সাধারণ বিজ্ঞান · পাতা ১১
২০১. কোন ধাতু স্বাভাবিক তাপমাত্রায় তরল থাকে? (৩৩তম বিসিএস, ২০১২)
- কপারদ
- খলিথিয়াম
- গজার্মেনিয়াম
- ঘইউরেনিয়াম
সঠিক উত্তর: ক. পারদ
সাধারণ তাপমাত্রা ও চাপে তরল থাকে এমন একমাত্র ধাতু পারদ। এটি শূন্যের নিচে প্রায় ঊনচল্লিশ ডিগ্রি সেলসিয়াসে জমে, তাই ঘরের তাপমাত্রায় তরল।
তরল ও ভারী বলে এবং তাপে সমানভাবে প্রসারিত হয় বলে পারদ পুরোনো থার্মোমিটার ও ব্যারোমিটারে ব্যবহৃত হতো। পারদের বাষ্প বিষাক্ত, তাই ভাঙা থার্মোমিটার সাবধানে পরিষ্কার করতে হয়।
অধাতুর মধ্যে ব্রোমিন সাধারণ তাপমাত্রায় তরল। গ্যালিয়াম ও সিজিয়ামের মতো কিছু ধাতু ঘরের তাপমাত্রার একটু ওপরেই গলে, কিন্তু সাধারণ তাপমাত্রায় কঠিন থাকে।
বাকি বিকল্পগুলো সাধারণ তাপমাত্রায় কঠিন: লিথিয়াম সবচেয়ে হালকা ধাতু, জার্মেনিয়াম অর্ধপরিবাহী উপধাতু, ইউরেনিয়াম ভারী তেজস্ক্রিয় ধাতু।
মনে রাখুন: তরল ধাতু পারদ, তরল অধাতু ব্রোমিন: এই জোড়াটাই মনে রাখুন।
২০২. স্টেইনলেস স্টীলের অন্যতম উপাদান- (৩৩তম বিসিএস, ২০১২)
- কতামা
- খদস্তা
- গক্রোমিয়াম
- ঘএলুমিনিয়াম
সঠিক উত্তর: গ. ক্রোমিয়াম
স্টেইনলেস স্টিল হলো মরিচারোধী ইস্পাত: লোহার সঙ্গে অন্তত সাড়ে দশ শতাংশ ক্রোমিয়াম মেশানো সংকর। ক্রোমিয়ামই একে মরিচা থেকে রক্ষা করে, তাই এটি অন্যতম প্রধান উপাদান।
কেন মরিচা পড়ে না: ক্রোমিয়াম বাতাসের অক্সিজেনের সঙ্গে বিক্রিয়া করে ইস্পাতের ওপর খুব পাতলা, অদৃশ্য ক্রোমিয়াম অক্সাইডের আস্তরণ তৈরি করে। এই আস্তরণ অক্সিজেনকে ভেতরের লোহায় পৌঁছাতে দেয় না, আর আঁচড় লাগলে নিজে থেকে আবার তৈরি হয়।
সাধারণ লোহার মরিচা ঝুরঝুরে, খসে পড়ে নতুন ধাতু উন্মুক্ত করে, তাই মরিচা ছড়াতেই থাকে। প্রয়োজন অনুযায়ী স্টেইনলেস স্টিলে নিকেল ও মলিবডেনামও মেশানো হয়, যা ক্ষয়রোধ আরও বাড়ায়।
ফাঁদ হলো দস্তা। দস্তার প্রলেপও লোহাকে মরিচা থেকে বাঁচায়, তবে সেটি গ্যালভানাইজিং, যেমন ঢেউটিনে; স্টেইনলেস স্টিলের সংজ্ঞাগত উপাদান ক্রোমিয়াম।
মনে রাখুন: স্টেইনলেস মানে দাগহীন, আর দাগহীনতার চাবি ক্রোমিয়াম।
২০৩. সর্বাপেক্ষা হালকা গ্যাস- (৩৩তম বিসিএস, ২০১২)
- কঅক্সিজেন
- খহাইড্রোজেন
- গর্যাডন
- ঘনাইট্রোজেন
সঠিক উত্তর: খ. হাইড্রোজেন
একই তাপমাত্রা ও চাপে সমান আয়তনের গ্যাসে সমান সংখ্যক অণু থাকে। তাই কোন গ্যাস কত হালকা, তা বোঝা যায় অণুর ভর দেখে: যার আণবিক ভর কম, সে তত হালকা।
হাইড্রোজেন অণুতে দুটি হাইড্রোজেন পরমাণু, আণবিক ভর মাত্র দুই। নাইট্রোজেন অণুর ভর আটাশ, অক্সিজেন অণুর বত্রিশ, আর র্যাডনের পরমাণুর ভর প্রায় দুইশো বাইশ। তাই সবচেয়ে হালকা গ্যাস হাইড্রোজেন।
হাইড্রোজেন সবচেয়ে হালকা মৌলও, কারণ এর পরমাণুতে মাত্র একটি প্রোটন ও একটি ইলেকট্রন। হালকা বলে একসময় বেলুন ও আকাশযানে ব্যবহৃত হতো, তবে এটি সহজে দাহ্য।
র্যাডন ঠিক উল্টো প্রান্তে: প্রকৃতিতে পাওয়া নিষ্ক্রিয় গ্যাসগুলোর মধ্যে এটি সবচেয়ে ভারী এবং তেজস্ক্রিয়।
মনে রাখুন: গ্যাসের হালকা ভারী বোঝার শর্টকাট: আণবিক ভর তুলনা করুন; পর্যায় সারণির প্রথম মৌলই সবচেয়ে হালকা।
২০৪. ভারী পানির রাসায়নিক সংকেত- (৩৩তম বিসিএস, ২০১২)
- ক2H2O2
- খH2O
- গD2O
- ঘHD2O2
সঠিক উত্তর: গ. D2O
ভারী পানির রাসায়নিক নাম ডিউটেরিয়াম অক্সাইড। সাধারণ পানির অণুর দুটি হাইড্রোজেনের জায়গায় এখানে থাকে হাইড্রোজেনের ভারী আইসোটোপ ডিউটেরিয়াম, যার প্রতীক ডি। তাই সংকেত ডি টু ও।
ডিউটেরিয়ামের নিউক্লিয়াসে একটি প্রোটনের সঙ্গে একটি নিউট্রন থাকে, তাই এর ভর প্রায় দুই, সাধারণ হাইড্রোজেনের দ্বিগুণ। এ কারণে ভারী পানির আণবিক ভর কুড়ি, সাধারণ পানির আঠারো।
রাসায়নিক আচরণে ভারী পানি প্রায় সাধারণ পানির মতো, কিন্তু নিউট্রনকে কম শোষণ করে তার গতি কমাতে পারে। এজন্য কিছু পারমাণবিক চুল্লিতে একে মডারেটর হিসেবে ব্যবহার করা হয়।
ফাঁদ হলো শেষ বিকল্পটি, যেখানে এইচ ও ডি দুটোই আছে। দেখতে বৈজ্ঞানিক লাগলেও এমন সংকেতের কোনো যৌগ পানি হিসেবে প্রচলিত নয়; পানিতে অক্সিজেন থাকে একটি।
মনে রাখুন: ভারী পানি = ডিউটেরিয়াম অক্সাইড = D₂O; ডিউটেরিয়ামের প্রতীক D।
২০৫. লোহাকে গ্যালভানাইজিং করতে ব্যবহৃত হয়- (৩৩তম বিসিএস, ২০১২)
- কতামা
- খদস্তা
- গরূপা
- ঘএলুমিনিয়াম
সঠিক উত্তর: খ. দস্তা
লোহার ওপর দস্তা বা জিংকের প্রলেপ দেওয়াকে গ্যালভানাইজিং বলে। সাধারণত পরিষ্কার লোহাকে গলিত দস্তায় ডুবিয়ে এই প্রলেপ দেওয়া হয়।
দস্তা দুইভাবে লোহাকে বাঁচায়। প্রথমত প্রলেপটি বাতাস ও পানিকে লোহা থেকে দূরে রাখে। দ্বিতীয়ত দস্তা লোহার চেয়ে বেশি সক্রিয়, তাই প্রলেপে আঁচড় লাগলেও আগে দস্তা ক্ষয় হয়, লোহা রক্ষা পায়।
আমাদের পরিচিত ঢেউটিন আসলে দস্তার প্রলেপ দেওয়া লোহার পাত, তাই একে জিআই বা গ্যালভানাইজড আয়রন শিটও বলে।
ফাঁদ হলো নামের ‘টিন’ শব্দটি। ঢেউটিনে টিন থাকে না, প্রলেপ দস্তার; টিনের প্রলেপ দেওয়া হয় খাবারের কৌটায়, সেটি গ্যালভানাইজিং নয়।
মনে রাখুন: গ্যালভানাইজিং মানেই দস্তা; ঢেউটিনের নামে টিন থাকলেও প্রলেপ দস্তার।
২০৬. সংকর ধাতু পিতলের(Brass) উপাদান- (৩৩তম বিসিএস, ২০১২)
- কতামা ও টিন
- খতামা ও দস্তা
- গতামা ও সীসা
- ঘতামা ও নিকেল
সঠিক উত্তর: খ. তামা ও দস্তা
পিতল তামা ও দস্তার সংকর ধাতু। দস্তার পরিমাণ বদলে পিতলের রং ও কাঠিন্য বদলানো যায়; এজন্য দরজার কবজা, তালা, বাদ্যযন্ত্র ও শোপিসে পিতল ব্যবহার হয়।
তামার সঙ্গে মেশানো ধাতু বদলালেই সংকরের নাম বদলে যায়। তামা ও টিন মিলে ব্রোঞ্জ; বেশি টিনের ব্রোঞ্জকে আমরা কাঁসা বলি। তামা ও নিকেল মিলে কিউপ্রোনিকেল, যা মুদ্রা তৈরিতে ব্যবহৃত হয়।
পিতল ও ব্রোঞ্জ দুটোতেই তামা থাকে বলে সহজে গুলিয়ে যায়। মনে রাখার উপায়: পিতলের দ্বিতীয় উপাদান দস্তা, ব্রোঞ্জের দ্বিতীয় উপাদান টিন।
ফাঁদ হলো তামা ও টিন। এটি পিতলের সবচেয়ে কাছের প্রতিবেশী ব্রোঞ্জের গঠন।
মনে রাখুন: পিতলে দস্তা, ব্রোঞ্জে টিন: তামা দুটোতেই আছে।
২০৭. কোনটি সিমেন্ট তৈরির অন্যতম কাঁচামাল? (৩৩তম বিসিএস, ২০১২)
- কজিপসাম
- খসালফার
- গসোডিয়াম
- ঘখনিজ লবণ
সঠিক উত্তর: ক. জিপসাম
সাধারণ পোর্টল্যান্ড সিমেন্টের প্রধান কাঁচামাল চুনাপাথর ও কাদামাটি। এগুলো খুব উচ্চ তাপে পুড়িয়ে তৈরি হয় দানাদার ক্লিংকার।
ক্লিংকারকে গুঁড়া করার সময় তার সঙ্গে অল্প পরিমাণ জিপসাম, অর্থাৎ ক্যালসিয়াম সালফেট, মেশানো হয়। জিপসাম না দিলে পানি মেশানোর সঙ্গে সঙ্গে সিমেন্ট খুব দ্রুত জমে যেত; জিপসাম জমাট বাঁধার সময় নিয়ন্ত্রণ করে, ফলে কাজ করার সময় পাওয়া যায়।
তাই বিকল্পগুলোর মধ্যে সিমেন্ট তৈরির অন্যতম কাঁচামাল জিপসাম।
ফাঁদ হলো সালফার। জিপসামের সালফেট অংশে সালফার আছে বলে কেউ কেউ সালফার বেছে নেন, কিন্তু মৌলিক সালফার সিমেন্টের কাঁচামাল নয়।
মনে রাখুন: সিমেন্ট মানে চুনাপাথর, কাদামাটি আর জিপসাম; জিপসাম জমাট বাঁধার ঘড়ি।
২০৮. বিগব্যাঙ তত্ত্বের প্রবক্তা- (৩৩তম বিসিএস, ২০১২)
- কআইনস্টাইন
- খজি. ল্যামেটার
- গস্টিফেন হকিং
- ঘগ্যালিলিও
সঠিক উত্তর: খ. জি. ল্যামেটার
বিগ ব্যাং তত্ত্বের প্রবক্তা বেলজিয়ান বিজ্ঞানী ও ক্যাথলিক যাজক জর্জ লেমেত্র। ১৯২৭ সালে তিনি প্রসারণশীল মহাবিশ্বের প্রস্তাব দেন, আর ১৯৩১ সালে বলেন মহাবিশ্বের শুরু একটি আদি পরমাণু থেকে।
যুক্তিটা সহজ: মহাবিশ্ব যদি প্রতিনিয়ত প্রসারিত হয়, তবে সময়ের উল্টো দিকে গেলে সবকিছু একসময় এক বিন্দুতে মিলিত ছিল। ১৯২৯ সালে এডউইন হাবলের পর্যবেক্ষণ দেখায় দূরের ছায়াপথগুলো সরে যাচ্ছে, যা এ ধারণাকে সমর্থন করে।
পরে জর্জ গ্যামো এ ধারণাকে বিকশিত করেন। আর ১৯৭০ সালে স্টিফেন হকিং ও রজার পেনরোজ গাণিতিকভাবে দেখান যে মহাবিশ্বের শুরু একটি অনন্যতা থেকে হওয়া অনিবার্য।
ফাঁদ হলো আইনস্টাইন ও হকিং। লেমেত্রের হিসাব আইনস্টাইনের সাধারণ আপেক্ষিকতার ওপর দাঁড়ানো, আর হকিং পরে এর তাত্ত্বিক ভিত্তি মজবুত করেন; কিন্তু প্রবক্তা লেমেত্র।
মনে রাখুন: বিগ ব্যাংয়ের জনক লেমেত্র; প্রমাণে হাবল; আধুনিক ব্যাখ্যায় হকিং।
২০৯. মহাজাগতিক রশ্মির আবিস্কারক- (৩৩তম বিসিএস, ২০১২)
- কহেস
- খআইনস্টাইন
- গটলেমি
- ঘহাবল
সঠিক উত্তর: ক. হেস
মহাজাগতিক রশ্মি হলো মহাকাশ থেকে আসা অতি উচ্চশক্তির কণার স্রোত। এর আবিষ্কারক অস্ট্রিয়ান পদার্থবিদ ভিক্টর হেস।
১৯১২ সালে হেস বেলুনে চড়ে পাঁচ কিলোমিটারের বেশি উচ্চতায় উঠে বাতাসের আয়নন মাপেন। দেখা গেল ওপরে উঠলে আয়নন কমে না, বরং ভূপৃষ্ঠের চেয়ে অনেক বেড়ে যায়। এর মানে বিকিরণটি মাটি থেকে নয়, ওপর থেকে, অর্থাৎ মহাকাশ থেকে আসছে।
এ আবিষ্কারের জন্য ১৯৩৬ সালে তিনি পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার পান; একই বছর পজিট্রন আবিষ্কারের জন্য কার্ল অ্যান্ডারসনও নোবেল পান।
বাকি বিজ্ঞানীদের অবদান আলাদা: টলেমি পৃথিবীকেন্দ্রিক মহাবিশ্বের মডেল দেন, আইনস্টাইন আপেক্ষিকতা তত্ত্ব, আর হাবল মহাবিশ্বের প্রসারণের পর্যবেক্ষণ।
মনে রাখুন: মহাজাগতিক রশ্মি মানেই হেসের বেলুন, ১৯১২।
২১০. ইউরি গ্যাগারিন মহাশূন্যে যান- (৩৩তম বিসিএস, ২০১২)
- ক১৯৫৬ সালে
- খ১৯৬১ সালে
- গ১৯৬৪ সালে
- ঘ১৯৬৯ সালে
সঠিক উত্তর: খ. ১৯৬১ সালে
সোভিয়েত নভোচারী ইউরি গ্যাগারিন ১৯৬১ সালের বারো এপ্রিল ভস্তক এক নভোযানে চড়ে প্রথম মানুষ হিসেবে মহাশূন্যে যান।
মহাকাশ দৌড়ের ক্রম মনে রাখলে উত্তর সহজ: ১৯৫৭ সালের চার অক্টোবর প্রথম কৃত্রিম উপগ্রহ স্পুটনিক এক, ১৯৬১ সালে গ্যাগারিন, ১৯৬৩ সালের ষোলো জুন ভালেন্তিনা তেরেশকোভা প্রথম নারী হিসেবে মহাশূন্যে, আর ১৯৬৯ সালের কুড়ি জুলাই অ্যাপোলো এগারোর মাধ্যমে চাঁদে প্রথম মানুষের অবতরণ।
তাই প্রথম মানুষের মহাশূন্য যাত্রা প্রথম উপগ্রহের পরে, কিন্তু প্রথম নারীর যাত্রার আগে হতেই হবে।
ফাঁদ হলো ১৯৬৯। এটি চাঁদে নামার বছর, মহাশূন্যে প্রথম যাওয়ার নয়।
মনে রাখুন: সাতান্ন উপগ্রহ, একষট্টি মানুষ, তেষট্টি নারী, ঊনসত্তর চাঁদ।
২১১. কোনটি অর্ধ-পরিবাহী (Semi-conductor) নয়? (৩১তম বিসিএস, ২০১১)
- কলোহা
- খসিলিকন
- গজার্মেনিয়াম
- ঘগ্যালিয়াম
সঠিক উত্তর: ক. লোহা
বিদ্যুৎ পরিবহনের ক্ষমতা অনুযায়ী পদার্থ তিন রকম: পরিবাহী, অর্ধপরিবাহী ও অপরিবাহী। অর্ধপরিবাহীর পরিবাহিতা মাঝামাঝি; তাপমাত্রা বাড়লে এর রোধ কমে, আর সামান্য অপদ্রব্য মিশিয়ে এর পরিবাহিতা নিয়ন্ত্রণ করা যায়। এজন্যই ডায়োড, ট্রানজিস্টর ও চিপ বানানো সম্ভব।
সিলিকন ও জার্মেনিয়াম খাঁটি অর্ধপরিবাহী মৌল; এদের শেষ স্তরে চারটি ইলেকট্রন থাকে। গ্যালিয়াম মৌল হিসেবে ধাতু হলেও আর্সেনিকের সঙ্গে গ্যালিয়াম আর্সেনাইড ও নাইট্রোজেনের সঙ্গে গ্যালিয়াম নাইট্রাইড নামের অর্ধপরিবাহী যৌগ তৈরি করে, আর সিলিকনে অপদ্রব্য হিসেবেও মেশানো হয়।
লোহা একটি সাধারণ ধাতু। এতে প্রচুর মুক্ত ইলেকট্রন থাকে, তাই এটি সুপরিবাহী; অর্ধপরিবাহী প্রযুক্তিতে এর কোনো ভূমিকা নেই। তাই উত্তর লোহা।
ফাঁদ হলো গ্যালিয়াম। নামটা অপরিচিত বলে কেউ কেউ একেই বাদ দিতে চান, কিন্তু এলইডি ও উচ্চগতির চিপে গ্যালিয়ামের যৌগই অর্ধপরিবাহী হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
মনে রাখুন: অর্ধপরিবাহীর তালিকায় সিলিকন, জার্মেনিয়াম ও গ্যালিয়ামের যৌগ; তামা, লোহা, রুপার মতো সাধারণ ধাতু থাকলে সেটিই বাদ।
২১২. আইসোটোপের ক্ষেত্রে কোনটি সঠিক? (৩১তম বিসিএস, ২০১১)
- কভর সংখ্যা সমান থাকে
- খনিউট্রন সংখ্যা সমান থাকে
- গপ্রোটন ও নিউট্রন সংখ্যা সমান থাকে
- ঘপ্রোটন সংখ্যা সমান থাকে
সঠিক উত্তর: ঘ. প্রোটন সংখ্যা সমান থাকে
প্রশ্নটা যাচাই করছে আইসোটোপের সংজ্ঞা। একই মৌলের যেসব পরমাণুর প্রোটন সংখ্যা, মানে পারমাণবিক সংখ্যা সমান কিন্তু নিউট্রন সংখ্যা আলাদা, সেগুলোকে আইসোটোপ বলে। নিউট্রন আলাদা হওয়ায় এদের ভর সংখ্যাও আলাদা হয়।
কেন প্রোটনই আসল শর্ত: প্রোটন সংখ্যাই ঠিক করে পরমাণুটি কোন মৌল। প্রোটন বদলালে মৌলই বদলে যায়, তাই একই মৌলের বিভিন্ন রূপ মানে প্রোটন স্থির রেখে নিউট্রনের পরিবর্তন।
উদাহরণ হাইড্রোজেন: প্রোটিয়ামে একটি প্রোটন ও কোনো নিউট্রন নেই, ডিউটেরিয়ামে একটি প্রোটন ও একটি নিউট্রন, ট্রিটিয়ামে একটি প্রোটন ও দুটি নিউট্রন। তিনটিই হাইড্রোজেন, কারণ প্রোটন একটিই।
কাছাকাছি তিনটি শব্দ গুলিয়ে যায়: ভর সংখ্যা সমান হলে আইসোবার, নিউট্রন সংখ্যা সমান হলে আইসোটোন। প্রোটন ও নিউট্রন দুটোই সমান হলে সেটি একই পরমাণু, আইসোটোপ নয়।
মনে রাখুন: আইসোটোপে প্রোটন, আইসোটোনে নিউট্রন, আইসোবারে ভর সংখ্যা সমান।
২১৩. ভারী পানি (Heavy water) এর সংকেত হচ্ছে – (৩১তম বিসিএস, ২০১১)
- ক2H2O2
- খH2O
- গD2O
- ঘHD2O2
সঠিক উত্তর: গ. D2O
ভারী পানি হলো ডিউটেরিয়াম অক্সাইড। সাধারণ পানির অণুতে দুটি সাধারণ হাইড্রোজেন ও একটি অক্সিজেন থাকে; ভারী পানিতে হাইড্রোজেনের জায়গায় থাকে দুটি ডিউটেরিয়াম পরমাণু। ডিউটেরিয়ামের প্রতীক ডি, তাই সংকেত ডি টু ও।
ডিউটেরিয়াম হাইড্রোজেনের একটি আইসোটোপ: এর নিউক্লিয়াসে একটি প্রোটনের সঙ্গে একটি নিউট্রনও থাকে, তাই এর ভর সাধারণ হাইড্রোজেনের প্রায় দ্বিগুণ।
হিসাব করলে সাধারণ পানির আণবিক ভর আঠারো, আর ভারী পানির কুড়ি; অর্থাৎ একই সংখ্যক অণুর ভারী পানি প্রায় এগারো শতাংশ বেশি ভারী। পারমাণবিক চুল্লিতে নিউট্রনের গতি কমাতে, অর্থাৎ মডারেটর হিসেবে, ভারী পানি ব্যবহৃত হয়।
ফাঁদ হলো দুই এইচ টু ও টু লেখা বিকল্পটি। এর মানে হাইড্রোজেন পারঅক্সাইডের দুটি অণু, পানি নয়।
মনে রাখুন: ‘ভারী’ শব্দ দেখলেই ডিউটেরিয়াম, প্রতীক D; তাই ভারী পানি D₂O।
২১৪. জারণ বিক্রিয়ায় ঘটে- (৩১তম বিসিএস, ২০১১)
- কইলেক্ট্রন বর্জন
- খইলেক্ট্রন গ্রহণ
- গইলেক্ট্রন আদান-প্রদান
- ঘতড়িৎ ধনাত্মক মৌলের বা মূলকের অপসারণ
সঠিক উত্তর: ক. ইলেক্ট্রন বর্জন
প্রশ্নটা জারণের আধুনিক সংজ্ঞা যাচাই করছে। ইলেকট্রনীয় তত্ত্ব অনুসারে যে বিক্রিয়ায় কোনো পরমাণু বা আয়ন ইলেকট্রন বর্জন করে, তাকে জারণ বলে; আর ইলেকট্রন গ্রহণ করলে বিজারণ।
পুরোনো সংজ্ঞাগুলো ছিল ভিন্ন ভিন্ন: অক্সিজেন যোগ বা হাইড্রোজেন অপসারণ, অথবা তড়িৎ ঋণাত্মক মৌল যোগ বা তড়িৎ ধনাত্মক মৌল ও মূলক অপসারণ। আধুনিক সংজ্ঞা এসব ক্ষেত্রকে এক কথায় ধরে: সবগুলোতেই আসলে ইলেকট্রন বর্জন ঘটে।
উদাহরণ: সোডিয়াম ও ক্লোরিন মিলে সোডিয়াম ক্লোরাইড তৈরির সময় সোডিয়াম একটি ইলেকট্রন ছেড়ে দেয়, তাই সোডিয়াম জারিত হয়; ক্লোরিন সেই ইলেকট্রন নেয়, তাই ক্লোরিন বিজারিত হয়। জারণ ও বিজারণ সবসময় একসঙ্গে ঘটে, একে রেডক্স বিক্রিয়া বলে।
ফাঁদ দুটি। ইলেকট্রন আদান প্রদান পুরো রেডক্স বিক্রিয়ার বর্ণনা, শুধু জারণের নয়। আর তড়িৎ ধনাত্মক মৌল অপসারণ পুরোনো আংশিক সংজ্ঞা; সব ক্ষেত্র ধরে না বলে আধুনিক উত্তর ইলেকট্রন বর্জন।
মনে রাখুন: জারণে ইলেকট্রন যায়, বিজারণে ইলেকট্রন আসে; বাকি সব পুরোনো সংজ্ঞা এরই বিশেষ রূপ।
২১৫. বিদ্যুতের উচ্চতর ভোল্ট থেকে নিম্নতর ভোল্ট পাওয়া যায়- (৩১তম বিসিএস, ২০১১)
- কট্রান্সমিটারের সাহায্যে
- খস্টেপ-আপ ট্রান্সফর্মারের সাহায্যে
- গস্টেপ-ডাউন ট্রান্সফর্মারের সাহায্যে
- ঘএডাপটারের সাহায্যে
সঠিক উত্তর: গ. স্টেপ-ডাউন ট্রান্সফর্মারের সাহায্যে
উচ্চ ভোল্টেজকে নিম্ন ভোল্টেজে নামাতে ব্যবহৃত হয় স্টেপ ডাউন ট্রান্সফরমার। ট্রান্সফরমার তড়িৎচৌম্বক আবেশের নীতিতে কাজ করে, তাই এটি কেবল পরিবর্তী প্রবাহে চলে, একমুখী প্রবাহে নয়।
ট্রান্সফরমারে দুটি কুণ্ডলী থাকে: মুখ্য কুণ্ডলীতে বিদ্যুৎ ঢোকে, গৌণ কুণ্ডলী থেকে বের হয়। দুই কুণ্ডলীর ভোল্টেজের অনুপাত তাদের পাকসংখ্যার অনুপাতের সমান। গৌণ কুণ্ডলীর পাক কম হলে ভোল্টেজ কমে, সেটিই স্টেপ ডাউন; বেশি হলে ভোল্টেজ বাড়ে, সেটি স্টেপ আপ।
উদাহরণ: মুখ্য কুণ্ডলীতে দুইশো কুড়ি ভোল্ট ও এক হাজার পাক, গৌণ কুণ্ডলীতে পঞ্চাশ পাক হলে বের হবে এগারো ভোল্ট। বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে উচ্চ ভোল্টেজে পাঠানো বিদ্যুৎ বাড়িতে পৌঁছানোর আগে এভাবেই নামানো হয়।
ফাঁদ হলো অ্যাডাপ্টার। অ্যাডাপ্টার একটি সম্পূর্ণ যন্ত্র, যার ভেতরে ভোল্টেজ কমানোর ব্যবস্থার সঙ্গে প্রবাহকে একমুখী করার অংশও থাকতে পারে; ভোল্টেজ নামানোর মূল যন্ত্র হিসেবে উত্তর স্টেপ ডাউন ট্রান্সফরমার।
মনে রাখুন: গৌণ কুণ্ডলীর পাক কম মানে স্টেপ ডাউন, বেশি মানে স্টেপ আপ।
২১৬. কাজ ও বলের একক যথাক্রমে- (৩১তম বিসিএস, ২০১১)
- কনিউটন ও মিটার
- খজুল ও ডাইন
- গওয়াট ও পাউন্ড
- ঘপ্যাসকেল ও কিলোগ্রাম
সঠিক উত্তর: খ. জুল ও ডাইন
প্রশ্নটা যথাক্রমে কাজের একক ও বলের একক চেয়েছে, তাই প্রথমটি কাজের ও দ্বিতীয়টি বলের একক হতে হবে।
আন্তর্জাতিক বা এসআই পদ্ধতিতে কাজের একক জুল, সিজিএস পদ্ধতিতে আর্গ। বলের একক এসআই পদ্ধতিতে নিউটন, সিজিএস পদ্ধতিতে ডাইন। এক নিউটন বল কোনো বস্তুকে বলের দিকে এক মিটার সরালে এক জুল কাজ হয়।
বিকল্প ‘জুল ও ডাইন’ দুই পদ্ধতির একক মিশিয়েছে, তবু প্রথমটি কাজের ও দ্বিতীয়টি বলের সঠিক একক; ক্রম মেলে কেবল এই বিকল্পেই।
ফাঁদ হলো ‘নিউটন ও মিটার’। কাজের সূত্রে বল গুণ সরণ থাকে বলে নিউটন আর মিটার চোখে পড়ে, কিন্তু নিউটন বলের একক আর মিটার দৈর্ঘ্যের; কাজের একক কোনোটিই নয়।
মনে রাখুন: ‘যথাক্রমে’ দেখলে প্রতিটি বিকল্পের প্রথম শব্দ আগে মিলিয়ে নিন; কাজের একক জুল দিয়ে শুরু একটিই।
২১৭. আকাশে বিদ্যুৎ চমকায় – (৩১তম বিসিএস, ২০১১)
- কমেঘের অসংখ্য জলকণা/বরফকণার মধ্যে চার্জ সঞ্চিত হলে
- খদুখণ্ড মেঘ পরস্পর সংঘর্ষ হলে
- গমেঘের মধ্যে বিদ্যুৎ কোষ তৈরি হলে
- ঘমেঘ বিদ্যুৎ পরিবাহী অবস্থায় এলে
সঠিক উত্তর: ক. মেঘের অসংখ্য জলকণা/বরফকণার মধ্যে চার্জ সঞ্চিত হলে
বিদ্যুৎ চমকানো হলো মেঘে জমা বিপুল পরিমাণ বৈদ্যুতিক চার্জের হঠাৎ নির্গমন। প্রশ্ন জানতে চেয়েছে সেই চার্জ কোথা থেকে আসে।
যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় আবহাওয়া সংস্থার ব্যাখ্যা অনুযায়ী বজ্রমেঘের ভেতরের ঊর্ধ্বমুখী বাতাসে অতিশীতল জলকণা, ছোট বরফকণা ও নরম শিলাকণা মিশে থাকে। এগুলোর সংঘর্ষে ছোট বরফকণা ধনাত্মক আর ভারী শিলাকণা ঋণাত্মক চার্জ পায়।
হালকা ধনাত্মক বরফকণা বাতাসে মেঘের চূড়ায় ওঠে, ভারী ঋণাত্মক কণা থাকে মেঘের মাঝখানে ও নিচে; নিচের মাটিতে আবিষ্ট হয় ধনাত্মক চার্জ। চার্জের এই পার্থক্য খুব বেড়ে গেলে বাতাসের মধ্য দিয়ে বিশাল স্ফুলিঙ্গের মতো নির্গমন ঘটে, সেটাই বিদ্যুৎ চমক।
ফাঁদ হলো দুই খণ্ড মেঘের সংঘর্ষ। প্রচলিত ধারণা হলেও আসল সংঘর্ষ ঘটে একই মেঘের ভেতরের জলকণা ও বরফকণার মধ্যে, মেঘের খণ্ডে খণ্ডে নয়।
মনে রাখুন: বিদ্যুৎ চমকের মূল কথা চার্জ জমা ও চার্জের পার্থক্য; সংঘর্ষ হয় কণায় কণায়, মেঘে মেঘে নয়।
২১৮. কোন নিষ্ক্রিয় গ্যাসে (Inert gas) আটটি ইলেকট্রন নেই? (৩১তম বিসিএস, ২০১১)
- কহিলিয়াম
- খনিয়ন
- গআর্গন
- ঘজেনন
সঠিক উত্তর: ক. হিলিয়াম
নিষ্ক্রিয় গ্যাসগুলো পর্যায় সারণির শেষ কলামে থাকে। এদের শেষ শক্তিস্তর ইলেকট্রনে পূর্ণ, তাই এরা সহজে বিক্রিয়ায় অংশ নেয় না।
অধিকাংশ নিষ্ক্রিয় গ্যাসের শেষ স্তরে আটটি ইলেকট্রন থাকে, যাকে অষ্টক বলে। নিয়নের পারমাণবিক সংখ্যা দশ, বিন্যাস দুই ও আট; আর্গনের আঠারো, বিন্যাস দুই, আট, আট; জেননের চুয়ান্ন, শেষ স্তরেও আট।
হিলিয়াম ব্যতিক্রম। এর পারমাণবিক সংখ্যা দুই, ইলেকট্রন মাত্র দুটি, আর প্রথম স্তরে সর্বোচ্চ দুটি ইলেকট্রনই ধরে। তাই হিলিয়ামের একমাত্র স্তর দুটি ইলেকট্রনেই পূর্ণ; এটিও অষ্টকের মতো স্থিতিশীল বিন্যাস।
ফাঁদ হলো সব নিষ্ক্রিয় গ্যাসকে অষ্টকের উদাহরণ ভাবা; শেষ স্তর পূর্ণ হওয়াই আসল শর্ত, আটটি ইলেকট্রন নয়।
মনে রাখুন: নিষ্ক্রিয় গ্যাসের তালিকায় হিলিয়ামই একমাত্র দুই ইলেকট্রনের, বাকি সবার শেষ স্তরে আট।
২১৯. এপিকালচার বলতে বুঝায়- (৩১তম বিসিএস, ২০১১)
- করেশমের চাষ
- খমৎস্য চাষ
- গমৌমাছির চাষ
- ঘপাখিপালন বিদ্যা
সঠিক উত্তর: গ. মৌমাছির চাষ
প্রশ্নটা কৃষি ও প্রাণিপালনের পারিভাষিক শব্দ যাচাই করছে। এপিকালচার মানে মৌমাছি পালন, অর্থাৎ মধু ও মোম সংগ্রহের জন্য পরিকল্পিতভাবে মৌমাছির চাষ।
শব্দটা ভাঙলেই অর্থ মেলে: এপিস হলো মধু মৌমাছির গণের বৈজ্ঞানিক নাম, আর কালচার মানে চাষ বা পালন।
একই ছাঁচের অন্য শব্দগুলো: সেরিকালচার মানে রেশম চাষ, পিসিকালচার মানে মাছ চাষ, এভিকালচার মানে পাখি পালন। প্রতিটির শুরুর অংশটি প্রাণী বা পণ্যের লাতিন বা গ্রিক মূল থেকে এসেছে।
ফাঁদ হলো রেশম চাষ। রেশম পোকা ও মৌমাছি দুটোই পতঙ্গ বলে গুলিয়ে যায়, কিন্তু রেশম চাষের নাম সেরিকালচার।
মনে রাখুন: কালচারের আগের অংশটি দেখুন: এপি মৌমাছি, সেরি রেশম, পিসি মাছ, এভি পাখি।
২২০. বিগ ব্যাং (Big Bang) তত্ত্বের আধুনিক তত্ত্ব ব্যাখ্যা উপস্থাপন করেছেন – (৩১তম বিসিএস, ২০১১)
- কস্টিফেন হকিং
- খজি লেমেটার
- গআব্দুস সালাম
- ঘএডুইন হাবল
সঠিক উত্তর: ক. স্টিফেন হকিং
প্রশ্নের ভাষা একটু জটিল: বিগ ব্যাং তত্ত্বের আধুনিক ব্যাখ্যা কে দিয়েছেন। এখানে দুই পর্ব আলাদা করে বোঝা দরকার: তত্ত্বের জন্ম আর তার আধুনিক তাত্ত্বিক ভিত্তি।
বেলজিয়ান বিজ্ঞানী ও যাজক জর্জ লেমেত্র ১৯২৭ সালে প্রসারণশীল মহাবিশ্বের প্রস্তাব দেন এবং ১৯৩১ সালে আদি পরমাণু থেকে মহাবিশ্বের শুরুর ধারণা দেন; তাঁকেই বিগ ব্যাংয়ের জনক বলা হয়। ১৯২৯ সালে এডউইন হাবলের পর্যবেক্ষণ দেখায় যে দূরের ছায়াপথগুলো সরে যাচ্ছে।
১৯৭০ সালে স্টিফেন হকিং ও রজার পেনরোজ গাণিতিকভাবে দেখান যে সাধারণ আপেক্ষিকতা সত্য হলে মহাবিশ্বের শুরু একটি অনন্যতা বিন্দু থেকে হওয়া অনিবার্য। এ কারণে আধুনিক ব্যাখ্যার প্রশ্নে প্রচলিত উত্তর স্টিফেন হকিং।
ফাঁদ হলো লেমেত্র। প্রবর্তক জানতে চাইলে উত্তর লেমেত্র, কিন্তু এই প্রশ্ন আধুনিক ব্যাখ্যা জানতে চেয়েছে। প্রশ্নে ‘প্রবক্তা’ না ‘আধুনিক ব্যাখ্যা’, সেটি খেয়াল করুন।
মনে রাখুন: ‘প্রবক্তা’ বা ‘জনক’ মানে লেমেত্র; ‘আধুনিক ব্যাখ্যা’ মানে স্টিফেন হকিং।