫ হলেও প্রকৃতিতে বেশি থাকে ইউরেনিয়াম-২৩৮।
মনে রাখুন: প্রকৃতিতে দুশো আটত্রিশ প্রায় সবটা, দুশো পঁয়ত্রিশ এক শতাংশেরও কম।
৪৮. জীববিজ্ঞানে কী ধরনের তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়? (৪৬তম বিসিএস, ২০২৪)
- কবায়োইনফরমেটিক্স
- খবায়োমেট্রিক্স
- গবায়োকেমিস্ট্রি
- ঘকোনটিই নয়
সঠিক উত্তর: ক. বায়োইনফরমেটিক্স
প্রশ্নটি জীববিজ্ঞানে তথ্যপ্রযুক্তির ব্যবহারের নাম জানতে চাইছে। জৈবিক তথ্য কম্পিউটার দিয়ে সংরক্ষণ, বিশ্লেষণ ও ব্যাখ্যা করার বিজ্ঞানকে বায়োইনফরমেটিক্স বলে।
ডিএনএ ও প্রোটিনের অনুক্রম বিশাল তথ্যের ভাণ্ডার, যা হাতে বিশ্লেষণ করা অসম্ভব। বায়োইনফরমেটিক্সে ডেটাবেস ও সফটওয়্যার দিয়ে জিনোমের অনুক্রম মেলানো, জিন খোঁজা, প্রোটিনের গঠন অনুমান ও নতুন ওষুধের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়।
বাংলাদেশে পাটের জিনোম উন্মোচনেও বায়োইনফরমেটিক্সের বড় ভূমিকা ছিল। জীববিজ্ঞান, পরিসংখ্যান ও কম্পিউটার বিজ্ঞান মিলে এই শাখা গড়ে উঠেছে।
ফাঁদ হলো বায়োমেট্রিক্স, কারণ এটিও প্রযুক্তি ও জীব শব্দ বহন করে। কিন্তু বায়োমেট্রিক্স হলো আঙুলের ছাপ বা মুখের ছবি দিয়ে মানুষ শনাক্ত করা। বায়োকেমিস্ট্রি জীবদেহের রাসায়নিক বিক্রিয়া পড়ে, তথ্যপ্রযুক্তি নয়।
মনে রাখুন: ইনফরমেটিক্স শব্দেই উত্তর: তথ্যপ্রযুক্তি।
৪৯. গমের মোজাইক ভাইরাস কীভাবে ছড়ায়? (৪৬তম বিসিএস, ২০২৪)
- কইদুঁরের মাধ্যমে
- খমাইটের মাধ্যমে
- গবাতাসের মাধ্যমে
- ঘপাখির মাধ্যমে
সঠিক উত্তর: খ. মাইটের মাধ্যমে
প্রশ্নটি গমের মোজাইক ভাইরাস রোগের বাহক জানতে চাইছে। গমের স্ট্রিক মোজাইক ভাইরাস ছড়ায় গমের কার্ল মাইট নামের অতি ক্ষুদ্র মাকড়ের মাধ্যমে।
উদ্ভিদ ভাইরাস নিজে চলতে পারে না, তাকে কোনো বাহক এক গাছ থেকে আরেক গাছে নিয়ে যায়। এই মাইট আক্রান্ত গাছের রস খাওয়ার সময় ভাইরাস নিজের দেহে নেয়, পরে সুস্থ গাছের রস খেতে গিয়ে ভাইরাস ঢুকিয়ে দেয়। আক্রান্ত পাতায় হলুদ-সবুজ ডোরাকাটা মোজাইক দাগ দেখা যায়।
মাইটগুলোর ডানা নেই, তারা বাতাসে উড়ে এক ক্ষেত থেকে আরেক ক্ষেতে যায়। কিন্তু বাতাস শুধু মাইটকে বহন করে; ভাইরাস ঢোকায় মাইটই, তাই বাহক মাইট।
এই কারণে বাতাস বিকল্পটি বড় ফাঁদ। ইঁদুর ও পাখি এই ভাইরাসের বাহক নয়।
মনে রাখুন: গমের মোজাইক মানে মাইট; বাতাস শুধু বাহককে বয়ে নেয়।
৫০. এন্টিবডি তৈরি করে নিচের কোনটি? (৪৬তম বিসিএস, ২০২৪)
- কRed blood corpuscle
- খThrombocyte
- গB Lymphocyte
- ঘMonocyte
সঠিক উত্তর: গ. B Lymphocyte
প্রশ্নটি রক্তের কোন কোষ অ্যান্টিবডি তৈরি করে তা জানতে চাইছে। উত্তর বি লিম্ফোসাইট, যা এক ধরনের শ্বেত রক্তকণিকা।
কোনো জীবাণু বা অ্যান্টিজেন দেহে ঢুকলে নির্দিষ্ট বি লিম্ফোসাইট তাকে চিনে নেয়। এরপর এটি বিভাজিত হয়ে প্লাজমা কোষে পরিণত হয়, আর প্লাজমা কোষ প্রচুর অ্যান্টিবডি নিঃসরণ করে। কিছু বি কোষ স্মৃতি কোষ হিসেবে থেকে যায়, তাই পরের বার দ্রুত প্রতিরোধ হয়; টিকা এই নীতিতেই কাজ করে।
লোহিত রক্তকণিকা অক্সিজেন বহন করে, অণুচক্রিকা বা থ্রম্বোসাইট রক্ত জমাট বাঁধায়, আর মনোসাইট টিস্যুতে গিয়ে ম্যাক্রোফেজ হয়ে জীবাণু গিলে খায়।
ফাঁদ হলো মনোসাইট, কারণ এটিও প্রতিরক্ষায় কাজ করে। কিন্তু মনোসাইট জীবাণু ভক্ষণ করে, অ্যান্টিবডি তৈরি করে না।
মনে রাখুন: অ্যান্টিবডি মানে বি কোষ, আরও নির্দিষ্টভাবে প্লাজমা কোষ।
৫১. অত্যাবশ্যকীয় অ্যামাইনো এসিড কোনটি? (৪৬তম বিসিএস, ২০২৪)
- কগ্লাইসিন (Glycine)
- খসেরিন (Serine)
- গসিস্টিন (Cistine)
- ঘভ্যালিন (Valine)
সঠিক উত্তর: ঘ. ভ্যালিন (Valine)
অ্যামাইনো এসিড হলো প্রোটিনের গঠন একক। এদের দুই ভাগ: যেগুলো দেহ নিজে তৈরি করতে পারে না, খাবার থেকে নিতে হয়, সেগুলো অত্যাবশ্যকীয়; আর যেগুলো দেহ নিজেই বানাতে পারে, সেগুলো অনত্যাবশ্যকীয়।
মানুষের জন্য অত্যাবশ্যকীয় অ্যামাইনো এসিড ৯টি: ভ্যালিন, লিউসিন, আইসোলিউসিন, লাইসিন, মিথিওনিন, ফিনাইলঅ্যালানিন, থ্রিওনিন, ট্রিপটোফ্যান আর হিস্টিডিন। অপশনের মধ্যে শুধু ভ্যালিন এই তালিকায় আছে।
গ্লাইসিন সবচেয়ে সরল অ্যামাইনো এসিড, দেহ সহজেই বানায়। সেরিনও দেহে তৈরি হয়। সিস্টিন তৈরি হয় দুটি সিস্টেইন জুড়ে, আর সিস্টেইন দেহ মিথিওনিন থেকে বানাতে পারে।
ফাঁদ হলো সিস্টিন; এতে সালফার আছে বলে একে মিথিওনিনের মতো অত্যাবশ্যকীয় ভেবে ফেলা সহজ। কিন্তু দেহ মিথিওনিন থেকেই এটা তৈরি করে নেয়।
মনে রাখুন: ইংরেজি মনে রাখার কৌশল PVT TIM HaLL: Phenylalanine, Valine, Threonine, Tryptophan, Isoleucine, Methionine, Histidine, Leucine, Lysine।
৫২. প্রকৃতিতে মৌলিক বল কয়টি? (৪৬তম বিসিএস, ২০২৪)
- ক2 টি
- খ3 টি
- গ4 টি
- ঘ5 টি
সঠিক উত্তর: গ. 4 টি
প্রশ্নটি প্রকৃতির মৌলিক বলের সংখ্যা জানতে চাইছে। মৌলিক বল চারটি: মহাকর্ষ বল, তড়িৎচৌম্বক বল, সবল নিউক্লীয় বল ও দুর্বল নিউক্লীয় বল।
মৌলিক বল মানে যে বলকে অন্য কোনো বলের রূপ হিসেবে ব্যাখ্যা করা যায় না। ঘর্ষণ, টান বা ধাক্কার মতো দৈনন্দিন বল আসলে পরমাণুর মধ্যকার তড়িৎচৌম্বক বলেরই রূপ।
সবল নিউক্লীয় বল সবচেয়ে শক্তিশালী, এটি নিউক্লিয়াসে প্রোটন ও নিউট্রনকে ধরে রাখে, কিন্তু খুব কাছের দূরত্বে কাজ করে। দুর্বল নিউক্লীয় বল তেজস্ক্রিয় বিটা ক্ষয় ঘটায়। মহাকর্ষ সবচেয়ে দুর্বল, তবু অসীম দূরত্ব পর্যন্ত কাজ করে বলে গ্রহ-নক্ষত্রের গতি নিয়ন্ত্রণ করে।
ফাঁদ হলো তিনটি, কারণ তড়িৎ ও দুর্বল বলকে একীভূত তত্ত্বে একসঙ্গে ধরা হয়। কিন্তু মৌলিক বল হিসেবে প্রচলিত গণনা চারটি।
মনে রাখুন: মৌলিক বল চারটি: সবল, তড়িৎচৌম্বক, দুর্বল, মহাকর্ষ।
৫৩. জেমস্ ওয়েব টেলিস্কোপ কোন ধরনের রেডিয়েশন ব্যবহার করে? (৪৬তম বিসিএস, ২০২৪)
- কUltra-violet
- খInfrared
- গVisible
- ঘX-ray
সঠিক উত্তর: খ. Infrared
প্রশ্নটি জেমস ওয়েব স্পেস টেলিস্কোপ কোন ধরনের বিকিরণে পর্যবেক্ষণ করে তা জানতে চাইছে। উত্তর অবলোহিত বা ইনফ্রারেড রশ্মি।
মহাবিশ্ব প্রসারিত হচ্ছে, তাই অনেক দূরের ছায়াপথের আলো আসতে আসতে তরঙ্গদৈর্ঘ্য লম্বা হয়ে লালের দিকে সরে যায়; একে লোহিত সরণ বলে। প্রথম যুগের ছায়াপথের দৃশ্যমান ও অতিবেগুনি আলো আমাদের কাছে পৌঁছায় অবলোহিত হয়ে। তাই সেগুলো দেখতে অবলোহিত দূরবীক্ষণ দরকার।
অবলোহিত রশ্মি ধূলিমেঘ ভেদ করেও যেতে পারে, ফলে নক্ষত্রের জন্মস্থান দেখা যায়। নিজের তাপ যেন পর্যবেক্ষণে বাধা না দেয়, সেজন্য ওয়েবের একটি বিশাল সূর্যঢাল আছে এবং এটি পৃথিবী থেকে প্রায় পনেরো লাখ কিলোমিটার দূরে অবস্থান করে। এটি ২০২১ সালের ২৫ ডিসেম্বর উৎক্ষেপণ করা হয়।
ফাঁদ হলো দৃশ্যমান আলো, কারণ হাবল টেলিস্কোপ মূলত দৃশ্যমান ও অতিবেগুনি আলোয় কাজ করে। এক্সরে পর্যবেক্ষণ করে চন্দ্র এক্সরে মানমন্দির।
মনে রাখুন: ওয়েব মানে অবলোহিত, চন্দ্র মানে এক্সরে, হাবল মানে দৃশ্যমান।
৫৪. কোনটি আলোর প্রাথমিক রং হিসাবে বিবেচনা করা হয় না? (৪৬তম বিসিএস, ২০২৪)
- কসবুজ
- খনীল
- গলাল
- ঘহলুদ
সঠিক উত্তর: ঘ. হলুদ
প্রশ্নটা আলোর রং মেশানোর নিয়ম যাচাই করছে। আলোর তিনটি মৌলিক বা প্রাথমিক রং হলো লাল, সবুজ আর নীল, সংক্ষেপে RGB।
এই তিন রং বিভিন্ন অনুপাতে মিশিয়ে আলোর প্রায় সব রং তৈরি করা যায়, আর তিনটি সমানভাবে মেশালে হয় সাদা। টেলিভিশন ও মোবাইলের পর্দা এই নিয়মেই রং দেখায়।
হলুদ মৌলিক নয়; লাল আর সবুজ আলো মেশালে হলুদ হয়, তাই এটি যৌগিক রং।
ফাঁদ হলো রঙ-তুলির নিয়মের সঙ্গে গুলিয়ে ফেলা। ছবি আঁকার রঞ্জকে হলুদকে প্রাথমিক রং ধরা হয়, কিন্তু প্রশ্ন জানতে চেয়েছে আলোর প্রাথমিক রং।
মনে রাখুন: আলো মানে RGB: লাল, সবুজ, নীল। এর বাইরের যেকোনো রং আলোর ক্ষেত্রে যৌগিক।
৫৫. রক্ত জমাট বাঁধার জন্য প্রয়োজনীয় ভিটামিনটি হল- (৪৬তম বিসিএস, ২০২৪)
- কVitamin K
- খVitamin A
- গVitamin B
- ঘVitamin C
সঠিক উত্তর: ক. Vitamin K
প্রশ্নটি রক্ত জমাট বাঁধার জন্য দরকারি ভিটামিন জানতে চাইছে। উত্তর ভিটামিন কে।
কেটে গেলে রক্ত জমাট বাঁধাতে যকৃতে প্রোথ্রম্বিনসহ কয়েকটি জমাট বাঁধার উপাদান তৈরি হতে হয়। এগুলো তৈরিতে ভিটামিন কে অপরিহার্য। অভাব হলে সামান্য আঘাতেও রক্তক্ষরণ সহজে থামে না।
নামটাই মনে রাখার সূত্র: জার্মান ও ডেনিশ ভাষায় জমাট বাঁধাকে বলে কোয়াগুলেশন, তার প্রথম অক্ষর থেকে কে। সবুজ শাকসবজি এর ভালো উৎস, আর অন্ত্রের ব্যাকটেরিয়াও কিছুটা তৈরি করে। নবজাতকের রক্তক্ষরণ রোধে জন্মের পর এই ভিটামিনের ইনজেকশন দেওয়া হয়।
অন্যগুলোর কাজ আলাদা: ভিটামিন এ চোখের জন্য, অভাবে রাতকানা; ভিটামিন বি শক্তি বিপাক ও স্নায়ুর জন্য; ভিটামিন সি-র অভাবে স্কার্ভি হয়, মাড়ি দিয়ে রক্ত পড়ে, তাই অনেকে রক্তের সঙ্গে গুলিয়ে ফেলেন।
মনে রাখুন: জমাট বাঁধা মানেই ভিটামিন কে।
৫৬. ফোটন শক্তি 'E' এর সমীকরণটি হল- (৪৬তম বিসিএস, ২০২৪)
- কhλ/c
- খhc/λ
- গcλ/h
- ঘchλ
সঠিক উত্তর: খ. hc/λ
প্রশ্নটি ফোটনের শক্তির সূত্র জানতে চাইছে। ফোটনের শক্তি সমান প্ল্যাঙ্কের ধ্রুবক গুণ আলোর বেগ, ভাগ তরঙ্গদৈর্ঘ্য।
সূত্রটি দুই ধাপে আসে। প্ল্যাঙ্কের মতে ফোটনের শক্তি সমান প্ল্যাঙ্কের ধ্রুবক গুণ কম্পাঙ্ক। আবার আলোর বেগ সমান কম্পাঙ্ক গুণ তরঙ্গদৈর্ঘ্য, তাই কম্পাঙ্ক সমান আলোর বেগ ভাগ তরঙ্গদৈর্ঘ্য। এটি প্রথম সূত্রে বসালেই উত্তর পাওয়া যায়।
সূত্রটি বলে শক্তি তরঙ্গদৈর্ঘ্যের ব্যস্তানুপাতিক। তাই খাটো তরঙ্গের অতিবেগুনি ও এক্সরে ফোটনের শক্তি বেশি, আর লম্বা তরঙ্গের রেডিও ফোটনের শক্তি কম। এ কারণে অতিবেগুনি রশ্মি ত্বক পোড়ায়, রেডিও তরঙ্গ পোড়ায় না।
ফাঁদ হলো তরঙ্গদৈর্ঘ্যকে লবে বসানো। একক মিলিয়ে দেখলেও বোঝা যায়, কেবল আলোর বেগকে তরঙ্গদৈর্ঘ্য দিয়ে ভাগ করলেই কম্পাঙ্ক আসে।
মনে রাখুন: শক্তি কম্পাঙ্কের সমানুপাতিক, তরঙ্গদৈর্ঘ্যের ব্যস্তানুপাতিক; তাই লম্বডা নিচে।
৫৭. দ্বিপদ নামকরণে দ্বিতীয় নামটি নির্দেশ করে- (৪৬তম বিসিএস, ২০২৪)
- কপ্রজাতি
- খবর্গ
- গরাজ্য
- ঘশ্রেণি
সঠিক উত্তর: ক. প্রজাতি
প্রশ্নটি দ্বিপদ নামকরণের দুই অংশের অর্থ জানতে চাইছে। প্রথম অংশ গণ, দ্বিতীয় অংশ প্রজাতি নির্দেশ করে।
সুইডিশ উদ্ভিদবিজ্ঞানী ক্যারোলাস লিনিয়াস এই পদ্ধতি চালু করেন। প্রতিটি জীবের বৈজ্ঞানিক নাম দুই শব্দে লেখা হয়: প্রথম শব্দ গণের নাম, বড় হাতের অক্ষরে শুরু; দ্বিতীয় শব্দ প্রজাতিক বিশেষণ, ছোট হাতের অক্ষরে। ছাপায় পুরো নাম তির্যক অক্ষরে লেখা হয়।
যেমন মানুষের বৈজ্ঞানিক নাম হোমো সেপিয়েন্স: হোমো গণ, সেপিয়েন্স প্রজাতি। ধানের নাম ওরাইজা স্যাটাইভা: ওরাইজা গণ, স্যাটাইভা প্রজাতি।
বর্গ, শ্রেণি ও রাজ্য শ্রেণিবিন্যাসের উঁচু ধাপ; এগুলো বৈজ্ঞানিক নামের দুই অংশে থাকে না। ক্রম মনে রাখুন: রাজ্য, পর্ব, শ্রেণি, বর্গ, গোত্র, গণ, প্রজাতি।
মনে রাখুন: প্রথমে গণ, পরে প্রজাতি: গণ বড় হাতের, প্রজাতি ছোট হাতের।
৫৮. ধাতব কার্বোনেটের সাথে এসিডের বিক্রিয়ায় উৎপন্ন হয়- (৪৬তম বিসিএস, ২০২৪)
- কলবণ
- খপানি
- গকার্বন ডাইঅক্সাইড
- ঘসবগুলো
সঠিক উত্তর: ঘ. সবগুলো
প্রশ্নটি ধাতব কার্বনেট ও এসিডের বিক্রিয়ার উৎপাদ জানতে চাইছে। এই বিক্রিয়ায় একসঙ্গে লবণ, পানি ও কার্বন ডাইঅক্সাইড তৈরি হয়, তাই উত্তর সবগুলো।
যেমন চুনাপাথর বা ক্যালসিয়াম কার্বনেটের সঙ্গে হাইড্রোক্লোরিক এসিড বিক্রিয়া করলে ক্যালসিয়াম ক্লোরাইড লবণ, পানি ও কার্বন ডাইঅক্সাইড গ্যাস হয়। গ্যাস বের হওয়ায় বুদবুদ ওঠে।
এই নীতি দৈনন্দিন জীবনেও দেখা যায়। পেটের এসিড কমাতে অ্যান্টাসিড খেলে কার্বনেট বা বাইকার্বনেট এসিডকে প্রশমিত করে। এসিড বৃষ্টিতে মার্বেল পাথরের ভাস্কর্য ক্ষয় হয় একই বিক্রিয়ায়। চুনজলে এই গ্যাস চালনা করলে চুনজল ঘোলা হয়, এভাবে কার্বন ডাইঅক্সাইড শনাক্ত করা যায়।
ফাঁদ হলো শুধু লবণ বা শুধু কার্বন ডাইঅক্সাইড বেছে নেওয়া। তিনটিই একসঙ্গে তৈরি হয়, তাই সবগুলো।
মনে রাখুন: কার্বনেট + এসিড = লবণ + পানি + কার্বন ডাইঅক্সাইড; উত্তর সবগুলো।
৫৯. Carrot is a good source of- (সমন্বিত ৭ ব্যাংক: অফিসার, ক্যাশ) (২০২৪)
- কVitamin A
- খVitamin C
- গVitamin B
- ঘVitamin K
সঠিক উত্তর: ক. Vitamin A
গাজরের কমলা রং আসে বিটা-ক্যারোটিন থেকে। আমাদের দেহ এই বিটা-ক্যারোটিনকে ভিটামিন এ-তে রূপান্তর করে, তাই গাজর ভিটামিন এ-এর খুব ভালো উৎস।
ভিটামিন এ চোখের রেটিনায় আলো শনাক্ত করার রঞ্জক তৈরিতে লাগে। এর অভাবে রাতকানা রোগ হয়, তাই গাজর চোখের জন্য উপকারী বলা হয়।
অন্য ভিটামিনের উৎস: ভিটামিন সি টক ফল যেমন আমলকী, লেবু, পেয়ারা; ভিটামিন কে সবুজ শাক; ভিটামিন বি ঢেঁকিছাঁটা চাল, ডাল ও শস্যদানা।
গাজরে অল্প ভিটামিন সি ও কে থাকলেও এর প্রধান ও বিখ্যাত পুষ্টিগুণ ভিটামিন এ। তাই অন্য অপশনগুলো এখানে মূল উত্তর নয়।
মনে রাখুন: কমলা বা হলুদ রঙের সবজি ও ফল (গাজর, মিষ্টিকুমড়া, পাকা আম) মানেই বিটা-ক্যারোটিন, মানে ভিটামিন এ।
৬০. One horse power is equal to (সমন্বিত ১০ ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান: সিনিয়র অফিসার, ২০২৩)
- ক746 watts
- খ748 watts
- গ756 watts
- ঘ736 watts
সঠিক উত্তর: ক. 746 watts
অশ্বক্ষমতা বা হর্সপাওয়ার ক্ষমতার একটি পুরোনো একক, যা জেমস ওয়াট ঘোড়ার কাজ করার হারের সঙ্গে তুলনা করে চালু করেন। ক্ষমতার এসআই একক ওয়াট, মানে প্রতি সেকেন্ডে ১ জুল কাজ।
এক যান্ত্রিক অশ্বক্ষমতা প্রায় ৭৪৫ দশমিক ৭ ওয়াট, যা পরীক্ষায় পূর্ণসংখ্যায় ৭৪৬ ওয়াট ধরা হয়। এটা প্রতি সেকেন্ডে ৫৫০ ফুট-পাউন্ড কাজের সমান।
৭৩৬ ওয়াট এখানে ফাঁদ: ইউরোপে ব্যবহৃত মেট্রিক অশ্বক্ষমতা প্রায় ৭৩৫ দশমিক ৫ ওয়াট, যা কাছাকাছি হলেও আলাদা একক। পরীক্ষায় হর্সপাওয়ার বলতে ৭৪৬ ওয়াটই বোঝায়।