সাধারণ বিজ্ঞান · পাতা ৫
৮১. সুপরিবাহী পদার্থে valence band এবং conduction band – (৪৪তম বিসিএস, ২০২২)
- কআলাদা থাকে
- খওভারল্যাপ থাকে
- গঅনেক দূরে থাকে
- ঘকোনটিই নয়
সঠিক উত্তর: খ. ওভারল্যাপ থাকে
প্রশ্নটি শক্তি ব্যান্ড তত্ত্ব নিয়ে। সুপরিবাহী বা ভালো পরিবাহী পদার্থে, যেমন ধাতুতে, যোজ্যতা ব্যান্ড আর পরিবহন ব্যান্ড একটি আরেকটির ওপর পড়ে থাকে, অর্থাৎ ওভারল্যাপ করে।
কঠিন পদার্থে ইলেকট্রনের শক্তিস্তর মিলে ব্যান্ড তৈরি হয়। নিচের যোজ্যতা ব্যান্ডে ইলেকট্রন পরমাণুর সঙ্গে আবদ্ধ থাকে, আর ওপরের পরিবহন ব্যান্ডে গেলে মুক্তভাবে চলে বিদ্যুৎ বহন করতে পারে। দুটির মাঝের ফাঁকা অংশকে বলে নিষিদ্ধ শক্তি ব্যবধান।
ধাতুতে এই ব্যবধান নেই, ব্যান্ড দুটি মিশে আছে, তাই ইলেকট্রন বাড়তি শক্তি ছাড়াই চলাচল করে এবং পদার্থটি ভালো পরিবাহী। অর্ধপরিবাহীতে ব্যবধান সরু, সিলিকনে প্রায় এক দশমিক এক ইলেকট্রন ভোল্ট, তাই তাপ বা আলো পেলে কিছু ইলেকট্রন লাফিয়ে যায়। অন্তরকে ব্যবধান চওড়া, হীরায় প্রায় সাড়ে পাঁচ ইলেকট্রন ভোল্ট, তাই প্রায় কোনো প্রবাহ নেই।
আলাদা থাকে বিকল্পটি অর্ধপরিবাহীর ক্ষেত্রে খাটে, আর অনেক দূরে থাকে অন্তরকের ক্ষেত্রে। এখানে সুপরিবাহী মানে ভালো পরিবাহী; শূন্য রোধের অতিপরিবাহীর সঙ্গে গুলিয়ে ফেলবেন না।
মনে রাখুন: ব্যবধান নেই = পরিবাহী, সরু = অর্ধপরিবাহী, চওড়া = অন্তরক।
৮২. ফটোগ্রাফিক প্লেটে আবরণ থাকে – (৪৪তম বিসিএস, ২০২২)
- কসিলভার ব্রোমাইডের
- খসিলভার ক্লোরাইডের
- গঅ্যামোনিয়াম ক্লোরাইডের
- ঘসিলভার ফ্লোরাইডের
সঠিক উত্তর: ক. সিলভার ব্রোমাইডের
প্রশ্নটি আলোক-সংবেদী রাসায়নিক নিয়ে। ফটোগ্রাফিক প্লেট ও ফিল্মে সিলভার ব্রোমাইডের আবরণ থাকে।
সিলভার ব্রোমাইড আলোর প্রতি অত্যন্ত সংবেদনশীল। জিলাটিনে মেশানো এর ক্ষুদ্র কেলাসে আলো পড়লে কিছু সিলভার আয়ন ধাতব রুপায় পরিণত হয় এবং একটি অদৃশ্য প্রতিচ্ছবি তৈরি হয়। ডেভেলপার দ্রবণে সেই অংশে আরও রুপা জমে, ফলে আলো পড়া অংশ কালো দেখায়।
এরপর হাইপো, অর্থাৎ সোডিয়াম থায়োসালফেট দিয়ে আলো না পড়া সিলভার ব্রোমাইড ধুয়ে ফেলা হয়, যাতে পরে আলো পড়লেও ছবি নষ্ট না হয়। একে বলে স্থায়ীকরণ।
সিলভার ক্লোরাইডও আলো-সংবেদী এবং কিছু ছাপার কাগজে ব্যবহৃত হয়, তাই এটি কাছাকাছি ফাঁদ। তবে এর সংবেদনশীলতা কম; প্লেট ও ফিল্মে প্রধানত সিলভার ব্রোমাইডই থাকে।
মনে রাখুন: ছবির প্রশ্নে রুপা আর ব্রোমিন: সিলভার ব্রোমাইড; স্থায়ীকরণে হাইপো।
৮৩. বজ্রবৃষ্টির ফলে মাটিতে উদ্ভিদের কোন খাদ্য উপাদান বৃদ্ধি পায়? (৪৪তম বিসিএস, ২০২২)
- কনাইট্রোজেন
- খপটাশিয়াম
- গঅক্সিজেন
- ঘফসফরাস
সঠিক উত্তর: ক. নাইট্রোজেন
প্রশ্নটি প্রাকৃতিক নাইট্রোজেন সংবন্ধন নিয়ে। বজ্রবৃষ্টির ফলে মাটিতে নাইট্রোজেন বাড়ে।
বাতাসের প্রায় আটাত্তর শতাংশ নাইট্রোজেন, কিন্তু উদ্ভিদ এই গ্যাস সরাসরি নিতে পারে না, কারণ নাইট্রোজেন অণুর দুই পরমাণুর বন্ধন খুব শক্ত। বজ্রপাতের প্রচণ্ড তাপ ও বিদ্যুৎ এই বন্ধন ভেঙে দেয়, ফলে নাইট্রোজেন বাতাসের অক্সিজেনের সঙ্গে মিলে নাইট্রিক অক্সাইড তৈরি করে।
নাইট্রিক অক্সাইড আরও অক্সিজেন নিয়ে নাইট্রোজেন ডাই-অক্সাইড হয়, যা বৃষ্টির পানিতে দ্রবীভূত হয়ে লঘু নাইট্রিক এসিড হিসেবে মাটিতে পড়ে। মাটিতে তা নাইট্রেট লবণে পরিণত হয়, আর উদ্ভিদ মূল দিয়ে এই নাইট্রেট শোষণ করে প্রোটিন তৈরি করে।
অক্সিজেন বিকল্পটি ফাঁদ, কারণ বিক্রিয়ায় অক্সিজেন লাগে; কিন্তু অক্সিজেন উদ্ভিদের মাটির খাদ্য উপাদান হিসেবে যোগ হয় না। পটাশিয়াম ও ফসফরাস আসে শিলা ও খনিজ থেকে, বাতাস থেকে নয়।
মনে রাখুন: বজ্রপাত হলো আকাশের সার কারখানা: বাতাসের নাইট্রোজেনকে নাইট্রেট বানায়।
৮৪. ফলিক এসিডের অন্য নাম কোনটি? (৪৪তম বিসিএস, ২০২২)
- কভিটামিন বি ১২
- খভিটামিন বি ৬
- গভিটামিন বি ১
- ঘভিটামিন বি ৯
সঠিক উত্তর: ঘ. ভিটামিন বি ৯
ভিটামিন বি আসলে একটা পরিবার, যার প্রতিটি সদস্যের একটা নম্বর আর একটা রাসায়নিক নাম আছে। ফলিক এসিড, যার প্রাকৃতিক রূপকে ফোলেট বলে, সেটি হলো ভিটামিন বি ৯।
ফলিক নামটা এসেছে লাতিন শব্দ ফোলিয়াম থেকে, যার মানে পাতা; কারণ এটি প্রথম পাওয়া গিয়েছিল সবুজ শাকপাতায়। তাই পালং শাক, ডাল, কলিজায় এটি বেশি থাকে।
ফলিক এসিড কোষ বিভাজন আর লোহিত রক্তকণিকা তৈরিতে দরকার। অভাবে রক্তস্বল্পতা হয়, আর গর্ভাবস্থায় অভাব হলে শিশুর স্নায়ুনালির ত্রুটি হতে পারে; তাই গর্ভবতী মায়েদের ফলিক এসিড দেওয়া হয়।
ফাঁদ হলো ভিটামিন বি ১২। দুটোই রক্তকণিকা তৈরিতে কাজ করে বলে একসাথে পড়ানো হয়, কিন্তু বি ১২-এর নাম সায়ানোকোবালামিন, এতে কোবাল্ট থাকে।
মনে রাখুন: ফলিক = ফোলিয়াম = পাতা; শাকপাতার ভিটামিন বি ৯।
৮৫. যে কারণে শৈশব-অন্ধত্ব হতে পারে তা হলো – (৪৪তম বিসিএস, ২০২২)
- কএইচআইভি/এইডস
- খম্যালেরিয়া
- গহাম
- ঘযক্ষা
সঠিক উত্তর: গ. হাম
প্রশ্নটি শিশুদের অন্ধত্বের একটি প্রতিরোধযোগ্য কারণ নিয়ে। দেওয়া বিকল্পগুলোর মধ্যে উত্তর হাম।
হাম হলে শিশুর দেহে ভিটামিন এ দ্রুত কমে যায়। ভিটামিন এ চোখের কর্নিয়া সুস্থ রাখতে আর অল্প আলোয় দেখতে অপরিহার্য। তাই আগে থেকেই অপুষ্টি বা ভিটামিন এ-র ঘাটতি থাকলে হামের সময় কর্নিয়ায় ঘা হয়, দাগ পড়ে, এবং শিশু চিরতরে অন্ধ হয়ে যেতে পারে।
নিম্ন আয়ের দেশগুলোতে হাম শৈশব-অন্ধত্বের অন্যতম প্রধান কারণ। এ কারণে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা হামে আক্রান্ত শিশুকে ভিটামিন এ দেওয়ার পরামর্শ দেয়, আর হামের টিকা এই অন্ধত্ব অনেকটাই কমিয়েছে।
এইচআইভি, ম্যালেরিয়া ও যক্ষ্মা গুরুতর রোগ হলেও শিশুদের অন্ধত্বের প্রধান কারণ হিসেবে পরিচিত নয়।
মনে রাখুন: শৈশব-অন্ধত্ব মানেই ভিটামিন এ-র ঘাটতি, আর হাম সেই ঘাটতিকে তীব্র করে।
৮৬. শিশুদের ভিটামিন এ ক্যাপসুল দিতে হয় – (৪৪তম বিসিএস, ২০২২)
- কবছরে একবার
- খবছরে দুইবার
- গবছরে তিনবার
- ঘএর কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর: খ. বছরে দুইবার
প্রশ্নটি শিশুদের ভিটামিন এ ক্যাপসুল খাওয়ানোর নিয়ম নিয়ে। বাংলাদেশে শিশুদের বছরে দুইবার, অর্থাৎ প্রতি ছয় মাসে একবার, ভিটামিন এ ক্যাপসুল খাওয়ানো হয়।
জাতীয় ভিটামিন এ প্লাস ক্যাম্পেইনে ছয় থেকে ঊনষাট মাস বয়সী শিশুরা এই ক্যাপসুল পায়। ছয় থেকে এগারো মাসের শিশুকে দেওয়া হয় নীল রঙের ক্যাপসুল, আর বারো থেকে ঊনষাট মাসের শিশুকে লাল রঙের ক্যাপসুল, যাতে মাত্রা বেশি।
কেন ছয় মাস পরপর? ভিটামিন এ চর্বিতে দ্রবণীয়, একটি বড় মাত্রা খেলে তা যকৃতে জমা থাকে এবং প্রায় চার থেকে ছয় মাস দেহের চাহিদা মেটায়। তাই বছরে দুবার দিলে সারা বছর সুরক্ষা থাকে। এটি রাতকানা ও শিশু-অন্ধত্ব প্রতিরোধ করে এবং হাম ও ডায়রিয়ায় মৃত্যুঝুঁকি কমায়।
বছরে একবার দিলে মাঝের কয়েক মাস সুরক্ষা থাকে না, আর বেশি ঘন ঘন দিলে মাত্রাতিরিক্ত ভিটামিন এ ক্ষতিকর হতে পারে।
মনে রাখুন: ভিটামিন এ ক্যাপসুল: ছয় মাস পরপর, বছরে দুবার; নীল ছোটদের, লাল বড়দের।
৮৭. ব্যাকটেরিয়ার গতিশীলতার জন্য তার যে গঠন দায়ী তা হলো - (৪৪তম বিসিএস, ২০২২)
- কপিল্লি
- খফ্লাজেলা
- গশীথ
- ঘক্যাপসুলস
সঠিক উত্তর: খ. ফ্লাজেলা
প্রশ্নটি ব্যাকটেরিয়ার কোষের অংশ ও তাদের কাজ নিয়ে। ব্যাকটেরিয়ার চলনের জন্য দায়ী ফ্লাজেলা।
ফ্লাজেলা হলো কোষের গা থেকে বের হওয়া লম্বা, চাবুকের মতো সূত্র। এর গোড়ায় একটি ক্ষুদ্র ঘূর্ণায়মান মোটরের মতো কাঠামো থাকে, যা ফ্লাজেলামকে প্রপেলারের মতো ঘুরিয়ে ব্যাকটেরিয়াকে তরলে সামনে ঠেলে দেয়। ফ্লাজেলার সংখ্যা ও অবস্থান দেখে ব্যাকটেরিয়ার শ্রেণিবিন্যাসও করা হয়।
পিলি ফ্লাজেলার চেয়ে ছোট ও সরু, এগুলো দিয়ে ব্যাকটেরিয়া কোনো তলে আঁকড়ে থাকে; বিশেষ ধরনের পিলি দিয়ে দুটি ব্যাকটেরিয়ার মধ্যে জিন আদান-প্রদান বা কনজুগেশন হয়। ক্যাপসুল কোষপ্রাচীরের বাইরের পিচ্ছিল আবরণ, যা শ্বেত রক্তকণিকার আক্রমণ থেকে রক্ষা করে। শীথ কিছু সূত্রাকার ব্যাকটেরিয়ার নলের মতো সুরক্ষা আবরণ।
পিলিও কোষের বাইরের সূত্র বলে ফ্লাজেলার সঙ্গে গুলিয়ে যায়; কিন্তু পিলি আঁকড়ে ধরে, ফ্লাজেলা সাঁতার কাটায়।
মনে রাখুন: চলন মানেই ফ্লাজেলা; আঁকড়ে ধরা পিলি, সুরক্ষা ক্যাপসুল।
৮৮. ‘কেপলার-৪৫২বি’ কী? (৪৪তম বিসিএস, ২০২২)
- কএকটি মহাকাশযান
- খপৃথিবীর মতো একটি গ্রহ
- গসূর্যের মতো একটি নক্ষত্র
- ঘNASA-এর অত্যাধুনিক টেলিস্কোপ
সঠিক উত্তর: খ. পৃথিবীর মতো একটি গ্রহ
প্রশ্নটি একটি বহির্গ্রহ নিয়ে। কেপলার-চারশো বাহান্ন-বি পৃথিবীর মতো একটি গ্রহ।
নাসার কেপলার মহাকাশ টেলিস্কোপের তথ্য থেকে দুই হাজার পনেরো সালের জুলাইয়ে এই গ্রহের কথা ঘোষণা করা হয়। এটি কেপলার-চারশো বাহান্ন নামের এক সূর্যসদৃশ নক্ষত্রকে প্রায় তিনশো পঁচাশি দিনে একবার ঘোরে, যা পৃথিবীর বছরের খুব কাছাকাছি। গ্রহটির ব্যাস পৃথিবীর প্রায় দেড় গুণের একটু বেশি।
গ্রহটি নক্ষত্রের বাসযোগ্য অঞ্চলে অবস্থিত, অর্থাৎ এমন দূরত্বে যেখানে তরল পানি থাকা সম্ভব। এই মিলগুলোর জন্য সংবাদমাধ্যম একে পৃথিবীর বড় ও বয়স্ক জ্ঞাতিভাই বলে ডাকে।
নামের শেষের বি অক্ষর দেখেই বোঝা যায় এটি গ্রহ: কোনো নক্ষত্রের প্রথম আবিষ্কৃত গ্রহের নামে বি যোগ হয়। কেপলার নাম দেখে মহাকাশযান বা টেলিস্কোপ ভাবা এখানে প্রধান ফাঁদ; কেপলার টেলিস্কোপটি আবিষ্কারের যন্ত্র, গ্রহটি নয়।
মনে রাখুন: নক্ষত্রের নামের শেষে ছোট হাতের বি, সি, ডি থাকলে সেটি গ্রহ।
৮৯. ধারালো যন্ত্রপাতি জীবাণুমুক্ত করার ভাল পদ্ধতি – (৪৪তম বিসিএস, ২০২২)
- কবয়লিং
- খবেনজিন ওয়াশ
- গফরমালিন ওয়াশ
- ঘকেমিক্যাল স্টেরিলাইজেশন
সঠিক উত্তর: ঘ. কেমিক্যাল স্টেরিলাইজেশন
প্রশ্নটি ধারালো যন্ত্রপাতি জীবাণুমুক্ত করার পদ্ধতি নিয়ে। দেওয়া বিকল্পগুলোর মধ্যে সবচেয়ে উপযুক্ত কেমিক্যাল স্টেরিলাইজেশন, অর্থাৎ রাসায়নিক জীবাণুমুক্তকরণ।
জীবাণুমুক্তকরণ মানে ব্যাকটেরিয়ার কঠিন স্পোরসহ সব জীবাণু ধ্বংস করা। শুধু পানিতে ফোটালে তাপমাত্রা একশো ডিগ্রি সেলসিয়াসের বেশি ওঠে না, তাতে অনেক স্পোর বেঁচে যায়; আবার বারবার ফোটালে ও ভেজা অবস্থায় রাখলে কাঁচি, ব্লেড বা সূক্ষ্ম ধারালো যন্ত্রে মরিচা ধরে, ধার কমে।
রাসায়নিক পদ্ধতিতে যন্ত্রকে গ্লুটারালডিহাইডের মতো শক্তিশালী জীবাণুনাশক দ্রবণে নির্দিষ্ট সময় ডুবিয়ে রাখা হয়। এতে তাপ লাগে না, তাই ধার নষ্ট হয় না। তবে বাস্তবে হাসপাতালে তাপ সহনশীল অনেক যন্ত্র অটোক্লেভে, অর্থাৎ চাপযুক্ত বাষ্পে, আর ধারালো যন্ত্র শুষ্ক তাপের হট এয়ার ওভেনেও জীবাণুমুক্ত করা হয়; এগুলো এখানে বিকল্পে নেই।
ফরমালিন ওয়াশ বিকল্পটি কাছাকাছি ফাঁদ। ফরমালিন রাসায়নিক জীবাণুনাশক ঠিকই, কিন্তু শুধু ধুয়ে নিলে যথেষ্ট সংস্পর্শ হয় না, আর এর বাষ্প বিষাক্ত ও ক্যান্সার সৃষ্টিকারী। পূর্ণ রাসায়নিক পদ্ধতিটিই সঠিক উত্তর।
মনে রাখুন: তাপে ক্ষতি হয় এমন যন্ত্র মানেই রাসায়নিক জীবাণুমুক্তকরণ।
৯০. সাবানের আয়নিক গ্রুপ হলো - (৪৪তম বিসিএস, ২০২২)
- কR3NH+
- খSO3-Na+
- গR2NH2+
- ঘCOO-Na+
সঠিক উত্তর: ঘ. COO-Na+
প্রশ্নটি সাবানের রাসায়নিক গঠন নিয়ে। সাবানের আয়নিক গ্রুপ হলো কার্বক্সিলেট আয়ন ও সোডিয়াম আয়ন, পড়লে সি ও ও মাইনাস, এন এ প্লাস।
সাবান তৈরি হয় চর্বি বা তেলকে কস্টিক সোডা দিয়ে ফুটিয়ে; একে বলে সাবানীকরণ। এতে তৈরি হয় দীর্ঘ শিকলের ফ্যাটি এসিডের সোডিয়াম লবণ, সঙ্গে গ্লিসারিন। সাবানের অণুর এক প্রান্তে লম্বা হাইড্রোকার্বন লেজ, যা তেল ও ময়লার দিকে টানে; অন্য প্রান্তে আয়নিক কার্বক্সিলেট মাথা, যা পানির দিকে টানে।
এভাবে সাবানের অণু তেলের কণাকে ঘিরে ছোট বলের মতো মাইসেল তৈরি করে, আর পানিতে ধুয়ে ময়লা বেরিয়ে যায়। খর পানিতে ক্যালসিয়াম ও ম্যাগনেসিয়াম আয়ন কার্বক্সিলেটের সঙ্গে অদ্রবণীয় গাদ তৈরি করে, তাই সাবানে ফেনা কম হয়।
সালফোনেট গ্রুপটি ফাঁদ; এটি সিন্থেটিক ডিটারজেন্টের আয়নিক গ্রুপ, সাবানের নয়। ডিটারজেন্ট খর পানিতেও ভালো কাজ করে এ কারণেই। নাইট্রোজেনযুক্ত ধনাত্মক গ্রুপগুলো ক্যাটায়নিক পরিষ্কারকের, যেমন কাপড় নরম করার দ্রব্যে।
মনে রাখুন: সাবানে কার্বক্সিলেট, ডিটারজেন্টে সালফোনেট।
৯১. কোন জোড়াটি বেমানান? (৪৪তম বিসিএস, ২০২২)
- কযক্ষ্মার জীবাণু : রবার্ট কচ
- খহোমিওপ্যাথি: হ্যানিম্যান
- গব্যাকটেরিয়া : রবার্ট হুক
- ঘএনাটমি : ভেসলিয়াস
সঠিক উত্তর: গ. ব্যাকটেরিয়া : রবার্ট হুক
প্রশ্নটি বিজ্ঞানের ইতিহাসে কে কী আবিষ্কার বা প্রবর্তন করেছেন, সেই জোড়া মেলানোর দক্ষতা যাচাই করছে। চারটির মধ্যে যে জোড়ায় বিজ্ঞানী ও আবিষ্কার মেলে না, সেটিই বেমানান।
ব্যাকটেরিয়া প্রথম দেখেন ওলন্দাজ বিজ্ঞানী অ্যান্টনি ভন লিউয়েনহুক, ১৬৭৬ সালের দিকে, নিজের বানানো অণুবীক্ষণ যন্ত্রে। রবার্ট হুক ১৬৬৫ সালে কর্কের পাতলা টুকরায় ছোট ছোট খোপ দেখে তার নাম দেন কোষ। তাই ব্যাকটেরিয়ার সঙ্গে হুকের জোড়াটি ভুল।
বাকি তিনটি জোড়া ঠিক। রবার্ট কখ ১৮৮২ সালে যক্ষ্মার জীবাণু শনাক্ত করেন। জার্মান চিকিৎসক স্যামুয়েল হ্যানিম্যান হোমিওপ্যাথি চিকিৎসার প্রবর্তক। আন্দ্রেয়াস ভেসালিয়াস ১৫৪৩ সালে মানবদেহের ব্যবচ্ছেদভিত্তিক বই লিখে আধুনিক শারীরস্থানবিদ্যা বা এনাটমির জনক হন।
ফাঁদ হলো দুই নামের মিল: হুক আর লিউয়েনহুক। দুজনেই প্রথম যুগের অণুবীক্ষণ যন্ত্র নিয়ে কাজ করেছেন, কিন্তু হুক দেখেছেন কোষ, লিউয়েনহুক দেখেছেন জীবাণু।
মনে রাখুন: নামে হুক থাকলেই কোষ নয়: শুধু রবার্ট হুক কোষ, লিউয়েনহুক জীবাণু।
৯২. এনজাইম, অ্যান্টিবডি এবং হরমোন-এর মৌলিক উপাদান – (৪৪তম বিসিএস, ২০২২)
- কপ্রোটিন
- খক্যালসিয়াম
- গভিটামিন
- ঘলবণ
সঠিক উত্তর: ক. প্রোটিন
প্রশ্নটি জানতে চাইছে দেহের তিনটি গুরুত্বপূর্ণ জৈব অণু, এনজাইম, অ্যান্টিবডি ও হরমোন, মূলত কী দিয়ে তৈরি। উত্তর প্রোটিন বা আমিষ।
এনজাইম হলো জৈব অনুঘটক, যেমন লালার অ্যামাইলেজ; প্রায় সব এনজাইমই প্রোটিন। অ্যান্টিবডি হলো ইমিউনোগ্লোবিউলিন নামের ইংরেজি ওয়াই আকৃতির প্রোটিন, যা জীবাণু চিনে আটকে দেয়।
অনেক হরমোন, যেমন ইনসুলিন ও বৃদ্ধি হরমোন, প্রোটিন বা পেপটাইড দিয়ে তৈরি। তবে সব হরমোন প্রোটিন নয়; যৌন হরমোন ও কর্টিসল স্টেরয়েড জাতীয়। তিনটিকে একসঙ্গে ধরলে সাধারণ মৌলিক উপাদান প্রোটিনই।
ক্যালসিয়াম ও লবণ খনিজ উপাদান, আর ভিটামিন নিজে এনজাইমের সহায়ক হতে পারে, কিন্তু এদের কোনোটিই এই অণুগুলোর মূল কাঠামো নয়।
মনে রাখুন: এনজাইম, অ্যান্টিবডি, হরমোন একসঙ্গে এলে উত্তর প্রোটিন।
৯৩. পরম শূন্য তাপমাত্রা কোনটি? (৪৪তম বিসিএস, ২০২২)
- ক২৭৩° সেন্টিগ্রেড
- খ-২৭৩° ফারেনহাইট
- গ০° সেন্টিগ্রেড
- ঘ০° কেলভিন
সঠিক উত্তর: ঘ. ০° কেলভিন
পরম শূন্য হলো তাপমাত্রার সর্বনিম্ন সম্ভাব্য সীমা, যেখানে অণু-পরমাণুর তাপীয় গতি ন্যূনতম। কেলভিন স্কেল এই বিন্দু থেকেই গোনা শুরু হয়, তাই পরম শূন্য মানে শূন্য কেলভিন।
সেলসিয়াস থেকে কেলভিনে যেতে ২৭৩ দশমিক ১৫ যোগ করতে হয়। তাই শূন্য কেলভিন সমান ঋণাত্মক ২৭৩ দশমিক ১৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। ফারেনহাইটে এটি ঋণাত্মক ৪৫৯ দশমিক ৬৭ ডিগ্রি।
কেলভিন স্কেলে ঋণাত্মক তাপমাত্রা নেই, এবং কেলভিনের সঙ্গে ডিগ্রি চিহ্ন লেখা হয় না। শূন্য ডিগ্রি সেলসিয়াস হলো পানির বরফ হওয়ার তাপমাত্রা, পরম শূন্য নয়।
ফাঁদ হলো ঋণাত্মক ২৭৩ ফারেনহাইট বিকল্পটি। সংখ্যাটা ঠিক মনে হলেও একক ভুল; ঋণাত্মক ২৭৩ হয় সেলসিয়াসে। আবার ধনাত্মক ২৭৩ সেলসিয়াসে চিহ্নই ভুল।
মনে রাখুন: পরম শূন্য: শূন্য কেলভিন, ঋণাত্মক ২৭৩ সেলসিয়াস, ঋণাত্মক ৪৬০ ফারেনহাইটের কাছাকাছি।
৯৪. আদর্শ ভোল্টেজ উৎসের অভ্যন্তরীণ রোধ কত? (৪৪তম বিসিএস, ২০২২)
- কঅসীম
- খশূন্য
- গঅতি ক্ষুদ্র
- ঘঅনেক বড়
সঠিক উত্তর: খ. শূন্য
প্রতিটি বাস্তব ব্যাটারি বা উৎসের ভেতরে কিছু রোধ থাকে, যাকে অভ্যন্তরীণ রোধ বলে। প্রবাহ চললে এই রোধে কিছু ভোল্টেজ খরচ হয়, ফলে বাইরের প্রান্তে ভোল্টেজ কমে যায়।
সূত্রটি হলো: প্রান্তীয় ভোল্টেজ সমান তড়িচ্চালক শক্তি বিয়োগ প্রবাহ গুণ অভ্যন্তরীণ রোধ। অভ্যন্তরীণ রোধ শূন্য হলে বিয়োগের অংশটা শূন্য হয়, তখন লোড যত বড় বা ছোটই হোক, ভোল্টেজ একই থাকে।
যে উৎস সব অবস্থায় একই ভোল্টেজ দেয়, সেটিই আদর্শ ভোল্টেজ উৎস। তাই এর অভ্যন্তরীণ রোধ শূন্য। উল্টো দিকে আদর্শ প্রবাহ বা কারেন্ট উৎসের অভ্যন্তরীণ রোধ অসীম।
ফাঁদ হলো অতি ক্ষুদ্র বিকল্পটি। বাস্তব ভালো ব্যাটারির রোধ অতি ক্ষুদ্র হয়, কিন্তু আদর্শ মানে পুরোপুরি শূন্য। আর অসীম রোধ আদর্শ কারেন্ট উৎসের বৈশিষ্ট্য।
মনে রাখুন: আদর্শ ভোল্টেজ উৎস শূন্য, আদর্শ কারেন্ট উৎস অসীম অভ্যন্তরীণ রোধ।
৯৫. What color does Yellow and Green make? (সমন্বিত ৫ ব্যাংক: অফিসার, ক্যাশ) (২০২২)
- কLime
- খOcean mist
- গMaroon
- ঘTangerine
সঠিক উত্তর: ক. Lime
প্রশ্নটা রং মেশানো নিয়ে। হলুদ আর সবুজ মেশালে পাওয়া যায় হলুদাভ সবুজ রং, যাকে ইংরেজিতে লাইম বা yellow green বলা হয়। কাগুজি লেবুর খোসার মতো উজ্জ্বল সবুজ রং এটি।
রঙের চাকায় হলুদ আর সবুজ পাশাপাশি থাকে। পাশাপাশি দুটো রং মেশালে মাঝামাঝি একটা রং তৈরি হয়; হলুদ আর সবুজের মাঝখানের রং লাইম, যার আরেক নাম শার্ট্রুজ।
অন্য অপশনগুলো আসে অন্য মিশ্রণ থেকে। ট্যানজেরিন হলো কমলা ধাঁচের রং, যা আসে লাল আর হলুদ থেকে। মেরুন গাঢ় লালচে বাদামি রং। ওশান মিস্ট হালকা নীলচে সবুজ।
নামগুলো অচেনা লাগলেও রঙের চাকা মনে রাখলে সহজে বাদ দেওয়া যায়।
মনে রাখুন: চাকায় পাশাপাশি দুই রং মেশালে মাঝের রং: হলুদ আর সবুজের মাঝে লাইম।
৯৬. Fathometer is used to measure. (সমন্বিত ৫ ব্যাংক: অফিসার, ক্যাশ) (২০২২)
- কEarthquakes
- খRainfall
- গOcean depth
- ঘSound intensity
সঠিক উত্তর: গ. Ocean depth
ফ্যাদোমিটার দিয়ে সমুদ্রের গভীরতা মাপা হয়। নামটা এসেছে ফ্যাদম থেকে, যা পানির গভীরতা মাপার পুরনো একক; এক ফ্যাদম সমান ৬ ফুট।
যন্ত্রটি জাহাজ থেকে নিচে শব্দতরঙ্গ পাঠায়। তরঙ্গ সমুদ্রের তলায় ধাক্কা খেয়ে প্রতিধ্বনি হয়ে ফিরে আসে। যাওয়া আসার সময় আর পানিতে শব্দের বেগ জানলে গভীরতা বের হয়: বেগ গুণ সময়, তারপর ২ দিয়ে ভাগ। এজন্য একে প্রতিধ্বনি শব্দমাপক যন্ত্র বা ইকো সাউন্ডারও বলে।
অন্য মাপার যন্ত্রগুলো আলাদা: ভূমিকম্প মাপে সিসমোগ্রাফ, বৃষ্টিপাত মাপে রেইন গেজ, শব্দের তীব্রতা মাপে অডিওমিটার বা সাউন্ড লেভেল মিটার, যার একক ডেসিবেল।
নামের মিটার অংশ দেখে অনেকে শব্দ মাপার যন্ত্র ভাবেন; ফ্যাদোমিটার শব্দ ব্যবহার করে ঠিকই, কিন্তু মাপে গভীরতা।
মনে রাখুন: ফ্যাদম মানেই গভীরতা; তাই ফ্যাদোমিটার সাগরের গভীরতা মাপে।
৯৭. Light Year is related to (সমন্বিত ৫ ব্যাংক: অফিসার, ক্যাশ) (২০২২)
- কenergy
- খspeed
- গdistance
- ঘintensity
সঠিক উত্তর: গ. distance
আলোকবর্ষ নামের মধ্যে বর্ষ শব্দ থাকলেও এটা সময়ের একক নয়, দূরত্বের একক। আলো শূন্য মাধ্যমে এক বছরে যতটা পথ যায়, সেই দূরত্বকেই এক আলোকবর্ষ বলে।
আলোর বেগ সেকেন্ডে প্রায় ৩ লাখ কিলোমিটার। এক বছরের সেকেন্ড সংখ্যা দিয়ে গুণ করলে এক আলোকবর্ষ দাঁড়ায় প্রায় ৯ দশমিক ৪৬ লক্ষ কোটি কিলোমিটার।
এত বড় একক লাগে কারণ নক্ষত্রগুলো অনেক দূরে। যেমন সূর্যের পরে সবচেয়ে কাছের নক্ষত্র প্রক্সিমা সেন্টরি প্রায় ৪ দশমিক ২ আলোকবর্ষ দূরে।
ফাঁদ হলো বেগ: আলোর বেগ থেকে হিসাব হয় বলে অনেকে আলোকবর্ষকে বেগের একক ভাবেন; কিন্তু বেগ গুণ সময় মানে দূরত্ব।
মনে রাখুন: বেগ গুণ সময় = দূরত্ব; তাই আলোকবর্ষ দূরত্বের একক।
৯৮. Which instrument is used to see objects at the surface of water from a submarine underwater? (সমন্বিত ৫ ব্যাংক: অফিসার, ক্যাশ) (২০২২)
- কkaleidoscope
- খperiscope
- গspectroscope
- ঘtelescope
সঠিক উত্তর: খ. periscope
ডুবোজাহাজ পানির নিচে থেকে পানির উপরের জাহাজ বা বস্তু দেখতে পেরিস্কোপ ব্যবহার করে।
পেরিস্কোপ একটি লম্বা নল, যার দুই প্রান্তে দুটি সমতল দর্পণ বা প্রিজম পরস্পরের সমান্তরালে ৪৫ ডিগ্রি কোণে বসানো থাকে। উপরের দর্পণে আলো প্রতিফলিত হয়ে নিচে নামে, নিচের দর্পণ তা চোখের দিকে পাঠায়।
এটি আলোর প্রতিফলনের নীতিতে কাজ করে। ট্যাংক, পরিখা বা ভিড়ের পেছন থেকে দেখতেও পেরিস্কোপ লাগে।
টেলিস্কোপ দূরের বস্তু বড় করে দেখায়, কিন্তু পানির নিচ থেকে উপরে দেখার জন্য আলোর পথ বাঁকাতে পারে না; এটাই প্রধান ফাঁদ।
মনে রাখুন: উঁকি দেওয়ার যন্ত্র = পেরিস্কোপ (peri মানে চারপাশ)।
৯৯. What color do green and red make? (সমন্বিত ৮ ব্যাংক: অফিসার, ২০২২)
- কWhite
- খMaroon
- গYellow
- ঘPurple
সঠিক উত্তর: গ. Yellow
প্রশ্নটা আলোর রং মেশানোর নিয়ম পরীক্ষা করছে। আলোর তিনটি মৌলিক রং হলো লাল, সবুজ ও নীল। এদের মেশালে রং যোগ হয়ে উজ্জ্বল হয়, একে বলে যোজন বা additive মিশ্রণ।
লাল আর সবুজ আলো একসাথে চোখে পড়লে আমরা হলুদ দেখি। একইভাবে সবুজ আর নীল মিলে সায়ান, লাল আর নীল মিলে ম্যাজেন্টা হয়। তিনটি একসাথে মেশালে হয় সাদা।
মনে রাখবেন, রঙের তুলিতে বা পেইন্টে লাল আর সবুজ মেশালে বাদামি ধরনের ঘোলা রং হয়, কারণ রঞ্জক আলো শুষে নেয়। কিন্তু অপশনে বাদামি নেই, আর প্রশ্ন বিজ্ঞানের মৌলিক রং মিশ্রণ জানতে চাইছে; তাই উত্তর হলুদ।
ফাঁদ হলো সাদা: সাদা হতে তিনটি মৌলিক রংই লাগে, শুধু লাল আর সবুজে হয় না। বেগুনি বা ম্যাজেন্টা ধরনের রং আসে লাল আর নীল মেশালে।
মনে রাখুন: টিভি বা মোবাইলের পর্দা RGB দিয়ে চলে; পর্দার হলুদ আসলে লাল আর সবুজ পিক্সেল একসাথে জ্বলে।
১০০. Which living bird lays the world's largest egg? (সমন্বিত ৮ ব্যাংক: অফিসার, ২০২২)
- কEagle
- খOstrich
- গOwl
- ঘVulture
সঠিক উত্তর: খ. Ostrich
জীবিত পাখিদের মধ্যে সবচেয়ে বড় ডিম পাড়ে উটপাখি। কারণ উটপাখি নিজেই পৃথিবীর সবচেয়ে বড় ও ভারী জীবিত পাখি; একটি ডিম প্রায় দেড় কেজির মতো ভারী হয়।
উটপাখি উড়তে পারে না, কিন্তু দৌড়ে সবচেয়ে দ্রুত পাখি। এর আদি নিবাস আফ্রিকা। তবে শরীরের তুলনায় সবচেয়ে বড় ডিম পাড়ে নিউজিল্যান্ডের কিউই পাখি; প্রশ্ন আকারের কথা জানতে চাইলে উত্তর উটপাখি।
ঈগল, পেঁচা ও শকুন উড়ন্ত শিকারি বা মৃতভোজী পাখি; ওড়ার জন্য এদের শরীর হালকা, তাই ডিমও তুলনামূলক ছোট। প্রশ্নে living শব্দটা আছে, কারণ বিলুপ্ত এলিফ্যান্ট বার্ডের ডিম উটপাখির চেয়েও বড় ছিল।
মনে রাখুন: সবচেয়ে বড় পাখি, সবচেয়ে বড় ডিম, সবচেয়ে দ্রুত দৌড়: তিনটিই উটপাখি।